Green Channel24

Green Channel24 Editor Green Channel24. Dhaka Bangladesh

Messi The Great....
03/09/2026

Messi The Great....

রাখে আল্লাহ মারে কে???????.…........২০১৬ সালে নাইজেরিয়ার একটি গ্রামের ধুলোমাখা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এক হাড়-কঙ্কাল শিশুর ...
16/03/2026

রাখে আল্লাহ মারে কে???????.…........

২০১৬ সালে নাইজেরিয়ার একটি গ্রামের ধুলোমাখা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা এক হাড়-কঙ্কাল শিশুর ছবি পুরো বিশ্বকে কাঁদিয়েছিল। মাত্র ২ বছর বয়স, ওজন মাত্র ৩ কেজি। নিজের বাবা-মা তাকে "ডাইনি" অপবাদ দিয়ে রাস্তায় মরতে ফেলে গিয়েছিল। তারা বিশ্বাস করতো, এই শিশুটি তাদের পরিবারের জন্য অভিশাপ।
​কিন্তু নিয়তি ছিল অন্যরকম। ডেনিশ মানবতাকর্মী Anja Ringgren Lovén তাকে খুঁজে পান। নিজের হাতে পানি আর বিস্কুট খাইয়ে যমদূতের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনেন তাকে। পরম মমতায় তার নাম রাখা হয়—'Hope' (আশা)। কারণ সেই মুহূর্তে বেঁচে থাকার জন্য কেবল 'আশা'টুকুই ছিল সম্বল।
​আজ সেই হোপ-এর রূপান্তর দেখে বিশ্ব অবাক:
​অন্ধকার পেরিয়ে: যে শিশুকে একসময় 'অভিশাপ' ভাবা হয়েছিল, আজ সেই শিশুটিই হাজারো মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা।
​সাফল্যের শিখরে: ২০২৫ সালে সে প্রাইমারি স্কুলে ক্লাসের সর্বোচ্চ নম্বর নিয়ে পাস করেছে!
​ভবিষ্যৎ স্বপ্ন: হোপ এখন একজন উদীয়মান শিল্পী। তার সৃজনশীলতার জন্য শিক্ষকরা তাকে ভালোবেসে ডাকেন "Little Picasso"।
​আঞ্জা রিংগ্রেন লোভেন-এর "Land of Hope" আশ্রম প্রমাণ করে দিয়েছে, ঘৃণা নয়, ভালোবাসাই পারে পৃথিবীর রূপ বদলে দিতে। হোপ-এর এই সাফল্য কেবল একটি ডিগ্রি নয়, এটি কুসংস্কারের বিরুদ্ধে মানবতার এক বিশাল বিজয়।
​অন্ধকার যতই গভীর হোক, আশার আলো কখনো নেভে না। মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা বেঁচে থাকুক চিরকাল। ❤️

ঈসা (আঃ) যখন নবুয়ত প্রাপ্ত হোন এবং আল্লাহর একত্ববাদের দাওয়াত পৌঁছিয়ে দিতে থাকেন। তখন ইহুদিরা এটিকে সামাজিক আচার ভঙ্গ ও ভ...
12/03/2026

ঈসা (আঃ) যখন নবুয়ত প্রাপ্ত হোন এবং আল্লাহর একত্ববাদের দাওয়াত পৌঁছিয়ে দিতে থাকেন। তখন ইহুদিরা এটিকে সামাজিক আচার ভঙ্গ ও ভণ্ডামি হিসেবে গণ্য করে। তারপর ইহুদিরা ঈসা (আঃ) কে হত্যা করার জন্য ঔদ্ধত্য হয়। তারপর আল্লাহ তাকে আসমানে তুলে নিয়ে যান এবং তাদের মধ্য একজনকে ঈসা (আঃ) এর প্রতিরূপ দান করেন, তারপর তারা তাকে হত্যা করে উল্লাসে মেতে উঠে।

এই ঘটনাটিকে খ্রিষ্ট ধর্মে ঈসা (আঃ) এর জায়গায় ব্যাক্তিটিকে জেসুস ক্রিস্ট নামে উল্লেখ করা হয়েছে। খ্রীস্টানরা তারা তাকে ঈশ্বরপুত্র ও প্রধান ধর্মীয় গড হিসেবে মানে। আর ইহুদিরা সেই জেসুস ক্রিস্টকে ক্রুশবিদ্ধ করে হত্যা করেছে। এই জন্যই খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীরা ইহুদিদের অভিশপ্ত মনে করে। এছাড়া ইহুদিদের সামাজিক আচার ও কার্যকলাপ সামাজিক স্ট্যান্ডার্ডে পড়েনা। যার ফলে পৃথিবীর অধিকাংশ সম্প্রদায় এদের অপছন্দের চোখে দেখে। ইহুদিদের সবচেয়ে নির্যাতন ও অত্যাচার করতো ইউরোপীয় অঞ্চলের খ্রিষ্ট ধর্মের অনুসারীরা। হিটলারের দ্যি হলোকাস্ট থিওরি কারো অজানা নয়। সমগ্র ইউরোপে যখন এদের অবলীলায় হত্যা করছিল তখন আরবের ফিলিস্তিনি মুসলমানরা মানবতার চোখে তাদের মানবিক আশ্রয় দেয়। আর সে ইহুদিরাই এখন ফিলিস্তিদের মেরে ধ্বংস করে ফিলিস্তিনের পতাকাকে কেড়ে নিচ্ছে।

