Unknown & known with mridula

Unknown & known with mridula The world we live in is a complex and fascinating tapestry of known and unknown phenomena.. let's know the unknown and known..

Some of these are well-documented and explored, while others remain hidden, waiting to be discovered by future generations.

সান্ডা! ছোট্ট এই প্রাণীটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা। কফিলের ছেলের জন্য সান্ডা খুঁজতে খুঁজতে প্রাণীটি...
15/05/2025

সান্ডা! ছোট্ট এই প্রাণীটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা। কফিলের ছেলের জন্য সান্ডা খুঁজতে খুঁজতে প্রাণীটিকে রীতিমতো ফেসবুক সেলিব্রিটি বানিয়ে দিয়েছে নেটিজেনরা।

সান্ডা হলো আগামিডে গোত্রের অন্তর্ভুক্ত সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখতে পাওয়া যায়।

তবে ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় আরবদের যে প্রাণীটি খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেগুলো মূলত দব। দবকে অনেকে সান্ডা কিংবা গুইসাপের সাথে গুলিয়ে ফেললেও এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রাণী।

সান্ডা প্রধানত তৃণভোজী তবে কখনো কখনো পোকামাকড় ও অন্যান্য ছোট প্রাণী যেমন টিকটিকিও খায়।

এদের লেজ মোটা ও কাঁটার মতো খাঁজযুক্ত। সান্ডার আকার ছোট হলেও দেখতে হুবুহু গুইসাপের মতো। আরব অঞ্চলে সান্ডা পাওয়া যায় না এবং তারা এটি খায়ও না।

দব আকারে ছোট, এটি সাধারণত ৯০ সেন্টিমিটারের বেশি লম্বা হয়। এর লেজ মসৃণ, দেখতে সাপের লেজের মতো।

এরা মরুভূমিতে বাস করে, পানির ধারেকাছেও যায় না। দব সাধারণত তৃণভোজী, খাদ্য হিসেবে এরা ফড়িং, পঙ্গপাল, পিঁপড়া, তাজা ঘাস ইত্যাদি গ্রহণ করে।

অন্যদিকে গুইসাপ আকারে বেশ বড় এবং লেজ চ্যাপ্টা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা যায়।

গুইসাপ জলে-স্থলে, ঝোপ-জঙ্গলে ও ডোবায় থাকে। বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ, সাপ, বিচ্ছু, গিটগিটি ইত্যাদি শিকার করে খায়।

অর্থাৎ আকৃতি কাছাকাছি হলেও দব, সান্ডা ও গুইসাপ পরস্পর থেকে আলাদা। ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী, সান্ডা ও গুইসাপ খাওয়া হারাম হলেও দব খাওয়ার ব্যাপারে ভিন্নমত রয়েছে।

রাসুল সালল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আরবের সাহাবিগণ দব খেতেন। নবীজি নিজে এটি খাননি, তবে সাহাবিদের খেতে নিষেধও করেননি।

সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম শরীফে এসেছে, তিনি বলেছিলেন, “এটি আমার এলাকায় ছিল না, তাই আমি এর প্রতি আগ্রহ বোধ করি না। কিন্তু তোমরা খেতে পারো, কারণ এটি হারাম করা হয়নি।”

তাই অধিকাংশ ইসলামি স্কলারদের মতে এটি হালাল হলেও হানাফি মাজহাবে এটিকে হারাম বলা হয়েছে।

হানাফি মাজহাবের অনুসারীরা শুধুমাত্র মাছজাতীয় প্রাণীকে হালাল মনে করেন। তাদের মতে, সরীসৃপ বা উভচর প্রাণী খাওয়া জায়েজ নয়।

মালিকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাবেও উভচর প্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ হলেও দব খাওয়াকে জায়েজ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই আরবের বেদুইনরা দবকে হালাল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।

পানিতে সিদ্ধ করে বিভিন্ন প্রকারের মশলা দিয়ে রান্না করে তারা এটিকে আরবদের জনপ্রিয় খাবার খাবসার সাথে পরিবেশন করে।

সুস্বাদু খাবার ছাড়াও সান্ডার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর তেল। সান্ডার তেল আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

বলা হয়ে থাকে, এই তেল পুরুষদের যৌন সমস্যা সমাধানে ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া দেহের ব্যথা উপশম করতেও এই তেল মালিশ করা বেশ উপকারী বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।

তবে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে কিন্তু এই মরুভুমির দব পাওয়া যায় না। তাই কফিলের মতো দবের বিরিয়ানি খাওয়ার শখ জাগলে, পোল্ট্রি মুরগির বিরিয়ানি রেঁধে খেয়ে ফেলুন।
©️

** অ্যালবাট্রস (Albatross)অ্যালবাট্রস (Albatross) পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সামুদ্রিক পাখি, যা প্রধানত দক্ষিণ মহাসাগর এবং উত্ত...
05/01/2025

