Nirob Tv

Nirob Tv A privately owned news and current affairs television channel in Bangladesh, Nirob Television is also known as Nirob TV. it is owned by Md Ebrahim Hossain.

Contact Us: +88 01611-992923
Email: [email protected]
Web: www.nirobtv.com

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ...
10/09/2026

দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘দুর্নীতিবাজ যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

’
আজ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বঙ্গভবনে দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম. আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেসসচিব মো. সরওয়ার আলম ব্রিফিংকালে এই তথ্য জানান।

সাক্ষাৎকালে দুদক চেয়ারম্যান কমিশনের সার্বিক কার্যক্রম, চলমান বিভিন্ন উদ্যোগ এবং দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করার পাশাপাশি দুর্নীতি দমনে কমিশনের কার্যক্রম আরো কার্যকর করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দীর্ঘদিনের অপশাসন, অনিয়ম ও জবাবদিহির অভাবে দুর্নীতি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন ও নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করছে জাতির অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ। দুদককে সততা ও সাহসের সঙ্গে দুর্নীতি দমনে কাজ করে যেতে হবে।
রাষ্ট্রপতি দীর্ঘদিনের বিপুলসংখ্যক বিচারাধীন মামলাগুলো আইনগতভাবে দ্রুত নিষ্পত্তি ও দীর্ঘসূত্রিতা কমানোর জন্য দুদকের প্রতি আহ্বান জানান। এ সময় তিনি গুরুতর দুর্নীতির ব্যাপারে দ্রুত অনুসন্ধান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি দুর্নীতিবিরোধী মূল্যবোধ গড়ে তুলতে জনসচেতনতা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন এবং কমিশনকে তার সাংবিধানিক ও আইনগত দায়িত্ব কার্যকরভাবে পালনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কমিশনার (তদন্ত) ড. জাহাঙ্গীর আলম খান, কমিশনার (অনুসন্ধান) ড. মো.সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া এবং সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের সময়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ব...
10/09/2026

জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেছেন, শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূসের সময়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি মব কালচার হয়েছে। তিনি সংকটময় মুহূর্তে দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার বদলে জাতিকে বিভাজিত করে জাতীয় ঐক্য নষ্ট করেছেন।

দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সুনামগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শামীম পাটোয়ারী বলেন, আমরা সংকটময় মুহূর্তে দেশের গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্বাচনে গিয়েছিলাম। কিন্তু মেটিকুলাস ডিজাইনে আমাদের হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।

রংপুরের মতো স্থানে জি এম কাদেরকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন
একসঙ্গে জানাজা, বাবা-ছেলের দাফনও পাশাপাশি কবরে
একসঙ্গে জানাজা, বাবা-ছেলের দাফনও পাশাপাশি কবরে


জাপা মহাসচিব বলেন, জাতীয় পার্টিকে ছাড়া সংসদ অকার্যকর হয়ে গেছে। সংসদে সংসদীয় চর্চা হচ্ছে না, জনরোষ বাড়ছে। দেশকে সঠিক জায়গায় নিতে হলে এরশাদের জাতীয় পার্টি ছাড়া বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

সুনামগঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মনির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নাজমুল হুদা হিমেলের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম, আলমগীর শিকদার, আরিফুর রহমান খান প্রমুখ।

মতবিনিময়সভায় জেলার ১১ উপজেলার জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতে সীমাহীন লুটপাট হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ এ লুটপাট আড়াল করতে বিদ্যুৎ সরবরাহ...
10/09/2026

আওয়ামী লীগের ১৫ বছরে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতে সীমাহীন লুটপাট হয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ এ লুটপাট আড়াল করতে বিদ্যুৎ সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছে।

এর ফলে এ খাত থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থপাচার এবং লুটপাট নিয়ে সাধারণ মানুষ খুব একটা মাথা ঘামায়নি। ২০২৪-এর ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর ক্ষমতায় আসে ইউনূস সরকার।
ইউনূস ক্ষমতায় এসে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেন মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানকে। সাবেক এই আমলা ছিলেন নসরুল হামিদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।

আওয়ামী লীগ আমলে তিনি এই মন্ত্রণালয়ে একাধিক প্রকল্পের পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল।
কাজেই ২৪-এর ৫ আগস্টের পর ক্ষমতার পালাবদল হলেও বিদ্যুৎ এবং জ্বালানিনীতি একই রকম ছিল। ইউনূস সরকার এ খাতে নতুন করে লুটপাট শুরু করে।

