ইন্তিফাদা - Intifada

ইন্তিফাদা - Intifada আমাদের ইন্তিফাদা... সত্য ও ন্যায়ের পথে...

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: সফলতা ও ব্যর্থতাসেমিনার | ২ আগস্ট ২০২৫ | ঢাকাইন শা আল্লাহ্‌, আগামী ২ আগস্ট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ...
28/07/2025

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: সফলতা ও ব্যর্থতা
সেমিনার | ২ আগস্ট ২০২৫ | ঢাকা
ইন শা আল্লাহ্‌, আগামী ২ আগস্ট ২০২৫ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে "জুলাই গণঅভ্যুত্থান: সফলতা ও ব্যর্থতা" শীর্ষক সেমিনার।
আলোচনায় থাকবে, জুলাই আমাদের কী দিয়েছে, আর কোথায় সে পথ হারিয়েছে। শুনবো আওয়ামী জাহেলিয়াতের বিরুদ্ধে অবিস্মরণীয় অবদান রাখা বীরদের সাহস, ত্যাগ আর প্রত্যয়ের গল্প। জানবো তাদের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, আশা ও হতাশার কথা।
সবশেষে, আলোচনা হবে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে ইসলামের ভবিষ্যৎ ও নতুন সমাজবাস্তবতা নিয়ে।
তারিখ: ২ আগস্ট ২০২৫
সময়: বিকেল ৩টা – রাত ৯টা
স্থান: বিএমএ অডিটোরিয়াম, বিএমএ ভবন, ১৫/২ তোপখানা রোড, ঢাকা-১০০০
আয়োজনে: ইন্তিফাদা বাংলাদেশ
প্রবেশ: সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত
রেজিস্ট্রেশন লিংক শীঘ্রই প্রকাশিত হবে ইন শা আল্লাহ

" যুদ্ধ শুরু হলে রাজনীতিবিদেরা অস্ত্র দেয় , ধনীরা রুটি দেয় আর গরীবেরা তাদের আবেগ আর সন্তানদের বিকিয়ে দেয়।যুদ্ধ শেষ হলে র...
15/05/2025

" যুদ্ধ শুরু হলে রাজনীতিবিদেরা অস্ত্র দেয় , ধনীরা রুটি দেয় আর গরীবেরা তাদের আবেগ আর সন্তানদের বিকিয়ে দেয়।
যুদ্ধ শেষ হলে রাজনীতিবিদেরা চির বৈরিতা ভুলে হাতে হাত মেলায় , ধনীরা রুটির দাম বাড়ায় আর গরীবেরা তাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তানদের কবর খুঁজে ।"

(জার্মান প্রবাদ)

শহীদ গোলাম নাফিজের মা ছবি হয়ে যাওয়া সন্তানকে ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা করছেন।

14/05/2025

নারী সংস্কার কমিশন নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নারী শিক্ষার্থীদের সংবাদ সম্মেলন

14/05/2025

কথায় কথায় বাংলা ছাড়!
বাংলা কি তোর বাপ- দাদার?

জুলাইয়ের সেই উত্তপ্ত দিনগুলোতে শাহাবাগে এই স্লোগান উঠেছিলো।

ভিডিও ক্রেডিট: কাজী মাযহারুল ইসলাম

আওয়াজ উঠুক,এই সমস্যার মূলে জাতীয় কোন গাদ্দার জড়িত----??ফেনী জেলা হলো বাংলাদেশের চিকেন নেক। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা এবং চট্...
15/04/2025

আওয়াজ উঠুক,
এই সমস্যার মূলে জাতীয় কোন গাদ্দার জড়িত----??
ফেনী জেলা হলো বাংলাদেশের চিকেন নেক। ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা এবং চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে ৯০০ একর জমির ভারতকে বিনামূল্যে বরাদ্দ দিয়েছিল পতিত স্বৈরাচার হাসিনা। পরিষ্কার ভাবে বলা যায়,
এই বরাদ্দ ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ধংসকারী। কেননা ওখানে কেটে ফেললেই চট্টগ্রাম অঞ্চল বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

