Maqtab e Thaqalayn

Maqtab e Thaqalayn Maqtab e Thaqalayn is a school guided by the Quran and the Hadith of Aale Muhammad (s.a.w.w).

26/09/2026

� ফাদাকের ঘটনা ও খেলাফত-সংক্রান্ত বিতর্ক | পর্ব–২

� বিশেষ লাইভ আলোচনা

ফাদাকের ঘটনা এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পর খেলাফত ও নেতৃত্বের অধিকার—ইসলামের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত দুটি বিষয়।

এই পর্বের আলোচনায় কুরআন, হাদিস ও প্রামাণ্য ঐতিহাসিক বর্ণনার আলোকে আমরা পর্যালোচনা করব—

� নবীরা কি ওয়ারিশ রেখে যান?
� ফাদাকের ঘটনায় হযরত ফাতিমা (আ.)-এর দাবির ভিত্তি কী ছিল?
� “নবীরা উত্তরাধিকার রেখে যান না”—এই বক্তব্যের দলিল ও ব্যাখ্যা কী?
� হযরত আলী (আ.)-এর খেলাফতের অধিকার সম্পর্কে কী কী দলিল উপস্থাপন করা হয়?
� গাদীর খুম ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনার তাৎপর্য কী?
� রাসূল ﷺ-এর পর নেতৃত্বের বিষয়ে কুরআন ও হাদিসের দলিলগুলো কী নির্দেশ করে?

� এই লাইভের উদ্দেশ্য হলো—আবেগ বা পক্ষপাত নয়; বরং কুরআন, হাদিস ও প্রামাণ্য সূত্র সামনে রেখে বিষয়গুলো দলিলভিত্তিকভাবে আলোচনা ও বিশ্লেষণ করা।

� দলিল দেখুন, বক্তব্য শুনুন, তারপর নিজেই সিদ্ধান্ত নিন।

� লাইভে যুক্ত থাকুন এবং আপনার প্রশ্ন ও মতামত কমেন্টে জানান।

#ফাদাক #ফাদাকেরঘটনা #খেলাফত #খেলাফতেরবিতর্ক #আলীআঃ #হযরতআলী #ফাতিমাআঃ #গাদীরখুম #নবীদেরওয়ারিশ #উত্তরাধিকার #কুরআন #হাদিস #ইসলামেরইতিহাস #ইসলামিকআলোচনা #দলিলভিত্তিকআলোচনা #সত্যেরঅনুসন্ধান #লাইভআলোচনা #পর্ব২

� New to streaming or looking to level up? Check out StreamYard and get $10 discount! �

� New to streaming or looking to level up? Check out StreamYard and get $10 discount! �

ফাতেমি খেলাফতের আমলের ইতিহাস এবং ১২ ইমামী শিয়াদের অবস্থান।একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনাঅনেকেই ফাতেমি খেলাফতের (উত্তর আফ্রিকা ...
26/09/2026

ফাতেমি খেলাফতের আমলের ইতিহাস এবং ১২ ইমামী শিয়াদের অবস্থান।

একটি ঐতিহাসিক পর্যালোচনা

অনেকেই ফাতেমি খেলাফতের (উত্তর আফ্রিকা ও মিশরে তাদের শাসনকাল) ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে সুন্নি মুসলমানদের ওপর হওয়া বিভিন্ন দমনপীড়নের কথা তুলে ধরেন। ফাতেমি আমলে রাজনৈতিক আধিপত্যের দ্বন্দ্বে সুন্নি আলেম ও সাধারণ মানুষের ওপর যে চাপ বা নিপীড়ন এসেছিল, তা ইতিহাস ও ইসমাইলি দলিলপত্রেই স্বীকৃত সত্য। কিন্তু এই পুরো ইতিহাসের সাথে ১২ ইমামী (ইশনা আশারিয়া) শিয়াদের কোনো সম্পর্ক বা দায় নেই—এটি পরিষ্কার করা জরুরি।

চলুন, শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরো বিষয়টি একটু খোলাসা করে দেখি

১) ফাতেমি খেলাফত আসলে কাদের ছিল?
ফাতেমি রাজবংশ কোনো ১২ ইমামী শিয়াদের প্রতিষ্ঠিত রাজ্য ছিল না। এটি ছিল শিয়াদের মূলধারা হতে বিচ্ছিন্ন বাতিল আরেকটি ভিন্ন শাখা—ইসমাইলি শিয়া মতাদর্শের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তি। ৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর আফ্রিকায় উবায়দুল্লাহ আল-মাহদি এটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং পরবর্তীতে মিশরে তাদের মূল কেন্দ্র গড়ে তোলেন।