** অ্যালবাট্রস (Albatross)

অ্যালবাট্রস (Albatross) পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সামুদ্রিক পাখি, যা প্রধানত দক্ষিণ মহাসাগর এবং উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের উপর বিচরণ করে। এই পাখিগুলি তাদের বিশাল ডানার বিস্তৃতির জন্য বিখ্যাত, যা ১১ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। অ্যালবাট্রস পাখি দীর্ঘ সময় ধরে আকাশে উড়তে সক্ষম এবং হাজার হাজার কিলোমিটার পাড়ি দেয় খাবার অনুসন্ধানে।

তাদের প্রধান খাদ্য হলো মাছ, স্কুইড এবং অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণী। অ্যালবাট্রস পাখি সাধারণত জলপথে বাসা বাঁধে এবং একবার সঙ্গী বেছে নিলে সারা জীবন সেই সঙ্গীর সঙ্গেই থাকে। এই পাখিগুলি প্রকৃতির শৌর্য, দৃঢ়তা এবং দীর্ঘায়ু জীবনের প্রতীক। তবে প্লাস্টিক দূষণ এবং মাছ ধরার জালের কারণে এদের অনেক প্রজাতি এখন বিপন্ন অবস্থায় রয়েছে।

***রোমান কলোসিয়াম(Colosseum)...কলোসিয়াম (Colosseum) বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি এবং এটি রোম, ইতালির সবচেয়ে বিখ্যাত প্র...
05/01/2025

***রোমান কলোসিয়াম(Colosseum)...

কলোসিয়াম (Colosseum) বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি এবং এটি রোম, ইতালির সবচেয়ে বিখ্যাত প্রাচীন স্থাপত্য। এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি প্রায় ৭০-৮০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সম্রাট ভেসপাসিয়ান নির্মাণ শুরু করেন এবং তার পুত্র টাইটাস এটি সম্পন্ন করেন। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় এম্ফিথিয়েটার এবং এক সময়ে প্রায় ৫০,০০০ থেকে ৮০,০০০ দর্শক ধারণ করতে সক্ষম ছিল।

কলোসিয়াম তার গ্র্যান্ডিয়র ও স্থাপত্য কৌশলের জন্য বিখ্যাত। এটি মূলত গ্ল্যাডিয়েটর যুদ্ধ, জনসাধারণের জন্য বিনোদনমূলক প্রদর্শনী, এবং রোমান উৎসবের জন্য ব্যবহৃত হতো। এই বিশালাকার স্থাপনাটি এলিপটিক্যাল নকশায় তৈরি, যেখানে অর্ধবৃত্তাকার প্রবেশপথ, পাথরের স্তম্ভ, এবং ধাপে ধাপে দর্শক বসার জায়গাগুলি অত্যন্ত চমৎকারভাবে পরিকল্পিত।

কলোসিয়ামের অন্যতম আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এর আন্ডারগ্রাউন্ড স্ট্রাকচার, যা "হাইপোজিয়াম" নামে পরিচিত। এখানে গ্ল্যাডিয়েটর, প্রাণী এবং অন্যান্য যন্ত্রপাতি রাখা হতো। কলোসিয়ামের নির্মাণে ব্যবহৃত পাথর এবং কংক্রিট এখনো তার স্থায়িত্ব ও স্থাপত্যশৈলীর সাক্ষ্য বহন করে।

আজকের দিনে কলোসিয়াম শুধুমাত্র একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন নয়, এটি ইতালির সংস্কৃতি ও ইতিহাসের অন্যতম প্রতীক। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ পর্যটক এই স্থানটি দেখতে আসেন এবং রোমান সাম্রাজ্যের গৌরবময় ইতিহাসের সাথে পরিচিত হন। কলোসিয়াম রাতের আলোতে আলোকিত হলে এটি এক অপরূপ দৃশ্য করে, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে।

ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান *মাচু পিচু (Machu Picchu) দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে অবস্থিত একটি প্রাচীন ইনকা শহর, যা বিশ্ব...
05/01/2025

ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান

*মাচু পিচু (Machu Picchu) দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে অবস্থিত একটি প্রাচীন ইনকা শহর, যা বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭,৯৭০ ফুট উচ্চতায় আন্দেস পর্বতমালার মধ্যে এই স্থানটি অবস্থিত। মাচু পিচু তার চমৎকার স্থাপত্য, ঐতিহাসিক গুরুত্ব এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যের জন্য বিশ্বব্যাপী বিখ্যাত।

মাচু পিচু ইনকা সভ্যতার একটি অনন্য নিদর্শন এবং এটি ১৫ শতকে সম্রাট পাচাকুতেকের শাসনামলে নির্মিত হয়েছিল। এটি প্রাথমিকভাবে একটি রাজকীয় আবাসস্থল বা ধর্মীয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো বলে ধারণা করা হয়। শহরটি প্রাকৃতিকভাবে পাহাড়ের সাথে মিশে আছে, যেখানে অসাধারণভাবে পরিকল্পিত ধাপযুক্ত পাথরের ঘরবাড়ি, মন্দির, এবং সেচব্যবস্থা রয়েছে।

