BD Looper

BD Looper Want to travel all around the world as a Bangladeshi Citizen.

আপনি জানেন কি বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডেন এম্বাসি নিজের দেশ সুইডেনের ভিসা ছাড়াও আরো ৮ টি ইউরোপিয়ান দেশের ভিসা ইস্যু করে?একব...
10/02/2025

আপনি জানেন কি বাংলাদেশে অবস্থিত সুইডেন এম্বাসি নিজের দেশ সুইডেনের ভিসা ছাড়াও আরো ৮ টি ইউরোপিয়ান দেশের ভিসা ইস্যু করে?
একবারও রিফিউজ না হয়ে টানা ৭ম বারের মতোন ইউরোপের সেঞ্জেন ভিসা পেলাম। এবারও যথারীতি নিজের ফাইল নিজে প্রসেস করে জমা দিয়েছি।
খরচ হয়েছে ভিসা ফি ১০,৩৫০ + ব্যাংক ফি ২৩০ + ভিএফএস গ্লোবাল ফি ১০৩৫ = ১১,৬১৫ টাকা। এছাড়া ট্রাভেল হেলথ ইন্সুরেন্সে ১৮৭১ টাকা, বিভিন্ন ডকুমেন্ট ইংরেজিতে অনুবাদ ও নোটারি করতে ৬০০ টাকা খরচ হয়েছে।
২ বছর মেয়াদী মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পেয়েছি এইবার। প্রতিবার ভ্রমণে সর্বোচ্চ ৯০ দিন থাকতে পারবো। ৩ টা দেশ ঘুরার ট্রাভেল প্ল্যান দিয়েছিলাম ২৬ দিনের। সাথে একটা কভার লেটার লিখেছিলাম যেখানে তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছি, আমার ভ্রমণ পরিকল্পনা সম্পর্কে লিখেছি। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দিয়েছি ব্যক্তিগত ও প্রতিষ্ঠানের (পার্সোনাল একাউন্টে ব্যালেন্স ছিলো ৬+ লাখ টাকা, এর মধ্যে ৫ লাখ ছিলো ধার করা), কোম্পানি একাউন্টে ব্যালেন্স ছিলো ১ লাখ টাকার মতোন।
পূরণকৃত ভিসা আবেদন ফর্ম, ১ কপি ছবি, ট্রেড লাইসেন্স, টিন সার্টিফিকেট, সর্বশেষ ইনকাম ট্যাক্স সার্টিফিকেট, ট্রাভেল হেলথ ইন্স্যুরেন্স, দামি এয়ার টিকেট, ডামি হোটেল বুকিং, ক্রেডিট কার্ডের ছবি ও স্টেটমেন্ট, আগের ৬ টা সেঞ্জেন ভিসার ছবি দিয়ে একটা ফাইল বানিয়ে বাইন্ডিং ক্লিপ লাগিয়ে ভিসার জন্য ফাইল জমা দিয়েছিলাম।
আমার ভিসা ইস্যু হয়েছে ৫ কর্মদিবসে। এক মংগলবারে জমা দিয়েছি, আরেক মংগলবারে পাসপোর্ট চলে এসেছে। কাজ থাকায় ১ দিন পর বুধবার পাসপোর্ট সংগ্রহ করলাম ভিএফএস গ্লোবাল এর বনানী অফিস থেকে।
মজার বিষয় হচ্ছে, বিগত ৬ বার ভিসা সুইডেন এমবাসি থেকে নিয়ে ১০+ বারের বেশি ইউরোপে ঘুরেছি, কিন্তু একবারও সুইডেন যাওয়া হয় নাই। 🤭
হ্যাপি ট্রাভেলিং..!!

অনলাইন সার্ফিংয়ের সময় হটাৎ করে MRT Pass এর ব্যালেন্স ও জার্নি হিস্টোরি দেখার জন্য চমৎকার একটা এপস পেলাম। আমি নিজের কার্ড...
04/11/2024

অনলাইন সার্ফিংয়ের সময় হটাৎ করে MRT Pass এর ব্যালেন্স ও জার্নি হিস্টোরি দেখার জন্য চমৎকার একটা এপস পেলাম। আমি নিজের কার্ড টা চেক করে সঠিক রেজাল্ট পেয়েছি। আপনার ফোনে NFC থাকলে আপনিও ট্রাই করে দেখতে পারেন।
মেট্রোরেলে যারা MRT বা Rapid পাস ব্যবহার করেন, তাদের জন্য এই এপস টি বেশ কাজের হবে।
এপস ডেভেলপার এর মূল পোস্টের লিংক প্রথম কমেন্টে।