২) ফাতেমিরা ক্ষমতা গ্রহণের পর উত্তর আফ্রিকার সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে নিজেদের ইসমাইলি মতাদর্শ চাপানোর চেষ্টা করে। এর ফলে সুন্নি ও খারিজী জনগোষ্ঠীর সাথে তাদের রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় (যার মধ্যে বিখ্যাত (আবু ইয়াযিদের খারিজী বিদ্রোহ)। ফাতেমিরা এই বিদ্রোহগুলো অত্যন্ত কঠোর হাতে দমন করেছিল।

মিশরে ফাতেমি খলিফা আল-হাকিম বি-আম্রিল্লাহর শাসনামলে সুন্নিদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের ওপর কড়াকড়ি এবং কিছু আপত্তিকর প্রথা চালুর কারণে সুন্নি আলেম ও সাধারণ মানুষ চরম সংকটে পড়েছিল।

পরবর্তীতে ১১৭১ খ্রিষ্টাব্দে সালাহউদ্দিন আইয়ুবি (ফাতেমি শাসন) এর অবসান ঘটিয়ে মিশরে পুনরায় সুন্নি খেলাফত ও শিক্ষা ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ঘটান।

৩) এ ক্ষেত্রে ১২ ইমামী শিয়াদের অবস্থান কী ছিল?

খুব পরিষ্কারভাবে ঐতিহাসিক সত্য হলো—ফাতেমিদের এই রাজনৈতিক উত্থান, সাম্রাজ্য বিস্তার, কিংবা সুন্নিদের ওপর দমনপীড়নের সাথে ১২ ইমামী শিয়াদের দূরদূরান্তের কোনো সম্পর্ক ছিল না।

১২ ইমামী শিয়ারা (যাদের মূল ধারাটি তৎকালীন সময়ে ইরাক, ইরান ও পারস্য অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল) রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল বা কোনো সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে বিশ্বাসী ছিল না। তাদের ইমামগণ এবং অনুসারীরা বরং রাজনৈতিক কোন্দল এড়িয়ে শান্তিদায়ক ও আধ্যাত্মিক জীবনযাপনকে প্রাধান্য দিতেন।

হাদিস ও ইতিহাসের প্রমাণ 👉 ১২ ইমামী শিয়াদের প্রধান ও প্রামাণিক কোনো হাদিস বা ঐতিহাসিক কিতাবে (যেমন:- আল-কাফি বা বিহারুল আনওয়ার) ফাতেমিদের এই সাম্রাজ্যবাদী নীতি বা সুন্নিদের ওপর দমনপীড়নের কোনো সমর্থন তো দূরের কথা, এগুলো তাদের মৌলিক আলোচনার বিষয়বস্তুই নয়।

এই ইতিহাসগুলো মূলত ইসমাইলি নিজস্ব গ্রন্থ অথবা সুন্নি ঐতিহাসিকদের (যেমন—ইবন খালদুন বা ইবন কাসির) কিতাবে পাওয়া যায়।

ইতিহাসের কোনো একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠীর (যেমন ইসমাইলি ফাতেমিদের) রাজনৈতিক দমনপীড়নকে পুরো শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কিংবা এর জন্য ১২ ইমামী শিয়াদের দায়ী করা ঐতিহাসিক ইনসাফের পরিপন্থী।

ইসলামে মুসলমান ভাইয়ে ভাইয়ে সুসম্পর্ক, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং ইতিহাসকে তার সঠিক প্রেক্ষিত থেকে মূল্যায়ন করাটাই প্রকৃত জ্ঞানীর কাজ।

🔹প্রচারেঃ মক্তবে সাকালাইন
✍🏻 Sheikh Jahid Ali

25/09/2026

🟢 উমর ইবনে খাত্তাবের ‘উমর ফারুক’ হয়ে ওঠার গল্প | ইতিহাসের আলোকে বিশ্লেষণ

উমর ইবনে খাত্তাব (রঃ)—ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ একটি নাম। কীভাবে তিনি ইসলামের বিরোধিতার সময় থেকে ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বে পরিণত হলেন? কখন এবং কীভাবে তিনি ‘ফারুক’ নামে পরিচিত হলেন? তাঁর ইসলাম গ্রহণের ঘটনাকে ঘিরে প্রচলিত বর্ণনাগুলোর ঐতিহাসিক ভিত্তি কতটুকু?

