Learn Tech

Learn Tech The engineer has been, and is, a maker of history

আজকের টপিকঃ জেনারেটর, টারবাইন, বয়লার, কনডেন্সার।জেনারেটরঃজেনারেটর এমন একটা যন্ত্র বা মেশিন, যার সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তি...
31/07/2025

আজকের টপিকঃ জেনারেটর, টারবাইন, বয়লার, কনডেন্সার।

জেনারেটরঃ

জেনারেটর এমন একটা যন্ত্র বা মেশিন, যার সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন করা হয় ।
আর এই বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন জন্য একটি চুম্বক-ক্ষেত্র এবং একটি আর্মেচার যার উপরি ভাগে তারের কয়েল প্যাচনো থাকে এবং যাকে যান্ত্রিক শক্তির মাধ্যমে চুম্বক-ক্ষেত্রে ঘুরানো হয়।

আর যে যন্ত্রে মাধ্যমে একে ঘুরানো হয় তাকে প্রাইম মুভার বলে ,যেমন টারবাইন ।এই প্রাইম মুভার স্টিম , ডিজেল , পেট্রোল এমন কি বিদ্যুতিক মোটর হতে পারে ।

টারবাইনঃ

টারবাইন এমন একটা প্রাইম মুভার বা মেশিন যাতে প্রবাহীর ক্রমাগত ভরবেগের পরিবর্তন দিয়ে ঘূর্ণন গতি পাওয়া যায় । অনেক ধরনের টারবাইন পাওয়া যায় ,
যেমনঃ স্টিম টারবাইন , ওয়াটার টারবাইন , গ্যাস টারবাইন ইত্যাদি ।

এর মধ্যে আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৬ ইউনিট এ স্টিম টারবাইন এবং বাকী ২ টিতে গ্যাস টারবাইন ব্যবহার করা হয় । স্টিম টারবাইন টারবাইন একটা আদর্শ প্রাইম মুভার এবং এর বহুবিধি ব্যবহার ও দেখা যায় ।
বড় বড় স্টিম টারবাইন গুলো পাওয়ার প্লান্টে জেনারেটর পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং ছোট ছোট টারবাইন গুলো দিয়ে পাম্প , ফ্যান চালানো যায়। স্টিম টারবাইন ০.৫ হতে ২০০০০০ পযর্ন্ত HP বা হর্স পাওয়ার হতে পারে ।

বয়লারঃ

নিরাপত্তার ব্যবস্থা সহ যে আবদ্ধ পাত্রের ভেতর পানি রেখে তাতে তাপ প্রয়োগ করে স্টিম উৎপাদন করা হয় তাকে বয়লার বলা হয় । বয়লার সাধারনত ২ ধরনের হয়ে থাকে , যথা (ক) ফায়ার টিউব বয়লার এবং (খ) ওয়াটার টিউব বয়লার ।

ফায়ার টিউব বয়লার গঠন প্রানালী জটিল এবং ব্যয়বহুল , খুব কম গতিতে স্টিম উৎপাদন এছাড়া এটা বিস্ফরন হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান বেশি তাই বাংলাদেশে ওয়াটার টিউব বয়লার ব্যবহার করা হয় । ওয়াটার টিউব বয়লারের আগুন বাহিয়ে থাকে এবং পানি টিউব এর ভিতর থাকে আর ফায়ার টিউব বয়লারে আগুন টিউব এর ভিতর এবং পানি টিউব এর বাহিরে থাকে ।

কনডেন্সারঃ

স্টিম টারবাইন কে ঘুরিয়ে যখন বেড় হয় , তখন এই এগজস্ট স্টিমকে ঠান্ডা করার কাজে কনডেন্সার ব্যবহার করা হয় । এটি মাধ্যমে ঠান্ডা পানি স্টিম এর সংস্পর্শে ঘনীভূত হয়ে করে পানিতে পরিনত করা হয়।অর্থাৎ স্টিম কে পানি করে পুনরায় ফিড ওয়াটার হিসাবে বয়লারে সরবারহ করা হয় । একে আমরা হীট একচেঞ্জার ও বলে থাকি । দু ধরনের কন্ডেন্সার বেশি দেখা যায় , ১) জেট কনডেন্সার ২) সারফেস কনডেন্সার । তবে বর্তমানে সারফেস কনডেন্সার বেশি জনপ্রিয় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলোতে ।

30/07/2025

1. Power Factor এর পরিসীমা কত?
ক) 0 থেকে 100
খ) 0 থেকে 1 ✔
গ) 0 থেকে ∞
ঘ) -1 থেকে +1
ব্যাখ্যা: Power factor হলো cosine(φ), যা 0 (purely reactive) থেকে 1 (purely resistive) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ।

2. Power Factor যদি কম হয়, তাহলে—
ক) Voltage বাড়ে
খ) Current কমে
গ) লাইন লস বাড়ে ✔
ঘ) Efficiency বাড়ে
ব্যাখ্যা: PF কম হলে কারেন্ট বেশি হয়, ফলে লাইন লস (I²R) বাড়ে।

3. Reactive power এর একক কী?
ক) Watt
খ) kWh
গ) VAR ✔
ঘ) HP
ব্যাখ্যা: Reactive power (Q) এর একক হলো Volt-Ampere Reactive (VAR), এটি শক্তি সরবরাহ করে না বরং সিস্টেমে ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

4. Power Factor উন্নয়নে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
ক) Transformer
খ) Capacitor Bank ✔
গ) Motor
ঘ) Heater
ব্যাখ্যা: Capacitor reactive power supply করে যা inductive load এর reactive demand পূরণ করে, ফলে PF উন্নত হয়।

5. Power Triangle এর তিনটি উপাদান কী কী?
ক) Voltage, Current, Frequency
খ) Real Power, Reactive Power, Apparent Power ✔
গ) Resistance, Reactance, Impedance
ঘ) Ampere, Watt, Ohm
ব্যাখ্যা: Power Triangle-এ Real Power (P), Reactive Power (Q), Apparent Power (S) থাকে এবং S² = P² + Q² হয়।

6. Power Factor এর মান 1 হলে কী বোঝায়?
ক) Only reactive power flow
খ) Only real power flow ✔
গ) System fully capacitive
ঘ) Power loss বেশি
ব্যাখ্যা: PF=1 হলে system purely resistive, কোন reactive component নেই।

7. Leading Power Factor সাধারণত কোন Load এ হয়?
ক) Resistive Load
খ) Capacitive Load ✔
গ) Inductive Load
ঘ) Balanced Load
ব্যাখ্যা: Capacitive load PF কে leading করে, অর্থাৎ current voltage থেকে আগে থাকে।

8. Inductive Load PF কে কী করে?
ক) Improve
খ) Lead করে
গ) Lag করে ✔
ঘ) কিছুই করে না
ব্যাখ্যা: Inductive Load এ current voltage এর পরে আসে, তাই lagging PF হয়।

9. Power Factor কে improve না করলে কী সমস্যা হতে পারে?
ক) System overload
খ) Voltage drop
গ) Energy wastage
ঘ) উপরের সব ✔
ব্যাখ্যা: PF খারাপ হলে কারেন্ট বেশি হয়, ফলে ভোল্টেজ ড্রপ, সিস্টেম ওভারলোড এবং শক্তির অপচয় হয়।

