Amazing People

Amazing People Amazing People of the world
(5)

زندگی کی سب سے بڑی نعمت یہ نہیں کہ آپ کے پاس سب کچھ ہو، بلکہ یہ ہے کہ جو ہے اس پر دل سے الحمدللہ کہہ سکیں۔"রাসূলুল্লাহ ﷺ...
19/08/2026

زندگی کی سب سے بڑی نعمت یہ نہیں کہ آپ کے پاس سب کچھ ہو، بلکہ یہ ہے کہ جو ہے اس پر دل سے الحمدللہ کہہ سکیں۔"

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন“মুমিন ব্যক্তির রূহ একটি পাখির আকৃতিতে জান্নাতের বৃক্ষের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।




19/08/2026

زندگی کی سب سے بڑی نعمت یہ نہیں کہ آپ کے پاس سب کچھ ہو، بلکہ یہ ہے کہ جو ہے اس پر دل سے الحمدللہ کہہ سکیں۔"

🍀🍀♥️💓💐

মনটা ভালো হবে কি করে,,বুঝতে পারছি না ゚viralシ


♥️🍀বাসায় কেউ ছিলো না। পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি এসে একটা বড় প্লেটে করে চাওমিন দিয়ে গেছেন। সাথে হোয়াইট সস। চাওমিন আমার খাই...
19/08/2026

♥️🍀বাসায় কেউ ছিলো না। পাশের ফ্ল্যাটের এক আন্টি এসে একটা বড় প্লেটে করে চাওমিন দিয়ে গেছেন। সাথে হোয়াইট সস। চাওমিন আমার খাইতে ভালোই লাগে কিন্তু কয়েকদিন আগে কোথায় জানি পড়েছিলাম, চাওমিন দেখতে ফিতা কৃ&মির মতো। হুট করেই সেটা মনে পড়লো আর চাওমিন খাওয়া হলো না। সেটা ঢেকে রেখে দিলাম।

একটু পর বাড়িওয়ালী আন্টি এলেন। আমি দরজা খুলে বললাম,“আন্টি আম্মু বাসায় নেই।”
আন্টি বললেন,“ওমা! আম্মু নেই তো কি হয়েছে?
তোমার সাথে কথা বলা যাবে না?”

না না তা হবে কেন?
আসুন ভিতরে আসুন। উনি এলেন, আমি উনাকে কি দিবো ভাবছি। ছোট বোনের টেবিলে একটা লেইস চিপসের প্যাকেট গড়াগড়ি খাচ্ছে। একটা প্লেটে চিপস আর সেই এক বাটি চাওমিন সাথে এক গ্লাস পানি নিয়ে উনাকে দিলাম। আহহ! আমার আম্মা বলে আমি নাকি অ*কর্মার ধাড়ি! আমাকে দিয়ে নাকি একটা কাজও হয় না। আম্মু এসে দেখা উচিত ছিলো, কিভাবে তার অনুপস্থিতিতে আমি এতো সুন্দর করে অতিথি আপ্যায়ন করছি। ট্রে তে করে যখন সব নাস্তা টেবিলে পরিবেশন করছিলাম, নিজেকে পুরাই ওয়াইফ ম্যাটেরিয়াল মনে হচ্ছিলো।

আন্টি চিপস দেখে বললেন, এসব চিপস খেয়ে তোমরা কি মজা পাও কে জানে??
আমি বাবা এসব মশলা দেওয়া আলু ভাজা খেতে পারি না।
আমি হেসে বললাম,“তাহলে চাওমিন নেন।”
উনি বাটি হাতে নিতে নিতে বললেন,“এসব তুমি বানিয়েছো?? ”
উনাকে আর বলতে পারলাম না যে এসব আরেকটা আণ্টি দিয়ে গেছেন, কিন্তু আমি ফিতা কৃ*মির কাহিনী মনে করে আর খেতে পারছি না। বললেও অভদ্র দেখাবে।

তাই তাড়াতাড়ি বললাম,“হ্যাঁ হ্যাঁ আমিই বানিয়েছি। কেমন হয়েছে?”
উনি খেতে খেতে বললেন,“বাহ্! দারুন! এমন মজার চাওমিন আমি আগে খাইনি! তোমার হাতে তো জাদু আছে! মাশাআল্লাহ!”

লাজুক গলায় বললাম, তাই নাকি?
হ্যাঁ! এমন গুণবতী মেয়ে যার ঘরে যাবে সেই ঘর আলো হয়ে থাকবে। আহহ কত্তো প্রশংসা, আর আমার আম্মু খালি আমারে ঝাড়ি মারে। আমি নাকি রান্নার র ও পারি না। হুহ!

