Ihsas class room

Ihsas class room ইহসানাস ক্লাস রুম একটি শিক্ষামূলক শিশুসহ সকল বয়সের
এস এম মেহেদী আহাসান আমার মেয়ের সৈয়দা ইহসনা

23/06/2025

Kids playing unboxing new painting set 's

10/12/2024

Ihsana got a new icecream trolley

14/11/2024

Ihsana unbox her new fezars

14/11/2024
02/11/2024

IHSANA GETS NEW HEAD BAND wear

26/10/2024
26/10/2024

Ihsana gets new doll set, so she opening this

17/07/2024

হে বিশ্ব মুসলিম জাতি জাগ্রত হও

১০ই মহরম (আশুরা‌) সম্পর্কে কিছু মিথ্যা হাদিস/অপপ্রচার যা বর্তমানেও বহুল প্রচলিত:

সর্বপ্রথম আমাদের মনে রাখা উচিৎ, রাসুল (সাঃ) জীবিত থাকাকালীন খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জীকার প্রচলন ছিল এবং তখন খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জীকা অনুযায়ী দিন-তারিখের হিসেব রাখা হতো।
খলিফা হযরত ওমর ক্ষমতায় থাকাকালীন আরবি বর্ষপঞ্জীকা চালু করেন এবং এর দিন তারিখ শুরু হয় আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এঁর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দিন থেকে। আরবি বর্ষপঞ্জীকা চন্দ্র নির্ভর এবং যার এক বছর ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিন বিশিষ্ট ১২টি চান্দ্র মাস নিয়ে গঠিত।

"১০ই মহরম" নিয়ে যে ভুল এবং অবাস্তব ঘটনা বা তথ্যগুলো আজও প্রচার করা হয়ে থাকে--

১। ১০ই মহরম দুনিয়া, আকাশ-জমিন, পাহাড়-পর্বত সব কিছু সৃষ্টি হয়েছে!

#যুক্তিখন্ডনঃ ১০ই মহরম যদি দুনিয়া সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে ১০ মহরমের আগের ৯ দিন কোথায় গেল? যেহেতু তখনও দুনিয়াই সৃষ্টি হয়নি-- তাহলে দুনিয়া সৃষ্টির আগেই মাস বা দিন হয় কিভাবে এবং ঐ ৯/১০ দিনের হিসাব কে, কিভাবে এবং কিসের প্রয়োজনে রেখেছিল? যেহেতু চন্দ্র অনুসারে আরবি মাসের গণনা হয়ে থাকে, তাহলে যখন সূর্য, চন্দ্র, গ্রহ, নক্ষত্র, আকাশ, জমীন কিছুই সৃষ্টি হয়নি তখন এই মাসের গণনা হলো কিভাবে?

২। ১০ই মহরম আদমকে (আঃ) সৃষ্টি করা হয়েছে,
১০ই মহরম আদম-হাওয়ার (আঃ) বেহেস্তে মিলন হয়েছে,
১০ই মহরম আদম-হাওয়া (আঃ) বেহেস্ত থেকে বহিস্কৃত হয়েছে
১০ই মহররম আদম-হাওয়ার (আঃ) পাপ মোচন হয়ে পুনঃরায় মিলন ঘটেছে--
এবং আল্লাহ আদম (আ.)-এঁর তওবা কবুল করেছিলেন ইত্যাদি!

#যুক্তিখন্ডনঃ ১০ই মহরম আদম-হাওয়াকে (আঃ) নিয়ে এতকিছু ঘটল, এসবের (দিন-তারিখ) হিসাবটা কে রাখলো আর এর ইতিহাসইবা কে লিপিবদ্ধ করল? যখন সূর্য, চন্দ্র, গ্রহ, নক্ষত্র, আকাশ, জমীন কিছুই সৃষ্টি হয়নি তখন আরবি (মহরম) মাসের গণনা হলো কিভাবে? ১০ই মহরমের দিন আদমকে (আঃ) নিয়ে উক্ত ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর দিন-তারিখের হিসাব নিকাশ কার মাধ্যমে সংরক্ষিত হলো?

