the Post

the Post 'POST', Bangladesh's first Meta Non-Fiction new media, a human story hub. POST breaks and redefines the essence of News-Narrative.

In a world of information tsunami dominated by fictional realities, POST stands to uncover & speak stories that matter. গণমাধ্যমের জগতে প্রতিনিয়ত আমরা নতুন নতুন পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করছি। প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতি আর ইন্টারনেটের দুরন্ত গতির তথ্যপ্রবাহ ও মানুষের ক্রমবর্ধমান চাহিদা—সবকিছু মিলিয়েই বর্তমান সময়ে সংবাদ ও গল্পের সংজ্ঞা যেন নতুন আঙ্গিকে গড়ে উঠছে। বাংলাদেশেও এই নতুন ধারার ছোঁয়া লেগেছে; সেই গতিকে মাথায় রেখেই আত্মপ্রকাশ করেছে ‘the POST’, যা নিজেকে পরিচয় দেয় “বাংলাদেশের প্রথম Meta Non-Fiction নিউ মিডিয়া” হিসেবে। এটি মানুষের গল্পের একটি উন্মুক্ত মঞ্চ। একটি হিউম্যান স্টোরি হাব, যেখানে বাস্তবতার গভীর ও ইতিবাচক আঙ্গিক তুলে ধরে নতুন সম্ভাবনার কথা বলা হয়।

‘the POST’-এর মূল লক্ষ্য হলো “নিউজ-ন্যারেটিভ” নির্মাণ। খবর উপস্থাপন করার প্রথাগত রীতিকে বদলে দেওয়া— যেখানে সংবাদের কেন্দ্রে থাকবেন মানুষ ও তাঁদের গল্প। বর্তমান সময়ে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও তথ্যপ্রবাহ এত বেশি যে অনেক সময় সত্য ও গঠনমূলক সংবাদ খুঁজে পাওয়াই কঠিন হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় ‘the POST’ মানুষের জীবনের বহুমাত্রিক রূপকে উপস্থাপন করে, যাতে পাঠক কেবল খবরই পান না, একই সঙ্গে উপলব্ধি করেন জীবনের সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্য। এই ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং মানবিক সংযোগ গড়ে তোলার প্রত্যয় ‘the POST’-কে আলাদা করে চেনায়।

‘the POST’ নিজেদেরকে “Meta Non-Fiction” নিউ মিডিয়া হিসেবে উপস্থাপন করেছে। এই শব্দবন্ধে লুকিয়ে আছে একটি নতুন ধারণা—আসল ঘটনা বা বাস্তব ঘটনাকে কেন্দ্রে রেখে এমনভাবে উপস্থাপন, যেখানে গল্পের নেপথ্যে থাকা মানুষ, তাঁদের অনুভূতির প্রেক্ষাপটও প্রকাশ পায়। যা কোনো কাল্পনিক উপাখ্যান নয়; বরং আসল মানুষ ও আসল পরিস্থিতির গল্প। এই গল্প কেবল বাইরের ঘটনাই নয়, বরং সেটির অন্তর্গত প্রক্রিয়া, মানুষের মানসিকতা, আবেগ ও গভীর উপলব্ধিকে খুব যত্নের সাথে তুলে ধরতে চাই আমরা।

সাধারণত খবর বলতে আমরা বুঝি সংক্ষিপ্ত তথ্য—কী ঘটল, কোথায় ঘটল, কখন ঘটল ও কেন ঘটল। কিন্তু এভাবে কেবল ঘটনা-ধর্মী তথ্য পেয়ে আমরা হয়তো বুঝতে পারি না, এই ঘটনার পেছনে থাকা মানুষরা কী অনুভব করছে, কীভাবে তাঁদের জীবন পাল্টে যাচ্ছে, কিংবা বৃহত্তর সমাজে এর কী ইতিবাচক বা নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

পোস্ট সেগুলোই অনুসন্ধান করে।

আমাদের উদ্দেশ্য বাস্তব জীবনের গল্পকে এমনভাবে বলা, যাতে গল্পের চরিত্ররা রক্ত-মাংসের মানুষ হিসেবে পাঠকের সামনে প্রাণ পায়। আর এখানেই ‘the POST’ নিয়ে আসে এক উজ্জ্বল সম্ভাবনা। তথ্য ও গল্পের এমন মেলবন্ধন আমাদের কেবল জ্ঞানসমৃদ্ধই করে না, বরং আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তোলে, যা সমাজকে ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নিতে সহায়ক।