10. একটি 3-phase inductive motor চালানো হলে PF উন্নয়নে কোনটি ব্যবহার করব?
ক) Resistor
খ) Inductor
গ) Capacitor ✔
ঘ) Rheostat
ব্যাখ্যা: Inductive motor reactive power নেয়, সেই ক্ষতি পূরণ করতে Capacitor ব্যবহার করে PF উন্নয়ন করা হয়।

30/07/2025

ABC সুপারভাইজার লাইসেন্স ভাইভা অভিজ্ঞতা

প্রার্থীর নাম: মাসুদ মন্ডল
শ্রেণি: BC লাইসেন্স
ভাইভা তারিখ: ২০২৫

🔷 শুরুটা: আমি রুমে ঢুকে সালাম দিলাম। স্যার সালামের জবাব দিয়ে বসতে বললেন। আমি ধন্যবাদ দিয়ে বসলাম।
স্যার: আপনার পেপারগুলো দিন।
আমি: পেপারগুলো সরবরাহ করলাম।

🔷 টেকনিক্যাল প্রশ্নোত্তর:

১. Gang Switch কী? (Gang Switch দেখিয়ে)
উত্তর: Gang switch হলো একটি সুইচ প্লেটের মধ্যে এক বা একাধিক ইন্ডিপেন্ডেন্ট সুইচ। উদাহরণস্বরূপ, একটি 2‑gang switch মানে দুইটি আলাদা সুইচ—প্রত্যেকটি আলাদা লোড বা লাইট নিয়ন্ত্রণ করে।
> 1‑gang: ১টি সুইচ
> 2‑gang: ২টি সুইচ একই প্লেটের মধ্যে

২. 6‑pin Power Socket কী?
উত্তর: ৬‑পিন পাওয়ার সকেট হলো একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল সকেট, যেখানে সাধারণত থাকে-
৩টি ফেজ (L1, L2, L3), ১টি নিউট্রাল (N), ১টি আর্থ (E), ১টি অতিরিক্ত পিন (ইন্টারলক বা সেফটি গ্রাউন্ড)। এটি তিন ফেজ যন্ত্রপাতি যেমন- বড় মোটর, এসি, ওয়েল্ডিং মেশিন চালাতে ব্যবহৃত হয়।

৩. MCB SP এবং MCCB কী? (MCB এবং MCCB দেখিয়ে)
উত্তর: MCB = Miniature Circuit Breaker, ছোট‑মাপের অটোমেটিক সার্কিট ব্রেকার, সাধারণত ≤১২৫ A আর ইন্টেরাপ্ট রেট ~১৮০০ A পর্যন্ত

MCCB = Molded Case Circuit Breaker, বড় ক্ষমতা সহ, ১৬০০ A পর্যন্ত রেটেড, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বা বড় লোডের সার্কিটে ব্যবহৃত

৪. MCB ও MCCB‑এর পার্থক্য কী?
কারেন্ট রেটিং ও ইন্টেরাপ্ট ক্যাপাসিটি: MCB কম কারেন্ট/লোড (

30/07/2025

৬৪ টি গুরত্বপূর্ন প্রশ্ন ও উত্তর যা মৌখিক পরীক্ষার সহায়ক হতে পারে।

Motor (মোটর ) কি?
01. প্রশ্নঃ মোটর কাকে বলে? কত প্রকার কি কি?
উত্তরঃ যে যন্ত্রের সাহায্যে বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রুপন্তরিত করা হয় তাকে মোটর বলে।
মোটর সাধারনত ২ প্রকার। যথা-
১।এসি মোটর
২।ডিসি মোটর

02. AC মোটর কাকে বলে? AC মোটরের কি কি অংশ থাকে?
উত্তরঃ যে মোটর AC কারেন্ট দ্বারা চলে তাকে এ. সি. মোটর বলে।
AC মোটর দুই প্রকার। যথাঃ
১। সিনক্রোনাস মোটর
২। ইন্ডাকশন মোটর
আবার ইন্ডাকশন মোটর দুই প্রকার।
১। স্কুইরেল কেজ ইন্ডাকশন মোটর
২। স্লিপ-রিং ইন্ডাকশন মোটর
ইন্ডাকশন মোটর নিচের অংশগুলো দ্বারা গঠিত। যেমন-
১। স্টাটর
২। রোটর
৩। বিয়ারিং
৪। কুলিং ফ্যান
৫। ইয়োক
৬। টার্মিনাল বক্স
৭। নেম প্লেট
৮। এন্ড কভার
৯। বেড প্লেড
১০। শ্যাফট
১১। প্রিলোডিং রিং
১২। ফিটিং স্ক্রু
১৩। গ্রিজ পয়েন্ট
২। ডিসি মোটর আবার ৩ প্রকার।যথা-
১।সিরিজ মোটর
২।সান্ড মোটর
৩।কম্পাউনড মোটর
এছাড়াও ডিসি মোটর অনেক ধরনের হয়ে থাকে। বাজারে অনেক প্রকার ডিসি মোটর পাওয়া যায়। এদের কারো মাঝে টর্ক অনেক কম বা বেশি পাওয়া যায় আবার কারো RPM অনেক কম বা বেশি হয়ে থাকে।
বাজারে যেসব ডিসি মোটর বেশি পাওয়া যায়ঃ
১। গিয়ারলেস মোটর
২। গিয়ারড মোটর
৩। স্টেপার মোটর
৪। সার্ভো মোটর
চিত্রে মোটর এর পূর্ণ প্রকারভেদ দেয়া হল।

সিঙ্গেল ফেজ মেটর বা ফ্যান চালু করতে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয় কেন?
উত্তরঃ প্রাইম মুভার ছাড়া কোন রোটর কে ঘুরাতে গেলে স্টেটরে ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি করতে হবে। আর ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টির প্রধান শর্ত হলো মিনিমাম ২ টি ফেজ থাকতে হবে বাট আমাদের সাপ্লাই সিঙ্গেল ফেজ। তাই আরেকটি ফেজ সৃষ্টিতে ক্যাপাসিটর use করা হয়।

03. কেন Dc জেনারেটর বা Ac অল্টারনেটরে প্রাথমিক অবস্থায় Ac ভোল্টেজ উৎপন্ন হয়?
উত্তরঃ যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই স্থায়ী চুম্বক ক্ষেত্রের ভিতরে কন্ডাক্টর কে ঘুরানো হয় এবং এ কন্ডাক্টরের সাথে ফ্লাক্স লিংকেজেরর পরিবর্তনের হার শূন্য হতে বৃদ্ধি পেয়ে সর্বোচ্চ হয়ে আবার শূন্যততে পৌছায়। এর ফলে ভোল্টেজ ও শূন্য হতে সর্বোচ্চ হয়ে শূন্যতে আসে। নর্থ ও সাউথ পোল থাকায় এই ঘটনা টা একবার পজেটিভ ও একবার নেগেটিভ দিকে সংঘটিত হয়। অর্থাৎ Ac ভোল্টেজ উৎপন্ন করে।