ভারত যেখানে তাদের চিকেন নেকের ধারেপাশে আমাদেরকে ভিড়তে দেয় না, বহু দূরে তিস্তা প্রজেক্ট করতে বাধা দিচ্ছে, সেখানে আমাদের চিকেন নেকের একদম ভেতরে তাদের ইকোনমিক জোন দিতে হবে কেন?
সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে এই ভূয়া বিনিয়োগ আমাদের দরকার নাই।

দু‘দিন আগে ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাতিল করা হয়েছে, অথচ ভারতকে দেওয়া মিরেশ্বরাইয়ের ৯০০ একর ভূমির এই জোন বাতিল হয়নি।

আওয়াজ তুলুন,
ভারতকে দেয়া এই ৯০০ একর জমি বরাদ্দ বাতিল করে সেখানে চিকেন নেক রক্ষা করতে ক্যান্টনমেন্ট বানানো হোক ॥
✊🏼✊🏼✊🏼

আওয়ামী লীগের বাতিল করা নিয়ম পুনর্বহাল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার-
13/04/2025

আওয়ামী লীগের বাতিল করা নিয়ম পুনর্বহাল করেছে অন্তর্বর্তী সরকার-

মার্চ ফর গাজা: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান যেন এক টুকরো ফিলিস্তিন!মার্চ ফর গাজার ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামাMarch for Gaza | ঢাকা ...
12/04/2025

মার্চ ফর গাজা: সোহরাওয়ার্দী উদ্যান যেন এক টুকরো ফিলিস্তিন!
মার্চ ফর গাজার
ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা
March for Gaza | ঢাকা | ২০২৫

বিসমিল্লাহির রাহমানীর রাহীম
আল্লাহর নামে শুরু করছি
যিনি পরাক্রমশালী, যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী,
যিনি মজলুমের পাশে থাকেন, আর অত্যাচারীর পরিণতি নির্ধারণ করেন।

আজ আমরা, বাংলাদেশের জনতা—যারা জুলুমের ইতিহাস জানি, প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করি—সমবেত হয়েছি গাজার শহীদদের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি ইতিহাসের সামনে দেওয়া আমাদের জবাব, একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ।

এই পদযাত্রা ও গণজমায়েত থেকে আজ আমরা চারটি স্তরে আমাদের দাবিসমূহ উপস্থাপন করব-

*আমাদের প্রথম দাবিগুলো জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি ঘোষণা*

যেহেতু—জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সকল জাতির অধিকার রক্ষার, দখলদারিত্ব ও গণহত্যা রোধের সংকল্প প্রকাশ করে;
এবং—আমরা দেখেছি, গাযায় প্রতিদিন যে রক্তপাত, যে ধ্বংস চলছে, তা কোনো একক সরকারের ব্যর্থতা নয়—বরং এটি একটি আন্তর্জাতিক ব্যর্থতার ফল;
এবং—এই ব্যর্থতা শুধু নীরবতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—বরং পশ্চিমা শক্তিবলয়ের অনেক রাষ্ট্র সরাসরি দখলদারকে অস্ত্র, অর্থ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে এই গণহত্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে;
এবং—এই বিশ্বব্যবস্থা দখলদার ইজরায়েলকে প্রশ্নবিদ্ধ না করে বরং রক্ষা করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে;

সেহেতু—আমরা জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি বলছি:

১। জায়নবাদী ইজরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে;
২। যুদ্ধবিরতি নয়—গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে;
৩। ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দেয়ার জন্য বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে;
৪। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি দিতে হবে;
৫। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, এবং রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে হবে;

কারণ—এই মুহূর্তে বিশ্বব্যবস্থা যে ন্যায়ের মুখোশ পরে আছে,
গাযার ধ্বংসস্তূপে সেই মুখোশ nirlojjovabe khule পড়ে গেছে।