জানো?
আমার ছোট ছেলেও চাওমিন অনেক পছন্দ করে। কিন্তু আমার হাতের চাওমিন তত ভালো হয়না। এবার থেকে ছেলে আসলে তাকে তোমার হাতে চাওমিন খাওয়াবো।
হেসে বললাম, আচ্ছা খাওয়াবেন।

কিছুক্ষন কথা বার্তার পর তিনি চলে গেলেন।

পরেরদিন আবার আন্টি এলেন। আম্মুও বাসায় ছিলো। কথায় কথায় আন্টি বললেন, তিনি আমাকে তার ছোট ছেলের বউ করে নিয়ে যেতে চান। আমি পাশের রুম থেকে তাদের কথা শুনে টাশকি খেয়ে খাট থেকে পড়ে গেলাম।

আম্মু হেসে বললো,“এতো মেয়ে থাকতে আপনার আমার মেয়েকে পছন্দ হলো কেন?”

এরপর আন্টি যা বললেন তার জন্য আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না। তিনি আমাকে তার ছেলের বউ বানিয়ে নিতে চান কারণ আমার হাতের চাওমিন অনেক মজা আর তার ছোট ছেলের ফেভারিট খাবারও চাওমিন। একেবারে সোনায় সোহাগা! 🙂সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে যার হাতের বিদেশী রান্না এতো মজা তার হাতের দেশী রান্না কেমন হবে?
আর না হলেও সমস্যা নেই সবাই চাওমিন খাবে!

আমি আর থাকতে পারলাম না, হুড়মুড়িয়ে ড্রয়িং রুমে হাজির হলাম। দেখি আম্মু বাঁকা চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। তার চোখের দৃষ্টি বলে দিচ্ছে, যেই মেয়ে ডিম ভাজতে গিয়ে ডিমের বড়া বানিয়ে ফেলে সে কিভাবে মজার চাওমিন বানায়?

আমি অসহায় দৃষ্টিতে আম্মুর দিকে তাকালাম। আম্মু কোনরকম হেসে বললো,“না আপা, ওকে এখনই বিয়ে দেওয়ার কোন চিন্তা ভাবনা নেই আমাদের।”
আন্টি নাছোড়বান্দা! তার দাবি, বিয়ে না হোক অন্তত কাবিন করে রাখুক। পরে অনুষ্ঠান হবে। আর তার ছেলে হাজারে একজন তাকে পছন্দ না করার কোন কারণ নেই! বলেই তিনি ফোন বের করে ছেলের ছবি দেখালেন। ছেলে আসলেই সুন্দর, লম্বা চওড়া আর স্মার্ট। কিন্তু আমি তো এখন বিয়ে করবো না! বিয়ে করলে আর ভন্ডামি করা যাবে না!

আমি আর না পেরে বলেই ফেললাম,“আন্টি ওইদিন যেই চাওমিন খেয়েছিলেন সেটা আমি বানাই নি। সেটা পাশের বাড়ির ঝুমা আন্টি দিয়েছিলেন। আপনি কিছু মনে করবেন বলে আমি বলেছিলাম সেটা আমি বানিয়েছি।”

আন্টি তবুও নাছোড়বান্দা! তার ধারণা আমি বিয়ে না করার জন্য এসব ভং চং কথা বলছি!🙂
এখন আমার কি করণীয়?

বিঃদ্রঃ ছেলে মেরিন ইঞ্জিনিয়ার!🙂

চাওমিন সুন্দর করে রাঁধতে জানলে আসলেই খাইতে মজা। তবে মজা করে রাঁধার পর যদি আপনার আমার মতো ফিতা কৃ&মির কাহিনী মনে পড়ে, তাইলে আর খাইতে পারবেন না বাদ দেন। 🐸🍀🌹




゚ #সংগৃহীত
#রা_কি_বস

۔۔ 🌿🤍کبھی کبھی سکونحالات کے بدل جانے میں نہیں ہوتا۔۔۔بلکہ اُس یقین میں چھپا ہوتا ہےکہ جو گزر گیا،وہ محض اتفاق نہیں تھا۔۔...
19/08/2026

۔۔ 🌿🤍

کبھی کبھی سکون
حالات کے بدل جانے میں نہیں ہوتا۔۔۔
بلکہ اُس یقین میں چھپا ہوتا ہے
کہ جو گزر گیا،
وہ محض اتفاق نہیں تھا۔۔۔
وہ اللہ کی حکمت کا ایک حصہ تھا۔

اور جو آج ہماری سمجھ سے باہر ہے،
شاید کل
اُسی میں کسی دعا کا جواب چھپا ہو۔۔۔

ہم اکثر گزرے ہوئے کل کو
اپنی حسرتوں سے باندھ لیتے ہیں،
اور آنے والے کل کو
اپنی فکروں کے حوالے کر دیتے ہیں۔۔۔

پھر آج۔۔۔
جو اللہ نے ہمارے ہاتھ میں رکھا ہے،
وہ خاموشی سے
ہماری انگلیوں کے درمیان سے گزر جاتا ہے۔

ذرا ٹھہرو۔۔۔
جو تمہارے لیے لکھا گیا ہے
وہ تم سے کبھی نہیں چھوٹے گا،
اور جو تم سے چھن گیا
شاید وہ تمہارے سفر کے لیے
ضروری ہی نہیں تھا۔۔۔