04. একই কন্ডাক্টরে যথাক্রমে Ac ও Dc ভোল্টেজ প্রেরন করলে লাইন রেজিস্ট্যান্স কোনটায় বেশি হবে?
উত্তরঃ Ac তে।

05. কি কি কারনে পাম্প মোটর স্টার্ট নেয় না?
উত্তরঃ
ক) ফিউজ পুড়ে গেলে।
খ) মোটর বিয়ারিং জ্যাম হলে।
গ) ওয়াইন্ডিং গ্রাউন্ড হলে।
ঘ) কয়েল শর্ট বা স্টার্টারের সমস্যা হলে।

06. নাইক্রোম কি কি উপাদান নিয়ে গঠিত?
উত্তরঃ
ক) নিকেল---------- ৬১%
খ) ক্রোমিয়াম------১৫%
গ) আয়রন--------২৪%

07. রোটর কিভাবে বা কেন ঘোরে?
উত্তরঃ স্টেটর কয়েলে পলিফেজ সংযুক্ত করে সাপ্লাই দিলে এতে ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্রের সৃষ্টি হয় যা সিনক্রোনাস স্পিডে ঘুরতে থাকে। এ ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্র রোটর কন্ডাকক্টর কে কর্তন করলে ফ্যারাডের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন নীতি অনুসারে রোটর কন্ডাক্টরে EMF আবিষ্ট হয়। যেহেতু রোটর সার্কিট বন্ধ অবস্থায় থাকে সেহেতু আবিষ্ট তড়িৎ চাপের জন্য কারেন্ট প্রবাহিত হয় এবং রোটরে ঘূর্নক উৎপন্ন করে।

08. সার্কিট ব্রেকার নির্ধারনের কৌশল কি?
উত্তরঃ যে সকল লোডের জন্য সার্কিট ব্রেকার নির্ধারন করতে হবে তার মোট ওয়াট বের করে উক্ত ওয়াট কে ২৩০ দ্বারা ভাগ করে যে অ্যাম্পিয়ার পাওয়া যাবে তার ১.৫ গুন অ্যাম্পিয়ার বিশিষ্ট সার্কিট ব্রেকার নিতে হবে।

09. সান্ট ফিল্ডের কয়েল চিকন তারের অধিক প্যাঁচের এবং সিরিজ ফিল্ডের কয়েল মোটা তারের কম প্যাঁচের থাকে কেন ?
উ: কারন সান্ট ফিল্ড পূর্ণ ভোল্টেজ পায় এবং সিরিজ ফিল্ড পূর্ণ লোড কারেন্ট পায়।

10. একটি ডিসি জেনারেটর পূর্ণ স্পিডে ঘুরতেছে কিন্তু ভোল্টেজ উৎপন্ন হইতেছে না- কারন কি?
উ: (১) ফিল্ডে রেসিডিয়্যাল মেগনেটিজম নেই
(২) জেনারেটর উল্টা ঘুরতেছে
(৩) ফিল্ডের কয়েল ওপেন
(৪) আর্মেচার কয়েল ওপেন
(৫) কার্বন ব্্রাস কম্যুটেটরে সংযোগ নেই।

11. একটি ডিসি মোটর উল্টা ঘুরতেছে কি ভাবে ঠিক করেবে?
উ: হয় ইহার ফিল্ডের কানেকশন না হয় আর্মেচারের কানেকশন উল্টাইায়া দিতে হবে।

12. স্টার্টার মোটর র্স্টাট দেয়া ছারা আর কি কি কাজ করে?
উ: ইহা ওভার লোডে এবং সাপ্লাই চলে গেলে মোটরকে সোর্স হতে আপনা আপনি বিচ্ছিন্ন করে।

13. স্টার্টারের হাতল শেষ প্রান্তে থাকে না।
উ: হোলডিং কোয়েল কাজ করে না, খারাপ।

14. একটি ১০ হর্স পাওয়ারের মোটর দ্বারা ১০ হর্স পাওয়ারের জেনারেটর ঘুরিয়ে তাহা হতে ১০ হর্স পাওয়ার জেনারেশন পাওয়া যাবে কি?
উ: না, কারন কখনও ইনপুট আউটপুট সমান হয় না।

15. ডায়নামো কি ?
উ: ডিসি জেনারেটরকে ডায়নামো বলে।

16. আর্মেচার লোহার তৈরি কিন্তু কম্যুটেটর তামার তৈরির কারন কি ?
উ: কারন আর্মেচার ম্যাগনেটিক ফিল্ডে থাকে আর কম্যুটেটর ম্যাগনেটিক ফিল্ডের বাইরে থাকে।17. কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
17. কোন প্রকার ওয়্যাইন্ডিং কখন ব্যবহ্নত হয় ?
উ: ল্যাপ ওয়্যাইন্ডিং বেশী কারেন্টের জন্য এবং ওয়েভ ওয়্যাইন্ডিং বেশী ভোল্টেজের জন্য ব্যবহ্নত হয়।
18. এক ফেজ মোটরের দোষ কি ?
উ: ইহা নিজে নিজে র্স্টাট নিতে পারে না।

19. তিন ফেজ হতে এক ফেজ নেয়া যায় কি ?
উ: হ্যাঁ, যদি স্টার কানেকশন থাকে, তবে একটি লাইন ও নিউট্রালে এক ফেজ সাপ্লাই পাওয়া যায়।

20. সিলিং ফ্যানের স্পিড কমে যাওয়ার কারন কি?
উ: পূর্ণ ভোল্টেজ পাচ্ছে না, না হয় ক্যাপাসিটর দুর্বল না হয় বল বিয়ারিং জ্যাম, না হয় কয়েলের ইন্সুলেশন দূর্বল।

21. পাখা পূর্ণ বেগে ঘুরা সত্বেও বাতাস পাওয়া যায় না কেন ?
উ: পাখার ব্লেডের বাক কম না হয় পাখার পিছনে প্রয়োজনীয় ফাকা জায়গা নেই।

22. পাখা উল্টা ঘুরে গেলে কি ভাবে ঠিক করবে ?
উ: ক্যাপাসিটরের কয়েল কানেকশন বদল করে, আথবা হয় রানিং না হয় র্স্টাটিং কয়েল বদল করে ঠিক করা যায়।

23. সিলিং ফ্যানের কোন দিকের বল বিয়ারিং সাধারনতঃ আগে খারাপ হয় ?
উ: উপরের বিয়ারিং খারাপ হয়।

24. সিলিং ফ্যান স্টার্ট দেওয়ার সংঙ্গে সংঙ্গে ইহার কানেকটিং রডে খট খট আওয়াজ হয়ে পরে আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায় কারন কি ?
উ: ইহার রডে রাবার বুশ নেই।

25. তিন ফেজ মোটর উল্টা ঘুরতেছে, কিভাবে ঠিক করবে ?
উ: ইহার যে কোন দুই ফেজের জায়গা বদল করে দিতে হবে।

