SUFI صوفي

Directions

SUFI صوفي প্রকৃত সূফী আদর্শকে তুলে ধরতে আমার এ ছোট প্রচেষ্টা।

হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহ.) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের চিশতীয়া সুফি ধারার প্রবর্তক এবং ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুফি স...
10/10/2026

হযরত খাজা মইনুদ্দিন চিশতী (রহ.) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের চিশতীয়া সুফি ধারার প্রবর্তক এবং ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুফি সাধক, যিনি 'সুলতান-উল-হিন্দ' ও 'গরিবে নেওয়াজ' নামে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

জন্ম ও বংশপরিচয়

• জন্ম: তিনি ৫৩৭ হিজরি (১১৪১/১১৪২ খ্রিস্টাব্দ) সালের ১৪ রজব পারস্যের (বর্তমান ইরান ও আফগানিস্তান সীমান্ত) সিস্তান প্রদেশের সানজার নামক স্থানে জন্মগ্রহণ করেন।
• বংশ: তাঁর পিতা সৈয়দ গিয়াসুদ্দিন আহমদ এবং মাতা সৈয়দা উন্মুল ওয়ারা বিবি। তাঁর বংশপরম্পরা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হুসাইন (রা.)-এর সাথে মিলিত হয়েছে।

শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক সাধনা

• শিক্ষাজীবন: বাল্যকালেই মাত্র সাত বছর বয়সে তিনি পবিত্র কোরআন হেফজ করেন। পরবর্তীতে সমরকন্দ ও বুখারার মতো বিখ্যাত জ্ঞানকেন্দ্রে ইসলামি ধর্মশাস্ত্র, হাদিস ও ফেকাহ বিষয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করেন।
• বায়াত ও পীর: তিনি বিখ্যাত সুফি সাধক [খাজা উসমান হারুনী (রহ.)]-এর হাতে বায়াত গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘ ২০ বছর তাঁর সেবা ও সান্নিধ্যে থেকে আধ্যাত্মিক পূর্ণতা অর্জন করেন।

ভারতবর্ষে আগমন ও ইসলাম প্রচার

• আধ্যাত্মিক নির্দেশ পাওয়ার পর তিনি ইরাক, ইরান ও আফগানিস্তান হয়ে দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে আগমন করেন।
• প্রথমে লাহোরে হজরত আলী হুজভীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন এবং পরবর্তীতে দিল্লির পথ ধরে রাজস্থানের আজমিরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
• তাঁর অসাধারণ নৈতিকতা, মানবপ্রেম, উদারতা এবং আত্মসংযমের কারণে জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষ তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হয়। তিনি মানুষকে আল্লাহ ও রাসুলের ভালোবাসার শিক্ষা দেন।

শিক্ষা ও আদর্শ

• মানবসেবা: তিনি বিশ্বাস করতেন ক্ষুধার্তকে অন্নদান এবং বিপন্ন মানুষের কষ্ট লাঘব করাই সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত।
• নিরপেক্ষতা: তিনি রাজা-বাদশাহ ও শাসকদের প্রভাব ও অনুদান থেকে সর্বদা দূরে থেকে নিজ হাতে কৃষিকাজ বা সাধারণ হালাল উপার্জনে জীবনযাপন করতেন।
• ঐক্য ও শান্তি: তাঁর আদর্শে ‘সুলহ-ই-কুল’ বা সকলের সাথে শান্তির নীতি এবং বিশ্বজনীন প্রেমের বাণী প্রচার প্রসার লাভ করে। কুতুবউদ্দিন বख्तियार কাকী, নিজামউদ্দিন আউলিয়া ও বাবা ফরিদগঞ্জ-ই-শকর-এর মতো প্রখ্যাত আউলিিয়ারা এই ধারার প্রচার প্রসার ঘটান।

ওফাত ও ওরস

• ইন্তেকাল: তিনি ৬৩৩ হিজরির ৬ রজব (১২৩৬ খ্রিস্টাব্দ) রাজস্থানের আজমিরে ইন্তেকাল করেন। তাঁর বড় ছেলে খাজা ফখরুদ্দিন চিশতী তাঁর জানাজার ইমামতি করেন।
• মাজার শরিফ: আজমিরে অবস্থিত তাঁর আজমির শরীফ দরগাহ উপমহাদেশে অন্যতম পবিত্র ও দর্শনীয় স্থান। প্রতি বছর ১ থেকে ৬ রজব তাঁর ঐতিহাসিক ওরস পালিত হয়।

10/10/2026

প্লিজ স্টিকার কমেন্টস

11/09/2026

কে বলেছে আমি আমি তোমার সন্ধান করছি? তুমি কে সেটা জেনে আমি কি করবো? আমি তো শুধু আমাকে সন্ধান করছি!

