Gen-Z BD

Gen-Z BD This page is for Generation Z Bangladesh. Who are philanthropists and dedicated to human welfare. [এটি কোন দলের পেইজ নয়। সব দেশপ্রেমিকের জন্য উন্মুক্ত।]
(3)

12/03/2026

নুরু ভাই এর কি অবস্থা?!!

03/03/2026

ঘরে ফিরবোনা বলেইতো বের হয়েছি....


#জুলাই

24/02/2026

মাসুদরা কোনদিন ও ভালো হয়না....😎

24/02/2026

ইনকিলাব নামে বাংলাদেশে প্রথম সারির একটা পত্রিকা আছে কে কে জানেন?

24/02/2026

নতুন শিক্ষামন্ত্রী মিলন সাহেবের ইন্টেনশানটা হয়তো ভালো—কিশোরদেরকে রাতে বিরাতে বাইরে ঘুরাঘুরি করতে দিবে না। উনার নির্দেশ পেয়েই হয়তো, পুলিশকে কিছু জায়গায় বেশ মারমুখী হতে দেখলাম। এক কিশোরের গালে একজন কনস্টেবলকে সজোরে একটা চড় লাগিয়ে দিতেও দেখলাম একটা ভিডিওতে।

( মাদকবিরোধি অভিযানের ঘটনার বাইরে)

কিন্তু, মিলন সাহেবের বোঝা উচিত, এটা ২০২৬ সালের দুনিয়া। ২০০১/২০০৫ নয়।

আমাদের সময়ে, স্কুল শিক্ষককে সাইকেল চালিয়ে আসতে দেখলে আমরা রাস্তা থেকে ভো-দৌঁড়ে বাঁশঝাঁড়ে ঢুকে পড়তাম। স্যারকে যতক্ষণ দেখা যেত, ততক্ষণ বেরই হতাম না।
কিন্তু এখনকার জেনারেশান তো এরকম না। তারা বড় হচ্ছে একটা ভিন্ন টাইমফ্রেমে, ভিন্ন ডাইমেনশানের দুনিয়ায়।

মিলন সাহেব ও তার পুলিশ যদি মনে করে যে, এভাবে মোরাল পুলিশিং করে করে তারা কিশোরদেরকে মানুষ করে ফেলবে, তাহলে বলব এটা ভুল অ্যাপ্রোচ। বর্তমান দুনিয়ায় এতে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

আমি কোনোভাবেই কিশোরদের রাতের বেলা বাইরে টাইম পাসের পক্ষপাতী কেউ নই। কিন্তু, পুলিশ যে অ্যাপ্রোচে তাদেরকে ঘরে ফেরাতে চাইছে, সেটা বাড়াবাড়ি আর অত্যন্ত বাজে কৌশল।

এই ছেলেপিলেগুলোকে ঘরে ফেরত পাঠালেই কি তারা পড়ার টেবিলে বইখাতা নিয়ে বসে পড়বে? ওদের হাতে হাতে স্মার্টফোন। সারা দুনিয়ার সাথে ওরা কানেক্টেড৷ টাইম পাসের জন্য ওদের কি গলির মোড়ে আর উদ্যানের মাঝে বসে থাকা লাগবে?

মিলন সাহেব যদি সত্যিই এই কিশোরদের পড়াশুনার টেবিলে ফেরাতে চান, তাহলে সবার আগে তার মাথা থেকে ২০০১-২০০৫ এর মাইন্ডসেট ঝেঁড়ে ফেলে দিতে হবে। হেলিকপ্টারে উড়ে নকল প্রতিরোধের উনার যে সোনালি দিন ছিল, সেই কৌশল এখন ব্যাকডেইটেড।

উনি যদি সত্যিই কিশোরদের পড়ার টেবিলে ফেরাতে চান, উনার প্রথম কাজ হওয়া উচিত পরীক্ষাপদ্ধতিতে কড়াকড়ি আরোপ করা। প্রশ্নপত্রের মান বাড়ানো। কঠিনভাবে প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা করা—যাতে প্রশ্নপত্র ফাঁস না হয়।

ভালো এবং মানসম্মত প্রশ্নপত্র হলে, যারা সত্যিকারভাবে পড়াশুনা করে, তারাই উতরে যাবে। যারা বাইরে, উদ্যানে, রাতেবিরাতে ঘুরে ঘুরে টাইম পাস করে, তারা নিশ্চিতভাবে ধরা খাবে।

এই ধরা খাওয়াটাই তাদেরকে টেবিলে টেনে আনবে।

সাথে আরেকটা কাজও নিশ্চিত করতে হবে—শিক্ষকদের যোগ্যতা বাড়ানো। এখনও অধিকাংশ শিক্ষকেরা সেই আগের সময়ের মতোই প্রশ্নপত্র তৈরি করেন, আগের সময়ের মতোই খাতাপত্র যাচাই করেন।

রাত বিরাতে ঘুরাঘুরি থেকে বিরত করতে হলে দরকার যুগোপযোগী পদক্ষেপ। কাউন্সেলিং এবং বন্ধুত্বপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণ। এসব না করে, পুলিশ দিয়ে মোরাল পুলিশিং করে, চড় থাপ্পড় মেরে, লাঠিচার্জ করে এখনকার জেনারেশানকে টেবিলে ফেরানো তো অসম্ভবই, ঘরে ফেরানোটাও দায় হবে।

এরা কিন্তু AI জেনারেশান।

কালেক্টপড- আরিফ আযাদ

24/02/2026

বিশ্ববিদ্যালয়ে ছেলেদের গায়ে হাত তোলার আগে কয়েকবার ভাবুন, আপনার এই যোগ্যতা নেই বলে আজ আপনি এই পোশাকে। মনে রাখবেন আপনারা অনেকেই বুড়ো হয়ে গেছেন, সময় কিন্তু হিসেব নিবে

টানা দেড়টা বছর একটা কমেন্ট করতে পারিনি...
23/02/2026

টানা দেড়টা বছর একটা কমেন্ট করতে পারিনি...