এই লাইভ আলোচনায় আমরা কুরআন, প্রাচীন ইসলামী ইতিহাস, হাদিস ও বিভিন্ন ঐতিহাসিক বর্ণনার আলোকে বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব।

🔎 আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
• উমর ইবনে খাত্তাবের ইসলাম-পূর্ব অবস্থান
• তাঁর ইসলাম গ্রহণের প্রচলিত কাহিনি
• ইসলাম গ্রহণের আগে ও পরের ঘটনাপ্রবাহ
• ‘ফারুক’ উপাধির অর্থ ও এর প্রচলনের ইতিহাস
• প্রাথমিক ইসলামী উৎসগুলোতে উমরের ভূমিকা
• প্রচলিত বর্ণনা বনাম ঐতিহাসিক দলিল
• কুরআন, হাদিস ও ইতিহাসের আলোকে ঘটনাগুলোর পর্যালোচনা

📚 আমাদের উদ্দেশ্য:
কোনো ব্যক্তি বা মতকে অন্ধভাবে সমর্থন কিংবা বিরোধিতা নয়; বরং প্রাচীন উৎস, ঐতিহাসিক বর্ণনা ও যুক্তির আলোকে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করা।

আপনার মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন।
ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট, শেয়ার ও চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

🔴 আলোকবাহী মিডিয়া — ছড়ায় সত্যের আলো

#উমরইবনেখাত্তাব #উমরফারুক #ইসলামেরইতিহাস #ইসলামগ্রহণ #ইসলামিকইতিহাস #কুরআনওইতিহাস #আলোকবাহীমিডিয়া

25/09/2026

মোল্লা পরিবর্তন হইছে

24/09/2026

� লাইভ আলোচনা | স্রষ্টার ধারণা: হিন্দু ধর্ম বনাম ইসলাম ধর্ম

স্রষ্টা কে?
স্রষ্টার প্রকৃতি ও পরিচয় কী?
স্রষ্টা কি এক, নাকি তাঁর একাধিক রূপ বা প্রকাশ রয়েছে?
স্রষ্টা ও সৃষ্টি—এই দুইয়ের সম্পর্ক কী?

এই গুরুত্বপূর্ণ ও চিন্তাশীল বিষয়গুলো নিয়ে আজকের লাইভ আলোচনায় আমরা হিন্দু ধর্মীয় দর্শন ও ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে স্রষ্টার ধারণা নিয়ে আলোচনা করব।

� আলোচনায় গুরুত্ব পাবে—
� স্রষ্টা সম্পর্কে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ও দর্শনের বিভিন্ন ধারণা
� ইসলামে একত্ববাদ বা তাওহীদের ধারণা
� স্রষ্টার গুণাবলি ও সৃষ্টির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক
� স্রষ্টা কি সাকার, নিরাকার, নাকি উভয় ধারণার বাইরে?
� ধর্মগ্রন্থ, যুক্তি ও দর্শনের আলোকে স্রষ্টার ধারণা
� বিভিন্ন ধর্মীয় ধারণার মধ্যে মিল ও পার্থক্য

� আলোচনা হবে ধর্মীয় গ্রন্থ, ইতিহাস, যুক্তি ও দর্শনের আলোকে।
উদ্দেশ্য হলো বিভিন্ন ধর্মের বিশ্বাসকে বোঝা এবং প্রশ্নগুলোকে জ্ঞান ও যুক্তির মাধ্যমে পর্যালোচনা করা।

� আলোকবাহী মিডিয়া — ছড়ায় সত্যের আলো

আপনার মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন।
ভিডিওটি ভালো লাগলে Like, Comment, Share ও Subscribe করতে ভুলবেন না।

#স্রষ্টার_ধারণা
#হিন্দু_ধর্ম
#ইসলাম_ধর্ম
#তাওহীদ
#স্রষ্টা
#ধর্মীয়_আলোচনা
#ধর্ম_ও_দর্শন
#কুরআন
#হিন্দু_ধর্ম_বনাম_ইসলাম

