Mukta Akter

Mukta Akter আল্লাহর প্রেমে পড়লে জীবন শ্রেষ্ঠ হয় ! আলহামদুলিল্লাহ !
(1)

19/09/2025

⭐️হযরত ইয়াকুব (আলাইহিস সালাম)-এর জীবনী ⭐️

⭐️ জন্ম ও পরিবার

হযরত ইয়াকুব (আ.) ছিলেন ইসহাক (আ.)-এর পুত্র এবং ইবরাহিম (আ.)-এর নাতি। তাঁর মায়ের নাম ছিল রিফকা (রিবকা)। আল্লাহ তাঁকে নবী হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। ইয়াকুব (আ.)-এর আরেক নাম ইসরাইল। তাঁর বংশধরদের বলা হয় বনি ইসরাইল।

⭐️শৈশব

ইয়াকুব (আ.) ছোটবেলা থেকেই আল্লাহভীরু ও নেক স্বভাবের ছিলেন। তিনি আল্লাহর ইবাদত করতেন এবং মানুষের প্রতি সদয় ছিলেন। আল্লাহ তাঁকে জ্ঞান ও হেদায়েত দান করেছিলেন।

🦋পরিবার ও সন্তান

ইয়াকুব (আ.)-এর একাধিক স্ত্রী ও বহু সন্তান ছিল। তাঁর ১২ জন পুত্রের মধ্যে একজন ছিলেন ইউসুফ (আ.), যিনি নবী হয়েছিলেন। বাকি সন্তানদের মধ্য থেকেই বনি ইসরাইলের ১২টি গোত্রের সূচনা হয়।

🦋ইউসুফ (আ.)-এর ঘটনা

ইয়াকুব (আ.)-এর জীবনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা ছিল তাঁর পুত্র ইউসুফ (আ.)-কে হারানো। ভাইয়েরা হিংসা করে ইউসুফ (আ.)-কে কূপে ফেলে দেয়। তাঁরা বাবাকে মিথ্যা বলে যে ইউসুফ (আ.) নেকড়ের হাতে মারা গেছে।
ইয়াকুব (আ.)-এর চোখ কান্নায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবুও তিনি ধৈর্য ধরে বলতেন—
“আমি শুধু আমার দুঃখ-কষ্ট আল্লাহর কাছেই প্রকাশ করি।”

🌻পুনর্মিলন

অনেক বছর পর আল্লাহর ইচ্ছায় ইউসুফ (আ.) মিসরের মন্ত্রী হন। তখন দুর্ভিক্ষ দেখা দিলে ইয়াকুব (আ.)-এর পরিবার খাদ্য সংগ্রহের জন্য মিসরে যায়। অবশেষে ইউসুফ (আ.) ও ইয়াকুব (আ.)-এর পুনর্মিলন হয়। আল্লাহ তাঁর চোখের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেন এবং তাঁকে আবার খুশি করেন।

🌼চরিত্র
• আল্লাহভীরু, ধৈর্যশীল ও দয়ালু ছিলেন।
• পরীক্ষার সময় কখনো হতাশ হননি।
• সর্বদা সন্তানদের তাওহীদ শিক্ষা দিয়েছেন।

🌷মৃত্যু

ইয়াকুব (আ.) বৃদ্ধ বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর আগে তিনি সন্তানদের বলেছিলেন—
“তোমরা আমার পর কাকে উপাসনা করবে?”
সন্তানরা উত্তর দিয়েছিল—
“আমরা তোমার উপাস্য, তোমার পিতা ইবরাহিম, ইসহাকের উপাস্য একমাত্র আল্লাহকেই উপাসনা করব।”

তাঁকে ফিলিস্তিনে কবর দেওয়া হয়, ইবরাহিম (আ.) ও ইসহাক (আ.)-এর পাশেই।



👉 হযরত ইয়াকুব (আ.)-এর জীবনের শিক্ষা হলো—ধৈর্য, আল্লাহর উপর ভরসা এবং সন্তানদের সঠিক পথে লালণ পালণ করা ।
🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵🩵

19/09/2025

💫💫হযরত ইউসুফ (আলাইহিস সালাম)-এর জীবনী 💫💫

👉জন্ম ও পরিবার

ইউসুফ (আ.) ছিলেন হযরত ইয়াকুব (আ.)-এর পুত্র। তাঁর মায়ের নাম ছিল রহিল (রাহেলা)। তিনি ছিলেন খুবই সুন্দর, ভদ্র ও নেক স্বভাবের শিশু। কুরআনে বলা হয়েছে, আল্লাহ তাঁকে অতুলনীয় সৌন্দর্য ও জ্ঞান দান করেছিলেন।

