Tarique Zia Cyber Force-TZCF

Tarique Zia Cyber Force-TZCF সাইবার -প্রযুক্তি ক্ষেত্রে ঐক্যবদ্ধ বিএনপির সহায়ক প্ল্যাটফর্ম - TZCF

এটাই জনগণের সরকার—কথায় নয়, কাজে প্রমাণ!Tarique Zia Cyber Force-TZCFহজের জন্য জনগণের কাছ থেকে যে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, তার এ...
06/09/2026

এটাই জনগণের সরকার—কথায় নয়, কাজে প্রমাণ!
Tarique Zia Cyber Force-TZCF
হজের জন্য জনগণের কাছ থেকে যে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, তার একটি অংশ যদি কম খরচ হয়—সেই অর্থ সরকারের কোষাগারে রেখে না দিয়ে যাদের টাকা, তাদের কাছেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
২০২৬ সালের সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করা ৪,৩৪১ জন হাজিকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে ৪ কোটি ৮৭ লাখ ২৩ হাজার ১৪ টাকা। বাড়িভাড়া ও সার্ভিস চার্জে সাশ্রয় হওয়া এই অর্থ সরাসরি হাজিদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে।
এখানেই পার্থক্যটা স্পষ্ট—
জনগণের টাকা মানে জনগণেরই টাকা।
সাশ্রয় হলে ফেরত দিতে হবে—এটাই জবাবদিহিতা।
অব্যয়িত অর্থ গোপন নয়—হিসাব প্রকাশই স্বচ্ছতা।
এটি শুধু ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ফেরতের ঘটনা নয়; এটি রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের অর্থের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি বার্তা। ধর্মমন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্ধারিত ব্যয়ের পর অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে রেখে না দিয়ে সংশ্লিষ্ট হাজিদের ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এটাই আমরা চাই—
সরকারের প্রতিটি টাকার হিসাব থাকুক,
অব্যয়িত টাকা জনগণের কাছে ফিরে আসুক,
রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হোক।
এটাই নির্বাচিত সরকারের কাজ—জনগণের টাকা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।
এটাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপির সরকারের জনগণমুখী রাজনীতির প্রতিফলন।

কথার রাজনীতি নয়—কাজের রাজনীতি।
প্রচারের রাজনীতি নয়—জবাবদিহিতার রাজনীতি।
জনগণের অর্থ, জনগণের অধিকার—এটাই রাষ্ট্র পরিচালনার অঙ্গীকার। 🇧🇩

আমরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছি—গালির  রাজনীতির জন্য নয়।Tarique Zia Cyber Force-TZCFআমি S M Sagor  দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ...
05/09/2026

