C/O Nobody

Directions

C/O Nobody এই পৃথিবীতে সবচাইতে আনকমন বস্তু হচ্ছে কমনসেন্স।
(5)

12/08/2026

আল্লাহ বাচাইসে এই ভদ্রমহিলা জিসানের মা না। তাহলে এই রেজাল্ট করা ওর পক্ষে সম্ভব হতো না। কোথায় রেজাল্ট নিয়ে একটু প্রশংসা করবে, তা না। কেনো নাম্বার কাটা গেলো সে হিসাব নিচ্ছে। প্রথমে ভেবেছিলাম মজা করে বলছে। আরেকজন উনার কমেন্টে রিপ্লাই করাতে ঝগড়া লেগে গেলো। উনি নাকি একজন সন্তানের মা হিসেবে জিজ্ঞেস করতে পারে এ কথা। আপু, আপনার সন্তান যত ভালো রেজাল্টই করুক, আপনার কারণে আজীবন সে হীনমন্যতায় ভোগবে।

08/08/2026

আস্তিক বনাম নাস্তিক: বিশ্বাসের স্বাধীনতা, অবিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং মানুষের মর্যাদা

পৃথিবীতে যত মানুষ, তত রকম চিন্তা। কেউ আল্লাহকে বিশ্বাস করেন, কেউ ভগবানকে, কেউ ঈশ্বর বা গডকে। আবার কেউ মনে করেন, এই মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য কোনো অতিপ্রাকৃত সত্তায় বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। এই ভিন্নতা কোনো সমস্যা নয়; বরং মানুষের চিন্তার স্বাভাবিক বৈচিত্র্য।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা অনেক সময় একজন মানুষকে তাঁর চরিত্র দিয়ে নয়, তাঁর বিশ্বাস দিয়ে বিচার করি। কেউ যদি ধর্মে বিশ্বাস না করেন, অনেকেই ধরে নেন তিনি নিশ্চয়ই নৈতিকতাহীন, ধর্মবিদ্বেষী বা খারাপ মানুষ। আবার কেউ ভিন্ন ধর্ম অনুসরণ করলে, তাঁকে অনেক সময় এমনভাবে দেখা হয় যেন তিনি "ভুল মানুষ"।

আমার কাছে এই দুই ধারণাই ভুল।

একজন মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করেন—এটি তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাস। আরেকজন মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করেন না—এটিও তাঁর ব্যক্তিগত অবস্থান। এই দুইয়ের কোনোটিই নিজে নিজে একজন মানুষকে ভালো বা খারাপ বানিয়ে দেয় না।

আমরা প্রায়ই "নাস্তিক" শব্দটিকে এমনভাবে ব্যবহার করি, যেন এটি কোনো অপরাধের পরিচয়। অথচ নাস্তিক হওয়ার অর্থ কেবল এতটুকুই—তিনি কোনো ঈশ্বর বা অতিপ্রাকৃত শক্তির অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। এর অর্থ এই নয় যে তিনি সততায় বিশ্বাস করেন না, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ নন, ভালোবাসা বোঝেন না বা ন্যায়বিচারের মূল্য দেন না।

একজন নাস্তিকও নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে পারেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেন, সত্য কথা বলতে পারেন এবং নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকতে পারেন। ঠিক যেমন একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষও মানবিক, সৎ এবং মহান হতে পারেন।

তাই একজন মানুষের পরিচয় তাঁর বিশ্বাস দিয়ে নয়, তাঁর আচরণ দিয়ে হওয়া উচিত।

একজন দুর্নীতিবাজ, প্রতারক বা নিষ্ঠুর মানুষ যদি ধর্মীয় পরিচয় বহন করেন, তাহলে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় তাঁকে ভালো মানুষ বানিয়ে দেয় না। আবার একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও মানবিক মানুষ যদি নাস্তিক হন, তাহলে তাঁর অবিশ্বাস তাঁকে খারাপ মানুষ বানিয়ে দেয় না।

