Bangla Jokes

Bangla Jokes This Jokes Page is dedicated for all Jackson It World Net(Boyra, Khulna) students.

01/10/2013

পরীক্ষার আগের রাত ১৯৯৯

পরীক্ষার আগের রাত একজন পরীক্ষার্থীর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই রাতের প্রতিটি মিনিট ঠিকমতো কাজে লাগাতে হবে। পরীক্ষার সফলতা অনেকটাই নির্ভর করে এই রাতের ওপর।
কোনোভাবেই পরীক্ষার আগে নতুন করে কিছু শেখা উচিত নয়। নতুন কিছু শিখলে পুরোনো পড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। এই রাতে শুধু পুরোনো পড়াগুলোতে চোখ বুলিয়ে নিতে হবে।
পরীক্ষার আগের রাতে বেশিক্ষণ জেগে থাকাও ঠিক নয়। দ্রুত পড়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়া উচিত। ভালো ঘুম হলে পরের দিন মাথা ঠান্ডা থাকবে।
পরের দিন ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে ভালো কাপড়চোপড় পরে তারপর ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষার হলে ঢুকতে হবে।
এভাবেই একজন ছাত্রের পক্ষে ভালো ফল করা সম্ভব।


পরীক্ষার আগের রাত ২০১৩
পরীক্ষার আগের রাত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই রাতে কোনোভাবেই ঘুমানো যাবে না।
আগে যেহেতু কিছু পড়া হয়নি, তাই এই রাতেই পড়তে হবে, যতটুকু পারা যায়।
পড়তে বসার আগে পাশে সাজেশন নিয়ে বসলে ভালো হয়।
এই রাতে গার্লফ্রেন্ডকে বেশি সময় না দেওয়াই ভালো। গার্লফ্রেন্ড বেশি প্যান প্যান করলে ১২টার পরে ১৫ মিনিট কথা বলে ফোন অফ করে রেখে দিতে হবে।
এই রাতে ফেসবুকেও বেশি সময় অপচয় করা যাবে না। তবে খাওয়ার পরে একবার ফেসবুক লগইন করে একটা স্ট্যাটাস দেওয়া যেতে পারে—উফ ফ্রেন্ডজ, এখনো সব বাকি!
ভোররাতের দিকে আধঘণ্টার জন্য ঘুমানো যেতে পারে। ঘুম থেকে উঠে কোনোরকমে বাথরুম থেকে এসে বাথরুমের স্যান্ডেল পরেই পরীক্ষার হলের দিকে দৌড়াতে হবে।
এভাবেই একজন ছাত্রের পক্ষে ভালো ফল করা সম্ভব।
সংকলিতঃ http://www.prothom-alo.com

24/7 news update, Be the first to know what is happening right now from Bangladesh and world wide. Read Prothom Alo, most popular bangla daily newspaper. সবার আগে ২৪/৭ বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ জানতে পড়ুন প্রথম আলো, সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা দৈনিক পত্রিকা.

12/02/2013

Bangla Jokes

This Jokes Page is dedicated for all Jackson It World Net(Boyra, Khulna) students.