আলহামদুলিল্লাহ, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মেট্রোরেলে চড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। সম্প্রতি বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় এসে তাদের ...
21/09/2024

আলহামদুলিল্লাহ, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মেট্রোরেলে চড়ার অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। সম্প্রতি বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় এসে তাদের পাতাল মেট্রোরেলে চড়লাম। কিছু অভিজ্ঞতা ও তথ্য শেয়ার করার জন্য এই পোস্টটি করলাম।

১/ সোফিয়ায় মেট্রোরেলের রুট ৪ টি যা সোফিয়ার বিভিন্ন প্রান্তকে যুক্ত করেছে এবং এর বিস্তৃতি এয়ারপোর্ট পর্যন্ত বর্ধিত আছে।

২/ স্টেশনগুলোতে চলাচলের জন্য প্রসস্ত সিড়ি আছে। প্রায় সকলেই উঠানামা করার জন্য সিড়ি ব্যবহার করে থাকেন। সুস্থ্য স্বাভাবিক মানুষেরা লিফট ব্যবহার করলে অন্যরা এমন লুক দেয় যেন প্রতিবন্ধী উঠানামা করছে।

৩/ চলন্ত সিড়ি আছে প্রায় প্রত্যেক স্টেশনেই। যাদের তাড়া নেই তারা বামপাশে দাড়ান, ডানপাশ টা ফাঁকা রেখে।

৪/ স্টেশনগুলো ২ ধাপে নিচে নেমেছে। প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ডে দোকানপাট আর নিচের ধাপে স্টেশন। কিছু কিছু স্টেশন সরাসরি মার্কেটের সাথে যুক্ত থাকায় যাত্রীরা শপিং করতে বা শপিং করে সোজা মেট্রোরেইলে চড়তে পারেন।

৫/ সিংগেল জার্নি বুলগেরিয়ান মুদ্রায় 1.60 BGN. (বুলগেরিয়ান মুদ্রা বাংলা টাকার প্রায় ৭০ গুন)। ১ ডে পাস (সেম ডে) এর মূল্য 4 BGN. ২৪ ঘন্টার পাস 6 BGN. এই পাস বাস, ট্রাম, ট্রলিবাস, মেট্রোট্রেনে ব্যবহার করা যায়।

৬/ মেট্রোস্টেশন গুলো পরিষ্কার, বড় ও সুন্দরভাবে সাজানো।

৭/ ফাঁকা সিটে বসা নিয়ে কারো মধ্যে তাড়াহুড়ো দেখলাম না। সিট খালি থাকার পরেও বেশিরভাগ মানুষ দাঁড়িয়ে থাকেন।

৮/ সিট ফিলাপ থাকার সময়, কোন মুরব্বি /বয়স্ক ব্যক্তি মেট্রোতে উঠলে তরুনেরা বিনাবাক্য ব্যয়ে সিট ছেড়ে দেয়। এই প্রবনতাটা তাদের সকল পাবলিক ট্রান্সপোর্টে দেখেছি আমি।

৯/ মেট্রোতে অনেকেই সাথে পানীয় বা খাবার নিয়ে উঠে। তবে কাউকে পরিবেশ নোংরা করতে দেখি নাই। কাউকে মেট্রোতে উঠে খাবার খেতে দেখি নি।

১০/ ছাত্র ছাত্রীরা মেট্রোতে দলবেধে উঠলে সামান্য হাসি ঠাট্টা বা গসিপ করে। এছাড়া মোটামুটি সময় মেট্রোট্রেনে সবাই নিরব থাকে। কাউকে উচ্চস্বরে কথা বলতে দেখি নি।

আশা করি আমাদের দেশের নির্মিতব্য পাতাল মেট্রোরেল স্টেশনগুলো আরো অনেক বেশি সুন্দর ও আধুনিক হবে এবং আমরা আমাদের নিজেদের রাষ্ট্রীয় সম্পদকে যত্ন সহকারে ব্যবহার করবো।

১৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি: তারিখে কসোভোর রাজধানী প্রিস্টিনা থেকে বাসে চড়ে রওনা দিলাম নর্থ মেসেডোনিয়ার রাজধানী স্কোপিয়া এ...
18/09/2024