26. তিন ফেজ ১০ ঘোড়া ইন্ডাকশন মোটর ফুল লোডে কত কারেন্ট নিবে ?
উ: ১৫ এম্পিয়ার (প্রতি ঘোড়া ১.৫ এম্পিয়ার হিসাবে)।

27. তিন ফেজ মোটর স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্টার্ট নেয় না গোঁ গোঁ শব্দ করে।
উ: (১) তিন ফেজের – কোন এক ফেজে সাপ্লাই নেই
(২) মেইন সুইচে কোন ফেজের ফিউজ নেই
(৩) মোটরের তিন ফেজ ওয়াইন্ডিং এর কোন ফেজ কাটা, সাপ্লাই পাচ্ছে না
(৪) বল বিয়ারিং খুব জ্যাম
(৫) মোটরের স্যাপ্ট বাঁকা হয়ে গিয়েছে।

28. চলন্ত অবস্থায় তিন ফেজ মোটরের এক ফেজ চলে গেলে কি হবে ?
উ : যদি লোড বিহীন অবস্থায় থাকে তবে মোটর ঘুরতে থাকবে কিন্তু গরম হয়ে যাবে এবং ভিন্ন রকম আওয়াজ করবে। আর যদি লোডেড অবস্থায় থাকে , তবে মোটর সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাবে। যদি মেইন সুইচ অফ করে দেওয়া না হয়, তবে মোটর জ্বলে যাবে।

29. তিন ফেজ ২০ ঘোড়া মোটরের জন্য ক্রয়কৃত স্টার ডেল্টা স্টার্টার ১০ ঘোড়া তিন ফেজ মোটরের ব্যবহার করা যাবে কি ?
উ : হ্যাঁ, যাবে তবে কারেন্ট সেটিং এর মান কমিয়ে দিতে হবে।

30. স্টার ডেল্টা স্টার্টারের ম্যাগনেটিক কয়েল কত ভোল্টেজ সাপ্লাই পায় ?
উ : সরাসরি ৪০০ ভোল্ট সাপ্লাই পায়। (লাইন টু লাইন)

31. একটি তিন ফেজ মোটরের বডিতে টেস্ট বাতির এক মাথা সংযোগ করে অন্য মাথা সাপ্লাই এর সাথে সংযোগ করলে বাতি পূর্ণ ভাবে জ্বলে, ইহাতে কি বুঝা যায় ?
উ : মোটরের বডি ভাল ভাবে আর্থ করা হয়েছে।

32. ইন্সুলেশন রেজিস্ট্যান্স কি মিটার দ্বারা মাপা হয় ?
উ : মেগার দ্বারা।

33. আর্থ রেজিস্ট্যান্স কি ভাবে মাপা হয় ?
উ : মেগার আর্থ টেস্টারের সাহায্যে অথবা মোটামুটি ভাবে একটি ১০০ ওয়াটের বাতি আর্থ তার লাইনের মধ্যে সংযোগ করার পর যদি উজ্জ্বল ভাবে জ্বলে , তাহলে আর্থিং ভাল আছে।

34. আর্থিং রেজিস্ট্যান্স কত হওয়া বান্ছনীয় ?
উ : বাসাবাড়ীর জন্য বেশীর পক্ষে ৫ ওহম এবং সাব স্টেশন ও পাওয়ার লাইনের জন্য বেশীর পক্ষে ১ ওহম হওয়া দরকার।

35. কোন ট্রান্সফরমারের কেবল মাত্র একটি কয়েল থাকে ?
উ : অটো ট্রান্সফরমার।

36. এক ফেজ ট্রান্সফরমার দ্বারা তিন ফেজ সাপ্লাই দেওয়া যায় কি ?
উ : হ্যাঁ যায়, ভি ভি বা ওপেন ডেল্টা কানেকশন করে।
38. ট্রান্সফরমার হামিং কি ?
উ : ট্রান্সফরমারের কোর এবং কয়েল কানেকশন যদি মজবুত ভাবে না করা থাকে, লুজ কানেকশন থাকে তাহলে ফুল লোড অবস্থায় কাঁপতে থাকে এবং এক প্রকার আওয়াজ হয়, তাহাই হামিং।

39. ট্রান্সফরমার গরম হওয়ার কারন কি ?
উ : (১) ওভার লোড হওয়ার জন্য হতে পারে
(২) ইন্সুলেশন দুর্বল হয়ে গেলে
(৩) কোথাও আর্থ হয়ে গেলে
(৪) ওভার ভোল্টেজ সাপ্লাইয়ের জন্য।

40. সিলিকা জেলের স্বাভাবিক রং কি রূপ থাকে ?
উ : ভাল অবস্থায় ধব ধবে সাদা, কিন্তু জলীয় বাস্প গ্রহন করলে কিছুটা বাদামী রং এর হয়ে যায়,আবার উত্তাপ দিলে ইহা সাদা হয়ে যায়।

41. ট্রান্সফরমার তৈলের কাজ কি ?
উ : ইহার প্রধান কাজ দুটি- প্রথমত ইহা ইন্সুলেশনের কাজ করে, দ্বিতীয়ত ট্রান্সফরমারকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্যে করে।

42. ব্রিদার কি ?
উ : ইহা ট্রান্সফরমারের কনজার্ভেটরের সহিত লাগানো থাকে, যার মাধ্যমে বাহির হতে ঠান্ডা বাতাস ফিল্টার হয়ে ট্যাংকে ঢুকে এবং গরম বাতাস ট্যাংক হতে বাহির হয়ে যায়।

43. বুকল্স রিলে কি ?
উ : ইহা এক প্রকার রিলে যাহা ট্রান্সফরমারের ট্যাংক ও কনজার্ভেটরের সংযোগকারী পাইপের মধ্যে বসানো থাকে এবং ট্রান্সফরমারের ভিতরে ত্রুটি দেখা দিলে সর্তক ঘন্টা বাজিয়ে থাকে।

44. গার্ড ওয়্যার কি ?
উ : ট্রান্সমিশন লাইনের নীচে ব্যবহ্নত তার, যাহা আর্থের সহিত সংযোগ থাকে।

45. ব্যাটারীর সলিউশন তৈরির সময় এসিড পানিতে না পানি এসিডে মিশাতে হয় ?
উ : এসিড পানিতে মিশাতে হয়।

46. জাম্পার কি ?
উ : মেইন লাইন হতে বাসা বাড়ীতে সাপ্লাই লাইনের সংযোগ রক্ষাকারী তার।
!
47. ডেম্পার ওয়্যাইন্ডিং কি ?
উ : সিনক্রোনাস মোটরকে র্স্টাট দেওয়ার জন্য ইহার পোলের উপর মোটা তারের ওয়্যাইন্ডিং দেওয়া হয় এবং ইহা অল্টারনেটরে ও ব্যবহ্নত হয় হান্টিং দোষ কমানোর জন্য।

48. সি.বি কি ?
উ : সার্কিট ব্রেকার যাহা ক্রটি পূর্ণ লাইনকে আপনা আপনি র্সোস হতে বিচ্ছিন্ন করে।

49. এ.সি কে ডি.সি এবং ডি.সি কে এ.সি কি ভাবে করা হয় ?
উ : এ.সি কে ডি.সি করা হয় রেকটিফায়ার ও রোটারী কনভার্টার দ্বারা এবং ডি.সি কে এ.সি করা হয় ইনভার্টার দ্বারা।

50. RPM কি?
উত্তরঃ Revolutions per minute একটি motor এর Rotor প্রতি মিনিটে কত পাক ঘুরবে কিন্তু জেনারেটরের ক্ষেত্রে fly wheel কত পাক ঘুরবে সেটাই RPM.