28/01/2013

একটি বাসররাতের গল্প এবং একটি সৃজনশীল প্রশ্ন
নতুন বউ গুটিসুটি মেরে খাটে বসে আছে। সারা দিন অনেক ধকল গেছে। তাই এখন খুব ক্লান্ত সে। তার পরেও মনের কোণে কোথায় যেন খেলা করছে ভীষণ আনন্দ। কেনই বা আনন্দিত হবে না? অনেক বছর অপেক্ষার পর সে তার রাজপুত্রের দেখা পেয়েছে। এটা কি কম খুশির কথা?
কিন্তু রাজপুত্র বাসরঘরে আসতে এত দেরি করছে কেন? কোনো সমস্যা হয়নি তো আবার? নতুন বউয়ের কপালে একটু দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ল।
হঠাৎ কার পায়ের আওয়াজ! নতুন বউ লাজুক মুখ নিয়ে আড়চোখে দরজার দিকে তাকাল।
হ্যাঁ। ছোট ছোট পা ফেলে আসছে তার বর।
কিন্তু একি! বর তার পাশে এসে না বসে ঘরের এক কোনায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল কেন? কী হলো তার? তাকে এমন বিধ্বস্ত লাগছে কেন? সে কি কোনো কথা বলবে না?
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল বউ।
কিন্তু না, বর তখনো নীরব। শেষমেশ নতুন বউ লজ্জা ভেঙে নিজেই জিজ্ঞেস করে ফেলল, ‘এই যে! শুনছ? তোমার কি শরীর খারাপ লাগছে?’
কোনো উত্তর এল না বরের কাছ থেকে।
বউ আবার জিজ্ঞেস করল, ‘কী ব্যাপার? কিছু বলো!’
গম্ভীর কণ্ঠে জবাব দিল বর, ‘আমি এ ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করব না।’
নতুন বউ ভয় পেয়ে গেল। কী ব্যাপার? বিয়ের রাতেই ঝগড়া! লক্ষণ তো ভালো ঠেকছে না!
বউ বলল, ‘মানে কী? প্লিজ, এমন না করে কিছু বলো। কী হয়েছে?’
আবার উত্তর দিল বর, ‘জীবনেও না। কোনো মন্তব্য করব না আমি।’
বউ এবার একটু রাগ করল, ‘কিন্তু কেন? আমার কী অপরাধ? কী করেছি আমি?’
বর এবার অন্যদিকে তাকিয়ে জবাব দিল, ‘এই বিয়ে হয় নাই।’
বউ হুংকার দিয়ে উঠল, ‘মানে? আমি নিজে কবুল বলেছি। তুমিও বলেছ। তাহলে বিয়ে হয় নাই মানে কী? উল্টাপাল্টা বলছ কেন?’
‘একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের বিয়ে হতে হবে। তা না হলে আমি বিয়ে মানি না। মানব না।’ নির্লিপ্ত কণ্ঠে বরের জবাব।

পরিশেষ
বাসররাতেই ওই বরকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দিয়ে বউ বাপের বাড়ি চলে গেছে। ভণ্ডদের সে বড় ঘৃণা করে।
এদিকে ওই বরের পরে আর বিয়ে হয়নি। ‘স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের’ বিয়ে আর বউ খুঁজতে খুঁজতেই তার যৌবন কেটে গেছে।

সৃজনশীল প্রশ্ন
ক) ওই বরের পরিচয় দাও।
খ) ‘স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের বিয়ে’ বলতে কী বোঝো?
গ) আলোচ্য অনুচ্ছেদে বরের শরম আছে বলে তুমি মনে করো কি? না থাকলে কেন নেই?

ব্রিটিশ টেলিকমে সফটওয়্যারের স্থপতি১৯৯৪-৯৫ সালের কথা। ইন্দিরা রোডে দি সেইফওয়র্ক্স নামে একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে মাঝে...
27/01/2013

