Islamic Digital Media

Islamic Digital Media Islamic Digital Media in Bangladesh

24/07/2026

দাফউল মুদ্বির’ (শত্রু ও জিনের আক্রমণ থেকে সুরক্ষার প্রাচীন কেল্লা)
প্রাচীন আধ্যাত্মিক কিতাবে এই আমলটিকে "حصن حصين" বা 'দুর্ভেদ্য দুর্গ' বলা হয়েছে। যখন কোনো ব্যক্তি তীব্র আক্রমণ বা জিনের কারণে প্রাণনাশের ঝুঁকিতে থাকে, তখন এটি ব্যবহৃত হয়।

পদ্ধতি: গভীর রাতে (তাহাজ্জুদের পর) ওজু অবস্থায় কিবলামুখী হয়ে বসবেন। এরপর নিচের আয়াতটি ১১১ বার পাঠ করবেন:
فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللَّهُ ۚ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
(অতএব তাদের মোকাবেলায় আল্লাহই আপনার জন্য যথেষ্ট। আর তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ। — সূরা বাকারা: ১৩৭)
ব্যবহার: পাঠ শেষে নিজের বুকে ফুঁ দেবেন এবং ডান হাতের শাহাদাত আঙুল দিয়ে নিজের চারপাশে গোল করে একটি কাল্পনিক বৃত্ত বা রেখা টানবেন (একে প্রাচীন পরিভাষায় 'হিসার' বা আধ্যাত্মিক প্রাচীর বলা হয়)।

কার্যকারিতা: প্রাচীন যুগের ওলামাদের মতে, এই আমলকারীর ওপর ওই রাতে কোনো জিন, শয়তান বা জাদুকর আক্রমণ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

আপনাদের প্রতি আমার একটাই আবেদন আপনারা বেশি বেশি লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন যাতে করে অন্য ভাইয়েরা আমলগুলো দেখতে পারে।
যারা উপকৃত হচ্ছেন আলহামদুলিল্লাহ অন্যরাও যেন উপকৃত হয় এই সওয়াবের সদকায় আপনারাও শামিল হন।

#আজহারী #জিকির #রূকাইয়াহ #স্বপ্ন #বিচ্ছেদ #বশীকরণ #অশান্তি #আমল #জাদু #রুকাইয়া #তাবিজ #চিকিৎসা #বদনজর #ফাজায়েলেআমাল #হজরতমুহাম্মাদসাঃ #ইসলামিক #জিন #তদবীর #জিনাত #জিন্দা

আল্লামা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (রহ.)আমরা অনেকেই তার নাম বইয়ের কভারে পড়েছি। বিশেষ করে "এখন যৌবন যার" বইটিতে। আজ বিশ্ববরেণ...
24/07/2026