ইউনূস সরকার ক্ষমতায় এসে অনেক বিষয়ে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নিলেও বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অতীতের ধারাই অব্যাহত রেখেছে। বর্তমান সময়ে ভয়াবহ লোডশেডিং ইউনূস সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, একটি নির্বাচিত সরকারকে জনরোষের শিকার করার জন্য ইউনূস সরকারের নীলনকশার কারণে এখনকার লোডশেডিং।
ইউনূস সরকার ক্ষমতায় এসে বলেছিল, বেসরকারি খাতে লাইসেন্স দেওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সক্ষমতা যাচাই করা হবে। যেগুলো অচল কিন্তু নিয়মিত ক্যাপাসিটি চার্জের নামে নিয়মিত টাকা নিচ্ছে, সেগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

কিন্তু ফাওজুল কবির হুংকার দিয়ে এসব বেশির ভাগ অলস বসে থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইসেন্স বাতিল করেননি। এর পেছনে ছিল মোটা অঙ্কের লেনদেন। ইউনূস সরকারের ২০১০ সালের দায়মুক্তি আইন বাতিলের অধ্যাদেশ একটি হাস্যকর ও প্রতারণার দলিল। সেখানে বলা হয়েছে, দায়মুক্তির আইনে যেসব প্রকল্প এবং চুক্তি করা হয়েছে, সেগুলো এমনভাবে অব্যাহত থাকবে যেন দায়মুক্তি আইন বাতিল হয়নি। তার মানে আগের প্রকল্প ও চুক্তি সবই অব্যাহত থাকবে। ২০১০ সালে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ছাড়া কাজ দিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি (বিশেষ বিধান) আইন করেছিল আওয়ামী লীগ সরকার। এ আইনের অধীন কোনো সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না—এমন বিধান থাকার কারণে এটি দায়মুক্তি আইন হিসেবে পরিচিতি পায়। ২৪-এর ২৮ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এ আইনের অধীন সম্পাদিত সব চুক্তি বা চুক্তির অধীন নেওয়া কোনো ব্যবস্থা গৃহীত হয়েছে বলে গণ্য হবে। ওই সব চুক্তির চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
আবার দেড় বছর ক্ষমতায় থাকলেও ইউনূস সরকার একমাত্র আদানিকে কিছু টাকা পরিশোধ করা ছাড়া এই খাতে সবকিছু করেছে বাকিতে। কয়লা আমদানিতে বাকি, ক্যাপাসিটি চার্জে বাকি, গ্যাস আমদানিতে বাকি। ফলে বিপুল পরিমাণ বকেয়া ঋণের বোঝা রেখে বিদায় নিয়েছেন ইউনূস। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই বিপুল পরিমাণ ঋণ পরিশোধের চাপে পড়েছে। এখন সরকারকে কেউ বাকিতে কিছু দিচ্ছে না। ফলে কয়লা ও গ্যাসের অভাবে অনেক কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ।

ইউনূস সরকার বিদ্যুৎ খাতে বেশ কিছু দেশের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সময় জাতীয় গ্রিডে দিনে সর্বোচ্চ ৬৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে এসেছে। অথচ ইউনূস সরকার ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইসেন্স বাতিল করে গেছে। দায়মুক্তির আইনের আওতায় লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, এমন যুক্তিতে দায়িত্ব গ্রহণের এক মাসের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হয়। তৎকালীন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বিদ্যুৎ বিভাগের এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত দেন।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে পাইপলাইনে থাকা সরকারি, বেসরকারি ও যৌথ উদ্যোগের ৩৭টি নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাতিল করা হয়েছিল। এগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৩ হাজার ২৮৭ মেগাওয়াট। যদিও বেসরকারি খাতে এলওআই (লেটার অব ইনটেন্ট) বা প্রাথমিক অনুমতিপত্র ইস্যুকৃত কেন্দ্রগুলোর লাইসেন্স ফেরত পেতে নানা জায়গায় ধরনা দেয় বিনিয়োগকারী দেশিবিদেশি কম্পানিগুলো। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। বরং ইউনূস সরকার এগুলোর পরিবর্তে নতুন করে ৫৫টি গ্রিড-সংযুক্ত সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র আহ্বান করে।

