Shahabuddin Mahtab

Shahabuddin Mahtab ভরশা রাখুন, তিনি কাউকেই নিরাশ করেন না। বিপদে পড়লে বোঝা যায়!
(2)

25/08/2026

রাতের ঢাকা

যে দেশে পুরুষের ভুঁড়িই সৌন্দর্যের মাপকাঠি, মোটা হলেই মেলে নায়কের সম্মান!বিশ্বের অনেক সমাজে ছিপছিপে শরীরকে সৌন্দর্যের প্র...
25/08/2026

যে দেশে পুরুষের ভুঁড়িই সৌন্দর্যের মাপকাঠি, মোটা হলেই মেলে নায়কের সম্মান!

বিশ্বের অনেক সমাজে ছিপছিপে শরীরকে সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হলেও ইথিওপিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের ওমো ভ্যালির বোডি জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি একেবারেই ভিন্ন। সেখানে পুরুষের বড় ভুঁড়ি শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, বরং তা সম্পদ, মর্যাদা, শক্তি ও সামাজিক সম্মানের চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত হয়। এমনকি সবচেয়ে বড় ভুঁড়ির অধিকারী পুরুষকে দেওয়া হয় ‘ফ্যাট ম্যান অব দ্য ইয়ার’ বা বছরের সবচেয়ে মোটা পুরুষের সম্মান।

এই অদ্ভুত অথচ ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু ‘কা’ইল’ উৎসব। এটি বোডি জনগোষ্ঠীর নববর্ষ উদযাপনের সঙ্গে যুক্ত একটি বিশেষ আয়োজন। উৎসবের আগে কয়েক মাস ধরে অবিবাহিত তরুণ পুরুষদের ওজন বাড়ানোর প্রতিযোগিতা চলে। বিভিন্ন পরিবার থেকে একজন করে তরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য বেছে নেওয়া হয়।

ভুঁড়ি বাড়াতেই ছয় মাসের ‘সাধনা’ : -

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তরুণদের প্রায় তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত বিশেষ নিয়ম মেনে চলতে হয়। এ সময় তারা শারীরিক পরিশ্রম থেকে বিরত থাকেন এবং অনেক ক্ষেত্রে কুঁড়েঘরের বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ থাকে। যৌ/নসংযমও এই প্রস্তুতির অংশ। উদ্দেশ্য একটাই—যত দ্রুত সম্ভব শরীরে ওজন বাড়ানো।

ওজন বাড়ানোর প্রধান খাবার হিসেবে তাদের দেওয়া হয় গরুর দুধ ও রক্তের মিশ্রণ। বোডি জনগোষ্ঠীর কাছে গবাদিপশু অত্যন্ত মূল্যবান ও পবিত্র। তাই র'ক্ত সংগ্রহের সময় সাধারণত পশুটিকে হ/ত্যা করা হয় না; শিরায় ছোট ছিদ্র করে র'ক্ত নেওয়া হয় এবং পরে ক্ষতস্থান বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ফরাসি আলোকচিত্রী এরিক লাফর্গের নথিভুক্ত বর্ণনায় দেখা যায়, প্রতিযোগীদের দিনের বিভিন্ন সময়ে প্রচুর পরিমাণে দুধ ও রক্তের মিশ্রণ পান করতে হয়। অতিরিক্ত তরল দ্রুত পান করা অনেকের জন্য অত্যন্ত ক'ষ্ট'ক'র হয়ে ওঠে; কেউ কেউ তা সহ্য করতে না পেরে বমিও করেন।

যত বড় ভুঁড়ি, তত বেশি সম্মান

মাসের পর মাস এই বিশেষ খাদ্যাভ্যাস ও বিশ্রামের পর আসে কাঙ্ক্ষিত উৎসবের দিন। প্রতিযোগীরা শরীরে কাদা ও ছাই মেখে বিশেষ সাজে জনসমক্ষে হাজির হন। এরপর তাদের বড় হয়ে ওঠা শরীর ও পেট প্রদর্শন করে নির্দিষ্ট আনুষ্ঠানিকতায় অংশ নিতে হয়।

অনুষ্ঠানের সময় তারা একটি পবিত্র গাছকে ঘিরে হাঁটেন এবং প্রবীণরা তাদের শারীরিক গঠন পর্যবেক্ষণ করেন। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেক প্রতিযোগীর হাঁটাচলাই ক'ঠি'ন হয়ে পড়ে। স্থানীয় নারীরা তাদের ঘাম মুছিয়ে দেন এবং প্রয়োজনীয় পানীয় দিয়ে সহযোগিতা করেন।