ইনকিলাব জিন্দাবাদ — অর্থ “বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক”। একটি বাক্য, কিন্তু তার ভেতরে আছে উপমহাদেশের রাজনৈতিক জাগরণ, প্রতিবাদ ও ...
22/02/2026

ইনকিলাব জিন্দাবাদ — অর্থ “বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক”।

একটি বাক্য, কিন্তু তার ভেতরে আছে উপমহাদেশের রাজনৈতিক জাগরণ, প্রতিবাদ ও আত্মত্যাগের দীর্ঘ ইতিহাস।

সাহিত্যে এই বাক্যাংশ প্রথম ব্যবহার করেন মুহাম্মদ ইকবাল। তবে রাজনৈতিক স্লোগান হিসেবে ১৯২১ সালে এটিকে জনপ্রিয় রূপ দেন মাওলানা হাসরাত মোহানি—ইসলামি পণ্ডিত, উর্দু কবি এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী। তিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ স্বাধীনতার দাবি তুলেছিলেন, আর সেই দাবির ভাষা ছিল এই স্লোগান।

১৯২০-এর দশকের শেষ দিকে বিপ্লবী নেতা ভগৎ সিং তাঁর বক্তৃতা ও লেখার মাধ্যমে “ইনকিলাব জিন্দাবাদ”কে জনমানসে পৌঁছে দেন। ১৯২৯ সালের এপ্রিলে দিল্লির কেন্দ্রীয় আইনসভায় বোমা নিক্ষেপের পর তিনি ও তাঁর সহযোদ্ধা বটুকেশ্বর দত্ত আদালতে দাঁড়িয়ে এই স্লোগান উচ্চারণ করেন। জুন মাসে দিল্লির হাইকোর্টে উন্মুক্ত আদালতেও এটি তাঁদের যৌথ বিবৃতির অংশ হয়।
এই স্লোগান ছিল হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন-এর অফিসিয়াল আহ্বান। একই সঙ্গে এটি ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলনে। ব্রিটিশ রাজের সময় বামপন্থী ও কমিউনিস্ট সংগঠনগুলোর মধ্যে এটি শক্ত অবস্থান তৈরি করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে বিভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের কর্মীরাও প্রতিবাদ ও বিক্ষোভে এই স্লোগান ব্যবহার করেছেন।
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” কেবল একটি রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়—এটি হয়ে উঠেছে পরিবর্তনের প্রতীক।

১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭০-এর নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় এই স্লোগানটি মিছিল-মিটিংয়ে শোনা যেত। সবশেষে জুলাই অভ্যুত্থানে এটি জনপ্রিয় বিপ্লবী শ্লোগানে রূপ নেয়।

ইতিহাস সাক্ষী, একটি স্লোগান কখনও কখনও একটি যুগের চেতনাকে ধারণ করে। আর “ইনকিলাব জিন্দাবাদ” সেই রকমই এক উচ্চারণ—যা শুধু শব্দ নয়, এক সংগ্রামী সময়ের সাক্ষী। ইনকিলাব জিন্দাবাদ — একটি স্লোগান, এক ইতিহাস।

#ইনকিলাব #ইনকিলাবজিন্দাবাদ
#আজাদী

19/02/2026

যারা ক্ষমতায় আসার আগে রাস্তা পরিষ্কার করেছেন, এখনো রাস্তা পরিষ্কার করছেন - তাদেরকে বলছি, এইজন্য আমাদের লোক আছে। যে জায়গায় কথা বলা দরকার সে জায়গায় বলুন। হ্যা ভোটের কী হলো? হাদী হ-ত্যার কী হলো?
যদি রা-ষ্ট্র হাদীকে মে-রে থাকে। তবে তা প্রকাশ করুন। কারা পরিক-ল্পনা কারী। তারা কেন আবার ক্ষম-তায়।আমরা জানতে চাই। নাহয় আপনাদেরকেও জেন জি ক্ষম-তায় দেখতে চায় না।
#ইনকিলাবজিন্দাবাদ

19/02/2026

হাদীকে কে মে-রেছে, কে ঠা-ন্ডা মাথায় হিসেব কষে গু-লি করেছে। আশা করছি এখন সবাই বুঝে গেছেন

Our hero in the parliament, wearing his famous jersey
17/02/2026

Our hero in the parliament, wearing his famous jersey

রাজনীতির ইতিহাসে উদাহরণ হয়ে থাকবে
16/02/2026

রাজনীতির ইতিহাসে উদাহরণ হয়ে থাকবে

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gen-Z BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share