👉শৈশবে স্বপ্ন

শৈশবে ইউসুফ (আ.) একটি স্বপ্ন দেখেছিলেন—তিনি দেখেন ১১টি তারা, সূর্য ও চাঁদ তাঁকে সিজদা করছে। তিনি এই স্বপ্ন তাঁর পিতা ইয়াকুব (আ.)-কে বলেন। ইয়াকুব (আ.) বুঝতে পারেন যে আল্লাহ তাঁকে নবুওয়াত ও মহৎ মর্যাদা দান করবেন।

👉ভাইদের হিংসা

ইউসুফ (আ.)-এর এগারো ভাই ছিল। তাঁরা বাবার বিশেষ ভালোবাসা দেখে ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি হিংসা করত। একদিন তাঁরা ষড়যন্ত্র করে ইউসুফ (আ.)-কে কূপে ফেলে দেয় এবং বাবাকে মিথ্যা বলে যে নেকড়ে তাঁকে খেয়ে ফেলেছে।

👉মিসরে যাত্রা

কিছু ভ্রমণকারী কূপ থেকে ইউসুফ (আ.)-কে উদ্ধার করে এবং তাঁকে মিসরে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে এক মিশরীয় আজিজ (রাজকর্মচারী) কিনে নেন এবং নিজের বাড়িতে রাখেন।

👉আজিজের স্ত্রীর ফিতনা

যখন ইউসুফ (আ.) বড় হলেন, তখন আজিজের স্ত্রী তাঁকে প্রলুব্ধ করতে চাইলেন। কিন্তু ইউসুফ (আ.) আল্লাহকে ভয় করে সেই পাপ থেকে নিজেকে রক্ষা করলেন। ফলে তাঁকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে পাঠানো হয়।

👉কারাগারে দাওয়াত

কারাগারে ইউসুফ (আ.) ধৈর্য ধরলেন। তিনি বন্দিদের আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দিতেন। সেখানে তিনি কয়েকজনের স্বপ্নের ব্যাখ্যা দেন, যা পরবর্তীতে সত্য প্রমাণিত হয়।

👉বাদশাহর স্বপ্নের ব্যাখ্যা

একদিন মিশরের বাদশাহ একটি স্বপ্ন দেখলেন—সাতটি মোটা গরু, সাতটি রোগা গরু খেয়ে ফেলছে, এবং সাতটি সবুজ শীষ, সাতটি শুকনো শীষের পাশে। কেউ তার ব্যাখ্যা দিতে পারছিল না। ইউসুফ (আ.) এর ব্যাখ্যা দিলেন—
“এটি মানে সাত বছর প্রচুর ফলন হবে, আর তার পর সাত বছর কঠিন দুর্ভিক্ষ আসবে।”
এই ব্যাখ্যা সত্যি হলো এবং বাদশাহ তাঁকে মিসরের খাদ্য ভাণ্ডারের দায়িত্ব দিলেন।

👉ভাইদের পুনর্মিলন

দুর্ভিক্ষের সময় ইয়াকুব (আ.)-এর ছেলেরা মিসরে খাদ্য নিতে এলো। তারা ইউসুফ (আ.)-কে চিনতে পারল না। পরে ধাপে ধাপে ইউসুফ (আ.) তাঁদের পরিচয় দেন এবং সব ভাইকে ক্ষমা করেন। এরপর ইয়াকুব (আ.) ও তাঁর পরিবার মিসরে চলে আসেন।

👉স্বপ্নের পূর্ণতা

শেষ পর্যন্ত ইউসুফ (আ.)-এর শৈশবের স্বপ্ন পূর্ণ হলো—তাঁর ভাইরা, বাবা-মা সবাই তাঁর সম্মান ও মর্যাদায় নত হলেন।

👉চরিত্র ও শিক্ষা
• আল্লাহভীতি ও পাপ থেকে বাঁচার উদাহরণ।
• ধৈর্য ও ক্ষমার অনন্য শিক্ষা।
• স্বপ্ন ব্যাখ্যার জ্ঞান।
• অন্যায়ের শিকার হলেও আল্লাহর উপর ভরসা।

👉 ইউসুফ (আ.)-এর জীবনী কুরআনের সূরা ইউসুফে খুব সুন্দরভাবে বর্ণিত হয়েছে।
🎆🎇🎆🎇🎆🎇🎆🎇🎆🎇🎆🎇🎆🌅🎇🎆🎇

