Hello with IR

Hello with IR আমার দুঃখ আমারই থাক,
দুঃখ জানলে আমাকে জেনে যাবে!

23/08/2026

গার্লফ্রেন্ড হঠাৎ আমাকে ফোন দিয়ে ব'লে তুমি রাত ৮ টার ভেতর আমার বাসায় চলে আসবা, এটা বলেই ও ফোন কে--টে দেয়

আমার বাবা হসপিটালে ছিলো আমি ওখানেই ছিলাম রাস্তায় অনেক জ্যাম হওয়ার কারণে গার্লফ্রেন্ডের বাসায় পৌঁছাতে একটু দেরি করে ফেলি রাত ৯ টা বেজে গিয়েছিলো, গিয়ে দেখি তাঁর বিয়ে হ'য়ে গেছে আমি পৌছানোর ৪২ মিনিট আগে,হতাশ হ'য়ে রুম থেকে বেরিয়ে তাঁর বাসার সামনে বসে অনেক কান্নাকাটি করছিলাম

তাঁর কিছু সময় পরেই হাসপাতাল থেকে আম্মু ফোন দিয়ে বলে,"তোর বাবা আর নেই!'

~ Hasan

Video coming soon
18/08/2026

Video coming soon

No, seriously i mean how can a series be so feel-good, romantic, soothing and reality check type series all together?"Mu...
30/07/2026

No, seriously i mean how can a series be so feel-good, romantic, soothing and reality check type series all together?

"Musafir Cafe" is the absolute 10/10 comfort series which teaches about accepting everything that comes in life.. It teaches about love, right time, right person, and let go of the burden where u r the only one who is sacrificing even if it's with the right person...And speaking of the love that some of us don't ever get in life and some of us get it late..

Eight years of unanswered questions...Eight years of memories that never completely faded.

Sometimes people choose their dreams over the people who love them..And maybe that's not wrong. But we rarely talk about the ones left behind-the ones who had to learn how to live with someone still alive, yet no longer part of their life.

There's a certain sukoon in Musafir Cafe that's hard to put into words. It felt comforting, emotional, and honest ; the kind of watch that makes you slow down and sit with your own thoughts for a while..

This series is more like a warm hug, which will stay with me for a long time..🫂

রাত ১১টা, ঢাকার একটি দোকানে ওষুধ কিনতে মানুষের ভিড়। দৃশ্যটা প্রতিদিনই এমন। যারা বিদেশ ঘোরেন, পৃথিবীর কোনো দেশে এমন দেখেছ...
24/07/2026

রাত ১১টা, ঢাকার একটি দোকানে ওষুধ কিনতে মানুষের ভিড়। দৃশ্যটা প্রতিদিনই এমন। যারা বিদেশ ঘোরেন, পৃথিবীর কোনো দেশে এমন দেখেছেন? বাংলাদেশে কেন এই অবস্থা বলতে পারেন কেউ?

শ্রীমঙ্গলে পর্যটক দম্পতি ব্লাকমেইলের শিকার! দেশের কোথাও স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে গেলেও একটু সতর্ক থাকবেন। সমুদ্র-পাহাড় ঘুরতে ...
24/07/2026

শ্রীমঙ্গলে পর্যটক দম্পতি ব্লাকমেইলের শিকার!
দেশের কোথাও স্ত্রীকে নিয়ে ঘুরতে গেলেও একটু সতর্ক থাকবেন। সমুদ্র-পাহাড় ঘুরতে যতবার আসবেন, ততবারই নিজেকে সদ্য বিবাহিত দম্পতি মনে হতেই পারে। মনে হতে পারে মধুচন্দ্রিমায় এসেছেন। রোমান্স করার ইচ্ছে অস্বাভাবিক নয়। বিশেষ করে নবদম্পতি..

কন্ট্রোল 🫴
কয়েকদিন আগে এক পর্যটক দম্পতি Meghmaloti Homestay নামের শ্রীমঙ্গলের একটি রিসোর্টে উঠেছিলো।

সেখানকার স্টাফরা তাদের অন্তরঙ্গ মূহুর্তের ছবি/ভিডিও গোপনে ধারণ করে। পরে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা দাবী করেছিলো।

বিশ্বকাপ চলায় এটা নিয়ে সেভাবে লেখালেখি হয়নি। সবার চোখেও পড়েনি।

রিসোর্টটি দ্রুত পেজটা ডিএকটিভ করে ফেলে। আজকে দেখলাম, নাম চেঞ্জ করে 'বেলাশেষে-Belasheshe' নামে অনলাইনে এসেছে। দয়া করে কেউ এই রিসোর্টে যাবেন না।

রিসোর্ট মালিক কখনও চাইবেনা, উনাদের কোটি টাকার বিজনেস এভাবে নষ্ট হোক। স্টাফরাই এসব করে থাকে। কিন্তু কথা হচ্ছে এই ঘটনায় প্রকৃত অপরাধী গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত রিসোর্টের কার্যক্রম স্থগিত থাকা উচিত ছিলো। তাদের উচিত ছিলো এই ব্যাপারে কমপ্লিট একটি ব্যাখা দেওয়া। তা না করে দ্রুত রিসোর্টের নাম পরিবর্তন, করে তারা ছলনার আশ্রয় নিয়েছে।