ব্রিটিশ টেলিকমে সফটওয়্যারের স্থপতি

১৯৯৪-৯৫ সালের কথা। ইন্দিরা রোডে দি সেইফওয়র্ক্স নামে একটি সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে মাঝেমধ্যেই ঢাউস আকারের একটি কম্পিউটার নিয়ে হাজির হতো গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি স্কুলের এক ছাত্র। কোনো গেম বা মজার কোনো সফটওয়্যার নয়, সে আসত প্রোগ্রাম লেখার সফটওয়্যার কম্পিউটারে ভরে নিতে বা কোনো সমস্যা নিয়ে কথা বলতে। কিশোর বয়সেই সে এক বাঘা কম্পিউটার প্রোগ্রামার। সেই স্কুলছাত্র ওমর আল জাবির এখন ব্রিটিশ টেলিকমের (বিটি) সফটওয়্যার-অ্যাজ-আ-সার্ভিসের (স্যাস) চিফ আর্কিটেক্ট। খুব রাশভারী পদ, কিন্তু ওমরের বয়স এখন মাত্র ৩১ বছর।
তিন বছর আগে ব্রিটিশ টেলিকমে যোগ দিয়েছেন ওমর আল জাবির। এর অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বিটি রিটেইলের মাধ্যমে বিটি ইংল্যান্ডে ইন্টারনেট, টিভি, ফোন, সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা দেয়। এই সেবা দেওয়ার জন্য যত কম্পিউটার সিস্টেম রয়েছে সেগুলোর স্থাপত্যশৈলী তৈরি, দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ওমর আল জাবিরের ওপর।
নিজের কাজ সম্পর্কে বলেন, ‘সফটওয়্যার আর্কিটেক্টরা সফটওয়্যারের প্রতিটি খুঁটিনাটি ডিজাইন করে প্রোগ্রামার বা সফটওয়্যার নির্মাতাকে বলে দেয় কীভাবে সেটি বানিয়ে, পরীক্ষা করে গ্রাহককে দিতে হবে। আমার কাজ হচ্ছে, এই প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যার আর্কিটেক্টদের প্রধান হিসেবে তাদের দলটাকে চালানো।’
২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশনা সংস্থা ও’র‌্যালি বিল্ডিং আ ওয়েব ২.০ পোর্টাল উইথ এএসপি ডট নেট ৩.৫ নামে ওমরের লেখা বই প্রকাশ করে। এই বই পড়ে ব্রিটিশ টেলিকমের একজন পরিচালক ওমরকে আমন্ত্রণ জানান কিছু সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরি করে দিতে। ওমর বলেন, ‘তিন মাসে একটি সিস্টেম তৈরি করে দিই, যার জন্য বিটি একটি বিরাট কাজে জিতে যায়। তারপর আমাকে চিফ আর্কিটেক্ট বানানো হয়।’
বেশ কয়েক বছর আগে ‘পেইজ ফ্লেক্স’ নামে একটা বিশেষ ওয়েবসাইট (যা স্টার্ট-আপ পেইজ নামে পরিচিত) প্রযুক্তি দুনিয়ায় ঝড় তোলে। এর নির্মাতা ওমর আল জাবির। স্টার্ট-আপ পেইজ হচ্ছে একধরনের ওয়েবসাইট, যেখানে ব্যবহারকারী নিজেই ঠিক করে দিতে পারবেন কোন ওয়েবসাইট থেকে কী তথ্য নিয়ে এই সাইটের কোথায়, কখন, কীভাবে দেখাতে হবে। প্রতি ১০ মিনিট পর পর ব্যবহারকারীর ওয়েবসাইটকে হালনাগাদ তথ্য দিয়ে সাজিয়ে দেয় এই পেইজ ফ্লেক্স।
একজন জার্মান বিনিয়োগকারীর সহায়তায় ২০০৫ সালে পেইজ ফ্লেক্স চালু করেন ওমর। বললেন, ‘২০০৬ সালে গুগল, ইয়াহুকে হারিয়ে দিয়ে এক নম্বর “স্টার্ট পেইজ” ওয়েবসাইটের পুরস্কার পাই আমরা। দুই বছরের মধ্যে আমরা প্রায় ২০ জন বাংলাদেশি, দুজন জার্মান ও পাঁচজন মার্কিন নাগরিকের একটি কোম্পানিতে পরিণত হই। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বেঞ্চমার্ক ক্যাপিটাল এতে ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগ করে।’ ২০০৮ সালে ই-ইউনিভার্স এই সাইট কিনে নেয়। পরে নিউজ করপের কাছে এটি ৬৪ কোটি ডলারে বিক্রি করে ওই প্রতিষ্ঠান।
ওমর আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (এআইইউবি) থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি নেন। এখন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সফটওয়্যার প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়ছেন। একই সঙ্গে ডিগ্রি নিচ্ছেন ইসলামি শিক্ষা বিষয়েও। তাঁর স্ত্রী সাকীও একজন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ। তিনি সফটওয়্যারের মাননিয়ন্ত্রণ প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করেন।
কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের শুরুটা নিয়ে ওমর আল জাবির বললেন, ‘তখন আমার বয়স ছিল নয় বছর। সে সময় মাসিক কম্পিউটার জগৎ পড়ে আমার মাথা ঘুরে যায়। তার পর থেকে কম্পিউটার নিয়ে পড়াশোনা শুরু করি।’ ১০ বছর বয়সে বাংলাদেশের প্রথম প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় ছোটদের মধ্যে তিনি শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগীর পুরস্কার পান। এরপর নটর ডেম কলেজের বার্ষিক সফটওয়্যার মেলায় ওমরের তৈরি সফটওয়্যারগুলো পর পর তিন বছর প্রথম পুরস্কার পায়। সেই সময় সম্পূর্ণ বাংলায় চারটি সফটওয়্যার নিয়ে একটি সিডি বানিয়ে (অবসর সিডি) বিক্রি করেন ওমর, সেটা ছিল তাঁর প্রথম ব্যবসা। মাত্র ১৫ বছর বয়সে প্রোগ্রামার হিসেবে ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে যোগ দেন।
তাঁর নিজের নয়টি ওপেন সোর্স প্রকল্পও আছে (www.omaralzabir.com)। ওমর বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রতিভার কোনো অভাব নেই। এত বাধা, এত সমস্যার পরও বাংলাদেশ থেকে যে বড় বড় সব সাফল্যের কথা শোনা যায়, তা অবাক করার মতো। ব্যক্তিগতভাবে আমি চেষ্টা করি অন্য দেশে কাজ না পাঠিয়ে বাংলাদেশে আউটসোর্সিংয়ের কাজ পাঠাতে। বাংলাদেশে কাজ করার নানা সমস্যা। তার পরও মানুষের চেষ্টার কোনো অভাব নেই।’

ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হবেউপস্থিত শিক্ষার্থীরা সবাই বিরক্ত নাকি? তোমাদের সবাইকে বেশ মনমরা লাগছে। আমাকে হ্যালো বলো! সবাইকে ...
27/01/2013

ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হবে
উপস্থিত শিক্ষার্থীরা সবাই বিরক্ত নাকি? তোমাদের সবাইকে বেশ মনমরা লাগছে। আমাকে হ্যালো বলো! সবাইকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা। তোমাদের মা-বাবাকেও আমার তরফ থেকে বিশাল শুভেচ্ছা পৌঁছে দিয়ো।
যখন তোমরা এখান থেকে চলে যাবে, তোমাদের সামনে থাকবে নতুন পৃথিবী। তোমাদের একটা পরামর্শ দিতে চাই। যখনই কোনো কাজ করার সুযোগ পাবে তা লুফে নেবে। চেষ্টা করবে তোমার কাজের ক্ষেত্রে সব সময় সামনের দিকে থাকতে। একটি কোম্পানির কথা চিন্তা করো। আমি যে কোম্পানি থেকে এসেছি, সেখানে সব সময় সামনের দিকে কারা থাকে জানো? তারাই থাকে, যাদের ভবিষ্যতে আরও বড় হওয়ার সুযোগ থাকে। যারা অন্যদের জানাতে পারে, তাদের মধ্যে কিছু আছে, তারাই সামনের দিকে বসে। আমি তোমাদের সব সময় পরামর্শ দেব সামনের দিকে থাকতে। অনেকের সিজিপিএ কম-বেশি হতে পারে; কিন্তু সতর্ক থাকবে সেটা যেন কখনোই তোমার লক্ষ্যকে বিচ্যুত না করে। আমার পরিশ্রমের বিপরীতে আমি তোমাদের সতর্কও করে দিতে চাই। তোমাদের আমি আজ নতুন কাজের পরামর্শ দিচ্ছি কিন্তু আমি এখন নিজেই ষাটোর্ধ্ব কর্মপদশূন্য নারী। সম্প্রতি আমাকে চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে, আমি ছিলাম একটি বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী। মাঝেমধ্যে আমি তিক্ত আচরণ করি সবার সঙ্গে। আমার তিক্ত কথাবার্তায় তোমাদের জন্য ভবিষ্যতে সতর্ক হওয়ার গল্প থাকবে।
তোমরা আজ সৌভাগ্যবান। কারণ, তোমরা দেশের শ্রেষ্ঠ একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তোমাদের ডিগ্রি অর্জন করতে যাচ্ছো। এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত যত বড় বড় প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী তৈরি হয়েছে, তার সংখ্যা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়েও বেশি। সেসব সৌভাগ্যবান প্রধান নির্বাহীর সংখ্যা পাঁচ শর বেশি। আমি সেই সৌভাগ্যবানদের মধ্যে একজন। এটা আমার বিশ্ববিদ্যালয় ছিল, আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই শিক্ষার্থী। আমার ছোটবেলায় বেড়ে ওঠা ছিল উইসকনসিনের এক ছোট শহর আলমাতে। আট শ মানুষের বাস ছিল সেখানে। আমার জন্য দুর্ভাগ্যজনক ছিল সেই শহরের সবাই আমাকে চিনত এবং আমিও সবাইকে চিনতাম। এখানেই তোমাদের সঙ্গে আমার পার্থক্য। এই পার্থক্যে আমি একদিক থেকে গর্বিত বলা চলে। আমাদের সময়ের পড়াশোনা আর তোমাদের পড়াশোনায় আছে আকাশ-পাতাল পার্থক্য। আমার মনে পড়ে যায়, ১৯৭১ সালের সেই সময়ের কথা। যখন আমরা পৃথিবীর যেখানে ইচ্ছা সেখানে যেতে পারতাম, যা ইচ্ছা তাই আমাদের হওয়ার সুযোগ ছিল। আমাদের ইচ্ছামতো আমরা চলতাম। যেই সুযোগগুলো তোমাদের জন্য অনেক কমে এসেছে।
আমি ১৯৭১ সালে যখন স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করি, তখনকার চাকরির জগতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির কোনোই অস্তিত্ব ছিল না। তখন আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রতিষ্ঠিত বিভাগ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞানের ওপর স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করি। এ ক্ষেত্রে চাকরির বড়ই অভাব ছিল। কিন্তু সেই অভাব আরও দুর্বিষহ হয়ে ওঠে যদি চাকরিপ্রার্থী একজন নারী হয়। সেই সমস্যা এখনো আছে। কিন্তু ১৯৭১ সাল মার্কিন ইতিহাসে নতুন একটি সময়ের ইঙ্গিত দেয়। এ বছর প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাসডক স্টক মার্কেট। নতুন একটি বিমান সংস্থা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে বিমান পরিবহন শুরু করে। এ সময়েই ক্যালিফোর্নিয়ার একটি কোম্পানি ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। তোমরা আজ প্রযুক্তির যা-ই ব্যবহার করো না কেন, সেখানে আমাদের সময়কার উদ্ভাবিত মাইক্রোপ্রসেসরের উপস্থিতি আছেই। সেই উদ্ভাবন ছাড়া আজকের সময় এখানে আসতে পারত না, তোমরা তোমাদের মাকে টুইট করতে পারতে না।
