NS Nasim Sheikh 01

NS Nasim Sheikh 01 ꧁✨رضيتُ بالله رباً، وبالإسلام ديناً، وبمحمد ﷺ نبياً꧂
❝আমি সন্তুষ্ট আল্লাহকে প্রভু, ইসলামকে দ্বীন ও মুহাম্মদ ﷺ কে নবী হিসেবে পেয়ে, আলহামদুলিল্লাহ❞ 💕
(17)

কুরআন তেলাওয়াত শেষ করে, সকলে মহান রবের নিকট দোয়ায় মগ্ন, মাশাআল্লাহ।
10/08/2026

কুরআন তেলাওয়াত শেষ করে, সকলে মহান রবের নিকট দোয়ায় মগ্ন, মাশাআল্লাহ।

প্রেমের ভিক্ষুক হয়ো না,ভালোবাসার দাতা হও;সুন্দর মানুষ সবসময় ভালো হয় না, কিন্তু ভালো মানুষ সবসময়ই সুন্দর!
09/08/2026

প্রেমের ভিক্ষুক হয়ো না,

ভালোবাসার দাতা হও;

সুন্দর মানুষ সবসময় ভালো হয় না, কিন্তু ভালো মানুষ সবসময়ই সুন্দর!

স্ত্রী হওয়া মানে কারও দয়া নিয়ে বেঁচে থাকা নয়একটি মেয়ে বিয়ের পর নিজের পরিচিত ঘর, অভ্যাস, পরিবার আর নিরাপদ পরিবেশ ছেড়ে নতু...
08/08/2026

স্ত্রী হওয়া মানে কারও দয়া নিয়ে বেঁচে থাকা নয়

একটি মেয়ে বিয়ের পর নিজের পরিচিত ঘর, অভ্যাস, পরিবার আর নিরাপদ পরিবেশ ছেড়ে নতুন একটি সংসারে আসে। অনেক কিছু না জেনেই সে একজন মানুষকে বিশ্বাস করে। তার সঙ্গে ভবিষ্যৎ গড়ার স্বপ্ন দেখে। কিন্তু কিছুদিন পর যদি তাকে প্রতিটি প্রয়োজনের জন্য হাত পাততে হয়, নিজের সম্মানের জন্য লড়তে হয়, অসুস্থ হলেও অবহেলা সহ্য করতে হয় কিংবা স্বামীর ভালো আচরণকে নিজের অধিকার নয়, বরং বিশেষ অনুগ্রহ মনে করতে হয়—তাহলে সেই সংসার কি সত্যিই ইসলামের শেখানো সংসার?

আমাদের সমাজে অনেক স্ত্রী নিজের অধিকার জানতে চাইলেই তাকে বলা হয়, “এত হিসাব করলে সংসার হয় না।” অথচ অধিকার জানা সংসার ভাঙার শিক্ষা নয়। বরং আল্লাহ যে সীমা নির্ধারণ করেছেন, তা জানা থাকলে জুলুম কমে, দায়িত্ববোধ বাড়ে এবং সম্পর্ক আরও সুন্দর হয়।

ইসলাম স্ত্রীকে স্বামীর বাড়ির বিনা পারিশ্রমিকের কর্মচারী বানায়নি। তাকে অসম্মান করার অনুমতি দেয়নি। তার উপার্জন, সম্পদ, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা কিংবা মানসিক নিরাপত্তা কেড়ে নেওয়ার অধিকারও কাউকে দেয়নি। স্ত্রী আল্লাহর একজন সম্মানিত বান্দি, যার প্রতি স্বামীর নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে।

১. মহর স্ত্রীর প্রাপ্য, উপহার নয়

বিয়ের সময় নির্ধারিত মহর স্ত্রীর শরয়ি অধিকার। এটি তার বাবার, ভাইয়ের বা স্বামীর পরিবারের সম্পদ নয়। স্বামী সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও বছরের পর বছর মহর বাকি রেখে দিলে, বিষয়টি শুধু সামাজিক দেনা নয়; এটি স্ত্রীর একটি প্রাপ্য অধিকার আটকে রাখা।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“তোমরা নারীদের তাদের মহর আনন্দচিত্তে প্রদান করো।”
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৪।