৩। ১০ই মহরমের দিন মহাপ্লাবন থেকে মুক্ত হয়ে হযরত নুহ (আঃ)-এঁর নৌকা 'যুদি' পর্বতে ভীড়ে!

৪। ১০ই মহরমের দিন নমরুদের অগ্নি থেকে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) মুক্ত হন!

৫। ১০ই মহরমের দিন ইউনুস (আ.) মাছের পেট থেকে রক্ষা পেয়েছিলেন!

৬। ১০ই মহরমের দিন ফেরাউনের কবল থেকে হযরত মুসা (আঃ) ও তাঁর অনুসারীবৃন্দ মুক্ত হন এবং ফেরাউন ও তার দলবল নীলনদে ডুবে ধ্বংস হয়ে যায়! ইত্যাদি! ইত্যাদি!!

#যুক্তিখন্ডনঃ দুনিয়ার এত বড় বড় ঘটনা সব এই ১০ই মহরমের দিন সংঘটিত হলো? উল্লেখিত ঘটনাগুলির সময়ে আরবি মাসের গণনা হলো কিভাবে এবং ১০ই মহরমের দিন-তারিখের এত হিসাব-নিকাশ কার মাধ্যমে সংরক্ষিত হলো?

★ ১০ই মহরম এর দিন– আপনাদের আদম (আঃ)-এঁর কথা মনে পড়ে কিন্তু ইমাম হোসাইন (আঃ)-এঁর কথা কি মনে পড়ে না? আপনাদের নুহ (আঃ) -এঁর নৌকা 'যুদি' পর্বতে ভীড়ার কথা মনে পড়ে কিন্তু ছয় মাসের শিশু আলী আসগর (আঃ)-এঁর কথা কি মনে পড়ে না? রাসুল (সাঃ)-এঁর পরিবারের সদস্যদের অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে তা-কি মনে পড়ে না? রাসুল (সাঃ)-এঁর পরিবারের নারী সদস্যদের ইজ্জতহানী করা হয়েছে তাঁদের কথা কি মনে পড়ে না? ভন্ডামি আর মূর্খতার একটা সীমা থাকা উচিত। কি বলবেন সেদিন যেদিন রাসুল (সা:) আপনাদের জিজ্ঞাসা করবেন, "তোমাদের কাছে আমার আহলে বাইতকে (পরিবারকে) রেখে গিয়েছিলাম, তোমরা তাঁদের সাথে কি আচরণ করেছ?" কালেমা পড়েন নবীর কিন্তু নবীর পরিবারের প্রতি প্রেম নেই! নামাযে নবী ও নবীর পরিবারের প্রতি দুরুদ পেশ করেন কিন্তু অন্তরে নবী ও নবী পরিবারের প্রতি কোনো মহব্বত নেই! হায় আফসোস!

★ সত্য এই যে উল্লেখিত ঘটনাগুলির সময়ে না কোন বর্ষপঞ্জী ছিল--- আর না কোন হিসাব-নিকাশ লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। রাসুল (সাঃ) জীবিত থাকাকালীন খ্রিস্টীয় বর্ষপঞ্জীকার প্রচলন ছিল তখন বর্তমান আরবি বর্ষপঞ্জীকার নাম-গন্ধ ছিল না। আরবি বর্ষপঞ্জীকা চালু হয় ২য় খলিফার সময় থেকে। এ থেকে প্রমাণ হয় যে উক্ত ঘটনার হাদিসগুলো ছিল জাল-হাদিস, যা কারবালার পরে রাজশক্তি যুক্ত করেছে।