৫ হাজার ২৩৮ মেগাওয়াটের জন্য দরপত্র আহ্বান করেও তেমন কোনো সাড়াই পাওয়া যায়নি। ১১টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য দরপত্র জমা পড়ে, যেগুলোর সক্ষমতা ছিল মাত্র ৯০০ মেগাওয়াট। বিনিয়োগকারীদের ওই অনাগ্রহের মূল কারণ ছিল ‘সভরেন গ্যারান্টি’ না থাকা। আন্তর্জাতিক অর্থায়ন ও প্রকল্পের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে এ গ্যারান্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তাঁরা। ইউনূস সরকার সভরেন গ্যারান্টি না দেওয়ায় নতুন দরপত্র নিয়ে বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাতিল করা নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর এলওআই ইস্যু করা হয়েছিল ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে। এর মধ্যে ২৭টি ছিল সৌরবিদ্যুতের, তিনটি বায়ুবিদ্যুৎ ও একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প। ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। এর মধ্যে কয়েকটির জন্য জমি অধিগ্রহণ চলছিল।

ওই ২৭টি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ২ হাজার ৪০৪ মেগাওয়াট। এগুলোর বেশির ভাগই রংপুর, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ বিভাগে নির্মাণের কথা ছিল। আর বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র তিনটি ফেনীর সোনাগাজী, সাতক্ষীরার আশাশুনি এবং কক্সবাজারের চকরিয়ায় নির্মাণের কথা। এ তিনটির সক্ষমতা ছিল যথাক্রমে ৩০, ১০০ ও ২২০ মেগাওয়াট। আর বর্জ্য থেকে ১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্মাণের কথা ছিল।

অন্যদিকে দরপত্র মূল্যায়নাধীন অবস্থায় ছিল পিডিবির তিনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক কেন্দ্র। এগুলোর সক্ষমতা ছিল যথাক্রমে ৭ দশমিক ৬, ২০ ও ৫০ মেগাওয়াট। প্রথমটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশে, দ্বিতীয়টি বড়পুকুরিয়ায় ও তৃতীয়টি রাঙ্গুনিয়ায় নির্মাণের কথা ছিল। এর বাইরে মহেশখালীতে যৌথ উদ্যোগে ১৬০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য দরপত্রও মূল্যায়নাধীন ছিল। আর বেসরকারি খাতে কক্সবাজারের ইনানীতে ৫০ মেগাওয়াট ও চাঁদপুরে ৫০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দরপত্র আহ্বানের পর বাতিল করা হয়েছিল।

পুনরায় দরপত্র আহ্বানের প্রক্রিয়ায় থাকা এ দুটি কেন্দ্রের অনুমোদনও বাতিল করা হয়। পিডিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বাতিল করা ৩৭টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের সবগুলোই ছিল দায়মুক্তির আইনের অধীনে প্রক্রিয়াধীন। সেগুলো বাতিল করা হলেও একই আইনের অন্যান্য বিদ্যুৎকেন্দ্রকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিল। এটি মূলত সরকারের দ্বৈত নীতি। বরং সে সময় এসব প্রকল্প বাতিল না করলে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনে চলে আসত। এতে দিনে বিদ্যুতের সংকট তেমন থাকত না।

আর এ কারণেই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আইসিইউতে পাঠিয়ে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। আর সেই অবস্থা থেকে বাঁচতে ইউনূস সরকারের আমলে বাতিল হওয়া ৩১টি নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুৎ প্রকল্পের লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) বা সম্মতিপত্র পুনর্বহালের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাত আগেই নাজুক অবস্থায় ছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত পদক্ষেপ কার্যত এটিকে আইসিইউতেই পাঠিয়ে দিয়েছে। আদালতের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ৩৭টি এলওআই বাতিল করা হয়েছে, যেখানে প্রকল্পগুলো চালু রাখা বা পুনরায় আলোচনা করার কথা ছিল। এতে বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগকারীদের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে

এসব বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইসেন্স বাতিল করলেও রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের লাইসেন্স বাতিল করেনি ইউনূস সরকার। তারা রামপাল নিয়ে পরিষ্কারভাবে বলেছে, এসব প্রকল্প বাতিল করা খুবই কঠিন বিধায় প্রকল্পগুলো বাতিল করার কোনো সিদ্ধান্ত তারা নিচ্ছে না। অন্যান্য প্রকল্প তো বটেই, সুন্দরবনবিনাশী রামপাল প্রকল্প ভয়ংকরভাবে বাংলাদেশকে অস্থির করে দিচ্ছে।

জনসম্মতির বিরুদ্ধে গিয়ে, পরিবেশ অধিকার লঙ্ঘন করে ও বিশ্ব ঐতিহ্য ক্ষতিগ্রস্ত করে রামপাল প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। এটা বাতিল করার যুক্তি, উদ্যোগ নেওয়ার অনেকগুলো উপায় আছে। ইউনূস সরকার কোনো চেষ্টা না করেই বলে দেয় যে এটা বাতিল করা যাবে না।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে লুটপাট হবে আর ড. ইউনূস তাতে শামিল হবেন না, তা কী করে সম্ভব?