51. সিনক্রুনাইজিং কি?
উত্তরঃ সার্কিটের load বৃদ্ধি পেলে একটি alternator দ্বারা চাহিদা পূরন করা সম্ভব নয়।এমন অবস্থায় দুই বা ততোধিক alternator কে নিদ্রিস্ট শর্তসাপেক্ষ্যে parallel operation এ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত load এর চাহিদা পূরন করাই সিনক্রনাইজিং।

52. AVR কি? কি ভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ AVR-Aortic Valve Replacement.একটি স্বয়ংক্রিয় ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রক (এভিআর) একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি জেনারেটর আউটপুট টার্মিনাল ভোল্টেজ বজায় রাখে যাতে বিভিন্ন লোড এবং অপারেটিং তাপমাত্রার অধীনে সেট মান থাকে। এটি একটি বিদ্যুত উৎপাদক কুণ্ডলীতে ভোল্টেজ ভাউটকে সেন্সিং করে এবং এটি একটি স্থিতিশীল রেফারেন্সের সাথে তুলনা করে আউটপুট নিয়ন্ত্রণ করে। ত্রুটি সংকেত তারপর ক্ষেত্রের বর্তমান গড় মান সমন্বয় করতে ব্যবহার করা হয়।
ভোল্টেজ রেগুলেটর এমন একটি program able/device সার্কিট যার মাধ্যমে আউটপুট ভোল্টেজ কে সবসময় স্থির রাখা যায়। অর্থাৎ ভোল্টেজ রেগুলেটর এর ইনপুটে ভোল্টেজের কমা-বাড়ায় ও আউটপুট ভোল্ট স্থির থাকে।

কিভাবে কাজ করে
PMG stater.
PMG rotor.
Excitor rotor.
Excitor stater.
Rectifire assembly.
PT& CT এর সমম্নয়ে AVR কাজ করে ।

53. Relay কাকে বলে এবং কত প্রকার ও কাজ কি?
উত্তরঃ এটি এক প্রকার ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক বা তড়িৎ চুম্বকীয় যন্ত্র বিশেষ। সাধারণ ভাবে যদি বুঝতে চাই তা হলে একে এমন ভাবে চিন্তা করা যেতে পারে- ছোট একটা সুইচ দিয়ে যখন আমরা একটা বাতি কে জ্বালাই তখন তার জন্য আমাদের সুইচে হাত দিয়ে তাকে অফ বা অন করতে হয়। অর্থাৎ কোনো বাহ্যিক একটা শক্তি লাগে সুইচ কে অন-অফ করতে। ঠিক তেমনি ভাবেই, কোনো রীলে কেও অন বা অফ করতে এমনি বাহ্যিক শক্তি লাগে, তবে এ ক্ষেত্রে শক্তিটি বিদ্যুত চুম্বকীয় শক্তি। অর্থাৎ, এতে একটা কয়েল বা অস্থায়ী বৈদ্যুতিক চুম্বক থাকে যার মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যুত সরবরাহ করলে তা সুইচটিকে অন/অফ করতে পারে। কাজেই এর মধ্যে প্রধানত ২টি অংশ থাকে প্রধানত দুই অংশ থাকে ।সুইচিং অংশ ও বিদ্যুত চুম্বকীয় অংশ।

বাজারে প্রচলিত রীলে প্রধানত 3 প্রকারঃ
SPST – Single pole single throw
SPDT – Single pole double throw
DPDT – Double pole double throw

54. Ignation module/EISM কি ও কি কি কাজ করে?
উত্তরঃ IGNATION MOUDLE/EISM-(ELECTRONIC IGNATION SYSTEM MODULE) গ্যাস ইন্জিনের হার্ট বলা হয় । যা ডিস্ট্রিবিউটার ন্যায় কাজ করে ।মুলূত ট্রানজিস্টর,ডায়াক,ট্রায়াক, কয়েল,ক্যাপাসিটর ইত্যাদির এর সমম্নয়ে গঠিত।কুলিং অনুযায়ি দুই প্রকার ।
1) ওটার কুলিং টাইপ
2) ড্রাই টাইপ।
এর ইনপুট voltage 24DAC. শুধু মাত্র আউট পুট ইগনেশন কয়েল এর জন্য 220 DAC আর বাকি গুলোর আউট পুট 50 milivolt থেকে 12 volt DAC হয়ে থাকে । এই device এ আর্থিং থাকা জরুরি কারন প্রচুর হারমনিক current উৎপন্ন হয়।

কি কি কাজ করে
1) Detonation Sensor.
2) EIS Control Module.
3) Engine Speed/Timing Sensor.
4) Ignation Harness.
5) Manifold Sensor/Pressure Sensor.
6) Sensor Harnesses.
7) Transforms/Spark plugs.

EIS কাজ
1) Spark Voltage.
2) Spark Duration.
3) Ignation Timing.

55. Actuator এর কাজ কি?
উত্তরঃ plate 360° গোলাকার বা butterfly valve/mechanical assembly কে একটি motor দ্বারা কাজ করাই এটাই তার কাজ।

56 মোটর বা ইলেক্ট্রিক্যালের ডিভাইসের গায়ে IP লেখা থাকে এর মানে কি?
উত্তরঃ IP এর পূর্ণ নাম হল Ingress Protection । এর মানে কোন ডিভাইসের ভিতর, বাহিরে থেকে কত সাইজের যে কোন কিছু ঢুকতে বাধা দিবে। আইপি এর মান যত বেশি হবে তত প্রোটেকশন বাড়বে। কম হলে প্রোটেকশন ক্ষমতা কম হবে। এর তিনটি মান থাকে কিন্তু বেশির ক্ষেত্রে দুটো ব্যবহার হয়।
প্রথম ডিজিট কঠিন পদার্থকে প্রোটেকশন এর রেটিং প্রকাশ করে। এর মান ০ থেকে ৬ পর্যন্ত হয়।
দ্বিতীয় ডিজিট তরল পদার্থকে প্রোটেকশন এর রেটিংকে প্রকাশ করে। এর মান ০ থেকে ৮ পর্যন্ত হয়
তৃতীয় ডিজিট মেকানিকেল আঘাত এর প্রোটেকশন রেটিংকে প্রকাশ করে। এর মান ০ থেকে ৯ পর্যন্ত হ্য। তবে এর ব্যবহার বেশি হয় না
বেশি ভাগ ক্ষেত্রে কঠিন এবং তরল এই দুইটি ব্যবহার হয়।

