Prokriti O Jibon Foundation

Prokriti O Jibon Foundation Devoted to the conservation of biodiversity, nature, and ensuring sustainable development through research and awareness activities.

Motto: Better Life in Balanced Nature
সুন্দর প্রকৃতিতে গড়ি সুস্থ জীবন 'Prokriti O Jibon Foundation' (Nature and Life Foundation) is an organization devoted to conservation of biological diversity and sustainable development. The foundation established in December, 2009. The policy, goal, objectives and activities of the foundation are circled around the vision and mission of UN Convention on Biological Diversity (CBD) and the National Biodiversity Strategy and Action Plan (NBSAP) of Bangladesh. One of the prime activities of the foundation is to produce and telecast Prokriti O Jibon television series for building mass awareness on richness of biodiversity in Bangladesh, People’s dependency on natural and biological resources and the urgent needs for conservation of the biological resources for sound environment and ecosystems that give the key basis for human society, our economy and development.

01/09/2026

স্ত্রী ও পুরুষ পাখি দেখতে একই রকম! ছোট বসন্তবৌরি পাখি নিয়ে আরও তথ্য দেখুন ভিডিওতে......

বাংলাদেশ আর বিশ্বের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বন্যপ্রাণীর জানা অজানা সব গল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরতে ‘প্রকৃতি ও জীবন’ টিম ছুট...
01/09/2026

বাংলাদেশ আর বিশ্বের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বন্যপ্রাণীর জানা অজানা সব গল্প আপনাদের সামনে তুলে ধরতে ‘প্রকৃতি ও জীবন’ টিম ছুটে চলেছে অবিরাম। সবুজের টানে ও প্রকৃতির গভীর রহস্যের সন্ধানে আমাদের পথচলা কখনোই থেমে থাকে না।
সেই অকৃত্রিম টানেই এবার আমাদের টিম পৌঁছে গেছে অপার রূপের আঁধার লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে। ঘন অরণ্যে ঘেরা এই বনের বুক চিরে ক্যামেরার চোখে আমরা বন্দি করেছি প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের গল্প যা খুব শিগগিরই দেখতে পাবেন চ্যানেল আইয়ের পর্দায়।
পরবর্তীতে কোথায় দেখতে চান প্রকৃতি ও জীবন টিমকে?
কমেন্ট করে আমাদের জানিয়ে দিন!

ECO-ANXIETY- তরুণদের উপর জলবায়ু সংকটজনিত মানসিক চাপ জলবায়ু সংকটের প্রভাব সর্বত্র। শুধুমাত্র পরিবেশগত না, এর কারণে দিন দি...
01/09/2026

ECO-ANXIETY- তরুণদের উপর জলবায়ু সংকটজনিত মানসিক চাপ
জলবায়ু সংকটের প্রভাব সর্বত্র। শুধুমাত্র পরিবেশগত না, এর কারণে দিন দিন তরুণ প্রজন্মের মানসিক চাপ বাড়ছে। চলুন জেনে আসি ECO-ANXIETY সম্পর্কে…
জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব, পৃথিবীর ক্ষতি আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে মনে তৈরি হওয়া তীব্র দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপই হলো ইকো-অ্যাংজাইটি।
যারা প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্য দিয়ে যান, ঘরবাড়ি বা সম্পদ হারান কিংবা বাস্তুচ্যুত হন, তাদের মধ্যে এই ভয় বা ট্রমা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকা, দরিদ্র জনগোষ্ঠী এবং যাদের জীবিকা প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল, তাদের মানসিক চাপ সবচেয়ে বেশি।
দুর্যোগ না দেখেও কি এই ভয় হতে পারে? হ্যাঁ, সরাসরি ভুক্তভোগী না হয়েও এই দুশ্চিন্তা হতে পারে। টিভি বা সোশ্যাল মিডিয়াতে নিয়মিত পরিবেশ বিপর্যয় আর একের পর এক প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবর দেখতে দেখতে অনেকের মনে অজান্তেই ভয় ও মানসিক অবসাদে ভোগেন।
তাহলে সমাধান কী? মনের ভয় চেপে না রেখে নিজের অনুভূতি নিয়ে কাছের মানুষদের সাথে কথা বলুন। সেই সাথে ছোট ছোট পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষায় যুক্ত থাকা মানসিক ভয় কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
জলবায়ু সংকট নিয়ে আপনার ভাবনা কী? কমেন্টে জানাতে পারেন আমাদের।

31/08/2026

মাত্রাতিরিক্ত পর্যটনের কারণে কী ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে টাঙ্গুয়ার হাওর?
দেখুন আমাদের পডকাস্টে।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে প্রকৃতি সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবিগঞ্জের বাহুবলে অবস্থিত পুটিজুরী শ...
31/08/2026