১৬ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রি: তারিখে কসোভোর রাজধানী প্রিস্টিনা থেকে বাসে চড়ে রওনা দিলাম নর্থ মেসেডোনিয়ার রাজধানী স্কোপিয়া এর উদ্দেশ্যে। আলবাস নামের এক বাস কোম্পানির দুই ঘন্টার এই যাত্রায় নতুন কিছু অভিজ্ঞতা হলো।
বাসের টিকিট কিনেছিলাম অনলাইনে। দাম পড়েছিলো সাড়ে ১০ ডলার অর্থাৎ বাংলা টাকায় ১২৬০ টাকা। আলবাস নিয়মিত প্রিস্টিনা ও স্কোপিয়া উভয়পথে যাতায়াত করে। পাঠক ও ভবিষ্যত ভ্রমণকারীদের সুবিধার্থে বাসের সময়সূচি একটা ছবির মধ্যে উল্লেখ করে দিবো। বাসের টিকিট কেটেছি BUSBUD নামের একটা এপস দিয়ে। এপস টা বেশ ভালো ও নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে আমার কাছে।
স্কোপিয়া হিসেবে উচ্চারন হলেও ইংরেজিতে লিখা হয় Skopje যার উচ্চারণ আমরা করি স্কোপজে। আবার প্রিস্টিনা থেকে বাসে উঠার সময় বাসের সামনে লিখা দেখলাম SHKUP. আমি বেশ বিভ্রান্ত হয়ে বাসের লোককে জিজ্ঞাসা করে নিশ্চিত হলাম যে, এই বাসটাই স্কোপিয়াতে যাবে।
আলবেনিয়াতে প্রবেশ ও বাহির হওয়ার সময় পাসপোর্টে কোন সিল না দিলেও কসোভোতে যে দিয়েছে, সেটা খেয়াল করলাম যখন বাসের সহকারী কসোভোর সীমান্ত অতিক্রম করার আগে আমার পাসপোর্ট নিয়ে সীমান্ত অতিক্রম করার পর আবার ফেরত দিলো।
কসোভোর সীমান্ত অতিক্রম করার কিছু সময় পরেই চলে আসলো নর্থ মেসেডোনিয়ার বর্ডার। বাসের সহকারী এবার আর পাসপোর্ট নিলো না তবে যার যার পাসপোর্ট নিয়ে বাস থেকে নেমে লাইনে দাড়াতে বললো।
আমাদের দেশে যেমন টোল প্লাজা থাকে, নর্থ মেসেডোনিয়ার ইমিগ্রেশন অফিসাররা তেমন টোল প্লাজা সদৃশ স্থানে বসে পাসপোর্ট পরীক্ষা ও ইমিগ্রেশন সিল দিচ্ছিলো।
আমার সিরিয়াল আসার পরে আমার পাসপোর্ট নিলো আর ভিসা আছে কিনা জিজ্ঞাসা করলো। আমি জানালাম যে, আমার মাল্টিপল এন্ট্রি সেঙ্গেন ভিসা আছে। এরপর আর কথা না বাড়িয়ে আমার পাসপোর্টের বায়ো পেজ ও সেঙ্গেন ভিসার কপি স্ক্যান করে পাসপোর্টে এন্ট্রি সিল দিয়ে পাসপোর্ট ফেরত দিয়ে দিলো। আমি পাসপোর্ট হাতে পেয়ে সামনে গিয়ে অন্যদের সাথে দাড়ালাম।
সবার ইমিগ্রেশন হতে বেশি সময় লাগলো না। কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের বাস চলে আসলো আর আমরা সবাই আবার বাসে উঠলাম। ঘন্টাখানেক বাস চলার পরে চলে আসলাম স্কোপিয়া সেন্ট্রাল বাস টার্মিনালে। বাস থেকে নেমে আমার হোস্টকে হোয়াটসএপে নক দিলাম। রুম বুকিংয়ের পরেই তিনি আমাকে মেসেজ দিয়ে রেখেছিলেন।
তিন রাতের জন্য স্টুডিও এপার্টমেন্টের ভাড়া পড়েছিলো ৯৫ ইউরো। আমার হোস্ট নিতান্তই একজন ভদ্রলোক। তিনি আমার বাস আসার সময় জেনে নিয়েছিলেন এবং আমাকে বাস স্টপেজ থেকে নিজের গাড়িতে করে এপার্টমেন্টে নামিয়ে দিয়ে ভাড়া নিয়ে চলে গেলেন।
