রুকিইয়া শরইয়া হেডিং সেন্টার ভোলা

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • রুকিইয়া শরইয়া হেডিং সেন্টার ভোলা

রুকিইয়া শরইয়া হেডিং সেন্টার ভোলা পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ স্থান সিজদাহ্
💠---------------সেখানে---------------💠
❤-মৃত্যু হলে জান্নাত সুনিশ্চিত-❤️
(1)

04/08/2026

এখানে স্বল্প খরচে, স্থায়ীভাবে বাড়ি বন্ধ, এবং অনলাইনে রুকিয়াহ করা হয় করা হয়, দীর্ঘদিন যারা বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে , আক্রান্ত রয়েছেন, তাদের জন্য রয়েছে কুরআন সুন্নাহের আলোকে চিকিৎসাহ,
আমাদের সেবাসমূহ (রোগ নির্ণয় ও শরয়ী চিকিৎসা):
🧪 সঠিক রোগ নির্ণয়: সমস্যা জিনের, জাদুর নাকি শারীরিক—তা যাচাইকরণ।
🔮 জাদু ও বান মারা: যেকোনো ধরনের কালা জাদু বা বানের প্রভাব নষ্ট করা।
👁️ বদ নজর (আইনুন-নাস): হিংসা বা কু-নজরের প্রভাব থেকে মুক্ত করার রুকিয়াহ।
👻 জিনের উপদ্রব: জিনগ্রস্ত রোগীর শরয়ী পন্থায় চিকিৎসা ও ছাড়ানো।
💔 পারিবারিক অশান্তি: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার অহেতুক ঝগড়া ও অমিল দূরীকরণে চিকিৎসা।
💤 ঘুমের সমস্যা: ঘন ঘন খারাপ বা ভীতিজনক স্বপ্ন দেখার স্থায়ী সমাধান।
💼 জীবিকায় বাধা: চাকরি বা ব্যবসায় অস্বাভাবিক বাঁধা দূরীকরণে আমল ও পরামর্শ।
🌿 অন্যান্য আরবীয় ঐতিহ্যবাহী শরয়ী চিকিৎসা।
পরামর্শ ও চিকিৎসায়:
বিশিষ্ট রাকি ও মুদাব্বির
হাফেজ মাওলানা মুফতী হুসাইন আহমাদ
📞 যোগাযোগের জন্য: 01819890948
📍 ঠিকানা: . ভোলা

04/08/2026

একটি বাড়িতে প্রায় সকল সদস্যদেরকে টার্গেট করে ফেলেছিল, আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ তায়ালার কুদরতে, এখন বাড়ির সকলেই নিরাপদে আছে, সকলকেই রুকাইয়া করে দিয়েছি, এবং তদবির দিয়েছি, স্থায়ীভাবে কোরআনের চিকিৎসায়, বাড়ি বন্ধ করে দিয়েছি।

আমাদের সেবাসমূহ (রোগ নির্ণয় ও শরয়ী চিকিৎসা):
🧪 সঠিক রোগ নির্ণয়: সমস্যা জিনের, জাদুর নাকি শারীরিক—তা যাচাইকরণ।
🔮 জাদু ও বান মারা: যেকোনো ধরনের কালা জাদু বা বানের প্রভাব নষ্ট করা।
👁️ বদ নজর (আইনুন-নাস): হিংসা বা কু-নজরের প্রভাব থেকে মুক্ত করার রুকিয়াহ।
👻 জিনের উপদ্রব: জিনগ্রস্ত রোগীর শরয়ী পন্থায় চিকিৎসা ও ছাড়ানো।
💔 পারিবারিক অশান্তি: স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার অহেতুক ঝগড়া ও অমিল দূরীকরণে চিকিৎসা।
💤 ঘুমের সমস্যা: ঘন ঘন খারাপ বা ভীতিজনক স্বপ্ন দেখার স্থায়ী সমাধান।
💼 জীবিকায় বাধা: চাকরি বা ব্যবসায় অস্বাভাবিক বাঁধা দূরীকরণে আমল ও পরামর্শ।
🌿 অন্যান্য আরবীয় ঐতিহ্যবাহী শরয়ী চিকিৎসা।
পরামর্শ ও চিকিৎসায়:
বিশিষ্ট রাকি ও মুদাব্বির
হাফেজ মাওলানা মুফতী হুসাইন আহমাদ
📞 যোগাযোগের জন্য: 01819890948
📍 ঠিকানা: ভোলা সদর

02/08/2026
30/07/2026

কোনো বাড়িতে যদি জ্বিনের উৎপাত থাকে, তাহলে তাড়াবেন কিভাবে?

