ASO Islamer Pothe

ASO Islamer Pothe শান্তির ধর্ম ইসলাম

31/08/2026
দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাত...
17/08/2026

দুইশো বার সূরা ইখলাস পড়তে কতো ঘন্টা লাগে জানেন? মাত্র দশ মিনিট! সর্বোচ্চ পনেরো মিনিট।
আজকে রাতে অবশ্যই পড়বেন। প্রতি রাতে পড়ার নিয়ত করলে তো আলহামদুলিল্লাহ্।

(সূরা ইখলাসের অফুরন্ত ফজিলত)
সূরা ইখলাস প্রতিদিন ২০০ বার, ওযুর সাথে অর্থাৎ ওযু অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার।
১. আল্লাহ তা'য়ালা তার রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৩. রিজিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন।
৪. মেহেনত ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন।
৫.আল্লাহ তা'য়ালা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন।আপন ধৈর্য্য থেকে ধৈর্য্য দিবেন।আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন।
৬. ৬৬বার কুরআন খতম করার সাওয়াব দিবেন।
৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।
৮.জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকুত মার্জান ও জমজমদের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাজার দরজা থাকবে।
৯. ২০০০ রাকাত নফল নামায পড়ার সাওয়াব দিবেন।
১০.যখন তিনি মারা যাবেন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার যানাযায় শরিক হবেন। (সুবহানআল্লাহ)

( সহীহুল বুখারীঃ ৫০১৪, ৫৫৪৩, ৭৩৭৫ নাসায়ীঃ ৯৯৫ আবূ দাউদঃ ১৪৬১ আহমাদঃ ১০৬৬৯ সহীহ আল জামি আস সাগীরঃ৬৪৭২)

24/06/2026

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! Sumon Prodhan, Adrisha Afroj, Mahafuz Ali, Ars Abu Bokar, Noor Mohammad, Iqbal Ahmad, Lutfun Nahar, Nishad Tamanna, Soriful Islam, Tanim Islam, Mominul Islam, MojammuLkhan W, Abu Answer, Halima Akter Akhi, Bilal Ahmed, Noyshai Nuri, Mostakim Malik, Akmal Hossain, Allal Udden, Sourabh Vai, Mohammed Yasin, Mariyam Binte Rufikol Islam, Manik Hussain Monir

ফরজ সালাতের পর রাসূলুল্লাহ ﷺ যে যিকির ও দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতেনফরজ সালাত আদায়ের পরপরই আল্লাহর যিকির, তাসবীহ ও দোয়ার মা...
08/06/2026

ফরজ সালাতের পর রাসূলুল্লাহ ﷺ যে যিকির ও দোয়াগুলো নিয়মিত পাঠ করতেন

ফরজ সালাত আদায়ের পরপরই আল্লাহর যিকির, তাসবীহ ও দোয়ার মাধ্যমে বান্দা তার রবের আরও নৈকট্য লাভ করে। রাসূলুল্লাহ ﷺ ফরজ সালাতের পরে বিভিন্ন যিকির ও দোয়া পাঠ করতেন এবং উম্মতকে সেগুলোর প্রতি উৎসাহিত করেছেন।
নিচে সহীহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত গুরুত্বপূর্ণ যিকির ও দোয়াগুলো উল্লেখ করা হলো—

১. ইস্তিগফার :

আরবী:
أَسْتَغْفِرُ اللهَ (৩ বার)
বাংলা উচ্চারণ:
আস্তাগফিরুল্লাহ।
অর্থ:
আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯১।

২. সালামের দোয়া :

আরবী:
اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلَامُ وَمِنْكَ السَّلَامُ، تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আন্তাস সালামু ওয়া মিনকাস সালাম, তাবারক্তা ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি শান্তিময়। আপনার কাছ থেকেই শান্তি আসে। আপনি কল্যাণময়, হে মহিমা ও সম্মানের অধিকারী।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯১-৫৯২।

৩. তাওহীদের ঘোষণা :

আরবী:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ
বাংলা উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদীর।
অর্থ:
আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৮৪৪।

৪. আল্লাহর সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি :

আরবী:
اللَّهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বায়তা, ওয়া লা মু‘তিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়া লা ইয়ানফাউ যাল জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি যা দিয়েছেন তা কেউ আটকাতে পারে না, আর যা আটকিয়েছেন তা কেউ দিতে পারে না। কোনো সম্পদশালীর সম্পদ আপনার সামনে কাজে আসে না।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৮৪৪।