57. আইপি এর বিভিন্ন মান গুলো জানা দরকার।
উত্তরঃ প্রথম ডিজিট কঠিন পদার্থের প্রটেকশনকে বুজায়। এর মান গুলো দেওয়া হলঃ
০ মানে কোন প্রোটেকশন নেই।
১ মানে কোন পদার্থের সাইজ ৫০ mm এর বেশি হলে বাহিরে থেকে ভিতরে ঢুকতে পারবে না এমন ভাবেই তাকে তৈরি করা হয়।
2 মানে কোন পদার্থের কনার সাইজ ১২.৫ mm এর বেশি হলে বাহিরে থেকে ভিতরে ঢুকতে পারবে না।
৩ মানে কোন পদার্থের কনার সাইজ ২.৫ mm এর বেশি হলে বাহিরে থেকে ভিতরে ঢুকতে পারবে না।
৪ মানে ১ mm এর উপরের সাইজকে প্রোটেকশন করে।
৫ মানে দুলা বালিকে প্রটেক্ট করে । তবে সম্পূর্ণ প্রটেক্ট করে না।
৬ মানে ধুলা বালি বা dust কে সম্পূর্ণরূপে প্রটেক্ট করে।
দ্বিতীয় ডিজিট তরল পদার্থকে প্রোটেকশন রেটিং প্রকাশ করে।
০ মানে কোন তরল কে প্রটেক্ট করে না।
১ মানে উপর থেকে সরাসরি খাড়া ভাবে পানি পড়ে কোন ডিভাইস এর উপর তাহলে ভিতরে ঢুকবে না।
২ মানে উপর থেকে পানি ১৫ ডিগ্রি কোনে পড়লে তাকে প্রটেক্ট করবে।
৩ বলতে বুজায় পানি বা তরল কে ৬০ ডিগ্রিতে স্প্রে করলেও প্রটেক্ট করবে।
৪ হলে যে কোন দিক থেকে পানি স্প্রে করলে ও ভিতরে ঢুকবে না।
৫ হলে ওয়াটার জেট অর্থাৎ ৬.৩ mm পাইপ দিয়া পানি দিলেও ভিতরে ঢুকবে না।
৬ হলে ১.৫ mm nozzle দিয়া পানি দিলে প্রটেক্ট করবে।
৭ হলে ১ মিটার পানির নিচে নিমজ্জিত করলে সম্পূর্ণ আংশিক প্রটেক্ট করতে পারে।
৮ হলে ১ মিটার পানির নিচে রাখলে পানি ভিতরে ঢুকবে না সম্পূর্ণ প্রটেক্ট করবে। এটা সুবমারজিবল মোটর এর জন্য ব্যবহার হয়।

58. IP এর মান ৬৮ হলে কি বুজবো?
উত্তরঃ আইপি এর মান ৬৮ হল সব চেয়ে বেশি। প্রথম ডিজিট হল কঠিন পদার্থের প্রোটেকশনকে বুজায়। এটা কঠিন পদার্থের সব চেয়ে বেশি মান। ধুলাবালি সহ প্রটেক্ট করে থাকে। ৮ হল তরল পদার্থ প্রটেকশনের শেষ মান।
এর মানে পানিতে নিমজ্জিত করলেও কোন পানি ভিতরে ঢুকবে না।

59. VDR কি?
উত্তরঃ Voltage Dependent Resistor.

60.RPM কি?
উত্তরঃ Revolutions per minute একটি motor এর Rotor প্রতি মিনিটে কত পাক ঘুরবে কিন্তু জেনারেটরের ক্ষেত্রে fly wheel কত পাক ঘুরবে সেটাই RPM.
61.সিনক্রুনাইজিং কি?
উত্তরঃ সার্কিটের load বৃদ্ধি পেলে একটি alternator দ্বারা চাহিদা পূরন করা সম্ভব নয়।এমন অবস্থায় দুই বা ততোধিক alternator কে নিদ্রিস্ট শর্তসাপেক্ষ্যে parallel operation এ উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে অতিরিক্ত load এর চাহিদা পূরন করাই সিনক্রনাইজিং।
62. AVR কি? কি ভাবে কাজ করে?
উত্তরঃ ভোল্টেজ রেগুলেটর এমন একটি program able/device সার্কিট যার মাধ্যমে আউটপুট ভোল্টেজ কে সবসময় স্থির রাখা যায়। অর্থাৎ ভোল্টেজ রেগুলেটর এর ইনপুটে ভোল্টেজের কমা-বাড়ায় ও আউটপুট ভোল্ট স্থির থাকে।
কিভাবে কাজ করে
PMG stater.
PMG rotor.
Excitor rotor.
Excitor stater.
Rectifire assembly.
PT& CT এর সমম্নয়ে AVR কাজ করে ।
63. Relay কাকে বলে এবং কত প্রকার ও কাজ কি?
উত্তরঃ এটি এক প্রকার ইলেকট্রো ম্যাগনেটিক বা তড়িৎ চুম্বকীয় যন্ত্র বিশেষ। সাধারণ ভাবে যদি বুঝতে চাই তা হলে একে এমন ভাবে চিন্তা করা যেতে পারে- ছোট একটা সুইচ দিয়ে যখন আমরা একটা বাতি কে জ্বালাই তখন তার জন্য আমাদের সুইচে হাত দিয়ে তাকে অফ বা অন করতে হয়। অর্থাৎ কোনো বাহ্যিক একটা শক্তি লাগে সুইচ কে অন-অফ করতে। ঠিক তেমনি ভাবেই, কোনো রীলে কেও অন বা অফ করতে এমনি বাহ্যিক শক্তি লাগে, তবে এ ক্ষেত্রে শক্তিটি বিদ্যুত চুম্বকীয় শক্তি। অর্থাৎ, এতে একটা কয়েল বা অস্থায়ী বৈদ্যুতিক চুম্বক থাকে যার মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যুত সরবরাহ করলে তা সুইচটিকে অন/অফ করতে পারে। কাজেই এর মধ্যে প্রধানত ২টি অংশ থাকে প্রধানত দুই অংশ থাকে ।সুইচিং অংশ ও বিদ্যুত চুম্বকীয় অংশ।
বাজারে প্রচলিত রীলে প্রধানত 3 প্রকারঃ
SPST – Single pole single throw
SPDT – Single pole double throw
DPDT – Double pole double throw
64. Ignation module/EISM কি ও কি কি কাজ করে?
উত্তরঃ IGNATION MOUDLE/EISM-(ELECTRONIC IGNATION SYSTEM MODULE) গ্যাস ইন্জিনের হার্ট বলা হয় । যা ডিস্ট্রিবিউটার ন্যায় কাজ করে ।মুলূত ট্রানজিস্টর,ডায়াক,ট্রায়াক, কয়েল,ক্যাপাসিটর ইত্যাদির এর সমম্নয়ে গঠিত।
কুলিং অনুযায়ি দুই প্রকার ।
1) ওটার কুলিং টাইপ
2) ড্রাই টাইপ।
এর ইনপুট voltage 24DAC. শুধু মাত্র আউট পুট ইগনেশন কয়েল এর জন্য 220 DAC আর বাকি গুলোর আউট পুট 50 milivolt থেকে 12 volt DAC হয়ে থাকে । এই device এ আর্থিং থাকা জরুরি কারন প্রচুর হারমনিক current উৎপন্ন হয়।
কি কি কাজ করে
1) Detonation Sensor.
2) EIS Control Module.
3) Engine Speed/Timing Sensor.
4) Ignation Harness.
5) Manifold Sensor/Pressure Sensor.
6) Sensor Harnesses.
7) Transforms/Spark plugs.
EIS কাজ
1) Spark Voltage.
2) Spark Duration.
3) Ignation Timing.
65. Actuator এর কাজ কি?
Ans__plate 360° গোলাকার বা butterfly valve/mechanical assembly কে একটি motor দ্বারা কাজ করাই এটাই তার কাজ।

