TEF Zone

TEF Zone Don't give up, it will take a lot of work���
(2)

এই সরকারের অনেক প্রশংসা করেছি। তবে ড ইউনুস সরকারের নিয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধের ইস্যু নিয়ে। এরা সবকিছুতে শব্দ...
13/04/2025

এই সরকারের অনেক প্রশংসা করেছি। তবে ড ইউনুস সরকারের নিয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধের ইস্যু নিয়ে। এরা সবকিছুতে শব্দ এবং ছবির মারপ্যাচ দিয়ে সমআকাম বান্ধব করতে মরিয়া। বিভিন্ন সংস্কার প্রস্তাবেও এলজিটভি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই বিষয়ে সচেতন না হলে ড ইউনুস ঐতিহাসে ভিলেন হিসেবে পরিচিতি পেতে পারেন। এটা লিখে রাখেন।

ইতিমধ্যে এই ইস্যুতে নতুন পার্টি ইমেজ সংকটে পড়েছে যা রিকভার করা সত্যিই কঠিন হবে যদি না তারা দলীয়ভাবে অবস্থান স্পষ্ট না করে।

একটা কথা মাঝে মাঝেই স্মরণ করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি।

সামনের রাজনীতিতে মূল্যবোধের ইস্যুগুলো নিয়ামকের ভূমিকা রাখবে।

Our Girls 🇵🇸❤👑
12/04/2025

Our Girls 🇵🇸❤👑

ঢাকার আকাশে আলোর ঝলকানি 💫✨সংসদ ভবন ঢাকা
12/04/2025

ঢাকার আকাশে আলোর ঝলকানি 💫✨

সংসদ ভবন ঢাকা

12/04/2025

ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা
March for Gaza | ঢাকা | ২০২৫

বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম
আল্লাহর নামে শুরু করছি
যিনি পরাক্রমশালী, যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী,
যিনি মজলুমের পাশে থাকেন, আর জালেমের পরিণতি নির্ধারণ করেন।

আজ আমরা, বাংলাদেশের জনতা—যারা জুলুমের ইতিহাস জানি, প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করি—সমবেত হয়েছি গাজার মৃত্যুভয়হীন জনগণের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি ইতিহাসের সামনে দেওয়া আমাদের জবাব, একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ।

এই পদযাত্রা ও গণজমায়েত থেকে আজ আমরা চারটি স্তরে আমাদের দাবিসমূহ উপস্থাপন করব-

আমাদের প্রথম দাবিগুলো জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি।

যেহেতু—জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সকল জাতির অধিকার রক্ষার, দখলদারিত্ব ও গণহত্যা রোধের সংকল্প প্রকাশ করে;
এবং—আমরা দেখেছি, গাযায় প্রতিদিন যে রক্তপাত, যে ধ্বংস চলছে, তা কোনো একক সরকারের ব্যর্থতা নয়—বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার ফল;
এবং—এই ব্যর্থতা শুধু নীরবতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং পশ্চিমা শক্তিবলয়ের অনেক রাষ্ট্র সরাসরি দখলদার ইজরায়েলকে অস্ত্র, অর্থ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে এই গণহত্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে;
এবং—এই বিশ্বব্যবস্থা দখলদার ইজরায়েলকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে বরং রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে;

সেহেতু—আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জোরালো দাবি জানাচ্ছি:

১। জায়নবাদী ইজরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে;
২। যুদ্ধবিরতি নয়—গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে;
৩। ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে;
৪। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে;
৫। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে হবে;

কারণ—এই মুহূর্তে বিশ্বব্যবস্থা যে ন্যায়ের মুখোশ পরে আছে,
গাযার ধ্বংসস্তূপে সেই মুখোশ খসে পড়েছে।