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে প্রকৃতি সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবিগঞ্জের বাহুবলে অবস্থিত পুটিজুরী শরৎ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের নিয়মিত উদ্যোগ ‘সবুজে সাজাই বাংলাদেশ’ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। এই আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেছে দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট।
উক্ত কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের সম্মানিত চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে পরিবেশ সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন এবং প্রকৃতির সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার অনুপ্রেরণা দেন। এ দিন বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রোপণ করা হয় নানা প্রজাতির দেশীয় ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা। সেই সাথে শিক্ষার্থীদের মাঝেও দেশীয় গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
পরিবেশ সম্পর্কে তরুণ প্রজন্ম সচেতন হলেই সুরক্ষিত থাকবে আমাদের পৃথিবী।

আমাদের নিয়মিত কুইজে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।সারা মাসের সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে ন...
31/08/2026

আমাদের নিয়মিত কুইজে অংশগ্রহণ করার জন্য আপনাদের সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
সারা মাসের সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত এই মাসের ভাগ্যবান বিজয়ী হলেন-
Esha Jenifar

আপনাকে অভিনন্দন। আপনার পুরস্কারটি নিশ্চিত করতে দ্রুত আমাদের ফেসবুক পেইজের ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

আপনি কি জানেন?পৃথিবীরও আছে নিরাপদ সীমানা। যাকে বলা হয় 'প্ল্যানেটারি বাউন্ডারিজ'। চলুন জেনে আসি বিস্তারিত... পৃথিবীতে মান...
31/08/2026

আপনি কি জানেন?
পৃথিবীরও আছে নিরাপদ সীমানা। যাকে বলা হয় 'প্ল্যানেটারি বাউন্ডারিজ'।
চলুন জেনে আসি বিস্তারিত...

পৃথিবীতে মানুষের নিরাপদে বেঁচে থাকার জন্য কিছু নির্দিষ্ট সীমা রয়েছে। ২০০৯ সালে স্টকহোম রেজিলিয়েন্স সেন্টারের বিজ্ঞানী জোহান রকস্ট্রম ও তার গবেষক দল প্রথম এই ‘প্ল্যানেটারি বাউন্ডারিজ’ (Planetary Boundaries) বা গ্রহসীমার ধারণাটি প্রস্তাব করেন।

পৃথিবীর স্থিতিশীলতার জন্য চিহ্নিত ৯টি মূল সীমা হলো-

• জলবায়ু পরিবর্তন: কার্বন ডাই-অক্সাইডের ঘনত্ব ও বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার।
• জীবমন্ডলের অখণ্ডতা: জীববৈচিত্র্য, প্রজাতি বিলুপ্তির হার ও বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য।
• ভূমি ব্যবস্থার পরিবর্তন: বনভূমি উজাড় করে নগরায়ণ ও কৃষিকাজ।
• স্বাদু পানির ব্যবহার: নদী, হ্রদ ও ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন।
• জৈব-রাসায়নিক প্রবাহ: কৃত্রিম সারের অতিরিক্ত নাইট্রোজেন ও ফসফরাস ব্যবহার।
• নতুন রাসায়নিক উপাদান: প্লাস্টিক, কীটনাশক ও শিল্পজাত রাসায়নিক দূষণ।
• সমুদ্রের অম্লীকরণ: অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণের কারণে সাগরের অম্লতা বৃদ্ধি।
• ওজোন স্তর ক্ষয়: বায়ুমণ্ডলের সুরক্ষাবলয় রক্ষা করা।
• বায়ুমণ্ডলীয় অ্যারোসল কণা: বায়ুদূষণ ও বৃষ্টিপাতের স্বাভাবিক গতিপথ।

তবে বর্তমানে উদ্বেগের কারণ হলো 'Planetary Health Check 2025' প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯টি সীমার মধ্যে ইতিমধ্যে ৭টি সীমানা বিপদসীমা পার করে গেছে। ২০২৫ সালে সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে সমুদ্রের অম্লীকরণ। বর্তমানে ওজোন স্তর ক্ষয় ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যারোসল কণা—এই দুটি সীমা নিরাপদ অবস্থায় আছে। কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিরাপদ সীমা ৩৫০ পিপিএম (ppm) হলেও ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪২৩ পিপিএম-এ।

এই নয়টি সীমা একটির সঙ্গে অন্যটি গভীরভাবে সম্পর্কিত। একটির ভারসাম্য নষ্ট হলে অন্যগুলোর ওপর প্রভাব পড়ে। বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি পানিসম্পদে অক্সিজেনের ঘাটতিকে ‘দশম সীমা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করারও প্রস্তাব দিয়েছেন।

পৃথিবী অসীম নয়। আমাদের সকলেরই উচিৎ এই নয়টি ‘প্ল্যানেটারি বাউন্ডারিজ’ কে বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশ ও প্রকৃতির প্রতি আরও সহনশীল থাকা।

(তথ্যসূত্র: স্টকহোম রেজিলিয়েন্স সেন্টার ও পটসড্যাম ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট ইম্প্যাক্ট রিসার্চ-এর ২০২৫ প্রতিবেদন)

30/08/2026

গাছের উঁচু ডালে ‘টুক টুক’ মিষ্টি সুরে ডাক দেওয়া পাখিটিকে চেনেন? দেখুন ভিডিওতে...

