এসো ডাক্তারি তথ্য জানি

এসো ডাক্তারি তথ্য জানি যে কোন ডাক্তারি পরামর্শের জন্য পাশে থাকুন। লাইক ফলো শেয়ার দিয়ে কমেন্ট করুন। Learn and implement in your life. Create something for the next generation.

03/08/2025
মুরাদপুর, চট্টগ্রাম এর আজকের অবস্থা  #ভাইরালভিডিওシভিডিও   #ভাইরালভিডিওシ   #ভালোবাসা   #চট্টগ্রাম   #বাংলাদেশ
28/07/2025

মুরাদপুর, চট্টগ্রাম এর আজকের অবস্থা #ভাইরালভিডিওシভিডিও #ভাইরালভিডিওシ #ভালোবাসা #চট্টগ্রাম #বাংলাদেশ

যৌন মিলন কিভাবে করবেন----------------------------পস্পরের জন্য সুখদায়ক বা স্যাটিস্ফায়িং একটী যৌন মিলনের প্রথম শর্ত হচ্ছে ...
26/07/2025

যৌন মিলন কিভাবে করবেন
----------------------------
পস্পরের জন্য সুখদায়ক বা স্যাটিস্ফায়িং একটী যৌন মিলনের প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনার পার্টনারের প্রতি শ্রাওদ্ধাশীল হওয়া। আপনি যে আন্নদ পাচ্ছেন সেও ততটুকূ আনন্দ পাচ্ছেন কী না তা যখন আপনি নিশ্চিত করতে উতসাহিত হবেন, তখনই যৌন মিলন আপ্সে আপ স্যাটিস্ফায়িং হবে।

সঙ্গিনীর সাথে খাচড়া খাচড়া প্যাঁচাল আরম্ভ করুন।সঙ্গিনী এমন হাসি দিবে যে তত্‍ক্ষণাত্‍ আপনার সেক্স উঠে যাবে।অতঃপর আপনি সঙ্গিনীকে বলুন যে,আপনার খুব ঘুম পাচ্ছে বিধায় আপনি আজ রাতে আর কিছুই করতে পারবেন না।দেখবেন আপনার সঙ্গিনী রাগ করে আপনাকে সেক্স শিখিয়ে দিয়ে তবেই ক্ষান্ত হপে!!

সম্ভোগের আগে স্বামীর কর্তৃব্য
১। পতির কর্তব্য হলো, পত্নীকে প্রিয়তমা জ্ঞানে বা সত্যিকারের ধর্মপত্নী জ্ঞানে নিজের তৃপ্তির সঙ্গে সঙ্গে তারও দৈহিক ও মানসিক তৃপ্তি বিধান করা। নিজের কামনা পরিতৃপ্ত করাই সম্ভোগের একমাত্র লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়।

২। কোন প্রকার বল প্রয়োগ করা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয়। একথা মনে রাখতে হবে।

৩। চুম্বন, আলিঙ্গন, নিপীড়ন ইত্যাদি নানাভাবে স্ত্রীর মনে পূর্ণ কামাব জাগিয়ে তারপর তার সঙ্গে সহবাসে রত হওয়া প্রতিটি পুরুষের কর্তব্য।

৪। নারী ধীরে ধীরে আত্নসমর্পণ না করা পর্যন্ত তার সঙ্গে কখনও সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিত নয়।

৫। নারী কখনও নিজের যৌন উত্তেজনাকে মুখে প্রকাশ করে না। তবে সেটা অনেকটা লক্ষণ দেখে বুঝে নিতে হয়।

৬। নারীর কর্তৃব্য সর্বদা পতির প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালবাসার ভাব ফুটিয়ে তোলা।

৭। পতিকে ঘৃণা করা, তাকে নানা কু-কথা ইত্যাদি বলা কখনই উচিত নয়। সহবাসের অনিচ্ছা থাকলে তা তাকে বুঝিয়ে বলা উচিত। ঘৃণা বা বিরক্তিসূচক তিরস্কার করা কখনও উচিত নয়। এতে পতির মনে দুঃখ ও বিরক্তি জাগতে পারে।