19/09/2025

☘️ইসহাক (আলাইহিস সালাম)☘️

💚জন্ম

ইসহাক (আ.) ছিলেন ইবরাহিম (আ.) ও সারা (আ.)-এর সন্তান। দীর্ঘ সময় ধরে সন্তান না পাওয়ার পর বার্ধক্যে আল্লাহ তাঁদের দোয়া কবুল করেন এবং অলৌকিকভাবে ইসহাক (আ.)-এর জন্ম হয়। তাঁর জন্মের সময় ইবরাহিম (আ.)-এর বয়স ছিল প্রায় ১০০ বছর এবং সারা (আ.)-এর প্রায় ৯০ বছর।

💚শৈশব

ইসহাক (আ.) ছোটবেলা থেকেই আল্লাহভীরু, সৎ ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি তাঁর পিতা ইবরাহিম (আ.)-এর কাছ থেকে তাওহীদের শিক্ষা লাভ করেন এবং তাঁর চরিত্রে নবীদের গুণাবলী প্রতিফলিত হতে থাকে।

💚নবুওয়াত

আল্লাহ তাঁকে নবী হিসেবে মনোনীত করেন। তিনি ফিলিস্তিন অঞ্চলে বসবাস করতেন এবং সেখানকার মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দিতেন। তাঁর দাওয়াত ছিল ইবরাহিম (আ.)-এর দাওয়াতের ধারাবাহিকতা।

💚পরিবার

ইসহাক (আ.)-এর স্ত্রীর নাম ছিল রিফকা (রিবকা)। তাঁদের দুই সন্তান হয়েছিল—
• ইয়াকুব (আ.) → পরবর্তীতে নবী হন, যিনি বনি ইসরাইলের পূর্বপুরুষ।
• ঈস (ঈসাও/Esau) → নবী ছিলেন না, তবে এক জাতির পূর্বপুরুষ।

চরিত্র ও বৈশিষ্ট্য
• তিনি ছিলেন ধৈর্যশীল, শান্ত স্বভাবের এবং নেক মানুষ।
• আল্লাহ তাঁকে “নেক সন্তান, দয়ালু ও সৎ” বলে কুরআনে উল্লেখ করেছেন।
• তিনি সর্বদা মানুষকে শিরক থেকে বিরত থাকতে এবং একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করতে দাওয়াত দিতেন।

💚মৃত্যু

ইসহাক (আ.) দীর্ঘ ১৮০ বছর জীবিত ছিলেন। মৃত্যুর পর তাঁকে ফিলিস্তিনে কবর দেওয়া হয়, যেখানে ইবরাহিম (আ.) ও তাঁর স্ত্রী সারাও সমাহিত আছেন ।

🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷🌷

19/09/2025

🌸ইসমাইল (আলাইহিস সালাম)-এর জীবনী 🌸

🌺জন্ম ও শৈশব

ইসমাইল (আ.) ছিলেন ইবরাহিম (আ.) ও হাজেরা (আ.)-এর পুত্র। ইবরাহিম (আ.)-এর দোয়ার ফলেই আল্লাহ তাঁকে এ সন্তান দান করেন। তিনি ফিলিস্তিনে জন্মগ্রহণ করেন। ইবরাহিম (আ.)-এর প্রথম সন্তান ছিলেন তিনি।

🌻মক্কায় আগমন

আল্লাহর নির্দেশে ইবরাহিম (আ.) তাঁর স্ত্রী হাজেরা (আ.) ও শিশু ইসমাইল (আ.)-কে নির্জন ও পানিহীন মক্কার উপত্যকায় রেখে যান। হাজেরা (আ.) সন্তানের জন্য পানি খুঁজতে সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাতবার দৌড়ান। তখনই আল্লাহর রহমতে জমজম কূপের সৃষ্টি হয়, যা আজও প্রবাহমান।

🌼কোরবানি পরীক্ষা

ইসমাইল (আ.) বড় হলে আল্লাহ ইবরাহিম (আ.)-কে স্বপ্নে দেখান যে তিনি তাঁর ছেলেকে কোরবানি করছেন। ইবরাহিম (আ.) যখন বিষয়টি ইসমাইল (আ.)-কে জানান, তিনি ধৈর্য ও আনুগত্যের সঙ্গে বলেন—
“হে পিতা! আল্লাহর আদেশ পালন করুন। ইনশাআল্লাহ আমাকে ধৈর্যশীলদের একজন পাবেন।”
কোরবানি করার মুহূর্তে আল্লাহ ইসমাইল (আ.)-এর পরিবর্তে একটি দুম্বা কোরবানি গ্রহণ করেন। এটি ছিল মানবজাতির জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষার শিক্ষা।

🌸কাবা নির্মাণ

পরবর্তীতে ইবরাহিম (আ.) ও ইসমাইল (আ.) মিলে আল্লাহর নির্দেশে কাবা শরিফ নির্মাণ করেন। তাঁরা নির্মাণ শেষে আল্লাহর কাছে দোয়া করেন—
“হে আমাদের প্রভু! আমাদের থেকে এ কর্ম কবুল করুন।”

