09/05/2025
জুমার দিন ইসলাম ধর্মে একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। এই দিনকে "সপ্তাহের সেরা দিন" বলা হয়েছে এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) এ দিনটিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন। জুমার দিনে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আমল ও সুন্নাহ রয়েছে, যেগুলো পালন করলে মুসলমানদের জন্য বিরাট সওয়াবের ব্যবস্থা রয়েছে। নিচে জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল ও সুন্নাহসমূহ তুলে ধরা হলো:
১. গোসল করা (সুন্নাহ গোসল):
রাসুল (সা.) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি জুমার দিন গোসল করে, ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন করে, এরপর মসজিদে যায় এবং ইমামের খুতবা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চুপ থাকে—তার পূর্ববর্তী জুমা হতে এ জুমা পর্যন্ত ও অতিরিক্ত তিন দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।”
(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৮৫৭)
২. সুন্দর পোশাক পরিধান ও সুগন্ধি ব্যবহার:
রাসুল (সা.) জুমার দিন সুন্দর ও পরিষ্কার পোশাক পরিধান করতে এবং সুগন্ধি ব্যবহার করতে উৎসাহিত করেছেন।
৩. তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া:
জুমার নামাজের জন্য যত তাড়াতাড়ি মসজিদে যাওয়া যায়, ততই উত্তম। সাহাবিদের মাঝে এই আমল খুব প্রচলিত ছিল।
৪. সূরা কাহফ পড়া:
রাসুল (সা.) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহফ পড়ে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যকার সময় আলোকিত হয়ে যায়।”
(আল-হাকিম)
৫. দরূদ শরীফ পড়া:
জুমার দিনে বেশি বেশি দরূদ শরীফ পড়া সুন্নাহ। রাসুল (সা.) বলেন:
“তোমরা জুমার দিনে আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরূদ পড়ো, কারণ তোমাদের দরূদ আমার নিকট পেশ করা হয়।”
(আবু দাউদ)
৬. খুতবা মনোযোগ সহকারে শোনা:
ইমামের খুতবা দেয়ার সময় চুপ থাকা এবং মনোযোগ দিয়ে শোনা ফরজের অন্তর্ভুক্ত।
৭. দোয়া করা (বিশেষ করে আসরের পর মাগরিবের পূর্বে):
জুমার দিন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায়, আল্লাহ তা কবুল করেন। অনেক আলেম বলেন, এই মুহূর্তটি আসরের পর থেকে মাগরিবের আগের সময়।