اس لیے
گزشتہ لمحوں کو
اللہ کی حکمت سمجھ کر چھوڑ دو،
آنے والے لمحوں کو
اُس کے علم پر چھوڑ دو،
اور اپنے آج کو
اُس کے ذکر سے آباد کر لو۔۔۔

دل کو ہر سوال کا جواب
آج ہی نہیں چاہیے۔۔۔
کچھ جواب
وقت کے ساتھ کھلتے ہیں،
اور کچھ راز
صرف اللہ جانتا ہے۔

بس اُس پر بھروسا رکھو۔۔۔
جو تمہاری خاموش دعا بھی سنتا ہے،
تمہارے دل کا بوجھ بھی جانتا ہے،
اور تمہارے لیے
اُس راستے کا انتخاب کرتا ہے
جس کی منزل تم ابھی دیکھ نہیں سکتے۔

سکون شاید یہی ہے۔۔۔
کہ ہم اپنے فیصلے
اللہ کے سپرد کر دیں،
اور دل سے کہہ دیں:

"یا اللہ!
جو گزر گیا، اُس پر تیرا شکر۔۔۔
جو میرے پاس ہے، اُس پر تیرا شکر۔۔۔
اور جو آنے والا ہے،
اُسے بھی تیرے حوالے کیا۔۔۔
کیونکہ مجھے اپنی تدبیر سے زیادہ
تیرے فیصلے پر یقین ہے۔" 🤍🌿



Best photography challenge 💜💞💙🥰❤️

۔۔ 🌿🤍کبھی کبھی سکونحالات کے بدل جانے میں نہیں ہوتا۔۔۔بلکہ اُس یقین میں چھپا ہوتا ہےکہ جو گزر گیا،وہ محض اتفاق نہیں تھا۔۔...
18/08/2026

۔۔ 🌿🤍

کبھی کبھی سکون
حالات کے بدل جانے میں نہیں ہوتا۔۔۔
بلکہ اُس یقین میں چھپا ہوتا ہے
کہ جو گزر گیا،
وہ محض اتفاق نہیں تھا۔۔۔
وہ اللہ کی حکمت کا ایک حصہ تھا۔

اور جو آج ہماری سمجھ سے باہر ہے،
شاید کل
اُسی میں کسی دعا کا جواب چھپا ہو۔۔۔

ہم اکثر گزرے ہوئے کل کو
اپنی حسرتوں سے باندھ لیتے ہیں،
اور آنے والے کل کو
اپنی فکروں کے حوالے کر دیتے ہیں۔۔۔

پھر آج۔۔۔
جو اللہ نے ہمارے ہاتھ میں رکھا ہے،
وہ خاموشی سے
ہماری انگلیوں کے درمیان سے گزر جاتا ہے۔

ذرا ٹھہرو۔۔۔
جو تمہارے لیے لکھا گیا ہے
وہ تم سے کبھی نہیں چھوٹے گا،
اور جو تم سے چھن گیا
شاید وہ تمہارے سفر کے لیے
ضروری ہی نہیں تھا۔۔۔

اس لیے
گزشتہ لمحوں کو
اللہ کی حکمت سمجھ کر چھوڑ دو،
آنے والے لمحوں کو
اُس کے علم پر چھوڑ دو،
اور اپنے آج کو
اُس کے ذکر سے آباد کر لو۔۔۔

دل کو ہر سوال کا جواب
آج ہی نہیں چاہیے۔۔۔
کچھ جواب
وقت کے ساتھ کھلتے ہیں،
اور کچھ راز
صرف اللہ جانتا ہے۔

بس اُس پر بھروسا رکھو۔۔۔
جو تمہاری خاموش دعا بھی سنتا ہے،
تمہارے دل کا بوجھ بھی جانتا ہے،
اور تمہارے لیے
اُس راستے کا انتخاب کرتا ہے
جس کی منزل تم ابھی دیکھ نہیں سکتے۔

سکون شاید یہی ہے۔۔۔
کہ ہم اپنے فیصلے
اللہ کے سپرد کر دیں،
اور دل سے کہہ دیں:

"یا اللہ!
جو گزر گیا، اُس پر تیرا شکر۔۔۔
جو میرے پاس ہے، اُس پر تیرا شکر۔۔۔
اور جو آنے والا ہے،
اُسے بھی تیرے حوالے کیا۔۔۔
کیونکہ مجھے اپنی تدبیر سے زیادہ
تیرے فیصلے پر یقین ہے۔" 🤍🌿
Best photography challenge 💜💞💙🥰❤️

🍀🌹এক মা প্রতি মাসে মেয়ের কাছ থেকে চিঠি পায় বিদেশ থেকে। ১০ বছর ধরে একদিনও মিস হয় না। কিন্তু একদিন সে জানতে পারে—যে শহর থে...
17/08/2026