আল্লামা জুলফিকার আহমদ নকশবন্দী (রহ.)
আমরা অনেকেই তার নাম বইয়ের কভারে পড়েছি। বিশেষ করে "এখন যৌবন যার" বইটিতে।
আজ বিশ্ববরেণ্য এই মহান আধ্যাত্মিক সাধক এবং সুগভীর ইলমী যোগ্যতা নিয়ে কিছু দারুণ কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করব। যাঁর বয়ান ও লেখনী গোটা বিশ্বের লাখো-কোটি মানুষের হৃদয় আলোকিত করেছে।
তিনি কেবল একজন নকশবন্দী শায়খই ছিলেন না, তাঁর জীবনের শুরুটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি ছিলেন একজন উচ্চপদস্থ ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার!
কিন্তু ৪০ বছর বয়সে জেনারেল ম্যানেজারের মতো আকর্ষণীয় পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি সর্বাত্মকভাবে দ্বীনের রাস্তায় আত্মনিয়োগ করেন। আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত এই মানুষটি একইসাথে ছিলেন হাফেজে কুরআন এবং গভীর জ্ঞানের অধিকারী।
তাঁর বিনয় আর ইলমের প্রতি ভালোবাসা এতটাই প্রবল ছিল যে, হাদিসের সনদের জন্য তিনি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক সার্টিফিকেটের পরোয়া না করে উস্তাদকে বলেছিলেন স্রেফ ইলম অর্জনের কথা।
বিশ্বজুড়ে তাঁর ইলমী ও আধ্যাত্মিক যোগ্যতার কদর কতখানি, তা বোঝা যায় যখন দেখি পৃথিবীর প্রায় ৭০টি দেশে তিনি দাওয়াতী সফর করেছেন। তাঁর হাতে লাখো মানুষ তাওবা করে নতুন জীবন পেয়েছে, অনেকেই গ্রহণ করেছেন ইসলাম।
বয়ান ও আধ্যাত্মিকতার পাশাপাশি তিনি উম্মাহর জন্য অসংখ্য মূল্যবান কিতাব লিখেছেন। ফিকহ, আত্মশুদ্ধি এবং পারিবারিক জীবনের ওপর তাঁর রচিত বইগুলো মুসলিম সমাজে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
৩২ খণ্ডে "খুতবাতে জুলফিকার" নামে আমাদের কাছে দারুণ জনপ্রিয়। এছাড়া সাধারণ মানুষের জন্য 'ইশকে ইলাহী', 'হায়া আওর পাকদামিনি', 'বা আদব বা নসিব'-এর মতো বহু অসাধারণ কিতাব তিনি রচনা করেছেন এবং নারী শিক্ষার জন্য 'জামিয়া আয়েশা সিদ্দিকা' প্রতিষ্ঠাসহ নানাবিধ দ্বীনি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন।
তিনি যখন বয়ান করতেন বা লিখতেন, মনে হতো শব্দগুলো যেন জীবন্ত হয়ে কথা বলছে। আত্মশুদ্ধির মতো সুগভীর বিষয়কেও তিনি অত্যন্ত সহজ, প্রামাণ্য আর মায়াবী ভাষায় বুঝিয়ে দিতেন। সম্ভবত তিনি কেবল কলমের কালিতে লিখতেন না, লিখতেন নিজের উজাড় করা হৃদয় দিয়ে।
গত বছর তিনি ইন্তেকাল করেন, কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া কীর্তি আজও অম্লান।
আল্লাহ তাকে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করুন।
কালেক্টেড: ওয়াফিলাইফ

দুনিয়ার জীবনে কে না নিরাপদ থাকতে চায়? কে না চায় আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করতে?রসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর উম...
23/07/2026

দুনিয়ার জীবনে কে না নিরাপদ থাকতে চায়? কে না চায় আল্লাহর রহমত, ক্ষমা ও জান্নাতের সুসংবাদ লাভ করতে?

রসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর উম্মতকে এমন কিছু সহজ কিন্তু মহামূল্যবান আমল শিখিয়েছেন, যা নিয়মিত পালন করলে আল্লাহর ইচ্ছায় বান্দা লাভ করতে পারে নিরাপত্তা, রহমত, ক্ষমা এবং আখিরাতের সফলতা

▪️ ১. ফজরের সালাত:
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করে, সে আল্লাহর জিম্মায় (নিরাপত্তায়) থাকে।"—সহীহ মুসলিম: ৬৫৭

ফজরের সালাত কেবল একটি ইবাদত নয়; এটি একজন মুমিনের জন্য আল্লাহর বিশেষ নিরাপত্তার ঘোষণা।

▪️ ২. প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পাঠ:
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
"যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসী পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না।"—[আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ (নাসাঈ): ১০০ — শাইখ আল-আলবানী রহ. সহীহ বলেছেন।]

মাত্র এক মিনিটের একটি আমল, অথচ এর প্রতিদান জান্নাতের সুসংবাদ।

▪️ ৩. সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার:
ক্ষমা ও জান্নাতের দোয়া
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে সকালে এই দোয়া(সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার)পড়ে এবং সন্ধ্যার আগে মারা যায়, সে জান্নাতবাসী। আর যে রাতে পড়ে এবং সকাল হওয়ার আগে মারা যায়, সেও জান্নাতবাসী।— সহীহ বুখারী: 6306

