EDU LINE

EDU LINE বিসিএস,ব্যাংক,প্রাইমারি, নিবন্ধন ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষার সকল আপডেট পেতে আমাদের সাথেই থাকুন!

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর কলকাতার চিড়িয়া মোড় সংলগ্ন কাশীপুরের চিৎপুর জ্যোতিনগর কলোনিতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শুরু হয়েছ...
13/09/2026

পশ্চিমবঙ্গের উত্তর কলকাতার চিড়িয়া মোড় সংলগ্ন কাশীপুরের চিৎপুর জ্যোতিনগর কলোনিতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে চরম সাম্প্রদায়িক নির্যাতন।

কলোনির প্রায় ৫ হাজার মুসলিম অধিবাসী বিজেপিকে ভোট না দেওয়ায় টানা ৯০ দিনেরও বেশি সময় ধরে পুরো এলাকার পানি সরবরাহ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রাখা হয়েছে। অথচ পাশের হিন্দু কলোনিতে পানি সরবরাহ স্বাভাবিক ও সচল। এছাড়া মুসলিমদের উচ্ছেদের পাঁয়তারা হিসেবে সড়কের বাতি ও বিদ্যুৎ সংযোগও কেটে দেওয়া হয়েছিল।

নির্বাচনে জয়ের পরই উগ্র বিজেপি নেতা প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছিল, "মুসলিমদের জন্য কোনো কাজ করব না।" স্থানীয় অধিবাসীরা জানান, তার সরাসরি নির্দেশেই কেএমসি পাইপলাইনের কাজের অজুহাতে ২৬ থেকে ২৮ জুলাইয়ের মধ্যে পানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

পানি না থাকায় রান্নাবান্না, শৌচাগার ব্যবহার থেকে শুরু করে দাফনের আগে লাশ গোসল করানোর মতো ধর্মীয় রীতি পালনেও ময়লা গঙ্গার পানি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন অধিবাসীরা। দূষিত জলে গোসল করায় শিশুদের শরীরে র‍্যাশ ও চর্মরোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

পানির খোঁজে দেড় কিলোমিটার দূর হেঁটে যেতে বাধ্য হওয়া এই কলোনির ৯৫% মানুষই অত্যন্ত দরিদ্র দিনমজুর ও রাজমিস্ত্রি। পাশের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় স্বাভাবিক পানি সরবরাহ চালু থাকলেও, কোনো হিন্দু পরিবার মুসলিমদের এক বালতি পানি দিয়ে সাহায্য করতে গেলে তাদেরও পানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি বিধায়ক এলাকার নিরীহ অধিবাসীদের 'বাংলাদেশি ও অবৈধ দখলদার' আখ্যা দিয়ে চরম গালিগালাজ ও ধর্মীয় অবমাননাকর মন্তব্য করেছে। মূলত উগ্র হিন্দুত্ববাদী মানসিকতা এবং উচ্ছেদের সুপরিকল্পিত চক্রান্ত হিসেবেই সুপ্রিম কোর্ট ঘোষিত মৌলিক অধিকার 'পানি পানের সুযোগ' থেকে বঞ্চিত রেখে ৫ হাজার মুসলিমের জীবন বিপন্ন করে তোলা হয়েছে।

12/09/2026

জিন্নাহকে হিন্দুত্ববাদীরা ঘৃণা করবে, সেটাই স্বাভাবিক। কারণ জিন্নাহর নেতৃত্বেই অখণ্ড ভারতের রাজনৈতিক স্বপ্নের কবর রচিত হয়েছিল, পাকিস্তানের জন্ম হয়েছিল। তাই জিন্নাহ তাদের কাছে পরাজয়ের প্রতীক।

কিন্তু প্রশ্নটা বাঙালি মুসলমানকে নিয়ে।

আজকের ভারতেই মুসলমানের মসজিদ ভাঙা হচ্ছে, আজানের মাইক খুলে নেওয়া হচ্ছে, গরুর মাংস নিষিদ্ধ করা হয়েছে, গরুর মাংস রাখার অপবাদ দিয়েও মানুষকে গণপিটুনি দিয়ে হ ত্যা করা হচ্ছে। দাঁড়ি রাখার অপরাদে মারা হচ্ছে, মানে শুধু মুসলিম হওয়ার কারণে নিগৃহীত হতে হচ্ছে পদে পদে।

অথচ এই বাস্তবতার মধ্যেও কিছু বাঙালি মুসলমান জিন্নাহকে গালি দেওয়াকেই নিজেদের রাজনৈতিক প্রগতিশীলতার সার্টিফিকেট বানিয়ে বসে আছে!

কেন?

জিন্নাহর প্রতিটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হওয়ার দরকার নেই। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করুন, ইতিহাসের বিতর্ক করুন। কিন্তু যে মানুষটি ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দাবিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার অন্যতম প্রধান নেতা, তাকে নিয়ে ইতিহাস না জেনে গালাগালি করে কার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন, সেই প্রশ্নটা অন্তত নিজেকে করুন।

অখণ্ড ভারতের স্বপ্ন যাদের রাজনৈতিক আদর্শ, তারা জিন্নাহকে ঘৃণা করবে, এটাই স্বাভাবিক।

কিন্তু বাঙালি মুসলমান হয়ে সেই বিদ্বেষের বুলি মুখস্থ করে জিন্নাহকে গালি দেওয়ার আগে নিজের নিজের ডিএনএ টেস্ট করা জরুরি।

অন্যের রাজনৈতিক পরাজয়ের গল্প মুখস্থ করে নিজের ইতিহাসের একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রকে গালি দেওয়া কোনো বুদ্ধিবৃত্তিক অর্জন নয়। এটা নিছক রাজনৈতিক মূর্খতা।

এরা কারা মুসলিম হত্যায় এদের এত উল্লাস কেন? জাতি জানতে চায়?
10/09/2026

এরা কারা মুসলিম হত্যায় এদের এত উল্লাস কেন? জাতি জানতে চায়?

নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নামে বিএনপি সরকার আরেকটি বাজে কাজ করতে যাচ্ছে। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ পিএসসির কাছ থেকে সরিয়ে ...
09/09/2026

নিয়োগ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার নামে বিএনপি সরকার আরেকটি বাজে কাজ করতে যাচ্ছে। ১০ম গ্রেডের নিয়োগ পিএসসির কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে নিজেদের কমিটি গঠন করে নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অন্যান্য ১০ম গ্রেডের পদের মত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পিএসসির মাধ্যমে নিয়োগ চলছে অনেক বছর ধরেই। মন্ত্রণালয় শূন্য পদের সংখ্যা জানায়। পিএসসি পরীক্ষা নিয়ে যোগ্য প্রার্থীরা তালিকা প্রকাশ করে। মন্ত্রণালয় নিয়োগ দেয়। ফলে নিয়োগটা ভালোভাবেই চলছে।

কিন্তু বিএনপি সরকার কেনো জানি সব নিয়োগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিতে চাইছে। পিএসসির অধীনে যে নিয়োগ হয় সেটা তরান্বিত (!) করতে জনপ্রশান প্রতিমন্ত্রী নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রী মূখ্য সচিব এবং জনপ্রশাসন সচিবকে নিয়ে কমিটি করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হচ্ছে, এই কমিটি নিয়োগ কার্যক্রম তরান্বিত করতে কাজ করবে।

কেনো পিএসসি কী পারছে না? পিএসসি কী কোথায় বলেছে, 'আমরা পারছি না'। খালি চোখেই বোঝা যাচ্ছে, সরকার নিয়োগকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে। উদ্দেশ্য হতে পারে পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ করা কিংবা দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ করা।

কিন্তু তারা কী চব্বিশ ভুলে গেছে? সরকারি চাকরির নিয়োগে বৈষম্য করার কারণেই কিন্তু এই দেশের ছাত্ররা আন্দোলনের সূত্রপাত করেছিল। যা থেকে কালজয়ী অভ্যুত্থান হয়েছে।

ক্ষমতা আর সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে তা ভুলে গেলে সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, তরুণরা কিন্তু জাগ্রত আছে।

নিয়োগে হাত দিয়ে দুর্নীতি করে লাভবান হওয়ার যে চিন্তা করছেন, এটা কিন্তু কখনোই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে ন।
Hasnat Abdullah Mp

08/09/2026

দাবি একটাই সরকারি চাকরির বিধিমালা এমন করতে হবে ৯০ নম্বর এর প্রিলিমিনারি/ লিখিত এবং ১০ নম্বর এর ভাইবা হতে হবে, ভাইবার নম্বর কোন ভাবেই ১০ নম্বর এর বেশি হওয়া যাবে না।

জি এই যুক্তিতেই নিজেদের আদুভাই গুলো সরকারি চাকরি নিবে।
08/09/2026

জি এই যুক্তিতেই নিজেদের আদুভাই গুলো সরকারি চাকরি নিবে।

08/09/2026

সহজ হিসেব। ১১ গ্রেডের অডিটর এক্সাম। ১০০ নম্বরের লিখিত কদু (Chodu) গুপ্ত নামে এক প্রার্থী পেলো ৫৫, আপনি পেলেন ৭৫!
ভাইভা বোর্ডে আপনি পেলেন ৫০-এ ২৫, কদু পেলো ৪৬! রিটেনে ২০ নম্বর বেশি পাওয়ার পরেও আপনি হবেন কম যোগ্য। কদু পাবে চাকরি। রিটেন মার্ক্স প্রকাশও করেনা। আপনি জানবেনও না কেন চাকরি পান নাই। চাকরি না পেয়ে বাসায় এসে যৌবন নষ্ট করে চাকরির প্রস্তুতি নিতে থাকবেন আর নষ্টরা পড়ালেখা না করেই সেজে যাবে মেধাবী!

শালার সব লাত্থি বেকারদের দেয়াই লাগে? কোটা থেকেও ভয়ংকর এই ভাইভা মার্ক্সের ইনফ্লেশন। 😑
Shivam Rathi

সরকার আইনগতভাবে অন্যায় কিছু করেনি
08/09/2026

সরকার আইনগতভাবে অন্যায় কিছু করেনি

সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষায়...
08/09/2026

সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ৪০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর পাশাপাশি লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বর কমিয়ে বিধিমালা পরিবর্তন করা হচ্ছে।
©️ডেইলি স্টার

বাংলা সাহিত্যের সকল কনফিউশান দূর করুন। এভাবে গুছিয়ে কেউ কখনো দেয়নি। PDF লাগবে?©
14/07/2026

বাংলা সাহিত্যের সকল কনফিউশান দূর করুন। এভাবে গুছিয়ে কেউ কখনো দেয়নি। PDF লাগবে?
©

Address

Dhaka , Bangladesh, 1210
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when EDU LINE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share