শেষ পর্যন্ত যে প্রতিযোগীর পেট বা শরীরের আকার সবচেয়ে বড় বলে বিবেচিত হয়, তাকেই বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। এই বিজয়ের সঙ্গে সাধারণত বড় কোনো আর্থিক পুরস্কার জড়িত থাকে না। কিন্তু সামাজিক সম্মানটাই এখানে সবচেয়ে বড় অর্জন। বিজয়ী পুরুষ দীর্ঘদিনের জন্য গোত্রের নায়ক হিসেবে পরিচিতি পান এবং বিয়ের ক্ষেত্রেও বাড়তি সামাজিক মর্যাদা অর্জন করেন।

আজব মনে হলেও এর পেছনে আছে সামাজিক বিশ্বাস

বাইরের পৃথিবীর কাছে এই প্রতিযোগিতা যতই বিস্ময়কর মনে হোক, বোডি সমাজে এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে তাদের নিজস্ব জীবনধারা ও মূল্যবোধ। গবাদিপশু তাদের অর্থনীতি ও সামাজিক মর্যাদার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। ফলে বড় শরীরকে সেখানে সমৃদ্ধি ও সামর্থ্যের প্রতীক হিসেবে দেখার ঐতিহ্য তৈরি হয়েছে।

আর এখানেই আধুনিক বিশ্বের সৌন্দর্যবোধের সঙ্গে বোডি সংস্কৃতির বিস্ময়কর পার্থক্য। যেখানে বিশ্বের বহু জায়গায় মানুষ ভুঁড়ি কমাতে জিম, ডায়েট ও নানা পদ্ধতির আশ্রয় নেন, সেখানে বোডি সমাজের তরুণরা ঠিক উল্টো পথে হাঁটেন—ভুঁড়ি যত বড়, সম্মানও যেন তত বেশি!

উৎসব শেষ, আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরা

কা’ইল উৎসব শেষ হওয়ার পর প্রতিযোগীরা আবার স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যান। দক্ষিণ ইথিওপিয়ার এই জনগোষ্ঠী মূলত পশুপালন ও কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। উৎসবের জন্য বাড়ানো অতিরিক্ত ওজনও অনেক ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে কমে যায়।

তবে এই ঐতিহ্য আধুনিকতার চাপে পরিবর্তনের মুখে পড়ছে। ভূমি ব্যবহার, পুনর্বাসন, নগরায়ণ ও তরুণদের অন্যত্র চলে যাওয়ার মতো নানা কারণে বোডি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা ধীরে ধীরে বদলে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

অর্থাৎ, যে ভুঁড়ি একসময় শুধু শরীরের অতিরিক্ত মেদ হিসেবে দেখা যেতে পারে, বোডি সমাজে সেটিই হয়ে ওঠে সম্মান, সৌন্দর্য ও সামাজিক সাফল্যের প্রতীক। পৃথিবীর সৌন্দর্যের সংজ্ঞা যে এক নয়—ইথিওপিয়ার এই ছোট জনগোষ্ঠীর ‘কা’ইল’ উৎসব তারই এক বিস্ময়কর উদাহরণ।

তথ্যসূত্র: আরটিভি

#ইথিওপিয়া

24/08/2026
বিয়ে বাড়ী। চারিদিকে জমকালো সাজ্বসজ্জা।বিশাল খানা-দানার আয়োজন।পাশের বাড়ীর নেড়ী কুকুরটা তার আদরের দুই বাচচাকে নিয়ে মাঝে মা...
24/08/2026

বিয়ে বাড়ী।
চারিদিকে জমকালো সাজ্বসজ্জা।
বিশাল খানা-দানার আয়োজন।

পাশের বাড়ীর নেড়ী কুকুরটা তার আদরের দুই বাচচাকে নিয়ে মাঝে মাঝে ও বাড়ীতে যাচ্ছে আর সামান্য যা কিছু পাচ্ছে ছোট ছেলে-মেয়েদের ইটের আঘাত বা লাঠির বাড়ী হজম করে পেটে ঢুকাচ্ছে। আবার এসে নিজ অভিভাবকের বাড়ীর আম গাছের নীচে শুয়ে একটু ক্লান্তি দুর করছে। অপেক্ষায় আছে কখন খাওয়া দাওয়া শুরু হয়।

দুপুরে যথাসময়ে বাড়ী ভর্তি হয়ে গেল মেহমানে। খাবার পালা শুরু হয়ে গেল। এসব দেখে কুকুরের বাচ্চা দুটো বারবার তার মাকে বলতে লাগল, ওমা চল না ও বাড়ীতে। মার ক্লান্তিটা কাটছিল না। এই যাচ্ছি-যাব বলে সময় পার করছিল। কিন্তু বাচ্চা দুটোর আর দেরি সহ্য হল না। তারা রওনা হল। বেচারী মা কুকুরটা বাধ্য হয়ে পিছু পিছু ছুটল। আদরের সন্তানদের নিরাপদে আগলে রাখার জন্য।