▪️ ৪. সকাল-সন্ধ্যার নিরাপত্তার দোয়া
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ
রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার এই দোয়া পড়বে, আল্লাহর ইচ্ছায় তাকে আকস্মিক বিপদ-আপদ স্পর্শ করবে না।—আবু দাউদ: ৫০৮৮ | তিরমিযী: ৩৩৮৮

▪️ ৫. নিজের দীন ও পরিবারকে আল্লাহর জিম্মায় সোপর্দ করুন:
কাউকে বিদায় দেওয়ার সময় রসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়া শিখিয়েছেন—
أَسْتَوْدِعُ اللَّهَ دِينَكَ وَأَمَانَتَكَ وَخَوَاتِيمَ عَمَلِكَ

আস্তাওদি'উল্লাহা দীনাকা ওয়া আমানাতাকা ওয়া খওয়াতীমা আমালিকা।

অর্থ: আমি তোমার দীন, তোমার আমানত এবং তোমার জীবনের শেষ আমলগুলো আল্লাহর জিম্মায় সোপর্দ করছি।"—সুনান আবু দাউদ: ২৬০০ | সুনান তিরমিযী: ৩৪৪৩

এছাড়া এটি নিজের জন্যও আল্লাহর কাছে দীন, ঈমান, পরিবার ও সম্পদের হেফাজত প্রার্থনা করা সুন্নাহসম্মত অর্থবহ দোয়ার অন্তর্ভুক্ত।

আইন উদ্দিন আইনী
লিখা : পরিমার্জিত

শুধু সেই নয়, যে সবসময় পাশে থাকে— বরং সেই, যে তোমাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যায়। 🤍পবিত্র কুরআন আমাদের এমন একজন নেককার ...
13/07/2026

শুধু সেই নয়, যে সবসময় পাশে থাকে— বরং সেই, যে তোমাকে আল্লাহর আরও কাছে নিয়ে যায়। 🤍
পবিত্র কুরআন আমাদের এমন একজন নেককার বন্ধুর গুণাবলি শিখিয়েছে, যার সান্নিধ্য দুনিয়া ও আখিরাত— উভয় জগতেই কল্যাণ বয়ে আনে।
আল্লাহ আমাদের এমন বন্ধু দান করুন, যারা আমাদের ঈমান বৃদ্ধি করবে, সৎকাজে উৎসাহিত করবে এবং জান্নাতের পথে চলতে সাহায্য করবে। আমীন। 🌿
আপনার এমন কোনো বন্ধু আছে, যে আপনাকে আল্লাহকে স্মরণ করিয়ে দেয়? 🤍

12/07/2026
তাকওয়া অর্জনের কুরআনিক ১০টি উপায়১. আল্লাহর ইবাদত করো।“হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো... যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন ...
12/07/2026

তাকওয়া অর্জনের কুরআনিক ১০টি উপায়

১. আল্লাহর ইবাদত করো।
“হে মানুষ! তোমরা তোমাদের রবের ইবাদত করো... যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”
— সূরা আল-বাকারা, ২:২১

২. সালাত প্রতিষ্ঠা করো।
“সালাত প্রতিষ্ঠা করো... নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে।”
— সূরা আল-আনকাবূত, ২৯:৪৫

৩. রমযানের রোজা পালন করো।
“তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে... যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”
— সূরা আল-বাকারা, ২:১৮৩

৪. আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো।
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করো।”
— সূরা আল-আহযাব, ৩৩:৪১

৫. কুরআনের অনুসরণ করো।
“এটি এক বরকতময় কিতাব... তোমরা এর অনুসরণ করো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, যাতে তোমাদের প্রতি দয়া করা হয়।”
— সূরা আল-আনআম, ৬:১৫৫

৬. সত্যবাদীদের সঙ্গ গ্রহণ করো।
“হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গে থাকো।”
— সূরা আত-তাওবা, ৯:১১৯

৭. আল্লাহর বিধান মেনে চলো।
“যে আল্লাহকে ভয় করে, তিনি তার জন্য উত্তরণের পথ করে দেন।”
— সূরা আত-তালাক, ৬৫:২

