Humans of AUST

Humans of AUST Ahsanullah University of Science and Technology (AUST) is a private university located in Dhaka, Bangladesh. Extraordinary Stories of Ordinary People of AUST.

We, being at AUST built a platform where you can tell stories about the people of AUST To tell a story send us your story to [email protected]

দেশের সংস্কারের জন্য শপথ বাক্য..Humans Of AUST
04/08/2024

দেশের সংস্কারের জন্য শপথ বাক্য..

Humans Of AUST

Prof. Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun  CSE’ (1998-2002), AUSTFounder - CMED Health Ltd.Alumni of AUST and a former facul...
22/05/2023

Prof. Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun
CSE’ (1998-2002), AUST
Founder - CMED Health Ltd.

Alumni of AUST and a former faculty member of the Department of Computer Science and Engineering, AUST Prof. Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun has received the highly prestigious “Digital Bangladesh Award 2022” as the Best Individual in the Technical-Private category. On the 12th of December 2022, at the Bangabandhu International Conference Center, the Honorable Prime Minister of Bangladesh Sheikh Hasina has handed over the award to him for his outstanding contribution towards building Digital Bangladesh and digital healthcare systems at the national level.

The healthcare project that led him to achieve this prestigious award addressed the problems of the healthcare system in Bangladesh from the grassroots level starting from the village home, community clinic, upazila, and union level and sought to find a solution to solve those problems by creating a digital health ecosystem that can provide quality healthcare as well as establish a patient-centric health-care system in Bangladesh. The model of the developed digital healthcare system was published in an international journal as well as patented and led to the establishment of a commercial company. The established commercial company has served around four million people so far.

Prof. Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun has completed his Bachelor’s degree in Computer Science and Engineering from AUST (1998-2002). He was awarded the “Khanbahadur Ahsanullah Podak (Gold Medal)” for securing the highest CGPA in the Bachelor Degree program in the year 2002. He has served actively in the same department in various capacities from Lecturer to Assistant Professor from 2002 to 2007.

Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun received his Ph.D. in Computer and Biomedical Engineering from the University of Southampton, UK. He is currently a Professor at the Department of CSE, United International University (UIU), Bangladesh. He is the founder and Director of the Advanced Intelligent Multidisciplinary Systems Lab (AIMS Lab) at UIU conducting research in areas of machine learning, intelligent System, healthcare, disabilities, and education as well as the human-machine interface.

Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun has also established the first Brain Computer Interface Lab (BCI) in Bangladesh in 2021 which is playing a very active role in research on Human Brain, Machine Interface, Biomedical and Rehabilitation Engineering to help improve the quality of life of people through 4IR technologies.

Dr. Khondaker Abdullah Al Mamun has published more than 150 peer-reviewed international journal and conference papers. He has developed and implemented several digital healthcare services model-based solutions for developing countries. His contribution in innovation and development is recognized internationally and by the government of Bangladesh. He is also the founder of CMED Health, a startup that focuses on preventive and primary healthcare through Information and Communication Technology.

Enamur Reza (Architecture' 35, AUST)Photographer and Visual Storytellerস্থপতি প্রকৌশলী থেকে একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হয়...
19/05/2023

Enamur Reza (Architecture' 35, AUST)
Photographer and Visual Storyteller

স্থপতি প্রকৌশলী থেকে একজন প্রফেশনাল ফটোগ্রাফার হয়ে উঠার অদম্য ইচ্ছা! ২০২১ সালে আহ্সানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্যে বিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন এনামুর রেজা । কর্মজীবনের বর্তমানে তিনি সিনিয়র ফটোগ্রাফার হিসেবে ChitroGolpo - চিত্রগল্প তে কর্মরত আছেন। আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের পথচলার পাশাপাশি তার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন আমাদের সাথে এনামুর রেজাঃ

অস্টে ভর্তি হওয়ার আগে থেকেই আমার ইচ্ছা ছিলো স্থাপত্য নিয়ে পড়ার, এটার পিছনে খুবই বড় একটা ঘটনা ছিলো। আমি ভর্তি হয়েছিলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, ঐ সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্যে আমি একটু দেরী করে বিশ্ববিদ্যালয়ে অংশগ্রহণ করি, সেইটাই কাল হয়ে দাঁড়ায় মানিয়ে নিতে কস্ট হয়ে যাচ্ছিলো।তখন সিদ্ধান্ত নেই ঢাকাতে ভর্তি হবো। কিন্তু আমি তো অংকে দুর্বল এমন একটা বিষয় পছন্দ করতে হবে যেটাতে অংক নেই। রুটিন দেখে স্থাপত্য বিভাগের বিষয় গুলা দেখে নজর কারলো, ডিজাইন স্টুডিও, আর্কিটেক্টচারাল গ্রাফিক্স, আবার ফটোগ্রাফি ও আছে, এমন একটা বিষয়েই তো পড়তে হবে আমার ! সেই শুরু আরকি আর স্ট্রাকচারের অংকে শেষ হয়েছে আরকি আমার সেই ভালো লাগা।

স্থাপত্য অনুষদের বার্ষিক পিকনিক শেষ করে আমরা একবার ৩ বন্ধু মিলে রাত ৩-৪ টার দিকে সদরঘাট গিয়েছিলাম। একটা নৌকা নিয়ে নিস্তব্দ বুড়িগঙ্গাতে রাতের আকাশ দেখেছি। এইটা অস্ট লাইফে আজীবন মনে থাকবে , অন্যান্য স্মৃতি হওয়ার সুযোগ কম কারন আমি বাইরের বেশী সময় কাটাইছি। এর জন্যে হয়ত অস্টের সাথে আমার সম্পর্কটা গাঢ় হয়নি। ৫ বছর পর এসে যখন শেষ করি তখন মনে হচ্ছিলো ঘাড়ের উপর থেকে আজরাইল নেমে গেছে। অবশ্য দোষ টা অস্টের না। আমার সাথে সবগুলা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক এমন ছাড়া ছাড়া ছিলো, সমস্যা টা পড়াশোনাতে। অপছন্দের কাজ টা জীবনের সবচেয়ে বেশী সময় খেয়ে দিসে। আমি ছিলাম ফটোগ্রাফার ছিলাম ফটোগ্রাফার ই হইতে চাইছি সবসময়। ক্যামেরা হাতে থাকলে আমার যে আনন্দ সেইটা অন্য কোথাও আমি পাইনাই এখনো। ২০১৩ সালের শুরুতে "ফটোগ্রাফি বাংলাদেশ" গ্ৰুপের আয়োজনে "ফ্রেমিং দ্যা হ্যান্ড্রেড" এ আমার ছবি প্রথম হয়। এরপর থেকে শুরু। তারপর মা দুই বছর পর ঋণ করে আমাকে একটা ক্যামেরা কিনে দেয়। অতঃপর মনের খায়েস ও মিটানো থেকে শুরু এখন জীবনজীবিকা আমার ফটোগ্রাফি হয়ে গেছে।

পড়াশোনার সময় থেকে ছবি দিয়ে টুকটাক টাকা কামাই করতাম তার কিছুদিন পর ২০১৮ তে জয়েন করি চিত্রগল্পে , এখনো এখানেই আছি। আর সাথে ফটোগ্রাফি নিয়ে পড়াশোনা করছি। এখানে কিন্তু সম্পর্ক টা ভালো !

