DCU Insiders

DCU Insiders মেইল আইডি: [email protected]

শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন একটি মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থার জন্য করেছিল, নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সেকশন অফিসার আ...
16/09/2026

শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলন একটি মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থার জন্য করেছিল, নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সেকশন অফিসার আর পিয়নের চাকরি নেওয়ার জন্য করেছিল!

16/09/2026

এখনো কোন ক্যাম্পাসে উচ্চ শিক্ষা কো- অর্ডিনেটর নিয়োগ দেওয়া হয়েনি। গুজব এড়িয়ে চলুন।

16/09/2026

প্রান্সপালরে খাইয়া দিমু, ছাত্রদল দেহার টাইম নাই।

আজম খান, সাবেক সভাপতি কবি নজরুল সরকারি কলেজ বিতর্ক ক্লাব। 🐸🐸

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ঢাকা...
15/09/2026

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কর্মসূচির অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ঢাকা কলেজে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবসহ ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হাসান, সদস্যসচিব মিল্লাত হোসেনসহ একাধিক নেতাকর্মী।

এজন্য ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন প্রথমেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আলোচনা করেছে ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী...
15/09/2026

এজন্য ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন প্রথমেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আলোচনা করেছে ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের মতামত সংগ্রহ করেছে। তারপর বিগত ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (শিক্ষা মন্ত্রণালয়), সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন এবং সংযুক্ত সরকারি ৭ (সাত) কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রোগ্রামে স্থানান্তরের (Academic Migration) সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তার (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) মতামত নেয়া হয়।এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবদ্ধ পর্ষদগুলোর অনুমোদন পেলেই একাডেমি মাইগ্রেশন সম্পন্ন করা হবে।

ট্রেজারার স্যার তাঁর ফেসবুক আইডিতে লিখেন,“আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাজুর সমকাল পত্রিকার অনলাইনে প্রকাশিত ‘সাত কলেজ: সমাধানের না...
14/09/2026

ট্রেজারার স্যার তাঁর ফেসবুক আইডিতে লিখেন,“আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাজুর সমকাল পত্রিকার অনলাইনে প্রকাশিত ‘সাত কলেজ: সমাধানের নামে নতুন সমস্যার জন্ম?’ শিরোনামে প্রকাশিত লেখা আমার নজরে এসেছে। পুরো লেখায় অধ্যাদেশ ও আইনের ধারা গুলিয়ে ফেলা হয়েছে। কাল্পনিক অনেক অভিযোগ করা হয়েছে। সেসব বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যায় যাবো না। শুধু চলমান ব্যাচগুলোর একাডেমিক মাইগ্রেশন বিষয়ে যে ত্রুটিপূর্ণ ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে তাই খন্ডন করার চেষ্টা করবো।

লেখক লিখেছে, “আইনের ৫৬(২) ধারা অনুযায়ী ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি শুধু ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে সনদ প্রদান করবে। তার আগেরগুলো শেষ করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় আগের তিন সেশনের শিক্ষার্থীদেরও তাদের অধীনে আনার চেষ্টা করছে।”

আসলে হবে ৫৯(৪) ধারা যেখানে লেখা আছে, “২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীগণ (স্নাতক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত শিক্ষা কাঠামো ও কারিকুলামে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি হইতে সনদ অনুমোদনের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সনদপ্রাপ্ত হইবে।”

এবার আসুন দেখি কোন আইনি ব্যাখ্যায় সম্পূর্ণ বিধি সম্মতভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রেজিস্ট্রেশনকৃত ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ এর শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রোগ্রামে একাডেমিক মাইগ্রেশন সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

(১) সংসদ কর্তৃক গৃহীত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইনটি (২০২৬ সনের ৭৮ নং আইন) রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করেছে ১০ এপ্রিল ২০২৬।

(২) ধারা ১(২) “ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে।”

