15/06/2026
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য পে-স্কেল আসে, বোনাস বাড়ে, সুযোগ-সুবিধার খৈ ফোটে। আর দেশের অর্থনীতি টেনে রাখা বেসরকারি খাতের কোটি কোটি মানুষ কি এই দেশের সৎ মা'র সন্তান? তাদের কথা ভাবার বা বলার মতো একটা মানুষও কি এই পুরো সিস্টেমে নাই?
অবশেষে সংসদে দাঁড়িয়ে এই কঠিন সত্যটাই উগরে দিলেন এমপি মারদীয়া মমতাজ। চাটুকারিতা বাদ দিয়ে অন্তত একজন তো বেসরকারি চাকরিজীবীদের পেছনের অমানবিক খাটুনি আর শোষণের বাস্তব চিত্রটা সামনে আনলেন!
সরকারি পে-স্কেল থাকলে বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য কেন কোনো সুনির্দিষ্ট ন্যূনতম বেতন কাঠামো বা গাইডলাইন থাকবে না?
সংসদে উনি এক মায়ের কান্নার কথা তুলে ধরেছেন, যিনি আক্ষেপ করে বলেছিলেন,"ভোট তো আমরাও দিয়েছি, তাহলে আমাদের সন্তানদের জন্য কোনো রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা নাই কেন?"
বেসরকারি খাতে কোনো সিকিউরিটি নাই, খাটুনি দাসের মতো কিন্তু বেতন নামমাত্র। এই কারণেই একটা সরকারি পদের জন্য মানুষ লাখ লাখ টাকা ঘু* দিতে বাধ্য হয়। বেসরকারি খাতকে সম্মানজনক না করলে এই দুর্নীতি কোনোদিন থামবে না।
সরকারি গন্ডি থেকে বের হয়ে মারদীয়া মমতাজ যে সাহসটা দেখিয়েছেন, সেটার জন্য ওনাকে ধন্যবাদ। চামচামি বাদ দিয়ে এইরকম ডিরেক্ট কথা বলার মতো মানুষই সংসদে দরকার।
#সংগৃহীত
#সংসদ