হরেক রকম রাজকীয় খাবার, মনমাতানো লোভনীয় সুগন্ধ। যে যতটুকু পারে সে তারচেয়ে বেশী নিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করছে। কেউ খাচ্চে, কেউবা আবার নষ্ট করছে। নষ্ট খাবার একটু দুরে নিয়ে কাজের লোকরা ফেলে আসছে। আশে পাশের অনেক গুলো স্ব-জাতী ইতিমধ্যে সেখানে হাজির হয়েছে। তাদের সাথে কামড়াকামড়ি করে ভাগ করে খাবার গুলো খাওয়া শুরু করল।

বাচ্চাদুটোর কিছুক্ষনের মধ্যে পেট ভরে গেল। সাধ্যের চেয়ে একটু বেশী খেয়েছে তারা। এখন তাদের বিশ্রাম দরকার। বারবার মাকে বলছে , মাগো চল যাই। কিন্তু মা কুকুরটার পেট ভরলে ও চোখ ভরে নি।

সে সামন্য খাচ্ছে আর ঘুরছে। তার চিন্তা সব সময় এত ভাল খাবার পাওয়া যায় না। তাছাড়া বাচ্চাদের দুধ খাওয়াতে গেলে তার আবার তাড়াতাড়ী ক্ষুধা লেগে যাবে।

কিছুক্ষনের মধ্যে বিয়ে বাড়ীর খাওয়া পর্ব শেষ। এত গুলো কুকুরের ভীড়ে আশে পাশে আর খাবার খুজে পাচ্ছেনা। বাচ্চা গুলো আবার ও বলছে , মাগো চল যাই। মা কুকুরটা সেই আগের মতই বলল, চল এইতো যাই।

মা কুকুরটা তারপর ও এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাধ্যহয়ে বাচ্চা দুটো মাকে রেখেই বাড়ীর পথে রওনা দিল। আম গাছের নীচে এসে মনের আনন্দে বিশ্রাম নিচ্ছে।

কিছুক্ষন বাদে দেখল তাদের মা ডান পা বুকের কাছে ভাজ করে তিন পায়ে ভর দিয়ে অনেক কষ্ট করে খুড়িয়ে খুড়িয়ে আসছে।

বাচচা দুটো উঠে বসল। মা কাছে আসলে দেখল মায়ের পা ভেংগে গেছে। দুচোখ দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। ব্যাথাতে কাতর। বাচ্চা দুটো মায়ের কষ্ট দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারল না।

কান্নাভরা কন্ঠে মাকে বলল, কি করে এমন হল মা?

মা প্রথমে বলতে চাইনি।

কিন্তু বাচ্চাদের পিড়াপীড়ি তে বলল, ঘুরতে ঘুরতে রান্নার পাতিলের নিকট চলে গেছি, অনেক খাবার দেখে লোভটা সামলাতে পারলাম না। এদিক ওদিক চেয়ে কাউকে দেখতে না পেয়ে পাতিলের মধ্যে মুখ দিয়ে খাওয়া শুরু করি। আচমকা কোথা থেকে একলোক এসে হাতের মুগুর লাঠি দিয়ে পায়ে আঘাত করল।

বাচ্চা দুটো সব শুনে বলল, মা তোমাকে না আমরা কতবার ডাকলাম, তুমিতো আসলে না। সময় মত আসলে এতবড় আঘাতটা পেতেনা।

মা চুপ করে রইল। ব্যাথায় ছটফট করতে লাগল। মনে মনে বলল, আমার পাওনা টা না নিয়ে আমি আসি কিভাবে? বাচ্চা দুটো আবার বলল, মা তুমি কেন লোক টিকে কামড়ে দিলে না? মা কুকুরটা তখন ও নিঃচুপ!