মহর বড় অঙ্কের হতে হবে এমন নয়। কিন্তু যা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা আন্তরিকভাবে পরিশোধ করার দায়িত্ব স্বামীর। স্ত্রী স্বেচ্ছায় কিছু ছেড়ে দিলে সেটি আলাদা বিষয়; চাপ দিয়ে, লজ্জা দিয়ে বা আবেগ ব্যবহার করে তার অধিকার মাফ করিয়ে নেওয়া ন্যায়সংগত নয়।

২. সদাচরণ স্ত্রীর মৌলিক অধিকার

কিছু স্বামী মনে করেন, বাইরে আয় করছেন, সংসারের খরচ দিচ্ছেন, তাই ঘরে রুক্ষ ভাষায় কথা বললেও সমস্যা নেই। অথচ একজন পুরুষের দ্বীনদারির বড় পরীক্ষা তার ঘরের ভেতর।

আল্লাহ বলেন,

“তোমরা তাদের সঙ্গে সদ্ভাবে জীবনযাপন করো।”
সূরা আন-নিসা, আয়াত ১৯।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

“তোমাদের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে তার পরিবারের প্রতি উত্তম।”
জামে আত-তিরমিযি, হাদিস ৩৮৯৫।

স্ত্রীর সঙ্গে ভালো আচরণ মানে শুধু মাঝে মাঝে উপহার দেওয়া নয়। তার কথা মন দিয়ে শোনা, ক্লান্তি বোঝা, ভুল হলে অপমান না করা, অন্যের সামনে ছোট না করা, কঠিন সময়ে পাশে থাকা এবং রাগের সময়ও সীমা অতিক্রম না করাই সদাচরণের অংশ।

একটু ভেবে দেখুন, বাইরের মানুষের সঙ্গে কথা বলার সময় যে ভদ্রতা বজায় রাখেন, নিজের স্ত্রীর সঙ্গে কি সেই ভদ্রতাও থাকে?

৩. ভরণপোষণ স্বামীর দায়িত্ব

খাদ্য, পোশাক, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং সামর্থ্য অনুযায়ী জীবনের মৌলিক ব্যয় বহন করা স্বামীর দায়িত্ব। স্ত্রী চাকরি করেন বা তার বাবার বাড়ি ধনী—এ কারণে স্বামীর দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না।

আল্লাহ তাআলা সন্তানের পিতার ওপর মায়ের খাবার ও পোশাকের দায়িত্ব দিয়েছেন ন্যায়সঙ্গতভাবে।
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৩৩।

আবার আল্লাহ বলেন,

“সচ্ছল ব্যক্তি তার সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যয় করবে, আর যার রিজিক সীমিত, সে আল্লাহ তাকে যা দিয়েছেন তা থেকেই ব্যয় করবে।”
সূরা আত-তালাক, আয়াত ৭।

ইসলাম স্বামীকে তার সামর্থ্যের বাইরে চাপ দেয় না। কিন্তু সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও স্ত্রী ও সন্তানের প্রয়োজন উপেক্ষা করে নিজের শখ, বন্ধু কিংবা অপ্রয়োজনীয় ব্যয়ে টাকা শেষ করা দায়িত্বশীলতার পরিচয় নয়।

স্ত্রীকে প্রতিটি ছোট প্রয়োজনের জন্য অপমানিত হয়ে টাকা চাইতে হলে, সেটি কেবল অর্থের কষ্ট নয়; তার আত্মসম্মানেরও কষ্ট।

৪. উপযুক্ত ও নিরাপদ বাসস্থানের অধিকার

স্ত্রীর এমন বাসস্থানের অধিকার আছে, যেখানে তার নিরাপত্তা, পর্দা, ব্যক্তিগত পরিসর ও মানসিক শান্তি রক্ষা হয়। সবার বাস্তবতা এক নয়, তাই আলাদা বাড়ি সব অবস্থায় সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু যৌথ পরিবারে থাকলেও স্ত্রীর গোপনীয়তা ও সম্মান নিশ্চিত করা স্বামীর দায়িত্ব।

