Humaira's Diary

Humaira's Diary Hasbun Allahu wa ni'mal wakeel

24/06/2026

আশুরার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল

মুহাররমের ১০ তারিখ, অর্থাৎ আশুরার দিনটি আল্লাহ তাআলার কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি দিন। এই দিনে বেশি বেশি ইবাদত, তাওবা ও দোয়ার প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিত।

আশুরার দিনের করণীয়:

১. ৯ ও ১০ মুহাররম অথবা ১০ ও ১১ মুহাররম রোজা রাখা।

২. বেশি বেশি ইস্তিগফার করা। "আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি"

৩. দুরুদ শরিফ পাঠ করা।

৪. আন্তরিকভাবে তাওবা করা এবং গুনাহ থেকে ফিরে আসার দৃঢ় সংকল্প করা।

৫. নিজের প্রয়োজন, রিজিক, সুস্থতা, উত্তম জীবনসঙ্গী, নেক সন্তান, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য বেশি বেশি দোয়া করা।

মনে রাখবেন, দোয়া কবুলের অন্যতম বড় মাধ্যম হলো তাওবা ও ইস্তিগফার। যে বান্দা বিনয়ের সাথে আল্লাহর কাছে ফিরে আসে, আল্লাহ তাকে নিরাশ করেন না।

আসুন, আশুরার এই বরকতময় দিনটিকে গুনাহ মাফ, দোয়া কবুল এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করি।

আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওবা, ইবাদত ও দোয়াগুলো কবুল করুন। আমিন।

#আশুরা #মুহাররম #রোজা #ইস্তিগফার #দোয়া #তাওবা #ইসলামিক_পোস্ট #কুরআন_সুন্নাহ

15/06/2026

বার্ধক্যের সুস্থতার জন্য ১১ বছরের গবেষণার পর কার্যকারী যা যা পদক্ষেপ আমি খুজে পেয়েছি:
ঘুম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ঔষধ,
আট ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করেন
প্রতি রাতে একই সময় ঘুমানোর অভ্যাস করুন,
রাত বারোটার আগে যেকোনো সময়,
ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত দুই ঘন্টা আগে খাবেন না।
রাতের খাবারের জন্য হালকা কিছু নির্বাচন করুন,
ঘুমানোর ১ ঘন্টা আগে কোনো স্ক্রিন ব্যবহার করা যাবে না।
চিনি মেশানো, ভাজা খাবার এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন,
দরজায় জুতা খুলে বাসায় প্রবেশ করুন।
একবারে অধিক পরিমাণে উদারপূর্তি করে খাবেন না।
খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটুন অথবা স্কোয়াট (উঠবস) করুন।
আপনার হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি পায় এমন ব্যায়াম করুন।
নিয়মিত ভারী ওজন উঠিয়ে ব্যায়াম করুন
প্রতিদিন স্ট্রেচিং করতে ভুলবেন না।
সকাল ও রাতে ব্রাশ এবং টাং স্ক্র্যাপ(জিহ্বা পরিষ্কার) করুন।
পানি পান করার চেষ্টা করুন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত, সূর্যাস্তের পর পানি খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন।
ঘুম থেকে উঠলে সূর্যের আলো গায়ে এবং চোখে মুখে লাগান।
দুপুরের কড়া রোদ সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে চলুন
সব সময় সোজা হয়ে দাঁড়ান
সপ্তাহে অন্তত একজন বন্ধুর সাথে দেখা করুন
স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখুন।
যত পারেন প্লাস্টিক এড়িয়ে চলুন
কক্ষে বায়ু সঞ্চালন বৃদ্ধি করুন
মানসিক চাপে পড়লে ঘন ঘন গভীর শ্বাস প্রশ্বাস নিন
ডেন্টিস্টের কাছে যান
দীর্ঘ সময় বসে থাকা এড়িয়ে চলুন
আপনার শ্রবণ রক্ষা করুন(রাস্তাঘাটে উচ্চ শব্দের ভেতরে ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করুন)
অ্যালকোহল আপনার জন্য খারাপ
সন্ধ্যার আগে চা কফি খাওয়া শেষ করুন
সূর্যাস্তের পর উজ্জ্বল আলো এড়িয়ে চলুন
ওজন বেশি হলে জিএলপি (GLP) ইনজেকশন নিন।
ঠান্ডা ঘরে ঘুমাবেন
ড্রাইভিং এর সময় মোবাইল চালাবেন না
সমস্ত নোটিফিকেশন বন্ধ করুন
সোশাল মিডিয়া ব্যবহার সীমিত করুন
ধূমপান করবেন না
শোবার আগে বই পড়ুন,১ ঘন্টার প্রস্তুতিমূলক রুটিন অনুসরণ করুন
শরীর একটি ঘড়ির মতো এবং এটি রুটিন ভালোবাসে।
যেখানে সম্ভব দূরপাল্লার ভ্রমণ এড়িয়ে চলুন।
ইন্টারনেটের অধিকাংশ পরামর্শই অকার্যকর তাই শুনলেই ঝাঁপিয়ে পড়বেন না।
# পরামর্শ গুলো শেয়ার করে অবশ্যই আপনার ভালোবাসার মানুষের কাছে পৌঁছে দিবেন যেন সেও এই দুনিয়ার বুকে সুস্থভাবে চলাফেরা করতে পারে।

27/05/2026

ছেলে সন্তানের প্রতি বাবার বিশেষ করণীয় 💁‍♀️

একটা ছেলে সন্তান বাবার কাছ থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ও মানসিক গুণ অর্জন করে। তাই একজন বাবার আচরণ তার ছেলে সন্তানের সামনে খুব ভালো হওয়া ভীষণ জরুরি।