জায়েদী আমান স্যার, রিশাদ স্যার , সুজাউল স্যার এনাদের অবদান ভুলবো না, আমার পাশ করে বের হওয়াটা ছিলো একটা পুলসিরাত পারি দেওয়ার মতো। কিভাবে যে পার করছি এখনো মাঝে মাঝে বিশ্বাস হয়না !

আমার দর্শন হলো দুনিয়াতে সবাই একটা নির্দিষ্ট উদ্দ্যেশ্য নিয়ে আসে। সেইটা খুঁজে বের করা, নিজের হৃদয়ের কথা শোনা, ব্রেন ভুল হইতে পারে মন কখনো ভুল করেনা। মনে যেটা চায় সাহস করে আগানোই ভালো। হয়তো বেঁচে থাকতে একটু আধটু কষ্ট হবে কিন্তু দিন শেষে আমি আমার পছন্দের কাজ টাই করতে পারতেছি। আমার অর্জন বলতে গেলে এখন পর্যন্ত ৩০ টির বেশি প্রদর্শনীতে আমার ছবি ছিল। কয়েকটি আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনে আমার ছবি ছাপা হয়েছে ।যেমন:- এপিএফ,ওয়ান টু ওয়ান ফ্লিক্স ইত্যাদি।

স্থাপত্য তো শিল্পেরই একটা শাখা। আর আলোকচিত্রের সঙ্গে এর একটা আত্মিক সম্পর্ক আছে। আর্কিটেকচারে থেকে ভিজ্যুয়াল তৈরি করার ব্যাপারটা শিখেছি, শিখছি। ভবিষ্যতে এটা ফটোগ্রাফিতে প্রয়োগ করতে চাই। আমার ইচ্ছা ফটোগ্রাফি আর আর্কিটেকচার মিলিয়ে কিছু ভিজ্যুয়াল আর্ট তৈরি করে যাওয়া। যেখানে আর্কিটেকচারের পাশাপাশি থাকবে ফটোগ্রাফি।

05/04/2023

Welcome back, Humans of AUST community! We've missed you all and hope you've been doing well. It's been a while since we last connected, but we're excited to dive back into our shared journey at AUST together.

As we come back to our page, we want to hear from you! Share your stories and updates in the comments below and let's reconnect with each other.

To tell a story send us your story to :
[email protected]

Taki Hasan Rafi (EEE'38, AUST)Graduate Researcher, Data Intelligence Lab,PhD Student, Hanyang University.Incoming Visiti...
18/07/2022

Taki Hasan Rafi (EEE'38, AUST)
Graduate Researcher, Data Intelligence Lab,
PhD Student, Hanyang University.
Incoming Visiting Researcher, Samsung Electronics Headquarters, South Korea.

আমি যখন আহসানুল্লাহ-তে পড়তাম, আমার বাবা-মা সবসময় বলতেন, "বাবা, তুমি কোনোমতে পাশ করতে পারলেই খুশি, কারণ আমরা জানি ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক কঠিন"। আমি যত ক্লিয়ারেন্স/ক্যারি দিতাম সব আমার মা জানতো। ইভেন তারা জিজ্ঞাস না করলেও আমি আমার সিজিপিএ বলতাম।

আমার বাবা-মা এতেই খুশি থাকতো, কারণ আমি পাশ করে এক সেমিস্টার থেকে আরেক সেমিস্টারে উঠি। "এত কম সিজিপিএ কেনো পেয়েছো?", "কেনো ক্লিয়ারেন্স খেয়েছো?" এগুলা কখনো জিজ্ঞেস করতেন না (যদিও ২.১~৪.২ পর্যন্ত কোনো ক্লিয়ারেন্স খাইনি)। শুধু এটা বলতো, "বাবা ক্লিয়ারেন্সে পাশ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। আমরা জানি বিষয়টা কঠিন"।

শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফ না, স্কুল-কলেজ লাইফেও আমাকে কখনই অমুক-তমুকের সাথে তুলনা দেন নাই আমার মা-বাবা। আমি বরাবরই এভারেজ ছাত্র ছিলাম। তবে ক্লাস-টু-ক্লাস পাশ করে ফেলতাম। ফলে জীবনেও একাডেমিক গ্যাপের সম্মুখীন হতে হয় নাই। স্কুলের ভালো ছাত্রদের আমার আম্মা খুব আদর করতেন, কিন্তু আমাকে কখনই প্রেশার দিতেন না আমি কেনো ওদের মতো ভালো করি না।

এইচএসসিতে আমার রেজাল্ট সামান্য একটু এদিক সেদিক হয়। আমি ভাবলাম আমার বাবা-মা কষ্ট পাবেন। উলটা রেজাল্টের দিন তারা আমাকে সান্ত্বনা দিলো "বাবা তুমি অনেক ভালো করেছো, আমরা অনেক খুশি"। জীবনেও বুঝতে দেন নাই তারা আপসেট ফিল করেছেন। এটা কোনোদিনই বলেননি, "গোল্ডেনটা মিস হলো কেনো?"। আমি বিশ্বাস করি, সেদিন ফেল করে আসলেও আমাকে তারা অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যেতেন।

তারপর, আহসানুল্লাহ লাইফের ৪র্থ বর্ষের শুরুর দিকে ব্যাচের সবার আগে কম্পিউটার বিজ্ঞানে পিএইচডি অফার পাই। তখন মাত্র ২.৭৬/৪.০০ সিজিপিএ সাথে ২ টা ক্যারি ওয়ালা ব্যাকব্যাঞ্চার আমি। কোরিয়াসহ মোট ৬ টি ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি ও মাস্টার্স অফার পাই এই রেজাল্ট নিয়ে তাও চতুর্থ বর্ষে, গ্রাজুয়েশন এর মেলা আগে। অবিশ্বাস্য হলেও, কঠোর পরিশ্রম, প্রবল ইচ্ছার কারণে আমি সকল ব্যর্থতাকে ছাপিয়ে এসব কিছু অর্জন করি। আমি মনে হয় বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি যে, পিএইচডি অফার হাতে নিয়ে নিয়ে ক্যারি পরীক্ষা দেই।

তারপর পিএইচডি যখন শুরু করি, জীবনে প্রথম বারের মতো আমি নিজ বাসার গন্ডি থেকে বের হই। বাসার গন্ডি থেকে সরাসরি আরেক দেশ। একটা ওয়াইল্ড জার্নি। কারণ গ্রাজুয়েশন এর আগ পর্যন্ত মা-বাবার আশ্রয়স্থলে ছিলাম।

পিএইচডি শুরু করার পর বুঝলাম, লাইফ ভীষণ কঠিন। ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফ থেকে যোজন যোজন গুণ কঠিন। গবেষণার প্রেশার, একাডেমিক কোর্সওয়ার্কের প্রেশার, সাথে পারসোনাল লাইফ যেমন রান্না-বান্না, ঘর সামলানো। সবকিছু জানি আমাকে প্রতিদিন গ্রাস করতো। এসময়েও বাবা-মা অশেষ অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন।

তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে এ বছরের শেষে, আমি স্যামসাং এর হেডকোয়ার্টার এ পিএইচডি গবেষণার জন্য যোগদান করছি ডিভাইস সলিউশান দলের সাথে। এক্সপ্লেইনেবল এআই-র মাধ্যমে সেমিকন্ডাক্টর প্রসেস ও ফেইলিউর এনালাইসিস নিয়ে পরবর্তী ৩ বছর গবেষণা করবো।