24/08/2026

24/08/2026

পড়ন্ত বিকেলে শৈশবের সেই পুরনো স্মৃতিগুলি

একজন বাবা নিজের সন্তানের জন্য কত দূর যেতে পারেন, তার এক আবেগঘন উদাহরণ তৈরি করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার ব্রেট ইয়ান্স...
24/08/2026

একজন বাবা নিজের সন্তানের জন্য কত দূর যেতে পারেন, তার এক আবেগঘন উদাহরণ তৈরি করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার ব্রেট ইয়ান্সি।

সাবেক ফুটবল কোচ ব্রেট ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে লড়ছিলেন চতুর্থ ধাপের খাদ্যনালির ক্যা/সা/রে/র সঙ্গে। দীর্ঘ চিকিৎসা আর অ'সু'স্থ'তার মধ্যে এক খিঁচুনির পর তার একটি পা আংশিকভাবে অ'ব'শ হয়ে যায়।

এমনকি দাঁড়িয়ে থাকাও তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

কিন্তু যখন মেয়ে সারা কেটের হোমকামিং অনুষ্ঠানের দিন আসে, তখন ব্রেট একটি সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি হুইলচেয়ার নেবেন না। গলফ কার্টেও মাঠ পার হবেন না।

তার একটাই ইচ্ছা-নিজের পায়ে হেঁটে মেয়েকে মাঠ পার করে নিয়ে যাবেন!
২০২৩ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর সেই মুহূর্ত আসে।

এক হাতে অক্সিজেন ট্যাংক, অন্য পাশে মেয়ের সহায়তা নিয়ে ধীরে ধীরে ফুটবল মাঠের প্রায় ৫০ গজ পথ হাঁটেন ব্রেট।

প্রতিটি পদক্ষেপ বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল একজন বাবার ভালোবাসার প্রমাণ।

শেষ পর্যন্ত তিনি মেয়ের পাশে দাঁড়িয়েই দেখেন, সারা কেট নির্বাচিত হয়েছেন হোমকামিং কুইন হিসেবে।

সেদিন মাঠের মানুষ শুধু একটি অনুষ্ঠান দেখেনি।

তারা দেখেছিল একজন অ'সুস্থ মানুষের জেদ, একজন বাবার প্রতিশ্রুতি এবং সন্তানের জন্য ভালোবাসার শক্তি।

কারণ কখনো কখনো সবচেয়ে বড় জয় কোনো ট্রফি নয়। সবচেয়ে বড় জয় হলো-প্রিয় মানুষের পাশে থাকার জন্য শেষ শক্তিটুকু দিয়ে চেষ্টা করা।

প্রাইভেট কারে করে ছাগল চু'রি, ধরা পড়লেন তিন ‘ভিআইপি’ চো'র!ছাগল চু'রি করতে গিয়ে এবার চো'র'দে'র কাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, চো'র...
23/08/2026

প্রাইভেট কারে করে ছাগল চু'রি, ধরা পড়লেন তিন ‘ভিআইপি’ চো'র!

ছাগল চু'রি করতে গিয়ে এবার চো'র'দে'র কাণ্ড দেখে মনে হচ্ছে, চো'রে'র'ও স্টাইল আছে!

সাইকেল, ভ্যান কিংবা মোটরসাইকেল নয়, একেবারে প্রাইভেট কারে করে ছাগল চু'রি! ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে এমন অভিনব কাণ্ড ঘটাতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধ'রা পড়েছেন তিনজন।

কুশনা ইউনিয়নের ইকড়া মাঝেরপাড়া গ্রামে প্রথমে একটি ছাগল গাড়িতে তোলা হয়। এরপর দ্বিতীয় ছাগলটিকে গাড়িতে তোলার সময় স্থানীয়দের চোখে পড়ে পুরো ঘটনা। ব্যস, এরপর আর গাড়ি নিয়ে পা'লা'নো'র সুযোগ হয়নি।

স্থানীয়রা গাড়িটির গতিরোধ করে তিনজনকে আ'ট'কে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে তাদের আ'ট'ক করে এবং ছাগলসহ প্রাইভেট কারটি জব্দ করে।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ

পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই চু'রি'র কথা স্বীকার করেছেন।

তবে প্রশ্ন হলো, ছাগল চু'রি করতে গিয়ে এত আয়োজন করে প্রাইভেট কার কেন?

সম্ভবত তাদের পরিকল্পনা ছিল, “চু'রি হবে বড়লোকি স্টাইলে, ধরা পড়লেও খবর হবে বড় করে!”

শেষ পর্যন্ত ছাগল গেল পুলিশের হেফাজতে, গাড়ি গেল জব্দ হয়ে, আর তিন ‘ছাগলপ্রেমী’ গেলেন থানায়!