ইসমাইল (আ.)-এর চরিত্র ও অবদান
• তিনি ছিলেন ধৈর্যশীল, সত্যবাদী ও আল্লাহভীরু।
• তিনি আল্লাহর পক্ষ থেকে নবুওয়াত পান এবং আরব অঞ্চলে মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেন।
• তাঁর বংশধরদের মধ্যেই পরবর্তীতে শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জন্ম হয়।

🌺মৃত্যু

তিনি দীর্ঘ জীবন অতিবাহিত করেন এবং মক্কাতেই ইন্তেকাল করেন। তাঁকে হিজর-ইসমাইল এলাকায় সমাহিত করা হয়েছে বলে ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে।

💚🩷❤️💚🩷❤️💚🩷❤️🩵💙💚💙🩵🩷❤️💙

10/09/2025

🌺নূহ (আলাইহিস সালাম)-এর জীবনী 🌺

🌸পরিচিতি ও বংশ
• নূহ (আঃ) ছিলেন আদম (আঃ)-এর নবম পুরুষ বংশধর।
• তাঁর পূর্ণ নাম: নূহ ইবনে লামিক ইবনে মাতুশালাহ ইবনে ইদরিস (আঃ)।
• তিনি উলুল আযম রাসূলদের একজন (যারা সর্বোচ্চ ধৈর্য ও সংগ্রামের অধিকারী—সূরা আহকাফ 46:35)।

🌸নবুওয়াত প্রাপ্তি ও দাওয়াত

মানবজাতি আদম (আঃ)-এর পর ধীরে ধীরে এক আল্লাহর ইবাদত থেকে বিচ্যুত হয়ে মূর্তিপূজায় লিপ্ত হয়। “ওয়াদ, সুওয়া, ইয়াগুস, ইয়াউক ও নাসর” নামের সৎ লোকদের মৃত্যুর পর তাদের মূর্তি বানানো হয় এবং পরবর্তীতে মানুষ তা পূজা করতে শুরু করে (সূরা নূহ 71:23)।

আল্লাহ তখন নূহ (আঃ)-কে রাসূল করে পাঠালেন।

🌸দাওয়াতের মূল বিষয়
• এক আল্লাহর ইবাদত করা (সূরা নূহ 71:1-2)।
• মূর্তিপূজা ত্যাগ করা।
• আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে দুনিয়ায় বরকত ও আখিরাতে মুক্তি লাভ (সূরা নূহ 71:10-12)।

🌸দাওয়াতের সময়কাল
• নূহ (আঃ) প্রায় ৯৫০ বছর তাঁর কওমকে দাওয়াত দিয়েছেন (সূরা আনকাবুত 29:14)।
• কিন্তু তাঁর অনুসারী ছিলেন খুব অল্পসংখ্যক (সূরা হুদ 11:40)।

🌸কওমের প্রতিক্রিয়া
• তারা তাঁকে উপহাস করত (সূরা হুদ 11:38)।
• ধনী-প্রভাবশালী লোকেরা বলত: “তুমি তো সাধারণ একজন মানুষ ছাড়া কিছুই নও” (সূরা হুদ 11:27)।
• অনেকেই বলত, “তুমি তো মিথ্যাবাদী” (সূরা শু’আরা 26:186)।

🌸নৌকা নির্মাণ

যখন কওম তাঁর দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করল, তখন আল্লাহ্‌ ওহী দিলেন নূহ (আঃ)-কে একটি নৌকা বানাতে।
• নৌকা নির্মাণের সময় কওম তাঁকে পাগল বলে উপহাস করে (সূরা হুদ 11:38)।
• আল্লাহ্‌ তাঁকে নির্দেশ দেন প্রতিটি প্রাণীর এক জোড়া করে নৌকায় তুলতে (সূরা হুদ 11:40)।

🌸মহাপ্লাবন (তুফান)
• আকাশ থেকে প্রবল বর্ষণ শুরু হয়, আর জমিন থেকে পানি উথলে ওঠে (সূরা হুদ 11:44)।
• নৌকায় থাকা মুমিন ও প্রাণীগুলো ছাড়া সবাই ডুবে যায়।
• নূহ (আঃ)-এর স্ত্রী ও তাঁর এক পুত্র ঈমান আনেনি, তাই তারাও ধ্বংস হয় (সূরা হুদ 11:42-43)।
• অবশেষে বলা হয়: “হে জমিন! তোমার পানি শুষে নাও, হে আকাশ! থেমে যাও।” তখন পানি সরে যায় এবং নৌকা জূদী পাহাড়ে ভিড়ে (সূরা হুদ 11:44)।