🍀🌹এক মা প্রতি মাসে মেয়ের কাছ থেকে চিঠি পায় বিদেশ থেকে। ১০ বছর ধরে একদিনও মিস হয় না। কিন্তু একদিন সে জানতে পারে—যে শহর থেকে চিঠি আসছে, সেখানে তার মেয়ে ৮ বছর আগেই মা**রা গেছে…
রোকেয়া বেগমের দিনটা শুরু হয় খুব সাধারণভাবেই। ভোরে উঠে নামাজ পড়া, তারপর বারান্দার গাছে পানি দেওয়া, আর শেষে এক কাপ চা নিয়ে বসে থাকা—পুরোনো দিনের মতো। কিন্তু তার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়টা আসে দুপুরে। ঠিক দুপুর ১২টার দিকে।
কারণ এই সময়েই ডাকপিয়ন আসে।
আজও এসেছে।
“খালা, আপনার চিঠি।”
ডাকপিয়ন ছেলেটা হাসতে হাসতে খামটা এগিয়ে দেয়।
রোকেয়া বেগমের হাত কাঁপে। কিন্তু এই কাঁপুনি ভয় বা দুঃখের না—এটা এক ধরনের অদ্ভুত আনন্দ। যেন জীবনের একমাত্র আলোটা এই খামের ভেতরে বন্দী।
খামের ওপরে সুন্দর করে লেখা—
“মা, তোমার জন্য…”
নিচে মেয়ের নাম—নাইলা।
রোকেয়া বেগম ধীরে ধীরে খামটা খুললেন। ভিতর থেকে একটা চিঠি বের হলো। একই রকম কাগজ, একই রকম হাতের লেখা—যেটা তিনি চোখ বন্ধ করেও চিনতে পারবেন।
তিনি পড়তে শুরু করলেন—
“মা, আমি ভালো আছি। এখানে শীত পড়েছে খুব। তুমি নিজের খেয়াল রাখবা। আমি খুব শিগগিরই তোমার কাছে আসবো…”
রোকেয়া বেগমের চোখ ভিজে উঠল। প্রতি মাসেই একই কথা লেখে নাইলা—“আমি ভালো আছি”, “শিগগিরই আসবো”… কিন্তু সে কখনো আসে না।
তবুও রোকেয়া বেগম বিশ্বাস করেন—একদিন আসবেই।
কারণ তার মেয়েটা এমন না, যে কথা দিয়ে কথা রাখবে না।
নাইলা ১০ বছর আগে বিদেশে গিয়েছিল। পড়াশোনার জন্য। তারপর একটা চাকরি পেয়ে যায়। শুরুতে ফোন করত, ভিডিও কল করত… কিন্তু ধীরে ধীরে সব কমে যায়।
একদিন হঠাৎ ফোন বন্ধ। কোনো যোগাযোগ নেই।
তখনই প্রথম চিঠি আসে।
“মা, আমি খুব ব্যস্ত। ফোনে কথা বলা হয় না। তাই চিঠি লিখছি…”
তারপর থেকে প্রতি মাসে ঠিক একবার করে চিঠি আসে।
একটাও মিস হয় না।
১০ বছর ধরে।
পাড়ার মানুষজন প্রথমে অবাক হয়েছিল। এখন তারা অভ্যস্ত।
কেউ কেউ বলে—
“এই যুগে কেউ চিঠি লেখে নাকি?”
কেউ আবার হাসে—
“নিশ্চয়ই মেয়েটা কোনো সমস্যা লুকাচ্ছে…”
কিন্তু রোকেয়া বেগম এসব কথায় কান দেন না।
তার কাছে শুধু একটা জিনিস গুরুত্বপূর্ণ—
তার মেয়ে বেঁচে আছে। ভালো আছে।
কিন্তু সেদিন সব বদলে গেল।
সেদিন বিকেলে তার বাড়িতে এলেন তার ছোট ভাই, সোহেল।
সোহেল অনেকদিন পর এসেছে। হাতে একটা ফাইল, মুখে অদ্ভুত গম্ভীর ভাব।
“আপা, একটা কথা ছিল…”
রোকেয়া বেগম হাসলেন, “কি রে, এত সিরিয়াস কেন?”
সোহেল কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তারপর বলল—