#আলোকবাহী_মিডিয়া

� New to streaming or looking to level up? Check out StreamYard and get $10 discount! �

21/09/2026

� লাইভ আলোচনা | ফাদাকের ঘটনা ও খেলাফত-সংক্রান্ত বিতর্ক

� আলোকবাহী মিডিয়া | YouTube Live

ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও আলোচিত অধ্যায়—ফাদাকের ঘটনা এবং খেলাফত-সংক্রান্ত বিতর্ক।

এই লাইভ আলোচনায় প্রাথমিক ইসলামী ইতিহাসের বিভিন্ন বর্ণনা, ঐতিহাসিক সূত্র ও সংশ্লিষ্ট ঘটনাপ্রবাহের আলোকে বিষয়গুলো জানার ও বোঝার চেষ্টা করা হবে।

� আলোচনায় থাকছে—

• ফাদাক কী এবং এর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট
• রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর ওফাতের পর ফাদাককে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্ক
• হযরত ফাতিমা (রা.)-এর দাবি ও সংশ্লিষ্ট বর্ণনাসমূহ
• খেলাফত প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক সময়ের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাপ্রবাহ
• বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে ঘটনাগুলোর উপস্থাপন
• সুন্নি ও শিয়া ঐতিহাসিক বর্ণনার উল্লেখযোগ্য পার্থক্য
• ফাদাক ও খেলাফত-সংক্রান্ত বিতর্কে প্রচলিত বিভিন্ন মতের পর্যালোচনা

� আমাদের উদ্দেশ্য কোনো ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে হেয় করা কিংবা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা নয়। বরং ���িভিন্ন সূত্র, বর্ণনা ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের আলোকে এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি বোঝার চেষ্টা করা।

� আপনার মতামত ও ভিন্নমতকে সম্মান করা হবে। তাই কমেন্টে মতামত প্রকাশের সময় পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শালীনতা ও সংযম বজায় রাখুন।

� লাইভে যুক্ত থাকুন | প্রশ্ন করুন | মতামত জানান | আলোচনা শেয়ার করুন

� আলোকবাহী মিডিয়া-কে সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সঙ্গে থাকুন।

#ফাদাক #খেলাফত #ইসলামেরইতিহাস #হযরতফাতিমা #ফাদাকেরঘটনা #আলোকবাহীমিডিয়া

� New to streaming or looking to level up? Check out StreamYard and get $10 discount! �

19/09/2026

🔴 তাকফিরের কাঠগড়ায় আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত — পর্ব-২

📖 কুরআন, হাদিস, ইতিহাস ও যুক্তির আলোকে একটি বিশ্লেষণধর্মী আলোচনা।

‘তাকফির’—অর্থাৎ কাউকে কাফির বলে ঘোষণা করার বিষয়টি ইসলামী আকীদা ও ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। কোন পরিস্থিতিতে একজন মুসলিমকে কাফির বলা হয়েছে, কারা কাদের বিরুদ্ধে তাকফিরের অভিযোগ এনেছে এবং এসব দাবির পেছনে কী ধরনের দলিল উপস্থাপন করা হয়েছে—এসব বিষয় নিয়েই আজকের ধারাবাহিক আলোচনা।

এই পর্বে আমরা বিভিন্ন ঐতিহাসিক ঘটনা, বর্ণনা ও ধর্মীয় দাবিকে কুরআনের মূলনীতি, হাদিসের বর্ণনা এবং ঐতিহাসিক তথ্যের আলোকে পর্যালোচনা করার চেষ্টা করব।

❓ তাকফিরের মানদণ্ড কী?
❓ কারও ঈমান বা কুফরের বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার অধিকার ও শর্ত কী?
❓ ইতিহাসে সাহাবি ও বিভিন্ন মুসলিম গোষ্ঠীর মধ্যে তাকফিরের অভিযোগ কীভাবে এসেছে?
❓ প্রচলিত কিছু আকীদাগত দাবির সঙ্গে কুরআন ও নির্ভরযোগ্য বর্ণনার সম্পর্ক কী?

