28/05/2025
মা শব্দটাকে নোংরা করে এধরণের মহিলারা!ছেলের মা ই মা মেয়ের মা কি মা নয়!মেয়েকে লালন পালন করতে কি কষ্ট হয়নি তার মায়ের!বরং ছেলের মা থেকে দ্বিগুন কষ্ট মেয়ের মায়ের কারণ তারা আস্ত মেয়েটাকে দিয়ে দেয় আপনার ছেলের বউ করে।আর আপনারা মানুষ বলে গণ্য করেন না।অহংকার দম্ভে নিজেকে মহারাণী মনে করতে থাকেন।ভুলে যান এককালে আপনিও কারো পুএবধু ছিলেন।ছেলে বিয়ে দেবার পরই কেন আপনার এত সমস্যা শুরু হল।নারী হয়ে নারীকে হিংসা না করে বয়সের মর্যাদা বজায় রাখুন।আপনারা ছেলে বিয়ে দিয়ে ঘরে একটা মেয়ে এনে তাকে বিভিন্নভাবে ছোট করতে করতে এটাও ভুলে যান আপনার ঘরেও মেয়ে আছে।দুনিয়ার ধার দুনিয়ায় শোধ হয় হয়তো একালে নয়তো পরকালে।যেমনটা এখন সবার সামনে উদাহরণ হলো পলাশের মা আরতি সাহা সারা দুনিয়ায় চিহ্নিত হলো দ/জ্জাল শ্বাশুড়ি হিসেবে।ছেলের সংসার ধ্বংস করতে গিয়ে ছেলেকেই হারালো ওপারে পাঠিয়ে দিয়ে।একসাথে বনিবনা না হলে দূর থেকেও যদি ছেলে বেঁচে থাকতো তাহলে ছেলেকে দেখতে পেতো,এই ছেলের মৃতুর কারণ হয়ে নিজেকে হেয় প্রতিপন্নও হওয়া লাগতো না সমাজের চোখে।কি দরকার ছিল এত ঝামেলা করার!ছেলের সুখ না চেয়ে সর্বক্ষেএে ঝগড়া-কলহ করে স্বার্থপরতার পরিচয় দিয়েছেন।এটা থেকে সব শ্বাশুড়ি মায়েদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।এটা মানতে হবে ছেলে বিয়ে করেছে তার স্ত্রীর সাথে সংসার করার জন্য,তার সন্তান-সন্তনি নিজের পরিবার গড়ে তোলার জন্য।কখনো কোন মা ছেলের সংসার ভাঙ্গার কারণ হবেন না।সংসার ভাঙ্গা আর মসজিদ ভাঙ্গা একই।মায়েরা যতটা ত্যাগ স্বীকার করে সন্তান জন্ম দিয়ে লালনপালন করে তেমন করে ছেলের সংসার টিকানোর জন্য করলে হয়তো সমাজে এত বিচ্ছেদ কিংবা এত সাংসারিক কলহ দেখা যেতো না।ছেলের মায়েরা যদি নিজের অহংকারকে বেশি প্রাধান্য না দিতেন তাহলে অসংখ্য সংসার আজ বেঁচে যেতো।
fans