আমি কে?

10/09/2026

আমি দেখিনাই খোদারে কভু,
দেখি নাই শয়তান!
আমি ইনসানে উপমা পেয়েছি!
জ্বিন্নাত, ফেরেশতা, শয়তান, ভগবান!

07/09/2026

আমি জানি না,
আমার মনটা কেন এত কর্দমাক্ত?
কার আঙ্কাখায় বিষাদে জর্জরিত?
আমি জানি না কি সেই পথ?
আমি জানি না, কিছুই জানি না..

রামাদান মাসে সিয়াম সাধনাঃরোযা বা রোজা (ফার্সি শব্দ) অথবা সাউম বা সাওম ( আরবি শব্দ যার অর্থঃ সংযম), বা সিয়াম হলো ইসলাম ধ...
18/02/2026

রামাদান মাসে সিয়াম সাধনাঃ

রোযা বা রোজা (ফার্সি শব্দ) অথবা সাউম বা সাওম ( আরবি শব্দ যার অর্থঃ সংযম), বা সিয়াম হলো ইসলাম ধর্মের পাঁচটি মূল ভিত্তির তৃতীয়। সাওমের অর্থ বিরত থাকা, আত্মসংযম, পরিশুদ্ধি।

সুবহে সাদিক বা ভোরের সূক্ষ্ম আলো থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার #পানাহার, #পাপাচার, #কামাচার, #ইন্দ্রিয়_তৃপ্তি এবং সেই সাথে যাবতীয় #ভোগ_বিলাস থেকে বিরত থাকার নাম রোযা। ইসলামী বিধান অনুসারে, প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমানের জন্য হিজরী ক্যালেন্ডার অনুসারে রমযান মাসের প্রতি দিন রোজা রাখা ফরজ বা অবশ্য পালনীয়।

কারা রোজা পালন করবেঃ

মুসলিম নর-নারী, বালেগ নর-নারী, সুস্থ্যসবল নর-নারী, ঋতুস্রাব থেকে বিরত থাকা নারীদের উপর রোজা রাখা ফরজ।

রোজা ভঙ্গের কারণঃ

১. ইচ্ছা করে বমি করা

২. বমির বেশির ভাগ মুখে আসার পর তা গিলে ফেলা

৩. মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পর ঋতুস্রাব

৪. ইসলাম ত্যাগ করলে

৫. গ্লুকোজ বা শক্তিবর্ধক ইনজেকশন বা সেলাইন দিলে

৬. প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্য কিছু শরীরে প্রবেশ করালে

৭. রোজাদারকে জোর করে কেউ কিছু খাওয়ালে

৮. ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে

৯. মুখ ভরে বমি করলে

১০. ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে, রোজা ভেঙে গেছে ভেবে ইচ্ছা করে আরও কিছু খেলে

১১. বৃষ্টির পানি মুখে পড়ার পর তা খেয়ে ফেললে

১২. কান বা নাক দিয়ে ওষুধ প্রবেশ করালে

১৩. জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে ছোলা পরিমাণ কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে

১৪. অল্প বমি মুখে আসার পর ইচ্ছাকৃতভাবে তা গিলে ফেললে

১৫. রোজা স্মরণ থাকা অবস্থায় অজুতে কুলি বা নাকে পানি দেয়ার সময় ভেতরে পানি চলে গেলে। (ফাতাওয়ায়ে শামি ও ফাতাওয়ায়ে আলমগিরি)।

যেসব কারণে রোজা মাকরুহ হয়ঃ

*বিনা ওজরে কোনো জিনিস মুখে দিয়ে চিবানো।

*গরমের কারণে বারবার কুলি করা।

*রোজাদার অবস্থায় কারও গিবত (পরচর্চা, পরনিন্দা) করা।

*মিথ্যা বলা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া।

*অশ্লীল বাক্য উচ্চারণ করা কিংবা পাঠ করা।

*ঝগড়া-বিবাদ করা।

কুরআনে বলা হয়েছে,

হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো"।

— সূরা বাকারা, আয়াত ১৮৩

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SUFI صوفي posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share