সাধারনত কোন দেশে যাওয়ার আগে আমি ঐ দেশ সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যাই। কিন্তু এইবারের ভ্রমণে এই কাজটা করা হয়নি বলে বেশ কিছু যায়গায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। আমার জানা ছিলো না যে, বাংলাদেশের রোমিং সিম কসোভো আর নর্থ মেসেডোনিয়ায় কাজ করবে না। দেশের বাইরে ইন্টারনেট ছাড়া চিন্তাও করতে পারি না আর সেখানে একটা দেশে গিয়ে ইন্টারনেট ছাড়া তো কিছুই করতে পারবো না।
ভাগ্যিস, কি মনে করে অনলাইনে ই-সিম নিয়ে খোঁজ করতে গিয়ে দেখলাম একটা ওয়েবসাইট আছে যেখানে দেশ অনুযায়ী বিভিন্ন ই-সিম কোম্পানির প্যাকেজ সম্পর্কিত বিস্তারিত তুলনা সহকারে তথ্য দেয়া আছে। ওয়েবসাইটের নামটি হচ্ছে https://esimdb.com/ এই সাইট থেকে সাজেশন নিয়ে Instabridge E-SIM এপস ডাউনলোড করে কসোভো ও নর্থ মেসেডোনিয়ার জন্য আলাদাভাবে ৩ + ৩ জিবি ১৫ দিন মেয়াদের ইন্টারনেট ডাটা কিনে নিলাম। খরচ পড়লো ৪.৫ + ৪.৫ সর্বমোট ৯ ডলার। ডাটা কিনে ইন্টারনেট বিহীন থাকার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হলাম।
এখন আবার ফিরি নর্থ মেসেডোনিয়ার ঘটনাপ্রবাহে। স্কোপিয়া শহরটার চারিদিকে পাহাড় আর মাঝখানে জনবসতি। ছিমছাম নিরিবিলি পরিষ্কার ছোট্ট শহর স্কোপিয়া। এখনও তেমন ট্যুরিস্টিক এলাকা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেনি কোন এক অজানা কারনে। তাই জিনিষপত্রের দাম স্বস্তিদায়ক। এদেশে কৃষ্টি ও সংস্কৃতিতে আলবেনিয় ও তুরস্কীয় বেশ প্রভাব দেখতে পেয়েছি। মসজিদ ও চার্চ উভয়ই দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
যেহেতু আমি বাজেট ট্রাভেলার এবং কোন দেশে গেলে স্থানীয়দের মতোন চলতে পছন্দ করি, এজন্য আমি স্কোপিয়াতে নেমেই প্রথমে পাবলিক ট্রান্সপোর্টেশন সিস্টেম সম্পর্কে খোঁজ নিলাম। এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পাবলিক ট্রান্সপোর্টই আছে এবং ট্রান্সপোর্ট এর জন্য কমন কার্ডও আছে। এই দেশের মুদ্রার নাম দেনার যা বাংলা টাকার প্রায় ২.২৫ গুন। ট্রান্সপোর্ট কার্ড বিক্রি ও রিচার্জের নির্দিষ্ট কিছু যায়গা আছে যার একটা খুঁজে বের করে আমি ট্রান্সপোর্ট কার্ড কিনলাম ১৫০ দেনার দিয়ে। এই কার্ডে ২টি ফ্রি রাইড ছিলো। এই ২ রাইডের সাথে আরও ১০ টি রাইড ২৫০ দেনার দিয়ে কিনে সর্বমোট পরিশোধ করলাম ৪০০ দেনার।
ট্রান্সপোর্ট কার্ড কেনার জন্য কাউন্টার খুঁজতে গিয়ে কিছুটা বেগ পোহাতে হলেও পরে খেয়াল করে দেখলাম তাদের সেন্ট্রাল বাস টার্মিনালেই একটা হলুদ বাসের মধ্যে অফিস বানিয়েছে যেখানে কার্ড বিক্রি ও রিচার্জ সার্ভিস দিয়ে থাকে তারা।