গত বছরের জানুয়ারিতে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সফর চলাকালীন ২৪ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আর্জেন্ট এলএনজির সঙ্গে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিসংক্রান্ত একটি নন-বাইন্ডিং চুক্তি সই করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

এ চুক্তিটিকে জ্বালানি খাতে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া একটি ভুল এবং দেশের স্বার্থবিরোধী পদক্ষেপ। এলএনজি টার্মিনাল আমাদের জন্য বোঝা। নিয়মিত গ্যাস সরবরাহের কথা থাকলেও কয়েকদিন পরপর নষ্ট হচ্ছে টার্মিনালগুলো। তাদের ওপর নির্ভরশীল থাকায় গ্যাস সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে, ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ ও শিল্পকারখানার উৎপাদন। ইউনূস নিজে লাভবান হওয়ার জন্য এই চুক্তি করে জ্বালানি খাতে আরেকটি বিপর্যয় তৈরি করেছেন। চুক্তির বিষয়ে পেট্রোবাংলা জানে না। তার মানে কী রকম একটা অস্বচ্ছ প্রচেষ্টা! এ চুক্তির পেছনে কী কোনো টেন্ডার হলো? এ কোম্পানিকে বাছাই করা হলো কীভাবে? পুরো প্রক্রিয়াটাই আওয়ামী লীগের আমলের ধরনেরই।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার যখন দায়িত্ব নেয় তখন বিদ্যুৎ খাতে দেশিবিদেশি কম্পানির কাছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত বেসরকারি কোম্পানিগুলোর হিসাবে ১৪ হাজার কোটি টাকা বকেয়া পড়েছে তাদের। ইউনূস সরকার দেড় বছরের শাসনকালের মধ্যে আট মাস বেসরকারি কম্পানিগুলোকে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করেনি।

অর্থাৎ ২০২৫ সালের জুলাই মাসের পর থেকে ইউনূস সরকার আর কোনো বিল পরিশোধ করেনি বলেও জানান বেসরকারি উদ্যোক্তারা। তাঁরা বলছেন, এ পরিস্থিতি নতুন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে পারে। অন্তর্বর্তী সরকার ইচ্ছাকৃত এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে কি না, সে সন্দেহের কথাও জানিয়েছেন তারা। দেড় বছরের ইউনূস ও ফাওজুল বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি খাতকে নিঃস্ব ও দেউলিয়া করে দিয়েছেন। পরিকল্পিতভাবে তাঁরা এমন একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন, যাতে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই বিদ্যুৎ নিয়ে জনরোষের মুখে পড়ে। ইউনূস কি তাহলে আরো ৫০ বছর ক্ষমতায় থাকার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ খাতকে আইসিইউতে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন?

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মেয়ে এবং সম্ভাব্য উত্তরসূরির একজন ছোট ভাই বা বোন আছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা...
10/09/2026

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের মেয়ে এবং সম্ভাব্য উত্তরসূরির একজন ছোট ভাই বা বোন আছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দারা এ তথ্য জানায়।

এর মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার শাসক পরিবারের ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকার নিয়ে আরো কিছু তথ্য সামনে এসেছে।
এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছিল, কিম জং উনের সম্ভবত তিন সন্তান রয়েছে। তবে তার মোট কতজন সন্তান এবং তাদের মধ্যে কে আগে বা পরে জন্মেছে, সে বিষয়ে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয় তারা। কিমের মেয়েকেই বর্তমানে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে তার ছোট ভাই বা বোনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা যায়নি।
কিম পরিবারই দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়া শাসন করছে। কিম জং উন এই পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের নেতা। তার সন্তানদের ভবিষ্যতে দেশের নেতৃত্ব দেওয়ার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কিম জং উনের মেয়ে কিম জু-এ প্রথমবার ২০২২ সালে সবার সামনে আসেন। সে সময় তিনি বাবার সঙ্গে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
দক্ষিণ কোরিয়া প্রথমে জানিয়েছিল, কিম জং উন ও তার স্ত্রী রি সোল-জুর প্রথম সন্তান একটি ছেলে। ধারণা করা হয়, ২০১০ সালে ছেলেটির জন্ম হয়। আর কিম জু-এ তাদের দ্বিতীয় সন্তান।

তবে ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার একত্রীকরণমন্ত্রী বলেন, কিমের ছেলে সন্তান থাকার বিষয়টি সরকার নিশ্চিত করতে পারেনি।
বৃহস্পতিবার দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, কিমের আরো একটি ছোট সন্তান রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এটি তার সবচেয়ে ছোট সন্তান। শিশুটি ছেলে নাকি মেয়ে, তা এখনো জানা যায়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা আরো জানিয়েছে, তাদের বর্তমান ধারণা অনুযায়ী কিম জু-একে ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। তার একজন ছোট ভাই বা বোন রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

কিমের মনোনীত উত্তরসূরি?