🎙️ আলোচনার লক্ষ্য: কোনো ব্যক্তি বা সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি নয়; বরং দলিল, ইতিহাস ও যুক্তির ভিত্তিতে বিষয়গুলো যাচাই করা।

📌 আলোকবাহী মিডিয়া — ছড়ায় সত্যের আলো

ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন এবং এমন তথ্যভিত্তিক আলোচনা পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

#তাকফিরের_কাঠগড়ায়_আহলে_সুন্নাহ
#আহলে_সুন্নাহ_ওয়াল_জামায়াত
#তাকফির
#কুরআন
#হাদিস
#ইসলামের_ইতিহাস
#কুরআন_ও_ইতিহাস
#কুরআন_ও_যুক্তি
#ইসলামিক_আলোচনা
#আলোকবাহী_মিডিয়া

ইতিহাসের পাতায় ঘটে যাওয়া অত্যন্ত মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক একটি অধ্যায় হলো কারমাতিদের দ্বারা পবিত্র মক্কা শরিফ আক্রমণ এবং...
19/09/2026

ইতিহাসের পাতায় ঘটে যাওয়া অত্যন্ত মর্মান্তিক ও লোমহর্ষক একটি অধ্যায় হলো কারমাতিদের দ্বারা পবিত্র মক্কা শরিফ আক্রমণ এবং হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) চুরি করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা।

উক্ত ঘটনা কে কেন্দ্র করে অনেকেই শিয়াদের অপবাদ দিয়ে থাকে যে এই ঘটনার পিছনে শিয়াদের হাত রয়েছে।

প্রথমত যারা এই অপবাদ দিয়ে থাকে তাদের গবেষনা করা উচিত শিয়াদের কিছু (উপদল) রয়েছে। 👇

১. ইথনা আশারিয়া বা ১২ ইমামি শিয়া 👇

এটি শিয়া সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এবং প্রধান ধারা।
এরা রাসূল সা: এর হাদীস অনুযায়ী ১২ জন ইমাম এর অনুসারী/শিয়া যাদের নাম সহ রাসূল (সা.) বলে গিয়েছেন।

ইমাম আলী (রা.) থেকে শুরু করে মোট ১২ জন ইমামের নেতৃত্ব ধারায় বিশ্বাস করে।

২. ইসমাইলি শিয়া 👇

ষষ্ঠ ইমাম জাফর আস-সাদিক (আঃ) এর ইন্তেকালের পর তাঁর বড় ছেলে (ইসমাইল) এর অনুসারী/শিয়া এই দল গঠন করে।

ঐতিহাসিক (ফাতিমীয় খেলাফত) এই উপদলের হাত ধরেই গড়ে উঠেছিল। বর্তমান যুগের বিশ্বখ্যাত এদের নেতা (আগা খান) এই ধারার অনুসারীদের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।

(অর্থাৎ এরা রাসূল (সা.) যে ১২ জন ইমাম আঃ দের অনুসরণ করার কথা বলে গিয়েছেন তাঁদের অনুসরণ থেকে বিচ্ছিন্ন।)

৩. জায়েদি শিয়া 👇

চতুর্থ ইমাম জয়নুল আবেদীন (আঃ) এর পুত্র (জায়েদ) এর অনুসারী/শিয়া নিয়ে এই দল গঠিত হয়েছে।

(অর্থাৎ এরা রাসূল (সা.) যে ১২ জন ইমাম আঃ দের অনুসরণ করার কথা বলে গিয়েছেন তাঁদের অনুসরণ থেকে বিচ্ছিন্ন।)

নোট:- ইমাম বানানোর একমাত্র অধিকার (আল্লাহ্) এর অন্য কারোর নয় যেমন টি ইসমাইলি এবং জায়েদি শিয়ারা করেছে তারা অন্যদের কে নিজের মন মত ইমাম বানিয়ে নিয়েছে। আল্লাহর সে ১২ জন মনোনীত ইমাম আঃ দের কে বাদ দিয়ে। তাই উক্ত দল ২ টি প্রকৃত শিয়া অর্থাৎ ১২ ইমামী শিয়াদের দৃষ্টিকোন থেকে (বাতিল) তাদের কোনো কর্ম কান্ড প্রকৃত শিয়াদের উপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।

চলেন এখন দেখে নেওয়া যাক হাজরে আসওয়াদ (কালো পাথর) চুরি করার পিছনে কাদের হাত ছিল। ⚡

ইতিহাসে শিয়াদের মূলধারার বাইরে যেসব উগ্র ও চরমপন্থী দল আত্মপ্রকাশ করেছিল, তাদের মধ্যে সবচেয়ে কুখ্যাত দলটি হলো (কারমাতি)।

কারমাতিরা মূলধারার কোনো শিয়া দল ছিল না। বরং তারা মূলত (ইসমাইলি শিয়াদের) একটি শাখা থেকে বের হয়ে পরবর্তীতে ইসলামি শরিয়তের গণ্ডি থেকে সম্পূর্ণ খারিজ হয়ে যাওয়া একটি স্বতন্ত্র ও চরমপন্থী বিদ্রোহী গোষ্ঠী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

১) চুরির পিছনে মূল কারণ কী ছিল?