এর বেশ কয়েকটি বৈধ পদ্ধতি আছে, সবগুলোই কমবেশি ফলপ্রসূ।

প্রথম পদ্ধতি: আপনি আরো দুজন লোক সাথে নিয়ে ওই বাড়িতে যাবেন, তারপর জোরে জোরে কয়েকবার বলবেনঃ

أُنَاشِدُكُمْ بِالْعَهْدِ الَّذِيْ أَخَذَهُ عَلَيْكُمْ سُلَيْمَانَ أَنْ تَرْحَلُوْا وَتَخْرُجُوْا مِنْ بَيْتِنَا أُنَاشِدُكُمُ اللّٰهُ أَنْ تَخْرُجُوْا وَلَا تُؤْذُوْا أحَدًا

অর্থাৎ: “আমি তোমাদের সেই ওয়াদার জন্য আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি, যে ওয়াদা সুলাইমান আ. তোমাদের থেকে নিয়েছেন। আমি আল্লাহর শপথ করে বলছি, তোমরা বের হয়ে যাও এবং কারো ক্ষতি করো না।”

পরপর তিনদিন এরকম করবেন, আরবিও বলবেন, বাংলাও বলবেন। ইনশাআল্লাহ! জ্বিনেরা বাড়ি ছেড়ে চলে যাবে। এরপরেও যদি কোনো সমস্যা টের পান, তাহলে দ্বিতীয় পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

দ্বিতীয় পদ্ধতি: একটা বড় পাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি নিন, এরপর পানির কাছে মুখ নিয়ে নিচের দু’আটি পড়ুন-

بِسْمِ اللّٰهِ ، اَمْسِيْنَا بِا للّٰهِ الَّذِيْ لَيْسَ مِنْهُ شَيْءٌ مُمْتَنِعٌ ، وَبِعِزَّةِ اللّٰهِ الَّتِيْ لَا تُرَامُ وَلَا تُضَامُ، وَبِسُلْطَانِ اللّٰهِ الْمُنِيْعِ نَحْتَجِبُ، وَبِأَسْمَائِهِ الْحُسْنٰى كُلِّهَا عَائِذٌ مِّنَ الْأَبَالِسَةِ ، وَمِنْ شَرِّ شَيَاطِيِنِ الْإِنْسِ وَالْجِنِّ ، وَمِنْ شَرِّ كُلَّ مُعْلِنٌ اَوْ مُسِرٌّ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَخْرُجُ بِاللَّيْلِ وَيَكْمُنُ بِالنَّهَارِ ، ويَكْمُنُ بِاللَّيْلِ و يَخْرُجُ بِالنَّهَارِ ، وَمِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَذَرَأَ وَبَرَأَ ، وَمِنْ شَرِّ اِبْلِيْسِ وَجُنُوْدِهِ ، وَمِنْ شَرِّ دَابَّةٍ اَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا إِنَّ رَبِّيْ عَلٰى صِرَاطٍ مُّسْتَقِيْمٍ ، اَعُوْ بِمَا اسْتَعَاذَ بِهٖ مُوْسٰى ، وَعِيْسٰى ، وَاِبْرَاهِيْمَ الَّذِيْ وَفّٰى ، وَمِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ وَذَرَأَ وَبَرَأَ ، وَمِنْ شَرِّ اِبْلِيْسِ وَجُنُوْدِهِ ، وَمِنْ شَرِّ مَا يَبْغٰي