উত্তর কোরিয়া তাদের নেতা ও শাসক পরিবারের বিষয়ে খুব কম তথ্য প্রকাশ করে। তাই কিম জং উনের সন্তানদের সম্পর্কেও সঠিক তথ্য জানা কঠিন। দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএস জানিয়েছে, কিম জু-এয়ের কোনো বড় ভাই আছে কি না, তা তারা খতিয়ে দেখছে। তবে গোয়েন্দাদের ধারণা, বড় ভাই থাকলেও তিনি ভবিষ্যৎ নেতা হওয়ার অবস্থানে নেই।

কিউংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিম ইউল-চুল এএফপিকে বলেন, কিমের সন্তানদের বয়স বা ছেলে-মেয়ে হওয়ার চেয়ে কে ভবিষ্যতে দেশের নেতা হতে পারে, সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘কিম জং উন নিজেও পরিবারের বড় ছেলে ছিলেন না। তারপরও তিনি তৃতীয় প্রজন্মের নেতা হিসেবে ক্ষমতায় এসেছেন।’

তাই কিম জং উনও তার সন্তানদের মধ্যে কে তার কাজ ও নেতৃত্ব সবচেয়ে ভালোভাবে এগিয়ে নিতে পারবে, সেটি বিবেচনা করবেন বলে মনে করেন অধ্যাপক লিম। তার মতে, কিম জং উন কিম জু-এয়ের মধ্যেই ভবিষ্যৎ নেতা হওয়ার সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা দেখেছেন। তাই তাঁকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সামনে আনা হচ্ছে।

২০২২ সাল থেকে কিম জু-এ তার বাবার সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে বেইজিংয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ সফরও রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম কিম জু-একে ‘প্রিয় সন্তান’ এবং ‘পথপ্রদর্শক’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। সাধারণত দেশের শীর্ষ নেতা বা ভবিষ্যৎ নেতাদের জন্য এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।

ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, নারীর প্রতি সহিংসতা, অশ্লীল ভাষার ব্যবহার, বুলিং ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে এ...
10/09/2026

ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, নারীর প্রতি সহিংসতা, অশ্লীল ভাষার ব্যবহার, বুলিং ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে একটি যুগোপযোগী সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির সভার শুরুতে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইবার জগৎ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমানে যে ধরনের কর্মকাণ্ড হচ্ছে, সেখান থেকে দেশের জনগণকে সুরক্ষা দিতে সাইবার সুরক্ষা আইনের প্রয়োজন রয়েছে। তবে সেই আইন হতে হবে যুগোপযোগী এবং মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপযোগী।

শামা ওবায়েদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, তথ্য এবং আইন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির মূল লক্ষ্য হচ্ছে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নিয়ে একটি সঠিক ও কার্যকর সাইবার সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নারীর প্রতি সহিংসতা, অশ্লীল ভাষার ব্যবহার এবং বুলিংয়ের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব কর্মকাণ্ড শুধু ব্যক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে না, সমাজকেও অবক্ষয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে সামাজিক মূল্যবোধ নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দেশও বিপর্যয়ের দিকে যেতে পারে।

শামা ওবায়েদ বলেন, সরকার দেশের মানুষকে সাইবার জগতের ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে সুরক্ষা দিতে চায়। এ লক্ষ্যেই সংশ্লিষ্ট সবার মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে একটি যুগোপযোগী সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রণয়ন করা হবে।

উত্তর হাঙ্গেরির একটি সমাধিক্ষেত্রে পেশাদার গোরখোদকদের দক্ষতা প্রদর্শন ও এই পেশাকে কেন্দ্র করে সমাজে থাকা নানা সামাজিক কু...
10/09/2026

উত্তর হাঙ্গেরির একটি সমাধিক্ষেত্রে পেশাদার গোরখোদকদের দক্ষতা প্রদর্শন ও এই পেশাকে কেন্দ্র করে সমাজে থাকা নানা সামাজিক কুসংস্কার ও ভয় দূর করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল এক বিশেষ কবর খনন প্রতিযোগিতা। শনিবার আয়োজিত এই অভিনব প্রতিযোগিতায় দেশের সেরা গোরখোদক হওয়ার লড়াইয়ে নেমেছিলেন মোট ৩৮ জন প্রতিযোগী।