ট্রান্সপোর্ট কার্ড পেয়ে প্রথম দিনেই বাসে চড়ে গন্তব্যহীন দুইটা রাইড নিয়ে শহরটা একটু ঘুরে দেখলাম। রাতে এপার্টমেন্টে ফিরে, ল্যাপটপে এই শহরের প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলো খুঁজতে লাগলাম। খেয়াল করে দেখলাম যে, আমার আশেপাশেই খুব অল্প যায়গার মধ্যেই এখানকার বেশিরভাগ দর্শনীয় স্থানগুলো রয়েছে। শহরটাতে ঘুরতে বের হয়ে অনেক ভাষ্কর্য দেখলাম। এই শহরকে অনেকে ভাষ্কর্যের শহর বলে পরিচয় দেয় বলেও শুনেছি। এক বিকেলেই আশেপাশের প্রায় সব দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখে ফেললাম।
শহরের আশেপাশে রয়েছে আর মাত্র দুইটি দর্শনীয় স্থান। এর একটি হচ্ছে পাহাড়ের চুড়ায় অবস্থিত মিলেনিয়াম ক্রস আর আরেকটি হচ্ছে মাটকা ক্যানিয়ন।
দুইটা দর্শনীয় স্থানে যেতে বিভিন্ন ট্যুর কোম্পানি হাফ ডে গ্রুপ ট্যুর পরিচালনা করে যার মূল্য ৩০-৫০ ইউরোর মতোন। যেহেতু, নিজে নিজে ইচ্ছামতো এবং কম খরচে ঘুরতে পছন্দ করি তাই অনলাইনে খোঁজ শুরু করলাম যে কিভাবে এই দুইটা দর্শনীয় যায়গায় কম খরচে পাবলিক ট্রান্সপোর্টে করে ঘুরে আসা যায়।
গুগল ম্যাপসে এই দুই যায়গায় যাওয়ার জন্য কোন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এর তথ্য খুঁজে পেলাম না। অনলাইনে অনেক ঘেটে বের করলাম যে, এই দুই যায়গায় পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করেও যাওয়া যায়। এখানে খুব বেশি বাংলাদেশি না আসায় ফেসবুকের ট্রাভেল গ্রুপগুলো থেকেও কোন তথ্য পেলাম না।
যাই হোক, খোঁজখবর নিয়ে দুষ্প্রাপ্য ২৫ নম্বর বাসে এবং মাত্র ১০০ দেনারে ক্যাবল কারে যাওয়া আসার টিকেট কেটে ঘুরে আসলাম পাহাড়ের চুড়ায় অবস্থিত অনিন্দ্যসুন্দর মিলেনিয়াম ক্রস। এরপর যাবো মাটকা ক্যানিয়নে ৬০ নম্বর বাসে চড়ে ও কিছুটা পায়ে হেটে। স্কোপিয়ার বাসের টাইমটেবল জানতে ভিজিট করতে পারেন: www.jsp.com.mk (বুঝার জন্য ট্রান্সলেট করে নিতে হবে)
এই দুই দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার গল্পটা তুলে রাখলাম পরবর্তী পর্বের জন্য। আজকের পর্ব এখানেই শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন।
সাব্বির আহমেদ
১৭ই সেপ্টেম্বর ২০২৪ খ্রিঃ
বি.দ্র: ঘটনাপ্রবাহ পড়ার পাশাপাশি আরো ভালো করে বুঝার জন্য লেখার পাশাপাশি ছবি সংযুক্ত করে দিচ্ছি এবং প্রত্যেক ছবিতে ক্যাপশন যুক্ত করে দিবো। এতো বড় লেখা পাঠক সম্পূর্ণ পড়বেন কিনা জানি না। তবে, পাঠকগণ চাইলে আমার লেখা চলমান থাকবে।

