Muslim Ummah

Muslim Ummah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Muslim Ummah, Digital creator, Dhaka.
(1)

ওই ব্যক্তির চেয়ে আর বড় জালিম আর কে হতে পারে, যাকে তার রবের আয়াতসমূহ দিয়ে উপদেশ দেওয়া হয় অথচ সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়? অবশ্যই আমি (আল্লাহ) অপরাধীদের কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণকারী।’ (সুরা আস-সাজদাহ: ২২)

আমাদের টেলিগ্রাম: https://t.me/muslimsummah24

26/07/2026

আল্লাহ আপনাকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন ,ইয়া রাহিমাহুল্লাহ🌸🥺

25/07/2026
08/07/2026

খেলায় ধর্ম টানবেন না!
রাজনীতিতে ধর্ম টানবেন না!
সামাজিক কালচারে ধর্ম টানবেন না!
বিয়ে,গায়ে হলুদে ধর্ম টানবেন না!
ধর্ম টানবেন শুধু কবরে শুয়ানোর সময়?

07/07/2026

একজন মেসি যদি পৃথিবী নাচাতে পারে!
তাহলে মসীহ দা"জ্জালে কি না করবে...???

22/06/2026

পতাকা টাঙ্গাতে গিয়ে নিজ দেশে চলছে যে মৃত্যুর খেলা
নীল-সাদা রঙ, হলুদ কিংবা ভিন দেশি জার্সির মেলা!

18/06/2026

যাত্রাবাড়ী হানিফ ফ্লাইওভার থেকে পতাকা গুলো নামিয়ে ফেলা হয়েছে।

কেন মুরসির পতন ? এক কিংবদন্তীর গল্প!মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি মারা গেছেন। স্থানীয় সময় ১৭, জুন, ২০১৯ সোমবার...
17/06/2026

কেন মুরসির পতন ? এক কিংবদন্তীর গল্প!

মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি মারা গেছেন। স্থানীয় সময় ১৭, জুন, ২০১৯ সোমবার দেশটির একটি আদালতে শুনানি চলাকালে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে তিনি মারা যান।
অনেক তরুণ পাঠক, মুরসি সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তাদের বেশি আগ্রহ- কেন তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পরও ১ বছরের মধ্যে পতন হয়েছিলো জানতে চেয়েছিলেন, এবং কেন তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো ?

আরব বসন্তের মাধ্যমে ২০১১ সালে হোসনি মোবারকের পতনের পর ২০১২ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন মুহাম্মদ মুরসি। কিন্তু এই ১ বছরের মধ্যে পুরো পরিস্থিতি তার বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়া হয়। ২০১৩ সালের ৩ জুলাই দেশটির তৎকালীন সেনাপ্রধান আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে ও বন্দি করে। সেই বন্দি অবস্থায় ৬ বছর পর তার মৃত্যু হলো।

মিশরে আরব বসন্তে কি হয়েছিলো ?

মূলত মিশরে আরব বসন্তের উদ্দেশ্য ছিলো দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা রুশব্লকের শাসক হোসনি মুবারককে সরিয়ে নতুন কাউকে ক্ষমতায় আনা। এক্ষেত্রে কাজ করে ইখওয়ানুল মুসলিমিন বা মুসলিম ব্রাদার হুড এবং তাদের সমর্থন দেয় মার্কিন ডেমোক্র্যাট ব্লক। যেহেতু রুশপন্থী শাসকের বিরুদ্ধে তাই রিপাবলিকান ব্লকের সদস্যরাও তাতে বাধা দেয়নি।

২০১১ তে আরব বসন্তের মাধ্যমে হোসনি মুবারক ক্ষমতা থেকে নেমে যায় এবং ২০১২তে নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম ব্রাদারহুডের মুহাম্মদ মুরসি ক্ষমতায় আসেন। কিন্তু সমস্যা হয়, মুরসি ক্ষমতায় আসার পর রাজনৈতিক সহযোগী মার্কিন ডেমোক্র্যাট ব্লকের ‘ইসরাইল সংক্রান্ত’ পলিসির বিরুদ্ধে কাজ করতে থাকে। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে যায় এবং ডেমো-রিপাবলিক এক হয়ে তাকে ক্ষমতা থেকে নামানোর জন্য উঠে পড়ে লাগে।

ডেমোক্র্যাট ব্লকদের ‘ইসরাইল সংক্রান্ত’ পলিসি কি ?