যাইহোক, এরকম পরিস্থিতিতে পড়লে আপনি যত বড়ই ক্ষমতা কিংবা বিত্তবান হোন না কেন! মোকাবেলা করাটা খুব টাফ।

শুধু স্ত্রী নয়। পরিবারের যেকোন নারী সদস্যকে নিয়ে যদি ঘুরতে যান। বান্ধুবীরা মিলেও যদি কোথাও ঘুরতে যান। চোখ কান খোলা রাখুন, সতর্ক থাকুন।

যে হোটেল বা রিসোর্টে উঠছেন...আপনাদের বেডরুম, ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা আদৌ আছে কীনা নিশ্চিত হোন। মাফ করবেন, তবুও বলি বেস্ট হয় ফিজিক্যাল না করাই।

খুব এক্সপেন্সিভ কোন হোটেলে উঠলেই যে, নিরাপদ। এই ভেবে আসলে স্বস্তিরও শ্বাস ফেলারও সুযোগ নেই।

আপনারা এই ঘটনাটি নিয়ে প্লীজ সংবাদ করুন। দেশের পর্যটন শিল্পের সাথে জড়িত ভাইদেরও উচিত পর্যটন শিল্প বাঁচাতে, কর্মী নিয়োগে সর্তকতা এবং এসব ঘটনায় জোর প্রতিবাদ জানানো।

কমেন্টে ডিটেইলস দিচ্ছি। পোস্টটা শেয়ার করে দিন।

লিখেছেন: অন্তর মাশঊদ

জীবন থেকে একটু ছুটি নিয়ে, ঠিক এই জায়গায় বসে এক কাপ চা খেতে পারলে বড্ড শান্তি লাগতো!
15/07/2026

জীবন থেকে একটু ছুটি নিয়ে, ঠিক এই জায়গায় বসে এক কাপ চা খেতে পারলে বড্ড শান্তি লাগতো!

17/06/2026

চ্যাটজিপিটি একাউন্ট শেয়ার একাউন্ট কারো লাগলে বলতে পারেন। ৩ মাস এর জন্য মাত্র ৩০০ টাকা

থাইল্যান্ডের পাতায়া উপসাগরে ঘুরতে গিয়ে ভ**য়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন 'সৌদি আরবের' এক দম্পতি। জেট স্কি দুর্ঘটনার পর মাঝসম...
12/06/2026

থাইল্যান্ডের পাতায়া উপসাগরে ঘুরতে গিয়ে ভ**য়ংকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন 'সৌদি আরবের' এক দম্পতি। জেট স্কি দুর্ঘটনার পর মাঝসমুদ্রে আটকে পড়া স্ত্রীকে উদ্ধারের জন্য প্রায় পাঁচ ঘণ্টা সাঁতরে তীরে পৌঁছান স্বামী 'আবদুল রহমান মাহদি!'

আবদুল রহমান ও তার স্ত্রী আথির সাঈদ আল-আমরি জেট স্কি নিয়ে সমুদ্রে বের হন। কিন্তু একপর্যায়ে তাদের জেট স্কি উল্টে যায় এবং সমুদ্রের পানিতে ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে পড়ে।

সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জেট স্কি পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান থেকে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়, তাদের একটি জেট স্কি ও দুই পর্যটকের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু করে পাতায়া সিটি সি রেসকিউ দল।

এদিকে মাঝসমুদ্রে আটকে থাকা অবস্থায় পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পারেন ২৬ বছর বয়সী আবদুল রহমান। স্ত্রীকে যতটা সম্ভব নিরাপদ অবস্থানে রেখে তিনি সাহায্য আনার জন্য তীরের দিকে সাঁতার কাটার সিদ্ধান্ত নেন।

অন্ধকার সমুদ্র, বাতাস ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও তিনি থামেননি। দূরের সৈকতের আলো দেখে দিক ঠিক রেখে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে সাঁতার কাটতে থাকেন।

দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর উদ্ধারকারী দল যখন তীরে ফিরছিল, তখন তারা আবদুল রহমানকে পানিতে সাঁতার কাটতে দেখতে পায়। উদ্ধার করার সময় তিনি প্রচণ্ড ক্লান্ত ছিলেন, কিন্তু তার একটাই চিন্তা ছিল- স্ত্রীকে দ্রুত খুঁজে বের করা।

এরপর তাকে সঙ্গে নিয়েই আবার সমুদ্রে অনুসন্ধান শুরু করে উদ্ধারকারীরা। রাত প্রায় দুইটার দিকে, অভিযান শুরুর ছয় ঘণ্টা পর তারা আথিরকে খুঁজে পান। অন্ধকার সমুদ্রের মধ্যে তার ক্ষীণ কণ্ঠ শুনেই উদ্ধারকারীরা তার অবস্থান শনাক্ত করেন।