তাদের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইসলামী শরিয়াহ ও প্রচলিত হজের বিধানের অবসান ঘটানো। তারা চেয়েছিল মানুষ যেন মক্কার কাবা শরিফের পরিবর্তে তাদের নিজেদের নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল বাহরাইনের (তৎকালীন আল-হাসসা অঞ্চল) দিকে আকৃষ্ট হয় এবং সেখানে হাজরে আসওয়াদ স্থাপন করে নতুন তীর্থকেন্দ্র বা কেবলা বানাতে পারে। তাদের নেতা আবু তাহির বিশ্বাস করত যে, দুনিয়ায় নতুন যুগের সূচনা হয়েছে এবং সে পুরাতন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ভেঙে দিতে চায়।

এই ঘটনার মূল হোতা ও পরিকল্পনাকারী ছিল পূর্ব আরবের বাহরাইন ও লসা অঞ্চলে গড়ে ওঠা স্বাধীন ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতা আবু তাহির আল-কারামাতি। সে তার ভাই আবু সাঈদ হাসান ইবনে বাহরামের মৃত্যুর পর কারমাতি রাজ্যের ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল।

তাদের এই বাহিনীতে কট্টর মতাদর্শে বিশ্বাসী কারমাতি মিলিশিয়া ও ভাড়াটে সৈন্যরা অংশ নিয়েছিল, যারা আব্বাসীয় খিলাফতের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে আসছিল।

২) কিভাবে চুরি হয়েছে?

৯৩০ খ্রিস্টাব্দ (৩১৭ হিজরি) সালের জিলহজ মাস তথা হজের মৌসুম চলছিল। কারমাতিরা এর আগেও বিভিন্ন হাজি কাফেলায় হামলা চালিয়ে লুটতরাজ করেছিল।

৩১৭ হিজরির ৮ জিলহজ (অন্য মতে ১০ জিলহজ বা হজের ঠিক প্রাক্কালে) আবু তাহির তার বিশাল সৈন্যবাহিনী নিয়ে মক্কা নগরীতে অতর্কিত আক্রমণ চালায়। প্রথমে মক্কার গভর্নর বা স্থানীয়রা তাদের বাধা দিলে তারা শান্তিচুক্তির মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে এবং আমরা নিরাপদে ইবাদত করতে এসেছি এই কথা বলে শহরে প্রবেশ করে।

শহরে প্রবেশ করার সাথেই তারা বিশ্বাসঘাতকতা করে নির্বিচারে সাধারণ মানুষ ও হাজিদের হত্যা শুরু করে।

ঐতিহাসিকদের মতে, সেবার মসজিদুল হারাম ও মক্কার অলিগলিতে প্রায় ৩০,০০০ হাজিকে হত্যা করা হয়। অনেক হাজির লাশ জমজম কূপে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। এরপর আবু তাহির নিজ হাতে হাতুড়ি বা শাবল দিয়ে আঘাত করে পবিত্র হাজরে আসওয়াদ কাবাঘরের দেওয়াল থেকে খুলে ফেলে এবং উটের পিঠে চাপিয়ে বাহরাইনে নিজের রাজ্যে নিয়ে যায়।

৩) পাথর টি বর্তমানে কোথায় আছে?