আমাদের দ্বিতীয় দাবিগুলো মুসলিম উম্মাহর নেতৃবৃন্দের প্রতি।

যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন কেবল একটি ভূখণ্ড নয়—এটি মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয়ের অংশ;
এবং—গাযা এখন কেবল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর নয়—এটি আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার বেদনাদায়ক প্রতিচ্ছবি;
এবং—উম্মাহর প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি রাষ্ট্র, এবং প্রতিটি নেতৃত্বের উপর অর্পিত সেই আমানত—যা আল্লাহ প্রদত্ত ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্বের সূত্রে আবদ্ধ;
এবং—ইজরায়েল একটি অবৈধ, দখলদার, গণহত্যাকারী রাষ্ট্র—যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা ও একটি পুরো জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করতে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে;
এবং—ভারতের হিন্দুত্ববাদ আজ এই অঞ্চলে জায়নবাদী প্রকল্পের প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছে—মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত দমন-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে;
এবং—ভারতে সম্প্রতি ওয়াকফ সম্পত্তি আইনে হস্তক্ষেপের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক অধিকার হরণ করা হয়েছে—যা উম্মাহর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা;

সেহেতু—আমরা মুসলিম বিশ্বের সরকার ও ওআইসি’র মত মুসলিম উম্মাহর প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনগুলোর নিকট দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:

১। ইজরায়েলের সাথে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সকল সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করতে হবে;
২। জায়নবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে;
৩। গাযার মজলুম জনগণের পাশে চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সহ সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে;
৪। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইজরায়েলকে এক ঘরে করতে সক্রিয় কূটনৈতিক অভিযান শুরু করতে হবে;
৫। জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিমদের অধিকার হরণ, বিশেষ করে ওয়াকফ আইনে হস্তক্ষেপের মতো রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে দৃঢ় প্রতিবাদ ও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান নিতে হবে;

কারণ—গাযার রক্ত প্রবাহে আমরা লজ্জিত হওয়ার আগেই, গাযার পাশে দাঁড়ানোই উম্মাহর জন্য সম্মানের একমাত্র পথ।
এবং—যে নেতৃত্ব আজ নিরব, কাল ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হবে।

আমাদের তৃতীয় দাবিগুলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতি-

যেহেতু—বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তিতেই নিহিত রয়েছে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা;
এবং—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশ কেবল মানবতার নয়—ঈমানের পক্ষেও এক ঐতিহাসিক অবস্থানে আছে;
এবং—একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সরকারের দায়িত্ব, জনগণের ঈমানি ও নৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রাখা;
এবং—বাংলাদেশের জনগণ গাযার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে, তাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নিরবতা এই জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি অবজ্ঞার শামিল;

সেহেতু—আমরা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:

১। বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘Except Israel’ শর্ত পুনর্বহাল করতে হবে এবং ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান আরও সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে;
২। সরকারের ইসরায়েলি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে যত চুক্তি হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে;
৩। রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে;
৪। সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং আমদানি নীতিতে জায়নবাদী কোম্পানির পণ্য বর্জনের নির্দেশনা দিতে হবে;
৫। জায়নবাদের দোসর ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকারের অধীনে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে, যেহেতু হিন্দুত্ববাদ আজ শুধু একটি স্থানীয় মতবাদ নয়—বরং আন্তর্জাতিক জায়নিস্ট ব্লকের অন্যতম দোসর;
৬। পাঠ্যবই ও শিক্ষা নীতিতে আল-আকসা, ফিলিস্তিন, এবং মুসলিমদের সংগ্রামী ইতিহাসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—
যাতে ভবিষ্যৎ মুসলিম প্রজন্ম নিজেদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আত্মপরিচয় নিয়ে গড়ে ওঠে।

কারণ—রাষ্ট্র কেবল সীমানা নয়, রাষ্ট্র এক আমানত।
আর এই আমানত রক্ষা করতে না পারলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না।