মাচু পিচুর অন্যতম আকর্ষণ হলো এর তিনটি প্রধান কাঠামো: সূর্যের মন্দির (Temple of the Sun), ইন্টিহুয়াটানা (Intihuatana), এবং ত্রি-উইন্ডোজ মন্দির (Temple of the Three Windows)। এই স্থাপনাগুলি ইনকা স্থাপত্য ও জ্যোতির্বিজ্ঞানের দক্ষতার পরিচয় বহন করে। বিশেষ করে, ইন্টিহুয়াটানা ইনকাদের সূর্যঘড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতো, যা তাদের কৃষিকাজের সময় নির্ধারণে সহায়ক ছিল।

মাচু পিচুকে প্রায়শই "হারিয়ে যাওয়া শহর" বলা হয়, কারণ এটি বহু বছর জঙ্গলে ঢাকা ছিল। ১৯১১ সালে আমেরিকান ইতিহাসবিদ হিরাম বিংহাম এটি পুনরাবিষ্কার করেন এবং তারপর থেকে এটি বিশ্বের পর্যটকদের জন্য অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য হয়ে উঠেছে।

চারপাশে সবুজ উপত্যকা, মেঘে ঢাকা পাহাড় এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝখানে অবস্থিত মাচু পিচু একটি রহস্যময় এবং মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। এই স্থানটি শুধু ইনকা সভ্যতার গৌরবময় অতীতের কথা মনে করিয়ে দেয় না, বরং প্রকৃতি ও স্থাপত্যের অসাধারণ মেলবন্ধনকে তুলে ধরে।

ইয়াখচাল (ফার্সি: یخچال "বরফের গর্ত"; ইয়াখ অর্থ "বরফ" এবং চল মানে "পিট") হল একটি প্রাচীন ধরনের বরফ ঘর ২৪০০ বছর আগে মরুভ...
04/01/2025

ইয়াখচাল (ফার্সি: یخچال "বরফের গর্ত"; ইয়াখ অর্থ "বরফ" এবং চল মানে "পিট") হল একটি প্রাচীন ধরনের বরফ ঘর

২৪০০ বছর আগে মরুভূমির মাঝে বরফ তৈরি!!
মরুভূমির মাঝখানে পারস্য সাম্রাজ্যের সময় "ইয়াখচাল" বা "আইস পিট" নামে পরিচিত একটি স্থাপত্য পদ্ধতি যা বরফ উৎপাদন এবং খাদ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হত। পার্সিয়ানরা 2,400 বছর আগে মরুভূমিতে প্রচুর পরিমাণে বরফ এবং হিমায়িত খাবার তৈরি করার পদ্ধতি জানতেন।
1- কাঠামোর নকশা: ইয়াকচাল একটি গম্বুজ আকৃতির ছিল যার মোটা দেয়াল ইট ও কাদামাটির তৈরি। এই কাদামাটির ভল্ট ভিতরে একটি শীতল তাপমাত্রা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
2-পানি সংগ্রহ:নদী বা বর্ষার পানি খাল দিয়ে ইয়াকচলের দিকে পরিচালিত হত।
3- হিমায়িত প্রক্রিয়া: পানি ভল্টের মধ্যে ছোট পুকুর বা পুলগুলিতে জমা করা হতো।মরুভূমিতে দিনে উচ্চ তাপমাত্রা থাকলেও রাতে তাপমাত্রা অনেক নেমে আসে। রাতে মরুভূমির এই নিম্ন তাপমাত্রার কারণে পানি জমে যায়।
4- বরফ সঞ্চয়: একবার হিমায়িত হয়ে গেলে, বরফকে ব্লকে কেটে ইয়াকচলের সর্বনিম্ন অংশে সংরক্ষণ করা হয়। গম্বুজ আকৃতি এবং দেয়ালের প্রাকৃতিক নিরোধক বরফকে অনেক মাস ধরে হিমায়িত রাখতে সাহায্য করে।
5- পরবর্তীতে ব্যবহার: গ্রীষ্মের সময়, সঞ্চিত বরফ ঠান্ডা পানীয়, খাদ্য সংরক্ষণ বা এমনকি প্রয়োজনে চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হত। সংক্ষেপে, ইয়াকচাল মরুভূমির রাতের প্রাকৃতিক ঠান্ডার সদ্ব্যবহার করে বরফ তৈরি ও সংরক্ষণ করে। সহজ কিন্তু কার্যকর সঞ্চয়স্থান এবং তাপ নিরোধক কৌশলের স্থান উপযোগী এক দারুণ ইন্জিনিয়ারিং।

©️

Address

New Elephant Road
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Unknown & known with mridula posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share