সবকিছুর উর্দ্ধে, স্যামসাং এ যোগদান ও পিএইচডি গবেষণা আমার মা-বাবাকে উৎসর্গ করলাম। কারণ জীবনের প্রত্যকটি ব্যর্থতার দিনে সেই ছোটবেলা থেকে এইবেলা পর্যন্ত অতুলনীয় এক অনুপ্রেরণা দিয়ে যাচ্ছেন। আমি জানি ভবিষ্যতের যেকোনো ব্যর্থতার দিনেও তারা পাশে থাকবেন। হয়তবা মা-বাবা সেই ছোটবেলায় আমাকে এক্সপেকটেশনের বারে ঝুলিয়ে দিলে অনেক আগে হারিয়ে যেতাম। এতদূর আসা হতোনা। তাদের একমাত্র দোয়া, ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা, সাহসে আজ এখানটায় আসা।

তারা হয়তবা আগেই জেনে গিয়েছিলেন, সকল ব্যর্থতা শেষে আমি ভবিষ্যতে একদিন ভালো করবো। এবং তাই হচ্ছে। আমিও তাদেরকে নিরাশ করিনি। ব্যাচের সবার আগে পিএইচডি শুরু করি, সাথে স্যামসাং এর হেডকোয়ার্টার এও গবেষণার পদে যোগদান করছি। আমার জীবনে অনেক ইচ্ছে ছিলো, আমি বিশ্বসেরা কোম্পানির জন্য গবেষণা করবো। এবং আমি তাই পারলাম, সেই ২.৭৬ সিজিপিএ-র আমি, শেষমেশ পেরেই ফেললাম।

আমি মনে করি "ভালোকিছু করবো" এই মানসিকতাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ জীবনে। রেজাল্ট যেমনই হতো ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় ঘুরতো যে আমি ভালো করবো। এখনকার ছেলেমেয়েরা একটু খারাপ রেজাল্ট হলেও খুব হতাশায় ভুগে। তবে এখান থেকে লড়াই শুরু। একাডেমিক পড়াশুনার পাশাপাশি, ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্রদের একটা স্কিলসেটে মনোনিবেশ করতে হবে।

আমার ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফে এমন অনেক দিন ছিলো, আমি ল্যাব ভাইবাতে পুরো সেকশনে একাই শূন্য পেয়েছি। বাকি সবাই মোটামুটি ভালো করেছে। ৩য় বর্ষের ম্যাটল্যাবের কোর্সে পুরো ব্যাচের মধ্যে লোয়েস্ট গ্রেড (D) নিয়ে পাশ করা লোকটা আমি। আমার ইঞ্জিনিয়ারিং লাইফের এমন এক সেমিস্টার ছিলো যেখানে আমি ২.৩৭ সিজি নিয়ে ড্রপ খাওয়া বাচাঁই। জীবনের এমন অনেক সেমিস্টার ফাইনাল ছিলো যেখানে ব্যাচমেটদের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনায়, আমার তাকায় থাকা ছাড়া আর কিছুই করার ছিলোনা। আমি আমার সর্বশেষ ব্যাকলগ পরীক্ষা দেই ৪.২ এর লাস্টে। তবে এতকিছুর পড়েও মন খারাপ করি নি। হতাশা আমার গ্রাস করতে "চাইতো", তবে এই হতাশাকে কখনই আমার কাছে আসতে দেইনি।

মনে রাখতে হবে, রেজাল্ট যেমনই হোক, ব্যাকলগ যতগুলাই থাকুক, জীবনে যতগুলা ড্রপ থাকুক, তোমার জীবনে সুযোগ আছেই। তোমার রেজাল্ট যতটুক, তোমার স্কিল যতটুক ওটা নিয়েই ক্যারিয়ার প্লান করতে হবে। ভালো রেজাল্ট মানেই জীবনে ভালো করবা, খারাপ রেজাল্ট মানেই জীবন শেষ এমন কিছুই না। আমি জীবনেও ক্লাসে ফার্স্ট হইনি, ইভেন টপ প্লেস ও করিনি, তাও সবার থেকে ভালো করলাম।

কিভাবে? কারণ হেরে যাওয়ার জন্য কাউকে পৃথিবীতে পাঠানো হয়নি।

আমার ইচ্ছা পিএইচডি-র পর বিজ্ঞানী হিসেবে যোগদান করা। তার জন্যেই পিএইচডি করতে আসা। এখানে গবেষণার একটা ভালো ট্রেনিং পাচ্ছি। আশা করি ভালোমানের একজন গবেষক হিসেবে এই জার্নি শেষ করতে পারবো। ইনশাআল্লাহ, হয়তবা কোনো একদিন আমার বাবা-মা কে এটা বলার সুযোগ করে দিবো,

আমাদের ছেলে একজন বড় বিজ্ঞানী....

ওইদিনের অপেক্ষায়...

Afsara Tasnim (TE’29, AUST)Production Manager CandidateUNIQLOআমি আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেক্...
08/06/2022

Afsara Tasnim (TE’29, AUST)
Production Manager Candidate
UNIQLO

আমি আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে বর্তমানে জাপানিজ রিটেইল জায়ান্ট Uniqlo তে কর্মরত আছি।

আমার গল্পটাও ৯০% টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে আসা মানুষের মত। মনে পড়ে ভার্সিটির প্রথম ক্লাসে আতিক স্যার (আল্লাহ উনাকে বেহেশত নসীব করুন) আমাদের জিজ্ঞেস করেছিলেন কে কে সাবজেক্ট চয়েসে টেক্সটাইল নিজের ইচ্ছায় দিয়ে এসেছ? গোটা ঘরে মনে হয় ১ জন কি ২ জন হাত তুলেছিল মাত্র। ওই সময় আহসানুল্লাহতে টেক্সটাইল তারাই পড়ত যাদের আর কোন চয়েস ছিল না। উল্লেখ্য আমরাই ভর্তিপরীক্ষা বিহীন শেষ ব্যাচ ছিলাম।

স্প্রিং ১৪ তে সেবার ম্যালা প্রতিযোগিতা ছিল। আমার সিরিয়াল ৬ষ্ঠ ওয়েটিং লিস্ট পর্যন্ত ও আসে নি। অস্টে ভর্তি হতে পারব না এটা জানাই ছিল। ভর্তি ছিলাম ব্রাক ইউনিভার্সিটিতে CSE তে।

কিন্তু খাপ খাওয়াতে হিমশিম খাচ্ছিলাম বড়লোক ভার্সিটির বড়লোক ইংলিশ মিডিয়াম স্টুডেন্ট দের সাথে খাপ খাওয়াতে। ভার্সিটি কম কর্পোরেট ভাবটাই যেন বেশি ছিল। ক্যাফেতে ঢুকতে লজ্জা লাগত ,আবার ওখানে ওপেন ক্রেডিট বুঝতাম না ক্লাস গুলো আলাদা হওয়ায় বন্ধুও জোটেনি তেমন। আমি হাপিয়ে উঠছিলাম ভেতর ভেতর।