আমাদের সর্বশেষ দাবিগুলো নিজেদের প্রটি যা মূলত একটি অঙ্গীকারনামা

যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, আল-কুদস কেবল একটি শহর নয়—এটি ঈমানের অংশ;
এবং—আমরা জানি, বাইতুল মাকদিসের মুক্তি অন্য কারো হাতে নয়—আমাদেরই কোন প্রজন্মের হাতে তা লেখা হবে;
এবং—আমরা বুঝি, জায়নবাদের প্রতিষ্ঠা মূলত আমাদের নিজেদের আত্মবিস্মৃতির ফল;
এবং—আজ যদি আমরা প্রস্তুত না হই, তাহলে আল্লাহ না করুন কাল আমাদের সন্তানেরা হয়তো এমন এক বাংলাদেশ পাবে—যেখানে হিন্দুত্ববাদ ও জায়নবাদ একত্রে নতুন গাজা তৈরি করবে;
এবং—গাযা আমাদের জন্য এক আয়না—যেখানে আমরা দেখতে পাই, কীভাবে বিশ্বাসী হওয়া মানে কেবল বেঁচে থাকা নয়, সংগ্রামে দৃঢ় থাকা;
সেহেতু—আমরা এই মাটির মানুষ, এই মুসলিম ভূখণ্ডের নাগরিক, এই কওমের সন্তান এবং সর্বোপরি মুসলিম উম্মাহর সদস্য—একটি অঙ্গীকার করছি:
১। আমরা সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বয়কট করবো—প্রত্যেক সেই পণ্য, কোম্পানি ও শক্তিকে যারা ইজরায়েলের দখলদারিত্বকে টিকিয়ে রাখে;
২। আমরা আমাদের সমাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে প্রস্তুত করবো—যারা ইসলাম ও মুসলিম উম্মাহর সকল প্রতীক ও নিদর্শনকে সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার করবে, ইন শা আল্লাহ;
৩। আমরা আমাদের সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলবো—যারা নিজেদের আদর্শ ও ভূখণ্ড রক্ষায় জান ও মালের সর্বোচ্চ ত্যাগে প্রস্তুত থাকবে;
৪। আমরা বিভাজিত হবো না—কারণ আমরা জানি, বিভক্ত জনগণকে দখল করতে দেরি হয় না।
আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো, যাতে এই বাংলাদেশ কখনো কোনো হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের পরবর্তী গাজায় পরিণত না হয়।
আমরা শুরু করবো নিজেদের ঘর থেকে—ভাষা, ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি, সমাজ—সবখানে এই অঙ্গীকারের ছাপ রেখে।

আমরা মনে রাখবো:
গাযার শহীদরা কেবল আমাদের দো‘আ চান না—তাঁরা আমাদের প্রস্তুতি চান।

শেষকথাঃ

শান্তি বর্ষিত হোক গাযার সম্মানিত অধিবাসীদের উপর—তাঁদের উপর,
যাঁরা নজিরবিহীন সবর করেছেন, যাঁরা অবিচল ঈমানের প্রমাণ দিয়েছেন।
যাঁরা ধ্বংসস্তূপের মাঝেও প্রতিরোধের আগুন জ্বেলেছেন
বিশ্বের নীরবতা ও উদাসীনতার যন্ত্রণা হাসিমুখে বুকের মাঝে ধারণ করেছেন।
শান্তি বর্ষিত হোক তাদের উপর, যাঁরা নাম রেখে গেছেন ইজ্জতের খতিয়ানে—

শান্তি বর্ষিত হোক হিন্দ রজব, রীম এবং ফাদি আবু সালেহ সহ সকল শহীদেরর উপর, যাঁদের রক্ত দ্বারা গাজার পবিত্রভূমি আরো পবিত্র হয়েছে, যাঁদের চোখে ছিল প্রতিরোধের অগ্নিশিখা।
শান্তি বর্ষিত হোক বাইতুল মাকদিসের গর্বিত অধিবাসীদের উপর, যাঁদের হৃদয়ে এখনো ধ্বনিত হয় ‘আল-কুদস লানা’, আল কুদস আমাদের!