আমরা ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়েছি—গালির রাজনীতির জন্য নয়।
Tarique Zia Cyber Force-TZCF
আমি S M Sagor দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শে বিশ্বাসী একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে অনলাইনে সক্রিয় থেকেছি। ফ্যাসিবাদী শাসনের দীর্ঘ ১৭ বছরে যখন রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, গুম, খুন, নির্যাতন ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলাও ছিল ভয়ংকর ঝুঁকির বিষয়, তখনও আমি তথ্য, প্রমাণ, যুক্তি ও শালীনতার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ করেছি।
সে সময় Sadak Hossain ভাই এর নেতৃত্বে তারেক জিয়া সাইবার ফোর্স পরিচালনার দায়িত্ব নিয়ে এবং একাধীক বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের আদর্শের অ্যাক্টিভিষ্টদের সাথে নিয়ে দেশব্যাপী রাজপথ ও অনলাইন অ্যাক্টিভিজমের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছি, কিন্তু কাউকে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে নয়; ব্যক্তিগত চরিত্রহনন করে নয়; মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে নয়।
আমাদের সেই প্রতিবাদের মূল্যও কম দিতে হয়নি।
ফ্যাসিবাদী সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমাকে বাসা থেকে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় গুম করে রাখার পর একের পর এক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। প্রায় পাঁচ বছর কারাভোগ করতে হয়েছে। আমার মতো আরও অনেক সাহসী গুনি বাংলাদেশী জাতীয়তবাদী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টদেরকে একইভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। কেউ কেউ গুম হয়ে আর ফিরে আসেননি।
কিন্তু এত নির্যাতনের পরও আমরা কি গালির রাজনীতি শিখেছি? না।
কারণ আমরা জানতাম—ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই মানে শুধু একজন শাসকের বিরুদ্ধে লড়াই নয়; বরং এমন একটি রাষ্ট্রব্যবস্থার বিরুদ্ধে লড়াই, যেখানে সত্যের জায়গায় মিথ্যা, যুক্তির জায়গায় ভয় এবং আইনের জায়গায় ক্ষমতার ইচ্ছা প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাই আজ যখন বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস, দ্রব্যমূল্য কিংবা সরকারের যেকোনো ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে—প্রশ্ন উঠবেই। জনগণের সমস্যা নিয়ে কথা বলার অধিকার জনগণের আছে। সরকারকে জবাবদিহির মধ্যে রাখাও গণতন্ত্রের অপরিহার্য অংশ।
কিন্তু অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে সেটিকে রাজনৈতিক সত্য বানানো যাবে না। আবার অভিযোগের প্রতিবাদ করতে গিয়ে কাউকে তার বাবা-মা, পরিবার কিংবা জন্মপরিচয় টেনে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করার অধিকারও কারও নেই।
গাজীপুরের গাছার সিফাতের বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ সত্য হলে—বিলের কাগজ সামনে আসুক, আগের বিলের সঙ্গে তুলনা হোক, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করুক। ভুল থাকলে সংশোধন হোক, অন্যায় হলে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
কিন্তু অভিযোগ সত্য কি না, সেটি বাদ দিয়ে গালাগালির ভিডিওকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো যাবে না।
একইভাবে, সিফাতের বিরুদ্ধে যেসব আইনগত অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলোরও স্বচ্ছ তদন্ত এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া থাকা জরুরি। কোনো অপরাধ হয়ে থাকলে আইন অনুযায়ী বিচার হবে—এটাই আমরা চাই।
কারণ আমাদের লড়াই ছিল আইনের শাসনের জন্য।
এখানে সরকারের প্রতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে:
কেউ অশালীন ভাষা ব্যবহার করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন। কিন্তু এমনভাবে আইন প্রয়োগ করবেন না, যাতে একজন কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া ব্যক্তি রাতারাতি ‘নিপীড়িত রাজনৈতিক নায়ক’ হয়ে যায় এবং তার অশালীন বক্তব্যের দায় আড়ালে পড়ে যায়।
আমরা ১৭ বছর ধরে দেখেছি কীভাবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার মানুষকে নিপীড়িত করেছে। সেই অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।
বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য নয়—রাষ্ট্রকে পুনর্গঠনের জন্য।
আমরা ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছি গালাগালি প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়—গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য।
আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়েছি মিথ্যা দিয়ে নয়—তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে।
সুতরাং আজও আমাদের অবস্থান পরিষ্কার—
সমালোচনা হবে—কিন্তু তথ্যভিত্তিক।
প্রতিবাদ হবে—কিন্তু শালীন।
অভিযোগ হবে—কিন্তু প্রমাণসহ।
আইন প্রয়োগ হবে—কিন্তু যথাযথ ধারায় ও ন্যায়সংগতভাবে।
আর অপরাধের বিচার হবে—রাজনৈতিক প্রতিহিংসা দিয়ে নয়, আইনের শাসনে।

যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নির্যাতন সহ্য করেছি, কারাগারে গিয়েছি, গুমের শিকার হয়েছি—সেই বাংলাদেশে গালির স্বাধীনতা নয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা; প্রতিহিংসা নয়, ন্যায়বিচার; অপপ্রচার নয়, সত্য ও প্রমাণ—এগুলোই প্রতিষ্ঠিত হোক।
এটাই আমাদের লড়াইয়ের শিক্ষা।
এটাই আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার।