অস্টের ক্যাম্পাসে এর আগের বার এসে মনে হয়েছিল ক্যাম্পাস এমনি চেয়েছি সবসময়। খোলামেলা মাটির অনেক কাছে...... প্রাইভেট প্রাইভেট গন্ধটা নেই। যাই হোক পোড়া কপালে জুটল না মেনে নিয়ে ব্রাক এর ক্লাস করতাম। এর মাঝে ফাইনাল শুরু হল। তখনি জানতে পারলাম অস্টের কিছু সিট নাকি খালি আছে!! মন আবার উতলা হয়ে গেল। কিসের ফাইনাল কিসের কি বাসায় তোড়জোড় করে এপ্লিকেশন করেই ফেললাম। টেক্সটাইল আর আর্কিতে সিট খালি ছিল। আর্কি যেহেতু ভয় লাগে অগত্যা টেক্সটাইল এর জন্যই এপ্লাই করলাম।

বাসায় একটা গুমোট পরিস্থিতি...... কেউ খুশি না। সবার এক কথা CSE ছেড়ে টেক্সটাইল কেন? এটা কি মেয়েদের সাবজেক্ট ( মেয়ে মানুষ তো আমি দিনশেষে!) দাদু আর নানুর দোয়া ছিল মাথার উপর। তাই হয়ত চলে আসল নাম।

এরপর অনেক কনফিউশন ভর্তি করাবে কিনা। আমারো অপরাধবোধ ছিল। ৫৬ হাজার টাকা ব্রাকের গর্ভে ঢালা হয়ে গিয়েছিল যে। আর অস্টে ভর্তি হতে ১ লাখ ৪ হাজার লাগবে!!! মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে এত বিশাল অংকের ব্যাপার। যদি পরে ভুল মনে হয়! আমি আসলে সত্যি বলতে সাবজেক্ট দেখে আসিনি আমি AUST দেখে এসেছি।

২০১৪ এর ২৪ এপ্রিল ব্র‍্যাকে আমার ফিজিক্স ফাইনাল ছিল। আগের রাতে কিছুই পড়লাম না। বাসায় বুঝে গেল মেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে..... পরদিন সকালে ওরিয়েন্টেশনের দিন এসে ভর্তি হলাম। জীবনের বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে আসলে জুয়াই খেলেছিলাম সেদিন। তবে পড়তে পড়তে টেক্সটাইল কে ভালবেসে ফেলেছিলাম।

যাক পড়াশুনা তো শেষ হল। এবার শুরু জব খুঁজার প্রতিযোগিতা। জীবনে প্রথম জব এপ্লিকেশন ছিল ইউনিক্লোতে। তখনো আমার থিসিস চলতেছে। মাত্র ইন্টার্ন শেষ করেছি। অনেক স্বপ্ন ছিল ইউনিক্লোতে জব করার। আর সেই স্বপ্ন দেখেছিলাম আমাদের অস্ট টেক্সটাইলের ই এক ভাইয়ার মাধ্যমে। ২৫ তম ব্যাচের গোল্ড মেডালিস্ট আমাদের বর্ষণ ভাইয়া। উনি ইউনিক্লোতে জব পাবার পর ই আমি প্রথম ইউনিক্লোর ব্যাপারে জানি। ইন্টারনেট ঘেটে বুঝতে পারি CSE দের ড্রিম জব যদি হয় Google তবে টেক্সটাইল এর Uniqlo!

তবে ইউনিক্লোতে জব পাওয়ার রাস্তাটা এতটা মসৃণ ছিল না। দীর্ঘ ৫ মাসে ৫ টি ধাপ পার করে ফাইনালি ২০১৯ এর এপ্রিলের ১ তারিখ জয়েন করি প্রোডাকশন কো অর্ডিনেটর হিসেবে। অদ্যবধি এখানেই আছি৷ ও হ্যাঁ এই দীর্ঘ রিক্রুটমেন্ট প্রসেসের মাঝে আমার আরেকটি জব হয়ে যায়। Intertek Bangladesh Ltd এ ল্যাব টেকনোলজিস্ট হিসেবে। ওইখানে ৩ মাস জব করার পর Uniqlo তে হয়ে যাওয়ায় চলে আসি।

ইউনিক্লোতে সবচেয়ে বড় যে মজা কাজ করার সেটা হল ফ্যাক্টরিতে গিয়ে রিয়েল টাইম প্রব্লেম সলভিং। মনে আছে ভার্সিটি থেকে যখন ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্যুরে নিত বিভিন্ন ফ্যাক্টরি তখন খুব উত্তেজনা কাজ করত। বরাবরই চাইতাম ফ্যাক্টরিতে কাজ করব৷

এই তো আমার গল্প! ক্যাম্পাসটাকে খুব মিস করি। খারাপ লাগে যখন কেউ অস্টিয়ানদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে। সিনিয়র হিসেবে যতটুকু পারি চেষ্টা করি জুনিয়রদের গাইড করতে। আমি মনে করি আমরা যেসব জিনিস ঠেকে শিখেছি তা যেন আমাদের অনুজদের ঠেকে না শিখা লাগে সেজন্য কাজ করা।

#প্রাউড_অস্টিয়ান

Al-Fattah Ibn Pasha Tamal (CE’30, AUST)Civil Engineer Project Management DepartmentFirst Dhaka Elevated Expressway (FDEE...
11/01/2022

Al-Fattah Ibn Pasha Tamal (CE’30, AUST)
Civil Engineer
Project Management Department
First Dhaka Elevated Expressway (FDEE)

২০১৭ সালে আহ্সানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশলবিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন Al-Fattah Ibn Pasha (Tamal)। কর্মজীবনের শুরুতে ২০১৮ সালে তিনি মেট্রোরেলে প্রধান কন্ট্রাক্টর কোম্পানি ITALIAN-THAI DEVELOPMENT PCL. কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি First Dhaka Elevated Expressway তে কর্মরত আছেন।

আহসানুল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়ের পথচলার পাশাপাশি তার কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন আমাদের সাথে আল ফাত্তাহ ইবনে পাশা তমালঃ

