21/08/2026
আজ ২১ শে আগষ্ট ভয়াবহ, কষ্টের, লজ্জার, দু:খ জনক তো বটেই সাথে স্পেশাললি এই ২১ শে আগষ্ট ইন্টারেষ্টিং। প্রশ্ন হচ্ছে আওয়ামী সমর্থক হলে উপরের সব গুলোই তো বুঝলেন, কিন্তু ইন্টারেষ্টিং কেন এটা বুঝলেন না, এই তো?
অকে আসেন বুঝিয়ে দিচ্ছি, ২১ শে আগষ্টের খুনি অপরাধী আদালতের রায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামী তারেকের অটো টেম্পু চালক সমিতির অন্যতম সদস্য জাহেদ লেখাটা পড়িস ভাই, ২১ শে আগষ্টে লেখা লিখবো ঠিক আছে কিন্তু এমন আচুদা বাস্তবতার দেখা ও বুঝা যা শুধুই শোক আর শ্রদ্ধা কিংবা ২১ শে আগষ্টের গঠনার বিবরনীর মধ্যে থাকতে পারিনি তাই জাহেদ তোরে সামনে নিয়াই লিখলাম....
কি বললি সেদিন? জ্বালানী সমস্যার দ্বায় চোখ বন্ধ কইরা শেখ হাসিনার উপরে দিয়া দেন মানে বিষয়টা ছিলো এমন যে আমরা কোন লেখা লেখলে কোন পাঠক এসে বলতো সুত্র কি? তখন বলে দিতাম সুত্র একটা চালাইয়া দেন টাইপের।
জাহেদ তরে গালী দেওয়ার রুচি হয়না রে, কারন গালী শোনার যোগ্যতা নাই তর।
আজকে ২১ শে আগষ্ট ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে হিসেবে যদি তারেক গ্রেনেড হামলায় সফল হতো তাহলে আজকে হতো শেখ হাসিনার ২২ তম মৃত্যু বার্ষিকী, তার আগে আরো নির্মম যে গঠনা বাংলাদেশে হতো যদি ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্ট তারেক সফল হতো তাহলে ঐ সময়ের ধারাবাহিকতা অনুসারে আজকের বাংলাদেশের চিত্র হতো লাইক সোমালিয়া যেমন আছে এখন তেমন। আনিস আলোমগীর মাসুদ কামালের মতো কিছু কিছু মাদ্যার চ্যুদ দেখি মন চায় জুতাইয়া লাল করি, বলে কি? যে শেখ হাসিনার সব সমালোচনা আছে কিন্তু বিদ্যুৎ ভালো পেতাম, তাও আবার শেখ হাসিনা পতনের জুলাই সন্ত্রাসের পক্ষে দাঁড়িয়ে শরীল খাউজাইয়া এখন যখন আর বিদ্যুৎ জ্বালানী পায় না তখন এটা বলে। লিসেন জাহেদ শুধু বিদ্যুৎ জ্বালানী নয় প্রতিটা সেক্টর শেখ হাসিনা দীর্ঘ মেয়াদী প্ল্যান নিয়েই করেছে, যেহেতু তুই তারেকের টেম্পু চালক সমিতির সদস্য সব আলোচনা নিতার্তি না, তাই শুধ জ্বালানী নিয়েই একটু ধারনা দিচ্ছি....
২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরে উনার নির্বাচনী ইশতেহারে অগ্রাধিকার খুব বিদ্যুৎ জ্বালানী সমস্যার খুব দ্রুত সমাদানের জন্য খুব কম সময়ে একটা প্ল্যান তৈরি করে করে, জ্বালানী মন্ত্রনালয়ের সচিবালয়ের রেকর্ডে অবশ্যই রয়েছে সেগুলো দেখে নিস, বিষয় ছিলো এমন সংকট সমাধান, মধ্যম মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী জ্বালানী সুরক্ষা ও সরবরাহ নিশ্চিত করন। ভাগে ভাগে ভেংগে বুঝালে বিষয়টা দাঁড়ায় এমন, সংকট সমাধান অর্থ্যাৎ শেখ হাসিনার ক্ষমতাগ্রহনের ঐ সময় সারাদেশে দৈনন্দিন লোড শেডিং ছিলো ১০-১২ ঘন্টা, বিদ্যুৎ চাহিদার বিপরিদে উৎপাদন ছিলো অর্ধেকের কম, উৎপাদন স্বক্ষমতা ছিলো চাহিদা অনুযায়ী ৫০% বুঝেছিস? সেখান থেকে রিকোভারীর জন্য ডিজেল ভিত্তিক কুইক রেন্টাল প্রকল্প গ্রহন ও বাস্তবায়ন শুরু করে যেটা ছিলো ব্যয়বহুল তবে সংকট সমাধানের খুব দ্রুত ব্যবস্থা। রেজাল্ট কি ছিলো মন্ত্রনালয় থেকে জেনে নিস....
দ্বিতীয়তো ছিলো মধ্যম মেয়াদী সমাধান তুলনামুলক ভাবে কম খরচেদ সমাধান গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ প্লান্ট ইন্টিলিজেন্ট শেখ হাসিনা মাথায় রেখেছিলো তার দেশের গ্যাসের মজুদ কতোটা। অর্থ্যাৎ এটা স্থায়ী সমাধান নয়, তাই কুইক রেন্টাল রান করার সাথে সাথে খুন দ্রুত গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করে। সংখ্যা অবশ্যই আমার কাছে আছে বলছি না তুই মন্ত্রনালয়ের ফাইল দেখে জেনে নিস।
তৃতীয়তো স্থায়ী সমাধান অন্তত ৫০ বছরের জন্য তাপ বিদ্যুৎ ও পরমানু বিদ্যুৎ৷ এইসব তো আর গল্প না প্রকাশ্য হয়ে গেছে।
এখন প্রশ্ন হলো তুই বললি জ্বালানী সংকটের দ্বায় শেখ হাসিনার উপরে চাপিয়ে দেওয়া যায় চোখ বন্ধ করে, অবশ্যই একটা টেম্পু চালক সমিতির সদস্য হিসেবে এটা বলার রাইটস তর আছে, কিন্তু একজন যোগ্য শিক্ষিত মানুষ হলে এটা বলতে পারতি কি না ভেবে দেখবি.....
শেখ হাসিনার অনেক দ্বায় এই দেশ নিয়ে কেন এতো দ্বায় একদিন দেখা হলে অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো, আজকে ২১ শে আগষ্ট ২০০৪ সালের ২১ শে আগষ্টের আগে ১৬-১৭ বার উনাকে হত্যার চেষ্টার সাথে সরাসরি পরোক্ষ ভাবে জড়িতরা আজকে রাষ্ট ক্ষমতায়, হা এটা নিয়ে ওদের গর্ব আছে এটাই নাকি গনতন্ত্র, সিরিয়াসলি এই গনতন্ত্রের মায় রে অলওয়েজ চ্যু দি আমি।