৮। নারীর কর্তৃব্য স্বামীর চুম্বন, দংশন ও আলিঙ্গনের প্রতিউত্তর দেওয়া।

৯। নারীর পূর্ণ কামভাব জাগলে পতিকে কৌশলে তা বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।

১০। নারীর উত্তেজনা ধীরে ধীরে আসে-আবার তা ধীরে ধীরে তৃপ্ত হয়। পুরুষের উত্তেজনা আসে অকস্মাত্‍ আবার তা অকস্মাত্‍ শেষ হয়। তাই নারীর পূর্ণ কামভাব না জাগিয়ে সঙ্গমে মিলিত হলে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পেতে পারে না। এরকম করা রিধিবিরুদ্ধৃ। এতে নারী পূর্ণ তৃপ্তি পায় না- এর জন্যে সে পর-পুরুষ পর্যন্ত গমন করতে পারে। দাম্পত্য জীবনে অনেক বিপর্যয় এর জন্যে আসতে পারে।

স্ত্রীকে দ্রুত তৃপ্তির উপায়
১। গালে ঠোঁটে ঘন ঘন চুম্বন করা।
২। স্ত্রীর ঊরুদেশ জোরে জোরে মৈথুনের আগে ঘর্ষণ করা।
৩। সম্ভোগের আগে যোনিদেশ, ভগাঙ্কুর কামাদ্রি আলতো ভাবে ঘর্ষণ করা।
৪। ভগাঙ্কুর মর্দন।
৫। মৈথুনকালে স্তন মর্দ্দন।
৬। সহাবাসের আগে যদি পুরুষাঙ্গের আগায় খুব সামান্য পরিমাণ কর্পূর লাগানো হয় তবে স্ত্রী দ্রুত তৃপ্তি লাভ ক'রে থাকে। তবে কর্পূর যেন বেশি না হয়, তাতে স্ত্রী যোনি ও পুরুষাঙ্গ জ্বলন অনুভূত হ'তে পারে।

সহবাসের কাল
১। মেয়েদের একটু ঘুমোবার পর রাত্রির দ্বিতীয় প্রহর শ্রেষ্ঠ মৈথুন সময়।
২। দিনের বেলা সহবাস নিষিদ্ধ।
৩। ভোরবেলা সহবাস শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর হ'তে পারে।
৪। গুরু ভোজনের পর সঙ্গে সঙ্গে সহবাস নিষিদ্ধ।
৫। ক্রুদ্ধ বা চিন্তিত মেজাজে স্ত্রী সহবাস উচিত নয়। প্রফুল্ল মনে সহবাস উচিত।

কোন ঋতু মৈথুনের পক্ষে কতটা উপযোগী তার বিচার করা হচ্ছে।
ক। বসন্তকাল-৯০%।
খ। শরত্‍কাল-৭০%।
গ। বর্ষাকাল-৫০%।
ঘ। হেমন্তকাল-৪০%।
ঙ। গ্রীষ্মকাল-৩০%।
চ। শীতকাল-২০%।

প্রহরণ বা মৃদু প্রহার
মৈথুনকালে মৃদু প্রহার-শৃঙ্গারও কামের একটি অঙ্গ হিসাবে স্বীকৃত হয়েছে।
কথাটা শুনতে অনেকটা আশ্চার্য্য বোধ হয়, কিন্তু কামসূত্রে তার ব্যাখ্যা প্রদত্ত হয়েছে।
নারী কিছুটা উত্‍পীড়িত হ'তে চায় যৌন মিলনে-তাই মনোবিজ্ঞান স্বীকার করে যে, পুরুষ কিছুটা উত্‍পীড়ন করতে পারে নারীকে।
কিন্তু প্রহরণ ঠিক শৃঙ্গার নয়-কারণ মিলনের আগে এর প্রয়োজন নেই।
পূর্ণ মিলনের সময় আনন্দ বৃদ্ধির জন্যে পুরুষ ধীরে ধীরে নারী-দেহের কোমল অংশে মৃদু প্রহার করতে পারে।
পুরুষ অথ্যাচারী-মনোবিজ্ঞানের মতে যে প্রহার করা হয় তা আনন্দের। তাই বলে এতে দু'জনেই যে আনন্দ পাবে এমন নয়। এটা দু'জনের মানসিক অবস্থার উপর নির্ভর করে।