🌸মৃত্যুর পর
• তুফানের পর নূহ (আঃ) তাঁর কওমকে নিয়ে দীর্ঘ সময় জীবিত ছিলেন।
• তিনি মৃত্যুর পূর্বে সন্তানদেরকে এক আল্লাহর ইবাদতের উপদেশ দেন।
• হাদিসে বর্ণিত আছে, তিনি ছিলেন “আবদান শুকুরা” অর্থাৎ “অত্যন্ত কৃতজ্ঞ বান্দা” (সূরা ইসরা 17:3, সহীহ বুখারী 4920)।

🌸শিক্ষা ও উপসংহার
1. আল্লাহর রাসূলদের অবিশ্বাস করলে ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী।
2. তাওহীদ ছাড়া মুক্তি নেই।
3. ধৈর্য ও অধ্যবসায় সফলতার মূল।
4. আল্লাহ যাকে রক্ষা করেন, তাকে কেউ ক্ষতি করতে পারে না ।
💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚

07/09/2025

✨✨ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম)-এর জীবনকথা

ইবরাহীম (আলাইহিস সালাম) আল্লাহর এক মহাপ্রতিভাবান নবী ও রাসূল। তাঁকে খলীলুল্লাহ (আল্লাহর বন্ধু) উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।

🌸জন্ম ও শৈশব

তিনি ইরাকের বাবিল নগরীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জাতি ছিল মূর্তিপূজক। তাঁর পিতা আযার (বা তারাহ) ছিলেন মূর্তি নির্মাতা। শৈশবকালেই তিনি সত্যের সন্ধানী হয়ে ওঠেন এবং মূর্তিপূজাকে প্রত্যাখ্যান করেন।

🌸মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে দাওয়াত

ইবরাহীম (আ.) মানুষকে বারবার বোঝালেন—সূর্য, চাঁদ, নক্ষত্র, কিংবা মূর্তি কোনো কিছুরই উপাসনা করা যায় না; একমাত্র আল্লাহই সৃষ্টিকর্তা ও উপাস্য। তিনি একদিন মন্দিরের সব মূর্তি ভেঙে দেন, কেবল বড় মূর্তিটিকে অক্ষত রাখেন। পরে মানুষ তাঁকে প্রশ্ন করলে তিনি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেন মূর্তিরা কিছুই করতে পারে না।

🌸অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপ

নমরূদ রাজা তাঁর বিরোধিতা করে তাঁকে অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষেপের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আল্লাহর আদেশে আগুন শীতল ও নিরাপদ হয়ে যায়।

🌸হিজরত

এরপর তিনি ইরাক থেকে ফিলিস্তিন, সিরিয়া ও মিসরে হিজরত করেন। পরে আল্লাহর আদেশে মক্কার নির্জন উপত্যকায় স্ত্রী হাজেরা (আ.) ও শিশু ইসমাঈল (আ.)-কে রেখে যান। সেখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে জমজম কূপের বরকত প্রকাশিত হয়।

🌸কুরবানির পরীক্ষা

আল্লাহর পক্ষ থেকে তিনি স্বপ্নে পুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে কুরবানি করার আদেশ পান। তিনি দ্বিধা না করে তা মেনে নেন। ইসমাঈল (আ.)-ও সম্মতি দেন। আল্লাহ তাঁদের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করে ইসমাঈলের পরিবর্তে একটি দুম্বা কুরবানির জন্য প্রেরণ করেন। এই ঘটনার স্মরণে মুসলিমরা প্রতি বছর ঈদুল আযহা পালন করে।

🌸কা’বা শরীফ নির্মাণ

ইবরাহীম (আ.) ও তাঁর পুত্র ইসমাঈল (আ.) আল্লাহর নির্দেশে কা’বা শরীফ পুনর্নির্মাণ করেন এবং দোয়া করেন:
“হে আল্লাহ! আমাদের বংশধরদের মধ্য থেকে এমন একটি উম্মত সৃষ্টি করুন যারা তোমার আনুগত্য করবে।”

🌸মৃত্যু

ইবরাহীম (আ.) দীর্ঘ জীবন অতিবাহিত করেন। বর্ণনা অনুযায়ী তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ১৭৫ বছর। তিনি ফিলিস্তিনের হেবরনে ইন্তেকাল করেন।

🌸শিক্ষণীয় বিষয়
1. একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করতে হবে।
2. সত্যের পথে সংগ্রাম করতে হবে, যদিও সবাই বিরোধিতা করে।
3. ধৈর্য, ত্যাগ ও আল্লাহর প্রতি ভরসা সফলতার চাবিকাঠি।
4. সন্তানকে আল্লাহর পথে উৎসর্গের মানসিকতা রাখতে হবে।

☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️☘️🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋🦋

30/08/2025

সুবহানাল্লাহ ,আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

30/08/2025

🌸সুবহানাল্লাহ পড়ার ফজিলত 🌸

আল্লাহ্‌ তায়ালার এক অপূর্ব নাম ও প্রশংসা হলো “সুবহানাল্লাহ”। এর অর্থ: আল্লাহ্‌ সমস্ত অপূর্ণতা ও দোষত্রুটি থেকে পবিত্র ও মহিমাময়।

🌿 সুবহানাল্লাহ পড়ার ফজিলতঃ
1. জিকিরের মধ্যে শ্রেষ্ঠ
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কালিমা হলো: সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি।”
(সহীহ মুসলিম)
2. গাছ রোপণ হয় জান্নাতে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহ’ বলল, জান্নাতে তার জন্য একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হয়।”
(তিরমিজি)
3. গুনাহ মাফের উপায়
হাদীসে এসেছে,
“যে ব্যক্তি সকালে ও সন্ধ্যায় একশ’বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি বলবে, তার সব গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে, যদিও সাগরের ফেনার মত হয়।”
(বুখারী, মুসলিম)
4. ওজনদার আমল
“দুটি কালিমা আছে যা আরশের নিচে প্রিয়, জিহ্বায় হালকা, কিন্তু মিজানে ভারী:
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আযীম।”
(সহীহ বুখারী ও মুসলিম)
5. তসবীহ পড়া আল্লাহর নৈকট্যের মাধ্যম
যে ব্যক্তি বেশি বেশি “সুবহানাল্লাহ” বলে, তার জন্য আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি লাভ করা সহজ হয়।



✅ তাই প্রতিদিন বেশি বেশি “সুবহানাল্লাহ” বলা উচিত। এটি মুখে সহজ, সময় লাগে না, কিন্তু আমলনামায় অতি ভারী সওয়াব যোগ করে ।

30/08/2025

✨🌸 জান্নাতের বর্ণনা 🌸✨

আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেন—

✨ “তোমরা ছুটে চল আল্লাহর ক্ষমা ও জান্নাতের দিকে, যার প্রস্থ আসমান ও জমিনের সমান; যা মুত্তাকীদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।”
(সুরা আলে ইমরান ৩:১৩৩)

🌿 জান্নাতে থাকবে চিরসবুজ উদ্যান, প্রবাহিত নহর, দুধ, মধু ও সুগন্ধি পানীয়ের ঝরনা।
🌿 জান্নাতবাসীরা থাকবে রেশমি পোশাকে, সোনার অলঙ্কারে ও আরামের আসনে।
🌿 সেখানে দুঃখ, কষ্ট, রোগ, বার্ধক্য বা মৃত্যু থাকবে না।
🌿 জান্নাতবাসীরা অনন্তকাল সুখে থাকবে এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করবে—যা জান্নাতের সর্বশ্রেষ্ঠ নেয়ামত।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
✨ “জান্নাতে এমন জিনিস রয়েছে যা কোনো চোখ দেখেনি, কোনো কান শোনেনি এবং মানুষের কল্পনায় আসেনি।”
(বুখারী ও মুসলিম)

🌸 হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে জান্নাতুল ফিরদাউসের অধিবাসী করুন। আমীন 🌸