★ ১০ই মহরমের দিনটিতে-- উপরোক্ত কোন ঘটনাই সংঘটিত হয়নি। তাহলে এতসবের প্রচলন কেন? আসলে শুধুমাত্র মাওলা ইমাম হোসাইন (আঃ)-এঁর কারবালার ঘটনাকে ম্লান করার জন্য নরপিশাচ, নরকের কীট, মরদুদ এজিদ (লানত) তখন এইসব জাল-হাদিসের প্রচলন করেছিল। যাতে ১০ই মহরমের দিন কেউ মাওলা হোসাইনকে (আঃ) স্মরণ করতে না পারে। ১০ই মহরমের দিন মাওলা ইমাম হোসাইন (আঃ) এবং তাঁর পরিবারের প্রতি নরপিশাচ এজিদ (লানত) এবং তার বাহিনী যেসব অন্যায় অপকর্ম করেছে তা যেন মানুষের মাঝে বিস্তার করতে না পারে সেই জন্য উপরোক্ত মিথ্য ঘটনাগুলোকে হাদিসে (জাল-হাদিস) যুক্ত করা হয়।

★ ১০ই মহরম শুধুমাত্র মোহাম্মদী-ইসলামকে রক্ষা করতে, সত্য-ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে মাওলা ইমাম হোসাইন (আঃ) এবং তাঁর পরিবার যে আত্মত্যাগ করেছেন এবং তাঁর পরিবার এবং সঙ্গী-সাথীগণ যেভাবে নিজেদের জীবন কোরবানী করেছেন তার জন্যই বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক।

আমরা হযরত ইব্রাহীম (আ:)-এঁর পুত্র-- হযরত ইসমাইল (আ:)-এঁর কোরবানির দিনকে স্মরণ করে রাখার জন্য গোটা বিশ্ব-মুসলিম-সমাজ যতটুকু গুরুত্ব দিয়ে ঈদ-উল-আযহা পালন করি-- ততটুকু গুরুত্ব কি মহানবী (সাঃ)-এঁর পরিবারের জন্য দিয়েছি বা এই মহরম মাসে ততটুকু গুরুত্ব সহকারে স্মরণ করেছি?
আমার নবি মুহাম্মদ (সা:)-এঁর দৈহিত্র মাওলা ইমাম হোসাইন (আ:) এবং তাঁর পরিবারগণ যে ইসলামের জন্য জীবন কোরবানী এবং আত্মত্যাগ করলেন, তাঁদের আজ কতটুকু স্বরন করছি?

কতটা নির্লজ্জ আর বোকা জাতি হলে মানুষ মহরম মাসে জন্মদিন, বিয়ে, আনন্দ-অনুষ্ঠান করতে পারে! এনারা কি সত্যিই মুসলমান? যারা এহেন কর্মকাণ্ড করছেন আপনারা কিভাবে রাসুল (সাঃ)-এঁর কাছে মুখ দেখাবেন? হায় আফসোস!

★ "কারবালাতে আমি যা দেখেছি, তা যদি কেউ দেখতো তবে সে হাসি কি তা ভুলে যেতো!"
---ইমাম জয়নুল আবেদীন (আঃ)।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এরশাদ করেন:
"হে আমার হাবীব আপনি বলুন, আমি আমার নবুয়াতের বিনিময়ে তোমাদের কাছে আমার পরিবার পরিজনগনের (আহলে বাইত) সৌহার্দ্য ছাড়া অন্য কোন প্রতিদান চাই না"।
---(সুরাঃ শুরা, আয়াতঃ ২৩)।

মহানবী (সাঃ) বলেছেন,
"হোসাইন আমার থেকে এবং আমি হোসাইন থেকে। আল্লাহ্‌ তাদেরই বন্ধু, যারা হোসাইন হতে বন্ধুত্ব কামনা করে। আর যারা হোসাইনের শত্রু, আল্লাহ্‌ তাদের শত্রু হবেন।"
---(সহীহ তিরমিযী, খঃ-২, পৃষ্ঠাঃ-৩০৮। কানুজুল উম্মাল, খঃ-৮, পৃষ্ঠাঃ-১০৮।)