“সবার আগে বাংলাদেশ”

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য, সরেজমিনে মিটার পরিদর্শন ও গ্রাহকের লেজার/বিল পর্যালোচনায় মিল...
05/09/2026

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অভিযোগ। গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্য, সরেজমিনে মিটার পরিদর্শন ও গ্রাহকের লেজার/বিল পর্যালোচনায় মিলল ভিন্ন চিত্র।

সম্প্রতি নিজের বাসায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ তুলে সিফাত আব্দুল্লাহ নামে এক জামায়াত কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেইসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ ভাষায় একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সর্বস্তরে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করা সিফাতকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়।

সিফাত আব্দুল্লাহ তার ভিডিওতে দাবি করেন, তিনি গত দুই মাসে (আগস্ট-জুলাই) প্রায় ১০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেছেন এবং বিষয়টিকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে তুলে ধরেন। পরবর্তীতে একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি আরও লিখেন-“এক মাসের বিদ্যুৎ বিল একটা পুরো পরিবারকে জিম্মি কইরা ফেলবো?”

তবে সরেজমিনে সিফাত আব্দুল্লাহর বাড়িতে গিয়ে বিদ্যুৎ মিটার পরিদর্শন এবং কাস্টমারের লেজার প্রিন্ট, গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেয়া তথ্য পর্যালোচনা করে ভিন্ন চিত্র পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত সিফাত আব্দুল্লাহর পিতার নাম সিকান্দার আলী। গাজীপুর মহানগরীর ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে তাদের দোতলা বিশিষ্ট বাড়িতে মোট ৩টি আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ রয়েছে এবং বাড়িতে আরও ভাড়াটিয়া পরিবার বসবাস করেন।

সিফাত আব্দুল্লাহ যে বাড়িতে বসবাস করেন, সেই বাড়ির তিনটি মিটারের মে, জুন, জুলাই ও আগস্ট ২০২৬ সালের বিদ্যুৎ ব্যবহার ও বিলের বিস্তারিত হিসাব নিচে দেওয়া হলো—

মিটার নং: S000433*7
মে ২০২৬: ৪৫ ইউনিট। বিল ৩১৭ টাকা
জুন ২০২৬: ৫০ ইউনিট। বিল ৩৪২ টাকা
জুলাই ২০২৬: ১৫০ ইউনিট। বিল ১,১৮২ টাকা
আগস্ট ২০২৬: ৭৫ ইউনিট। বিল ৫১৩ টাকা

চার মাসে মোট ব্যবহার: ৩২০ ইউনিট
চার মাসে মোট বিল: ২,৩৫৪ টাকা

মিটার নং: S000218*5
মে ২০২৬: ২৫০ ইউনিট । বিল ১,৮১২ টাকা
জুন ২০২৬: ২০০ ইউনিট । বিল ১,৫৮৪ টাকা
জুলাই ২০২৬: ৪০০ ইউনিট । বিল ৩,৫৯৪ টাকা
আগস্ট ২০২৬: ২৮৫ ইউনিট । বিল ২,৩৯৭ টাকা

চার মাসে মোট ব্যবহার: ১,১৩৫ ইউনিট
চার মাসে মোট বিল: ৯,৩৮৭ টাকা

মিটার নং: S000424*7
মে ২০২৬: ১২৫ ইউনিট। বিল ৮৪৭ টাকা
জুন ২০২৬: ১২০ ইউনিট। বিল ৬৯০ টাকা
জুলাই ২০২৬: ২০৫ ইউনিট। বিল ১,৬৩৩ টাকা
আগস্ট ২০২৬: ১৭৫ ইউনিট। বিল ১,৩৬২ টাকা

