10/02/2025
আপনি জানেন কি বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডেন এম্বাসি নিজের দেশ সুইডেনের ভিসা ছাড়াও আরো ৮ টি ইউরোপিয়ান দেশের ভিসা ইস্যু করে?
একবারও রিফিউজ না হয়ে টানা ৭ম বারের মতোন ইউরোপের সেঞ্জেন ভিসা পেলাম। এবারও যথারীতি নিজের ফাইল নিজে প্রসেস করে জমা দিয়েছি।
খরচ হয়েছে ভিসা ফি ১০,৩৫০ + ব্যাংক ফি ২৩০ + ভিএফএস গ্লোবাল ফি ১০৩৫ = ১১,৬১৫ টাকা। এছাড়া ট্রাভেল হেলথ ইন্সুরেন্সে ১৮৭১ টাকা, বিভিন্ন ডকুমেন্ট ইংরেজিতে অনুবাদ ও নোটারি করতে ৬০০ টাকা খরচ হয়েছে।
২ বছর মেয়াদী মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পেয়েছি এইবার। প্রতিবার ভ্রমণে সর্বোচ্চ ৯০ দিন থাকতে পারবো। ৩ টা দেশ ঘুরার ট্রাভেল প্ল্যান দিয়েছিলাম ২৬ দিনের। সাথে একটা কভার লেটার লিখেছিলাম যেখানে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি, আমার ভ্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে লিখেছি। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়েছি ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের (পার্সোনাল একাউন্টে ব্যালেন্স ছিলো ৬+ লাখ টাকা, এর মধ্যে ৫ লাখ ছিলো ধার করা), কোম্পানি একাউন্টে ব্যালেন্স ছিলো ১ লাখ টাকার মতোন।
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম, ১ কপি ছবি, ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট, সর্বশেষ ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট, ট্রাভেল হেলথ ইন্স্যুরেন্স, দামি এয়ার টিকেট, ডামি হোটেল বুকিং, ক্রেডিট কার্ডের ছবি ও স্টেটমেন্ট, আগের ৬ টা সেঞ্জেন ভিসার ছবি দিয়ে একটা ফাইল বানিয়ে বাইন্ডিং ক্লিপ লাগিয়ে ভিসার জন্য ফাইল জমা দিয়েছিলাম।
আমার ভিসা ইস্যু হয়েছে ৫ কর্মদিবসে। এক মংগলবারে জমা দিয়েছি, আরেক মংগলবারে পাসপোর্ট চলে এসেছে। কাজ থাকায় ১ দিন পর বুধবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করলাম ভিএফএস গ্লোবাল এর বনানী অফিস থেকে।
মজার বিষয় হচ্ছে, বিগত ৬ বার ভিসা সুইডেন এমবাসি থেকে নিয়ে ১০+ বারের বেশি ইউরোপে ঘুরেছি, কিন্তু একবারও সুইডেন যাওয়া হয় নাই। 🤭
হ্যাপি ট্রাভেলিং..!!