হাজরে আসওয়াদ দীর্ঘ ২৩ বছর কারমাতিদের দখলে বাহরাইনে বন্দি ছিল।

আব্বাসীয় খলিফারা এবং ফাতিমীয় খলিফারা বারবার অনুরোধ ও চাপ সৃষ্টি করলেও এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বা সোনা দেওয়ার প্রস্তাব দিলেও কারমাতিরা দীর্ঘদিন তা ফেরত দেয়নি।

পরবর্তীতে রাজনৈতিক চাপ, সামরিক হুমকি এবং বিশাল অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে (অথবা ফাতেমি খলিফা মনসুরের কড়া চিঠির চাপে বাধ্য হয়ে) তারা পাথরটি ফেরত দিতে রাজি হয়।

ঐতিহাসিক আল-জুওয়াইনি ও অন্যান্য সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, হিজরি ৩৩৯ সনে (মতান্তরে ৩৩২ বা ৯৫২ খ্রিষ্টাব্দে) পাথরটি একটি বস্তায় মুড়িয়ে অত্যন্ত রহস্যজনক ও নাটকীয়ভাবে ইরাকের কুফার জামে মসজিদে ফিরিয়ে এনে রাখা হয়। এর সাথে একটি নোটে লেখা ছিল (আদেশক্রমে আমরা এটি নিয়েছিলাম এবং আদেশ দ্বারাই আমরা এটি ফিরিয়ে দিলাম।)

চুরি করার পর যখন আবার পাথরটি ফিরিয়ে আনা হয়, ততদিনে এটি আঘাতের কারণে ভেঙে কয়েকটি টুকরো হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তীতে বিশেষজ্ঞ কারিগররা সেগুলোকে বিশেষ কেমিক্যালের সাহায্যে জোড়া লাগিয়ে রুপার ফ্রেমে আবদ্ধ করে দেন। বর্তমানে পবিত্র কাবা শরিফের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে রূপার ফ্রেমে বাঁধানো অবস্থায় এই পাথরটি পূর্বের মতোই সংরক্ষিত রয়েছে।

৪) চুরি করার কারণে ভয়াবহ শাস্তি কি ছিল?

মূল হোতা আবু তাহির আল-কারামাতি তার জীবনের শেষ পর্যায়ে অত্যন্ত লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক পরিণতির শিকার হয়। ইতিহাসবিদদের বর্ণনা অনুযায়ী, সে পচনশীল বা গায়ে পোকা ধরার মতো কোনো এক ভয়ঙ্কর ও সংক্রামক রোগে (যেমন বসন্ত বা কুষ্ঠ সদৃশ বা উকুনে আক্রান্ত হয়ে পচে মারা যাওয়া) ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুবরণ করে।

পরবর্তী সময়ে কারমাতি রাষ্ট্র অভ্যন্তরীণ কোন্দল, আব্বাসীয় ও অন্যান্য স্থানীয় শক্তির লাগাতার সামরিক অভিযানের মুখে ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ে। একাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তাদের শক্তি সম্পূর্ণভাবে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং তাদের ভূখণ্ডগুলো অন্যান্য মুসলিম শক্তির অধিকারে চলে আসে।

🔹প্রচারেঃ মক্তবে সাকালাইন
✍🏻 Sheikh Jahid Ali

⚠️ নারীর গায়রাত বা ঈর্ষা কি আসলেই কুফরি? জেনে নিন ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা!ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিভিন্ন গ্রন্থে...
17/09/2026

⚠️ নারীর গায়রাত বা ঈর্ষা কি আসলেই কুফরি? জেনে নিন ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা!

ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিভিন্ন গ্রন্থে হযরত আলী (আ.)-এর একটি বিখ্যাত বাণী— "নারীর গায়রাত কুফর এবং পুরুষের গায়রাত ঈমান"—নিয়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর ও মনগড়া ব্যাখ্যা ছড়ানো হচ্ছে। অনেক সময় সাধারণ পাঠকদের মনে এর ফলে ভুল ধারণার জন্ম নেয়।

তাহলে কি একজন নারীর স্বাভাবিক প্রবৃত্তিগত অভিমান বা ভালোবাসা আল্লাহর বিধানের প্রতি বিদ্রোহ? নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো গভীর তাৎপর্য? 🤔

হযরত আলী (আ.) ও মাসুম ইমামগণের (আ.) পবিত্র বাণী এবং নির্ভরযোগ্য হাদিসগ্রন্থের (নাহজুল বালাগাহ ও আল-কাফি) আলোকে এই হাদিসের প্রকৃত ও বস্তুনিষ্ঠ ব্যাখ্যা নিয়ে প্রকাশিত হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ইবুক—
📘 "নারীর গায়রাত কুফর এবং পুরুষের গায়রাত ঈমান"