(৩) ধারা ৪ (৩) “ঢাকা মহানগরের ৭ (সাত)টি কলেজ (ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ) ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজ হিসাবে থাকিবে এবং সংযুক্ত কলেজসমূহের পরিচয়, বৈশিষ্ট্য, অবকাঠামো, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ও অন্যান্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা অক্ষুণ্ণ থাকিবে।”

(৪) ধারা ৫৭ (১) “একাডেমিক কাউন্সিলের পরামর্শক্রমে সিন্ডিকেট কোনো কলেজকে যেসকল বিষয়ে ও যে পর্যায়ের শিক্ষাদানের ক্ষমতা দান করিবে, কলেজ সেই সকল বিষয়ে এবং সেই পর্যায়ে শিক্ষাদান করিবে এবং উক্ত কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমোদন ব্যতিরেকে কলেজ কোনো পর্যায়ে কোনো কোর্সে শিক্ষাদান করিতে পারিবে না।”

(৫) ধারা ৫৮(৪) “সংযুক্ত প্রতিটি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সংবিধি, বিধি, ও প্রবিধান মানিয়া চলিবে।”

তাহলে ধারা ১(২) অনুযায়ী এই আইন ১০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর; ধারা ৪ (৩) অনুযায়ী সরকারি সাত কলেজ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংযুক্ত কলেজ; ধারা ৫৭ (১) ও ৫৮(৪) অনুযায়ী ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট কলেজগুলোকে শিক্ষাদান করতে পূর্বানুমোদন দিবে। তাই ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তিকৃত সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির একাডেমিক কাঠামোয় আনা আইনি ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্যই অপরিহার্য!!

এজন্যই আসলে ধারা ৫৯ (রহিতকরণ ও হেফাজত) এসেছে!! “৫৯(৩) এই আইন প্রণীত হইবার অব্যবহিত পূর্বে ৭ (সাত) টি কলেজের (ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও কবি নজরুল সরকারি কলেজ) স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত শিক্ষা কাঠামো ও অন্তর্বর্তীকালীন শিক্ষা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার সাময়িক ব্যবস্থার অপারেশন ম্যানুয়াল অনুযায়ী গৃহীত সিদ্ধান্ত ও কার্যসমূহ বৈধভাবে করা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে।
৫৯(৪) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীগণ (স্নাতক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত শিক্ষা কাঠামো ও কারিকুলামে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি হইতে সনদ অনুমোদনের শর্ত পূরণ সাপেক্ষে সনদপ্রাপ্ত হইবে।”

ধারা ৫৯(৩) অনুযায়ী আইন প্রণীত হবার অব্যবহিত পূর্বের সিদ্ধান্ত ও কার্যসমূহ বৈধভাবে করা হয়েছে বলে গণ্য হবে। এটাকে বলে ভূতাপেক্ষভাবে (Retrospectively) বৈধতা দান। যেকোনো প্রতিষ্ঠানের শুরুতেই তাই হয়। পূর্বের বিষয়গুলোকে বর্তমান আইনি কাঠামোয় বৈধতা দেয় হয়। ৫৯(৪) ধারাও অনেকটা এরকম। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীগণ (স্নাতক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামে ভর্তি হলেও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির পরীক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ করে সনদ পাবে।

প্রশ্ন আসতে পারে কেন ২৪-২৫ সেশনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে? কেন তার আগের সেশনগুলোর কথা উল্লেখ করা হয়নি? ২৪-২৫ এর কথা এজন্যই উল্লেখ করা হয়েছে যে ২৪-২৫ সেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ভর্তি হয়নি। তারা ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অধীনে ভর্তি হয়েছে। কিন্তু ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির পূর্ণাঙ্গ প্রশাসন না থাকায় ২৪-২৫ সেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কারিকুলামেই ভর্তি হয়েছে বলে গণ্য হবে!