আমাদের উচিত মানুষের বিচার তাঁর কাজ দিয়ে করা—তাঁর বিশ্বাস দিয়ে নয়।

একইভাবে, একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষের বিশ্বাসকে উপহাস করাও যেমন অন্যায়, তেমনি একজন নাস্তিককে শুধু তাঁর অবিশ্বাসের কারণে ঘৃণা করা, অপমান করা বা সমাজের জন্য বিপজ্জনক মানুষ হিসেবে তুলে ধরাও অন্যায়। সম্মান যদি চাই, তাহলে সেই সম্মান সবার জন্যই হতে হবে।

আরেকটি বিষয় নিয়ে আমার ব্যক্তিগত একটি উপলব্ধি আছে।

পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি ধর্মের অনুসারীই বিশ্বাস করেন, একমাত্র তাঁদের ধর্মই সত্যের পথ। এটি তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস, এবং সেই বিশ্বাস ধারণ করার পূর্ণ অধিকার তাঁদের আছে। কিন্তু সেই বিশ্বাস প্রকাশের ভাষাও গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় আমরা এমনভাবে কথা বলি—"যারা আমার ধর্মে বিশ্বাস করে না, তারা সবাই জাহান্নাম/নরকে যাবে", "তারা কখনো মুক্তি পাবে না।"

আমি মনে করি, এই ধরনের বাক্য অন্য মানুষের বিশ্বাসকে অস্বীকার করে এবং তাঁদের সম্পর্কে এমন একটি চূড়ান্ত রায় দিয়ে দেয়, যেটি দেওয়ার অধিকার আমাদের কারও নেই।

যদি কেউ নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা বলতে চান, তাহলে তিনি বলতে পারেন—

"আমার ধর্ম আমাকে শিক্ষা দেয়, আমি যদি এই বিশ্বাস থেকে সরে যাই, তাহলে আমার জন্য এমন পরিণতি হতে পারে। তাই আমি এই বিশ্বাস অনুসরণ করি।"

এখানে নিজের বিশ্বাসের কথা বলা হচ্ছে, অন্যের ভাগ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে না। আমার কাছে এই পার্থক্যটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্বাস ব্যক্তিগত হতে পারে, কিন্তু সম্মান হওয়া উচিত সর্বজনীন।

আমরা সবাই যদি নিজের বিশ্বাসকে সম্মান করতে চাই, তাহলে অন্যের বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসের অধিকারকেও একইভাবে সম্মান করতে হবে। স্বাধীনতা কখনো একপাক্ষিক হতে পারে না। আমি আমার বিশ্বাস প্রকাশ করব, কিন্তু অন্যের ভিন্ন বিশ্বাস প্রকাশের অধিকার অস্বীকার করব—এটি স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে যায় না।

আমরা সবাই একইভাবে ভাবব—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। মতভেদ থাকবে, বিতর্ক থাকবে, যুক্তি থাকবে। কিন্তু সেখানে যেন অপমান না থাকে, বিদ্বেষ না থাকে, ব্যক্তিগত আক্রমণ না থাকে। কারণ যুক্তি মানুষকে ভাবতে শেখায়, আর ঘৃণা শুধু মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

আমি ধর্মের বিরুদ্ধে নই। আবার নাস্তিকতার পক্ষেও কোনো প্রচারণা করছি না।

আমি শুধু বলতে চাই—ধর্মবিশ্বাসী হওয়া যেমন অপরাধ নয়, তেমনি নাস্তিক হওয়াও অপরাধ নয়। এই দুটোই মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। একজন মানুষের চরিত্রের সনদ নয়।

শেষ পর্যন্ত একজন মানুষকে মূল্যায়ন করা উচিত তাঁর সততা, ন্যায়বোধ, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং অন্য মানুষের প্রতি তাঁর আচরণ দিয়ে। আমরা হয়তো কোনো দিন একই বিশ্বাসে পৌঁছাতে পারব না। কিন্তু আমরা যদি একে অপরের ভিন্ন বিশ্বাসকে সম্মান করতে শিখি, যদি একজন মানুষকে তাঁর বিশ্বাসের আগে মানুষ হিসেবে দেখতে শিখি, তাহলে সমাজে ঘৃণা কমবে, সহনশীলতা বাড়বে, আর আমাদের ভবিষ্যৎ হবে আরও সুন্দর।