গাজার জনগণকে অভিনন্দন—

আপনারা ঈমান, সবর আর কুরবানীর মহাকাব্য রচনা করেছেন।
দুনিয়াকে দেখিয়েছেন—ঈমান আর তাওয়াক্কুলের শক্তি
আমরা, বাংলাদেশের মানুষ—শাহ জালাল আর শরীয়াতুল্লাহর ভূমি থেকে দাঁড়িয়ে, আপনাদের সালাম জানাই,
আপনাদের শহীদদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানাই,
আর আমাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এই দো‘আ—
হে আল্লাহ, গাজার এই সাহসী জনপদকে তুমি সেই পাথর বানিয়ে দাও,
যার উপর গিয়ে ভেঙে পড়বে জায়োনিস্টদের সব ষড়যন্ত্র।

বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষে,
প্যালেস্টাইন সলিডারিটি মুভমেন্ট, বাংলাদেশ।

কওমী অঙ্গনের রত্ন মুফতী আব্দুল মালেক হাফি.খতিব- বায়তুল মুকাররম জাতীয় জামে মসজিদ।সারা বাংলার আলেমগণ যাকে এক বাক্যে জ্ঞানে...
12/04/2025

কওমী অঙ্গনের রত্ন মুফতী আব্দুল মালেক হাফি.
খতিব- বায়তুল মুকাররম জাতীয় জামে মসজিদ।

সারা বাংলার আলেমগণ যাকে এক বাক্যে জ্ঞানের সাগর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

দেখুন- একদম সাদাসিধা চালচলন, কলার ছাড়া জুব্বা, পায়ে সাধারণ একটা জুতা।
ফ্লোর টাচ জুব্বা নয়, তিনি পড়েছেন নিসফুস সাক জুব্বা।

নেই কোনো অহংকার, জৌলুশ।
আছে শুধু তাকওয়া আর হকের প্রতি অবিচলতা।

তাকে দেখে সবার শিক্ষা নেয়া দরকার।

এদেশের পাবলিকেরা চাকচিক্যময়, সুদর্শন হুজুর দেখলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে,
অথচ এদেশের সবচেয়ে বড় বড় হুজুররা একদম সাধারণ চলাফেরা করেন।

হাটহাজারী মাদরাসায় আমার উস্তাদদের সকলেই এতটাই সাধারণভাবে চলতেন যে, আমি প্রথম প্রথম গিয়ে তাদেরকে চিনতেই পারিনি যে, তারা হাটহাজারীর মত মাদরাসার সিনিয়র উস্তাদ।

ভেবেছি এলাকার ময়মুরুব্বি হবে হয়তো।

পরক্ষণে যখন ৩/৪ দিন পর ক্লাস শুরু হলো, দেখি যে তিনিই এই মাদরাসার উস্তাদ সুবহানাল্লাহ।

আল্লাহ সবাইকে সেলিব্রেটিজম থেকে হেফাজত করুন।

আজকের এই জনসমুদ্র ও ঘোষণাপত্র ঐতিহাসিক দলীল হবে। যুগ যুগ ধরে এটা এই ভূখন্ডের মুসলিমদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
12/04/2025

আজকের এই জনসমুদ্র ও ঘোষণাপত্র ঐতিহাসিক দলীল হবে। যুগ যুগ ধরে এটা এই ভূখন্ডের মুসলিমদের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

10/04/2025

সকালে সবাই যখন ইনভেস্টমেন্ট সামিট নিয়ে পোস্ট দিচ্ছিল, আমার ধারণা ছিল কয়েকটা রাজনৈতিক দল* এটা পছন্দ করবে না। কেন করবে না, এর পেছনে হাজারটা কারণ আছে।

বিকেল হতে না হতে দেখি আমার ধারণা বাস্তবে রূপ নিয়ে ফেসবুক সয়লাব করে ফেলেছে। জাস্ট চিন্তা করেন, দেশে বিনিয়োগ আসছে, এটা একটা দল সহ্য করতে পারছে না?