কি কি শেখে তার বাবার কাছে 🤷‍♀️

১. পুরুষত্ব ও চরিত্র গঠন 💁‍♀️
বাবার আচরণ, কথা বলার ধরণ, দায়িত্ব পালন এগুলো থেকেই ছেলে শেখে কীভাবে একজন ভদ্র, দায়িত্বশীল ও আত্মবিশ্বাসী মানুষ হওয়া যায়। ঠিক একইভাবে যদি সে দেখে অন্যকে ছোট করা, অপমান করা, স্ত্রীকে অসম্মান করা তাহলে সেটাকেই সে স্বাভাবিক আচরণ মনে করে। এবং ভবিষ্যতে সে তার পার্টনারের জন্য ও অন্যদের জন্য ভয়া*নক একজন মানুষে পরিনত হয়।

২. দায়িত্ববোধ ও পরিশ্রম 💁‍♀️
বাবার কাজের প্রতি নিষ্ঠা ও পরিবারের প্রতি দায়িত্ব পালন ছেলের মধ্যে দায়িত্বশীলতা ও পরিশ্রমী হওয়ার মানসিকতা তৈরি করে।

৩. নারীর প্রতি সম্মান 💁‍♀️
বাবা মায়ের সাথে কিভাবে কথা বলেন, কিভাবে আচরণ করেন সেটাই সন্তানের মনে নারী সম্পর্কে প্রথম ধারণা তৈরি করে। আপনি আপনার স্ত্রীকে সম্মান করলে সন্তানও ভবিষ্যতে নারীদের সম্মান করতে শেখে। এটা আপনি হাজার বললেও সে ধারন করবেনা, যদি না আপনার কাছ থেকে শেখে।তাই স্ত্রী -কে সন্মান করা, সকল কাজে সাহায্য করা, তার মতামতকে গুরুত্ব দেয়া আপনার সন্তানকে নারীর প্রতি সন্মান ও শ্রদ্ধাবোধ রাখা একজন মানুষে পরিনত করে।

৪. আবেগ প্রকাশ শেখা 💁‍♀️
অনেক ছেলে ছোট থেকেই শেখে “ছেলেরা কাঁদে না”। কিন্তু একজন সচেতন বাবা সন্তানকে শেখান দুঃখ, ভয়, কষ্ট বা অনুভূতি প্রকাশ করা দুর্বলতা নয়, বরং এটি মানবিকতা। কোন ইমোশন কেমন, কিভাবে প্রকাশ করতে হয়, এটা শেখানো খুব গুরুত্বপূর্ণ, তবে এ বিষয়ে আমাদের সচেতনতা কম, ইমোশন রেগুলেশন শেখানোই হয়ান "ছেলেরা কাঁদে না" বলে বলে এমপ্যাথিহীন মানুষে পরিনত করে। তাই এটা বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।

৫. সমস্যা মোকাবিলা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ 💁‍♀️
কঠিন পরিস্থিতিতে বাবা কিভাবে ধৈর্য ধরে সমাধান করেন, তা দেখে ছেলে শেখে যুক্তিবোধ ও শান্তভাবে সিদ্ধান্ত নিতে।

৬. আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সহনশীলতা 💁‍♀️
বাবা যদি রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, গা*লাগা*লি, অপমান বা মা*রধর এড়িয়ে চলেন তাহলে সন্তানও self-control শিখে। সে বুঝতে শেখে, রাগ হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু সেই রাগ কীভাবে শান্তভাবে প্রকাশ ও নিয়ন্ত্রণ করতে হয় সেটাই আসল শিক্ষা। একজন শান্ত ও ধৈর্যশীল বাবা সন্তানের মস্তিষ্কে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করেন, যা ভবিষ্যতে তার আচরণ, সম্পর্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর প্রভাব ফেলে।

৭. মানবিকতা ও সহানুভূতি 💁‍♀️
বাবা যদি অসহায় মানুষকে সাহায্য করেন, অন্যের কষ্ট বুঝতে শেখেন, প্রাণীদের প্রতি সদয় হন এবং সৎ পথে চলেন তাহলে সন্তানও ধীরে ধীরে সেই মানবিক গুণগুলো আত্মস্থ করে। কারণ শিশুরা শুধু উপদেশ থেকে নয়, বরং প্রতিদিন বাবা-মায়ের আচরণ দেখেই জীবন শেখে। একজন মানবিক বাবা একটি মানবিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারেন।

৮. আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা 💁‍♀️
একজন বাবার বলা ছোট্ট একটি বাক্য “তুমি পারবে”, “আমি তোমার উপর বিশ্বাস রাখি" সন্তানের পুরো জীবন বদলে দিতে পারে। যে ছেলে বাবার কাছ থেকে উৎসাহ, স্বীকৃতি ও মানসিক নিরাপত্তা পায়, সে নিজের উপর বিশ্বাস করতে শেখে। আর যে সন্তান সবসময় অপমান, তুলনা বা অবহেলা পায়, তার ভিতরে ধীরে ধীরে ভয়, insecurity ও আত্মসন্দেহ তৈরি হয়।বাবার সমর্থন ছেলে সন্তানের আত্মবিশ্বাস, আত্মমর্যাদা ও ভবিষ্যৎ ব্যক্তিত্ব গঠনে বিশাল ভূমিকা রাখে।