সংক্ষিপ্ত সফরে ইতালি দেশের রোম শহর ভ্রমণ:১/ আমরা যেই শহরকে রোম বলি, সেটা ওরা নিজেদের ভাষার উচ্চারনে বলে রোমা।২/ রোমের কো...
12/09/2024

সংক্ষিপ্ত সফরে ইতালি দেশের রোম শহর ভ্রমণ:
১/ আমরা যেই শহরকে রোম বলি, সেটা ওরা নিজেদের ভাষার উচ্চারনে বলে রোমা।
২/ রোমের কোলোসিয়ামের ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে কিন্তু বর্তমানে বিজনেস হাব ছাড়া আর কিছু মনে হয় নাই। একই কথা ট্রেভি ফাউন্টেন ও অন্যান্য ট্যুরিস্ট এট্রাকশনের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
৩/ রোমে প্রচুর বাংলাদেশি মানুষ আছে। রাস্তায় পানি /ছাতা বিক্রি করা থেকে প্রতিষ্ঠিত উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ী সবই আছে।
৪/ রোমে বেড়াতে গেলে তেরমিনি নামক স্থানের আশেপাশে কিংবা পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কাছাকাছি এমন যায়গায় থাকা উচিৎ। তেরমিনিকে রোমের সেন্টার প্লেস বলা যায়।
৫/ রোমে ট্যাক্সি ভাড়া ও ট্যুরিস্ট স্পটের আশেপাশে খাবারের দাম বেশি। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার করা ও ট্যুরিস্ট স্পটের থেকে একটু দূরে থাকা খাবারের দোকান থেকে খাবার কেনা ভালো।
৬/ রোমে মেট্রোরেলের একাধিক লাইন আছে। আর আছে অনেক পাবলিক বাস। কিছু স্থানে ট্রামলাইনও আছে।
৭/ রোমে গুগল ম্যাপ ভালো কাজ করে, তবে তাদের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট কোম্পানি ATAC Roma এর নিজস্ব মোবাইল এপস আছে যেখানে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এর লাইভ আপডেট পাওয়া যায়।
৮/ পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সমন্বিত হওয়ায়, ২৪ বা ৪৮ ঘন্টার ট্রাভেল কার্ড কিনে সকল পাবলিক ট্রান্সপোর্টে ব্যবহার করা যায়। বর্তমানে ২৪ ঘন্টার ট্রাভেল কার্ড ৭ ইউরো আর ৪৮ ঘন্টার ট্রাভেল কার্ডের মূল্য ১২.৫ ইউরো।
৯/ যেহেতু রোমে অনেক বাংলাদেশি আছেন, তাই যারা বাংলা খাবার খেতে পছন্দ করেন, তাদের তেমন একটা চিন্তার কিছু নাই। অনেক বাংলা খাবারের দোকান আছে। এছাড়াও, ইতালিয়ান খাবারগুলোও অনেক মজার। পিজা, পাস্তা, ম্যাকরনি, লাজানিয়া, স্পেগেটি ইত্যাদি এই খাবারগুলোর স্বাদ চমৎকার। তবে বাংলাদেশে তৈরি ইতালিয় খাবার আর ইতালিতে স্থানীয়ভাবে তৈরি খাবারের সাথে স্বাদের তারতম্য আছে।
১০/ রোমে ২টা এয়ারপোর্ট আছে। একটা ফ্লুমিসিনো আরেকটা চ্যাম্পিয়ানো। তেরমিনি থেকে কম খরচে ট্রেনে বা বাসে উভয় এয়ারপোর্টে যাওয়ার ব্যবস্থা আছে।
১১/ যারা নিজে নিজে খোঁজ খবর নিয়ে ঘুরতে চান না, তাদের জন্য সহজ ও সস্তা সমাধান হচ্ছে হপ-অন হপ-অফ ছাদ খোলা ২ তলা ট্যুরিস্ট বাস। রোমে ৬ টা কোম্পানি ট্যুরিস্ট বাস পরিচালনা করে। টিকেটের দাম ২৭ ইউরো থেকে শুরু। তবে, বাংলাদেশি কাউকে পেলে কথা বলে কিছুটা ডিসকাউন্টও নেওয়ার সুযোগ আছে।
১২/ উইন্ডট্রি কোম্পানির ট্যুরিস্ট সিমটা ভালোই। ২০০ গিগাবাইট ইতালিতে + ১১ গিগাবাইট ইউরোপের অন্য দেশে ব্যবহার করা যায়। সাথে ৩০০ মিনিট ফ্রি ইন্টারন্যাশনাল কলিং অপশন। মেয়াদ থাকে ১ মাস। এলাকা ও দোকানভেদে দাম ১০ থেকে ২০ ইউরোর মতোন। হেভি ইন্টারনেট ইউজার হলে এই সিম ভালো অপশন।
ইতালির রোম থেকে আজকে চলে যাচ্ছি আলবেনিয়াতে। নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আবার হাজির হবো সামনে কোন দিনে..!!

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD Looper posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to BD Looper:

Shortcuts

Share