‘the POST’ কেন নিজেকে “মানুষের গল্পের ঠিকানা” বলে? কারণ, তারা মনে করে প্রতিটি ঘটনার কেন্দ্রে আছে মানুষ—তাঁদের হাসি, কান্না, সাফল্য ও সংগ্রাম। বেশিরভাগ প্রচলিত সংবাদমাধ্যমে একটা নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করা হয়—নির্দিষ্ট সময় ও জায়গার মধ্যে কী ঘটেছে, তার ওপর সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন। কিন্তু ঐ প্রথাগত কাঠামোতে মানুষ ও তাঁর জীবনকথা অনেক সময় আড়ালেই রয়ে যায়। ‘the POST’ ঠিক এই আড়ালে থাকা মানুষের দিকে আলো ফেলতে চায়।

‘the POST’ কেবল তথ্য জানানোর মধ্যে আটকে থাকে না; বরং গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে মানুষকে রাখে। তারা অনুসন্ধান করে কোন স্বপ্ন মানুষকে তাড়িত করে, কীভাবে মানুষ পথে চলে, কী বিড়ম্বনা অতিক্রম করে, এবং কোথায় গিয়ে তাঁর সাফল্য বা ব্যর্থতার গল্প মিলিত হয়।

বর্তমান বিশ্বে তথাকথিত “ইনফরমেশন সুনামি” চলছে। সোশ্যাল মিডিয়া, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন নিউজ সাইট—সব মিলিয়ে মাত্র এক ক্লিকেই হাজার হাজার সংবাদ ও কন্টেন্টের সঙ্গে পরিচয় ঘটছে আমাদের। এই মহামারির মধ্যে বাস্তব-অবাস্তব, সত্য-মিথ্যার সীমানা কখন যেন ঘোলাটে হয়ে যায়। অনেক সংবাদ মাধ্যম আবার শুধুমাত্র দ্রুততার প্রতিযোগিতায় নামে, ফলে খবরের গভীরতা বা গ্রহণযোগ্যতার ব্যাপারে প্রশ্ন থেকে যায়।

এ পরিস্থিতিতে আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত জরুরি। কারণ, গণমাধ্যমের প্রধান দায়িত্ব হলো মানুষের কাছে নির্ভুল ও সত্য তথ্য পৌঁছে দেওয়া, যাতে করে ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক সিদ্ধান্তগুলো সঠিকভাবে নেওয়া যায়। ‘the POST’ এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতেই খানিকটা ইতিবাচকতা নিয়ে হাজির হতে চায়।

যখন কোনো প্ল্যাটফর্ম মানুষকে প্রকৃত তথ্যের পাশাপাশি তাঁর সামগ্রিক প্রেক্ষাপট জানায়, তখন সেই তথ্যের ওপর মানুষের আস্থা বাড়ে। মানুষের ভাবনায় স্বচ্ছতা আসে। গল্প যখন সত্য ও মানবিক উষ্ণতায় মোড়ানো থাকে, তখন পাঠকও অনুভব করেন—“এটি আমার দেখা বাস্তবতারই প্রতিফলন।” আর এভাবেই গণমাধ্যমের ওপর হারানো বিশ্বাস আবারও গড়ে উঠতে পারে, সমাজে ইতিবাচক রূপান্তর দ্রুততা পেতে পারে।

অনেক সময় আমরা দেখি, নেতিবাচক ঘটনা, সহিংসতা অথবা দুঃসংবাদের মধ্যে আটকে থাকতেই গণমাধ্যম বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে—কারণ সেগুলো দিয়ে “সেন্সেশন” তৈরি করা তুলনামূলক সহজ। কিন্তু মানুষের জীবনে তো কেবল নেতিবাচকতার সম্মিলন না। এখানে আছে আশা, অর্জন, সাফল্যের উল্লাস ও আনন্দও। ‘the POST’ সেই ইতিবাচক গল্পগুলো খুঁজে বের করতে চায়