27/08/2025

✨⭐️🌟আল্লাহর আসমাউল হুসনা (৯৯টি সুন্দর নাম) বাংলায় অর্থসহ। 🌙
আসমাউল হুসনা – আল্লাহর ৯৯ নাম ও অর্থ
1. আল্লাহ – একমাত্র উপাস্য
2. আর-রাহমান – অতি দয়ালু
3. আর-রাহিম – অতি করুণাময়
4. আল-মালিক – সমগ্র জগতের মালিক
5. আল-কুদ্দুস – সর্বপবিত্র
6. আস-সালাম – শান্তির উৎস
7. আল-মুমিন – নিরাপত্তা দানকারী
8. আল-মুহাইমিন – তত্ত্বাবধায়ক
9. আল-আজীয – পরাক্রমশালী
10. আল-জাব্বার – সংশোধক, শক্তিমান
11. আল-মুতাকাব্বির – মহানত্বের অধিকারী
12. আল-খালিক – স্রষ্টা
13. আল-বারি’ – আদি স্রষ্টা
14. আল-মুসাওয়ার – আকৃতি দানকারী
15. আল-গফফার – বারবার ক্ষমাকারী
16. আল-কাহহার – সর্বদমনকারী
17. আল-ওয়াহহাব – দানশীল
18. আর-রাযযাক – রিজিক দানকারী
19. আল-ফাত্তাহ – উন্মুক্তকারী
20. আল-আলীম – সর্বজ্ঞ
21. আল-ক্বাবিদ – রিযিক সংকুচিতকারী
22. আল-বাসিত – রিযিক সম্প্রসারণকারী
23. আল-খাফিয – মর্যাদা হ্রাসকারী
24. আর-রাফি’ – মর্যাদা বৃদ্ধি করেন
25. আল-মু’ইজ্জ – সম্মান দানকারী
26. আল-মুজিল্ল – অপমানকারী
27. আস-সামী’ – সর্বশ্রোতা
28. আল-বাসীর – সর্বদ্রষ্টা
29. আল-হাকাম – বিচারক
30. আল-আদল – ন্যায়পরায়ণ
31. আল-লতীফ – সূক্ষ্মদর্শী, দয়ালু
32. আল-খবীর – অবহিত
33. আল-হালীম – সহিষ্ণু
34. আল-আজীম – মহান
35. আল-গফুর – ক্ষমাশীল
36. আশ-শাকুর – কৃতজ্ঞতার প্রতিদানকারী
37. আল-আলী – উচ্চ মর্যাদাশালী
38. আল-কবীর – মহান
39. আল-হাফিজ – রক্ষাকারী
40. আল-মুকীত – খাদ্য ও শক্তি দানকারী
41. আল-হাসিব – হিসাব গ্রহণকারী
42. আল-জলীল – গৌরবশালী
43. আল-করীম – দয়ালু, দাতা
44. আর-রাকীব – তত্ত্বাবধায়ক
45. আল-মুজীব – দোয়া কবুলকারী
46. আল-ওয়াসি’ – সর্বব্যাপী
47. আল-হাকীম – প্রজ্ঞাময়
48. আল-ওয়াদুদ – প্রেমময়
49. আল-মাজীদ – মর্যাদাশালী
50. আল-বা’ইথ – পুনরুত্থানকারী
51. আশ-শাহীদ – প্রত্যক্ষদর্শী
52. আল-হক্ক – চিরন্তন সত্য
53. আল-ওকীল – অভিভাবক
54. আল-ক্বওয়ী – শক্তিশালী
55. আল-মাতীন – দৃঢ়
56. আল-ওয়ালীয় – অভিভাবক, বন্ধু
57. আল-হামীদ – প্রশংসার যোগ্য
58. আল-মুহসী – গণনাকারী
59. আল-মুবদী – সৃষ্টির আদি প্রবর্তক
60. আল-মুইদ – পুনরায় ফিরিয়ে আনেন
61. আল-মুহয়ী – জীবনদাতা
62. আল-মুমীত – মৃত্যুদাতা
63. আল-হাইয়্যু – চিরঞ্জীব
64. আল-কাইয়্যুম – সবকিছুর ধারক
65. আল-ওয়াজিদ – সন্ধানকারী
66. আল-মাজিদ – মহিমান্বিত
67. আল-ওয়াহিদ – একমাত্র
68. আস-সামাদ – সকলের অভাব পূরণকারী
69. আল-কাদির – সর্বশক্তিমান
70. আল-মুকতাদির – সর্বশক্তিধর নিয়ন্ত্রণকারী
71. আল-মুকাদ্দিম – অগ্রবর্তী করা
72. আল-মু’আখখির – পশ্চাৎগামী করা
73. আল-আওয়াল – সবার আগে
74. আল-আখির – সবার পরে
75. আয-যাহির – প্রকাশ্য
76. আল-বা’তিন – অদৃশ্য
77. আল-ওয়ালী – রক্ষক ও অভিভাবক
78. আল-মুতাআলী – অতিশয় উচ্চ
79. আল-বার্‌র – অতি দয়ালু
80. আত-তাওয়াব – তাওবা কবুলকারী
81. আল-মুনতাকিম – প্রতিশোধ গ্রহণকারী
82. আল-আফুউ – মার্জনাকারী
83. আর-রউফ – পরম দয়ালু
84. মালিকুল মুলক – সবকিছুর মালিক
85. যুল জালালি ওয়াল ইকরাম – মহিমা ও দানের অধিকারী
86. আল-মুকসিত – ন্যায়বিচারকারী
87. আল-জামি’ – একত্রকারী
88. আল-গানী – অমুখাপেক্ষী
89. আল-মুগনী – সমৃদ্ধকারী
90. আল-মানি’ – প্রতিবন্ধক
91. আদ-দারর – ক্ষতিসাধনকারী
92. আন-নাফি’ – উপকারকারী
93. আন-নূর – আলোক দাতা
94. আল-হাদি – পথপ্রদর্শক
95. আল-বাদি’ – অনুপম স্রষ্টা
96. আল-বাকি – চিরস্থায়ী
97. আল-ওয়ারিস – উত্তরাধিকারী
98. আর-রাশিদ – সঠিক পথ প্রদর্শক
99. আস-সবুর – ধৈর্যশীল

