29/03/2026
মেডিক্যাল থার্ড ইয়ার থেকে 'ওয়ার্ড' ম্যান্ডেটরি,ওয়ার্ডে গিয়ে অনেক মেইল পেশেন্ট এক্সামিন করার সময় তাদের পেনিস টাচ করা লাগে। করতেই হয় ইন-কেইস অব-স্টাডি!
এভাবে ফাইনাল প্রফ পাস করার পর, এরপর ১ বছরের ইন্টার্নশিপ করতে হয় হাসপাতালে।
ইন্টার্নশিপ শেষ হলে BMDC (Bangladesh Medical & Dental Council) থেকে রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যায়।
ইন্টার্নশিপ সময়ে টানা ১ বছর সিনিয়র ডাক্তারের অধীনে কাজ করতে হয়, নিবিড় পরিচর্যা চলে, তখন আউট অফ প্রফেশনে গিয়ে উচ্চপদস্থ মেইল ডাক্তারের কিছু ডিমান্ড ফুল্ফিল করতে হয়!
সেটা ডেফিনিটলি সে*ক্স, ফিজিক্যালি সন্তুষ্ট করা ইত্যাদি, এটা না চাইলেও করা লাগে...! ফর ব্রাইট ফিউচার (!)
৫/৬ বছর মেডিক্যাল পড়াশোনা শেষ করেও যদি কেউ BMDC-র Permanent Registration না পায়!
সে বাংলাদেশে আইনগতভাবে ডাক্তারি প্র্যাকটিস করতে পারবে না। প্রেসক্রিপশন লেখা, হাসপাতালে ডাক্তার হিসেবে চাকরি করা, সরকারি বেতন কিছুই সম্ভব হবে না।
তখন একটা নারী ডাক্তারের জন্য দুইটা পথ খোলা থাকে, ১/ ঈমান ও সতীত্ব রক্ষা করে ঘরে ফিরে আসা, দীর্ঘদিনের স্বপ্ন মুহুর্তের মধ্যে বিসর্জন দেয়া, ২/ নিজের সতীত্ব বিসর্জন দিয়ে ইন্টার্নশিপ কমপ্লিশন সার্টিফিকেট অর্জন করা।
এখন বলেন! এই পরিস্থিতি কোনটা সহজ ব্যাটার অপশন?
অনেক নারী আছেন, যারা ডাক্তারি পড়াশোনা শেষ করেও স্বেচ্ছায় এই পেশা ছেড়ে দেন, কারণ ডাক্তারি প্রফেশনে নানা ধরনের ঝামেলা সামলাতে হয়, আর পুরুষদের সাথে নিয়মিত ঘনিষ্ঠ ইন্টার্যাকশনের পরিবেশ তৈরি হয় এজন্যে।
এই পরিবেশে সৎ থাকা, পর্দা রক্ষা করা এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করা, স্বামীর হক যথাযথ হেফাজত করা খুবই কঠিন ও অসম্ভব হয়ে যায়।
তাই প্রোফেশনের চাহিদা ও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও অনেক লজ্জাশীলা নারী স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান।
প্রতিবছর দেশে শত শত হিজাবী দ্বীনদার মেয়ে মেডিকেলে ঢুকলেও শত শত দ্বীনদার ডাক্তার এজন্যই বের হচ্ছে না!
অর্থাৎ মেডিক্যালে ভর্তি হয় হিজাব ও পর্দা করে, আর বের হয় বেপরোয়া ওয়েস্টার্ন হয়ে। এরাই শিয়ালের সহজ শিকারে পরিণত হয়, শিয়াল চারদিকে ওঁৎ পেতে আছে।
একারণেই মেডিক্যাল থেকে হাজার হাজার ফে*মিনিস্ট, মডারেট চিন্তার কর্পোরেট দাস বের হচ্ছে, যার অধিকাংশই সতীত্ব বিলিয়ে দিয়ে ফিরে আসা ভোগবাদী প*তি*তা..!
যদি আজ খিযির (আ) বেচেঁ থাকতেন, এই শিক্ষাব্যবস্থা কে জীবন্ত পতিতালয় বলতেন (!)