সবশেষে, আমার একটি বিশ্বাস আছে।

ঈশ্বরে বিশ্বাস করা একজন মানুষের অধিকার। ঈশ্বরে বিশ্বাস না করাও একজন মানুষের অধিকার। কিন্তু একজন মানুষকে শুধু তাঁর বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের কারণে ছোট করা—কোনোটিই আমাদের অধিকার নয়।

কারণ মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার ধর্ম নয়, তার অধর্মও নয়।

মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়—সে কতটা মানুষ।

- এমএনএইচ টুটুল

゚

27/06/2026

মা...

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট শব্দগুলোর একটি, অথচ সবচেয়ে বড় আশ্রয়ের নাম।

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু বদলে যায়। চারদিকে ভবন ধসে পড়ছে, মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটছে, মৃত্যুর আতঙ্ক গ্রাস করছে সবাইকে। কিন্তু সেই বিভীষিকার মাঝেও একজন মা নিজের দুই বছরের ছোট্ট মেয়েকে শক্ত করে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন। তিনি জানতেন না তিনি বাঁচবেন কি না, কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন যেন তাঁর সন্তানের গায়ে কোনো আঘাত না লাগে।

উদ্ধারকর্মীরা যখন ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সেখানে পৌঁছান, তখন দেখতে পান মায়ের নিথর দেহ। কিন্তু তাঁর বুকের ভেতর, সেই শেষ আলিঙ্গনের নিরাপদ আশ্রয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে আছে ছোট্ট মেয়েটি। নিজের জীবন দিয়ে তিনি সন্তানকে পৃথিবীতে বাঁচিয়ে রেখে গেছেন।

হয়তো এটাই "মা" হওয়ার সবচেয়ে নিখুঁত সংজ্ঞা।
মায়েরা কখনো হিসাব করে ভালোবাসে না। তারা ভাবে না নিজের জীবন আগে, না সন্তানের জীবন আগে। তাদের কাছে সন্তানের এক ফোঁটা হাসি নিজের হাজারটা কষ্টের চেয়েও বড়। তাই পৃথিবীর ইতিহাসে অসংখ্যবার দেখা গেছে—যেখানে মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে, সেখানেও একজন মা নিজের বুকটাকেই সন্তানের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় বানিয়ে দেন।

এই পৃথিবীতে অনেক সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে যায়, অনেক ভালোবাসা সময়ের সঙ্গে ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু একজন মায়ের ভালোবাসা কখনো বদলায় না। সে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শুধু একটাই চায়—"আমার সন্তানটা যেন বেঁচে থাকে, ভালো থাকে।"

পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
তোমাদের ঋণ কোনোদিন শোধ হবার নয়। ❤️

#মা

22/06/2026

আর্জেন্টিনার প্রতিটি খেলার আগে ব্রাজিলের সাপোর্টাররা যে স্বপ্ন দেখে 😂😂😂😂🤣😂😂😂

08/05/2026
27/03/2026

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো অবদান ছিল না, বক্তব্যে এমন মন্তব্য করায় পটুয়াখালীতে জেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতা আবদুল হক কাওসারীকে অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের প্রতিবাদের মুখে তাঁকে বের করে দিতে বাধ্য হয় জেলা প্রশাসন। সূত্র: প্রথম আলো (২৭.০৩.২৬)