এক লাইনের ভাবনা ✨

এই নামগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, দোয়া আর জীবনে ব্যবহার করলে মনের ভেতরে অদ্ভুত প্রশান্তি তৈরি হয়।

✨⭐️🌟💫✨⭐️🌟💫✨🌟💫✨⭐️🌟💫✨⭐️

27/08/2025

✨⭐️🌟আল্লাহর বিশেষ গুণাবলি ✨
• ওয়াহদানিয়াত (একত্ববাদ) – আল্লাহ এক, তাঁর কোনো শরিক নেই।
• সর্বশক্তিমান – আসমান-জমিন, পাহাড়-সমুদ্র, সূর্য-চাঁদ—সবই তাঁর ইচ্ছায় পরিচালিত।
• আল-খালিক (সৃষ্টিকর্তা) – তিনি সবকিছুর স্রষ্টা; কিছুই তাঁর বাইরে জন্ম নেয় না।
• আর-রাহমান ও আর-রাহিম (অপরিসীম দয়ালু ও করুণাময়) – প্রতিটি প্রাণীর প্রতি তিনি রহমত বর্ষণ করেন।
• আল-আলীম (সর্বজ্ঞ) – প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য, দৃশ্যমান বা অদৃশ্য—সবকিছু তিনি জানেন।
• আল-হাফিজ (রক্ষক) – তিনি তাঁর বান্দাদের রক্ষা করেন, পাহারা দেন।
• আল-গফুর (ক্ষমাশীল) – বান্দা যত বড় গোনাহ করুক, তাওবা করলে তিনি ক্ষমা করেন।
• আল-আদল (ন্যায়পরায়ণ) – তিনি কখনো অবিচার করেন না, সকলের হিসাব ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নেবেন।

⭐️সংক্ষেপে

আল্লাহর গুণাবলি সীমাহীন। কুরআনে ও হাদীসে ৯৯টি সুন্দর নাম (আসমাউল হুসনা) এসেছে, যা তাঁর মহিমা ও বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।

✨⭐️🌟💫✨⭐️🌟💫✨⭐️🌟💫✨⭐️🌟💫✨⭐️

26/08/2025

✨🌟ফেরেশতা জিবরাইল (আলাইহিস সালাম) এর জীবনী 🌟

ফেরেশতা জিবরাইল (আঃ) আল্লাহ্‌র অন্যতম মহান ফেরেশতা। তাঁর আরেক নাম “রূহুল আমিন” (বিশ্বস্ত আত্মা) ও “রূহুল কুদুস” (পবিত্র আত্মা)। তিনি আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে নবী-রাসূলদের নিকট ওহি পৌঁছে দেওয়ার জন্য নিয়োজিত ছিলেন।

জিবরাইল (আঃ) অত্যন্ত শক্তিশালী ও মহিমান্বিত ফেরেশতা। কুরআনে বলা হয়েছে, তাঁর অসাধারণ শক্তি ও আল্লাহর নিকট মর্যাদা রয়েছে। তিনি ছয়শত পাখা বিশিষ্ট, যা আসমান-যমীন আচ্ছাদিত করতে সক্ষম।

গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বসমূহ
• আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি নিয়ে আসা।
• নবী-রাসূলদের সাহায্য করা।
• বড় বড় ঘটনায় অংশগ্রহণ করা (যেমন বদর যুদ্ধের সময় মুসলিমদের সহায়তা)।
• কখনো কখনো মানুষের রূপ ধারণ করে নবীদের সাথে কথা বলা (যেমন হযরত মারইয়াম আঃ-কে সন্তানের সুসংবাদ দেওয়া)।

হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর জীবনে ভূমিকা

হেরা গুহায় প্রথম ওহি “ইকরা” নিয়ে নাযিল হন জিবরাইল (আঃ)। এরপর পুরো জীবনে তিনি কুরআনের ওহি পৌঁছে দেন এবং বহুবার নবীজি ﷺ এর সাথে সাক্ষাৎ করেন।



✨ জিবরাইল (আঃ) আমাদের মনে করিয়ে দেন—আল্লাহর বার্তা সর্বদা সত্য এবং তাঁর নির্দেশই সর্বোচ্চ।

🩵🌺🌷💙🦋🌻🌼🌸🩷🌺🌷💙🩵🌺🌷💙🌷

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mukta Akter posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share