আমার বাবা-মায়ের দুজনেরই ইচ্ছে ছিল তাদের দুই ছেলেই ডাক্তার হবে।আমি যদিও ছোটবেলা থেকেই আর্কিটেক্ট হতে চেয়েছি,কিন্তু বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ করতে ইন্টারের পরে মেডিকেলের জন্য প্রিপারেশন নেওয়া শুরু করলাম।সে বছর মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ব্যাপারে সরকার থেকে সিদ্ধান্ত আসে আলাদা কোন এডমিশন টেস্ট হবে না বরং ইন্টারের রেজাল্টের উপরে ভিত্তি করেই মেডিকেলে সিট দেওয়া হবে। রেজাল্ট মাশাল্লাহ ভালো ছিল,রেজাল্ট কার্ডের দিকে তাকিয়ে নিজেকে ঢাকা মেডিকেলে দেখতে পেলাম। প্রিপারেশন নেওয়া বন্ধ করে ঘুরে বেড়াতে লাগলাম মনের খুশীতে। কিন্তু ঘটনা ঘটলো যখন কিছুদিন পরে সরকার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলো! একমাসের নোটিশে মেডিকেলে এডমিশনের ডেট দিয়ে দিল! ততদিনে আমার মেডিকেল-ইঞ্জিনিয়ারিং কোনটারই প্রিপারেশন নেওয়া হয় নাই। চটপট বুয়েট-কুয়েট-চুয়েট আর রুয়েটের এডমিশনের জন্য ফর্ম তুলে ফেললাম। কোনমতে পুরানা পড়া ঝালাই করে এডমিশন টেস্ট দিলাম।রুয়েটে গ্লাস এন্ড সিরামিক্সে টিকে গেলেও সাব্জেক্ট পছন্দ না হওয়ায় যাওয়া হল না-এসে জুটলাম অস্টে! সারাজীবন আর্কিটেক্ট হতে চাওয়া আমি সাব্জেক্ট চয়েসের দিন সব সাব্জেক্ট ফাঁকা পেয়েও কি বুঝে সিভিলে চয়েস দিয়ে এলাম!
শুরু হল আমার ঢাকার জীবন!
তেজগাঁ-নিকেতন-মধুবাগময় জীবন!
লাভরোডের এই ছোট ক্যাম্পাস্টাতে ভরপুর মজা করেছি-পাগলামি করেছি,গান-বাজনা করেছি,আড্ডা মেরে কাটিয়েছি। অসাধারণ বন্ধু পেয়েছি এখানে,চমৎকার সব সিনিয়র-জুনিয়র নিয়ে দূর্দান্ত একটা সময় কাটিয়েছি।
কি করি নি আমরা?হাওয়া ভবনে ঘুমানো থেকে শুরু করে রেডেক্সে ফুটবল খেলা,আর্কির চিপায় ফিফা, প্লাজায় লেটিয়ে আড্ডা,(২এ০৬ )এর বিচার,মিটিং,নামকরণ, খেলা -পিকনিক অর্গানাইজ করা,পোগ্রাম-র্যাগ ডে,কালার ফেস্ট সহ হাজারো আয়োজন আর আড্ডা- সবকিছুতেই সরব উপস্থিতি ছিল।
ঢাকায় একা থাকতাম,বাবা-মা আর ছোটভাই খুলনায়।সেমিস্টার ব্রেকে সময় হলেই দেরী না করে খুলনা চলে যেতাম।
মাওয়া দিয়ে ঢাকা- খুলনায় যাওয়া-আসার সুবাদে সেই ক্যাম্পাস লাইফ থেকে পদ্মা নদীর উপরে লঞ্চ-ফেরী পারাপারের সময় পদ্মাব্রিজের বিশাল কর্মযজ্ঞ দেখতে পেতাম।
শুধু বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্যই নয়,বরং সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য ড্রিম প্রোজেক্ট এই পদ্মাব্রিজ!
৪.২ তে থাকতে ফুল সেমিস্টারসহ মাওয়া ইয়ার্ডে এসেছিলাম পদ্মাব্রিজের সেই কর্মযজ্ঞের কিছুটা ধারণা নিতে।
কিন্তু কখনো মনের মধ্যে কল্পনাও করিনি পদ্মাব্রিজে কাজ করব একদিন!
কারণ এই প্রোজেক্টে কাজ করার মত প্রোফাইল যেটা লাগে,সেটার কিছুই তো আমার নেই!
সেজন্য স্বপ্নও দেখিনি কোনদিন পদ্মাব্রিজে কাজ করার।
পাশ করার সাথে সাথেই আল্লাহ মেট্রোরেলে প্রধান কন্ট্রাক্টর কোম্পানি ITALIAN-THAI DEVELOPMENT PCL. এ কাজ করার সুযোগ করে দিলেন।
প্রায় তিন বছর একটানা চোখ-কান বন্ধ করে কাজ করলাম।কন্সট্রাকশন সাইটের প্রেমে পড়ে গেলাম এক কথায় বলা যায়। আমি থাকাকালীন সময়ে মেট্রোর চারপাশে কন্ট্রাক্টর-কন্সাল্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার যারা ছিলেন,তাদের ৯০% ছিলেন অস্টিয়ান-আমার ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র-বন্ধু অথবা জুনিয়র! আমার লাভ রোডের ক্যাম্পাসের মানুষগুলো কি অমানুষিক পরিশ্রম করে এই মেট্রোরেলের আজকের রূপ দিয়েছে,তা সাইটের বাইরে ফেসবুকের হাসিমুখে ছবি দেখে কখনো বোঝা যাবে না!
মেট্রোরেলে কাজ শেখার আর করার প্রচুর সুযোগ ছিল। সিনিয়র ভাইয়া-আপুদের কাছ থেকে যা পেয়েছি চেষ্টা করেছি শেখার।খুব মজা লাগতো নতুন কিছু শিখতে পারলে। ডেইলি ১২ ঘন্টা ডিউটি গায়ে লাগতো না শুধু এই মানুষগুলোর জন্য। কারণ আড্ডা,মজার মধ্যেই প্রচন্ড গতিতে কাজ আগাতো।
আমি সবসময়ই বলি,মেট্রোরেল আমার নিজের ঘরের মত।আমি এখনো সময় সুযোগ পেলে মেট্রোর সাইটগুলোতে যাই,সবার সাথে দেখা সাক্ষাত আড্ডা দিয়ে আসি।
২০২০ সালে Geographic Information System for Environment and Development এর উপরে মাস্টার্সের জন্য ভর্তি হয়ে গেলাম জাহাংগীরনগর ইউভার্সিটিতে।
যাইহোক,মেট্রোতে কাজ করতে করতেই আল্লাহ সেই বহুল কাংখিত পদ্মাব্রিজে কাজ করার সুযোগ এনে দিলেন একদিন।
ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হল,ইন্টারভিউ দিলাম মাওয়া সার্ভিস এরিয়া ওয়ানে।
মি.কে.নূট বেশ বেশ সময় কন্সট্রাকশন রিলেটেড বিভিন্ন প্রশ্ন করেছিলেন ইন্টারভিউয়ের পুরো সময় ধরে।
কয়েকদিন পরে বিবিএ থেকে সব পেপার্স চেক হাবিজাবি ফরমালিটিস শেষ করে সেই বহু কাংখিত পদ্মা ব্রিজে Construction Supervision Consultancy- 2 এর আন্ডারে কন্সাল্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করার এপোয়েন্টমেন্ট লেটার হাতে পেলাম,আলহামদুলিল্লাহ।