একমাত্র আমেরিকা ব্যাতিত ইসরায়েলের সাথে কেউ সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করে তুলেনি। আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্যের জন্য তাদের বেছে নিয়েছে, ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য আমেরিকার সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করেছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে এরা ঐতিহাসিক ও সামাজিকভাবে অভিশপ্ত জাতি। এদের যারা সাহায্য ও মানবিকতার চোখে দেখেছে তারাই ধ্বংসে পরিণত হয়েছে। ইহুদীবাদ থিওরিতে আবদ্ধ থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্য দ্রুতই অবসান হতে চলেছে। ইতিহাস চুপ করে থাকেনা, ইতিহাস পুনরাবৃত্তি ঘটে।

02/03/2026
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে 'কিপটে' রাষ্ট্রপতি। ।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।@@@ তাঁর এই কিপটেমি নিজের জন্য ছিল না, ছিল দেশের মা...
02/03/2026

বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে 'কিপটে' রাষ্ট্রপতি। ।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।
@@@ তাঁর এই কিপটেমি নিজের জন্য ছিল না, ছিল দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকার অপচয় রোধ করার জন্য। তিনি আর কেউ নন—

তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ। ক্ষমতার মোহ যাঁকে কখনো স্পর্শ করতে পারেনি, সততা আর মেধা দিয়ে যিনি জয় করেছিলেন কোটি মানুষের হৃদয়।

​রাষ্ট্রপতি হয়েও প্রয়োজন ছাড়া তিনি বঙ্গভবনে আসতেন না। এমনকি বিদেশে থাকা ছেলের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপের ১৭০০ টাকা টেলিফোন বিল তিনি নিজের পকেট থেকে দিয়েছিলেন, অথচ নিয়ম অনুযায়ী তা রাষ্ট্রের দেওয়ার কথা ছিল।

তাঁর টেবিলে কখনো কোনো ফাইল জমা পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। দায়িত্ববোধের দিক থেকে তিনি ছিলেন এক বিরল দৃষ্টান্ত।

​১৯৯০ সালে স্বৈ'রা'চা'রে'র প'ত'নে'র পর যখন দেশ এক ক্রান্তিকাল পার করছিল, তখন সব রাজনৈতিক দল একবাক্যে তাঁকেই অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে চেয়েছিল।

তিনি শর্ত দিয়েছিলেন,
একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিয়ে তিনি আবার তাঁর প্রধান বিচারপতির চেয়ারে ফিরে যাবেন। তাঁর সেই শর্ত পূরণ করতে পরবর্তীতে সংবিধানে একাদশ সংশোধনী আনতে হয়েছিল।

​রাষ্ট্রপতি হিসেবে পাওয়া দামী সব উপহার তিনি নিজের জন্য না রেখে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়ে দিতেন। বঙ্গভবনে অপ্রয়োজনীয় পদ বাতিল করে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করেছিলেন। তিনি ছিলেন পুরোপুরি দলকানামুক্ত একজন মানুষ।

যার ফলে ২০০১ সালের নির্বাচনের পর তাঁর বিখ্যাত সেই আক্ষেপটি আজও মনে পড়ে— "তাদের কথায় সায় দিলে আমি ফেরেশতা, না দিলে শয়তান!"