চার মাসে মোট ব্যবহার: ৬২৫ ইউনিট
চার মাসে মোট বিল: ৪,৫৩২ টাকা

অর্থাৎ, মে থেকে আগস্ট ২০২৬ এই চার মাসে তিনটি আবাসিক মিটার মিলিয়ে মোট ২,০৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে এবং মোট বিল এসেছে ১৬,২৭৩ টাকা।

এখানে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সিফাত আব্দুল্লাহ যে বাড়িতে বসবাস করেন সেখানে একটি নয়, মোট তিনটি আবাসিক বিদ্যুৎ মিটার সংযোগ রয়েছে। ফলে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কোনো অভিযোগ বা দাবি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একটি মিটারের বিল আলাদাভাবে দেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বাড়ির সবগুলো মিটারের ব্যবহার ও বিলের হিসাবও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি। গাজীপুর বোর্ড বাজার জোনাল অফিস থেকে কর্মকর্তারা সিফাতের বাড়িতে গিয়ে বাসায় ইলেকট্রিক পণ্যের প্রকৃত তালিকা সংগ্রহের কথা জানালে দিতে অস্বীকৃতি জানান এবং গেইট বন্ধ করে দেন।

একজন নাগরিকের সেবা ব্যাহত হলে বা অপ্রত্যাশিত কোন ঘটনা ঘটলে প্রতিবাদ করা যেতেই পারে কিন্তু সেটা অবশ্যই সুস্থ ভাষায় এবং সুষ্ঠু উপায়ে হওয়া উচিত। বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে আবেগ বা বক্তব্যের চেয়ে মিটারের রিডিং, ব্যবহৃত ইউনিট এবং কাস্টমারের লেজার/বিলের তথ্যই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

পাঁয়ে পড়ে ঝগড়াঝাটি করা উদ্দেশ্য জামাতিদের,, লং-মার্চ করেন ডিগবাজি দেন তাতে বিএনপির কি জনগণ এর বিচার-বিশ্লেষণ করবেন।
05/09/2026

পাঁয়ে পড়ে ঝগড়াঝাটি করা উদ্দেশ্য জামাতিদের,, লং-মার্চ করেন ডিগবাজি দেন তাতে বিএনপির কি জনগণ এর বিচার-বিশ্লেষণ করবেন।

05/09/2026

একেই বলে স্পষ্ট মুনাফেকি........

05/09/2026

মহাবিপদে বিএনপির
দেশপ্রেম তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এখন বিএনপিতে চলছে হাইব্রিড বৈসন্ত কুকিলের দিন।

05/09/2026
*যে প্রতিষ্ঠানে মানুষ তৈরি হওয়ার কথা, সেখানে অমানুষ তৈরি হচ্ছে কেন?*আর কত বলাৎকার ও ধর্ষন হলে কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাংবে?Tari...
03/09/2026

*যে প্রতিষ্ঠানে মানুষ তৈরি হওয়ার কথা, সেখানে অমানুষ তৈরি হচ্ছে কেন?*
আর কত বলাৎকার ও ধর্ষন হলে কর্তৃপক্ষের ঘুম ভাংবে?
Tarique Zia Cyber Force-TZCF

দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—নামটির মধ্যেই রয়েছে একটি গভীর দায়িত্ব। এটি এমন একটি প্রতিষ্ঠান, যেখানে সৃষ্টিকর্তা ও তাঁর সৃষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন, নীতি-নৈতিকতা, সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো, মিথ্যার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া, মানবতা, মনুষ্যত্ব, দায়িত্ববোধ ও আত্মসংযমের শিক্ষা পাওয়ার কথা। একজন প্রকৃত মুসলিম হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার পথ দেখানোর কথা।

তাহলে প্রশ্ন হলো—*এমন একটি প্রতিষ্ঠানে একজন শিক্ষক হওয়ার নৈতিক ও মানবিক মানদণ্ড কতটা কঠোর হওয়া উচিত?*

যে শিক্ষক নিজেই নৈতিকতা, চরিত্র ও আত্মসংযমের পরীক্ষায় ব্যর্থ; যে শিক্ষক শিশু শিক্ষার্থীর নিরাপত্তার জন্য অভিভাবকসুলভ আশ্রয় হওয়ার পরিবর্তে তার ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগে অভিযুক্ত হন—তিনি কীভাবে দ্বীনি শিক্ষার শিক্ষক হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন?