হযরত আবুযার গিফারী রাদ্বিআল্লাহু তায়ালা আনহু পবিত্র কাবা ঘরের দরজা ধরে বলেন, আমি প্রিয় নবী (সঃ)-কে বলতে শুনেছি-
“জেনে রাখো! নিশ্চয় তোমাদের মাঝে আমার আহলে বাইত হচ্ছে নূহের তরীর ন্যায়। যে ব্যক্তি তাতে আরোহণ করবে সে নাজাত পাবে আর যে ঐ তরী থেকে দূরে থাকবে, সে ধ্বংসপ্রাপ্ত হবে।”
---(সূত্রঃ কউকাবে দুররী, পৃঃ নং -১৯৯।)

নবী (সাঃ) নির্দেশ দিয়েছেন যে,
"আহলে বাইত এর আগে যাওয়ার চেষ্টা করোনা তাহলে ধ্বংস হয়ে যাবে। তাঁদের থেকে সরে যেয়ো না তাহলে দুঃখ কষ্ট তোমাদের চির সাথী হয়ে যাবে। তাঁদেরকে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করোনা, তাঁরা তোমাদের থেকে বেশী জ্ঞানী।"
----(সুত্রঃ তাফসীরে দূররে মানসুর, খঃ-২, পৃঃ-৬০। কানজুল উম্মাল, খঃ-১, পৃঃ-১৬৮। আল তাবরানি, পৃঃ-৩৪২।)

"লোভ আর ভোগ চাহে যারা, নাই তাদের ধর্ম জাতি,
তাদের শুধু এক নাম আছে, রাক্ষস বলে খ্যাতি!
হউক হিন্দু, হউক ক্রিশ্চান, হোক সে মুসলমান,
ক্ষমা নাই তার, যে আনে তাঁহার দুনিয়ায় অকল্যাণ!"

----কাজী নজরুল।

Speak against the oppression, whether it cost you your life and follow the footstep of Imam Hussain (A.S).
"Everyday is Ashura and every place is Karbala."

17/07/2024

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্তিমযাত্রা থেকে রাজনীতির প্রভাবে সত্য ইসলাম হতে দূরে সরতে থাকে মুসলিম জাতি যার চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে কারবালার মাঠে, ইমাম হুসাইন আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবন দিয়েছেন তবুও মিথ্যার হাতে হাত দেননি। তিনি সত্য ইসলামকে পুনর্জীবিত করেছেন কোনটা সত্য ইসলাম আর কোনটা মুনাফিক ইসলাম তিনি তা আমাদেরকে দেখিয়ে দিয়েছেন
প্রকৃতপক্ষে কারবালার ঘটনা যদি না ঘটতো তাহলে ইসলামের নামে হাফেজ কারী মুনাফিকদের আমরা চিনতে পারতাম না

জয় পাক পাঞ্জাতনের জয়
জয় মাওলা আলীর জয়

লাব্বাইক ইয়া হুসাইন লাব্বাইক আলাইহি ওয়াসাল্লাম
রাখিয়েন এই অধমেরে আপনার চরণের তলে

17/07/2024

আত্ম উৎসর্গের মাধ্যমে ইমাম হুসাইন আলাইহিস ওয়াসাল্লাম বুঝিয়েছেন কোনটা সত্য ইসলাম আর কোনটা মোনাফেক ইসলাম
লাব্বাইক এয়া হুসাইন আল