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যু/দ্ধে যেসব বীর ও সাহসী নারী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম জিনাতুন নেসা তালুকদার...
23/08/2026

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যু/দ্ধে যেসব বীর ও সাহসী নারী গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম জিনাতুন নেসা তালুকদার। ১৯৪৭ সালের ৯ জুলাই রাজশাহী শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর পিতা মৌলভী পারভেজ আলী মিয়া ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী।

১৯৬৩ সালে রাজশাহীর পিএন সরকারি বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন জিনাতুন নেসা। এরপর কলেজে ভর্তি হন। কলেজ জীবন থেকেই সরাসরি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন তিনি। তখন সারাদেশে আইয়ুববি/রো/ধী আ/ন্দোলন চলছিল। জিনাতুন নেসাও সেই আ/ন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন। ১৯৬৯ সালের গণঅ'ভ্যু'ত্থা'নেও সক্রিয়ভাবে কাজ করেন তিনি।

১৯৭১ সালের অ'সহযোগ আন্দোলনের উ'ত্তা'ল দিনগুলোতে তাঁর ভূমিকার কারণে সরকারের খাতায় রাষ্ট্রবি/রো/ধী কার্যকলাপের জন্য চিহ্নিত হন জিনাতুন নেসা। এরপর মুক্তিযু/দ্ধ শুরু হলে দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে সরাসরি মুক্তিসং/গ্রামে ঝাঁ'পিয়ে পড়েন তিনি।

মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে ভারতে গিয়ে সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মহেন্দ্র রায় লেনের বিখ্যাত গোবরা ক্যাম্পে কাজ শুরু করেন জিনাতুন নেসা। সেখানে তিনি অ/স্ত্র পরিচালনা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়ার প্রশিক্ষণ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁকে ৭ নম্বর সেক্টরের সাব-সেক্টর ৪-এর অধীনে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আ'হ'ত মুক্তিযো/দ্ধা/দের সেবা করার পাশাপাশি প্রয়োজনে সরাসরি যু/দ্ধক্ষেত্রে ভূমিকা রাখার জন্যও তাঁকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মুক্তিযু/দ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এক সাক্ষাৎকারে জিনাতুন নেসা বলেন, মধ্যরাতে তাঁদের বাড়ির সামনে দিয়ে পাকিস্তানি সৈন্যদের গাড়ি যেতে দেখেছিলেন তিনি। বাড়ির দরজার সামনে দুইবার পাকিস্তানি সে/নাদের গাড়ি থামলেও আল্লাহর বিশেষ দয়ায় তারা আর ভেতরে প্রবেশ করেনি।

পরদিন একজন মুক্তিযো/দ্ধা/র অনুরোধে স্বামী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ হিল বাকীকে নিয়ে রাজশাহী শহরের হেতেমখা পাড়ায় মায়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন জিনাতুন নেসা। সেখান থেকে নওদাপাড়ায় যাওয়ার সময় পাকিস্তানি সৈ/ন্যরা তাঁদের ব্যাগ তল্লাশি করে। সেখানে গিয়ে তাঁরা জানতে পারেন, তাঁদের দুজনের নামেই হু/লি'য়া রয়েছে।

এরপর তাঁরা চব্বিশনগর গ্রামে স্বাধীনতার পক্ষের মানুষদের সহযোগিতা করতে থাকেন। ১৭ এপ্রিল তাঁর স্বামী সীমান্ত পার হয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের গোরা বাজারে অবস্থান নিয়ে মুক্তিযু/দ্ধকে সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন। আর মে মাসে দুইজন মুক্তিযো/দ্ধার সঙ্গে সীমান্ত পেরিয়ে বহরমপুরে পৌঁছান জিনাতুন নেসা।

বহরমপুরে গিয়ে মুর্শিদাবাদ হাসপাতালে আহত মুক্তিযো/দ্ধাদের সেবা-শুশ্রূষার পাশাপাশি মুক্তিযো/দ্ধাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন কাজে যুক্ত হন তিনি।

দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযু/দ্ধ চলাকালে নানা প্রতিকূল অবস্থার মুখোমুখি হন জিনাতুন নেসা। তাঁর সামনে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার কথাও তিনি তুলে ধরেছেন।

স্বাধীনতা অর্জনের পরও দেশ ও সমাজসেবার কাজ চালিয়ে যান জিনাতুন নেসা। ১৯৭৭ সালে নওহাটা ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপনা শুরু করেন। একইসঙ্গে রাজনীতি ও সমাজ গড়ার কাজও চালিয়ে যেতে থাকেন তিনি।

১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই সংরক্ষিত মহিলা আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন জিনাতুন নেসা। ১৯৯৭ সাল থেকে দায়িত্ব পালন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের উপমন্ত্রী হিসেবে।

সূত্র : ডয়েচে ভেলে

#মুক্তিযুদ্ধ #জিনাতুননেসা

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahabuddin Mahtab posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Shahabuddin Mahtab:

Shortcuts

Share