হতাশাপূর্ণ দিনকে তোমরা গুরুত্ব দিয়ো না। এই হতাশা তোমাকে তোমার ভবিষ্যৎ নির্মাণে কোনো সাহায্য করবে না। আগামী ৫০ বছর তোমরা কাজ করার সুযোগ পাবে। পরিবর্তন করতে পারবে তোমার ভবিষ্যৎকে। তোমার সামনে আসছে অবারিত সুযোগ। এই গ্রীষ্মে যখন তুমি চাকরি খোঁজা শুরু করবে কিংবা নতুন কোনো কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করবে, তখন তোমার সামনে সৃষ্টি হবে নতুন সুযোগ। যদি সৌভাগ্যবান হও এবং মার্জিত হও তাহলে অচিরেই তুমি পৌঁছে যাবে কোম্পানির সামনের কর্তাব্যক্তিদের দলে। এটাই কিন্তু হবে তোমার জন্য আরও হতাশার। কারণ, তখন তোমার সামনে শীর্ষ বলে আর কিছুই থাকবে না। তোমাকে নিজেই তৈরি করতে হবে নতুন কোনো বিকল্প ভাবনা। সত্তর ও আশির দশকে যখন আমি থ্রিএম ও ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট করপোরেশনে কাজ শুরু করি, তখন আমার ক্ষেত্রেও এটা হয়েছিল। তখন ছিল না কোনো ইন্টারনেট, ছিল না কোনো অ্যাপস, আইফোনের ধারণা ছিল তখন স্বর্গে! নতুনদের উদ্ভাবনী শক্তিই সৃষ্টি করে নতুন নতুন সুযোগ, নতুন প্রযুক্তি। সিলিকন ভ্যালিতে এ জন্যই আমরা তোমাদের উদ্ভাবনী শক্তির কথা শুনতে চাই, জানতে চাই। তোমাদের আইডিয়ার জন্য আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করি। তোমরাই পারো নতুন কোনো উদ্যোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু কীভাবে তোমরা এগিয়ে যাবে? কীভাবে বাস্তবায়িত করবে তোমার আইডিয়াকে? প্রথমেই তোমাকে খুঁজে বের করতে হবে তোমার জন্য যোগ্য বন্ধুদের। বর্তমান পৃথিবী আগের মতো একই আকৃতির হলেও সবাই এখন কিন্তু কাছাকাছি। ফেসবুক বা লিংকডইনের মতো সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তুমি কিন্তু তোমার আদর্শের বন্ধুকেই খুঁজে নিতে পারো। এটা তোমার জন্য খুবই দরকার। কারণ, তুমি যদি প্রতিভাবান ও শিক্ষিত কারও সঙ্গে মিশতে পারো, তাহলে তুমিও তোমার প্রতিভা ও শিক্ষাকে আরও শাণিত করতে পারবে। এরপর তোমাদের নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে। আমি কম্পিউটার বিজ্ঞানের শিক্ষার্থী ছিলাম। আমি ভালো করে যোগাযোগ করতে পারতাম না, কথা বলতে পারতাম না, অনেক শব্দের বানানই জানতাম না। অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করার দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। যেকোনো মূল্যেই সংক্ষেপে তোমার কথা, আইডিয়া প্রকাশ করার গুণাবলি অর্জন করতে হবে। সবশেষে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে তোমার চারপাশের লোকজনের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। সত্যিকারের শ্রোতা হতে হবে। তোমার চারপাশে যারা তোমাকে গুরুত্ব দেয়, যারা তোমার কাজ করে, যারা তোমার সহকর্মী তাদের কথা কিন্তু সত্যিই কেউ শুনতে চায় না। তোমাকেই শুনতে হবে তাদের কথা। আমার উপদেশ হবে—চুপ থাকো এবং শুনতে থাকো। চলার পথে তোমার জীবনে বাধা আসবেই। ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সামনে এগিয়ে যেতে হলে তোমাকে তোমার ব্যর্থতা থেকেই শিখতে হবে। সবাই কিন্তু তাদের ব্যর্থতা থেকে শিখতে পারে না। ব্যর্থতাকে অভিজ্ঞতা হিসেবে ধরে নিলেই জীবন সাফল্যে ক্রমেই উদ্ভাসিত হয়। আমাদের সিলিকন ভ্যালির আজ এত সফলতার পেছনের কারণ একটিই। এখানে যারা প্রতিষ্ঠিত তারা সবাই জীবনের কোনো না-কোনো সময় সত্যিকারের ব্যর্থ মানুষ ছিল। সেখান থেকে তারা মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আজ প্রতিষ্ঠিত। সফল হতে হলে তোমাকে প্রথমে ব্যর্থতার স্বাদ নিতে হবে, তারপর সামনে তাকিয়ে ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নতুন কিছু শিখতে শিখতে এগিয়ে যেতে হবে সামনের দিকে। আজ তোমাদের আগামীর জন্য আমি শুভকামনা করি। প্রত্যাশা রইল সবাই যেন আলোকিত হও। ধন্যবাদ সবাইকে।
সূত্র: ওয়েবসাইট