৯. নিরাপদ সম্পর্ক ও ভালোবাসা 💁‍♀️
যেযে ছেলে বাবার কাছ থেকে ভালোবাসা, সময়, গুরুত্ব ও মানসিক নিরাপত্তা পায় সে ভবিষ্যতে সম্পর্ককে ভয়, রাগ বা নিয়ন্ত্রণ দিয়ে নয়; বরং সম্মান, বিশ্বাস ও ভালোবাসা দিয়ে গড়ে তুলতে শেখে। বাবার সাথে সন্তানের নিরাপদ emotional bond তার ভিতরে স্থিরতা, বিশ্বাস ও healthy relationship তৈরির ভিত্তি তৈরি করে। একজন সন্তানের জীবনে বাবার উপস্থিতি শুধু দায়িত্ব নয়, গভীর মানসিক শক্তিরও উৎস।

১০. Consent ও সীমারেখা শেখানো 💁‍♀️
একজন বাবা ছেলে সন্তানকে ছোট থেকেই শেখাতে পারেন কাউকে জোর করা, অসম্মান করা, ভয় দেখানো বা কারো ব্যক্তিগত সীমারেখা ভাঙা কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। “না” শব্দটাকে সম্মান করা, অন্যের শরীর ও অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং অনুমতি ছাড়া কাউকে স্পর্শ না করা এসব শিক্ষা পরিবার থেকেই শুরু হয়। একজন সচেতন বাবা তার ছেলে সন্তানকে শুধু ভালো মানুষই নয়, বরং নিরাপদ ও সম্মানবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবেও গড়ে তুলতে পারেন।

১১. পরিবারের সাথে সময় কাটানো 💁‍♀️
শুধু টাকা উপার্জন করাই একজন বাবার একমাত্র দায়িত্ব নয়, সন্তানের সাথে সময় কাটানোও ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। একসাথে গল্প করা, খেলাধুলা করা, কথা শোনা কিংবা ছোট ছোট মুহূর্তে পাশে থাকা এসবই সন্তানের মনে নিরাপত্তা, ভালোবাসা ও গভীর emotional bond তৈরি করে। কারণ বড় হয়ে সন্তান সবচেয়ে বেশি মনে রাখে “আমার বাবা আমার জন্য সময় বের করতেন।

১২. ভুল স্বীকার করার সাহস 💁‍♀️
বাবা যদি নিজের ভুল বুঝে সন্তানের কাছে “sorry” বলতে পারেন, তাহলে সন্তানও শেখে অহংকার নয়, ভুল স্বীকার করে নিজেকে সংশোধন করাই একজন মানুষের বড় গুণ। অনেক সময় একটি আন্তরিক “আমি ভুল করেছি” সন্তানের মনে সম্মান, বিশ্বাস ও নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে। এতে সে বুঝতে শেখে, ভুল করা লজ্জার নয়; বরং ভুল থেকে শেখা ও নিজেকে পরিবর্তন করতে পারাটাই পরিপক্বতা।

তাই বাবাদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ, সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য হলেও নিজেকে পরিবর্তন করুন, সংসারকে শান্তিময় করুন। কারণ শিশুরা কথা কম শোনে, কিন্তু আচরণ খুব গভীরভাবে শিখে নেয়।

জীবন অনেক সুন্দর, সুন্দরভাবে উপভোগ করুন ❤️
ধন্যবাদ 🙏

26/05/2026

🌙🤍 ইয়াওমুল আরাফাহ — “কবুলের ২৪ ঘণ্টা” আমল প্ল্যান

এই দিনটা শুধু ইবাদাতের দিন না…
এটা সেই দিন, যেদিন আল্লাহ বান্দার দিকে বিশেষ রহমতের দৃষ্টিতে তাকান।
এটা সেই দিন, যেদিন বহু বছরের বন্ধ দরজাও খুলে যেতে পারে।
হয়তো আজকের দোয়াই আপনার পুরো জীবন বদলে দেবে… ✨

📌 প্রথম নিয়ত করুন—

“ইয়া আল্লাহ…
আজকের এই দিনটা আমি শুধু আপনার জন্য কাটাতে চাই।
আমার দোয়াগুলো আপনি ফিরিয়ে দিবেন না…” 🤍

━━━━━━━━━━━━━━━
🌙 মাগরিবের পর কী করবেন?
━━━━━━━━━━━━━━━

✨ ১. অজু করে সুগন্ধি ব্যবহার করুন
পরিষ্কার কাপড় পরুন।
কারণ আপনি আজ “রবের দরবারে” বসবেন। 🤍

✨ ২. দুই / চার রাকাআত নফল সালাতুত তাওবা
প্রতি সিজদায় দীর্ঘ সময় থাকুন।
আজ নিজের গুনাহ মনে করে কান্না করুন।
যে গুনাহ কাউকে বলেননি, সেটাও স্বীকার করুন আল্লাহর কাছে।

📖 ৩. কমপক্ষে ১০০০ বার ইস্তেগফার
🌿 “আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহ”

📌 প্রতি ১০০ বার শেষে বলুন—

“ইয়া আল্লাহ…
আমার গুনাহগুলো আপনি ছাড়া আর কেউ মাফ করতে পারবে না…” ✨

━━━━━━━━━━━━━━━
🌙 রাতের বিশেষ আমল
━━━━━━━━━━━━━━━

✨ ৪. ৫০০ / ১০০০ বার দরুদ শরীফ
কারণ দরুদ দোয়াকে আসমানে পৌঁছে দেয়। 🤍

✨ ৫. এই যিকিরটাকে সারারাত জারি রাখুন—

📖 “لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ”

🌿 উচ্চারণঃ
“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু,
লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু,
ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর।”