হাঙ্গেরির উত্তরাঞ্চলের নিয়েরগেসুজফালু এলাকার একটি পাবলিক গোরস্থানে স্থানীয় ‘হাঙ্গেরিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব সিমেট্রি মেইনটেইনার্স অ্যান্ড অপারেটরস’-এর উদ্যোগে এই আসরের আয়োজন করা হয়। মূলত গোরখোদকদের নিপুণ কাজের দক্ষতা জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং মৃত্যুকেন্দ্রিক সামাজিক ভয়ভীতি কাটানোই ছিল আয়োজকদের মূল লক্ষ্য। প্রচণ্ড গ্রীষ্মের খরতাপে শুকিয়ে শক্ত হয়ে যাওয়া মাটি ভেদ করে জয়ের লক্ষ্যে কোদাল ও বেলচা হাতে নেমেছিল ১৯টি দুই সদস্যের দল। দ্রুততম ও নিখুঁতভাবে নির্ধারিত মাপের কবর খননের জন্য প্রতিযোগিতা চলাকালীন ঘাম ঝরিয়ে লড়াই চালান প্রতিযোগী খোদকরা।

প্রতিযোগিতার কঠিন শর্ত মেনে মাত্র ১ ঘণ্টা ২১ মিনিটে নির্দিষ্ট মাত্রার নিখুঁত কবর খুঁড়ে প্রথম স্থান অধিকার করে নেয় রোবার্ট নাগি ও লাসলো কিস-এর জুটি। প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি দলকে ১.৬ মিটার বা প্রায় সাড়ে পাঁচ ফুট গভীর, ২ মিটার বা প্রায় সাড়ে ছয় ফুট লম্বা এবং ০.৮ মিটার বা আড়াই ফুটেরও বেশি চওড়া কবর তৈরি করতে বলা হয়েছিল। প্রথম স্থান বিজয়ী এই জুটি বিজয়ী হিসেবে ২০০,০০০ হাঙ্গেরিয়ান ফোরিন্ট (প্রায় ৬৪০ মার্কিন ডলার) অর্থ পুরস্কার নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন।

বিজয়ী হওয়ার পর নিজের অনুভূতি ও কাজের অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করে রোবার্ট নাগি বলেন, এই প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল দ্রুতি বা গতি, রূপ সৌন্দর্য নয়। তবে বাস্তবে যখন শেষকৃত্যের জন্য সাধারণ মানুষের কবর খুঁড়তে হয়, তখন কিন্তু আমাদের মূল মাপ এবং কবরটি কতটা সুন্দর ও মসৃণভাবে কাটা হচ্ছে—সেদিকে সবচেয়ে বেশি নজর দিতে হয়।

পেশাগত মান ও দক্ষতার এই মেলবন্ধনই ফুটিয়ে তুলেছে আয়োজনের আসল বার্তা।

আগামী ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গড়ে তোলা হ...
10/09/2026

আগামী ১১ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে গড়ে তোলা হয়েছে বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়। সম্মেলনের মূল কেন্দ্র প্রগতি ময়দানের ভারত মণ্ডপম হলেও নিরাপত্তার জোরদার করা হয়েছে শহরজুড়ে। বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ও শীর্ষ কূটনীতিকদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে নয়াদিল্লি জুড়ে জল, স্থল ও আকাশে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

সম্মেলন চলাকালে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে এবং ভিভিআইপিদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে দিল্লি পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ একযোগে বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। রাজধানী নিরাপত্তার দায়িত্বে নামানো হয়েছে অন্তত ৭ হাজার নিরাপত্তা কর্মী। পাশাপাশি সড়কপথে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থার সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করবেন প্রায় ৪৮শ' জন ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা।

ভারত মণ্ডপম ঘিরে পাঁচ কিলোমিটার ব্যাসার্ধ এলাকাকে মূল নিরাপত্তা বলয় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর বহিরাংশের সুরক্ষায় নিয়োজিত থাকবে দিল্লি পুলিশ ও প্যারা মিলিটারি ফোর্সের সদস্যরা। তবে অভ্যন্তরীণ ও অতি সংবেদনশীল অঞ্চলগুলোর সুরক্ষায় দায়িত্ব পালন করবে জাতীয় নিরাপত্তা গার্ডের (এনএসজি) কমান্ডো, গোয়েন্দা সংস্থা (আইবি) এবং স্পেশাল প্রোটেকশন গ্রুপের (এসপিজি) বিশেষায়িত টিমের সদস্যরা। পুরো সম্মেলন এলাকা জুড়ে বায়োমেট্রিক নজরদারি, সিসিটিভি ক্যামেরা ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এক্সেস কন্ট্রোল ব্যবহার করা হচ্ছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বোম্ব ডিসপোজাল স্কোয়াড (বিডিডিএস) এবং অ্যান্টি-সাবোটাজ টিম ইতিমধ্যেই তাদের মহড়া সম্পন্ন করেছে। তাছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিত ড্রোন হামলা বা আকাশে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ রোধে ড্রোনবিরোধী প্রযুক্তি ও আকাশপথের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