“বিলাসিতা মানেই প্রকৃতির ক্ষতি” এই প্রচলিত ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে ‘দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট’। প্রায় ১৫০ একর পাহাড়ি ...
30/08/2026

“বিলাসিতা মানেই প্রকৃতির ক্ষতি” এই প্রচলিত ধারণা ভুল প্রমাণ করেছে ‘দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট’। প্রায় ১৫০ একর পাহাড়ি ভূমিতে গড়ে ওঠা এই রিসোর্টে ৩০ হাজারের বেশি গাছ ও রাবার বাগান সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রাখা হয়েছে।
বৃক্ষরোপন অভিযানের ধারাবাহিক অংশ হিসেবে সম্প্রতি রিসোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় এক বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্টের আমন্ত্রণে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৃতিবন্ধু ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মুকিত মজুমদার বাবু।

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এধরণের উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

আমরা প্রতিদিন আমাদের চারপাশে যেসব গাছপালা ও সবুজ বনভূমি দেখি, ডাঙায় তাদের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় ৩৭ কোটি ...
30/08/2026

আমরা প্রতিদিন আমাদের চারপাশে যেসব গাছপালা ও সবুজ বনভূমি দেখি, ডাঙায় তাদের প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল আজ থেকে প্রায় ৩৭ কোটি (370 Million) বছর আগে। কিন্তু সমুদ্রের শক্তিশালী ও দক্ষ শিকারী হাঙরের আগমন ঘটেছিল তারও অনেক আগে! জীবাশ্মবিদদের মতে, পৃথিবীতে প্রথম হাঙরের আবির্ভাব ঘটে প্রায় ৪৫ কোটি (450 Million) বছর পূর্বে। অর্থাৎ, প্রথম গাছটি পৃথিবীতে জন্মানোর প্রায় ৮ কোটি বছর আগেই সমুদ্রে ভেসে বেড়াত হাঙর!
হাঙরের এই প্রাচীন অস্তিত্বের বিষয়টি শুধু গাছের সাথেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে রয়েছে আরও কিছু অবিশ্বাস্য তথ্য:
• ডাইনোসরদের পূর্বসূরি: বিশালাকৃতির ডাইনোসররা পৃথিবীতে আসার বহু আগেই হাঙর সমুদ্র শাসন করতে শুরু করেছিল।
• শনি গ্রহের বলয়ের চেয়েও পুরোনো: মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে, শনি গ্রহের বিখ্যাত বরফ ও পাথরের তৈরি বলয় (Saturn's Rings) গঠিত হয়েছিল মাত্র ১ থেকে ১০ কোটি বছর আগে। অর্থাৎ, শনির বলয় তৈরির অনেক আগেই পৃথিবীতে হাঙরের জন্ম হয়ে গেছে!
• মহাপ্রলয়জয়ী প্রাণী: কোটি কোটি বছরের ইতিহাসে পৃথিবীতে মোট ৫টি বড় ধরনের বিলুপ্তি বা প্রলয় (Mass Extinction) ঘটেছে, যা ডাইনোসরসহ বহু প্রজাতিকে মুছে দিয়েছে। কিন্তু হাঙর সবকটি সংকট জয় করে আজও টিকে রয়েছে।
প্রকৃতির প্রতিটি সৃষ্টিই এমন শত শত বিস্ময় আর রহস্য ধারণ করে আছে। কোটি কোটি বছরের বিবর্তন পেরিয়ে আসা এসব অদ্ভুত সুন্দর জীববৈচিত্র্যকে গভীরভাবে জানা এবং এদের টিকিয়ে রাখা আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব।

তথ্যসূত্র: Natural History Museum-How old are sharks?, National Park Service (NPS)-Evolution of Land Plants, NASA-Saturn's Rings are Young and Dwindling (Cassini Data), Smithsonian Ocean-Sharks Evolution & Ocean Life, PBS Nature-How Sharks Survived Mass Extinction Events

Address

Evergreen Plaza (4th Floor), 260/B, Tejgaon I/A
Dhaka
1208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prokriti O Jibon Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Prokriti O Jibon Foundation:

Shortcuts

Share

Category