একজন শিক্ষক শুধু পাঠদান করেন না; তিনি একজন শিশুর চরিত্র গঠনে প্রভাব ফেলেন। তাই দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে শুধু ধর্মীয় জ্ঞান বা সনদ যথেষ্ট হওয়া উচিত নয়। *চরিত্র, নৈতিকতা, মানসিক পরিপক্বতা, শিশুদের সঙ্গে আচরণের সক্ষমতা এবং জবাবদিহির মানদণ্ডও কঠোরভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।*

আর এখানেই আমাদের আত্মসমালোচনা জরুরি।

শুধু কোনো ঘটনা ঘটার পর অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা বা বিচার দাবি করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। *ঘটনার আগেই প্রতিরোধের ব্যবস্থা করতে হবে।* শিক্ষকদের যথাযথ যাচাই, নিয়মিত তদারকি, শিশু সুরক্ষা নীতিমালা, অভিযোগ জানানোর নিরাপদ ব্যবস্থা, অভিভাবকদের কার্যকর নজরদারি এবং অভিযোগ গোপন না করে দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ—এসব নিশ্চিত করতে হবে।

কারণ দ্বীনের পবিত্রতা রক্ষা করার সবচেয়ে শক্তিশালী উপায় হলো *দ্বীনের নামে অপরাধীকে প্রশ্রয় না দেওয়া।*

আমরা এমন মাদ্রাসা চাই, যেখানে শিশু ভয় পাবে না—নিরাপত্তা অনুভব করবে।
এমন শিক্ষক চাই, যাঁকে একজন অভিভাবক নিশ্চিন্তে সন্তানের আমানত হিসেবে বিশ্বাস করতে পারবেন।
এমন ব্যবস্থাপনা চাই, যেখানে কোনো অভিযোগকে প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষার অজুহাতে চাপা দেওয়া হবে না।

*একজন অপরাধীর অপরাধ পুরো দ্বীনি শিক্ষা ব্যবস্থার পরিচয় হতে পারে না। কিন্তু অপরাধীর বিরুদ্ধে নীরবতা ও গোপনীয়তা সেই ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকে ধ্বংস করতে পারে।*

তাই এখন সময় এসেছে শুধু প্রশ্ন করার নয়—*ব্যবস্থা পরিবর্তনের।*

প্রশ্ন একটাই—

*যে প্রতিষ্ঠান মানুষকে সত্য, ন্যায়, মানবতা ও নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার কথা, সেখানে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা আর কতদিন অপেক্ষা করব?*
Bangladesh Nationalist Party-BNP

জাতীয়  গৌরবের  সংবাদ  কি  এভাবেই  উপস্থাপন  করতে হয়, Kaler Kantho কালের কণ্ঠ?বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান...
31/08/2026

জাতীয় গৌরবের সংবাদ কি এভাবেই উপস্থাপন করতে হয়, Kaler Kantho কালের কণ্ঠ?
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন—এটি কোনো ব্যক্তির একক অর্জন নয়; এটি বাংলাদেশের জন্য একটি আন্তর্জাতিক মর্যাদা, কূটনৈতিক সাফল্য ও জাতীয় গৌরবের বিষয়। ১৯৩ সদস্য রাষ্ট্রের ভোটে ৯৯ ভোট পেয়ে তাঁর এই বিজয় বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক আস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।