বিদেশি অতিথিরা যেসব অভিজাত হোটেলে অবস্থান করছেন, সেগুলোকে ২৪ ঘণ্টা কড়া গোয়েন্দা নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বিমানবন্দর থেকে হোটেল এবং হোটেল থেকে ভারত মণ্ডপম পর্যন্ত ভিভিআইপি রুটগুলোর সার্বিক নিয়ন্ত্রণ নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর হাতে থাকবে। এ সময় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ৩৫টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রধান সড়ক বিশেষ বিধিনিষেধের আওতায় আসবে। পাশাপাশি ২২টি প্রধান মোড়ে ট্রাফিক ঘুরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে জরুরি পরিষেবা যেমন অ্যাম্বুলেন্স বা ফায়ার সার্ভিসের যেন কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। জিও-ট্যাকিং ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কনভয়ের সুনির্দিষ্ট অবস্থান রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করা হবে।

নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সহজ করতে আগামী ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দিল্লির সব সরকারি-বেসরকারি স্কুল এবং সরকারি অফিসসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে কর্মীদের ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে জনসাধারণের জন্য বিশেষ বিজ্ঞপ্তি জারি করে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সাধারণ মানুষকে নয়াদিল্লির সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে যাতায়াত না করতে এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের বদলে মেট্রো পরিষেবা ব্যবহার করতে বিশেষভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে বিমানবন্দর বা প্রধান রেলওয়ে স্টেশনগামী যাত্রীদের পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে ভ্রমণের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে পা রাখলেন হলিউড তারকা জেনিফার লরেন্স। তবে নিজে...
10/09/2026

বছরের পর বছর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকার পর অবশেষে ইনস্টাগ্রামে পা রাখলেন হলিউড তারকা জেনিফার লরেন্স। তবে নিজের নামেই অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ হয়নি তার। নামটি আগে থেকেই অন্য কেউ ব্যবহার করায় ভিন্ন এক মজার পরিচয়ে আত্মপ্রকাশ করেছেন ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’ তারকা।

ইনস্টাগ্রামে জেনিফার লরেন্সের অ্যাকাউন্টের নাম রাখা হয়েছে ‘জেলো’। আর বায়োতে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন নিজের নাম না পাওয়ার কারণ। সেখানে লেখা, জেনিফার লরেন্স নামটি আগেই অন্য কেউ ব্যবহার করেছেন।

অভিনেত্রীর টিমও অ্যাকাউন্টটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটিকে ভেরিফায়েড করায় ভক্তদেরও তার পরিচয় নিয়ে কোনো সংশয় থাকছে না। অ্যাকাউন্ট চালুর পর থেকেই অনুসারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। অল্প সময়ের মধ্যেই তা ছাড়িয়ে গেছে ১ লাখ ৭৩ হাজার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লরেন্সের এই আগমন অবশ্য বেশ চমকপ্রদ। কারণ, এর আগে বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে প্রযুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখার কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এমনকি ইমেলের উত্তর ঠিকমতো দিতে না পারা এবং ফোন ব্যবহারে খুব একটা দক্ষ না হওয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কখনোই আসবেন না বলেও জানিয়েছিলেন।

তাহলে হঠাৎ কেন এই পরিবর্তন? মূল কারণ, নতুন সিনেমার প্রচারণা। সামনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রে দেখা যাবে এই অভিনেত্রীকে। ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’-এর প্রিক্যুয়েলে একটি ক্যামিও চরিত্রে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে তার। এ ছাড়া আগামী বছর মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘হোয়াট হ্যাপেনস অ্যাট নাইট’ ছবিতে তাকে প্রধান চরিত্রে দেখা যাবে।

সিনেমার প্রচারণাকে সামনে রেখেই এবার ইনস্টাগ্রামে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লরেন্স। ফলে এতদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকা এই তারকার নতুন অ্যাকাউন্ট ঘিরে ভক্তদের আগ্রহও তৈরি হয়েছে ব্যাপকভাবে।