*আমাদের দ্বিতীয় দাবিগুলো মুসলিম উম্মাহর নেতৃবৃন্দের প্রতি।*

যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিন কেবল একটি ভূখণ্ড নয়—এটি মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয়ের অংশ;
এবং—গাযা এখন কেবল একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত শহর নয়—এটি আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি;
এবং—উম্মাহর প্রতিটি সদস্য, প্রতিটি রাষ্ট্র, এবং প্রতিটি নেতৃত্বের উপর অর্পিত আছে সেই আমানত—যা আল্লাহ প্রদত্ত ভ্রাতৃত্ব ও দায়িত্বের সূত্রে আবদ্ধ;
এবং—ইজরায়েল একটি অবৈধ, দখলদার, গণহত্যাকারী রাষ্ট্র—যা মুসলিমদের প্রথম কিবলা ও একটি পুরো জনগোষ্ঠীর অস্তিত্ব নিশ্চিহ্ন করতে উদ্যত হয়েছে;
এবং—ভারতের হিন্দুত্ববাদ আজ এই অঞ্চলে জায়নবাদী প্রকল্পের প্রতিবিম্বে পরিণত হয়েছে—মুসলমানদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত দমন-নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে;
এবং—ভারতে সম্প্রতি ওয়াকফ সম্পত্তি আইন সংশোধনের মাধ্যমে মুসলিমদের ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্বত্বাধিকার হরণ করা হয়েছে—যা উম্মাহর জন্য একটি স্পষ্ট সতর্কবার্তা;

সেহেতু—আমরা মুসলিম বিশ্বের সরকার ও ওআইসি’র মত বহুজাতিক সংগঠনগুলোর নিকট দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:

১। ইজরায়েলের সাথে অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সকল সম্পর্ক অবিলম্বে ছিন্ন করতে হবে;
২। জায়নবাদী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে;
৩। গাযার মজলুম জনগণের পাশে সর্বাত্মক সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে—চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সহ;
৪। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইজরায়েলকে এক ঘরে করতে সক্রিয় কূটনৈতিক অভিযান শুরু করতে হবে;
৫। zayonbader doshor ভারতের হিন্দুত্ববাদী শাসনের অধীনে মুসলিমদের অধিকার হরণ, বিশেষ করে ওয়াকফ আইন সংশোধনের মতো রাষ্ট্রীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে দৃঢ় প্রতিবাদ ও কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থান নিতে হবে;

কারণ—গাযার রক্তে লজ্জিত হওয়ার আগেই, গাযার পাশে দাঁড়ানোই উম্মাহর জন্য সম্মানের একমাত্র পথ।
এবং—যে নেতৃত্ব আজ নিরব, কাল ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হবে।

*আমাদের তৃতীয় দাবিগুলো বাংলাদেশ সরকারের প্রতি-*

যেহেতু—বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার স্বাধীনতা সংগ্রামের ভিত্তিতেই নিহিত রয়েছে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা;
এবং—আমরা বিশ্বাস করি, ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশ কেবল মানবতার নয়—ঈমানের পক্ষেও এক ঐতিহাসিক অবস্থানে আছে;
এবং—একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে সরকারের দায়িত্ব, জনগণের ঈমানি ও নৈতিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা রাখা;
এবং—বাংলাদেশের জনগণ গাযার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছে, tai rastrer o dayitto jonogoner akangkhar profolone driro prodokkhep grohon kora

সেহেতু—আমরা বাংলাদেশের সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে আহ্বান জানাই:

১। বাংলাদেশি পাসপোর্টে ‘Except Israel’ শর্ত পুনর্বহাল করা, ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান আরও সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করতে হবে;
২। সরকারের ইসরায়েলি joto প্রতিষ্ঠানের সাথে যত চুক্তি হয়েছে, তা বাতিল করতে হবে;
৩। রাষ্ট্রীয়ভাবে গাজায় ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠানোর কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে;
৪। সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং আমদানি নীতিতে জায়নবাদী কোম্পানির পণ্য বর্জনের নির্দেশনা দিতে হবে;
৫। jayonbader doshor ভারতের হিন্দুত্ববাদী সরকারের অধীনে মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর চলমান নির্যাতনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে, যেহেতু হিন্দুত্ববাদ আজ শুধু একটি স্থানীয় মতবাদ নয়—বরং আন্তর্জাতিক জায়নিস্ট ব্লকের অন্যতম দোসর;
৬। পাঠ্যবই ও শিক্ষা নীতিতে আল-আকসা, ফিলিস্তিন, এবং মুসলিমদের সংগ্রামী ইতিহাসকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে—
যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মুসলিম আত্মপরিচয়ের সাথে গড়ে ওঠে।

