17/05/2024
ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার
ক্যারিয়ার হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি সম্ভাবনাময় কাজের ক্ষেত্র এবং প্রতিনিয়ত এই খাতের প্রয়োজনীয়তা বেড়ে চলেছে। এটি যেমন সম্ভাবনাময় কাজের ধরণ তেমনি চ্যালেঞ্জিং ও। আরো জেনে অবাক হবেন বিশ্বের অনেক নামি দামি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর ডিগ্রি দেওয়া হচ্ছে। অনেকে আছেন মাস্টার্স পড়ার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিষয়টি বেছে নেন। কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, অদূর ভবিষ্যতে এর ব্যপক চাহিদা সৃষ্টি হবে এবং এখনো রয়েছে।
তরুনদের মধ্যে অনেকে ডিজিটাল মার্কেটিং কে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন। কারণ হিসেবে বিশ্লেষণ করে দেখা যায় যে, এই সেক্টরটি তুলনামূল শিখা সহজ এবং চাহিদা সম্পন্ন। ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেকগুলো দিক থাকার কারণে যে কেউ সহজে প্র্যাকটিস করা শুরু করে দিতে পারে।
এছাড়া কেউ যদি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখে যায়, তাহলে অতি শীগ্র সে নিজের যে কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়ে নিতে পারে।
বর্তমান সময়ে যে যাই করুক তাদের সকলের অনলাইনে প্রচারণার দরকার পড়ে। যেটি সামনের দিন গুলোতে আরো বেশি পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। এই সকল প্রতিষ্ঠান অনলাইনে নিজেদের একটিভিটি বাড়াতে আগ্রহী হচ্ছে। ফলে সবার নিজস্ব একটি মার্কেটিং এজেন্সি কিংবা মার্কেটার প্রয়োজন হতে পারে।
এই তো গেলো লোকাল সেক্টর, এর বাইরে যত বড় প্রতিষ্ঠান আছে, যেমন ধরুন ফোন কম্পানি গুলো। তাদের পন্যের প্রচারণার জন্য মাসে প্রচুর পরিমানে মার্কেটিং এজেন্সি গুলোর পেছনে টাকা ঢালতে হয়। সবাইকে আজ হোক কাল হোক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আসতে হবে, ইহার বিকল্প নেই।
আর যখনি সবাই এসে পড়বে তখন প্রয়োজন হবে তাদের পন্যের কথা সকল কে জানানো। কিন্তু সোস্যাল প্ল্যাটফর্ম গুলো এমন ভাবে ডিজাইন করে যাচ্ছে দিন দিন, যাতে আপনি যদি টাকা খরচা না করেন বা ডিজিটাল মার্কেটিং না করেন তাহলে আপনার পোস্ট খুব নগণ্য সংখ্যক লোকের কাছে পৌছাবে। যারা ইদিমধ্যে ফেসবুক পেইজ খুলেছেন তারা জানেন বিষয় টা। বা যারা ফেসবুক আইডি ব্যাবহার করেন তারাও দেখবেন মোট ফ্রেন্ড এর তুলনায় ২৫-৪০% মানুষের কাছে আপনার পোস্ট রিচ করে।
পেইজের ক্ষেত্রে সেটা আরো অনেক কম। ২০% সর্বোচ্চ রিচ করে কিনা সন্দেহ। এক্ষেত্রে সোসাল মিডিয়া ফ্ল্যাটফর্ম গুলো চাচ্ছে আপনাকে মার্কেটিং এর পেছনে টাকা ঢালতে। না হয় আপনার পোস্ট তারা কাওকে দেখাচ্ছে না।
ভালো মানের মার্কেটিং শিখতে পারলে কাজের ক্ষেত্র নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। ছোট পাড়ার দোকানের মার্কেটিং থেকে শুরু করে অ্যাপল মার্কেটার হওয়ার মত বড় বড় সুযোগ রয়েছে। এছাড়া ফ্রিল্যান্সিং করে বেশ কিছু পরিমান টাকা আয় করা যায়।