16/07/2024

সবাইকে সত্য ইসলামের প্রতি দাওয়াত
জাগ্রত হও মুসলিম সমাজ
হযরত ইমাম হুসাইন (আঃ)কেন কারবালায় গিয়েছিলেন ?
-----------------------------------------
অনেকেই মনে করেন নবীজি (সাঃ )এর কলিজার টুকরা মাওলা ইমাম হুসাইন (আঃ) খেলাফতের লোভে কারবালায় গিয়েছিলেন ! বিষয়টা তাহা নহে ! তিনি খিলাফতের একান্ত যোগ্য, সত্যিকার দাবীদার ও উত্তরসূরী ছিলেন, তাতে কোন সন্দেহ নেই, এবং তিনি খলিফা হলে তাহার বিপ্লবের উদ্দেশ্যের প্রতিফলন সহজ হত এটাও সত্য ! তবে উনার কারবালার খোলা ময়দানে গমন ও বিপ্লবের মাধ্যমে সপরিবারে শাহাদাত বরণের পেছনে ৫০ বছরের দীর্ঘ বঞ্চনার ইতিহাস রয়েছে । মূলতঃ তিনি নানা নবীজি (সাঃ), তার মাতা খাতুনে জান্নাত(সাঃ আঃ ) ,পিতা মাওলা আলী (আঃ) ও ভাই এমাম হাসান (আঃ )এর আদর্শকে বুকে ধরে এক মহাবিপ্লবের মাধ্যমে রাসূলুল্লাহ (সাঃ ) এর দানকৃত ইসলাম ধর্মকে পুনরায় নতুন জীবন দেবার উদ্দেশ্যেই কারবালার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন ! দয়াল তিনি মনে করেন তিনি যদি কুফায় গিয়ে বিপ্লব প্রতিষ্ঠা করতে পারেন তাহলে তা মঙ্গল , আর শহীদ হলেও তা পরবর্তীতে উম্মতের জন্য এক বিরাট দিক নির্দেশনা হবে ! মূলত পরে তাহাই ঘটেছিল ! ইমাম হুসাইন সম্পর্কে রাসূল সাঃ বলেন : " আমি হুসাইন হতে আর হুসাইন আমার হতে ",আর নবীজির (সাঃ) সেই বাণীকে আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করে আল্লামা জামী রহমতউল্লাহ আলাইহি বলেনঃ নবীজি মোহাম্মদ সাঃ সমগ্র সৃষ্টিজগতের প্রাণ ,আর সাইয়েদেনা ইমাম হুসাইন হলেন মোহাম্মদ সাঃ এর প্রাণ !"

কি কি কারণে মাওলা ইমাম হুসাইন (আঃ) কারবালায় গিয়েছিলেন এবং দীর্ঘ ৫০ বছরে কি কি ঘটনা তাহার মহাবিপ্লবকে ত্বরান্বিত করেছিল তার অতি সামান্য বিবরণ নিন্মে তুলে ধরলাম :

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানাকে গোপনে পাথর মারার জন্য পাহাড়ের আড়ল থেকে পাথর নিক্ষেপ করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন ইন্তেকালের সময় তাঁর নানা নবীজিকে (সাঃ ) কাগজ কলম দিতে দেয়নি সাহাবীরূপি মোনাফেকরা ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার লাশ-মোবারক তিনদিন
ফেলে রেখে ক্ষমতা নিয়ে বনু সাকিফায় ব্যস্ত তার নানার সাহাবীরা ! পরিবারের সদস্যরা ও গুটিকয়েকজন ব্যাতীত দাফন কাফনে আসেনি সাহাবীরা !

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর পিতা হযরত মাওলা আলী (আঃ)কে গলায় দড়ি বেঁধে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কথিত খলিফার দরবারে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর মা নবী নন্দিনী খাতুনে জান্নাতকে কে মিথ্যাবাদী বানিয়ে তাঁর হক বাগে ফাদাক ফেরত দেওয়া হয়নি !