২৪-২৫ এর আগের সেশনগুলোর (২০২১-২২, ২০২২-২৩, ২০২৩-২৪) উল্লেখ করা হয়নি এ কারণে যে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কাঠামোতে ভর্তি হয়েছে। তাদেরকে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেট এর অনুমোদন লাগবে।

এজন্য ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন প্রথমেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে আলোচনা করেছে ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের মতামত সংগ্রহ করেছে। তারপর বিগত ২৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (শিক্ষা মন্ত্রণালয়), সরকারের উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন এবং সংযুক্ত সরকারি ৭ (সাত) কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট একাডেমিক প্রোগ্রামে স্থানান্তরের (Academic Migration) সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। উল্লেখ্য যে, উক্ত সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তার (অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ) মতামত নেয়া হয়!!

এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিবদ্ধ পর্ষদগুলোর অনুমোদন পেলেই একাডেমি মাইগ্রেশন সম্পন্ন করা হবে। পুরো প্রক্রিয়ায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইনের বিন্দুমাত্র বিচ্যুতি ঘটেনি।

এতক্ষণ তো আইনের কথা বললাম এবার অতীত ইতিহাস দেখি!
(১) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২ পাস হওয়ার পর- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্সের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীকে এক আইনের মাধ্যমে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়।

(২) ২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার ৭টি সরকারি কলেজকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলাদা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। তখন এমনও হয়েছে যে পরীক্ষার এক অংশ নিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাকি অংশ নিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়!!

(৩) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ও RUET-এর মধ্যেও ঠিক একই ইতিহাস আছে। ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত রাজশাহী ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ হিসেবে। ১৯৮৬ সালে সরকার অধ্যাদেশ জারি করে দেশের ৪টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজকে Bangladesh Institute of Technology (BIT) করে (Rajshahi Engineering College হয় BIT, Rajshahi)। এই আইনের ফলে রাবির অধীন থেকে বের হয়ে এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হয়ে যায়। চলমান শিক্ষার্থীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে BIT-এর শিক্ষার্থী হয়ে যায়। আবার ২০০৩ সালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৩ পাস হয়। এই আইনের মাধ্যমে BIT, Rajshahi হয় RUET (Rajshahi University of Engineering & Technology)। এটা বাংলাদেশের ৪টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার ক্ষেত্রেই একই - BUET, CUET, KUET, RUET সবগুলোই একসময় ঢাবি, চবি, রাবির অধীনে ছিল, পরে আইন করে আলাদা বিশ্ববিদ্যালয় করা হয়েছে।

এছাড়াও লেখক লিখেছেন, “প্রতিবছর বিভিন্ন বিষয়ে অন্তত ২৩ হাজার শিক্ষার্থী এসব কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পাওয়া কিংবা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সামর্থ্য না থাকা শিক্ষার্থীদের জন্য এই কলেজগুলো দীর্ঘদিন ধরে উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ আশ্রয়স্থল। বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেলে মাত্র হাজার দুয়েক শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে হয়তো। বাকিদের তখন কী হবে?”

বাস্তবতা হচ্ছে এই যে, ২০২৪-২৫ সেশনে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের অধীনে প্রায় ১১ হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। ইউজিসির প্রতিনিধিগণ সংযুক্ত সাতটি কলেজের ক্লাসরুম সমূহের ধারণ ক্ষমতা সুচারুরূপে নিরূপণ করেই এই সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমতি দিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। এর আগে ধারণ ক্ষমতার প্রায় দ্বিগুণ সংখ্যক শিক্ষার্থী ভর্তি করা হতো এই বলে যে সবাই ক্লাস করবে না!! একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই ধারণা সত্যিই দুঃখজনক! আরো দুঃখজনক হচ্ছে আসন সংখ্যা নিয়ে উদ্বিগ্ন অনেককেই থাকতে দেখেছি কিন্তু দীর্ঘ ১০ বছর বা তারও বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীদের জন্য কারিকুলাম আধুনিকায়ন করা হয়নি তা নিয়ে কারো উদ্বেগ দেখলাম না। তবে নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ যেনো কোন ভাবেই সংকুচিত না হয়ে সে বিষয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন সজাগ থাকবে।