প্রহরণের মধ্যে আবার প্রকারভেদ আছে-
১। মুষ্টি প্রহার-হাত মুষ্টি বদ্ধ করে দেহের বিভিন্ন অংশে মৃদু প্রহরণ।
২। চপেটাঘাত (হাত খুলে রেখে ধীরে ধীরে।)
৩। দু'টি অঙ্গুলির সাহায্যে প্রহরণ।
৪। প্রহরণ ও সংবহন মিশ্রিত করে প্রহরণ।
মর্দন বা সংবাহন
যদিও মর্দন শৃঙ্গার কালে মাঝে মাঝে হয়- তবে এই মর্দন প্রকৃত শৃঙ্গার নয়।
মর্দন বেশি হয় রতিকালে বা রতির পূর্বে।
নারীদেরহর কোমল অংশে যেমন স্তন, নিতম্ব, ঊরুদ্বয় প্রভৃতির মর্দন হ'য়ে থাকে।
রতিক্রিয়াকালে স্তন ও নিতম্ব মর্দন করেও পুরুষ ও নারী উভয়ে আনন্দ পায় বলে বাত্‍স্যায়ন বলেছেন।
তবে যারা পছন্দ করেন তাঁরাই এটা করবেন। যদি একজন বা দু'জনেই পছন্দ না করেন তবে এর প্রয়োজন নেই।

ঔপরিষ্ঠক বা মুখমেহন
মুখমেহন স্বাভাবিক মিলন হিসাবে বাত্‍স্যায়ন স্বীকার করেন নি। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে এটি সর্বদা চলতে পারে না। তবু শাস্ত্রে এটি উল্লিখিত হয়েছে।
শাস্ত্রে উল্লিখিত হবার অর্থ অবশ্য এই নয় যে, এটি খুব ভাল আসন বা এটি সম্মান পেয়েছে। শাস্ত্রে কেবল এটাকে একটি অস্বাভাবিক মিলন বলেই এর নাম উল্লিখিত হয়েছে।

ভারতের কোন কোন জাতির মধ্যে ঔপরিষ্ঠক স্বীকৃত ও বেশ প্রচলিত-কিন্তু তাই বলেই তাকে উচ্চ স্থান দেওয়া হয় না।
মুখমেহন সব পণ্ডিতের মতেই ঘৃন্য-তাই এ বিষয়ে বেশি আলোচনা করা হলো না।
বাত্‍স্যায়ন বলেন নারী শুধু তিনটি শ্রেণীরই নয়-তাছাড়াও আছে আর এক শ্রেণী-তার নাম হলো নপুংষক শ্রেণী।
এই নপুংষক শ্রেণীর যোনি ঠিকমত গঠিত নয়-তাই এদের সঙ্গে যৌন ক্রিয়া সম্ভব নয়। এদের দ্বারা কেবল মুখমেহন করানো চরতে পারে।
এই শ্রেণীর নপুংষক অনেক সময় অর্থের বিনিময়ে মুখমেহনে রাজী হয়।