আল্লাহ বলেন,

“তোমরা তোমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যেখানে থাকো, তাদেরও সেখানে বাস করতে দাও এবং তাদের কষ্ট দেওয়ার জন্য সংকটে ফেলো না।”
সূরা আত-তালাক, আয়াত ৬।

একটি স্ত্রী যদি সব সময় ভয়, অপমান, অযাচিত হস্তক্ষেপ কিংবা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকে, তবে কেবল খাবার ও ছাদ পেলেই তার হক পূর্ণ হয়ে যায় না।

৫. ভালোবাসা, সম্মান ও মানসিক নিরাপত্তার অধিকার

আল্লাহ দাম্পত্য সম্পর্ককে শুধু দায়িত্বের চুক্তি বানাননি। তিনি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও রহমত রেখেছেন।

“তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।”
সূরা আর-রূম, আয়াত ২১।

স্ত্রীকে বারবার অন্য নারীর সঙ্গে তুলনা করা, তার চেহারা বা শরীর নিয়ে কটূক্তি করা, তার অনুভূতিকে নাটক বলে উড়িয়ে দেওয়া কিংবা নীরবতা দিয়ে শাস্তি দেওয়া মানসিক নির্যাতনের রূপ নিতে পারে।

একজন স্ত্রী সব সমস্যার সমাধান চাইতে নাও পারেন। কখনো তিনি শুধু চান, তার স্বামী মন দিয়ে শুনুক এবং বলুক, “আমি বুঝতে চেষ্টা করছি।”

ভালোবাসা শুধু মুখের বাক্য নয়। যে আচরণে মানুষ নিরাপদ বোধ করে, সেটিই ভালোবাসার প্রমাণ।

৬. সম্মান ও গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার

স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের বহু বিষয় ব্যক্তিগত। রাগের মাথায় স্ত্রীর গোপন কথা বন্ধু, পরিবার বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া বিশ্বাসঘাতকতা।

রাসূলুল্লাহ ﷺ স্বামী-স্ত্রীর অন্তরঙ্গ বিষয় মানুষের কাছে প্রকাশ করাকে গুরুতর আমানতভঙ্গ হিসেবে সতর্ক করেছেন।
সহিহ মুসলিম, হাদিস ১৪৩৭।

স্ত্রীর ফোন তল্লাশি, ব্যক্তিগত কথোপকথন ছড়িয়ে দেওয়া বা তার দুর্বলতাকে তর্কের অস্ত্র বানানো সম্পর্কের নিরাপত্তা নষ্ট করে। সন্দেহের বাস্তব কারণ থাকলে দায়িত্বশীলভাবে সমাধান খুঁজতে হবে, কিন্তু গোয়েন্দাগিরি ও অপমানকে স্বাভাবিক করা যাবে না।

৭. কোমল ও সম্মানজনক কথা শোনার অধিকার

অনেক সম্পর্ক শারীরিক আঘাতে নয়, প্রতিদিনের শব্দে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। “তুমি কোনো কাজের নও”, “তোমাকে বিয়ে করাই ভুল হয়েছে”, “আমার পরিবার তোমার চেয়ে ভালো”—এ ধরনের কথা হয়তো কয়েক সেকেন্ডে বলা হয়, কিন্তু বছরের পর বছর হৃদয়ে থেকে যায়।

আল্লাহ তাআলা স্ত্রীর সঙ্গে সদ্ভাবে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। একজন মুমিন অশ্লীলভাষী, গালমন্দকারী ও কদর্যভাষী হতে পারেন না।

রাগ হওয়া মানুষের স্বাভাবিক অনুভূতি। কিন্তু রাগকে অপমানের অনুমতি বানানো ইসলামের শিক্ষা নয়।

৮. পারিবারিক বিষয়ে পরামর্শ পাওয়ার অধিকার

সংসার দুজন মানুষের যৌথ দায়িত্ব। সন্তানদের শিক্ষা, বড় ব্যয়, বাসস্থান, ভ্রমণ, চিকিৎসা বা পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্ত্রীকে একেবারে অন্ধকারে রাখা সুস্থ দাম্পত্যের লক্ষণ নয়।