26/01/2013

দরবেশ ও মন্ত্রী

একদিন এক সরকারী মন্ত্রী স্বপ্নের রাজ্য গেল । সেখানে সে এখন এক দরবেশের ঘরে অনেক গুলো ঘড়ি দেখতে পেল । তখন সে দরবেশ কে জিঙ্গেস করল; ঘড়ি গুলো দিয়ে কি হয় ?

দরবেশ : এগুলো মিথ্যা নির্ণয় করার গড়ি । পৃথিবীর সকল মানুষের জণ্য একটা করে ঘড়ি আছে । যে যখন মিথ্যা বলে তখন তার ঘড়ির কাটা টা একবার ঘুরে ।

মন্ত্রী: এটা কার ঘড়ি?

দরবেশ:মাদার তেরেসার, কোনদিন ঘুরেনি মানে তিনি জীবনে মিথ্যা বলেন নি ।

মন্ত্রী: এটা? (আরেক টা দেখিয়ে।

দরবেশ:ভাসানির । ৫ বার ঘুরেছে । মানে তিনি জীবনে ৫ বার মিথ্যা বলেছেন

মন্ত্রী:আমার ঘড়ি কোথায়?

দরবেশ: আমার ছেলের কাছে, সে ওটা দিয়ে বাতাস খাচ্ছে।

মন্ত্রী:কেন?



দরবেশ: ওটা দিয়ে সে ফ্যান(fan) চালাচ্ছে

26/01/2013

শিক্ষক ও ছাত্র

শিক্ষক : তুমি হোমওয়ার্ক করে আনো নি কেন?
ছাত্র : স্যার , লোডশেডিং । তাই আলো ছিলো না ...