“তুমি নাইলার সাথে শেষ কবে কথা বলছ?”
রোকেয়া বেগম একটু থামলেন।
“কথা না… চিঠি তো প্রতি মাসেই আসে।”
সোহেল গভীর শ্বাস নিল।
“আপা… আমি ওই শহরে গিয়েছিলাম… যেখানে নাইলা থাকে বলে তুমি বলো…”
রোকেয়া বেগমের মুখে হাসি মিলিয়ে গেল।
“তারপর?”
সোহেলের গলা কাঁপছে—
“ওই ঠিকানায় কেউ নাইলা নামে থাকে না।”
“মানে?”
“আরও খোঁজ নিয়েছি… ওই শহরের রেকর্ডে… হাসপাতাল, পুলিশ… সব জায়গায়…”
রোকেয়া বেগমের বুক ধড়ফড় করতে লাগল।
“কি বলছিস তুই?”
সোহেল ধীরে ধীরে বলল—
“নাইলা… ৮ বছর আগে একটা সড়ক দুর্ঘ**টনায় মা**রা গেছে।”
এক মুহূর্তে পুরো পৃথিবীটা থেমে গেল।
রোকেয়া বেগমের কানে যেন কিছুই ঢুকছে না। শুধু একটা শব্দ বারবার ঘুরছে—
“মা**রা গেছে…”
“না… এটা হতে পারে না…”
তিনি মাথা নাড়তে লাগলেন।
“দেখ, এই রিপোর্ট…”
সোহেল ফাইল খুলে দেখাল।
কিছু কাগজ, কিছু ছবি…
একটা ছবিতে—নাইলার মুখ।
চোখ বন্ধ। নিথর।
“না!!!”
রোকেয়া বেগম চিৎকার করে উঠলেন।
“এটা মিথ্যা! আমার মেয়ে বেঁচে আছে! সে আমাকে চিঠি লিখে! প্রতি মাসে!”
তার হাত কাঁপছে, চোখে অশ্রু।
“এই যে, আজকের চিঠি! দেখ!”
তিনি দৌড়ে গিয়ে টেবিল থেকে চিঠিটা নিয়ে এলেন।
“এটা কি মিথ্যা? এই লেখা কি মিথ্যা?”
সোহেল চুপ করে রইল।
কারণ সেই হাতের লেখা… সত্যিই নাইলার।
একটুও ভুল নেই।
সেদিন রাতে রোকেয়া বেগম ঘুমাতে পারলেন না।
চিঠিটা বারবার পড়লেন।
“আমি ভালো আছি…”
“আমি আসবো…”
এই লাইনগুলো যেন এখন অন্যরকম শোনাচ্ছে।
একটা প্রশ্ন তার মাথায় ঘুরতে লাগল—
যদি নাইলা ৮ বছর আগে মা**রা যায়… তাহলে গত ৮ বছর ধরে কে চিঠি লিখছে?
পরদিন সকালে তিনি একটা সিদ্ধান্ত নিলেন।
তিনি নিজেই খুঁজে বের করবেন সত্যটা।
চিঠির খামটা আবার হাতে নিলেন। এবার তিনি খেয়াল করলেন একটা জিনিস—
প্রতি খামের ওপর একই পোস্ট অফিসের সিল।
একই শহর।
একই জায়গা।
“আমি সেখানে যাবো…”
তিনি ধীরে ধীরে বললেন।
“আমি নিজে গিয়ে দেখবো—কে আমার মেয়ের নামে চিঠি পাঠাচ্ছে।”
তার চোখে এবার ভ*য় নেই।
আছে এক ধরনের দৃঢ়তা।
কারণ এটা শুধু একটা রহস্য না…
এটা একজন মায়ের হৃদয়ের প্রশ্ন।
কিন্তু তিনি জানতেন না…
এই যাত্রা তাকে এমন এক সত্যের সামনে দাঁড় করাবে—
যেটা জানার পর হয়তো তিনি আর কখনো আগের মতো থাকতে পারবেন না।
মায়ের_মন
পর্ব ০১
খুব শীঘ্রই পরবর্তী পর্ব পোস্ট করা হবে সবাই একটু কমেন্ট করবেন। তাহলে পরবর্তী পর্ব পোস্ট করার সাথে সাথে নোটিফিকেশন পাবেন। শেয়ার করে পাশে থাকবেন। শেয়ারের কমেন্টে পেয়ে যাবেন পরবর্তী পার্ট।শেয়ার করার পর কমেন্টেে দেখুন 🌹🍀♥️