কুরআনে শিশুকে দুধ ছাড়ানোর মতো পারিবারিক বিষয়েও পিতা-মাতার পারস্পরিক সম্মতি ও পরামর্শের কথা বলা হয়েছে।
সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৩৩।

স্বামী পরিবারের দায়িত্বশীল হলেও নেতৃত্ব মানে একনায়কত্ব নয়। একজন বিচক্ষণ স্বামী স্ত্রীর মতামত শুনবেন, কারণ তিনিও এই সংসারের সমানভাবে প্রভাবিত একজন সদস্য।

৯. দ্বীন শেখা ও আমল করার সুযোগ

স্ত্রীকে প্রয়োজনীয় দ্বীনি জ্ঞান অর্জন, সালাত, কুরআন শিক্ষা এবং নেক পরিবেশ থেকে বাধা দেওয়া স্বামীর অধিকার নয়। বরং স্বামীর দায়িত্ব হলো নিজের পরিবারকে দ্বীনের পথে সহযোগিতা করা।

আল্লাহ বলেন,

“তোমরা নিজেদের ও নিজেদের পরিবারকে আগুন থেকে রক্ষা করো।”
সূরা আত-তাহরীম, আয়াত ৬।

স্ত্রী যদি কুরআন শিখতে চান, প্রয়োজনীয় মাসআলা জানতে চান বা নিরাপদ পরিবেশে দ্বীনি ক্লাস করতে চান, তাকে তুচ্ছ করা উচিত নয়। কারণ একটি দ্বীনদার স্ত্রী শুধু নিজেকেই নয়, পুরো পরিবারকে কল্যাণের দিকে টেনে নিতে পারেন।

১০. নির্যাতন ও ক্ষতি থেকে মুক্ত থাকার অধিকার

ইসলাম কোনো স্বামীকে স্ত্রীর ওপর শারীরিক, মানসিক, যৌন বা অর্থনৈতিক জুলুমের অনুমতি দেয়নি। ভুল করলে সংশোধন হবে, মতভেদ হলে আলোচনা হবে, প্রয়োজনে পরিবারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের মাধ্যমে সালিশ হবে। কিন্তু ভয় দেখানো, আঘাত করা, আটকে রাখা বা নিয়মিত অপমান করা বৈধ দাম্পত্য আচরণ নয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজের স্ত্রীদের কখনো প্রহার করেননি। তাঁর জীবন ছিল দয়া, সংযম ও সুন্দর আচরণের বাস্তব উদাহরণ।

স্ত্রীকে “সংসার বাঁচানোর” নামে জুলুম সহ্য করতেই হবে, এমন কথা ইসলাম বলেনি। নিরাপত্তা বিপন্ন হলে বিশ্বস্ত পরিবার, আলেম, কাউন্সেলর এবং প্রয়োজনে আইনি সহায়তা নেওয়া জরুরি।

১১. নিজের সম্পদের মালিক থাকার অধিকার

স্ত্রীর মহর, উপার্জন, উত্তরাধিকার কিংবা উপহার তার নিজস্ব সম্পদ। স্বামী তার অনুমতি ছাড়া তা গ্রহণ করতে পারেন না।

আল্লাহ বলেন,

“পুরুষ যা উপার্জন করেছে তার অংশ তার, আর নারী যা উপার্জন করেছে তার অংশ তার।”
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩২।

স্ত্রী সংসারে অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করলে সেটি তার সদিচ্ছা। কিন্তু তাকে বাধ্য করা বা তার অর্থকে স্বামীর স্বাভাবিক অধিকার মনে করা ঠিক নয়।

১২. একাধিক স্ত্রীর ক্ষেত্রে ন্যায়বিচারের অধিকার

ইসলাম একাধিক বিবাহের অনুমতি দিয়েছে ন্যায়বিচারের কঠিন শর্তের সঙ্গে। সময়, বাসস্থান, ব্যয় ও বাহ্যিক অধিকারগুলোতে একজন স্ত্রীকে বঞ্চিত করে অন্যজনকে অগ্রাধিকার দেওয়া জুলুম।