16/02/2026

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ চাই।

আমাদের অফিসে গ্রাহক এবং এমপ্লয়ীদের নাস্তার জন্য প্রতিদিন একটা বাজেট থাকে। অনেক অফিসেই থাকে। বিশেষ করে ব্রোকারেজ হাউজ গুলোতে। তবে রমজান মাস এলে এই নাস্তা দেয়াটা বন্ধ করে দেয়া হয়। আমার প্রশ্ন হলো- কেন বন্ধ করা হবে? আমার অফিসে মুসলিম ছাড়াও অন্যান্য ধর্মেরও লোক আছে। তাদের উপর তো রোজা রাখার বাধ্যবাধকতা নেই। তাহলে তাদের জন্য কেন নাস্তার বাজেট রাখা হবে না? ব্যাপারটা কি অমানবিক না? আমার ধর্মের নিয়ম নীতি আমি তো অন্য ধর্মের লোকের উপর চাপিয়ে দিতে পারি না। আমরা সবাই মুখে মুখে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের কথা বলি। আসলে, অন্তরে সবাই আমরা সাম্প্রদায়িক। আমি স্বপ্ন দেখি আমার বাংলাদেশ ভবিষ্যতে এসব সাম্প্রদায়িকতার ঊর্ধ্বে থাকবে।

- Mnh

11/02/2026

নির্বাচনের পর শেয়ার মার্কেট টা ভালো হওয়ার আশায় বসে আছি।

28/01/2026
25/01/2026

জুলাই সনদে উচ্চকক্ষের এখতিয়ার, মানে ক্ষমতা কি সেটা পড়ার পর আমি শুধু একটা কথাই ভাবছিলাম - রাষ্ট্র পরিচালনায় শো পিসের কি দরকার? উচ্চ কক্ষের তো দেখছি কোন ধরনের ক্ষমতাই নেই কিছু করার। যাবতীয় ক্ষমতা নিম্নকক্ষের কাছে। তো, আমরা নিধিরাম সরদার দিয়ে কি করবো?

জুলাই সনদ (পোস্ট: ৩)

# # উচ্চকক্ষের গঠন, সদস্য নির্বাচন পদ্ধতি ও এখতিয়ার:

১৮। উচ্চকক্ষের গঠন: (ক) নিম্নকক্ষের নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation-PR) পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষের (একশত) জন সদস্য নির্বাচিত হবেন। ১০০

(খ) উচ্চকক্ষের মেয়াদ হবে শপথ গ্রহণের তারিখ হতে ৫ (পাঁচ) বছর। তবে কোনো কারণে নিম্নকক্ষ ভেঙ্গে গেলে উচ্চকক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিলুপ্ত হবে।

(গ) রাজনৈতিক দলগুলো নিম্নকক্ষের সাধারণ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশের সময় একই সঙ্গে উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। তালিকায় কমপক্ষে ১০ (দশ) শতাংশ নারী প্রার্থী থাকতে হবে।

১৯। উচ্চকক্ষের দায়িত্ব ও ভূমিকা: উচ্চকক্ষ নিম্নোক্ত দায়িত্বসমূহ পালন করবে:

(ক) নিম্নকক্ষের প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী প্রণয়নের বিষয়টি পর্যালোচনা করবে। উচ্চকক্ষের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা থাকবে না; তবে কোনো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আইন প্রণয়নের জন্য নিম্নকক্ষ বরাবর প্রস্তাব করতে পারবে। নিম্নকক্ষে পাসকৃত অর্থবিল এবং আস্থা ভোট ব্যতীত সকল বিল উচ্চকক্ষে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হতে হবে।

উচ্চকক্ষ কোনো বিল স্থায়ীভাবে আটকে রাখতে পারবে না। উচ্চকক্ষ কোনো বিল সর্বোচ্চ ২ (দুই) মাসের বেশি আটকে রাখলে তা উচ্চকক্ষ কর্তৃক অনুমোদিত বলে বিবেচিত হবে।

(খ) যদি উচ্চকক্ষ কোনো বিল অনুমোদন করে সেক্ষেত্রে উভয় কক্ষ কর্তৃক পাসকৃত বিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য পাঠানো হবে।