৮. ধৈর্য ধারণ করো।
“যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ করো এবং তাকওয়া অবলম্বন করো, তবে তাদের ষড়যন্ত্র তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।”
— সূরা আলে ইমরান, ৩:১২০

৯. তাওবা ও ইস্তিগফার করো।
“তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, তারপর তাঁরই দিকে ফিরে আসো।”
— সূরা হূদ, ১১:৩

১০. আখিরাতকে সবসময় স্মরণে রাখো।
“আর তোমরা ভাল কাজের যা কর, আল্লাহ তা জানেন এবং পাথেয় গ্রহণ কর। নিশ্চয় উত্তম পাথেয় তাকওয়া। আর হে বিবেক সম্পন্নগণ, তোমরা আমাকে ভয় কর।”
— সূরা আল-বাকারা, ২:১৯৭

তাকওয়া শুধু আল্লাহকে ভয় করার নাম নয়; বরং তাঁর প্রতি ভালোবাসা, আনুগত্য এবং গোপনে-প্রকাশ্যে সব অবস্থায় তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা। কুরআন শিক্ষা দেয়—ইবাদত, কুরআনের অনুসরণ, আল্লাহর স্মরণ, তাওবা এবং সৎকর্মের মাধ্যমেই তাকওয়া অর্জন করা যায়, আর তাকওয়াই দুনিয়া ও আখিরাতের প্রকৃত সফলতার চাবিকাঠি।

06/07/2026

গুনাহের কারণে জাহান্নামে যাওয়ার যে শাস্তি, সেই শাস্তিটা তো পরে দেওয়া হবে। গুনাহ করার সাথে সাথে সে শাস্তিটা বান্দার জন্য নেমে আসে সেটা হলো—আমল আর ইবাদাতের স্বাদ হারিয়ে ফেলা। আল্লাহর স্মরণগুলো যান্ত্রিক হয়ে উঠা। সালাতের জন্য পা না আগানো, সিয়াম রাখার জন্য দিল সাঁয় না দেওয়া, যিকিরের জন্য ঠোঁট নড়তে না চাওয়া। -আরিফ আজাদ

Send a message to learn more

▪️সাতটি আমল সাতটি বিষয় ছাড়া অর্থহীন।জনৈক বিদ্বান ব্যক্তি বলেন, সাত ধরনের আমল সাত ধরনের গুণ ব্যতীত কোন কাজে আসবে না।১. পর...
17/06/2026

▪️সাতটি আমল সাতটি বিষয় ছাড়া অর্থহীন।

জনৈক বিদ্বান ব্যক্তি বলেন, সাত ধরনের আমল সাত ধরনের গুণ ব্যতীত কোন কাজে আসবে না।

১. পরিহার ব্যতীত ভীতি : অর্থাৎ কেউ বলে, আমি আল্লাহর আ*যাবকে ভয় করি, অথচ সে গুনাহ পরিহার করে না। সুতরাং, তার এ কথা কোনো কাজে আসবে না।

২. চেষ্টা ছাড়া আশা : অর্থাৎ, কেউ বলে, আমি আল্লাহ তা'আলার নিকট সওয়াবের আশা রাখি, অথচ নেক আমলের মাধ্যমে তা তালাশ করে না। সুতরাং, তার এ কথা কোনো কাজে আসবে না।

৩. চেষ্টা সাধনা ব্যতীত নিয়ত : অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি অন্তরে এ ইচ্ছা রাখে যে- সে ভালো কাজ করবে, কল্যাণ কর্মে ব্রতী হবে, কিন্তু এর জন্য চেষ্টা ও উদ্যোগ গ্রহণ করে না। এ ব্যক্তির নিয়তও কোনো কাজে আসবে না।

8. পরিশ্রম ব্যতীত দু'আ : অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি আল্লাহর নিকট কল্যাণকর্মের তাওফীক চেয়ে দু'আ করে, অথচ তা সম্পাদন করার জন্য কোনো পরিশ্রম করে না। সুতরাং, এ দোয়া তার কোনো উপকারে আসবে না। বরং তার দায়িত্ব হলো পরিশ্রম করা, যাতে আল্লাহ তা'আলা তাকে তাওফীক দান করেন। যেমন আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন,

وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ
অর্থ : যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সঙ্গে রয়েছেন। (সূরা আনকাবুত : ৬৯)

অর্থাৎ, যারা আমার আনুগত্যের পথে ও আমার দ্বীনের জন্য চেষ্টা করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে সে কাজে সফলতা দান করি।

৫. অনুশোচনাহীন ইস্তিগফার : অর্থাৎ কেউ বলে- আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি। অথচ কৃত গুনাহের জন্য তার কোনো অনুতাপই নাই। সুতরাং, অনুশোচনাহীন ইস্তিগফার তার কোনো কাজে আসবে না।

৬. গোপনে নয়, কেবল প্রকাশ্যে শোধরানো : অর্থাৎ কেউ তার বাহ্যিক দিকটাকে শুধরে নিল। অথচ অপ্রকাশ্যে ও গোপনীয় দিককে শোধরালো না। সুতরাং, তার বাহ্যিক শোধরানো কোনো কাজে আসবে না।

৭. ইখলাস ব্যতীত পরিশ্রম : অর্থাৎ কেউ ভালো কাজের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করল, কিন্তু সে কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন উদ্দেশ্য ছিল না। সুতরাং, তার এমন চেষ্টা-সাধনা কোনো কাজে আসবে না।

[সূত্র : তাম্বীহুল গাফিলীন, খন্ড - ১, পৃ. ৪০-৪২]

#সীরাহ

১২ টা কাজ করবেন। জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।১. সময়মত নামাজ আদায়। ২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী। ৩....
16/05/2026

১২ টা কাজ করবেন। জীবনের গতি ১৮০ ডিগ্রী ঘুরে যাবে ইনশাআল্লাহ।

১. সময়মত নামাজ আদায়।
২. প্রত্যেক নামাজের পর আয়াতুল কুরসী।
৩. সকাল-সন্ধ্যা ও ঘুমের আগে মাসনুন আমল।
৪. প্রতিদিন কিছু অংশ কুরআন তিলাওয়াত।
৫. ইশরাকের নামাজ।
৬. বিতরের নামাজ বাদ দেবেন না।
৭. জুমআর দিন সূরা কাহাফ।
৮. রাতের শেষাংশে আল্লাহর কাছে রোনাজারি করা।
৯. আযান ও ইকামতের মাঝে দুয়া করা।
১০. পিতামাতার আনুগত্য।
১১. সাদাকাহ করা।
১২. দরূদ পড়া।

আল্লাহ তায়ালা জীবনের উপর রহমত ও বরকতের বন্যা বইয়ে দেবেন ইনশাআল্লাহ।

লেখা : আম্মারুল হক (হাফি.)

৩ জন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। ২৩ বছর। অন্তহীন যুদ্ধ।গত কয়েক দশকে,জর্জ ডব্লিউ বুশ, বারাক ওবামা, এবং- বিল ক্লিনটনের মতো নেতার...
03/05/2026

৩ জন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট। ২৩ বছর। অন্তহীন যুদ্ধ।
গত কয়েক দশকে,
জর্জ ডব্লিউ বুশ,
বারাক ওবামা, এবং
- বিল ক্লিনটনের মতো নেতারা একাধিক দেশে যুদ্ধে জড়িত ছিলেন
ইরাক, আফগানিস্তান, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেন, সোমালিয়া
পাকিস্তান, সুদান, সাবেক যুগোস্লাভিয়া
এই সংঘাতগুলো ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে।
আসল প্রশ্ন হলো-
যখন রাষ্ট্র সহিংসতা করে, তখন তাকে বলা হয়: "হস্তক্ষেপ"
-"অভিযান" "সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ”
- যখন অন্যরা সহিংসতা করে, তখন তাকে বলা হয়:
"সন্ত্রাসবাদ"
ফলাফল একই... কিন্তু নাম ভিন্ন।
তারা কি স্যুট পরা সন্ত্রাসী !?

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Digital Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share