এই মুখমেহন আট প্রকার হ'য়ে থাক-
১। নিমিত-এতে নপুংষক তার করতলে পুরুষাঙ্গ ধরে আসে- আসে- তার ওষ্ঠাধারে ঘর্ষণ করে।
২। পার্শ্ব-লিঙ্গ মুণ্ডের আবরণ খুলে আসে- আসে- মুখে প্রবেশ করানো।
৩। বহিঃসংদংশন্তদাঁত ও ঠোঁট দিয়ে পুরুষাঙ্গের আবরণ উন্মোচন।
৪। পুরুষাঙ্গ বারে বারে মুখের ভেতরে নেওয়া ও বের করা। বহুক্ষণ এরূপ করা।
৫। অন্তঃসংদংশন্তওষ্ঠাধর দিয়ে চোষণ করা।
৬। জিহ্বা দ্বারা চোষণ।
৭। আম্রচোষণ-পুরুষাঙ্গ আম্রের মত চোষণ করা।
৮। আকন্ঠীত-সম্‌সত পরুষাঙ্গ গিলে ফেলার মত।

মুখের মধ্যে সুরতের সঙ্গে সঙ্গে আলিঙ্গনাদিও চলতে পারে।
অনেক নীচজাতীয়া নারীদের দ্বারা এ কাজ করানো যেতে পারে।
কামশাস্ত্রে মুখে সুরত নিষিদ্ধ। তবে অনেকে এটি পছন্দ করেন।-বা কোন রাবাঙ্গনা রাজী হলে তার দ্বারা এটি করান। কিন্তু অন্তঃপুর চারিনীদের এটি করা উচিত নয়।

সহবাসের পরের কথা
সহবাসের পরে দু'জনেরই উচিত কমপক্ষে এক পোয়া গরম দুধ, একরতি কেশন ও দুই তোলা মিশ্রি সংযোগে সেবন করা। সহবাসে কিছু শক্তির হ্রাস হ'তে পারে। এতে করে কিঞ্চিত্‍ পূরণ হয়। অন্যথায় সহবাস করা উচিত নহে। এই কারণেই মনীষীরা মাসানে- একবার রতিক্রিয়া ব্যবস্থা করে দেন। যাতে উপরোক্ত সামগ্রীর যোগাড় করতে গরীব বা মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোকের পক্ষেও কষ্টকর না হয়। পুষ্টিকর খাদ্য না খেলে পুরুষ অচিরেই শক্তিহীন হ'য়ে পড়ে ও তার কর্মশক্তি লোপ পায়।
#ভাইরালভিডিওシভিডিও #ভাইরালভিডিওシ #বন্ধু

আসুন কিছু তথ্য জেনে নি। মাথা কেন আমাদের জন্য খুব সংবেদনশীল অঙ্গ।🧠 নার্ভ বা স্নায়ু কী?স্নায়ু (Nerves) হলো আমাদের দেহের ...
24/07/2025

আসুন কিছু তথ্য জেনে নি। মাথা কেন আমাদের জন্য খুব সংবেদনশীল অঙ্গ।

🧠 নার্ভ বা স্নায়ু কী?
স্নায়ু (Nerves) হলো আমাদের দেহের এক ধরনের সংবেদনশীল ও সঞ্চালনশীল টিস্যু (tissue), যা মস্তিষ্ক (Brain) এবং মজ্জা (Spinal cord) থেকে বার্তা শরীরের বিভিন্ন অংশে পাঠায় এবং আবার শরীর থেকে তথ্য মস্তিষ্কে পাঠায়।
🧩 নার্ভের কাজ:
১. বার্তা পরিবহন:
মস্তিষ্ক থেকে পেশি বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে নির্দেশ পাঠানো (যেমন: হাঁটো, কথা বলো)।
বাহ্যিক পরিবেশ থেকে পাওয়া অনুভূতি (যেমন: গরম, ঠান্ডা, ব্যথা) মস্তিষ্কে পাঠানো।
২. শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা।
৩. Reflex কাজ (প্রতিক্রিয়া): যেমন হাত গরম জিনিসে লাগলে নিজে থেকে সরিয়ে নেওয়া।
🧪 নার্ভের ধরন তিন প্রকার:
ধরন কাজ
১. সংবেদী স্নায়ু (Sensory nerves) বাহির থেকে অনুভূতি মস্তিষ্কে পাঠায়।
২. গমন স্নায়ু (Motor nerves) মস্তিষ্ক থেকে পেশিতে বার্তা পাঠায়।
৩. মিশ্র স্নায়ু (Mixed nerves) উপরের দুই কাজই করে।
📌 স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System) এর দুটি প্রধান অংশ:
1. মধ্য স্নায়ুতন্ত্র (Central Nervous System - CNS)
মস্তিষ্ক (Brain) + মজ্জা (Spinal cord)
2. পরিধি স্নায়ুতন্ত্র (Peripheral Nervous System - PNS)
CNS এর বাইরে যেসব নার্ভ রয়েছে।
🧠 নার্ভ কোষ (Neuron):
স্নায়ু কোষকে নিউরন (Neuron) বলে।
এটি বার্তা পরিবহন করে বৈদ্যুতিক সংকেত (Electrical signals) আকারে।
প্রতিটি নিউরনের তিনটি অংশ থাকে:
1. সেল বডি (Cell body)
2. ডেনড্রাইট (Dendrite) — বার্তা গ্রহণ করে
3. অ্যাক্সন (Axon) — বার্তা প্রেরণ করে
(তথ্য : সংগ্রহ)