‘the POST’ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় পাঠকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ আছে। সাধারণত একমুখী তথ্যপ্রবাহে মানুষ খবর পড়ে মন্তব্য করে বসে থাকেন, কিন্তু কোনো প্রভাব ফেলতে পারেন না। অন্যদিকে, ‘the POST’ পাঠকদের প্রতিক্রিয়া ও মতামতকে সাদরে গ্রহণ করে এবং তা পরবর্তী কন্টেন্ট তৈরিতে যুক্ত করে। এতে করে পাঠকেরা গল্পের অংশীদার বনে যান, শুধুমাত্র বাহ্যিক পর্যবেক্ষক নয়।

এভাবেই সংবাদ ও গণমাধ্যম এক নতুন বন্ধনের সূচনা করতে চায় পোস্ট—যেখানে পাঠকরাও হয়ে ওঠেন গল্পের Narrator বা ভাষ্যকার, তাঁদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি শেয়ার করেন। এটি শুধু গণমাধ্যমকেই সমৃদ্ধ করবে না, বরং সামগ্রিকভাবে সমাজের ভেতর গণতান্ত্রিক চর্চার বিকাশ ঘটাবে। সবাই অনুভব করবে—“সংবাদ মানেই কোথাও দূরের একটা চ্যানেল বা প্ল্যাটফর্ম থেকে আসা ঘোষণা নয়, বরং আমাদেরই গল্প, যেখানে আমরাও কথা বলতে পারি।”

বাংলাদেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে ‘the POST’ ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করতে চায়। তারা ভিজ্যুয়াল, ন্যারেসন, এক্সপ্লেইনারি, এডিটরিয়াল, লেখালেখি, ফিচার, ডকুমেন্টারি—নানা মাধ্যমে মানুষের গল্প তুলে ধরে, যেখানে আবিষ্কার করা যায় বাস্তব জীবনের রং ও আলো-আঁধারের এক গভীর সৌন্দর্য। এই নিউ মিডিয়া কেবল তথ্য সরবরাহ করবে না বরং মানুষের মধ্যে মানবিক সংযোগ ঘটাতে চেষ্টা করে।

website:https://thepost.live/

প্রসঙ্গত, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও দ্বিজাতি তত্ত্ব নিয়ে কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছে সোস্যাল মিডিয়ায়। এরমধ্যে ডাকসু সংগ্রহশালা...
17/09/2026

প্রসঙ্গত, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও দ্বিজাতি তত্ত্ব নিয়ে কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছে সোস্যাল মিডিয়ায়। এরমধ্যে ডাকসু সংগ্রহশালায় মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা চলছে। কেউ কেউ বলার চেষ্টা করছেন- "জিন্নাহ না হলে পাকিস্তান হতো না, পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশ হতো না।" এর বিরোধিতা করে কথা আসছে- "বাংলাদেশ জন্মের সাথে জিন্নাহর কোনো সম্পর্ক নাই"।

'গত ৪ জানুয়ারি তিনি ফেইসবুকে লিখেছেন, "বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। আজ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বো...
17/09/2026