Good Morning 🌹
May your day be as beautiful as a red rose, and may your heart stay as fresh as a flower. ❤️






#সংগৃহীত

🌹🍀 #তপ্ত ভালোবাসা  #লিখিকাঃ_রিক্তা ইসলাম মায়া  #পর্বঃ_০২🍂ঘুম ঘুম চোখে হাতে ব্রাশ নিয়ে সারা বাড়ি ঘুরঘুর করছি আমি,, সাথে ব...
17/08/2026

🌹🍀 #তপ্ত ভালোবাসা
#লিখিকাঃ_রিক্তা ইসলাম মায়া
#পর্বঃ_০২
🍂
ঘুম ঘুম চোখে হাতে ব্রাশ নিয়ে সারা বাড়ি ঘুরঘুর করছি আমি,, সাথে বাড়ির ডেকোরেশন ও চোখ বুলিয়ে চলছি ভাইয়া বিয়ে জন্য খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছে বাড়িটি,, আমাদের বাড়িটা বেশ বড় তা কিন্তুু নয়,, আমরা মধ্যবিত্ত পরিবারের বাসিন্দা, অল্প সল্পতায় আমাদের আনন্দ বিরাজ করে,,, দু-তলা বিশিষ্ট বাড়িটি আমাদের, উপর নিচ মিলিয়ে আট বিশিষ্ট রুম রয়েছে এই বাড়িটিতে,,, ভাইয়া আমি উপরে থাকলেও মা বাবা উপরে থাকতে নারাজ তাই তারা দুজনই নিচ তালার বাসিন্দা,,, বাকি রুম গুলো অতিথিদের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে,,,, তবে খাওয়া দাওয়া পর্বটা আমাদের নিচেই করতে হয়,,, মাঝে মাঝে মনে হয় আমি নিজ বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে রয়েছি, ঐ যে যখন ভাইয়া সাথে নিচে খাবার খেতে আসি তখন নিচ বাড়িতে ভাড়াটিয়া টাইপ ফিলিংস আসে,,, যায় হোক! আমাদের বাড়ির বাহিরের ছোট একটা বাগানও আছে, এতেই আমাদের খুশির ঢের পড়ে বাড়ির আঙ্গিনায়,,, আর সেই খুশি দু'হাতে মুঠোয় করিয়ে ছড়িয়ে দেয় সবার মাঝে,,, এবারও তাই হচ্ছে ভাইয়া বিয়ে নামক আমেজের মাধ্যমে,,, আত্মীয় স্বজনরা সবাই এসেছে ভাইয়া বিয়েতে,,, সবাই আনন্দে মুখরিত হয়ে আন্দোলন শুরু করে দিয়েছে সর্বাধিক থেকে, হৈঁ, হুল্লোড়, চিৎকার, চেচামেচিঁ,, মেতে আছে সবাই,,,
বড়রা কাজে, আর ছোটদের আনন্দের মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে এই আন্দোলন,,,,, আর আমি ঘুম ঘুম চোখে সবাইকে এক পলকে পযবেক্ষন করে নিলাম,,,
সবাই যার যার মতো করে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে, তাই তাদেরকে তাদের মতো করে থাকতে দিয়ে ঢুলতে ঢুলতে এগিয়ে গেলাম ভাইয়া রুমে দিকে,,, উদ্দেশ্য ভাইয়া রুমে ফ্রেশ হবো,,, কারণ নিজ রুমের অবস্থা করুণ, আমার সব বান্ধবীরা ভীড় জমিয়েছে সেখানে,,,
তাই বাধ্য হয়ে যেতে হচ্ছে আমাকে,,, ভাইয়া রুমে আপাত কেউ থাকবে না তাই চুপিচুপি গিয়ে ফ্রেশ হয়ে আসবো সেখান থেকে,,,, ধীর পায়ে এগিয়ে গেলাম ভাইয়া রুমে দিকে, বিনা বাক্য ও শব্দ বয়ে আস্তে করে দরজা খুলে ঢুকে পড়লাম ভাইয়া রুমে,,, পরে আস্তে করে দরজা লাগিয়ে পিছন ফিরে তাকাতেই চোখে পড়ল আবচ্ছা আচ্ছন্ন অন্ধকার রুমটি,, সাথে বেডে কেউ কাঁথা মুড়িয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে ঘুমাচ্ছে,,,
আমি এক পলক তাকিয়ে থেকে ভাইয়া হবে ভেবে ওয়াশরুমের দিকে পা বাড়ায়,,, কারণ আমি জানি ভাইয়া ছাড়া ভাইয়ার রুমে একটা মাছিকেও আসতে দেয় না,,, তাই নিশ্চিত হয়ে ওয়াশরুমের গিয়ে ফ্রেশ হয়ে নিলাম,,, ফ্রেশ হয়ে ভাইয়ার রুমে আয়নার সামনে এলোমেলো চুল গুলো ছেড়ে নিজ হাতে হালকা হালকা গুঁছিয়ে নিচ্ছি, তখনি টুং শব্দ কানে আসতেই চমকে পাশ ফিরে তাকায় আমি,, ভাইয়া তখনো উপুড় হয়ে শুয়ে আছে, আর ভাইয়া মোবাইলে মেসেজ আসছে সেই কখন থেকে, সে দিকে তার কোনো খেয়ালই নেই,,, খেয়াল থাকবেই বা কি করে নিশ্চিত সারা রাত ভাবির সাথে প্রেমময় কথা বলে বলে পার করেছে,, তাই এখন অব্দি পরে ঘুমাচ্ছে,, আল্লাহ কি প্রেম ভাবা যায়,,,,