কারণ—রাষ্ট্র কেবল সীমানা নয়, রাষ্ট্র এক আমানত।
আর এই আমানত রক্ষা করতে না পারলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না।

*আমাদের সর্বশেষ দাবিগুলো নিজেদের প্রতি যা মূলত একটি অঙ্গীকারনামা*

যেহেতু—আমরা বিশ্বাস করি, আল-কুদস কেবল একটি শহর নয়—এটি ঈমানের অংশ;
এবং—আমরা জানি, বাইতুল মাকদিসের মুক্তি অন্য কারো হাতে নয়—আমাদেরই কোন প্রজন্মের হাতে তা লেখা হবে;
এবং—আমরা বুঝি, জায়নবাদ কেবল বাইরের দখলদার নয়—এটি ভেতরের আত্মবিস্মৃতির সুযোগে দাঁড়ায়;
এবং—আজ যদি আমরা প্রস্তুত না হই, কাল আমাদের সন্তানেরা হয়তো এমন এক বাংলাদেশ পাবে—যেখানে হিন্দুত্ববাদ ও জায়নবাদ একত্রে নতুন গাজা তৈরি করবে;
এবং—গাযা আমাদের জন্য এক আয়না—যেখানে আমরা দেখতে পাই, কীভাবে বিশ্বাসী হওয়া মানে কেবল বেঁচে থাকা নয়, সংগ্রামে দৃঢ় থাকা;
সেহেতু—আমরা এই মাটির মানুষ, এই মুসলিমবঙ্গের নাগরিক, এই কওমের সন্তান—একটি অঙ্গীকার করছি:
১। আমরা বয়কট করবো—প্রত্যেক সেই পণ্য, কোম্পানি ও শক্তিকে যারা ইজরায়েলের দখলদারিত্বকে টিকিয়ে রাখে;
২। আমরা আমাদের সমাজকে প্রস্তুত করবো—এমন নুরউদ্দীন, এমন সালাহউদ্দিন তৈরি করার জন্য,
যারা বাইতুল মাকদিসের মিম্বার পুনরুদ্ধার করবে, ইন শা আল্লাহ;
৩। আমরা আমাদের সন্তানদের এমনভাবে গড়ে তুলবো—যারা নিজেদের আদর্শ ও ভূখণ্ড রক্ষায় জান ও মালের সর্বোচ্চ ত্যাগে প্রস্তুত থাকবে;
৪। আমরা বিভাজিত হবো না—কারণ আমরা জানি, বিভক্ত জনগণকে দখল করতে দেরি হয় না।
আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকবো, যাতে এই বাংলাদেশ কখনো কোনো হিন্দুত্ববাদী প্রকল্পের পরবর্তী গাজায় পরিণত না হয়।
আমরা শুরু করবো নিজেদের ঘর থেকে—ভাষা, ইতিহাস, শিক্ষা, অর্থনীতি, সমাজ—সবখানে এই অঙ্গীকারের ছাপ রেখে।
আমরা মনে রাখবো:
গাযার শহীদরা কেবল আমাদের দো‘আ চান না—তাঁরা আমাদের প্রস্তুতি চান।

সমাপ্তিঃ
শান্তি বর্ষিত হোক গাযার সম্মানিত অধিবাসীদের উপর—তাঁদের উপর,
যাঁরা সবর করেছেন, যাঁরা ঈমানের প্রমাণ দিয়েছেন।
যাঁরা ধ্বংসস্তূপের মাঝেও প্রতিরোধের আগুন জ্বেলেছেন
বিশ্বের নীরবতা ও উদাসীনতার যন্ত্রণা হাসিমুখে বুকের মাঝে ধারণ করেছেন।