অথচ এমন একটি ঐতিহাসিক অর্জনের সংবাদ পরিবেশনের সময় যদি শিরোনাম হয়—“দুই মাসের সফরে আজ নিউইয়র্ক যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী”, তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—এখানে কি ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ দিকটি আড়াল হয়ে যাচ্ছে না?
পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন শুধুমাত্র একজন মন্ত্রীর বিদেশ সফরে নয়; তিনি যাচ্ছেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে। ৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন এবং জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালনায় নেতৃত্ব দেবেন।
সুতরাং সংবাদটি এমনভাবে উপস্থাপন করাই কি বেশি স্বাভাবিক ও মর্যাদাপূর্ণ ছিল না?—
“জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী”?
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা অবশ্যই থাকবে। সমালোচনার অধিকারও থাকবে। কিন্তু জাতীয় অর্জনকে কীভাবে ফ্রেম করা হচ্ছে, সেটিও সাংবাদিকতার নৈতিকতার অংশ। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে; কিন্তু বাংলাদেশের একজন নাগরিক আন্তর্জাতিক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাচিত পদে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন—এখানে অন্তত বাংলাদেশের অর্জনটুকু যথাযথ গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।
রাজনীতির মাঠে বিরোধিতা করুন, সরকারের সমালোচনা করুন—কিন্তু বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্মান ও অর্জনকে খাটো করে দেখানোর মতো উপস্থাপনাকে প্রশ্ন করতেই হবে।
জাতীয় গৌরব কোনো দলের সম্পত্তি নয়—এটি বাংলাদেশের মানুষের অর্জন।

Bangladesh Nationalist Party-BNP
Tarique Rahman
Tarique Zia Cyber Force-TZCF
BNP
;,

“হজযাত্রীদের জন্য সুখবর: বিমান ভাড়া কমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, আরও কমানোর উদ্যোগ”Tarique Zia Cyber Force-TZCF*নিজস্ব প্রতি...
31/08/2026

“হজযাত্রীদের জন্য সুখবর: বিমান ভাড়া কমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, আরও কমানোর উদ্যোগ”
Tarique Zia Cyber Force-TZCF

*নিজস্ব প্রতিবেদক:*
হজযাত্রীদের ব্যয় কমাতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে হজ পালনে যাওয়া মুসল্লিদের *বিমান টিকিটের ভাড়া আরও ২৫ হাজার টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।* পাশাপাশি ভবিষ্যতে হজযাত্রীদের বিমান ভাড়াসহ সামগ্রিক ব্যয় আরও কমানোর বিষয়েও কাজ করছে সরকার।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী *এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত* গত ৩০ জুলাই জাতীয় হজ ও ওমরাহ ফেয়ার-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া কমানোর এ তথ্য জানান। উল্লেখ্য, ওই সময় তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন; বর্তমানে তিনি *বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী* হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মন্ত্রণালয়ের বর্তমান সরকারি ওয়েবসাইটেও তাঁকে ‘মাননীয় মন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, হজযাত্রীদের খরচ আরও কমানোর লক্ষ্যে সৌদি আরবের বিমানবন্দরের *নির্মাণ কর কমানোর জন্য সৌদি সরকারের কাছে অনুরোধ জানানো হয়েছে।* একই সঙ্গে বাংলাদেশি হাজিদের আবাসন ব্যয় কমাতে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার বিষয়েও সৌদি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

মূল কথা

*হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া ২৫ হাজার টাকা কমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।*
শুধু বিমান ভাড়াই নয়, আবাসন ও অন্যান্য খরচ কমানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ফলে পবিত্র হজ পালনে ইচ্ছুক সাধারণ মানুষের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি *স্বস্তির খবর*।

*প্রত্যাশা একটাই—হজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সাশ্রয় নিশ্চিত করে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের পবিত্র হজযাত্রা আরও সহজ ও নির্বিঘ্ন করা হোক।*
Bangladesh Nationalist Party-BNP
Tarique Rahman

Address

Dhaka
DHAKA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tarique Zia Cyber Force-TZCF posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share