Miraz Mahia

Miraz Mahia ❤️Meraz+Mahia=Afraz❤️

"শুভ জন্মদিন আমাদের জীবনের সেরা মানুষটিকে! ❤️তুমি আমাদের কাছে খুব বিশেষ। তোমার জীবনে আরও অনেক সুখ ও সমৃদ্ধি আসুক। ❤️🎁🎂" ...
27/08/2026

"শুভ জন্মদিন আমাদের জীবনের সেরা মানুষটিকে! ❤️
তুমি আমাদের কাছে খুব বিশেষ। তোমার জীবনে আরও অনেক সুখ ও সমৃদ্ধি আসুক। ❤️🎁🎂" 🎉🍷

শুভ জন্মদিন আমার ভালোবাসা ❤️🎂তুমি শুধু আমার স্বামী নও, তুমি আমাদের সন্তানের সবচেয়ে প্রিয় বাবা, আমাদের ছোট্ট পরিবারের ভরস...
27/08/2026

শুভ জন্মদিন আমার ভালোবাসা ❤️🎂
তুমি শুধু আমার স্বামী নও, তুমি আমাদের সন্তানের সবচেয়ে প্রিয় বাবা, আমাদের ছোট্ট পরিবারের ভরসা। 🥰
আল্লাহ তোমাকে সবসময় সুস্থ ও সুখী রাখুক। তোমার হাত ধরে আমাদের ছোট্ট পরিবার নিয়ে সারাজীবন এভাবেই পথ চলতে চাই। ❤️❤️
শুভ জন্মদিন👑🎂, আমার প্রিয় মানুষ। 💝🫶

ইয়াবা সেবন দেখে ফেলেছিলেন শিক্ষক, তারপর একে একে চারজনকে হত্যা! রাতভর লাশের সঙ্গেই ছিল ঘাতকরারংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রা...
23/08/2026

ইয়াবা সেবন দেখে ফেলেছিলেন শিক্ষক, তারপর একে একে চারজনকে হত্যা! রাতভর লাশের সঙ্গেই ছিল ঘাতকরা

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্য হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। ঘটনার ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই দুই মামাতো ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন মুগ্ধ দাস (২৩) ও সিদ্ধার্থ দাস (১৯)। তাঁরা একই এলাকার বাসিন্দা। রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর বর্ণনা দেন।

পুলিশের দাবি, গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবন করছিলেন মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ। তাঁদের ইয়াবা সেবনের দৃশ্য গণপতি দেখে ফেলায় পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। এরপর তাঁকে প্রথমে গলায় গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়।

এরপর সিঁড়িতে তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তীকেও শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী পার্থী এবং সবশেষে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী প্রিয়মকে হত্যা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।

সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য হলো, পুলিশ বলছে, চারজনকে হত্যার পরও ওই বাড়িতেই রাত কাটায় অভিযুক্তরা। পরদিন সকালে গোসল ও খাওয়া শেষে তারা বাড়ি থেকে স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে পাশের একটি পরিত্যক্ত জায়গায় মাটির নিচে পুঁতে রাখে।

শনিবার রাতে তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গণপতির মরদেহ পাওয়া যায় ছাদে, স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ ছিল সিঁড়িতে এবং ছেলে প্রিয়মের মরদেহ পাওয়া যায় খাটের নিচে। তাঁদের শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল পুলিশ।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর। নিহত প্রীতিলতার বোন পূজা চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার রাতের পর পরিবারের কারও সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। শনিবার রাতে বাড়িতে গিয়ে বাইরে থেকে তালা দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে দরজা খুলে একে একে চারজনের মরদেহ পাওয়া যায়।

তবে তদন্তের শুরুতে ঘটনাটিকে ডাকাতি হিসেবে সন্দেহ করেছিল পুলিশ। বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, ঘর তছনছ অবস্থায় পাওয়া যায় এবং স্বর্ণালঙ্কার রাখার স্থানও ভাঙা ছিল। নিহত পরিবারের স্বজনদের পক্ষ থেকেও বাড়ি নির্মাণকে কেন্দ্র করে চাঁদাবাজির বিরোধের কথা বলা হয়েছিল। পরে তদন্তে ইয়াবা সেবন দেখা এবং পরিচয় ফাঁসের আশঙ্কাকে হত্যার মূল কারণ হিসেবে সামনে আনে পুলিশ।

একটি পরিবারের চারজন মানুষ। একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, তাঁর স্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া মেয়ে এবং স্কুলপড়ুয়া ছেলে। তাঁদের ঘরেই যদি অপরাধীরা ঢুকে পড়ে, চারজনকে হত্যা করে এবং হত্যার পরও রাত কাটানোর মতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটে, তাহলে প্রশ্ন শুধু এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে নয়, আমাদের আশপাশের নিরাপত্তা নিয়েও।

পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার দুজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। এখন তদন্তে আরও কেউ জড়িত ছিল কি না, হত্যার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং লুট করা সম্পদের সঙ্গে ঘটনার সম্পর্ক কতটুকু, সেসবও পরিষ্কার হওয়া জরুরি।

চারজনের হত্যার ঘটনায় সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে রংপুর জিলা স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন।

এই হত্যাকাণ্ডের পুরো সত্য আদালতে প্রমাণিত হওয়াই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতগুলো প্রাণ কেড়ে নেওয়ার পেছনে যে কারণই থাকুক, একটি পরিবারের জীবন এক রাতেই চিরতরে বদলে গেছে।

কিছু কান্না মায়ের ঘুম ভাঙায়,আর কিছু কান্না মায়ের বুকের ভেতর আরও শক্ত করে সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে শেখায়।কিন্তু সেই কান্নাই যখ...
18/08/2026

কিছু কান্না মায়ের ঘুম ভাঙায়,
আর কিছু কান্না মায়ের বুকের ভেতর আরও শক্ত করে সন্তানকে জড়িয়ে ধরতে শেখায়।
কিন্তু সেই কান্নাই যখন এক মায়ের কাছে অসহ্য হয়ে ওঠে, তখন প্রশ্ন জাগে—মাতৃত্ব কি সত্যিই এতটা ক্লান্ত, এতটা অসহায় হয়ে যেতে পারে?
বেগমগঞ্জের মিরওয়ারিশপুরে মাত্র ১৪ দিনের এক নবজাতক—যে পৃথিবীর আলো দেখেছিল কেবল ক’দিন আগে, যে নিজের ক্ষুধা আর অস্বস্তির ভাষা জানত শুধু কান্নায়—সেই শিশুকেই নাকি বৃষ্টির পানি রাখার প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।
অভিযোগ, শিশুটির কান্না ও ঘুমের ব্যাঘাতে বিরক্ত হয়ে মা এমন নির্মম সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
একজন মা হিসেবে খবরটি পড়তে গিয়ে বুকটা ভার হয়ে এলো।
একটি শিশু যখন কাঁদে, মা তো তার কান্নার কারণ খোঁজেন; তাকে নীরব করার জন্য বুকের কাছে টেনে নেন। সেই বুকের আশ্রয়ই কী করে তার কবর হয়ে যায়?
হয়তো সেই মায়ের ভেতরেও ছিল অসহায়ত্ব, ক্লান্তি কিংবা কোনো অদৃশ্য অন্ধকার—কিন্তু একটি নিষ্পাপ প্রাণের এভাবে ঝরে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।🥹

কিন্তু এই কান্না কি আমাদের বিবেককে জাগাবে?
#বেগমগঞ্জ #নোয়াখালী #নবজাতক #মাতৃত্ব #মানবিকতা #বিবেক

এই কঠিন কিন্তু সুন্দর দিনগুলোতে তোমার এই একটু একটু করে আগলে রাখাটা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। পরম ভালোবাসায় রান্না করা আজকের ...
11/08/2026

এই কঠিন কিন্তু সুন্দর দিনগুলোতে তোমার এই একটু একটু করে আগলে রাখাটা আমার সবচেয়ে বড় শক্তি। পরম ভালোবাসায় রান্না করা আজকের এই খাবারটা শুধু পেটের ক্ষুধা মেটায়নি, মনটাকেও শান্তিতে ভরিয়ে দিয়েছে। 🥰🍲ধন্যবাদ স্বামী জান এতো যত্ন করে দেশী মুরগীর পাতলা ঝোল রান্না করে আমাকে খাওয়ানোর জন্য😍😍

ছবিতে পলিথিন ভরা প্যাকেট দেখে মনে হতে পারে গরুর মাংশ। কিন্ত  ঐ টা হচ্ছে একটা আস্ত মা*নু*ষ। 🙂ঘটনা কুমিল্লার দেবিদ্বারের। ...
09/08/2026

ছবিতে পলিথিন ভরা প্যাকেট দেখে মনে হতে পারে গরুর মাংশ। কিন্ত ঐ টা হচ্ছে একটা আস্ত মা*নু*ষ। 🙂