আল্লাহ বলেন,

“যদি তোমরা ন্যায়বিচার করতে না পারার আশঙ্কা করো, তবে একজনই।”
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৩।

বহুবিবাহ কোনো পুরুষের খেয়াল পূরণের অবাধ লাইসেন্স নয়। এটি আল্লাহর সীমার মধ্যে গুরুতর দায়িত্ব ও জবাবদিহির বিষয়।

১৩. মিথ্যা অপবাদ থেকে সুরক্ষার অধিকার

স্ত্রীর চরিত্র নিয়ে ভিত্তিহীন সন্দেহ, অপবাদ কিংবা মানুষের সামনে ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বলা ভয়াবহ অন্যায়। কুরআনে সতী নারীর বিরুদ্ধে অপবাদ দেওয়ার ব্যাপারে কঠোর সতর্কতা এসেছে।
সূরা আন-নূর, আয়াত ৪।

একজন স্ত্রীকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য তার চরিত্র নিয়ে ভয় দেখানো বা সামান্য মতবিরোধে পবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কোনো মুমিনের আচরণ হতে পারে না।

অধিকার শুধু জানার জন্য নয়, আল্লাহর সামনে জবাবদিহির বিষয়

কিছু পুরুষ হয়তো এই লেখা পড়ে ভাববেন, “তাহলে স্বামীর অধিকার কোথায়?” অবশ্যই স্বামীরও অধিকার আছে এবং স্ত্রীকেও তা পালন করতে হবে। কিন্তু এক পক্ষের অধিকার আলোচনা করলে অন্য পক্ষের অধিকার অস্বীকার হয়ে যায় না।

আজকের কথাগুলো স্ত্রীকে স্বামীর বিরুদ্ধে দাঁড় করানোর জন্য নয়। বরং স্বামীকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য, আপনার স্ত্রী আপনার সম্পত্তি নন। তিনি আল্লাহর বান্দি এবং আপনার কাছে আমানত।

হয়তো তিনি অনেক কথা বলেন না। হয়তো নিজের কষ্টকে “সংসারের স্বাভাবিক বিষয়” মনে করে চুপ থাকেন। হয়তো রাতের অন্ধকারে কাঁদেন, কিন্তু সকালে আবার সবার জন্য নাশতা তৈরি করেন। তার নীরবতাকে সন্তুষ্টি মনে করবেন না। তার সহ্যক্ষমতাকে নিজের আচরণের বৈধতা মনে করবেন না।

নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনার স্ত্রীর সবচেয়ে নিরাপদ মানুষটি কি আপনি? নাকি তিনিই আপনার ভাষা, রাগ ও আচরণকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান?

তার অধিকার পূরণ করা আপনার উদারতা নয়। এটি আল্লাহর দেওয়া দায়িত্ব। আপনি তাকে ভালো রাখলে শুধু একটি মানুষ ভালো থাকে না; একটি পরিবার শান্ত থাকে, সন্তান নিরাপদ পরিবেশে বড় হয় এবং সমাজে রহমত ছড়িয়ে পড়ে।

আর একজন স্ত্রীকেও মনে রাখতে হবে, অধিকার দাবি করতে গিয়ে অন্যায়, অপমান বা সীমালঙ্ঘনের পথ গ্রহণ করা যাবে না। জ্ঞান, হিকমাহ, সম্মানজনক আলোচনা এবং প্রয়োজন হলে বিশ্বস্ত সহায়তার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।

আল্লাহ আমাদের স্বামীদের দায়িত্বশীল, কোমল ও ন্যায়পরায়ণ করুন। স্ত্রীদের সম্মান, নিরাপত্তা ও প্রাপ্য অধিকার রক্ষা করার তাওফিক দিন। আমাদের ঘরগুলোকে ক্ষমতার লড়াই নয়, ভালোবাসা, দায়িত্ব ও রহমতের আশ্রয় বানিয়ে দিন। আমিন।

একজন স্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে কোন অধিকারটি আমাদের সমাজে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত মনে হয়? আর একজন স্বামী হিসেবে নিজের কোন দায়িত্বটি আজ নতুন করে ভাবলেন?