'গত ৪ জানুয়ারি তিনি ফেইসবুকে লিখেছেন, "বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। আজ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ভারতের ক্রিকেট বোর্ডের উ/গ্র সা/ম্প্র/দা/য়ি/ক নীতির প্রেক্ষিতে গৃহীত এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই...।"
তার টাইমলাইনে এখনও আছে এটি। গেলেই দেখতে পাবেন।
অন-রেকর্ড তিনি ক্রিকেটারদের ওপর দায় দিয়েছেন, ভিডিও আছে...
যাহোক, সেই লেখাতেই তিনি আবার একাধিকবার লিখেছেন, সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার...
এখন বলছেন, তিনি নিজে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এটা নাকি একাধিকবার বলেছেন...
এত মিথ্যা বলতে লজ্জা লাগে না স্যার...?
স্যার কালকে লিখেছেন, "কোনো কোনো দেশ থেকে সমর্থনও পেয়েছিলাম।" অথচ আইসিসির ভোটাভুটিতে স্রেফ পাকিস্তান ছাড়া কেউ ভোট দেয়নি। সেই পাকিস্তানও নানা হম্বিতম্বি করে শেষে ঠিকই বিশ্বকাপ খেলেছে, ভারতের বিপক্ষেও খেলেছে। এটা কি আপনার ও বিসিবির কূটনৈতিক ব্যর্থতা ছিল না? কেন অন্তত আর গোটা তিন-চার সমর্থন আদায় করতে পারেননি...?
যাহোক, এখন স্যার যখন স্বীকার করেই নিলেন বা নিতে বাধ্য হলেন যে, তার একার সিদ্ধান্তই ছিল, এখন অন্য প্রশ্নটিও উঠছে, এটা কি তাহলে ফ্যা/সি/জ/ম নয়..?
ভারতে আপনি না-ই যেতে পারেন। কিন্তু সেটির তো একটি প্রক্রিয়া আছে। আপনি ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলবেন, মতামত নেবেন। ক্রিকেটারদের মতামত নেবেন। ভারতে সিকিউরিটি টিম পাঠাবেন, যেটা পাঠালেও আমাদের একটা নৈতিক জয় হতো। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আইসিসির সঙ্গে দেনদরবার করবেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আপনারই থাকুক, কিন্তু ধাপে ধাপে প্রসেস তো অনুসরণ করতে হবে...!
কিন্তু এসবের কিছুই না করে আপনি একা সিদ্ধান্ত নিলেন। সেই সিদ্ধান্ত ভুল কি ঠিক, সেটা পরের কথা। দেশ ও দেশের ক্রিকেট নিয়ে এত বড় সিদ্ধান্ত আপনি একা নিলেন...
এটা কি ফ্যা/সি/জ/ম নয় স্যার...?'- লিখেছেন আরিফুল ইসলাম রনি

17/09/2026

রংপুর কেস ফাইল; সবাই শুনেছিল, কেউ এলো না | Ganapati Murder Case | Ep-2 | the POST

17/09/2026

ডোনাল্ড ট্রাম্পই কি যুক্তরাজ্যকে ভেঙ্গে দেয়ার নীল নকশা করছেন? | UK | Trump | POST International

একসময় যে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য বিশ্বজুড়ে 'ভাগ করো আর শাসন করো' নীতি চালিয়ে মানচিত্র আঁকত, আজ কি সেই যুক্তরাজ্যকে (UK) নিজেদের ঘরের সীমানা রক্ষায় চরম লড়াইয়ে নামতে হচ্ছে? কার্ডিফে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের নেতাদের ঐতিহাসিক এক চুক্তিতে থমকে গেছে পুরো ওয়েস্টমিনস্টার!

এই ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষণে ইউকে থেকে তিন রাষ্ট্রের স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক চুক্তি, স্কটল্যান্ডের এসএনপি (SNP), ওয়েলসের প্লেইড কামরি এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের শিন ফেইনের (Sinn Féin) নজিরবিহীন ঐক্যের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি তুলে ধরা হয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের সামনে আসা এই বিরাট সাংবিধানিক সংকট এবং আয়ারল্যান্ড একত্রীকরণ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইঙ্গিতভিত্তিক মন্তব্যের প্রভাবও উন্মোচন করা হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তারা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির দেওয়া পুরোনো তথ্য ব্যবহার করে হামলার স্থান নির্ধারণ...
17/09/2026

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তারা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির দেওয়া পুরোনো তথ্য ব্যবহার করে হামলার স্থান নির্ধারণ করেছিলেন। শি*শু*দের দিয়ে পরিপূর্ণ একটি স্কুলে হা*মলা*র এ ঘটনা নিশ্চিতভাবে সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ সামরিক ভুল হিসেবে নথিবদ্ধ হতে যাচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এ হামলায় নি*হত মানুষের সংখ্যা অন্তত ১৭৫, যাদের প্রায় সবাই শি*শু।

17/09/2026

ব্রিকস সম্মেলনে কার বড় জয়? মোদী, শি জিনপিং নাকি পুতিন | BRICS | the POST

'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব সময় বিভিন্ন মত ও ধারার শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকদের মধ্যে কে ধার্মিক, কে নাস্তিক, কে কমিউনিস্ট—এসব নি...
17/09/2026