কন্টাক্ট অনুযায়ী, ২০২০ এর শেষে জয়েন করেছিলাম পদ্মায়!
টানা এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইন করে,করোনা টেস্ট করে এরপরে সাইটে যাওয়ার অনুমতি মিললো!
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য এই প্রোজেক্টটা আসলেই স্বপ্নের মত।কাজের পাশাপাশি এত সুযোগ সুবিধা আর কোন প্রোজেক্টে দেয় কি না আমার জানা নেই।রোস্টার ডিউটির সাথে চমৎকার পরিবেশ আর অসাধারণ সার্ভিস এরিয়া-২। সবচেয়ে মজার ব্যাপার,এই প্রোজেক্টটাও আমাদের অস্টিয়ানদের ঘাটি ছিল। এখানেও প্রায় ৯০% ইঞ্জিনিয়ার ছিল তেজগাঁও লাভ রোডের ছোট ক্যাম্পাসটার যারা সেই শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দেশের মানুষের স্বপ্নের পদ্মাব্রিজ নিয়ে। ইঞ্জিনিয়ারিং মেসটা মনে হত অস্টের কোন একটা হল! অবস্থা এমন ছিল যে আমরা বলতাম,পদ্মা বা মেট্রোরেলে চোখ বন্ধ করে হাটতে গিয়ে কারো সাথে ধাক্কা খেলেও নিঃসংকোচে বলা যায় সে অস্টিয়ানই হবে!অন্য ভার্সিটির ভাইয়ারা যারা ছিলেন,তারাও খুবই আন্তরিক আর পরিশ্রমী ছিলেন।
পদ্মাতে ডেইলি ৮ ঘন্টা ডিউটির পরে ফ্রি টাইমে ফুটবল-ক্রিকেট,কিংবা ব্যাডমিন্টন-টেবিল টেনিস অথবা লন-টেনিস খেলার জন্য যাবতীয় সবকিছুই আপনি পেয়ে যাবেন।
সন্ধ্যায় ডিউটি না থাকলে সাধারণত ম্যাক্সিমাম ইঞ্জিনিয়াররাই একসাথে ফুটবল খেলতে মাঠে জমায়েত হতাম! দুই ঘন্টা,মাঝে মাঝে আড়াই ঘন্টা একটানা ফুটবল খেলা চলতো!দূর্দান্ত সব ফুটবল প্লেয়ার একেকজন! আমি খুব একটা জুত করতে পারতাম না ভাইদের সাথে,কিন্তু বুট -জার্সি পড়ে মাঠ চলে যেতাম সন্ধ্যায় ডিউটি না থাকলে ঠিকই।
যেকোনো কিছুতে সিনিয়র ভাইদের কাছে প্রচন্ড পরিমাণ হেল্প,সাজেশন পেতাম! কিন্তু করোনার জন্য পদ্মাব্রিজের আমরা যারা ইঞ্জিনিয়ার ছিলাম তারা সবাই প্রোজেক্টে লকডাওনের মধ্যে ছিলাম। সারাদেশ পরবর্তীতে লকডাওন তুলে নিলেও আমাদের প্রোজেক্ট ছিল তখনো লকডাওন। দেশে থেকে বিদেশের মত ৪ মাস পর পর ১২ দিনের ছুটিতে যেতে পারতাম,এরপর আবার প্রোজেক্টে ফিরে কোয়ারেন্টাইনে ৭ দিন কাটিয়ে এরপর করোনা টেস্ট করে নেগেটিভ আসলে পারমিশন মিলতো কোয়ারেন্টাইন রুম থেকে বের হবার। মোটামুটি বছর খানেক পরে অসহ্য হয়ে ঊঠছিল ব্যাপারটা।ব্রিজের কাজে সাইটে গেলে নদীর মাঝে লঞ্চ-ফেরীতে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় দেখে হতাশা বাড়তো বাড়িতে না যাওয়ার। পরবর্তীতে আল্লাহ আবারো আমাকে ঢাকায় ফেরার সুযোগ করে দিলেন First Dhaka Elevated Expressway তে জয়েন করার মাধ্যমে,আলহামদুলিল্লাহ!
বর্তমানে এখানেই প্রোজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী খুব দ্রুতই হয়তো একটা নির্দিষ্ট অংশ চালু করতে পারব ঢাকার প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সূচনা হিসেবে,ইনশাআল্লাহ!
৪ বছর আগে ক্যাম্পাস ছাড়লেও অস্টের প্রতি টান-ভালোবাসা কোনটাই কমে নাই। অভিযোগ ছিল অনেক,অস্বীকার করিনা কিন্তু কখনোই সেটা অস্টকে অস্বীকৃতি জানানোর মত ঘৃণা কাজ করে না নিজের ভিতরে। এই কথাটার মানে যারা আমাদের ব্যক্তিগতভাবে চিনে,তারা বুঝতে পারবে।
যদিও এখন অনেক জুনিয়রদের দেখি ক্রমাগত অস্টকে ছোট করে পোস্ট দেয় ফেসবুকে,ক্ষোভ প্রকাশ করে। জানিনা তাদের সাথে কি ঘটেছে,হয়তো আমিসহ আরো তিনজনের সাথে যা ঘটেছিল ক্যাম্পাসে তার থেকেও অনেক বড় কিছু ঘটেছে।তা নাহলে কিসের এত ক্ষোভ অস্টের প্রতি আমি জানিনা।অনেক অনিয়ম- অন্যায় আছে এমন কি আগের মত জৌলুশপূর্ণ যুগও নেই এখন হয়তো অস্টের।কিন্তু এই ক্যাম্পাস থেকে পাশ করে বের হওয়া প্রতিটা মানুষের অনেক পরিশ্রম আর কস্টের ফসল হিসেবে জব সেক্টরে অস্টের নাম এখনো উজ্জ্বল! যখন জব সার্কুলারে বুয়েটের-কুয়েটের পাশাপাশি শুধুমাত্র অস্টকে প্রাধান্য দেওয়া হয়,তখন বোঝা যায় প্রাক্তন অস্টিয়ানরা কিভাবে পরিশ্রম আর সততার মাধ্যমের অস্টকে প্রাইভেট ভার্সিটি হিসেবে এরকম উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।এই অবস্থান আমার-আপনার সিনিয়র ভাইয়া-আপুরাই দীর্ঘদিন ধরে তৈরি করেছেন।
দয়া করে বাইরে এই নামটায় দাগ লাগতে দিয়েন না-আপনি হয়তো ফেসবুকে দুই লাইন লিখে ক্ষোভ ঝাড়লেন,কিন্তু সেজন্য বাইরে অস্টের কি ইম্প্যাক্ট পড়ে সেটা হয়তো জানতেও পারছেন না। এখন বুঝতেও পারবেন না,যখন বুঝবেন ততদিনে গলায় এই অস্টের লোগো সম্বলিত সার্টিফিকেটই ঝুলবে।
আর যাইহোক,অস্টিয়ান হিসেবে আপনার পরিচয় তো আর মুছে ফেলতে পারবেন না! সারাজীবন বয়ে বেড়াতে হবে যে নাম,সেটার উন্নতির জন্য কাজ করুন,পরিশ্রম করুন-আশা করি ভবিষ্যত আপনাকে দু হাত ভরে সফলতা দিবে!
সবার জন্য শুভকামনা আর ভালোবাসা।