ঘটনা কুমিল্লার দেবিদ্বারের। ৫০ বছর বয়সী গৃহবধূ ফরিদা ইয়াসমিনকে তার স্বামী ফোনে না পেয়ে ছোট মেয়েকে বাড়িতে পাঠান।
​মেয়ে বাড়িতে এসে মাকে খুঁজে না পেয়ে স্বজনদের খবর দেন। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ফরিদা ইয়াসমিনের বোনের ছেলে বাসার পেছনের অংশে পলিথিনে মোড়ানো বেশ কিছু সন্দেহজনক প্যাকেট দেখতে পান।
পরে পুলিশ এসে পলিথিনে মোড়ানো ৯টি প্যাকেট থেকে গৃহবধূর দে*: উদ্ধার করে। তবে ম* দে* র মা//থা ও পা এখনো উদ্ধার করা যায়নি।
​
​নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে এই ঘটনার পেছনে মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, ফরিদা ইয়াসমিনের শরীরে সবসময় স্বর্ণালংকার থাকতো। মূলত সেই স্বর্ণালংকার লুট করার লোভেই ঘাতকেরা তাকে হ** করেছে।
​এরপর যাতে ধরা না পড়তে হয়, সেজন্য ফরিদাকে টু**রো টু*রো করে পলিথিনে মুড়িয়ে গুম করার চেষ্টা চালানো হয়েছিলো।
​
​বাড়িতে একা থাকায় ফরিদা ইয়াসমিন সম্প্রতি লাইলি আক্তার নামে এক নারীকে ঘর ভাড়া দিয়েছিলেন। লা* উদ্ধারের পর স্থানীয় জনতা সন্দেহভাজন ভাড়াটিয়া লাইলিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে এই হ**কাণ্ডের কথা স্বীকার করে....🙂

কি যুগ আসলো রে ভাই...​মানুষের ওপর বিশ্বাস রাখা কতটা কঠিন হয়ে পড়ছে, এই ঘটনাটি তার একটি বড় উদাহরণ। যে নারী নতুন ভাড়াটিয়াকে আশ্রয় দিলেন, তাকেই লোভের বলি হতে হলো!!! মাত্র সামান্য কিছু স্বর্ণালংকারের লোভে একজন মানুষকে এভাবে........!🙂
ভাবলেই কেমন জানি শরীর শিউরে ওঠতেছে। মানবিক মূল্যবোধ আর নৈতিকতা কতটা নিচে নামলে মানুষ এত চরম পাশবিক হয়ে উঠতে পারে! হুম???

#কুমিল্লা

❤️মিরাজ❤️মাহিয়া❤️
02/08/2026

❤️মিরাজ❤️মাহিয়া❤️

এই দেশ কি কখনো বদলাবে? এই কিউট বাচ্চাটার দিকে তাকান। সে স্কুল থেকে বাসায় এসে দেখে, কে বা কারা তার আম্মুকে মে***রে ফেলেছে...
31/07/2026

এই দেশ কি কখনো বদলাবে? এই কিউট বাচ্চাটার দিকে তাকান। সে স্কুল থেকে বাসায় এসে দেখে, কে বা কারা তার আম্মুকে মে***রে ফেলেছে!

ওর মুখে ঘটনার বর্ণনা শুনে এবং ওর দিকে তাকিয়ে সত্যিই খুব খারাপ লাগছে।

সে স্কুলে গিয়েছিল। প্রতিদিন সম্ভবত তার আম্মুই তাকে স্কুল থেকে নিয়ে আসতেন। কিন্তু গতকাল তাকে আনতে স্কুলে যাননি। সে ভেবেছিল, হয়তো তার আম্মু ঘুমিয়ে আছেন। তাই সে নিজেই বাসায় চলে আসে।

বাসায় এসে দেখে, সব জিনিসপত্র উলটপালট হয়ে আছে। এরপর আম্মুর রুমে গিয়ে দেখে, তার আম্মুর মুখের ওপর একটি বালিশ চাপা দেওয়া। সে তার আম্মুর শরীরে হাত রেখে বুঝতে পারে, পুরো শরীর বরফের মতো ঠান্ডা।

এইটুকু একটি ছোট্ট মেয়ে নিজের চোখে এমন দৃশ্য দেখল! ভাবা যায়?

জানালার গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে ভদ্রমহিলাকে দুনিয়া থেকে বিদায় করে দেওয়া হয়েছে।

রামিসার কথা মনে আছে? সেই বিচার কি হয়েছে? হয়নি! ওই ব্যক্তি কি শাস্তি পেয়েছে? পায়নি!

এই দেশে যেন কোনো অপরাধেরই শাস্তি হয় না। তাই একের পর এক এমন ঘটনা ঘটেই চলেছে। অপরাধীরা শাস্তি না পাওয়ায় অপরাধের পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।

হাহ! দীর্ঘনিঃশ্বাস....

আবাসিক এলাকায় দিনদুপুরে এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেখা দিয়েছে নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা।

একজন স্থানীয় বলেন,
"আমার ওই ওয়াইফকে আমি ঘর থেকে বাইরে যেতে দিতে চাই না। এইরকম একটা ঘটনা ঘটেছে তাদের, সেই ভয়েই।"

আরেকজন বলেন,
"আমাদের পাশেই দক্ষিণখান থানা। এই জায়গায় যদি এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে আমরা কীভাবে নিরাপদ থাকব?"

