26/09/2026
Arrested গ্রেফতার হওয়া EX ADC , CTTC , DB , DMP ' আওয়ামী লীগ ' এর দোষোড় ' Ishtiaq Ahmed ইশতিয়াক আহমেদ ' & তার ( Digital Forensic team ) এর সদস্য :: ' AbduL ALim আবদুল আলিম , SI - Monir Uzzaman Kayes মনির উজ্জামান কায়েস , Jiaur জিয়াউর ও অন্যান্য দের মুখোশ উন্মোচিতো হোল ::
[[ a team of ' Awami League ' agent has been Exposed ]] ::
আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের মুখোশ উন্মোচন জরুরী ! ' পুলিশ প্রশাসন ' এর মধ্যে কোন ' হিন্দুস্তানি R'A'W এজেন্ট / আওয়ামী-লীগ এর এজেন্ট ( আওয়ামী দোষর ) - থাকলে দ্রুত , সরকার কে অবহিত করুন -
সরকার কে - তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন ____________________________
সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অতিরিক্ত এসপি) ইশতিয়াক আহমেদ ( যিনি সিটিটিসি-র 'ডিজিটাল ফরেনসিক টিমের' সাবেক এডিসি হিসেবে কাজ করেছেন ) , তাঁর বিরুদ্ধে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, নির্যাতন ও হত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের গুরুতর মামলা ও ফৌজদারি রেকর্ড রয়েছে ।
তাঁর বিরুদ্ধে থাকা প্রধান আইনি রেকর্ডগুলো নিচে দেওয়া হলো :
১. গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর মামলা :
(সেপ্টেম্বর ২০২৬) ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দায়ের করা একটি আনুষ্ঠানিক মামলা অনুযায়ী, ' আল আমিন ' নামের এক মাদরাসা অধ্যক্ষকে অপহরণ, নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার মধ্যে ইশতিয়াক আহমেদ অন্যতম ।
>> অভিযোগ :
মামলার বিবরণী অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে সিটিটিসি-র একটি দল ' আল আমিনকে ' আটক করে ' মিন্টো রোডের ' কার্যালয়ে নিয়ে যায় ।
>> নির্যাতন ও লাশ গুম : >>
সেখানে দীর্ঘ ১৮ দিন শারীরিক নির্যাতনের পর কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ' আল আমিনের ' মৃত্যু হয় । পরবর্তীতে অপরাধ ধামাচাপা দিতে তাঁর মরদেহ ' ধলেশ্বরী ' নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে ।
২. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) গ্রেফতার ::
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংগঠিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ।
''' গ্রেফতার : '''
এই আদেশের পর রাঙামাটি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয় ।
৩. ' চাঁনখারপুল গণহত্যায় ভূমিকা : ''
মামলার নথিতে রাষ্ট্রপক্ষ উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় ইশতিয়াক আহমেদ সিটিটিসি-র ডিজিটাল ফরেনসিক টিমের দায়িত্ব অপব্যবহার করে ঢাকার আকাশে ড্রোন উড়িয়েছিলেন। এই ড্রোনের সাহায্যে আন্দোলনকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে তিনি র্যাব, পুলিশ এবং তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ক্যাডারদের তথ্য সরবরাহ করতেন, যা পরবর্তীতে নির্বিচার গুলিবর্ষণ ও গণহত্যায় (বিশেষ করে চাঁনখারপুল এলাকায়) ব্যবহার করা হয় ।
Former Additional Superintendent of Police (Additional SP) Ishtiaq Ahmed, who previously supervised the Digital Forensics Team under the Counter Terrorism and Transnational Crime (CTTC) unit, faces major criminal charges in Bangladesh related to human rights violations, murder, and crimes against humanity
His documented legal cases and criminal records include the following :
1. Enforced Disappearance and Custodial Death (September 2026) ::
______
According to formal charges filed in mid-September 2026, Ishtiaq Ahmed is one of five high-ranking officials implicated in the abduction, torture, and killing of a madrasa principal named Al Amin
The Allegations :
Investigators state that in January 2023, a CTTC team led by Ishtiaq Ahmed detained Al Amin and took him to the unit's Minto Road office .
2. Torture & Concealment :
The report alleges Al Amin was subjected to physical torture for 18 days, which led to his death at the Central Police Hospital. To hide the crime, his body was reportedly thrown into the Dhaleshwari River
2. International Crimes Tribunal (ICT) Arrest for Massacre (April 2025) :::
Following the fall of the Awami League government, the International Crimes Tribunal (ICT) formally ordered his arrest for crimes against humanity committed during the July–August 2024 student-led mass uprising
[ ' The Arrest : He was apprehended by law enforcement in Rangamati and sent to jail on April 29, 2025 . ' ]
[ The Charges : He is a key accused in a case involving the Chankharpul massacre. Prosecutors stated that Ishtiaq Ahmed allegedly abused his role as the supervisor of the Digital Forensics Team to fly drones over Dhaka during the protests. He allegedly used this technology to pinpoint the locations of pro-uprising activists, passing the information to the Rapid Action Battalion (RAB), other law enforcement units, and ruling party cadres to facilitate lethal crackdowns ]
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) সাবেক এডিসি ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর বর্তমান অগ্রগতি নিম্নরূপ :
১. আল আমিন হত্যা ও গুম মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) :
গাজীপুরের মাদরাসা অধ্যক্ষ আবুল হোসেন আল আমিনকে অপহরণ, ১৮ দিন কাস্টডিতে রেখে নির্যাতন ও হত্যার পর মরদেহ ধলেশ্বরী নদীতে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় তদন্ত সংস্থা সম্প্রতি তাদের তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা দেয়। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইশতিয়াক আহমেদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (Formal Charge) দাখিল করা হয়েছে। এই মামলার পরবর্তী ধাপে ট্রাইব্যুনাল-২ এ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের (Charge Framing) ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
২. চাঁনখারপুল গণহত্যা ও ড্রোন নজরদারি মামলা ::
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় ড্রোন উড়িয়ে আন্দোলনকারীদের অবস্থান শনাক্ত করে গণহত্যায় সহায়তার অভিযোগে ইশতিয়াক আহমেদকে ২০২৫ সালের ২৯ এপ্রিল রাঙামাটি থেকে গ্রেফতার করে ট্রাইব্যুনালের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়। এই মামলাটির তদন্ত এবং আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে ।
৩. ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতাকর্মীদের নির্যাতন মামলা :
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তৎকালীন ডিএমপি-র সাইবার ক্রাইম ইউনিটে আন্দোলনকারীদের তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আরেকটি তদন্ত চলছে। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এই মামলার অভিযোগকারী ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত হয়ে তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে খোঁজ নেন। ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে একাধিক ব্যক্তিকে তুলে নিয়ে একই কায়দায় নির্যাতন করার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, যা একটি ব্যাপক ও পদ্ধতিগত অপরাধ (Widespread and Systematic Offense)। এই ঘটনারও তদন্ত যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।