৫. সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস :

আমল: প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর ১ বার। ফজর ও মাগরিবের পর ৩ বার করে।

সূরা ইখলাস
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۝ اللَّهُ الصَّمَدُ ۝ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۝ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ
উচ্চারণ: কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ। আল্লাহুস সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ।
সূরা ফালাক
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ ۝ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ ۝ وَمِنْ شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ ۝ وَمِنْ شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ ۝ وَمِنْ شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
উচ্চারণ: কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিল ফালাক। মিন শাররি মা খালাক। ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইযা ওয়াকাব। ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাছাতি ফিল উকাদ। ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইযা হাসাদ।
সূরা নাস
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ ۝ مَلِكِ النَّاسِ ۝ إِلَٰهِ النَّاسِ ۝ مِنْ شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ ۝ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ ۝ مِنَ الْجِنَّةِ وَالنَّاسِ
উচ্চারণ: কুল আ‘ঊযু বিরাব্বিন নাস। মালিকিন নাস। ইলাহিন নাস। মিন শাররিল ওয়াসওয়াসিল খান্নাস। আল্লাযী ইউওয়াসওয়িসু ফী সুদূরিন নাস। মিনাল জিন্নাতি ওয়ান নাস।
রেফারেন্স: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫২৩।

৬. তাসবীহ (তাসবিহে ফাতেমী) :

আরবী:
سُبْحَانَ اللهِ (৩৩ বার), الْحَمْدُ للهِ (৩৩ বার), اللهُ أَكْبَرُ (৩৩ বার)
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহ (৩৩ বার), আলহামদুলিল্লাহ (৩৩ বার), আল্লাহু আকবার (৩৩ বার)

এরপর একবার: لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

বাংলা উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
অর্থ:
আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর সর্বশক্তিমান।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ৮৪৪; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং

ফজিলত: যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাজের পর এগুলো পড়বে, তার পাপসমূহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে, এমনকি সমুদ্রের ফেনারাশির মতো হলেও।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১২৪০ (৫৯৭)।

৭. আয়াতুল কুরসি

আরবি:
اَللهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ ۚ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ ۚ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ ۗ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ ۚ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ ۖ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ ۚ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ ۖ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا ۚ وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যূম। লা তা'খুযুহু সিনাতুঁ ওয়া লা নাওম। লাহু মা ফিস সামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ। মান যাল্লাযী ইয়াশফা‘উ ‘ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহি। ইয়া‘লামু মা বাইনা আইদীহিম ওয়া মা খালফাহুম। ওয়া লা ইউহীতূনা বিশাইয়িম মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ। ওয়াসি‘আ কুরসিয়্যুহুস সামাওয়াতি ওয়াল আরদ। ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা। ওয়া হুওয়াল ‘আলিয়্যুল ‘আযীম।

আমল: প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর ১ বার।
রেফারেন্স: সুনানে কুবরা লিন নাসাঈ, হাদিস নং ৯৮৪৮; মু‘জামুল কাবীর লিত তাবারানী, হাদিস নং ৭৮৩২।

ফজিলত: রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।”

৮. যিকির, শুকর ও সুন্দর ইবাদতের দোয়া:

আরবী:
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আইন্নী ‘আলা যিকরিকা ওয়া শুকরিকা ওয়া হুসনি ‘ইবাদাতিকা।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আপনার যিকির করতে, শুকর করতে এবং আপনার ইবাদত সুন্দরভাবে করতে সাহায্য করুন।
রেফারেন্স: সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১৫২২।

৯. তাওহীদের পূর্ণাঙ্গ যিকির

আরবি:
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَلَا نَعْبُدُ إِلَّا إِيَّاهُ، لَهُ النِّعْمَةُ وَلَهُ الْفَضْلُ وَلَهُ الثَّنَاءُ الْحَسَنُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ مُخْلِصِينَ لَهُ الدِّينَ وَلَوْ كَرِهَ الْكَافِرُونَ

বাংলা উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।
লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, ওয়া লা না‘বুদু ইল্লা ইয়্যাহু।
লাহুন্ নি‘মাতু ওয়া লাহুল ফাদলু ওয়া লাহুস সানা-উল হাসান।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুখলিসীনা লাহুদ্দীনা ওয়া লাও কারিহাল কাফিরূন।