শান্তি বর্ষিত হোক হিন্দ রজব, রীম, ফাদি আবু সালেহ এবং মুহাম্মাদ আল-দুরাদের উপর, যাঁদের রক্তে আকাশ রঙিন হয়েছে, যাঁদের চোখে ছিল প্রতিরোধের দীপ্তি।
শান্তি বর্ষিত হোক বাইতুল মাকদিসের গর্বিত অধিবাসীদের উপর, যাঁদের হৃদয়ে এখনো ধ্বনিত হয় ‘আল-কুদস লানা’।

গাজার জনগণকে অভিনন্দন—

আপনারা ঈমান, সবর আর কুরবানীর মহাকাব্য রচনা করেছেন।
দুনিয়াকে দেখিয়েছেন—ঈমান আর তাওয়াক্কুলের শক্তি
আমরা, বাংলাদেশের মানুষ—শাহ জালাল আর শরীয়াতুল্লাহর ভূমি থেকে দাঁড়িয়ে, আপনাদের সালাম জানাই,
আপনাদের শহীদদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানাই,
আর আমাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এই দো‘আ—
হে আল্লাহ, গাজার এই সাহসী জনপদকে তুমি সেই পাথর বানাও,
যার উপর গিয়ে ভেঙে পড়বে সব জায়োনিস্টদের ষড়যন্ত্র।

বিএনপির গতকালের বিক্ষোভ ছিলো অসাধারণ। যতদুর চোখ যায় মানুষের স্রোত।  প্রতীকীভাবে শিশুদের লাশ নিয়ে মিছিলের  দৃশ্য ছিলো অসা...
11/04/2025

বিএনপির গতকালের বিক্ষোভ ছিলো অসাধারণ। যতদুর চোখ যায় মানুষের স্রোত। প্রতীকীভাবে শিশুদের লাশ নিয়ে মিছিলের দৃশ্য ছিলো অসাধারণ।

জনমানুষের আবেগকে শ্রদ্ধা ও জুলুমের বিরুদ্ধে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছি।বিএনপি কতিপয় রামবামদের নয়,আগের মতোই জনগনের হয়ে উঠুক এই কামনা করছি।

08/04/2025
08/04/2025

বাংলাদেশ নাসার ‘আর্টেমিস অ্যাকর্ডস’ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, ৫৪তম সদস্য দেশ। (৮ এপ্রিল ২০২৫)

আর্টেমিস অ্যাকর্ডস:
- ২০২০ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত।
- এটি একটি অ-বান্ধনযোগ্য বহুপাক্ষিক উদ্যোগ।
- উদ্দেশ্য: মহাকাশ অনুসন্ধানে শান্তিপূর্ণ, স্বচ্ছ ও টেকসই সহযোগিতা নিশ্চিত করা।

চুক্তির ভিত্তি:
- আউটার স্পেস ট্রিটি
- রেজিস্ট্রেশন কনভেনশন
- অ্যাস্ট্রোনট রেসকিউ এগ্রিমেন্টের নীতিমালা অনুসরণ করে তৈরি।

ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ও লাভ:
- প্রযুক্তি স্থানান্তর, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার নতুন সুযোগ।
- নাসা ও স্পারসোর মধ্যে সরাসরি সহযোগিতার পথ উন্মুক্ত।
- উন্নত স্যাটেলাইট প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক গবেষণায় প্রবেশাধিকার।

প্রয়োগ ক্ষেত্র:
- পৃথিবী পর্যবেক্ষণ ও জলবায়ু মনিটরিং স্যাটেলাইট** তৈরিতে সহায়তা।
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (বন্যা, ঘূর্ণিঝড়) উন্নত করা।

শিক্ষা ও গবেষণা:
- বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজ্ঞানীরা বৈশ্বিক মহাকাশ গবেষণায় যুক্ত হতে পারবে।
- শিক্ষার্থীরা নাসার প্রশিক্ষণ, বৃত্তি ও এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবে।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইন্তিফাদা - Intifada posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share