'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সব সময় বিভিন্ন মত ও ধারার শিক্ষক ছিলেন। শিক্ষকদের মধ্যে কে ধার্মিক, কে নাস্তিক, কে কমিউনিস্ট—এসব নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে মুখরোচক আলোচনা হতো, কিন্তু কোনো বিরূপতা ছিল না। দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তির কারণে যদিও শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন নিয়ে নানা সময় বিতর্ক ও সমালোচনা দেখা যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হেনস্তার ঘটনার কথাও খুব একটা শোনা যায় না। তবে এবার ডাকসু নেতাদের হাতে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনকে হেনস্তার ঘটনা আলোচিত হয়। যদিও এ শিক্ষকের নামে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের সময় নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ আছে; কিন্তু এভাবে হেনস্তার বিষয়টি কোনোভাবে কাম্য ছিল না। চাকসুতেও এ ধরনের শিক্ষক হেনস্তা ঘটে।'- লিখেছেন সালেহ উদ্দিন আহমদ

17/09/2026

মাদ্রাসা, ক্যাডেট, বাংলা, ইংলিশ; কেমন বাংলাদেশ তৈরী হচ্ছে? | Bangladesh Education | the POST

বাংলাদেশে শিক্ষা কি সব শিশুর মৌলিক অধিকার, নাকি জন্মপরিচয় ও শ্রেণিভেদে সুবিধাপ্রাপ্তির হাতিয়ার? একই দেশে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, মাদ্রাসা ও ক্যাডেট কলেজ—এই চার ভিন্ন ধারার শিক্ষা কীভাবে আমাদের সমাজকে চরম বিভক্ত করছে এবং শেষ পর্যন্ত সবাইকে একই বেকারের মিছিলে দাঁড় করাচ্ছে?

এই প্রতিবেদনে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নজিরবিহীন বৈষম্য ও গলদ উন্মোচন করা হয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাধারণ বাংলা মাধ্যমে মাত্র এক বছরে ৪ লাখ২৫ হাজার শিক্ষার্থী কমে যাওয়া এবং ২০২৩ সালে শিক্ষা ব্যয় ৫১ শতাংশ বাড়ার বাস্তবতায় কীভাবে দরিদ্র পরিবারের কাছে মাদ্রাসা শিক্ষা একমাত্র বিকল্প হয়ে উঠেছে, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

হলফনামায় মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিলে কী হয়?জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত এক সংব...
17/09/2026

হলফনামায় মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিলে কী হয়?
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ২০২৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছিলেন, হলফনামায় কোনো প্রার্থী মিথ্যা তথ্য দিলে নির্বাচিত হওয়ার পর পাঁচ বছর মেয়াদের মধ্যে ইসি স্বপ্রণোদিত হয়ে বা কোনো তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাকে রিকল (প্রত্যাহার) করতে পারবে। মিথ্যা তথ্য দেওয়ার বিষয়টি প্রমাণ হলে তার প্রার্থিতা, এমনকি সংসদ সদস্য পদও বাতিল হবে। তবে পাঁচ বছর মেয়াদের পর তা নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ারে থাকবে না।

'জিন্নাহকে ভিলেন হিসেবে প্রমাণ করার জন্য ছবিটা দেওয়া হয়েছে- এটা ছিল ফরহাদের (ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ) ব্যাখ্যায়। কয়েকদিন...
17/09/2026

'জিন্নাহকে ভিলেন হিসেবে প্রমাণ করার জন্য ছবিটা দেওয়া হয়েছে- এটা ছিল ফরহাদের (ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ) ব্যাখ্যায়। কয়েকদিন আগে জিন্নাহর জন্মদিন পালন করা হলো না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে? তাহলে কোন ভিলেনের জন্মদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালন করা হলো? ফরহাদ আবার এটাও বললেন- ছাত্রদল কি চায় না, জিন্নাহ যে ভিলেন এটা সবাই জানুক। ...জিন্নাহকে আপনি বলছেন ভিলেন, তাহলে ১৯৭১-এ যারা ভিলেন ছিল, তাদের ছবি কি সেখানে আছে?'- বলেছেন ড. নাহরিন আই খান

Address

Paltan
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when the Post posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share