64. থ্রী ফেজ ইন্ডাকশন মোটরের রোটর ঘোরে কেন?
আমরা জানি, মোটরের প্রধান অংশ দুইটি। স্টেটর ও রোটর। স্টেটর স্থির অংশ এবং রোটর ঘূর্ণায়মান অংশ। স্টেটরে সাপ্লাই ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়।

এখন প্রশ্নটা হলো, রোটর ঘোরে কেন?
বাহিরের কোন শক্তির সাহায্যে তো রোটর ঘোরে না, তাহলে রোটর ঘোরে কিভাবে?

প্রথমত, আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, এটা ইন্ডাকশন মোটর। এটার নাম ইন্ডাকশন মোটর হলো কেন? কারন এই মোটরের কার্যক্রম ফ্যারাডের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন সূত্র বা নিয়ম মেনে কাজ করে।

আমরা যদি থ্রি ফেজ ইন্ডাকশন মোটরের তিন ফেজ ওয়্যাইন্ডিং এ তিন ফেজ এসি সরবরাহ সংযুক্ত করে, তবে স্টেটরে ঘূর্ণায়মান চুম্বক ক্ষেত্রের (∅s) সৃষ্টি হয়। এবং এটি সিনক্রোনাস স্পিডে (Ns= 120f/P) ঘুরতে থাকে। মোটরের মধ্যস্থলে শ্যাফটের সাথে সংযুক্ত দন্ডায়মান রোটর পরিবাহীকে বা আয়রন বারকে এ ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্র অনবরত কর্তন করতে থাকে। ফলে ফ্যারাডের সূত্র অনুযায়ী রোটর পরিবাহীর মধ্যে ভোল্টেজ বা ই.এম.এফ. আবিষ্ট হয়। যেহেতু রোটর পরিবাহীর উভয় দিকে মোটা তামার রিং দ্বারা শর্ট করা থাকে, সেহেতু অল্প ভোল্টেজেই এর মধ্যে অধিক পরিমানে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। এ কারনে রোটরে আরো একটি ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স (∅r) সৃষ্টি করে। এটা স্টেটরে উৎপন্ন ফ্লাক্সের বিপরীত অভিমুখ হয়। এবং এই ফ্লাক্স স্টেটর ফ্লাক্সকে বাধা প্রধান করে। লেঞ্জের সূত্র অনুযায়ী এই দুই ফ্লাক্সে (∅s) এবং (∅r) এর মধ্যে ইন্টার অ্যাকশন হয়, ফলে রোটরে ঘূর্ণকের সৃষ্টি হয়। এবং রোটর স্টেটরের ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্রের গতির দিকে ঘুরতে থাকে।

#প্রশ্নঃ থ্রি ফেজ ইন্ডাকশন মোটরের রোটর ঘোরে কেন?
আমরা জানি, মোটরের প্রধান অংশ দুইটি। স্টেটর ও রোটর। স্টেটর স্থির অংশ এবং রোটর ঘূর্ণায়মান অংশ। স্টেটরে সাপ্লাই ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়।

এখন প্রশ্নটা হলো, রোটর ঘোরে কেন?
বাহিরের কোন শক্তির সাহায্যে তো রোটর ঘোরে না, তাহলে রোটর ঘোরে কিভাবে?

প্রথমত, আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, এটা ইন্ডাকশন মোটর। এটার নাম ইন্ডাকশন মোটর হলো কেন? কারন এই মোটরের কার্যক্রম ফ্যারাডের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন সূত্র বা নিয়ম মেনে কাজ করে।

আমরা যদি থ্রি ফেজ ইন্ডাকশন মোটরের তিন ফেজ ওয়্যাইন্ডিং এ তিন ফেজ এসি সরবরাহ সংযুক্ত করে, তবে স্টেটরে ঘূর্ণায়মান চুম্বক ক্ষেত্রের (∅s) সৃষ্টি হয়। এবং এটি সিনক্রোনাস স্পিডে (Ns= 120f/P) ঘুরতে থাকে। মোটরের মধ্যস্থলে শ্যাফটের সাথে সংযুক্ত দন্ডায়মান রোটর পরিবাহীকে বা আয়রন বারকে এ ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্র অনবরত কর্তন করতে থাকে। ফলে ফ্যারাডের সূত্র অনুযায়ী রোটর পরিবাহীর মধ্যে ভোল্টেজ বা ই.এম.এফ. আবিষ্ট হয়। যেহেতু রোটর পরিবাহীর উভয় দিকে মোটা তামার রিং দ্বারা শর্ট করা থাকে, সেহেতু অল্প ভোল্টেজেই এর মধ্যে অধিক পরিমানে কারেন্ট প্রবাহিত হয়। এ কারনে রোটরে আরো একটি ম্যাগনেটিক ফ্লাক্স (∅r) সৃষ্টি করে। এটা স্টেটরে উৎপন্ন ফ্লাক্সের বিপরীত অভিমুখ হয়। এবং এই ফ্লাক্স স্টেটর ফ্লাক্সকে বাধা প্রধান করে। লেঞ্জের সূত্র অনুযায়ী এই দুই ফ্লাক্সে (∅s) এবং (∅r) এর মধ্যে ইন্টার অ্যাকশন হয়, ফলে রোটরে ঘূর্ণকের সৃষ্টি হয়। এবং রোটর স্টেটরের ঘুরন্ত চুম্বক ক্ষেত্রের গতির দিকে ঘুরতে থাকে।

সংগৃহীত
#ইলেকট্রিক্যাল #ইলেকট্রনিক্স #মোটর

25/04/2025

জাম্পার (Jumper) কী?