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই। তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর উপর ক্ষমতাবান। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া পাপ থেকে বাঁচার এবং সৎকাজ করার কোনো শক্তি নেই। আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই; আমরা একমাত্র তাঁরই ইবাদত করি। সমস্ত নিয়ামত, অনুগ্রহ ও উত্তম প্রশংসা তাঁরই। আমরা একনিষ্ঠভাবে তাঁর জন্যই দ্বীনকে খাঁটি করি, যদিও কাফিররা তা অপছন্দ করে।
রেফারেন্স: সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৯৪।

১০. পাঁচটি অনিষ্ট থেকে আশ্রয়ের দোয়া:

আরবী:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল বুখলি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিনাল জুবনি ওয়া আ‘ঊযুবিকা আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল ‘উমুরি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ফিতনাতিদ দুনিয়া ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবর।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি কৃপণতা, কাপুরুষতা, অতি বৃদ্ধ বয়স, দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ২৮২২।

১১. কুফর, দারিদ্র্য ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয়:

আরবী:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الْكُفْرِ وَالْفَقْرِ وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি ওয়া আ‘ঊযুবিকা মিন ‘আযাবিল ক্বাবর।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি কুফর, দারিদ্র্য ও কবরের আযাব থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদিস নং ২৮২২; সুনানে নাসাঈ, হাদিস নং ১৩৪৭।

১২. জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয়ের দোয়া:

আরবী:
اللَّهُمَّ رَبَّ جِبْرِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ، أَعِذْنِي مِنْ حَرِّ النَّارِ وَعَذَابِ الْقَبْرِ
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা রাব্বা জিবরীলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইসরাফীলা, আ‘ইযনী মিন হাররিন নারি ওয়া ‘আযাবিল ক্বাবর।
অর্থ:
হে আল্লাহ! জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব! আমাকে জাহান্নামের উত্তাপ ও কবরের আযাব থেকে রক্ষা করুন।
রেফারেন্স: মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং ৬/৬১।

১৩. উপকারী জ্ঞান, উত্তম রিযিক ও কবুলযোগ্য আমলের দোয়া (শুধু ফজরের পর) :

আরবী:
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا، وَرِزْقًا طَيِّبًا، وَعَمَلًا مُتَقَبَّلًا
বাংলা উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নী আসআলুকা ‘ইলমান নাফি‘আ, ওয়া রিযকান ত্বইয়িবা, ওয়া ‘আমালাম মুতাকাব্বালা।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে উপকারী জ্ঞান, পবিত্র রিযিক এবং কবুলযোগ্য আমল চাই।
রেফারেন্স: সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৯২৫।

শেষ কথা
ফরজ সালাতের পর এই যিকির ও দোয়াগুলো অল্প সময়ের আমল হলেও এর ফযিলত অত্যন্ত মহান। একজন মুসলিমের উচিত সালাম ফিরিয়েই দ্রুত উঠে না গিয়ে কিছু সময় বসে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর শেখানো এই যিকিরগুলো আদায় করা। এগুলো গুনাহ মাফের কারণ, জান্নাতে প্রবেশের মাধ্যম এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অন্যতম উপায়।
"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকবে না।"
— নাসাঈ (কুবরা), হাদিস: ৯৮৪৮।
:

🌿 হৃদয়কে শান্ত করতে আর ইসলামিক সুন্দর পোস্ট পেতে
✨ A*o islamer pothe ✨ পেইজটি ফলো করুন 🤍🌙
📖 “আল্লাহর স্মরণেই হৃদয়ের প্রশান্তি।” 🤲
🕊️ পোস্ট ভালো লাগলে অবশ্যই Share করুন,
হয়তো আপনার একটি শেয়ার কারো হেদায়েতের কারণ হবে ✨
🔄 Follow • Like • Share
জাযাকাল্লাহু খাইরান 🌸

08/06/2026

মৃত্যুর সময় শয়তান মানুষের ঈমান নষ্ট করতে চায় কেন জানেন?

মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হলো তার শেষ মুহূর্ত। কারণ একজন মানুষ যেভাবে পৃথিবী থেকে বিদায় নেয়, অনেক সময় তার পরিণতিও সেই অবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। আর এ কারণেই শয়তান মৃত্যুর সময় পর্যন্ত মানুষকে ছেড়ে দেয় না।

শয়তানের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য হলো মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়া। সে চায়, একজন মানুষ সারা জীবন ইবাদত-বন্দেগি করলেও মৃত্যুর আগে যেন বিভ্রান্ত হয়ে যায় এবং ঈমান হারিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়। কারণ সে জানে, মৃত্যুর পর আর মানুষকে পথভ্রষ্ট করার সুযোগ থাকবে না।

ইসলামী বর্ণনায় এসেছে, মৃত্যুর সময় শয়তান মানুষকে বিভিন্নভাবে ধোঁকা দেওয়ার চেষ্টা করে। কখনো সে মানুষের মনে সন্দেহ সৃষ্টি করে, কখনো আল্লাহর রহমত সম্পর্কে হতাশ করে, আবার কখনো কুফরি বা শিরকের দিকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। তার উদ্দেশ্য একটাই—মানুষের শেষ পরিণতি যেন খারাপ হয়।

তাই আল্লাহর নেক বান্দারা সবসময় সুন্দর পরিণতির জন্য দোয়া করতেন। তাঁরা শুধু বেশি বেশি ইবাদত করতেন না, বরং আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনাও করতেন যেন শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ঈমানের ওপর অটল থাকতে পারেন।

রাসূল (সা.)-ও উম্মতকে শেষ সময়ের ফিতনা থেকে বাঁচার শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি আল্লাহর কাছে অটল ঈমান, উত্তম আমল এবং সুন্দর মৃত্যুর জন্য দোয়া করতেন। কারণ মানুষের প্রকৃত সফলতা কেবল ভালোভাবে জীবন কাটানো নয়, বরং ঈমানের সঙ্গে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া।

উপসংহার:

শয়তান জানে, মৃত্যুর পর তার আর কোনো সুযোগ নেই। তাই সে মানুষের জীবনের শেষ মুহূর্তটিকেই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তু বানায়। এজন্য একজন মুমিনের উচিত সারা জীবন আল্লাহর আনুগত্যে থাকার চেষ্টা করা, বেশি বেশি তওবা করা এবং উত্তম পরিণতির জন্য দোয়া করা। কারণ যে ব্যক্তি ঈমান নিয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারে, তার জন্যই রয়েছে চিরস্থায়ী সফলতা।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ঈমানের ওপর অটল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখা হাফেজ আবু নাইম
Voice of Nayem page

17/05/2026

জিলহজের প্রথম দশকের আমল, ।
শায়খ আহমাদুল্লাহ

জিলহজ মাস অতি সন্নিকটে। এ মাসের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। রমজান মাসকে ইবাদতের বসন্তকাল হিসেবে আমরা সবাই জানি। কিন্তু রমজানের বাইরে আরও একটি ইবাদতের বসন্তকাল আছে, সেটা আমরা খুব কম মানুষই জানি। সেই বসন্তকাল হলো জিলহজের প্রথম ১০ দিন। এই দিনগুলো আল্লাহর কাছে এত প্রিয় যে এই সময়ের আমলের মাধ্যমে একজন বান্দা সহজেই আল্লাহর প্রিয়পাত্র হয়ে উঠতে পারে।

জিলহজের প্রথম দশকের গুরুত্ব ও ফজিলত মহান আল্লাহ সুরা ফজরের ২ নম্বর আয়াতে ১০ রাতের শপথ করেছেন। অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে, এখানে ১০ রাত বলতে জিলহজের প্রথম ১০ রাতকেই বোঝানো হয়েছে। আর স্বয়ং আল্লাহ যখন কোনো ব্যাপারে শপথ করেন, সেটার গুরুত্ব যে কতখানি, তার ব্যাখ্যা নিষ্প্রয়োজন। এ ছাড়া সুরা হজের ২৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, তারা যেন আল্লাহর নাম স্মরণ করে নির্দিষ্ট দিনসমূহে। ইবনে আব্বাস (রা.) এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, নির্দিষ্ট দিন বলে এখানে জিলহজের প্রথম দশককে বোঝানো হয়েছে। (তাফসিরে ইবনে কাসির)

রসুল (সা.) এই দিনগুলোর শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে বলেছেন, ‘জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের নেক আমল আল্লাহর কাছে যত প্রিয়, আর কোনো দিনের আমল তত প্রিয় নয়। সাহাবিগণ আল্লাহর পথে জিহাদের সঙ্গে এর তুলনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জিহাদও এর সমতুল্য নয়; তবে সেই ব্যক্তির কথা ভিন্ন, যে নিজের প্রাণ ও সম্পদ নিয়ে জিহাদে বেরিয়ে গেল এবং কোনো কিছুই আর নিয়ে ফিরে এলো না।’ (বুখারি)

