14/08/2026
ময়মনসিংহ নগরের মাসকান্দা এলাকায় আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সামনে প্রকাশ্যে দিবালোকে দোকানে ঢুকে মো. রাব্বী (২৭) নামের এক যুবককে কু/পি/* হ/ত্যা/র ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মাসকান্দা পাসপোর্ট অফিসের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতেই নগরের রঘুরামপুর এলাকা থেকে এ ঘটনায় প্রধান আসা/মি আবদুল খালেক (২৭) নামের এক যুবককে গ্রে/প্তার করেছে র্যাব-১৪। পুলিশ বলছেন,দীর্ঘ দিনের জমিজমার বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরেই পরিকল্পিতভাবে এ হ/ত্যা/কাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করে র্যাব।
নি/হত রাব্বি (২৫) নগরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের জেলা পরিষদ হাইস্কুল রোডের মোড়লবাড়ি এলাকার মোবারক হোসেনের ছেলে। তিনি মাসকান্দা এলাকার আকাশ কম্পিউটারে চাকরি করতেন। এদিকে গতকাল হ/ত্যা/কাণ্ডের পর সন্ধ্যায় অ/ভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাড়িঘরে আ//গুন দেন বি/ক্ষু/ব্ধ এলাকাবাসী। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস গিয়ে আ/গুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
র্যাব আরও জানায়, ২০১৮ সালে রাব্বির পক্ষের লোকজন খালেকের বাবা ফজলুল হককে মা/র/ধর করেছিলেন এবং তার একটি হা/ত বি/চ্ছি/ন্ন করে দেওয়া হয়েছিল বলে খালেক দাবি করেছেন। ওই ঘটনার জেরে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিনের ক্ষো/ভ ছিল। এর কোন বিচার হয়নি তখন।
এছাড়া রাব্বির পক্ষের লোকজন এলাকায় ভবন নির্মাণসহ বিভিন্ন কাজে চাঁদা দাবি করতেন বলেও তিনি অভিযোগ করেছেন। এসব ক্ষো/ভ থেকে তিনি হ/ত্যা/কাণ্ড ঘটিয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। তবে খালেকের এসব অভিযোগের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি র্যাব। অন্য কোনো পক্ষের বি/রোধ বা সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
নি/হত রাব্বির এক স/ন্তান এবং আরেকজন এখনও পৃথিবীর আলোই দেখিনি,তার আগেই তার বাবা নেই।
সংবাদ সম্মেলন শেষে ছবি তোলার সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিভিন্ন কথা বলেন গ্রে/প্তার আবদুল খালেক। এ সময় নিজের বাবাকে কু/পি/* আহ/ত করার প্রতিশোধ নিতে রাব্বিকে তিনি কু/পি/* হ//ত্যা করেছেন বলে জানান।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে আবদুল খালেক বলতে থাকেন, ‘শিক্ষিত মানুষ আমি। আমার কি কথা আছিল এইনো আওয়ার? আপনাগর কাজ যদি আপনারা সঠিক করতাইন, তাইলে আমার এইন আগুন লাগত না, বুঝ্ছইন না। স/ন্ত্রা/সী মা//র/ছি, আমার বাপেরে কো/পাই/ছে, আমিও কো//পা//ইছি।’
নিজের বাড়িঘর পু/ড়ি/য়ে দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরে আবদুল খালেক বলেন, ‘আমার বাড়িঘর পুড়া/ইছে, লুটপা/ট করছে কে? কোনো আইনের লোক তো বাঁচাইতে পারল না। যেইডি নিরীহ, হেইডির ওপরেই জু/লুম; সবলগোরে পাইতো না। আমি বাইরইতে পারলে তাদের কপালে শনি আছে, যারা আমার বাড়িঘর পু//ড়াইছে।’
নি/হত রাব্বির বিরুদ্ধে চাঁ/দাবাজির অভিযোগ তুলে খালেক আরও বলেন, ‘হে (রাব্বি) প্রত্যেক দোকান থাইকা ২০০ টাকা করে চাঁদা তুলত। যারা না দিত, হেরেই মা/ইরা বইতো। আমি কখনো চাঁ/দাবাজি করি নাই। আমার এলাকায় গিয়া জিজ্ঞেস করে দেখেন। মার/ছি আমরা দুই ভাইয়েই। আঙ্গর বেশি লোক লাগে নাকি, আঙ্গর কি কইলজা নাই? আমার বাপেরে ওরা ১৫ জনে মিইল্লা কো//পাইছে আর আমরা দুই ভাইয়ে মিইল্লা ওরে কো//পাইছি।’