✍️ লেখক: এইচ.এইচ.এস আসিফ আলী ইমামী
🏢 প্রকাশক: মাকতাবাতুস সাকালাইন

আপনার মন থেকে সকল বিভ্রান্তি দূর করতে এবং আহলে বাইতের বিশুদ্ধ মারফাত জানতে আজই বইটি সম্পূর্ণ ফ্রিতে পড়ে নিন।

📥 ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন নিচের লিঙ্কে:

🔗 https://www.maqtabethaqalayn.com/book/narir-gayrat-kufr-ebong-purer-gayrat-iman-ebook

17/09/2026

উমরের বিদআত: একসাথে তিন তালাক ❓ | আলোকবাহী মিডিয়া

ছড়ায় সত্যের আলো

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

আলোকবাহী মিডিয়ার ধারাবাহিক জ্ঞানভিত্তিক লাইভ অনুষ্ঠানে আপনাদের সবাইকে স্বাগত।

আজকের আলোচনার বিষয়:

“উমরের বিদআত: একসাথে তিন তালাক”

ইসলামে তালাক একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল বিষয়। পবিত্র কুরআনে তালাকের বিধান, পদ্ধতি ও সীমারেখা সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। কিন্তু ইতিহাসের এক পর্যায়ে একসাথে তিন তালাক উচ্চারণের বিধান ও এর প্রয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের সৃষ্টি হয়।

এই লাইভে আমরা কুরআন, হাদিস ও ইতিহাসের আলোকে অনুসন্ধান করব—

🔹 কুরআনে তালাকের বিধান কী?

🔹 রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে একসাথে তিন তালাকের প্রচলন ও প্রয়োগ কেমন ছিল?

🔹 হযরত আবু বকর (রঃ)-এর সময়ে এবং হযরত উমর (রঃ)-এর খেলাফতের সময়ে এ বিষয়ে কী পরিবর্তন ঘটেছিল?

🔹 সহিহ হাদিসে একসাথে তিন তালাক সম্পর্কে কী বর্ণনা পাওয়া যায়?

🔹 হযরত উমর (রঃ) কেন একসাথে তিন তালাককে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—ঐতিহাসিক বর্ণনাগুলো কী বলে?

🔹 কুরআনের তালাকের পদ্ধতি ও পরবর্তী ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের মধ্যে কী ধরনের বিতর্ক রয়েছে?

🔹 একসাথে তিন তালাক—এক তালাক, নাকি তিন তালাক? বিভিন্ন মতের দলিল কী?

এই আলোচনায় আমরা আবেগ নয়, বরং কুরআন, নির্ভরযোগ্য হাদিস, প্রাচীন ঐতিহাসিক সূত্র ও যুক্তির আলোকে বিষয়টি পর্যালোচনা করার চেষ্টা করব।

📌 আলোচনার উদ্দেশ্য: ইসলামের ইতিহাস ও তালাকসংক্রান্ত বিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জন, প্রচলিত মতামত যাচাই এবং দলিলভিত্তিক চিন্তার প্রসার।

আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন। আলোচনাটি ভালো লাগলে লাইক, শেয়ার ও সাবস্ক্রাইব করে আলোকবাহী মিডিয়ার সঙ্গে থাকুন।

আলোকবাহী মিডিয়া — ছড়ায় সত্যের আলো।

⚠️ বিঃদ্রঃ এই লাইভটি গবেষণা ও জ্ঞানভিত্তিক আলোচনা। ব্যক্তিগত তালাক বা পারিবারিক বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে যোগ্য আলেম ও আইনজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করুন।

#আলোকবাহী_মিডিয়া #উমরের_বিদআত #একসাথে_তিন_তালাক #তিন_তালাক #তালাক #কুরআনের_আলোকে #হাদিসের_আলোকে #ইসলামের_ইতিহাস #কুরআন_ও_যুক্তি #ইসলামিক_আলোচনা #দলিলভিত্তিক_আলোচনা #হাদিস_গবেষণা #ইসলামিক_লাইভ #ছড়ায়_সত্যের_আলো

Address

Block-D, Pallabi Mirpur 12
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maqtab e Thaqalayn posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Maqtab e Thaqalayn:

Shortcuts

Share

l="false"> Add listing
  • Login
  • Subscribe

    We will notify you when anything happens in Dhaka.