​২০২২ সালের ১৯শে মার্চ ৯২ বছর বয়সে এই উজ্জ্বল নক্ষত্রটি না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। আজকের দিনে ক্ষমতার চেয়ারে বসে যাঁরা দু'র্নী'তি'র মহোৎসবে মেতে ওঠেন, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ তাঁদের জন্য এক বড় চ'পে'টা'ঘা'ত।

ক্ষমতার মঞ্চে অনেক নেতা আসেন, অনেক নেতা যান, কিন্তু শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রমাণ করে গেছেন সততা আর দায়িত্ববোধ থাকলে ক্ষমতার মোহ কাউকে অ'ন্ধ করতে পারে না।

​আমাদের দেশে কি আর কখনো এমন নির্লোভ ও সৎ রাষ্ট্রনায়ক আসবে? এই মহান মানুষটির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো।

​-সংগৃহীত।

নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী-মালামাল বহনের অভিযোগে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা                                                ...
26/02/2026

নৌপথে অতিরিক্ত ভাড়া ও যাত্রী-মালামাল বহনের অভিযোগে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা
- নৌপরিবহন মন্ত্রী
ঢাকা, ১৩ ফাল্গুন (২৬ ফেব্রুয়ারি):
পবিত্র ঈদুলফিতর ২০২৬ উপলক্ষ্যে নৌপথে ঘরমুখো মানুষের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সরকার সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে আজ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সভাপতিত্বে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থাসমূহকে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
সভায় মন্ত্রী বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে নৌপথে যাত্রীচাপ বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এ পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তা, নিরাপদ যাত্রা ও স্বস্তি নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। ঢাকার জিরো পয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত সড়ক ১৫ রমজান থেকে ঈদের পর তৃতীয় দিন পর্যন্ত যানজটমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সদরঘাট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, যাত্রী নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ট্রাফিক পুলিশ, নৌপুলিশ, আনসার ও কমিউনিটি পুলিশ সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করবে।
নৌদুর্ঘটনা প্রতিরোধে ১৬ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত দিনে-রাতে সার্বক্ষণিক বালুবাহী বাল্কহেড ও ডিঙ্গি নৌকা চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। রাতের বেলায় স্পিডবোট চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং দিনের বেলায় স্পিডবোটে যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট পরিধান নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ১৭ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও দ্রুত পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক ব্যতীত সাধারণ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান ফেরিতে পারাপার বন্ধ রাখা হবে, যাতে যাত্রী পরিবহন নির্বিঘ্ন থাকে।
মন্ত্রী জানান, কোনো অবস্থাতেই অনুমোদিত ভাড়ার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না এবং লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বা মালামাল বহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃক অনুমোদিত ভাড়ার তালিকা সকল নদীবন্দর, টার্মিনাল, ঘাট ও নৌযানে দৃশ্যমানভাবে প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নৌযানের রুট পারমিট ও লাইসেন্স বাতিলসহ মালিক ও চালকের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও স্পিডবোট ঘাটে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।
অভ্যন্তরীণ নৌপথে ফিটনেসবিহীন নৌযান ও ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সকল নৌযানকে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলাচল নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে এবং সিরিয়াল ভঙ্গ বা অনিয়মের ক্ষেত্রে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নদীর মাঝপথ থেকে যাত্রী উঠানো বন্ধে কঠোর নজরদারি থাকবে। নৌপথে ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও যাত্রী হয়রানি প্রতিরোধে বিশেষ করে রাতের বেলায় টহল জোরদার করা হবে।
যাত্রী নিরাপত্তা জোরদারে ১৫ রমজান থেকে ঈদের পর তৃতীয় দিন পর্যন্ত প্রতিটি লঞ্চে ন্যূনতম চারজন আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের সমন্বয়ে প্রত্যেক ঘাট এলাকায় ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হবে। পাশাপাশি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে মনিটরিং টিম গঠন করে সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি করা হবে।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা ও দপ্তরকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ প্রদান করে বলেন, ঈদযাত্রায় কোনো ধরনের অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা সহ্য করা হবে না। জরুরি প্রয়োজনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এবং যাত্রীসেবা সংক্রান্ত বিষয়ে বিআইডব্লিউটিএ’র হটলাইন ১৬১১৩ নম্বরে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সভায় প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও মোঃ রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া নৌপরিবহন সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং অধীন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ, জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ পুলিশ, কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।
#

সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।মাহে রমজানের এই পড়ন্ত বিকেলে শ্রদ...
25/02/2026

সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

মাহে রমজানের এই পড়ন্ত বিকেলে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের, ৯০’র গণআন্দোলন এবং ২৪’র গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাতবরণকারী সকল ছাত্র-জনতাকে। গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শাহাদাতবরণকারী ৫৭ জন দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন বীর শহীদকে। আমি তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত শহীদ পরিবারবর্গের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি; জাতির ইতিহাসে এক রক্তাক্ত ও বেদনাবিধুর দিন। এই দিনটি এলে প্রকৃতি যেন আবার স্মৃতি ও শোকের ভারে নীরব হয়ে যায়, বাতাসে ভেসে আসে সেই বিভীষিকাময় মূহুর্তের আর্তনাদ। আমাদের হৃদয় গভীর বেদনায় ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির এই নির্মম ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনে এক গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে যার বেদনা সময় পেরিয়ে আজও বহমান।
ঘটনার দীর্ঘ ১৭ বছর পরে শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত এই প্রাঙ্গণে আজ আমার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসছে।
আমি কেবল একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে নয়, একজন সেনা পরিবারের সদস্য হিসেবে, একজন সহযোদ্ধার সন্তানের মতো আপনাদের সামনে উপস্থিত হয়েছি। ২০০৯ সালের সেই বিভিষীকাময় ঘটনায় ৫৭ জন মেধাবী ও দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তাসহ সর্বমোট ৭৪টি প্রাণ ঝরে গিয়েছিল। প্রতিটি নাম একটি পরিবারের আলো নিভে যাওয়ার গল্প, প্রিয়জন হারানোর বেদনাবিধুর অধ্যায়, একটি সন্তানের পিতৃহীন হওয়ার ইতিহাস, একটি স্বপ্নের অসমাপ্ত মহাকাব্য।
আমি দেশে প্রত্যাবর্তনের পরপরই বনানী সামরিক কবরস্থানে গিয়ে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আমি উপলব্ধি করেছি- গত ১৭ বছরে আপনাদের দুর্বিষহ সংগ্রাম, অপরিসীম ত্যাগ আর দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পাওয়ার নিদারুণ যন্ত্রনা।
আমি বিশ্বাস করি, পিলখানার ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্মরণ করা আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকে ইতিহাসে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা না দিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না। তাই সেনাবাহিনী ও আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করে ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারির স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে বর্তমান সরকার কাজ করবে।
আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর শিকড় আমাদের স্বাধীনতার ইতিহাসে প্রোথিত। ১৯৭১ সালের যেদিন চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন সেদিন সেনাবাহিনীর সাথে তদানীন্তন ইপিআরের সদস্যবৃন্দ বেতারকেন্দ্রে দায়িত্বে নিয়োজিত থেকে গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনালগ্ন থেকে সেনাবাহিনীর সাথে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে চলেছে। পরবর্তীকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সুসংহত করতে বিশেষ গুরুত্বারোপ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজ শুরু করেন। সেনাবাহিনী থেকে যোগ্য ও মেধাবী অফিসারদের প্রেষণে প্রেরণের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়। ১৯৭৮ সালে এই বাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ঘটনা হলো সামরিক কায়দায় নতুন করে পুনর্গঠিত হওয়া। পূর্বের উইংসমূহকে পরিবর্তন করে ব্যাটালিয়নে রূপান্তর করা হয়। দুইটি নতুন ব্যাটালিয়ন সংযোজন করে বাহিনীর সংগঠনকে পরিবর্ধিত করা হয়। দীর্ঘ সংগ্রামের পর আজ জনগণের রায়ে নির্বাচিত সরকার দেশ পরিচালনা করছে। দেশের প্রশ্নে আমরা সীমান্ত বাহিনীকে আরও আধুনিক ও সুসংহত করব। আমাদের সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাগত উৎকর্ষতায় সীমান্তে দায়িত্ব পালন করবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ও স্বাধীনতা পরবর্তী দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর রয়েছে গৌরবোজ্জল ইতিহাস। সেনাবাহিনী আমাদের সার্বভৌমত্বের প্রতীক। আমি মনে করি, পিলখানার এই মর্মান্তিক ঘটনা ছিল আমাদের সার্বভৌমত্বকে নস্যাৎ এর একটি অপপ্রয়াস। পিলখানার ঘটনার পরিক্রমায় আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোর দুর্বলতা ফুটে ওঠে। তাই বহির্বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও আধুনিক, সময়োপযোগী ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমাদের সরকার কাজ করবে। একই সাথে শহীদ পরিবারের সদস্যদের কল্যাণে তাদের সন্তানদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও আমরা পুনর্ব্যক্ত করছি।
মাহে রমজান আমাদের সংযম ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি- তিনি যেন শহীদদের আত্মাকে শান্তিতে রাখেন, তাঁদের পরিবারকে ধৈর্য্য ও শক্তি দান করেন এবং আমাদের রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানসমূহকে ন্যায়, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধের পথে পরিচালিত করেন।
আল্লাহ আমাদের দেশকে হেফাজত করুন।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।

10/02/2026

First half Farashgang 0-2 Police

With Syeda Ayesha Jannati – I'm on a streak! I've been a top fan for 9 months in a row. 🎉
19/01/2026

With Syeda Ayesha Jannati – I'm on a streak! I've been a top fan for 9 months in a row. 🎉

Address

Khilgaon, Dhaka1219
Dhaka
1229

Telephone

+8801308655211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Green Channel24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Green Channel24:

Shortcuts

Share