(গ) যেক্ষেত্রে উচ্চকক্ষ সংশোধনের সুপারিশসহ বিল পুনর্বিবেচনার জন্য নিম্নকক্ষে পাঠাবে সেক্ষেত্রে নিম্নকক্ষ উচ্চকক্ষের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো সম্পূর্ণ ও আংশিকভাবে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যান করতে পারবে।

(ঘ) উচ্চকক্ষ থেকে ফেরত পাঠানো বিল যদি নিম্নকক্ষের অধিবেশনে আবারও পাস হয়, তবে উচ্চকক্ষের অনুমোদন ছাড়াই বিলটি রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য প্রেরিত হবে।

(ঙ) সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত যেকোনো বিল উচ্চকক্ষের সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পাস করতে হবে।

২০। উচ্চকক্ষের সদস্যদের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা: সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, উচ্চকক্ষের সদস্যগণের যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নিম্নকক্ষের সদস্যগণের যোগ্যতার অনুরূপ হবে।

২১। জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব: জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব ক্রমান্বয়ে ১০০ (একশত) আসনে উন্নীত করা হবে।

২২। জাতীয় সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধির পদ্ধতি:

(ক) বিদ্যমান সংরক্ষিত ৫০ (পঞ্চাশ) টি আসন বহাল রেখে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৫(৩)-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হবে।

(খ) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ স্বাক্ষরের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে প্রতিটি রাজনৈতিক দল বিদ্যমান ৩০০ (তিনশত) সংসদীয় আসনের জন্য প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিবে, তবে এটি সংবিধানে উল্লেখ করা হবে না।

(গ) পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলো ন্যূনতম ১০ (দশ) শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিবে।

(ঘ) এই পদ্ধতিতে রাজনৈতিক দলগুলো সাধারণ নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩৩ (তেত্রিশ) শতাংশ নারী প্রার্থী মনোনয়নের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনে ন্যূনতম ৫ (পাঁচ) শতাংশ বর্ধিত হারে নারী প্রার্থী মনোনয়ন অব্যাহত রাখবে।

(ঙ) সংবিধানে বর্ণিত জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন অব্যাহত রেখে সংবিধানের সপ্তদশ (১৭তম) সংশোধনী (যা ৮ জুলাই ২০১৮ সালে সংসদে পাশ হয়)-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ (পঁচিশ) বছর বৃদ্ধি করা হয়, হিসাব অনুযায়ী তা ২০৪৩ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে; তবে সাধারণ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে ৩৩ (তেত্রিশ) শতাংশ নারী প্রার্থিতার লক্ষ্য ২০৪৩ সালের আগেই যদি অর্জিত হয়ে যায়, তাহলে সংবিধানের সপ্তদশ (১৭তম) সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত বিধান নির্ধারিত সময়ের আগেই বাতিল হয়ে যাবে।

২৩। ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে মনোনয়ন: সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, আইনসভার উভয় কক্ষে একজন করে ডেপুটি স্পিকার সরকারদলীয় সদস্য ব্যতীত অপর সদস্যদের মধ্য হতে মনোনীত করা হবে।

২৪। সংসদের স্থায়ী কমিটির সভাপতি: সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, প্রিভিলেজ কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি ও সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া, জাতীয় সংসদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদে সংসদে আসনের সংখ্যানুপাতে বিরোধী দলের মধ্য থেকে নির্বাচন করা হবে।

২৫। জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোটদান: সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭০-এর বিদ্যমান বিধান পরির্বতন করে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, জাতীয় সংসদের সদস্যগণ কেবল অর্থবিল এবং আস্থা ভোট প্রদানের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতি অনুগত থাকবেন। অন্য যেকোনো বিষয়ে তারা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন।

২৬। আন্তর্জাতিক চুক্তি আইনসভায় অনুমোদন: সংবিধানে এরূপ যুক্ত করা হবে যে, জাতীয় স্বার্থ বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা প্রভাবিত করে এরূপ আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনের পর আইনসভার উভয় কক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন (রেটিফাই) করা হবে।

Address

Banani
Dhaka
1213

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when C/O Nobody posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share