📌 অন্তত ৩০০ / ৫০০ / ১০০০ বার পড়ুন।
এই যিকির হচ্ছে আরাফার শ্রেষ্ঠ দোয়া। ✨

✨ ৬. তাহাজ্জুদে দীর্ঘ কিয়াম করুন
যতটুকু পারেন কুরআন পড়ুন।
না পারলে বারবার সূরা ইখলাস পড়ুন। 🤍

📌 সিজদায় এইভাবে কথা বলুন—

“ইয়া আল্লাহ…
মানুষের কাছে আমি হয়তো দুর্বল…
কিন্তু আপনার কাছে আমি আশাহীন না…” 🌙

━━━━━━━━━━━━━━━
☀️ ফজরের পর থেকে যেসব আমল করবেন
━━━━━━━━━━━━━━━

✨ ৭. ফজরের পর জায়গায় বসে যিকির করুন
সূর্য ওঠা পর্যন্ত।

🌿 পড়ুন—

- সুবহানাল্লাহ × ১০০
- আলহামদুলিল্লাহ × ১০০
- আল্লাহু আকবার × ১০০
- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ × বেশি বেশি

✨ ৮. ইশরাক সালাত পড়ুন
২ বা ৪ রাকাআত।
এতে পূর্ণ হজ্জ ও উমরাহর সওয়াবের সুসংবাদ এসেছে। 🤍

━━━━━━━━━━━━━━━
🌙 সারাদিনের “কবুলের আমল”
━━━━━━━━━━━━━━━

✨ ৯. রোজা রাখুন
কারণ আরাফার রোজা—
বিগত এক বছর ও আগত এক বছরের গুনাহের কাফফারা হওয়ার আশা করা হয়। 🌙

✨ ১০. নিজের জন্য “দোয়া লিস্ট” বানান
কাগজে লিখুন—
কি কি চাইবেন আল্লাহর কাছে।

📌 আজকে যা চাইতে ভুলবেন না—

- ঈমানের সাথে মৃত্যু
- হিদায়াত
- নেক সন্তান
- নেক জীবনসঙ্গী
- হারাম থেকে মুক্তি
- মানসিক শান্তি
- ঋণমুক্তি
- হালাল রিজিক
- গোপন কষ্টের সমাধান
- বাবা-মায়ের মাগফিরাত
- জান্নাতুল ফিরদাউস

✨ ১১. আজ বেশি বেশি সদকা করুন
অল্প হলেও।
কারণ সদকা বিপদ দূর করে। 🤍

✨ ১২. কাউকে কষ্ট দিলে মাফ চেয়ে নিন
কারো হক থাকলে ফিরিয়ে দিন।
কারণ মানুষের হক দোয়া আটকে দিতে পারে।

━━━━━━━━━━━━━━━
🌙 আসর → মাগরিব : “সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়”
━━━━━━━━━━━━━━━

📌 এই সময় ফোন দূরে রাখুন।
কথা কম বলুন।
একটা নির্জন জায়গায় বসুন।

তারপর—
শুধু দোয়া করুন…
শুধু কান্না করুন…
শুধু আল্লাহকে ডাকুন… 🤍

কারণ অনেক আলেম বলেছেন—
আরাফার দিনের শেষ মুহূর্তগুলো দোয়া কবুলের বিশেষ সময়। ✨

📖 এই দোয়াগুলো বেশি পড়ুন—

🌿 “হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল”
🌿 “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”
🌿 “রব্বি ইন্নি লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকীর”
🌿 “ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, সাব্বিত কলবি ‘আলা দ্বীনিক”

━━━━━━━━━━━━━━━
🤍 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা
━━━━━━━━━━━━━━━

আজকে আল্লাহর কাছে অসম্ভব কিছু চাইতে ভয় পাবেন না।
কারণ—
যিনি মৃত জমিনে বৃষ্টি দিয়ে জীবন ফিরিয়ে দেন,
তিনি আপনার মৃত স্বপ্নও জীবিত করতে পারেন। ✨

হয়তো আজকের একটা কান্না…
একটা সিজদা…
একটা “ইয়া আল্লাহ”…
আপনার ভাগ্য বদলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। 🌙🤍

আজ তারবিয়াহর দিন — ৪টা কথা যা অনেকেই জানেন নাআজ ৮ই জিলহজ্জ সৌদি আরবের চাঁদ অনুযায়ী ।হাজিরা এখন মিনার পথে রওনা হচ্ছেন।কি...
25/05/2026

আজ তারবিয়াহর দিন — ৪টা কথা যা অনেকেই জানেন না

আজ ৮ই জিলহজ্জ সৌদি আরবের চাঁদ অনুযায়ী ।

হাজিরা এখন মিনার পথে রওনা হচ্ছেন।

কিন্তু একটা প্রশ্ন আছে —

এই দিনটাকে কেন "তারবিয়াহর দিন" বলা হয়? এই দিনটা কি শুধুই হাজিদের জন্য? ঘরে বসে থাকা আমাদের জন্য এই দিনে করার কিছু আছে?