হাফেজ ইবনে হাজার আসকালানী (রহ.) বলেন, এই দশকের বিশেষত্বের কারণ হলো এখানে ইসলামের পাঁচটি মৌলিক স্তম্ভের (ইমান, সালাত, জাকাত, সিয়াম ও হজ) এক অনন্য সমন্বয় ঘটে, যা বছরের অন্য কোনো সময়ে সম্ভব হয় না।

জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ আমলসমূূহ :

১. অধিক পরিমাণে আল্লাহর জিকির করা (সুরা হজ, ২৮)।

২. নেক আমল ও ভালো কাজের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হওয়া। কেননা, মহান আল্লাহর কাছে অন্যান্য সময়ের আমলের চেয়ে জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল অধিক প্রিয় (বুখারি, ৯৬৯)।

৩. অন্য সময়ের তুলনায় এই দিনগুলোতে পাপকাজ পরিহারে অধিক সচেষ্ট থাকা (সুরা তাওবা, ৩৬)।

৪. সামর্থ্যবান হলে হজ করা। হজ ইসলামের মৌলিক পাঁচটি স্তম্ভের একটি। যাদের সামর্থ্য আছে তাদের ওপর হজ ফরজ। আবার কবুল হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া অন্য কিছ্ নয় মর্মে নবীজি (সা.)-এর সুসংবাদ রয়েছে (সুরা আলে ইমরান, ৯৭; তিরমিজি, ৮১০)।

৫. সামর্থ্য থাকলে কোরবানি করা। মহান আল্লাহ বলেন, তুমি নিজ প্রতিপালকের জন্য সালাত আদায় করো ও কোরবানি করো (সুরা কাউসার, ২)।

৬. কোরবানি করতে ইচ্ছুক ব্যক্তির কোরবানি করার আগপর্যন্ত নখ, চুল, ও অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করা থেকে বিরত থাকা (মুসলিম, ১৯৭৭)।

এ হাদিসে যদিও কোরবানিদাতাকে চুল, নখ ইত্যাদি কাটা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে, তবে বিভিন্ন বর্ণনা থেকে বোঝা যায় যে যাদের কোরবানি করার সামর্থ্য নেই, তারাও ফজিলতপূর্ণ এ আমলটি করতে পারেন। এমনকি শিশুদেরও চুল-নখ কাটা থেকে বিরত রাখা উত্তম। (আবু দাউদ, ২৭৮৯; আল-মুস্তাদরাক আলাস সহিহাইন, ৭৫২০)

৭. অধিক পরিমাণে তাকবির, তাহমিদ ও তাহলিল পাঠ করা। অর্থাৎ আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ পড়া। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেন, আল্লাহর কাছে জিলহজের ১০ দিনের আমলের চেয়ে শ্রেষ্ঠ ও প্রিয় আমল নেই। অতএব এ দিনগুলোতে তোমরা অধিক পরিমাণে তাকবির, তাহমিদ ও তাহলিল পাঠ করো (আল-মুজামুল কাবির, ১১১১৬)।

৮. তাশরিকের দিনগুলোতে প্রত্যেক সালাতের শেষে বিশেষভাবে তাকাবিরে তাশরিক পাঠ করা। অর্থাৎ ৯ জিলহজ ফজর থেকে ১৩ জিলহজ আসর পর্যন্ত প্রতি নামাজের পর একবার ‘আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ’ পাঠ করা (মুসান্নাফে ইবনে আবি শাইবা, ৫৬৩১)।

৯. প্রথম ৯ দিন সিয়াম পালন করা। কোনো কোনো বর্ণনায় জিলহজের প্রথম ৯ দিনই সিয়াম পালনের নির্দেশনা পাওয়া যায়।

১০. আরাফার দিন বিশেষভাবে রোজা রাখা। কেননা, আরাফার দিনের রোজা রাখলে আশা করা যায় মহান আল্লাহ তার পেছনের এবং সামনের এক বছরের (সগিরা) গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন (মুসলিম, ১১৬২)।

১১. ঈদের দিনের সুন্নাহসমূূহ পালন করা।

11/05/2026



Address

Dhaka
1260

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ASO Islamer Pothe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Dhaka.