ট্রান্সমিশন লাইনে একটি টাওয়ারের এক অংশের কন্ডাক্টরকে অপর অংশের সাথে সংযোগ করতে যে তার বা কন্ডাক্টর ব্যবহৃত হয়, তাকে জাম্পার বলে।

মূল কাজ:
(i) ফেজ লাইনের ধারাবাহিকতা রক্ষা
(ii) ভিন্ন উচ্চতার টাওয়ার সংযোগ
(iii) সাবস্টেশন বা লাইন ট্যাপ করা
(iv) বিকল্প বিদ্যুৎ প্রবাহ নিশ্চিত করা

ধরন:
1. Flexible Jumper – নমনীয়, দোলন সহ্য করতে পারে
2. Rigid Jumper – কঠিন, কম্পনরোধী, স্থায়ী সংযোগে ব্যবহৃত

গুণাবলি: উচ্চ পরিবাহিতা, যান্ত্রিক দৃঢ়তা, তাপমাত্রা সহ্যক্ষমতা

18/04/2025

নিচে ৫০টি ফ্রি AI টুলের তালিকা বাংলা সিরিয়াল নাম্বারসহ দেওয়া হলো, যেগুলো আপনার কাজকে ১০ গুণ দ্রুত করতে সাহায্য করবে —

১. ChatGPT – যেকোনো লেখা বা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
২. Canva AI – ডিজাইন তৈরি ও কনটেন্ট সাজাতে AI সহায়তা।
৩. Pictory – লেখা থেকে অটো ভিডিও তৈরি করে।
৪. Copy.ai – মার্কেটিং কপিরাইটিং বা ব্লগ লেখে।
৫. Jasper AI – ব্লগ, বিজ্ঞাপন, ইমেইল লেখায় সাহায্য করে।
৬. Grammarly – ইংরেজি লেখার ভুল ধরিয়ে সংশোধন করে।
৭. Quillbot – লেখাকে রি-রাইট বা প্যারাফ্রেজ করে।
৮. Synthesia – AI এভাটার দিয়ে ভিডিও বানায়।
৯. Looka – লোগো ও ব্র্যান্ড ডিজাইন করে।
১০. Remove.bg – ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করে এক ক্লিকে।
১১. Leonardo AI – কল্পনাশক্তির ইমেজ ডিজাইন করে।
১২. Durable – কয়েক সেকেন্ডে ওয়েবসাইট তৈরি করে।
১৩. SlidesAI – লেখা থেকে অটো স্লাইড প্রেজেন্টেশন বানায়।
১৪. Runway ML – ভিডিও এডিটিং ও AI ভিজ্যুয়াল এফেক্টে সাহায্য করে।
১৫. Tome – স্টোরি-বেইজড প্রেজেন্টেশন তৈরি করে।
১৬. Notion AI – নোট নেয়া, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট ও লেখায় সাহায্য করে।
১৭. Krisp – কলের ব্যাকগ্রাউন্ড নোইজ রিমুভ করে।
১৮. Cleanup.pictures – ছবির অবাঞ্চিত জিনিস মুছে ফেলে।
১৯. Replika – AI ভার্চুয়াল বন্ধু বা চ্যাট সঙ্গী।
২০. Soundraw – AI দিয়ে অরিজিনাল মিউজিক তৈরি করে।
২১. Beatoven – ভিডিও/পডকাস্টের জন্য মিউজিক তৈরি করে।
২২. Voicemod – ভয়েস চেঞ্জ বা ভয়েস ইফেক্টে ইউজ হয়।
২৩. Lumen5 – ব্লগ থেকে ভিডিও কনভার্ট করে।
২৪. Descript – ভিডিও এডিট করে টেক্সট দিয়ে।
২৫. Kaiber – AI দিয়ে ভিডিও অ্যানিমেশন বানায়।
২৬. AutoDraw – হ্যান্ড-ড্রয়িংকে পারফেক্ট ডিজাইনে রূপ দেয়।
২৭. ElevenLabs – রিয়েলিস্টিক ভয়েস জেনারেশন করে।
২৮. Heygen – AI স্পোকেন ভিডিও বানায় ফেস ও ভয়েস দিয়ে।
২৯. Writesonic – কনটেন্ট রাইটিং ও কপি তৈরি করে।
৩০. Play.ht – ব্লগ বা লেখাকে ভয়েসে পরিণত করে।
৩১. Papercup – ভিডিওর ভয়েস অন্য ভাষায় ডাব করে।
৩২. AI Dungeon – ইন্টার‍্যাকটিভ গল্প বানায়।
৩৩. TTSMaker – লেখা থেকে স্পিচ জেনারেট করে।
৩৪. Magic Eraser – ছবির অবজেক্ট সরিয়ে ক্লিন ব্যাকগ্রাউন্ড দেয়।
৩৫. Designs.ai – লোগো, ভিডিও, অডিও সব তৈরি করতে পারে।
৩৬. Midjourney – কমান্ড থেকে ইমেজ তৈরি করে।
৩৭. TinyWow – ডকুমেন্ট, ভিডিও, পিডিএফ টুলস ফ্রি অফার করে।
৩৮. ChatPDF – যেকোনো PDF পড়ে আপনাকে সারাংশ দেয়।
৩৯. Scalenut – SEO কনটেন্ট ও ব্লগ প্ল্যান করে।
৪০. INK – SEO, রাইটিং, মার্কেটিং একসাথে করে।
৪১. DeepL – প্রোফেশনাল লেভেলের ট্রান্সলেশন দেয়।
৪২. OpenArt – AI আর্ট ও ইমেজ তৈরি করে।
৪৩. NameSnack – AI দিয়ে বিজনেস নাম সাজেস্ট করে।
৪৪. Tidio – AI চ্যাটবট তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য।
৪৫. FormX.ai – স্ক্যান করা ডকুমেন্ট থেকে ডেটা এক্সট্রাক্ট করে।
৪৬. Murf.ai – প্রফেশনাল ভয়েসওভার তৈরি করে।
৪৭. Zyro AI Writer – ওয়েবসাইট বা কনটেন্ট লেখায় ব্যবহার হয়।
৪৮. Hugging Face – বিভিন্ন ধরনের NLP ও AI টুলস হোস্ট করে।
৪৯. Adobe Firefly – AI দিয়ে ইমেজ ও ডিজাইন তৈরি করে।
৫০. Illustroke – লেখা থেকে SVG ইলাস্ট্রেশন তৈরি করে।

এই টুলগুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি যেমন বাড়াতে পারবেন, তেমনি সময় এবং খরচও বাঁচাতে পারবেন।

এই রকম আরো ভাল ভাল পোষ্ট পেতে আমাদের পেজে লাইক, কমেন্ট এবং শেয়ার করতে ভুলবেন নাহ।

18/04/2025

সচিবালয়ের মাষ্টার্স করা পিয়নের
সচিব পদে প্রমোশন চাই 🤣🤣

18/04/2025

পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের আগামীকালকের কর্মসূচি

আগামীকাল ১৮ এপ্রিল, রোজ শুক্রবার, সারা বাংলাদেশের সকল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে বাদ জুমা একযোগে “৮৭ এর কাফন আন্দোলন” এর ন্যায় কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে গণ মিছিল আয়োজন করা হবে।

এই প্রতীকী প্রতিবাদের মাধ্যমে আমরা জানিয়ে দিতে চাই —
আশ্বাসে নয়, বাস্তবায়নে বিশ্বাসী; আমরা বাস্তবায়ন চাই।

আমরা আর সময়ক্ষেপণ চাই না। পলিটেকনিক শিক্ষার্থীদের ন্যায্য ছয়দফা বাস্তবায়নের জন্য যে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে উঠেছে, তা চলমান থাকবে বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত।

আয়োজক:
কারিগরি ছাত্র আন্দোলন, বাংলাদেশ

যেখানে অন্যায়, সেখানেই প্রতিরোধ — পলিটেকনিক ছাত্র সমাজ জাগ্রত।
ফলো করুন - Learn Tech

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Learn Tech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share