Montasir  Mamun Shopno  (IPE’13, AUST)Guitarist (Poraho & Arbovirus)২০১৮ এর স্প্রিং সেমিস্টারে আহ্সানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্...
29/12/2021

Montasir Mamun Shopno (IPE’13, AUST)
Guitarist (Poraho & Arbovirus)

২০১৮ এর স্প্রিং সেমিস্টারে আহ্সানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্প ও উৎপাদন বিভাগ থেকে স্নাতক করেছেন Montasir Mamun Shopno। ইউনিভার্সিটিতে থাকা কালীন সময় থেকেই যুক্ত ছিলেন মিউজিক জগতে। ২০১৮ সালে যোগ দেন অন্যতম মিউজিক ব্যান্ড পরাহ তে। এছাড়াও ইন্সট্রাকটর হিসেবে ছিলেন Yamaha Music Bangladesh - ACI Motors Ltd.

আহসানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর জার্নি এবং খুটিনাটি বিষয় নিয়ে তাঁর নিজের মুখে শুনুনঃ

২০১২ সালে আমি মাইলস্টন কলেজ, ঢাকা থেকে এইচ.এস.সি পরীক্ষা শেষ করি। মূলত আমি সব সময় পড়ালেখার বাইরে গিয়ে চিন্তা ভাবনা বেশি করতাম। খুব একটা মনোযোগী ছাত্র ছিলেন তা বলা চলে না। ফ্যামিলি থেকে একটা প্রেশার সব সময় কাজ করত। অনেকটা বাধ্য ছেলের মতই এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিতে হয়েছে। তবে কোনোটারই রেজাল্ট খারাপ ছিল না। এর পর আমি আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগে ভর্তি হই। ভার্সিটিতে খুব বেশি চঞ্চল ছিলাম এবং স্যার/ম্যাডাম এবং আমার বন্ধুরাও এই জিনিসটা অনেক এনজয় করত।
৪ বছরে বিশেষ কোনো মুহুর্ত বলতে গেলে আমি মিউজিকাল কর্মকান্ডের সাথে খুবই ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলাম। ভার্সিটিতে কিছু প্রিয় সিনিয়র-জুনিয়র ছিল , এখনো আছে সেই মূহুর্ত গুলা আমার কাছে স্বর্গ সুখের মত ছিল। আমি মিউজিক এর মাধ্যমে আমার ইউনিভার্সিটিকে সবার সামনে তুলে ধরতে পেরেছি এইটাই আমার সব থেকে বেশি সুখের মুহুর্ত যা আজীবন থাকবে। কারণ ভার্সিটিতে উঠেই মূলত আমার মিউজিশিয়ান হওয়ার ইচ্ছাটা আরো প্রবল হয়ে উঠে এবং আমি মনে করি এটাই আমার জীবনের টার্নিং পয়েন্ট ছিল।
ভার্সিটির মধ্যে কিছু মানুষদের আমার আজীবন মনে থাকবে, And end of 4 years just was an ending of 4 years that’s it

আমি Yamaha Music Bangladesh - ACI Motors Ltd. এ একজন গিটার ইন্সট্রাকটর হিসেবে কাজ করি। ২০১৮ সালে আমি Poraho ব্যান্ডের সাথে যোগ দেই। কম্পোজার এবং গিটারিস্ট হিসেবে এখনো কাজ করে যাচ্ছি। এছাড়াও গেস্ট গিটারিস্ট হিসেবে গিটার বাজানোর সৌভাগ্য হয়েছিল Nagar Baul James এর সাথে। বর্তমানে আমি ARBOVIRUS ব্যান্ডের সাথে জয়েন করছি এবং শো করছি। সবকিছুর পাশাপাশি নিজের গান নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।
I have a special place for every teacher as I respected them equally as I myself is one! I teach guitar! So yeah it’s a great responsibility to take and pursue!

ভার্সিটিতে আমি সেরা সিনিয়র পেয়েছি যারা আমাকে একদম বন্ধুর মত সব জায়গায় সাপোর্ট দিয়ে গেছেন এবং চেষ্টা করেছেন আমার স্বপ্ন কে লক্ষ্যে পৌছে দিতে আমি সারা জীবন উনাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকব। জুনিয়রদের সাথে তেমন একটা ভালো চেনা জানা নেই ২-৩ ব্যাচ বাদে। তবে আমি খুবই খুশী হই যখন দেখি ওরা আমাকে চিনে। একটা কথাই বলব লাইফে এক্সপ্লোর করার জায়গায় সবসময় প্লান করার সময় নাও পেতে পারো । ভালো খারাপ দুইটা সাইড মাত্র। Explore the way you want to explore or love to explore !!

18/11/2021

Prof. Dr. Abdur Rahim Mollah Sir, Former Head(EEE) and Dean (AUST) is no more!!
inna lillahi wa inna ilayhi raji'un

Rest in peace, sir ♥️

Dr. Sikder Sunbeam Islam (EEE, AUST)Associate Professor & ChairmanDept. of EEE, IIUC Publications: 67, Citations: 761 Dr...
29/10/2021

Dr. Sikder Sunbeam Islam (EEE, AUST)
Associate Professor & Chairman
Dept. of EEE, IIUC
Publications: 67, Citations: 761

Dr. Sikder Sunbeam Islam received his B.Sc. degree in Electrical and Electronic Engineering from AUST, Bangladesh, in 2005, the M.Sc.degree in Mobile Computing and Communications from the University of Greenwich, U.K. in 2008, and the Ph.D. degree in space science from the National University of Malaysia, Malaysia, in 2017. He is currently working as an Associate Professor and Chairman of the Department of Electrical and Electronic Engineering, International Islamic University Chittagong, Bangladesh. He has a published book and more than 67 publications in international proceedings and journals. His main research interests include metamaterial for communications, electromagnetic radiation, and mobile computing.
Dr. Sikder Sunbeam Islam for achieving the Best Scientist in the list of International Islamic University Chittagong Scientist and University Rankings 2021 published by AD Scientific Index.
AD Scientific Index is a world-renowned organization that has published a ranking acknowledging 700k+ scientists from 13.5k+ universities among 206 countries. The ranking criteria were H index, i10 index, and citation of last 5years.
Dr. Islam has been serving as a reviewer for several international conferences and journals.

Tabassum M Hassan (CE-32th)IWM, SAITছোট বেলা থেকেই ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ার হবার। হয়ত বা বাবা কে দেখতে দেখতে আগ্রহ জন্মেছি...
11/10/2021

Tabassum M Hassan (CE-32th)
IWM, SAIT
ছোট বেলা থেকেই ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ার হবার। হয়ত বা বাবা কে দেখতে দেখতে আগ্রহ জন্মেছিল। যদিও মাঝারি গোছের স্টুডেন্ট ছিলাম বেশিরভাগ সময়ই কিন্তু এটা সত্য অনেক সংগ্রাম করে বড় হতে হয়েছে। চার দিকে অপনেন্টের অভাব ছিল না।