ইনস্টাগ্রামে যোগ দিয়েই অবশ্য বসে থাকেননি লরেন্স। অ্যাকাউন্ট খোলার পর তিনি লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও, ডাকোটা জনসন, মার্টিন স্কোরসেসি এবং ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’-এর সহশিল্পী জশ হাচারসনের মতো বেশ কয়েকজন পরিচিত তারকাকে অনুসরণ করা শুরু করেছেন।

দীর্ঘদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এড়িয়ে চলা জেনিফার লরেন্সের এই হঠাৎ ইনস্টাগ্রাম অভিষেক তাই এরই মধ্যে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করেছে। আর নিজের নাম না পেয়ে ‘জেলো’ নাম বেছে নেওয়ার বিষয়টি তার আত্মপ্রকাশকে দিয়েছে বাড়তি মজার মাত্রা।

যুক্তরাষ্ট্রে ২৪৫ মিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন চুরি ও অর্থ পাচারের ঘটনায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন সিঙ্গাপুরের নাগরিক ম্যালোন ...
10/09/2026

যুক্তরাষ্ট্রে ২৪৫ মিলিয়ন ডলারের বিটকয়েন চুরি ও অর্থ পাচারের ঘটনায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন সিঙ্গাপুরের নাগরিক ম্যালোন ল্যাম। মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনাগুলোর একটি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিবিসি জানায়, ২২ বছর বয়সী ল্যাম তাঁর বন্ধু ও সহযোগীদের নিয়ে গড়ে তোলা একটি আন্তর্জাতিক চক্রের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল পরিমাণ বিটকয়েন চুরি করেন। পরে সেই অর্থ পাচার করে বিলাসবহুল জীবনযাপনে ব্যয় করা হয়।

মার্কিন বিচার বিভাগ জানিয়েছে, কোনো কোনো রাতে ল্যাম ও তাঁর সহযোগীরা নাইটক্লাবে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ ডলার পর্যন্ত খরচ করতেন। তাঁরা এক লাখ থেকে ৩৮ লাখ ডলার মূল্যের একাধিক বিলাসবহুল গাড়িও কিনেছিলেন।

‘অ্যান হ্যাথাওয়ে’, ‘কিং গ্রেভি’ নামেও পরিচিত ছিলেন ল্যাম। ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করা এবং চক্রের সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করতেন তিনি। প্রতারণার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে গোপন তথ্য নিয়ে কখনো কখনো তাঁদের বাড়িতে ঢুকে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হতো। এসব তথ্য ব্যবহার করে তাঁদের ক্রিপ্টোকারেন্সি ওয়ালেট খালি করা হতো।

চুরি করা অর্থে হার্মিস বার্কিন ব্যাগ, পাঁচ লাখ ডলার পর্যন্ত মূল্যের ঘড়ি, দামি পোশাক, বিলাসবহুল বাড়ি ও ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ ভাড়া করা হয়।

ল্যাম ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রে যান। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে ভিসার মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দেশটিতে থেকে যান। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে এফবিআই তাঁকে ও এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে।

ল্যামের সর্বোচ্চ ২০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। তাঁর সহযোগী ইভান ট্যাঙ্গেম্যানকে চলতি বছরের এপ্রিলে ৭০ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিজিবি ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ১০ টন ভারতীয় জিরা জব্দ হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার শাহবাজপুর এ...
10/09/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিজিবি ও র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ১০ টন ভারতীয় জিরা জব্দ হয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার শাহবাজপুর এলাকায় একটি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে এসব জিরা জব্দ করা হয়। অভিযানে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তারা হলেন— সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মো. এম ফয়সাল আবীর, রাজশাহীর এয়ারপোর্ট এলাকার আজিজুল হাকিম ও একই এলাকার হাবিবুর রহমান।

সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল জাব্বার আহমেদ জানান, বুধবার রাতে সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি ট্রাক শাহবাজপুর নামক স্থানে তল্লাশির জন্য থামানো হয়। পরে বিজিবি ও র‌্যাবের যৌথ টহলদল ট্রাকে থাকা ব্যক্তিদের কাছে জিরার বৈধ কাগজপত্র দেখতে চান। তারা বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে না পারায় ট্রাকসহ জিরা জব্দ করা হয়।

জব্দ করা জিরা ও ট্রাকের আনুমানিক মূল্য এক কোটি ৩০ লাখ টাকা। আসামিদের, ভারতীয় জিরা ও জব্দ করা ট্রাক সরাইল থানায় হস্তান্তরের পাশাপাশি এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

Address

55/A Purana Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nirob Tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nirob Tv:

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Dhaka.