স্যার : মোমবাতি জ্বালালেই হতো
ছাত্র : স্যার, লাইটার ছিলো না ...

স্যার : লাইটার ছিলোনা কেন ?
ছাত্র : স্যার , বাবা যে রূমে নামাজ পড়ছিলো ওখানে ছিলো

স্যার : তাহলে .. ওখান থেকে আনলে না কেন?
ছাত্র : স্যার , আমার ওজু ছিলোনা ...

স্যার : ওজু ছিলোনা কেন ?
ছাত্র : পানি ছিলোনা স্যার...

স্যার : কেন ছিলোনা ?
ছাত্র : মোটর কাজ করছিলো না!!!

স্যার : স্টুপিড !!! মোটরে কি হয়েছিলো?
ছাত্র : স্যার , শুরুতেই তো আপনাকে বললাম , কারেন্ট ছিলোনা ...

23/01/2013

রহিমদের পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রহিম বাসায় ফিরলে, মা জিজ্ঞেস করলেন- কিরে রহিম, তোর পরীক্ষার রেজাল্ট কী?

- আরে, ১-র জন্যে গণিতে ১০০ পেলাম না!

- বলিস কী! তুই গণিতে ৯৯ পেয়েছিস!

- না মা, ০০ পেয়েছি। আগে একটা ১ বসালেই ১০০ হয়ে যেত!

23/01/2013

পথিক: ও। তুমি তো খুব বুদ্ধিমতী মেয়ে! তা, তোমার বাবা কে? কার মেয়ে তুমি?

মেয়ে: ফাদারস।

পথিক: ফাদারস? সে আবার কে? এ গ্রামে তো এমন অদ্ভূত নামের কেউ নেই।

মেয়ে: এবারও বুঝলেন না! আমার আব্বুর নাম আব্বাস।

লাই ডিটেক্টরচমৎকার একটা লাই ডিটেক্টর বানিয়েছে এক বিজ্ঞানী। ওটার সামনে দাঁড়িয়ে কেউ অতিরিক্ত মিথ্যা কথা বললে বাস্ট হয়ে যাব...
17/01/2013

লাই ডিটেক্টর
চমৎকার একটা লাই ডিটেক্টর বানিয়েছে এক বিজ্ঞানী। ওটার সামনে দাঁড়িয়ে কেউ অতিরিক্ত মিথ্যা কথা বললে বাস্ট হয়ে যাবে। নির্বাচনী এলাকায় রাজনীতিবিদরা ভাষণ দিতে গেলেই ওটা সেট করে দেয় জনগণ। যথারীতি ভাষণ দিচ্ছেন এক রাজনীতিবিদ, 'ভাই সব, আপনারা আমাকে ভোট দিলে এই হবে, সেই হবে, অমুক হবে, তমুক হবে...।'
স্বাভাবিকভাবেই বাস্ট হলো লাই ডিটেক্টর। ঘটনাস্থলে মারা গেলেন রাজনীতিবিদ।
'এত বলি, বেশি মিথ্যা বললে বাস্ট করবে তা-ও শোনে না।' বলল এক ব্যক্তি।

17/01/2013

এক লোক কানে কয়েক দিন ধরেই কম শুনছিলেন। তিনি এই ভয় পাচ্ছিলেন, কখন না জানি একেবারে বধির হয়ে যান। একদিন বিকেলে পার্কে বসে বাতাস খাচ্ছিলেন। তাঁর পাশে এক বৃদ্ধ এসে বসলেন। লোকটি অবাক হয়ে দেখলেন, বৃদ্ধ দ্রুত মুখ নেড়ে তাঁকে কিছু বলছেন। কিন্তু তিনি কানে শুনছেন না কিছুই।
: ও বাবা রে! সেই ব্যাপারটি হয়ে গেছে। আমি বধির হয়ে গেছি।
'কী হলো?' জিজ্ঞেস করলেন পাশের বৃদ্ধ লোকটি।
: আপনি এতক্ষণ মুখ নেড়ে কী জানি বলছিলেন না? আমি তখন কিছু শুনিনি কেন?'
'আমি তো পান চাবাচ্ছিলাম।' মুচকি হেসে বললেন বৃদ্ধ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangla Jokes posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category