ইঞ্জিনিয়ার হাবার জন্য বাসা থেকে স্পেশালি আম্মুর উৎসাহ ছিল অনেক বেশি। আম্মুর ইচ্ছা ছিল দুই সন্তানই ইঞ্জিনিয়ার হবে। বাবা সব সময় বলতেন আমার স্কিল গেইনিং ক্যাপাবিলিটি ভাল তাই বেছে নিব সেখানেই ভাল করতে পারব। এইচ এস সি পাশের পর হাতে বুয়েট,ঢাবি আর এম আই এস টি তে এডমিশন টেস্ট দিতে পারি। ইলেকশন ঘনিয়ে আসছিল তাই পরিবেশ পরিস্থিতি অনেক খারাপ ছিল। আমি যে ধরণের স্টুডেন্ট ছিলাম বুয়েটে চান্স পেলেও হয়ত আরকিটেকচারে হতে পারত। বাবা রাজি ছিল না।মেয়ে বাচ্চা বলে আব্বু আম্মু ঢাকার বাইরে কোন ইউনিভারসিটি তে ফর্ম তুলতেও দিল না এক্সাম তো দূরের কথা।
ভিকারুন নিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এস এস সি- এইচ এস সি পাশ করি। এদিকে এস এস সি তে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছিলাম আর এইচ এস সি তে বাংলা তে এ প্লাস মিস হওয়ার কারণে গোল্ডেন এ প্লাস ও মিস হয়। অস্টে আমার ব্যাচই শেষবারের মত এস এস সি আর এইচ এস সির রেজাল্ট দেখে সিরিয়াল মেনে ভর্তি করে। সি এস ই বা মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়তে চাচ্ছিলাম। সি এস ই পেলাম না ইন্টারে গোল্ডেন না পাবার কারণে আর বাবা নিজে মেকানিকাল ডিপার্টমেন্ট এ ছিলেন তাই এই ডিপার্টমেন্ট এ এডমিশন নিতে দিলেন না মেকানিকাল অনেক কঠিন তাই। আমাদের দেশে বাবা মা বাচ্চাকাচ্চা দের ভবিষ্যত নিয়ে অনেক বেশি ভাবে কিন্তু তাদের ও ইচ্ছে থাকতে পারে সেটা বুঝতে চায় না। অদ্ভুত হলেও সত্য, এসব নিয়ে অনেক বাইরের মানুষ জন ও আম্মু কে কথা শুনানোর চেষ্টা করত।
শেষতক সিভিল ডিপার্টমেন্ট এ এডমিশন নিলাম। যদিও আমি খুব বেশি ইন্টারেস্টেড ছিলাম না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে। পরে ক্লাস শুরু হলে আস্তে আস্তে মন ভাল হয় আর পরে মনে হতে থাকে আসলে সিভিল ডিপার্টমেন্ট এ এডমিশন নিতে আব্বুর জোর জবরদস্তি করা টা ভাল ডিশিসনই ছিল।
এভাবে 7 সেমিস্টার পার হয় মোটামুটি ভাবেই আর ফাইনাল সেমিস্টার এ হঠাৎ করেই বিয়ে করি। লাস্ট সেমিস্টার এ অনেক বাজে রেজাল্ট হয়। ইভেন ফার্স্ট সেমিস্টার এ ও এর থেকে ভাল জি পি এ ছিল। তাও আমি মোটামুটি গ্রেড নিয়েই পাশ করি ২০১৮ সালের মে মাসে।
পরের বছরই আমি কানাডায় মুভ করি। আবার শুরু হয় MS এ এডমিশন নেবার সংগ্রাম। আমি MS এ এডমিশন নেবার পক্ষপাতী ছিলাম MEng হলে নিজের ফান্ডিং এ পড়তে হয় আর পরে PhD করতে চাইলে MEng দিয়ে হবে না, আবার MS করতে হবে। আর আমার ফ্যামিলি যেহতু ক্যালগেরি তে তাই ক্যালগেরি ছাড়া অন্য কোন ইউনিভারসিটি তে এপ্লাই করার চিন্তা করতে পারতাম না। ভাগ্য খারাপ হলে যা হয়, ২০১৯ এ বিভিন্ন পলিটিকাল আর ইন্টারনাল কারণে ইউনিভারসিটি অফ আলবার্টা আর ইউনিভারসিটি অফ ক্যালগেরিতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের বাজেট কাট হয়। আর সব বাজেট মেইনলি রিসার্চ ফান্ড থেকেই কাট করে। অনেক ইঞ্জিনিয়ারদের বিভিন্ন কোম্পানি ছাটাই করতে থাকে। কানাডিয়ান ইউনিভারসিটি গুলোর স্ট্রাটেজি হল তারা আগে নিজেদের কারিকুলাম বা এলামনাই দের প্রথমে চান্স দেয় আর পরে ইন্টারন্যাশনাল গ্রাজুয়েট দের বিবেচনা করে। আর সব ইউনিভারসিটি কম বেশি বলে জিপিএ 3 আউট অফ 4 হলেই তারা এলাউ করে কিন্তু কানাডায় যেহতু জি আর ই বা অন্য কিছুই লাগে না ইঞ্জিনিয়ারিং স্টুডেন্ট দের জন্য তাই তারা অন্তত 3.5+ এক্সপেক্ট করে আর 3.75+ হলে সব কিছু তুলনামূলক ভাবে অনেক সহজ হয়।
আমার বি এস সি তে এতো হাই জি পি এ ছিল না। তার ওপর এখানকার মানুষজনের নরমাল টেন্ডেসি হল জব চলে গেলে তারা আবার পড়ালেখা শুরু করে। আর সত্যি কথা হল আমাদের দেশের একটা ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েট স্টুডেন্টের সাথে এখানকার ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রাজুয়েট এর প্রোফাইল আকাশ পাতাল তফাত। এক কথায় বলা যায় এরা অনেক স্কিলড। এসব স্টুডেন্ট যদি মাস্টার্স এ এডমিশন নিতে আসে তাদের সাথে কমপিট করা অনেক টাফ।
স্বাভাবিক ভাবেই আমি পেরে উঠলাম না তাই ঐ সেমিস্টার এ মাস্টার্স এ এডমিট হবার সুযোগ ও হলো না। এসব এর শেষ না হতে হতেই ২০২০ সাল চলে আসল আর করোনার প্রকোপে সব কিছু বাসায় বসেই করা শুরু হল। কোভিডের জন্য ইউনিভারসিটির বায়োলজিক্যাল সাইন্সের রিসার্চ ছাড়া সব ডিপার্টমেন্ট এর রিসার্চ ফান্ডিং আবার কাট করা শুরু করল। এক বছর লস হবে তাই আমার হাসবেন্ড আমাকে বলল যে এখানে ওরা ইউনিভারসিটির ডিগ্রি যত না কদর করে এর থেকে Southern Alberta Institute of Technology (SAIT) এর ডিগ্রী বেশি খোজে রিক্রুট করার জন্য। আর ভদ্রলোক আমাকে উৎসাহ দিত এই বলে "আমি যদি 2 টা মাস্টার্স করতে পারি তাহলে তুমি কেন একটা ডিপ্লোমা আর একটা মাস্টার্স করতে পারবে না??"। আমি শুরুতে ডিপ্লোমা পড়তে রাজি ছিলাম না কিন্তু এক বছর সময় নষ্ট হবার থেকে ডিপ্লোমা করাও ভাল অন্তত পড়ালেখার সাথে টাচ থাকবে, তাই রাজি হলাম।
আমার সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং আর আমার ইন্টারেস্ট এর সাথে ম্যাচ করে দেখে Integrated Water Management (IWM) এ ভর্তি হলাম। এখন আমি এই প্রোগ্রামের 3rd semester এ পড়ছি। সত্যি কথা আমি এখানকার পড়ালেখা নিয়ে খুশি। বাংলাদেশে বি এস সি পড়ার সময় কোন সিস্টেমের মডেলিং করা বা সিমুলেশন দেয়ার কথা চিন্তা করাই যেত না সেখানে এই কোর্সে ওয়াটার সিস্টেম মডেলিং স্যাম্পলিং এসব করা শিখছি।
বাংলাদেশে যা চিন্তাও করতে পারতাম না। এসব স্কিল আমার ভবিষ্যতে যেমন ক্যারিয়ারের জন্য ভাল হবে ঠিক তেমনি ভবিষ্যতে মাস্টার্স বা পি এই ডি করতে গেলে রিসার্চের কাজে ও হেল্প করবে।
কানাডায় এসে মনে হয়েছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ভালই হয়েছে। আসলে সিভিলাইজেশন চলার জন্য আর যাই হোক না কেন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লাগবেই। তাই অন্য ইঞ্জিনিয়ার দের এখানে জবের অপরচুনিটি যত না বেশি সিভিল ইঞ্জিনিয়ার দের তার থেকে অনেক অনেক বেশি। এখনকার ইন্সটিটিউশন এ আল্লাহর রহমতে রেজাল্ট বেশ ভালই। ইন্সট্রাক্টরা ও এপ্রিশিয়েট করে। ভবিষ্যতে MS PhD করার ইচ্ছে আছে।
অন্য সিনিয়র ভাইয়া আপু দের মত আমি ক্যারিয়ার সেভাবে শুরু করি নি। আশা করি লাইফে ভাল ইঞ্জিনিয়ার হতে পারব।

Address

141 & 142, Love Road, Tejgaon Industrial Area
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Humans of AUST posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Humans of AUST:

Share

Category