বারবার টুং টুং শব্দে কৌতূহল চোখে কঁপাল কুঁচকে এলো আমার,, এতো কিসের মেসেজ আসছে ভাইয়ার, পাঁচ সেকেন্ডও দম নিতে পারছেনা ব্যক্তিটি,,, পরে ভাবি হতে পারে ভেবে সুস্হির নিশ্বাস ফেলাম,, কারণ নিশ্চিত ভাবি কোনো প্রয়োজনে বোধের জন্য ভাইয়াকে এতো এতো মেসেজ করছে,,, তাই নিজের শত শত চিন্তা পিছনে ফেলে এগিয়ে গেলাম বিছানার উপর ফোনটির দিকে,,,, ফোনটি ভাইয়া পাশে বালিশের নিচে হবে কারণ শব্দটি সেখানে থেকেই আসছে তাই ভাইয়ার মাথা উপর দিয়ে ঝুঁকে উপুড় হয়ে ফোনের জন্য হাত বাড়ায় আমি,,, ভাইয়া উপুড় হয়ে শুয়ে থাকায় ভাইয়া মাথা আমার পেটের নিচে, তবে কোনো রকম স্পর্শ লাগেনি ভাইয়া সাথে,,,
নিজের মতো করে ফোন খুঁজে চলছে আমি, কিন্তুু বারবার ব্যর্থ হতে হচ্ছে আমাকে,, এদিকে ওদিকে ফোন খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত হয়ে পরেছি আমি, তারপর অনাকাঙ্ক্ষিত ফোনটি অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছি,, ব্যর্থ হয়ে ধুপ করে বসে পড়লাম ভাইয়া মুখে সামনে,,, চারপাশে অন্ধকার হওয়ার ভাইয়া চেহেরাটা স্পষ্ট দেখতে পারছি না আমি, আর না দেখতে চাইছি,, নিজের মতো করে আস্তে আস্তে ভাইয়া মাথার নিচের বালিশটি উঁচু করে চুপিচুপি দেখতে লাগলাম,,,
আমার এমন চুপচুপি কাজে নড়েচড়ে উঠে ভাইয়া, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় নড়েচড়ে আবারও আগের ন্যায় ঘুমিয়ে পড়ে,,, আমি ভীতু চোখে কিছুক্ষণ থেমে থেকে আবারও নিজের মতো করে খুঁজা ঝারি রাখি,,, অপ্রত্যাশিত ফোনটি খুঁজে না পেয়ে বিরক্তি নিয়ে নিজের মাথাটা খানিকটা উঁচু করে দেখতেই ঘটে গেল অপ্রত্যাশিত একটি কাজ,,, আমার ঠোঁটের মূহুর্তের কারও ঠোঁট ছুঁয়ে গেল,,, একত্রিত হলো দুজনের ঠোঁট,,, আমি মাথা উচু করাতেই উনিও নিজের মাথা উচু করেন হয়তো। কে উনার সামনের দেখার জন্য আর তখনি ঘটে এই অত্যাশিত কাজটি,,,, আমি পাথর মূর্তির মতো ফ্রিজ হয়ে টায় জায়গায় বসে রইলাম,, এমন অপ্রত্যাশিত কাজের জন্য মনে হয় ব্যক্তিও প্রস্তুুত ছিল না, আমার সাথে সাথে ব্যক্তিটিও শকটে আছেন,,, নিজের শকট হওয়া ধাপটা কাটাতেই ব্যক্তিটাকে না দেখে তাড়াতাড়ি করে উঠে দাঁড়িয়ে উল্টো ঘুরে দৌড় দিতে যাব এমন সময় কেউ আমাকে হেঁচকা টানে বিছানায় ফেলে আমাকে ঝাপটে ধরে বিছানার সাথে,,,,
কিছু বুঝে উঠার আগেই, আমার সাথে এমন কাজটি ঘটায় ভড়কে যায় আমি,,, মুখ খিঁচে চোখ বন্ধ করে আছি,,, আর সাথে এটাও ভাবছি যে ভাইয়া তো আর যায় হোক আমার সাথে এমনটা করবে না,,, নিজের বোনের সাথে তো আর,,, ছিঃ ছিঃ ছিঃ কি সাংঘাতিক কান্ড,,, কিন্তুু ভাইয়া রুমে যদি ভাই না থাকে তাহলে কে ছিল ব্যক্তিটি, কাকে আমি চুমু খেলাম, নিজের জীবনের প্রথম চুমু এভাবে খেয়ে নিলাম, না এই চুমু আমি মানি না,,, আমি চুমু হবে তো.....
বাকি কিছু চিন্তা ভাবনায় করার আগেই কেউ আমার গাল চেপে ধরে শক্ত হাতে, ব্যাথা আমার জান যায় যায় অবস্থা,,, তখনই সামনে থাকা ব্যক্তিটির কর্কশ কন্ঠ আমার কানে আসতেই চমকে উঠে সাথে সাথে সামনে দিকে তাকায় তখনই চোখে পরে রিদ খানকে,,, উনি শক্ত হাতে আমায় বিছানার সাথে চেপে ধরে রেখেছেন,,, আমি করুন চোখে তাকাতেই উনি রেগে দাঁতে দাঁত চেপে বলে উঠে,,,,
---" লিমিটেড বাহিরের কোনো কিছুই পছন্দ না আমার,,, তোকেও না,,, চিপ টাইপের মেয়েদের আমার কোনো কালেই পছন্দ নয়,,,তোর মতো মেয়েদের আমি জাস্ট ঘৃণা করি অন্যকিছু নয়,,, আমার থেকে দূরে থাকবে নয়তো শরীরে আগুন ধরিয়ে দিব,,, (রেগে চোখ মুখ শক্ত করে)