কেন? কী কারণে? অত্যন্ত উদ্ভট না বিষয়টা?

এই দেশের রাজনীতিবিদরা আসলে ভুভুক্ষু মানুষ চায়। ভোটের আগের রাতে যাদেরকে ৫০ টাকা দিয়ে কিংবা নির্বাচনী ক্যাম্পে ফ্রি রং চা খাইয়ে ভোট কেনা যাবে। তারা চায় এই দেশের মানুষ এক মুঠ ভাতের জন্য তীর্থের কাকের মত তাদের দিকে চেয়ে থাকুক।

তারা তখন বড় গলায় বলবে আমি মোবাইল দেই, আমি বিদ্যুৎ দেই, আমি চাল দেই, আমি কাপড় দেই, তারপর আবার এত কথা কীসের?

এই দেশের রাজনীতিবিদরা 'সিটিজেন' চায় না, তারা চায় দাস। সর্বোচ্চ 'প্রজা' চায়। এর বেশি না।

দেশের মানুষের হাতে টাকা আসবে। চাকরি আসবে। আর ৫০ টাকা দিয়ে ভোট কেনার দিন হারিয়ে যাবে, এটা আদতে তাদের ক্ষমতার মৃত্যু।
(কপি)
# তারা দেশের ও দেশের মানুষের ভালো চায় না,
চায় ক্ষমতা.💔

আশিক চৌধুরী তার গোটা ক্যারিয়ারে যতগুলো অপর্চুনিটিকে ব্রেক আউট করে এই ভেঙে পরা দেশের জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্পিচ দিচ্ছে, ত...
09/04/2025

আশিক চৌধুরী তার গোটা ক্যারিয়ারে যতগুলো অপর্চুনিটিকে ব্রেক আউট করে এই ভেঙে পরা দেশের জন্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে স্পিচ দিচ্ছে, ততগুলো অপুর্চিনিটি আপনি আর আমি পেলে হয়তো দেশের মা-বোনকে গালি দিয়ে 'বিদেশে' আয়েশের জীবন পালন করতাম।

নিচে তার কিছু প্রতিফলন দিলাম।

1. ২০০৭ সালে ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর টেরিটরি অফিসার

2. ২০০৭ এর শেষের দিকে 'স্টান্ডার্ড চ্যাটার্ড ব্যাংকের ফিনানশিয়াল প্ল্যানিং ডিভিশন' ম্যানেজার

3. ২০১২ সালে 'আমেরিকান এয়ারলাইন্সের' ফিনানশিয়াল এনালিস্ট

4. ২০১৯ এ একই প্রতিষ্ঠানের ইউরোপ এন্ড এশিয়ার 'হ্যাড অফ ফিন্যান্স'

5. গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের এডভাইজার

6. ২০২৪ সালে 'হংকং ব্যাংকের ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ইনভেস্টমেন্ট ডিপার্টমেন্টের' অ্যাসোসিয়েট ডিরেক্টর

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই লোকের আবার গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডও আছে। ২০২৪ এ এসে United state এর মেমপিস শহরের প্রায় ৪২,০০০ ফিট উপর থেকে বাংলাদেশের পতাকা 🇧🇩 হাতে নিয়ে ফ্রি-ফল করে গিনেসে নাম লিখেছেন এই আশিক চৌধুরী।

অথচ এত কিছুর পরেও গর্দভের মত মুখ উঠিয়ে একটা ভঙ্গুর দেশের হাল ধরতে চলে এসেছেন। মাথায় দেশপ্রেম নামক গোবর ঠাসা আশিকের মত এই লোকগুলোর না জানি কবে খানিক চুরি-বাটপারির শিক্ষা ধিক্কা হবে কে জানে।

01/03/2025

রমজান মুবারাক🖤🕋🤲

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TEF Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share