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর মায়ের পেটে লাথি মেরে গর্ভে থাকা তাঁর ভাই হযরত মুহসিন আঃ কে হত্যা করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর মা ফাতিমা আঃ এর ঘর লক্ষ্য করে আগুণ নিক্ষেপ করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর মাকে ক্রন্দনও করতে দেওয়া হয়নি i
---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর মায়ের পাঁজরের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়েছে জ্বলন্ত দরজা গায়ে ফেলে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর মার হাত ভেঙে দেওয়া হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবী হযরত বেলাল রাঃকে মদিনা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর তার ভাই হযরত হাসান আঃ কে বিষপান করিয়ে হত্যা করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবী মালিক বিন নোয়ারা
রাঃকে নামাজরত অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর ভাই হযরত হাসান আঃ এর লাশে ৭০টি তীর নিক্ষেপ করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর পরিবার বিশেষ করে তাঁর আব্বা হযরত আলী আঃ কে গালি দেওয়া হচ্ছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবি আম্মার বিন ইয়াসির রাঃকে একঘরে করে দেওয়া হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবি আবু যর গাফারি
রাঃকে রাবজা মরুভূমীতে পাঠানো হয়েছে এবং সেখানেই তিনি শহীদ হন i
---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবি মেকদাদ রাঃকে গৃহবন্দি করে দেওয়া হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবি হুজর ইবনে আদী রাঃকে জীবন্ত পুঁতে ফেলা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার হাদিসগুলিকে বিকৃত করা হচ্ছে ৷
---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানা হহযরত মুহাম্মাদ সঃ বলে যাওয়া আদেশ যে, মারওয়ান বিন হাকামকে মদিনায় প্রবেশ করতে দেবে না, কিন্তু মারওয়ান বিন হাকামকে মদিনায় আনা হয়েছে ও তাকে জামাই করা হয়েছে, সুধু এতটুকু নয় বরং মারওয়ানকে অর্থমন্ত্রী বানানো হয়েছে

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন পুরো মদিনা বিশৃঙ্খলায় পরিপূর্ণ হয়েছে এবং সাহাবিরা উসমানকে হত্যা করেছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন হযরত উসমানের লাশও তিনদিন মদিনার রাস্তায় পড়েছিল ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার রেখে যাওয়া নামাজে পরিবর্তন করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার রেখে যাওয়া নামাজ ঠিক সেই একই রকম হুবাহুব পড়ালেন তাঁর আব্বা মওলা আলি আঃ, .এটা
দেখে সাহাবীরা বলছেনঃ আজকের নামাজটি নবীপাকের নামাজকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছে ৷ আমরা ভুলে গিয়েছিলাম না ছেড়ে দিয়েছিলাম ??

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সুন্নাগুলোকে বেদাতে রূপান্তরিত করা হয়েছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন (মদ হারাম হওয়া স্বত্বেও মদ খেয়ে ) খলিফার খাশ লোকেরা মদ খেয়ে নামাজ পড়াচ্ছে ৷ এবং মাতাল গর্ভনরটি
ফজরের নামাজ দুরাকাত পড়িয়ে বলছেঃ "ফজরের নামাজ আরো বেশী বেশী পড়াতে পারবো ?"

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবিরা তাঁর পিতার সাথে জঙ্গে জামাল , সিফ্ফিন ও নাহরানের যুদ্ধ করেছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবিরা বেলায়তের বিরুদ্ধে কত গভীর ষড়যন্ত্র করেছে ?

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানী খাদিজা আঃএর প্রতি কিভাবে হিংসা উগলে দিচ্ছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর দাদা আবু তালিব আঃকে কাফের বলে প্রচার করছে ৷

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর নানার সাহাবিরা মসজিদে এসে নামাজরত অবস্থায় কিভাবে পিতা আলী আঃকে হত্যা করা হয়েছে i

---ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন তাঁর বৈমাত্রেয় ভাই মুহাম্মাদ বিন আবু বকরকে গাধার চামড়ায় পুরে জ্বালিয়ে দিয়েছে ৷
ইমাম হুসাইন আঃ দেখেছেন : কথিত সাহাবীরা নবীজি সাঃ এর গাদীরে খুমের নির্দেশকে অমান্য করে বেলায়তে আলী আঃ ছেড়ে তারা নানার দ্বীনকে পালন করার অভিনয় করছিল ও তাদের উপর জুলুম করছিল ৷