সৌভাগ্যক্রমে দুজনই বড় ধরনের বি*পদ থেকে রক্ষা পান। আথিরের পায়ে সামান্য আ*ঘাত লাগলেও তাদের গুরুতর কোনো শা*রীরিক সমস্যা হয়নি।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর অনলাইনে অনেকেই আবদুল রহমানের সাহস ও মানসিক শক্তির প্রশংসা করেন। অনেকে বলেন, ভয় ও অনিশ্চয়তার সেই মুহূর্তে প্রিয় মানুষকে বাঁচানোর জন্য তার লড়াই অসাধারণ ভালোবাসা ও দৃঢ়তার এক উদাহরণ।✊

আমরা যে একটা অসৌজন্য, স্বার্থপর জাতি-তার আরেকটা চাক্ষুষ প্রমাণ পেলাম।দিনাজপুর থেকে ঢাকায় যাচ্ছি।বাইরে প্রচন্ড রোদ,আর ভেত...
12/06/2026

আমরা যে একটা অসৌজন্য, স্বার্থপর জাতি-তার আরেকটা চাক্ষুষ প্রমাণ পেলাম।

দিনাজপুর থেকে ঢাকায় যাচ্ছি।বাইরে প্রচন্ড রোদ,আর ভেতরে মারাত্মক ভীড়।সাথে ট্রেনের ছাদভর্তি মানুষ।বাহির থেকে মানুষ এমন আগ্রহ নিয়ে দেখতেছে,যেমনটা কুরবানির হাটে কুরবানির গরু দেখে।

ট্রেন সম্ভবত নাটোর স্টেশনে থামলো।জানালা দিয়ে বাইরে তাকায়ে দেখলাম,পাশের একটা খাবারের হোটেলে এক ছেলে কাঁচের গ্লাস পরিষ্কার করছে।

ট্রেন পাশে এসে থামামাত্রই সে আগ্রহ নিয়ে ট্রেনের দিকে তাকালো।এমন সময় ট্রেনের ভেতরে বসা কয়েকজন যাত্রী তাকে ডেকে একটা বোতল ছুড়ে দিল হোটেল থেকে পানি ভরিয়ে দেয়ার জন্য।বাচ্চাটা বেশ আগ্রহ নিয়েই বোতলটা নিয়ে পানি ভরিয়ে আনতেই মানুষ জন আরও বোতল ছোড়া শুরু করলো।দেখে বুঝার উপায় নাই,পানি আনার জন্য নাকি আঘাত করার জন্য বোতল ছুড়ছে!

এর মাঝে ট্রেনের ভেতর থেকে ছোড়া একটা বোতলের ছিপির শক্ত অংশটা সরাসরি গিয়ে বাচ্চাটার চোখে লাগলো।সে চোখ চেপে ধরে কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকলো।আমি খেয়াল করে দেখলাম,যেই লোকটা বোতল ছুড়েছে, সে দিব্বি হাসাহাসি করছে,বোতল চোখে লাগায় মজা পেয়েছে মনে হয়।

অথচ বাচ্চাটা চোখে হাত দিয়েই একটা একটা করে সবগুলো বোতল ভরিয়ে এনে ট্রেনের ভেতরে আর ছাদে-যার যার কাছে দিয়ে গেল।

মজার ব্যাপার কি জানেন?এইযে এতজনের এতগুলো বোতলভর্তি পানি যে সে দিয়ে গেল,কেউ খুশি হয়ে বাচ্চাটাকে দশটা টাকা তো দূরে থাক,একটা হাসি মাখা ধন্যবাদ পর্যন্ত দিল না!
ভাই,দুই লিটার পানির দাম ৪০ টাকা।এই ছেলেটা বোতল ভরিয়ে না দিলে এক পয়সা কমেও পানি কিনতে পারতো না!

অথচ,এই ছেলেটা নিজের হোটেলের কাজ বাদ দিয়ে,চোখে বোতলের আঘাত নিয়ে মিনিট দশেক দৌড়ে দৌড়ে এক এক করে সবাইকে পানি এনে দিল,তবুও কারও মাঝে সামান্য সৌজন্যের চিহ্ন টুকুও নাই!

অসৌজন্যতা আমাদের জাতিগত সমস্যা।আমরা কাউকে সাধাসিধা পেলে তাকে যখন যেভাবে পারি ব্যবহার করি।একটাবারও তার কথা ভাবি না।আর সেই মানুষটা মুখ বুজে সব করে যায়..কোনো বিনিময় ছাড়াই।

প্রিয় ছোটভাই,
তুমি একটা নিষ্ঠুর পৃথিবীতে বড় হচ্ছো।এই পৃথিবীতে সবাই শুধু নিজেরটা বুঝে।স্বার্থ ছাড়া এখানে কেউই কারোর না।তবুও দোয়া রাখি,মানুষের স্বার্থপরতা তোমার কমলতাকে যেন কখনোই মুছে না দেয়।
আবার যদি কখনো আমার ট্রেন তোমার হোটেলের সামনে থেমে যায়,সেদিন বাকিদের যে উপকার তুমি করলে তার জন্য ধন্যবাদ দিয়ে আসবো।আল্লাহ তোমাকে ভালো রাখুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hello with IR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share