এরপর আউযুবিল্লাহ বিসমিল্লাহ সহ (২৩ পারায়) সুরা সফফাত এর প্রথম ১০ আয়াত পড়ুন,

اعوذ بالله من الشيطن الرجيم – بسم الله الرحمن الرحيم
وَالصَّافَّاتِ صَفًّا (1) فَالزَّاجِرَاتِ زَجْرًا (2) فَالتَّالِيَاتِ ذِكْرًا (3) إِنَّ إِلَهَكُمْ لَوَاحِدٌ (4) رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَرَبُّ الْمَشَارِقِ (5) إِنَّا زَيَّنَّا السَّمَاءَ الدُّنْيَا بِزِينَةٍ الْكَوَاكِبِ (6) وَحِفْظًا مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ مَارِدٍ (7) لَا يَسَّمَّعُونَ إِلَى الْمَلَإِ الْأَعْلَى وَيُقْذَفُونَ مِنْ كُلِّ جَانِبٍ (8) دُحُورًا وَلَهُمْ عَذَابٌ وَاصِبٌ (9) إِلَّا مَنْ خَطِفَ الْخَطْفَةَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ ثَاقِبٌ (10)

সব পড়ে পানিতে ফুঁ দিবেন। এবং ওই পানি পুরো বাড়ীতে ছিটিয়ে দিবেন। ইনশাআল্লাহ আর কোনো সমস্যা থাকবে না। বাড়িতে দুষ্ট জ্বিন থাকলে চলে যাবে।

(উপরিউক্ত পদ্ধতি ইবনুল কায়্যিম রহ. উনার ﺍﻟﻮﺍﺑﻞ ﺍﻟﺼﻴﺐ ﻓﻲ ﺍﻟﻜﻠﻢ ﺍﻟﻄﻴﺐ ‏ কিতাবে বর্ণনা করেছেন, বিন বায রহ. থেকেও এই আলোচনা পাওয়া যায়। আমার মনে হয়, উপরের পদ্ধতি অনুসরণ করে পানি ছিটানোর পর একবার আযান দেয়া উত্তম)

তৃতীয় (সুন্নাহর অধিক নিকটবর্তি) পদ্ধতি:

এটা গত ২রা মার্চ মুন্সিগঞ্জের মাহফিলে সাইয়্যেদ আসজাদ মাদানী দা.বা. বয়ান করেছেন। কোনো বাড়িতে জ্বিনের উৎপাত থাকলে সেই বাড়িতে পরপর তিনদিন সুরা বাক্বারা তিলাওয়াত করতে হবে। আর নতুন বাড়ি করার পর যদি পরপর তিনদিন সুরা বাক্বারা তিলাওয়াত করা হয়, তাহলে আগে থেকে কোনো জ্বিন বা অন্য ক্ষতিকর মাখলুক থাকলে চলে যাবে। এর সমর্থনে হাদিসও আছে।

তো, এই হচ্ছে বাড়ি থেকে খবিস জ্বিন তাড়ানোর সমাধান। তবে এসব করার পরে আর যেন সমস্যা না হয়, এজন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখবেনঃ

১. বাড়িতে ইসলামী পরিবেশ চালু রাখার চেষ্টা করা, বিশেষতঃ কোনো প্রাণীর ভাস্কর্য বা ছবি যেন ঘরে টাঙানো না থাকে। রাসুল সা. বলেছেন যে ঘরে কুকুর বা জীবজন্তুর ছবি থাকে, সেখানে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।

২. আর নফল – সুন্নাত নামাজ সম্ভব হলে ঘরে পড়বেন। আহলিয়া থাকলে বলবেন, যে ঘরে সবসময় নামাজ পড়া হয়, সেটা বাদে অন্যান্য ঘরেও যেন মাঝেমাঝে পড়ে।

৩. সম্ভব হলে প্রতিমাসে ১-২বার সুরা বাক্বারা পড়া।

৪. বিসমিল্লাহ বলে বাড়িতে প্রবেশ করা, বিসমিল্লাহ বলে দরজা – জানালা বন্ধ করা।

৫. টয়লেটের দরজা বন্ধ রাখা।

আল্লাহ আমাদের হিফাজত করুন, আ-মীন।

[খ]