যাই হোক, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এরকম ফেডারেল ইউনিভার্সিটির ধারণা বাংলাদেশে নতুন হলেও সংশ্লিষ্ট সবাই যদি শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কল্যাণ কামনায় এগিয়ে আসেন তাহলে এই প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

#ঢাকেবি

14/09/2026

মায়াবী ক্যাম্পাস, লাল ইটের সোহরাওয়ার্দী! 💙
ভিডিও : MITHUN

অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: নূরুল ইসলাম ।             ...
14/09/2026

অধ্যাপক ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়ের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিচ্ছেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: নূরুল ইসলাম ।

ঢাকা কলেজস্থ দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ২য় বার্ষিক শিক্ষাসফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সুনামগঞ...
14/09/2026

ঢাকা কলেজস্থ দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ২য় বার্ষিক শিক্ষাসফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর ও আশপাশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে এ শিক্ষাসফরের আয়োজন করা হয়।

শিক্ষাসফরে ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। তারা টাঙ্গুয়ার হাওর, ওয়াচ-টাওয়ার, নীলাদ্রি লেক, মিনি সুইজারল্যান্ড, সাদাপাথর, লাকমাছড়া ঝর্ণা, টেকেরঘাট ও জাদুকাটা নদীসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন করেন। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক পরিচয়, যোগাযোগ ও বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি, মানসিক প্রশান্তি এবং দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যেই প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হচ্ছে।

শিক্ষাসফরের সার্বিক সহযোগিতার জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী এ.জেড.এম জাহিদ হোসেন, এমপি এবং এডভোকেট সোহেল রানা, চেয়ারম্যান, এ.জেড ল ফার্ম-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আয়োজকরা।

সংগঠনের উপদেষ্টা মো. মতিয়ার রহমান বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

আরেক উপদেষ্টা আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, জেলার শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে শিক্ষামূলক ও সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা সংগঠনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।

উপদেষ্টা মো. সুজন আলী বলেন, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষাসফরটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও পরিকল্পিত ও শিক্ষার্থীবান্ধব কার্যক্রম গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।

সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হাকিম বিপুল বলেন, এ ধরনের শিক্ষাসফর শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করে।

সংগঠনের সভাপতি মো: সাঈদ হোসেন বলেন, শিক্ষাসফরের মাধ্যমে দিনাজপুরের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও শক্তিশালী হয়েছে। আয়োজনটি সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথা জানান তিনি।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. নুরনবী হাসান নাহিদ বলেন, শিক্ষাসফরটি শুধু বিনোদনমূলক আয়োজন নয়; এর মাধ্যমে একই জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচিতি, ভ্রাতৃত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ক আরও জোরদার হয়েছে। আয়োজন বাস্তবায়নে উপদেষ্টা, কার্যকরী কমিটির সদস্য, অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

দিনাজপুরীয়ানদের পারস্পরিক বন্ধন, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ব অটুট থাকুক—আগামীতেও সংগঠনের নেতৃত্বে যারা আসবেন, তাদের কাছ থেকে শিক্ষার্থীরা আরও সুন্দর ও সময়োপযোগী আয়োজন প্রত্যাশা করে।
একটি দিন,অসংখ্য মুহূর্ত—আর স্মৃতির পাতায় চিরঅমলিন এক শিক্ষাসফর।❤️🌿
উল্লেখ্য, ঢাকা কলেজস্থ দিনাজপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ দিনাজপুর জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, কল্যাণ ও সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

13/09/2026

ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে ফুটপাতে অবৈধ দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাস ছাত্রদলের উদ্যোগে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক পিয়াল হাসান, সদস্যসচিব মিল্লাত হোসেনসহ সংগঠনটির একাধিক নেতা-কর্মী। অভিযানের সময় ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট সরিয়ে নেওয়া হয়। এ সময় কয়েকজন দোকানদার দোকানপাট ফেলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় ।

Address

Dhaka Central University
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DCU Insiders posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DCU Insiders:

Shortcuts

Share