উনার এমন কথায় আমি মূহুর্তেই বাক রুদ্ধ হয়ে গেলাম,,, কি এমন করেছি আমি যাতে উনি আমাকে এতোটা খারাপ দৃষ্টিতে দেখছেন, আর আজ যেটা হয়েছে সেটা আমি ইচ্ছে করে করেনি, সেটা এমনি এমনি হঠাৎ করে হয়ে গেছে,,, তাই বলে উনি আমাকে এইভাবে বলবেন,,,, উনার কথায় আমি করুন কন্ঠে বলে উঠি,,,,
---" আপনি আমার সাথে এমন বাজে ব্যবহার কেন করছেন,,, কিছুক্ষণ আগে যেটা হয়েছে সেটা আমি ইচ্ছে করে করেনি। আমি তো ভাইয়া ফোন খুঁজতে এসে এটা হয়ে গেছে,,,, (টলমলে চোখে)
আমার এমন কথায় উনি আরও খানিকটা এগিয়ে এসে আমার দিকে ঝুকে আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে গালে থাকা হাতটা সরিয়ে নেয় আস্তে করে,,, পরে কিছু একটা ভেবে সাথে সাথে আমার গলা চেপে ধরে শক্ত হাতে পরে রাগে রি রি করতে করতে বলে উঠে,,,,,
---" তোর লিমিটেড বাহিরে আমি বাজে, কতটা ভয়াবহ আমি তা তোর চিন্তা ভাবনায় বাহিরে,,, তাই নিজেকে বার বার আমার সামনে প্রেজেন্ট করাটা বন্ধ কর,,, আমাকে ধ্বংশ লীলায় মেতে উঠতে বাধ্য করিস না,,, এতে তুইও বাঁচবি সাথে তোর আশেপাশে আপন জনও,,, তোর মতো মিডেল ক্লাস থেকে বিলং করি না আমি। তাই ভদ্র থেকে অভদ্রতায় খেলটায় করে আমার মাঝে বেশি,,,, তোদের মতো এক ঢুক পানি খেতে সারাদিন ভেবে সময় পার হয় না আমার। সমাজ, সোসাইটির চিন্তাও নেই। তাই আমাকে আমার মতো করে থাকতে দে, আর নিজের পঁচা শরীরটা নিয়ে অন্য কোথাও গিয়ে ঘুরে বেড়া,,,
কথাগুলো বলে আমাকে ছেড়ে উঠে পড়েন বিছানা থেকে,,, আমার দিকে না তাকিয়ে দ্রুততার সঙ্গে ফ্রেশ হতে ওয়াশরুমে চলে যায়,,, আর আমি বিছানায় শুয়ে নীরবে চোখের পানি বিসর্জন করছি,, আর ভাবছি, কি এমন করেছি, যার কারণে উনি এত বাজে ব্যবহার করছেন আমার সাথে,,, কিসের এত রাগ ঝাড়লেন উনি আমার উপর,, আমি তো আগে কখনোই দেখিনি উনাকে না কখনো সামনে গিয়েছি উনার,,, তাহলে কেন উনি আমাকে বারবার বলছেন উনার সামনে নিজেকে প্রেজেন্ট না করতে,,
দুঃখ-কষ্টে ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বিছানা থেকে উঠে বসলাম আমি। দু'হাতে নিজের চোখ মুছতে মুছতে বেরিয়ে পড়লাম উদ্দেশ্যে নিজের রুমে যাবো। আর পিছনে ফেলে যাব অসভ্য বাজে লোকটাকে। আর যাই কিছু হোক না কেন? এই রুমে যা হয়েছে কাউকে বলা যাবে না, এতে করে ভাইয়ার বিয়ের ও চাকরিতে ব্যাঘাত ঘটতে পারে,,, তাই আমার চুপ থাকায় শ্রেয়,,,, আর সবচেয়ে বড় কথা আমি এই খারাপ লোকের সামনে যাব না আজকে,,, ভালোয় ভালোয় ভাইয়ার বিয়েটা মিটে গেলে উনাকেও আর দেখতে হবে না আমার,,, এমন সব চিন্তা ভাবনায় মনো স্থির করে যেতে লাগলাম নিজের রুমের দিকে,,,, আর পিছনে ফেলে গেলাম রিদ নামক গুন্ডাটাকে,,,,🌹🍀




I Love You ❤️💋 Do You Love Me ?🌹 دل سے شکریہ میری پیاری کمیونٹی! ❤️آپ سب کی محبت، دعاؤں، لائکس، کمنٹس اور مسلسل سپورٹ می...
17/08/2026

I Love You ❤️💋
Do You Love Me ?

🌹 دل سے شکریہ میری پیاری کمیونٹی! ❤️

آپ سب کی محبت، دعاؤں، لائکس، کمنٹس اور مسلسل سپورٹ میرے لیے بہت قیمتی ہے۔ 🙏💐

آپ کا ہر ایک پیغام حوصلہ بڑھاتا ہے اور مزید خوبصورت کام کرنے کی ترغیب دیتا ہے۔ ✨

اللہ پاک آپ سب کو ہمیشہ خوش، سلامت، آباد اور کامیاب رکھے۔ 🤲❤️

آپ کا ساتھ ہی ہماری اصل طاقت ہے۔ 🌸

بے حد محبت اور خلوص کے ساتھ،
بہت بہت شکریہ! ❤️🌹



Address

House 10 Road 10 Sector 13 Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amazing People posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Amazing People:

Shortcuts

Share