26/08/2026
নারীরা তাদের স্বামীদের ঘরে থাকবে কিন্তু তাঁকেই অপছন্দ করবে,এই স্বভাব সোনালী যুগেও ছিলো!
তোমাদের মধ্যকার কেউ যদি তার স্বামীকে ভালো না-ও বাসে, তারপরও তাকে তা জানানো উচিত নয়। কারণ খুব কম ঘরই কেবল ভালোবাসার উপর টিকে থাকে।
বরং মানুষ একসঙ্গে বসবাস করে ইসলামের বন্ধন এবং উত্তম আচরণের মাধ্যমে।”
[আহকামুন নিসা লিল ইবনুল জাওযী: ১১০]
উমার (রাদিআল্লাহু আনহু)-এর খিলাফতের সময় ইবনু আবি আযরাহ আদ দু’আলী নামক এক লোক ছিলো যিনি যেসব নারীকে বিয়ে করতেন, প্রায়শই তাদেরকে তালাক দিয়ে দিতেন।
এ কারণে লোকদের মধ্যে তার ব্যাপারে নানা কটু কথা ছড়িয়ে পড়ে, যা তিনি অপছন্দ করতেন।একদিন তিনি বিষয়টি উপলব্ধি করে আব্দুল্লাহ ইবনুল আরকামকে সঙ্গে নিয়ে নিজের বাড়িতে প্রবেশ করলেন। তারপর ইবনুল আরকামকে সামনে রেখে স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বললেন:
“আল্লাহর কসম দিয়ে তোমাকে জিজ্ঞাসা করছি বলো তো, তুমি কি আমাকে অপছন্দ করো?”
স্ত্রী বললেন, “আমাকে এ প্রশ্ন করবেন না।”
তিনি বললেন, “না, উত্তর দাও।”
তখন স্ত্রী বললেন, “আল্লাহর কসম, হ্যাঁ (আমি অপছন্দ করি)”
ইবনু আবি আযরাহ আব্দুল্লাহ ইবনুল আরকামকে বললেন,
“এবার তুমি শুনলে তো?”
এরপর তিনি উমার (রাদিআল্লাহু আনহু) এর কাছে গিয়ে বললেন,”হে আমীরুল মু’মিনীন!
লোকেরা বলে আমি নাকি নারীদের প্রতি জুলুম করি এবং অন্যায়ভাবে তাদেরকে তালাক দিই। আপনি আব্দুল্লাহ ইবনুল আরকামের কাছে জিজ্ঞাসা করুন, তিনি আমার স্ত্রীর মুখে কী শুনেছেন।”
উমার (রাদিআল্লাহু আনহু) আব্দুল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ঘটনাটি বর্ণনা করলেন। এরপর উমার সেই স্ত্রীকে ডেকে পাঠালেন। তিনি এলে উমার (রাদিআল্লাহু আনহু) বললেন,
“তুমিই কি তোমার স্বামীকে বলেছ যে- তুমি তাকে অপছন্দ করো?”
তিনি উত্তর দিলেন, “হে আমীরুল মু’মিনীন! আমি আল্লাহর কাছে তওবা করছি এবং তাঁর নির্দেশের দিকে ফিরে আসছি। তিনি আমাকে আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাই আমি মিথ্যা বলতে লজ্জাবোধ করেছি। হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনিই বলুন- আমি কি মিথ্যা বলতাম?”
তখন উমার (রাদিয়াআল্লাহু আনহু) বললেন:
“হ্যাঁ, (এ ক্ষেত্রে) মিথ্যা বলতে।