22/05/2026
নিত্যপণ্যের বাজারের ঊর্ধ্বমুখী গতিতে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। বাজারে চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম যেমন চড়া, তেমনি মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে চলে গেছে মাছ এবং মাংসের দাম।
আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মসলার বাজারেও নতুন করে তেজিভাব দেখা যাচ্ছে। সব মিলিয়ে কাঁচাবাজারে গিয়ে হিসাব মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারের বর্তমান বাজারদরের একটি চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
🥩 মাংস ও ডিমের বাজার দর
সাম্প্রতিক সময়ে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে সামান্য ওঠানামা করলেও গরুর মাংসের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরেই রয়ে গেছে।
গরুর মাংস: প্রতি কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
খাসির মাংস: প্রতি কেজির দাম ঠেকেছে ১,১০০ থেকে ১,৩০০ টাকায়।
ব্রয়লার মুরগি: প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ থেকে ১৮০ টাকা দরে।
সোনালি মুরগি: প্রতি কেজির দাম ৩৬০ থেকে৩৮০ টাকা।
ডিম (ফার্ম): প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা (হালি প্রতি ৪২-৪৫ টাকা)।
🐟 মাছের বাজার পরিস্থিতি
বাজারে চাষের মাছের সরবরাহ থাকলেও নদী ও মুক্ত জলাশয়ের মাছের দাম আকাশচুম্বী। ২০০ টাকার নিচে বাজারে প্রায় কোনো মাছই পাওয়া যাচ্ছে না।
রুই ও কাতলা: আকারভেদে প্রতি কেজি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা।
পাবদা ও টেংরা: প্রতি কেজি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা।
চিংড়ি ও বাইম: মানভেদে প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ১,২০০ টাকা।
ইলিশ মাছ: ছোট ও মাঝারি আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১,৮০০ টাকা, আর বড় সাইজের ইলিশের কেজি ২,৫0০ টাকা ছাড়িয়েছে।
🥬 চাল, তেল ও সবজির বাজার
চাল: সরু চাল (নাজিরশাইল/মিনিকেট) প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮৫ টাকা এবং মোটা চাল ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
ভোজ্যতেল: বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৫ থেকে ১৯৯ টাকা।
সবজি: বাজারে গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ থাকলেও পটল, ঝিঙে, ঢ্যাঁড়শ, করলাসহ প্রায় সব ধরনের সবজিই ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।