আসলে ইসরাইল-ফিলিস্তিন নিয়ে তিন ধরনের সমধান প্রার্থীদের দেখা যায়।

সমাধান-১:
টু স্টেট সলুশন- অর্থাৎ ইহুদী সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকা নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র ফিলিস্তিন প্রতিষ্ঠার পক্ষে প্রচারণা চালানো। এটা মূলত ডেমোক্র্যাট ব্লকের পলিসি। বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ শাসক/জনগণ/জাতিসংঘ ডেমোক্র্যাটদের এই পলিসির পক্ষে।

সমাধান ২:
পুরো এলাকা ইসরাইলের হবে। ফিলিস্তিনিদের তাড়িয়ে দেয়া হবে। এটা মূলত রিপাবলিকান ব্লকের পলিসি। যদিও এটা মার্কিন রিপাবলিকান ব্লকের শাসকরা (ট্র্যাম্প) ডাইরেক্ট বলে না, কিন্তু তাদের আচার আচরণে সে বক্তব্য ফুটে উঠে।

সমাধান-৩ :
ইসরাইল যেহেতু মুসলমানদের জমি দখল করে তৈরী করা, তাই পুরো এলাকার মালিক মুসলমানরা। এখানে কথিত স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের নাম দিয়ে বড় এলাকা ইহুদীদের এবং ছোট এলাকা মুসলমানদের দেয়া হচ্ছে। এটা মেনে নেয়া যায় না। মুসলমানদের জমির পুরো মালিকানা মুসলমানদের ফিরিয়ে দিতে হবে। এটা মূলত ইসলামপন্থীদের বক্তব্য ও দাবী।

২০১২ সালে মুরসি ক্ষমতায় আসার পর ইসরাইলিরা অভিযোগ করতে থাকে, মুরসি হচ্ছে হাসানুল বান্নাহ’র হুবুহু অনুসারি। হাসানুল বান্না’ যেমন ছিলেন ইসরাইলের অস্তিত্বের বিরোধী, ঠিক তেমনি মুরসিও হলো ইসরাইলের অস্তিত্বের বিরোধী। তাই তার ক্ষমতায় থাকা মানে ইসরাইলের অস্তিত্ব বিনাশ করা। এমনকি যে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন নিয়ে সে সে ক্ষমতায় এসেছে, সেই ডেমোক্র্যাট ব্লকের টু-স্টেট সলুশনেরও ঘোর বিরোধী হলো মুরসি। তার কাছে টু স্টেট সলুশন হলো একটা ধোকাবাজি ছাড়া কিছু নয়। এর প্রমাণ হিসেবে ২০১০ সালে মুরসির কিছু ভিডিও প্রকাশ করা হয়। যেখানে মুরসির ইহুদী ও ইসরাইল এবং টু-স্টেট সলুশনের বিরুদ্ধে শক্ত বক্তব্য পাওয়া যায়।

ইসরাইলে সিমান্ত ঘেষে বিশাল রাষ্ট্র মিশরের প্রেসিডেন্ট যদি এত কঠিন ইসলামিস্ট ও ইসরাইল রাষ্ট্রের অস্তিত্বের ঘোর বিরোধী হয়, তবে ইসরাইলের ধ্বংস হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। তাই অতি-দ্রুত ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান ব্লক এক হয়ে তার পতন ঘটাতে উঠে লাগে। দৃশ্যত্ব দেখা যায়, ডেমোক্র্যাটপন্থী মিডিয়া মুরসির বিরুদ্ধে কঠিন অপপ্রচার শুরু করে এবং তাদের অনুসারিদের মুরসির বিরুদ্ধে মাঠে নামিয়ে দেয়। অপরদিকে রিপাবলিকান ব্লক মেইনটেইন করা সেনাপ্রধান সিসি অস্ত্রের শক্তিতে মুরসিকে ক্ষমতা থেকে নামিয়ে ক্ষমতা দখল করে । এক্ষেত্রে আরব বিশ্বের ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান ব্লক মেইনটেইন করা বিভিন্ন সদস্যরাও মুরসির বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়, যার কারণে মুরসির পতন তরান্বিত হয়।

মুরসির প্রকাশিত ভিডিওতে ইসরাইল বিরোধী কি বক্তব্য ছিলো ?
আসুন মুরসির বক্তব্য শুনি-

“…………ইসরাইল-ফিলস্তিন সমঝোতা কখন সম্ভব নয়,
এটা সময় ও সুযোগের অপচয়,
ইহুদীবাদীরা সময় অতিবাহিত করে এবং আরো সুযোগ নেয়,
মুসলমানরা সময় ও সুযোগ হারায়, কিন্তু সেখান থেকে কিছুই পায় না।
তাদের স্বপ্ন দেখানো আসলে একটা ধোকা,
এখনও অনেক ফিলিস্তিনি ভাবে তারা তাদের শত্রু থেকে কিছু পাবে
প্যালেস্টাইন স্ব-শাসন কর্তৃপক্ষ (মাহমুদ আব্বাস) আমেরিকা ও ইহুদীবাদীদের তৈরী।
তারা ফিলিস্তিনিদের মূল লক্ষ্য ও স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে।
ইসরাইলি, ইহুদী ও ইহুদীবাদী হলো, যুদ্ধবাজ, বানর ও শুকরের বংশধর ও কি্রিমিনাল।
স্বাধীন প্যালেস্টাইনের জন্য মিলিটারি যুদ্ধ করতে হবে।
এছাড়া তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধ ও অর্থনৈতিক বয়কট করতে হবে।
ইহুদী ও ইহুদীবাদীদের কোন প্রকার সুযোগ দেয়া যাবে না।
ইহুদীদের মুসলমানদের ভূমি থেকে বিতারণ করতে হবে।
ইহুদীবাদীদের প্যালেস্টাইনে কোন ভূমি নেই।
ফিলিস্তিনের ভূমি ফিলিস্তিনিদের, ইহুদীবাদীদের নয়।
দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান (টু স্টেট সলুশন) বা শাস্তি প্রতিষ্ঠা ধোকা ছাড়া কিছু নয়।
ইহুদীরা প্রকৃতগতভাবে শত্রুভাবাপন্ন, ইতিহাসেও তাই দেখা যায়।
ইহুদীবাদীরা জবরদস্তি ছাড়া কোন ভাষা জানে না।
হে মুসলমান ভাইয়েরা, আমরা যেন কখন ভুলে না যাই, আমাদের সন্তান ও নাতিদের ইহুদী, ইহুদীবাদী ও তাদের সমর্থনকারীদের ঘৃণা করতে। তাদের অবশ্যই শিক্ষা দিতে হবে ওদের ঘৃণা করার জন্য। এবং এই শিক্ষা (বংশ পরম্পরা) চালাতে হবে……….. “।-নয়ন চেটার্জি-৫