কারণ তারবিয়াহর দিন শুধু একটা তারিখ না। এই দিনটার পেছনে আছে ইতিহাস, আছে নাম রাখার গল্প, আছে আমাদের জন্যও বিশেষ সুযোগ।

আজকের পোস্টে আমরা সেই ৪টি কথার দিকে তাকাবো — যা অনেকেই জানেন না।

তারবিয়াহর দিন সম্পর্কে সংক্ষেপে

৮ই জিলহজ্জকে "ইয়াওমুত তারবিয়াহ" বলা হয়।

হজের মূল কার্যক্রম এই দিন থেকেই শুরু।

হাজিরা এই দিন মক্কা থেকে মিনায় যান। সেখানে রাত কাটান। তারপর ৯ই জিলহজ্জ সূর্যোদয়ের পর আরাফাহর দিকে রওনা হন।

কিন্তু এই দিনটার ৪টা কথা আছে, যা অনেকেই জানেন না।

কথা ১: "তারবিয়াহ" নামের পেছনে একটা অসাধারণ গল্প আছে

"তারবিয়াহ" শব্দটা আরবি।

এর অর্থ নিয়ে দুটো ব্যাখ্যা আছে।

প্রথম ব্যাখ্যা — এই শব্দ এসেছে "রাওয়া" থেকে, যার অর্থ পানি পান করানো। প্রাচীনকালে হাজিরা এই দিনে মিনার দীর্ঘ পথের জন্য পানি সংগ্রহ করতেন। তাই এই দিনকে "পানির দিন" বলা হতো।

দ্বিতীয় ব্যাখ্যা আরও গভীর।

ইব্রাহিম (আ.) ঠিক এই রাতে স্বপ্নে দেখলেন — তিনি তাঁর পুত্রকে কুরবানি দিচ্ছেন।

সকালে উঠে তিনি গভীরভাবে ভাবলেন — এটা কি আল্লাহর পক্ষ থেকে, নাকি শয়তানের ওয়াসওয়াসা?

আরবিতে এই গভীরভাবে চিন্তা করাকে "তারাওয়ায়া" বলে।

সেই চিন্তার দিন থেকেই এই দিনের নাম হয়েছে তারবিয়াহ।

এই কথার শিক্ষা কী?

এটা শেখায় — বড় সিদ্ধান্তের আগে গভীরভাবে ভাবতে হয়।

ইব্রাহিম (আ.) তাড়াহুড়া করেননি। থেমেছিলেন। ভেবেছিলেন। নিশ্চিত হয়েছিলেন। তারপর এগিয়েছিলেন।

আজ আমরা অনেক সিদ্ধান্ত আবেগে নিই, ভেবে নিই না।

তারবিয়াহর দিন মনে করিয়ে দেয় — থামো। ভাবো। নিশ্চিত হও। তারপর আল্লাহর উপর ছেড়ে দাও।

কথা ২: মিনা শুধু তাঁবুর শহর নয়

হাজিরা এই দিন মিনায় যান।

মিনা হলো মক্কার কাছে একটি উপত্যকা। হজের সময় সেখানে লক্ষ লক্ষ সাদা তাঁবু।

কিন্তু মিনার গুরুত্ব শুধু তাঁবুর জন্য নয়।

এখানেই ইব্রাহিম (আ.) ইসমাঈল (আ.)-কে কুরবানি দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। এখানেই শয়তান তিনবার তাঁকে বিভ্রান্ত করতে এসেছিল। এখানেই তিনি শয়তানকে পাথর মেরে তাড়িয়েছিলেন।

সেই স্মৃতিতেই আজও মিনায় জামারায় পাথর নিক্ষেপ করা হয়।

নবীজি ﷺ নিজেও এই দিন মিনায় এসেছিলেন এবং এখানে রাত কাটিয়েছিলেন।

এই কথার শিক্ষা কী?

এটা শেখায় — কিছু কিছু জায়গায় শুধু শরীর নয়, আত্মাও যায়।

যে হাজি মিনায় যান, তিনি শুধু একটি তাঁবুতে ওঠেন না। তিনি যুক্ত হন ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগের ইতিহাসের সাথে।

আমাদের জন্য শিক্ষা — ইতিহাসকে শুধু পড়বেন না, অনুভব করুন। কুরবানির গল্প পড়ার সময় নিজেকে জিজ্ঞেস করুন — আমি কি আল্লাহর জন্য কিছু ছেড়ে দিতে প্রস্তুত?

কথা ৩: মিনার রাত আসলে আরাফাহর প্রস্তুতি

হাজিরা আরাফাহর আগের রাতটা মিনায় কাটান।

এটা সুন্নাত।

কিন্তু কেন?

কারণ আরাফাহর দিনটা এত বড়, এত মহান, যে তার আগে একটু থামা দরকার। প্রস্তুত হওয়া দরকার। মনকে গুছিয়ে নেওয়া দরকার।

মিনার রাত হলো আরাফাহর আত্মিক প্রস্তুতির রাত।

এই কথার শিক্ষা কী?

এটা শেখায় — বড় মুহূর্তের আগে প্রস্তুতি নেওয়াটাও ইবাদতের অংশ।

আমরা অনেক সময় আরাফাহর রোজা রাখি, কিন্তু আগের রাতে কোনো প্রস্তুতি নেই। কোনো তাওবা নেই। কোনো দোয়া নেই।

আজ রাতটা একটু আলাদাভাবে কাটান। এটাই আপনার মিনার রাত।

কথা ৪: ঘরে বসে থাকাদের জন্যও এই দিনটা বিশেষ

এই কথাটা অনেকেই জানেন না।

তারবিয়াহর দিনটা শুধু হাজিদের নয়।

এই দিনটা জিলহজ্জের সেই বরকতময় দশ দিনের একটি। নবীজি ﷺ বলেছেন — আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মহান দিনগুলো হলো জিলহজ্জের প্রথম দশ দিন।
(সহীহ বুখারি: ৯৬৯)

৮ই জিলহজ্জও সেই দশ দিনের একটি।

ঘরে বসেও আজ করুন — রোজা, তাকবির, তাওবা, বেশি বেশি দোয়া।

এই কথার শিক্ষা কী?

