25/05/2026
রামিসার ময়নাতদন্ত হয়েছিলো শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
সেই ‘ডোম’ ভাই বলছিলেন— মাত্র তেরো বছর বয়স থেকে এই লাশকাটা ঘরের সাথে তার সখ্য। কত শত মৃতদেহ দেখেছেন, কত বীভৎসতার মুখোমুখি হয়েছেন.....
কিন্তু এবারের কাজটা করতে গিয়ে তার পাথর বুকটাও কেমন যেন কেঁপে উঠেছিল। অজান্তেই গায়ের লোম খাড়া হয়ে গিয়েছিল।
গলা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া ছোট্ট রামিসার নিথর দেহটাকে জোড়া লাগাতে তার প্রায় ১০০ টারও বেশি সেলাই দিতে হয়েছে । রামিসার চোখ দুটো পুরোপুরি বন্ধ ছিল না; কেমন যেন আধো-বোঁজা হয়ে ছিল। সেই শূন্য চাহনির দিকে তাকিয়ে বারবার মনে হচ্ছিল— চোখ দুটো যেন বোবা কান্নায় তাকে কিছু একটা বলতে চাইছে। একটা আকুল মিনতি, কিংবা কোনো এক শেষ বার্তা, যা সে এই পৃথিবীর বুকে রেখে যেতে চেয়েছিল। 😞