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্টটি শেয়ার করুন। হয়তো কোনো স্বামী নিজের আচরণ নিয়ে ভাববেন, কোনো স্ত্রী নিজের শরয়ি অধিকার জানতে পারবেন এবং একটি পরিবারে জুলুমের পরিবর্তে রহমতের সূচনা হবে।

🌿 বাস্তব জীবনের প্রশ্ন, চিন্তা ও সমস্যার ইসলামিক সমাধান পেতে আমার পেজ NS Nasim Sheikh 01 Follow করে রাখুন।

তাকে সঙ্গী করো না, যে তোমার দোষ মনে রাখে, গুণ ভুলে যায়।- হযরত আলী (রাঃ)
08/08/2026

তাকে সঙ্গী করো না, যে তোমার দোষ মনে রাখে, গুণ ভুলে যায়।
- হযরত আলী (রাঃ)

সবাই কেমন আছেন প্রিয় বন্ধুগণ❤️সবাই কে পবিত্র জুম্মা মোবারক ☺️
07/08/2026

সবাই কেমন আছেন প্রিয় বন্ধুগণ❤️

সবাই কে পবিত্র জুম্মা মোবারক ☺️

message is loud and clear!স্যালুট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়! নতজানু তোষণনীতি থেকে বের হয়ে এসে বীরত্বপূর্ণ এরকম স্পষ্ট ও দাঁতভ...
06/08/2026

message is loud and clear!

স্যালুট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়! নতজানু তোষণনীতি থেকে বের হয়ে এসে বীরত্বপূর্ণ এরকম স্পষ্ট ও দাঁতভাঙা জবাবই আশা করেছিলাম...!! ❤️

বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রায় ৫৫ বছরের ইতিহাসে ভারতের প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এত স্পষ্ট, দৃঢ় ও আপসহীন ভাষায় জারি করা সরকারি প্রতিবাদ আমাদের স্মরণে পড়ে না। এটি কেবল একটি প্রেস রিলিজ নয়, বরং স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে বাংলাদেশের জনগণের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন।

এই প্রতিবাদী অবস্থানের জন্য আমরা Honorable Prime Minister Tarique Rahman এর সরকারকে সাধুবাদ জানাই এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যে কোনো ন্যায়সঙ্গত ও মর্যাদাপূর্ণ কূটনৈতিক পদক্ষেপের প্রতি আমাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি,যেখানে শাসক বদলায় কিন্তু মানুষের ভাগ্য বদলায় না।
05/08/2026

আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি,যেখানে শাসক বদলায় কিন্তু মানুষের ভাগ্য বদলায় না।

একবার শুধু ভাবো..!🤔মাঝরাতে আমি তোমার বাড়ি এসে পৌছালাম,তুমি দরজা খুলে আমাকে দেখতে পেলে,দুজনে বারান্দায় এসে বসলাম।গল্প ক...
03/08/2026

একবার শুধু ভাবো..!🤔

মাঝরাতে আমি তোমার বাড়ি এসে পৌছালাম,
তুমি দরজা খুলে আমাকে দেখতে পেলে,
দুজনে বারান্দায় এসে বসলাম।

গল্প করলাম ভোর ৩ টা পর্যন্ত।
হঠাৎ তোমার ফোন বেজে উঠলো, ফোন ধরার জন্য রুমে গিয়ে জানতে পারলে আমি রাত ১১ টায় মারা গেছি।
তুমি কি আবার বারান্দায় আসবে..!💝🕊️

#অনুভূতি

তাকদিরে...কি আছে যানি না, তবে আল্লাহর  উপর এক বুক বিশ্বাস আর ভরসা  আছে, তিনি হয়তো কোন একদিন  আমাকেও শ্রেষ্ঠ কিছু দান কর...
02/08/2026

তাকদিরে...
কি আছে যানি না, তবে আল্লাহর
উপর এক বুক বিশ্বাস আর ভরসা
আছে, তিনি হয়তো কোন একদিন
আমাকেও শ্রেষ্ঠ কিছু দান করবেন।
ইন'শা'আল্লাহ।☺️

Address

Dhaka
1339

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NS Nasim Sheikh 01 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share