এটা শেখায় — ইবাদতের সুযোগ সবার জন্য সমান।

আল্লাহ কাবার কাছে থাকা মানুষকে বেশি ভালোবাসেন না। তিনি ভালোবাসেন তাকওয়াওয়ালা বান্দাকে।

যে ঢাকায় বসে আজ রাতে তাওবা করে কাঁদে, আল্লাহ তার দিকেও তাকান।

তারবিয়াহর দিন আসলে আমাদের কী শেখায়?

এই ৪টা কথা আলাদা আলাদা হলেও, এগুলো একটাই বার্তা দেয়।

নামের গল্প শেখায় — বড় সিদ্ধান্তের আগে থামো, ভাবো।

মিনার গুরুত্ব শেখায় — ইতিহাসকে শুধু পড়ো না, অনুভব করো।

মিনার রাতের শিক্ষা বলে — বড় মুহূর্তের আগে প্রস্তুত হও।

ঘরে থাকাদের বার্তা বলে — আল্লাহর রহমত সবার জন্য।

আজ রাতে কী করবেন?

ঘুমানোর আগে একটু থামুন।

কাল আরাফাহ। বছরের সেরা দিন।

আজ রাতে একটু তাওবা করুন। একটু দোয়া করুন। একটু কুরআন পড়ুন।

নিজেকে প্রশ্ন করুন —

আমার মনে কি কোনো পুরনো গুনাহের বোঝা আছে, যা আজ রাতে আল্লাহর কাছে রেখে দিতে চাই? আমি কি আরাফাহর রোজার নিয়ত করেছি? আমি কি আগামীকালের জন্য সত্যিকারভাবে প্রস্তুত?

যখন এভাবে আজ রাতটা কাটাবেন, তখন তারবিয়াহর দিনটা শুধু একটা তারিখ থাকবে না — আরাফাহর দিকে আত্মিক যাত্রার প্রথম পদক্ষেপ হয়ে যাবে।

হৃদয়ে রাখার মতো কথা

হাজিরা আজ মিনার পথে।

আমরা ঘরে।

কিন্তু আল্লাহর রহমত থেকে আমরা দূরে নই।

ইব্রাহিম (আ.) যেমন থেমে ভেবেছিলেন, আমরাও আজ রাতে একটু থামি।

নিজেকে জিজ্ঞেস করি — আমার জীবনে আমি কি আল্লাহর জন্য কিছু ছেড়ে দিতে প্রস্তুত?

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে তারবিয়াহর এই রাতটা সঠিকভাবে কাজে লাগানোর, আরাফাহর জন্য আত্মিকভাবে প্রস্তুত হওয়ার, এবং তাঁর কাছে ফিরে আসার তাওফিক দিন। আমিন।

তারবিয়াহর এই ৪টা কথার মধ্যে কোনটা আপনি আগে জানতেন না?
কমেন্টে জানান।

রেফারেন্স:
— সহীহ বুখারি: ৯৬৯
— ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া: ইব্রাহিম (আ.)-এর ঘটনা
— ফাতহুল বারি, ইবনে হাজার আসকালানি: কিতাবুল হজ
— লিসানুল আরব: তারবিয়াহ অর্থ প্রসঙ্গ

/EKRAMHOSSAIN

25/05/2026
15/05/2026

জিলহজের প্রথম ১০ দিন: সন্তানের জন্য দুআ

একজন মায়ের নীরব শক্তি

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা আবারও এমন এক সময়ের সাক্ষী হচ্ছি, যা আল্লাহর কাছে বছরের সবচেয়ে প্রিয় সময়গুলোর একটি পবিত্র জিলহজের প্রথম ১০ দিন। এই দিনগুলো আমাদের জন্য শুধু কিছু আমল বাড়ানোর সুযোগ নয়, বরং আমাদের হৃদয়ের গভীর চাওয়াগুলো আল্লাহর কাছে তুলে ধরার এক অপূর্ব সময়। বিশেষ করে আমরা যারা মা-বাবা, আমাদের জন্য এই সময়ের সবচেয়ে সুন্দর আমলগুলোর একটি হলো আমাদের সন্তানদের জন্য দুআ করা।

আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য অনেক কিছু করি।তাদের ভালো খাবার দেই, ভালো পরিবেশে রাখার চেষ্টা করি, তাদের শিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করি। কিন্তু এর সবকিছুর মাঝেও একটি জিনিস আছে, যা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে সেটা হলো আমাদের দুআ। কারণ আমরা হয়তো সবসময় তাদের সাথে থাকতে পারবো না, কিন্তু আমাদের দুআ সবসময় তাদেরকে ঘিরে রাখতে পারে, তাদেরকে হেফাজত করতে পারে, তাদের জীবনের পথকে আলোকিত করতে পারে।

এই বরকতময় দিনগুলোতে আমার হৃদয়ের দুআ

ইয়া আল্লাহ, আমার সন্তানদের অন্তরকে পবিত্র করুন, তাদের ঈমানকে দৃঢ় করুন এবং তাদের জীবনকে আপনার সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করুন। তারা যেন এমন মানুষ হয়, যারা সত্যকে ভালোবাসে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে এবং সবসময় আপনার ভয় ও ভালোবাসাকে নিজেদের জীবনের কেন্দ্রস্থলে রাখে। তাদেরকে এমনভাবে গড়ে তুলুন যেন তারা শক্ত হয় কিন্তু অহংকারী না হয়, নম্র হয় কিন্তু দুর্বল না হয়, সাহসী হয় কিন্তু সীমা লঙ্ঘন না করে।

