20/02/2026
মাননীয়
প্রধান মন্ত্রী জনাব Tarique Rahman। আমি জাতিয়তাবাদী পরিবারের একজন নগন্য শুভাকাক্ষী। প্রতিবছর বর্ষার মৌসুম আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙ্গন। ২০২৪ সালের বন্যায় আমরা নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হতে দেখেছি। বর্ষা শুরুর আগে যদি বর্তমান সরকার নদী ভাঙন এলাকা গুলো চিনহিত করে বেরীবাদ,ও বিশেষ জুকিপুর্ণ অংশ গুলো আগে থেকে মেরামত করা হয়। তাহলে বানবাসী ও নদীর পারের মানূষ এর জীবন চিত্র সহজ হবে।
নিম্নে প্রধান নদী ভাঙন এলাকা ও নদ-নদীসমূহ উল্লেখ্য করিলাম-
🟥যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা:- কুড়িগ্রাম (উলিপুর), গাইবান্ধা, জামালপুর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও মানিকগঞ্জ।
🟥পদ্মা অববাহিকা: রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ, ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, শরিয়তপুর (জাজিরা) ও চাঁদপুর ।
🟥অন্যান্য নদী: তিস্তা, ধরলা, আত্রাই, কুশিয়ারা, খোয়াই, সুরমা ও গোমতী।
ভাঙনের কারণ ও ধরণ:
🟥প্রাকৃতিক: বর্ষা ও বন্যার সময় তীব্র স্রোত এবং নদীপথের পরিবর্তনের কারণে নরম পাড় ভেঙ্গে পড়ে।
🟥মানবসৃষ্ট: নদী থেকে বালি উত্তোলন, অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ এবং পাড়ের কাছাকাছি গাছপালা কেটে ফেলার কারণে ভাঙন তীব্রতর হয় ।
🟥প্রভাব: নদী ভাঙনে প্রতি বছর প্রায় ১০,০০০ হেক্টর জমি বিলীন হয়, যার ফলে লাখো মানুষ গৃহহীন ও নিঃস্ব হয়ে পড়ে
সাধারণত পানি কমে যাওয়ার সময় অর্থাৎ আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে এই ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করে ।
-আব্দুর রহিম
-অনলাইন এক্টিভিস্ট
Bangladesh Nationalist Party-BNP