এভাবে চলতে চলতে যখন তাহা চরম রূপ ধারণ করে এবং নবীজির (সাঃ) ইসলাম মুমুর্ষ রূপ ধারণ করে আর তারই ফলস্বরূপ ৬১ হিজরীতে মুয়াবিয়ার মৃত্যুর পর তারই নির্ধারিত কুপুত্র কাফের ইয়াজিদ ক্ষমতায় বসে সমস্ত অনাচার জাহেলিয়াত ও জুলুমকে বৈধ করল এবং মাওলা ইমাম হুসাইনের (আঃ)এর নিকট বায়াত চাইল !
মাওলা ইমাম হুসাইন বললেনঃ আমার মত ব্যক্তি এজিদের মত ব্যক্তির হাতে ৷

ইমাম হুসাইন কারবালায় গেলেন, জালেমদের মুখোশ খুলতে ৷ বেলায়ত এ আলী ছেড়ে নামাজ পড়লে মানুষ কতটা নিষ্টুর হতে পারে সেটার মুখোশ খোলার জন্য কারবালায় গেলেন ৷
ইমাম হুসাইনা (আঃ)দেখছেন শুধু মিথ্যা , বঞ্চনা আর নানা রাসূলুল্লাহ(সাঃএর প্রতিষ্ঠিত ইসলামকে মুছে ফেলার গভীর চক্রান্তগুলো ! তাই তিনি আর চোখ বুজে সহ্য করতে পারেন নাই। চিরন্তন বিপ্লবের মাধ্যমে শাহাদাত এবং বিজয় অর্জনকেই শ্রেয় মনে করেছেন ! মাওলা হুসাইন তার সপরিবারে শাহাদাতের মাধ্যমে নিজেকে অনন্তকাল পর্যন্ত চিরঞ্জীব বানিয়ে গিয়েছেন এবং তিনি ইহা প্রমান করেছেন যে তিনিই ইহকাল ও পরকালের সম্রাট ! জান্নাতের সর্দার দুনিয়াকে পরোয়া করে না ! তাইতো আতায়ে রাসূল সুলতানুল হিন্দ খাজা গরীবে নেওয়াজ মঈনুদ্দিন চিস্তি আজমেরী( রাঃ ) বলেছেনঃ
শাহ আস্ত হোসাইন
বাদশাহ আস্ত হোসাইন
দ্বীন আস্ত হোসাইন
দ্বীন পানাহ আস্ত হোসাইন
সারদাদ নাদাদ দাস্ত দার
দাস্তে ইয়াজিদ, হাক্কাকে বিনায়ে
লা-ই-লাহা ইল্লাল্লাহ আস্ত হোসাইন।
অর্থ্যাৎ :
জগতের সম্রাট হলেন হোসাইন ,
বাদশাহ হলেন হুসাইন,
ধর্ম হলেন হোসাইন ,
ধর্মের আশ্রয় দাতা হলেন হোসাইন ,
দিলেন মাথা, না দিলেন হাত ইয়াজিদের হাতে !
সত্য তো এটাই যে, লা-ই-লাহা ইল্লাল্লাহর স্তম্ভ হলেন হোসাইন।

" সালাম ইয়া হুসাইন (আঃ )
- সালাম ইয়া আবা আবাদ্বিল্লাহ
- সালাম ইয়া শহীদানে কারবালা !
- লাব্বাইক ইয়া মাওলা হুসাইন(আঃ), লাব্বাইক। "

আল্লাহুম্মাহ সাল্লে আলা মোহাম্মদ (সাঃ ) ওয়া আলে মোহাম্মদ !
সবশেষে সবাইকে সালাম ও হোসাইনী আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিপ্লবী শুভেচ্ছা।
-এইচ এম ইকবাল চিশতী !

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ihsas class room posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category