আমার ছেলেদের জন্য দুআ

ইয়া আল্লাহ, তাদেরকে দায়িত্বশীল, সৎ ও তাকওয়াবান পুরুষ হিসেবে গড়ে তুলুন। তাদের চোখ, অন্তর ও চরিত্রকে সব ধরনের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। তাদেরকে এমন শক্তি দিন, যাতে তারা নিজেদের প্রবৃত্তির উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং সবসময় হালালকে বেছে নিতে পারে। তাদের জীবনে নেক বন্ধু, ভালো পরিবেশ এবং পবিত্র সম্পর্ক দান করুন।

আমার কন্যাদের জন্য দুআ

ইয়া আল্লাহ, তাদের বড় হওয়ার প্রতিটি ধাপকে সহজ করুন, তাদের অন্তরে হায়া, প্রজ্ঞা ও আত্মসম্মান দান করুন। তারা যেন নিজেদের মর্যাদা বুঝে, নিজেদের সুরক্ষিত রাখে এবং দ্বীনের উপর দৃঢ় থাকে। তাদেরকে এমন নারী হিসেবে গড়ে তুলুন, যারা নিজেরা আলো হয়ে অন্যদের পথ দেখায়, যারা তাদের চরিত্র ও আচরণ দিয়ে দীনকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করে।

একজন মা হিসেবে নিজের জন্যও দুআ

ইয়া আল্লাহ, আমাকে ধৈর্য দিন যখন আমি ক্লান্ত হয়ে যাই, আমাকে হিকমত দিন যখন আমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারি না, এবং আমাকে কোমলতা দিন যখন আমার আচরণ কঠিন হয়ে যায়। আমাকে এমন একজন মা হিসেবে কবুল করুন, যিনি সন্তানদের শুধু দুনিয়ার জন্য নয়, আখিরাতের জন্যও গড়ে তোলেন। আমার ছোট ছোট চেষ্টাগুলো কবুল করুন এবং আমার ভুলগুলো ক্ষমা করুন।

আমাদের ঘরের জন্য দুআ

ইয়া আল্লাহ, আমাদের ঘরকে ঈমান, ভালোবাসা ও শান্তিতে ভরিয়ে দিন। আমাদের ঘরকে এমন একটি জায়গা বানান, যেখানে কুরআনের শব্দ শোনা যায়, যেখানে প্রতিটি কোণে দুআ করা হয়, যেখানে ভালোবাসা ও দয়া একসাথে বাস করে। আমাদের পরিবারকে ঐক্যবদ্ধ রাখুন এবং আমাদের মধ্যে রহমত ও বোঝাপড়া বৃদ্ধি করুন।

এই দুআগুলো শুধু কিছু কথা নয়।এগুলো একজন মায়ের হৃদয়ের গভীর ভালোবাসা, ভয়, আশা এবং স্বপ্নের প্রকাশ। আমরা হয়তো সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না, কিন্তু আমরা দুআ করতে পারি। আর সেই দুআই হতে পারে আমাদের সন্তানদের জন্য সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা, সবচেয়ে সুন্দর পথনির্দেশ।

তাই আসুন, এই জিলহজের ১০ দিনে আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য বেশি বেশি দুআ করি। কারণ একজন নেক সন্তানই হতে পারে আমাদের জন্য সদাকায়ে জারিয়া, যা আমাদের মৃত্যুর পরও আমাদের উপকারে আসবে।

আল্লাহ আমাদের সন্তানদের দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন এবং তাদেরকে আমাদের জন্য নেক আমলের উৎস বানিয়ে দিন। আমীন। 🤍

collected

30/04/2026

*ক্ষণিকের জন্য ছোট ছোট আমল - ১ মিনিটেই করা যায়:*

১. সবচেয়ে ভারী জিকির - ৩ বার বলো:
*سُبْحَانَ اللَّهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللَّهِ الْعَظِيمِ*
_সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম_

*ফজিলত:* রাসূল (সা.) বলেন - "দুটি বাক্য জিহ্বায় হালকা, মিজানের পাল্লায় ভারী, রহমানের কাছে প্রিয়"

২. জান্নাতের গাছ লাগাও - ১০ সেকেন্ড:
*سُبْحَانَ اللَّهِ، وَالْحَمْدُ لِلَّهِ، وَلَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ*
_সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার_

*ফজিলত:* প্রতিবার বললে জান্নাতে ১টি গাছ লাগানো হয়

৩. গুনাহ মাফ - ১০০ বার:
*أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ* - _আস্তাগফিরুল্লাহ_
*ফজিলত:* দিনে ১০০ বার বললে সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ গুনাহও মাফ হয়ে যায়

৪. জান্নাতের ৮ দরজা খুলে যাবে:
ওজুর পর এই দোয়া:
*أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ*
_আশহাদু আল লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহ, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসূলুহ_

৫. সবচেয়ে ছোট দরুদ - ১ বার:
*صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ* - _সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম_
*ফজিলত:* ১ বার পড়লে ১০টি রহমত, ১০টি গুনাহ মাফ, ১০টি মর্যাদা বৃদ্ধি. :
*
সুবহানাল্লাহ
আলহামদুলিল্লাহ্

27/04/2026

ঘরে কোনো মেহমান আসার জন্যে যদি ঘরের মানুষদের মধ্যে রক্তারক্তি হয়, ঝগড়া ঝাটি হয়, ঘরের শান্তি নষ্ট হয় তাহলে ওই মেহমান ঘরে না আসা ই ভালো।

সম্পর্কে আমাদের প্রায়োরিটি বুঝতে হবে।

হতে পারে আপনার খালা আপনার জন্য ভালো। তবে সে আপনার পার্টনারের জন্য ভালো না ও হতে পারে।