শহীদ প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মুরসির শিক্ষা জীবনঃ
ইসলামী আন্দোলনের এক কিংবদন্তীর গল্প

মোহাম্মাদ মুরসির পিতা ছিলেন কৃষক। আম্মা ছিলেন সাধারণ গৃহিনী। দুই বোন তার, তিন ভাই। তিনি প্রাথমিক, সেকেন্ডারি নিজ এলাকায় পড়েছেন। পরে কায়রো বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং এ প্রথম শ্রেনীতে প্রথম হয়ে ব্যাচেলর ডিগ্রী নেন। এর পর ১৯৭৫-৭৬ এ তিনি মিশর সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। ১৯৭৮ সনে একই বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইঞ্জিনিয়ারিং এ মাস্টার্স নেন। ছাত্র জীবনে তিনি এতই মেধাবী ও সম্ভাবনাময় ছিলেন যে পি এইচ ডির জন্য তিনি সাউথ ক্যালিফোর্ণিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে সেবারের সেরা স্কলারশিপ নিয়ে ভর্তি হন। এবং অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে তিনি ১৯৮২ সালে ডক্টরেট ডিগ্রী লাভ করেন।

তিনি কায়রো ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা দিয়েই তার অধ্যাপনা জীবন শুরু করেন, পরে সাউথ ক্যালিফোর্ণিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন এবং ১৯৮২ থেকে ১৯৯৮৫ সাল পর্যন্ত আমেরিকার একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধাপনা করেছেন, এমনকি নাসার মত প্রতিষ্ঠানেও তিনি খুব সুনামের সাথে স্পেস শ্যাটল ইঞ্জিন উন্নয়নে অনেক বড় ভূমিকা রেখেছেন। এরপর নিজ প্রদেশের যাক্বাযিক্ব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর হিসেবে যোগদেন এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেছেন। তিনি পৃথিবীর অনেক গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন, তার শত শত আর্টিকেল সারা দুনিয়ার নামকরা বিজ্ঞান জার্ণালে প্রকাশিত হয়েছে।

মুরসি ছিলেন একজন কুরআনের হাফেজ। তিনি যেখানেই যেতেন নিজে নামাজের ইমামতি করতেন। গত রমজান মাসে তিনি নিজে তারাবিহ পড়িয়েছিলেন।

২০১৬ সালের জুন মাসে মিথ্যা তথ্য পাচারের মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে নিম্ন আদালত। আদালত দেশের গুরুত্বপূর্ণ নথি পাচারের অভিযোগে মুরসিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন। সবশেষ সোমবার মাত্র ৬৭ বছর বয়সে আদালতেই প্রাণ হারান মুরসি।

শহীদ মোহাম্মাদ মুরসি-(নয়ন চেটার্জি-৫ + বাঁশের কেল্লা)
[২০ আগস্ট ১৯৫১ - ১৭ জুন ২০১৯]




15/06/2026

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে ব্যয় হয়েছিল ২২০ বিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির নির্বাহী পরিচালক ডেভিড বিসলি বলেছেন, মাত্র ৪০ বিলিয়ন ডলার হলেই প্রতি বছর পৃথিবীর ৮২ কোটি ৮০ লাখ ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্যচাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

একদিকে কোটি কোটি ক্ষুধার্ত মানুষ, অন্যদিকে অনর্থক এক খেলার পেছনে চলছে গোটা পৃথিবীর সম্মিলিত উন্মাদনা।

এই উন্মাদনা প্রমাণ করে, মনুষ্যত্বের মর্যাদা আমরা অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছি। পৃথিবী জুড়ে এখন কেবলই মনুষ্যত্ব-বিবর্জিত ‘খোলস-মানুষের’ বসবাস।
- Ahmadullah Hafi:

12/06/2026

একাকিত্বই নিয়ামত।

Address

Dhaka
23739

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muslim Ummah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Muslim Ummah:

Shortcuts

Share