কোনো জ্বিনে ধরা রুগীর চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে অনেকগুলো ব্যাপার থাকে, যেসব চিকিৎসককে খেয়াল রাখতে হয়। প্রথমত: উপস্থিত বুদ্ধি এখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যাহোক, এখন আমরা জানবো যিনি চিকিৎসা করবেন তার কি কি গুন থাকা উচিত-

১. আকিদা বিশুদ্ধ হওয়া, শিরক-বিদআতমুক্ত পরিচ্ছন্ন ইসলামী আক্বিদার অনুসারী হওয়া।

২. মৌলিক ইবাদাতগুলো তথা নামাজ-কালাম, মাহরাম-গাইরে মাহরাম এসব বিষয়ে যত্নবান হওয়া। হালাল-হারামের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া, হারাম থেকে বেঁচে থাকা।

৩. অধিক পরিমাণে জিকির-আজকার, রোজা, তাহাজ্জুদ ইত্যাদির মাধ্যমে আত্মিকভাবে দৃঢ় হওয়া।

৪. আল্লাহর কালাম যে জ্বিন-শয়তানের ওপর প্রভাব ফেলতে সক্ষম, এব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস (ইয়াক্বীন) রাখা।

৫. জ্বিন জাতির অবস্থা তথা: প্রকারভেদ, জাতপাত, কাজকর্ম, সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, কিভাবে মানুষের ওপর আসর করে, কিভাবে কিভাবে বের হয়… ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত থাকা।

৬. জ্বিনদের মাঝে মিথ্যা বলার প্রবণতা খুবই বেশি! এজন্য জ্বিনদের স্বভাব, ধোঁকাবাজি, কূটকৌশলের ব্যাপারে সতর্ক থাকা। (যেমন: দ্বিতীয় পর্বে বলা ইবনে তাইমিয়া রহ. এর ঘটনায়… জ্বিন বলেছিল আপনার কথা মেনে চলে যাচ্ছি। ইবনে তাইমিয়া রহ. বললেন, না! তুমি আল্লাহ এবং রাসুল স. এর আনুগত্য করে চলে যাও। এখানে উনি এই কথা না বললে সম্ভাবনা ছিল, হয়তো উনার মৃত্যুর পর আবার জ্বিন ফিরে আসতো। ইমাম আহমাদ বিন হাম্বলের ঘটনায় যেমনটা আমরা দেখেছি!)

৭. রাসুল সা. এর শিখিয়ে দেয়া দু’আগুলো যেমন: ঘরে – মসজিদে ঢোকার দোয়া, বের হওয়ার দোয়া, কুকুর ডাকতে শুনলে দোয়া (আ’উযুবিল্লাহ পড়তে হয়) কাক ডাকতে শুনলে দোয়া, টয়লেটে ঢোকার-বের হবার দোয়া, এসবের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া। এজন্য বিশুদ্ধ এবং নির্ভরযোগ্য কোনো গ্রন্থের সহায়তা নেয়া যেতে পারে।

৮. নিজের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকা। কারণ, আপনি নিজেই দুর্বল হলে অন্যের ওপর ভর করা শয়তানকে শায়েস্তা করবেন কিভাবে? এজন্য খারাপ জ্বিন-শয়তান থেকে বাঁচার জন্য যা যা করনীয় আছে, সেসব গুরুত্ব সহকারে করা। (এক শায়খের ঘটনা আগেও বলা হয়েছে। জ্বিন ছাড়ানোর সময় উনার ওপরেই আসর করার চেষ্টা করেছিলো জ্বিন, কিন্তু সকালে দুয়া পড়ার কারণে পারেনি)

৯. আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, জ্বিন ছাড়াতে গিয়ে কোরআন-সুন্নাহ বিরোধী অবৈধ কোনো পন্থার অনুসরণ না করা। সম্পূর্ণ আল্লাহর ওপর তাওয়াককুল (ভরসা) রাখা। যে, আল্লাহ অবশ্যই এই বিপদ থেকে উদ্ধার করবেন।

সূভ সকাল
25/07/2026

সূভ সকাল

Address

Barishal
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রুকিইয়া শরইয়া হেডিং সেন্টার ভোলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share