আপনার ভাই হয়তো আপনাকে ভালোবাসে, আপনার বাচ্চাদের সে ভালো না ও বাসতে পারে।

ব্যাপারটা হলো, যে আপনার পুরো পরিবারের জন্য ভালো নয়, তাকে পরিবারের মাঝে আসতে না দেয়া ই ভালো।

কিছু সম্পর্ক নিজের মতো করে মেটাতে হয়।

এরকম টাইপ মেহমান দের সাথে বাইরে দেখা করেন।রেস্টুরেন্ট এ খাওয়ান। গিফট লেনা দেনা করেন তবে পার্টনার, সন্তান বা অন্যদের দেখানোর দরকার নাই।

বললাম ই তো সম্পর্কে প্রায়োরিটি বুঝতে হয়।

একটা মানুষ আপনার সাথে ভালো বলে সে আপনার পরিবারের সবার সাথে ভালো, ব্যাপারটা তা না।

আবার এই টাইপ কাছের দূরের আত্মীয়দের আপনি ফেলতে ও পারেন না।আত্মীয়ের বন্ধন তো ছিন্ন করা ও জায়েজ নাই।

তাই বাউন্ডারি বুঝতে হবে। কোথায় কার অবস্থান তা বুঝতে হবে, কোথায় কাকে এন্ট্রি দেয়া যাবে তা জানতে হবে।

যত কম বুঝবেন, যত কম জানবেন.... দিনশেষে দেখবেন খিচুড়ি পাকাইছেন।

এইটা কি একটা ফাজলামি না, যে আপনারে ভালোবাসবে আপনার পার্টনার রে দেখতে পারবে না। আবার আপনার পার্টনার একদম মধু, আপনি সেখানে ধইনছা। আপনার জন্য মুখে ফেনা তুলতেছে আবার আপনার পোলাপাইনের সাথে চলে ষড়যন্ত্র।

এইভাবে ই আপনার পরিবারের মধ্যে অশান্তির বীজ ঢুকে....

জেনে বুঝে ইনটেনশনালি এই অশান্তি কে না ❌বলতে হবে।

মনে রেখেন, আপনার জীবনের যে মুভি সেখানে একটা সময় পরে পার্টনার, সন্তানরা মেইন ক্যারেক্টার হয়। আস্তে আস্তে বাকিরা সাইড ক্যারেক্টার এ চলে যায়। এবং এটা ই নিয়ম, এটাই সুন্দর।

কোনো কারণে সাইড ক্যারেক্টারের জায়গায় মেইন ক্যারেক্টার, মেইন ক্যারেক্টার এর জায়গায় সাইড ক্যারেক্টার বসায় দেইখেন.... এই গিট্টু আর খুলবে না।

বুঝতে পেরেছেন??

#বাংলাকাউন্সেলিং

24/04/2026

*উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে...*
২৯শে এপ্রিল থেকে ১২ই মে পর্যন্ত, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, কোনো ব্যক্তি যেন বাইরে (খোলা আকাশের নিচে) না যান, কারণ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই যদি কোনো ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট হয় বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, ঘরের ভেতরের দরজা খোলা রাখুন যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে, মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে দিন, মোবাইল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, দয়া করে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদের জানান, যতটা সম্ভব দই, ঘোল, বেলের রস ইত্যাদির মতো ঠান্ডা পানীয় ব্যবহার করুন।

*অত্যন্ত জরুরি তথ্য*
বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিম্নলিখিত বিষয়ে সতর্ক করছে।

আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা ৪৭ থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বৃদ্ধি এবং কিউমুলাস মেঘের উপস্থিতির কারণে বেশিরভাগ এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের জন্য, এখানে কিছু সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হলো।

*গাড়ি থেকে এই জিনিসগুলি সরিয়ে ফেলা উচিত*
১. গ্যাসের সামগ্রী ২. লাইটার ৩. কার্বনেটেড পানীয় ৪. সাধারণত পারফিউম এবং অ্যাপ্লায়েন্সের ব্যাটারি ৫. গাড়ির জানালা সামান্য খোলা রাখা উচিত (বাতাস চলাচলের জন্য) ৬. গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্ক পুরোপুরি ভর্তি করবেন না ৭. সন্ধ্যায় গাড়িতে জ্বালানি ভরুন ৮. সকালে গাড়িতে ভ্রমণ করা এড়িয়ে চলুন ৯. গাড়ির টায়ারে অতিরিক্ত হাওয়া দেবেন না, বিশেষ করে ভ্রমণের সময়।

বিছা এবং সাপ থেকে সাবধান থাকুন কারণ তারা তাদের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে এবং শীতল জায়গার সন্ধানে পার্ক ও বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে।

প্রচুর পরিমাণে জল ও তরল পান করুন, গ্যাস সিলিন্ডার রোদে রাখবেন না, বিদ্যুৎ মিটারে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না এবং এয়ার কন্ডিশনার শুধুমাত্র বাড়ির ব্যবহৃত জায়গাগুলিতে ব্যবহার করুন, বিশেষ করে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের সময়। এবং প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর ৩০ মিনিটের বিশ্রাম নিন। বাইরের তাপমাত্রা ৪৫-৪৭° হলে, বাড়িতে এসি ২৪-২৫° তে রাখুন, এতে আপনার স্বাস্থ্য ও সুস্থতা ভালো থাকবে। সরাসরি সূর্যের আলোতে আসা পরিহার করুন, বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে।(সংগ্রহীত)

Address

Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Humaira's Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Humaira's Diary:

Shortcuts

Share