আরেকজনের ভাষ্য,
"দিনদুপুরে যদি এভাবে খুন হয়, তাহলে মানুষ কীভাবে নিরাপদে বাসায় থাকবে?"

আরেকজন বলেন,
"আমাদের বাসায় তো বেশিরভাগ সময় মহিলারাই থাকে। তাহলে আমরা কীভাবে নিজেদের নিরাপদ মনে করব?"

দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। ঘটনাটি ঘটেছে
রাজধানী উত্তরা দক্ষিণ খান পুলিশ ফাঁড়ি জামতলা এলাকায়।

বাবাকে বাঁচাতে পারেনি তিনটি ওড়না, মেয়েকে বাঁচিয়ে চিরবিদায় নিলেন বাবাহাওরে ঘুরতে গিয়ে এমন এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যা শু...
28/07/2026

বাবাকে বাঁচাতে পারেনি তিনটি ওড়না, মেয়েকে বাঁচিয়ে চিরবিদায় নিলেন বাবা

হাওরে ঘুরতে গিয়ে এমন এক হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছে, যা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো দেশের মানুষকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ-মিঠামইন সীমান্তের হাসানপুর ব্রিজসংলগ্ন হাওরে গত শুক্রবার (২৪ জুলাই) পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলেন ঢাকায় কর্মরত ফিজিওথেরাপিস্ট মো. বাছির উদ্দিন মিলন। স্ত্রী, তিন মেয়ে এবং স্বজনদের নিয়ে আনন্দভ্রমণ মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকে।

গোসলের সময় হঠাৎ প্রবল স্রোতে তলিয়ে যেতে থাকে তাঁর মেয়ে সেমন্তী। এক মুহূর্ত দেরি করেননি বাবা। বারবার ধাক্কা দিয়ে মেয়েকে নিরাপদ জায়গায় তুলে দেন। কিন্তু নিজের আর ফিরে আসা হয়নি। তীব্র স্রোতে ভেসে গিয়ে পানিতে তলিয়ে যান তিনি। প্রায় এক ঘণ্টা পর স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সবচেয়ে হৃদয়বিদারক ছিল মেয়ের স্মৃতিচারণা।

“সাঁতার কাটার সময় আমায় ধাক্কা দিয়ে ঠিকই ওপরে তুলে দিল বাবা। কিন্তু চোখের সামনে বাবা পানিতে তলিয়ে গেল। আমরা তিনটি ওড়না বেঁধে বাবার দিকে ছুড়ে দিয়েছিলাম, কিন্তু স্রোতের কারণে বাবা ধরতে পারেননি। যদি জানতাম বাবা হারিয়ে যাবে, তাহলে কখনো পানিতে নামতাম না।”

আজ সেই বাবার কবরের পাশে গিয়ে দুই বছরের ছোট্ট মেয়ে সাইয়ারা বলে, “এখানে আমার বাবা শুয়ে আছে।” তারপর আবার শিশুসুলভ সরলতায় খেলতে চলে যায়। অথচ সে এখনো বুঝতেই পারেনি, তার বাবা আর কোনোদিন ফিরে আসবেন না।

নিহতের বাবা, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আবু বাক্কার জানান, হাওরে যাওয়ার আগে ছেলে তাঁকে ফোন করে বলেছিলেন, “বাবা, হাওরে বেড়াতে যাব, আপনিও কি যাবেন?” সেটিই ছিল বাবা-ছেলের শেষ কথা। শোকাহত এই বাবা বলেন, “পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী বোঝা হলো পিতার কাঁধে সন্তানের লাশ।”

বাছির উদ্দিনের স্ত্রী এখনও স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন না। বড় দুই মেয়ে প্রায় খাওয়াদাওয়া ছেড়ে দিয়েছে। এর মধ্যেই পরিবারের সামনে দাঁড়িয়েছে আরেকটি কঠিন বাস্তবতা। তিন মেয়ের লেখাপড়া, সংসারের খরচ এবং ব্যাংকের ঋণের বোঝা। পরিবার ও স্বজনরা সমাজের বিত্তবান মানুষ, প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কাছে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবারটির খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তার চেষ্টা করা হবে।

একজন বাবা নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন, সন্তানের জীবন বাঁচানোর কাছে নিজের জীবনও তুচ্ছ হয়ে যায়।

এই পরিবারের জন্য আপনার একটুখানি সহানুভূতি, দোয়া এবং সম্ভব হলে সহযোগিতাই হতে পারে তাদের নতুন করে বাঁচার শক্তি।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miraz Mahia posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Dhaka.