৫২ বছর পর পেট থেকে বের করা হলো টুথব্রাশ - কি অবাক ব্যাপার---------------------------------------------------------------...
23/07/2025

৫২ বছর পর পেট থেকে বের করা হলো টুথব্রাশ - কি অবাক ব্যাপার
---------------------------------------------------------------------

চীনের একজন ব্যক্তির পেট থেকে ৫২ বছর পর আস্ত একটি টুথব্রাশ বের করা হয়েছে। ওই ব্যক্তির বয়স ৬৪ বছর। ১২ বছর বয়সে দাঁত মাজার সময় ব্রাশটি তাঁর পেটে ঢুকে গিয়েছিল। দীর্ঘদিন পেটের ভেতর সেটি নিয়েই দিব্যি চলাফেরা করছিলেন। তবে সম্প্রতি পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করায় চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হয় তাঁকে। শেষমেশ প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার করে পেট থেকে ব্রাশটি বের করেন চিকিৎসকেরা।

ওই ব্যক্তির নাম ইয়াং। বাড়ি চীনের পূর্বাঞ্চলের আহুনি প্রদেশে। তিনি বলেন, কিশোর বয়সে টুথব্রাশটি গিলে ফেলার পর ভয়ে সে কথা আর মা–বাবাকে বলতে সাহস পাননি। ভেবেছিলেন টুথব্রাশটি এমনিতেই গলে যাবে। তবে সম্প্রতি পেটের ভেতর অস্বাভাবিক কিছু টের পান। পরে হাসপাতালের চিকিৎসকেরা তাঁর পাচনতন্ত্র পরীক্ষা করে দেখেন টুথব্রাশটি তাঁর ক্ষুদ্রান্ত্রে আটকে আছে।

এরপর চিকিৎসকেরা এন্ডোস্কপির মাধ্যমে ৮০ মিনিট সময় নিয়ে পেটের ভেতর থেকে ১৭ সেন্টিমিটার দীর্ঘ ব্রাশটি বের করে আনেন। গত তিন বছরে রোগীর পাচনতন্ত্র থেকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অপসারণ করা দীর্ঘতম বস্তুগুলোর একটি ছিল এটি।

ঝোউ নামের একজন চিকিৎসক বলেন, স্বাভাবিক অবস্থায় অন্ত্রে টুথব্রাশ থাকলে এটি নড়াচড়া করতে পারে, চাপ দিতে পারে এমনকি অন্ত্রের ভেতরের টিস্যু ফুটো করে দিতে পারে। এতে অন্ত্র ছিদ্র হতে পারে। কখনো কখনো তা প্রাণঘাতী হতে পারে। ইয়াং সৌভাগ্যবান ছিলেন, কারণ ব্রাশটি অন্ত্রের একটি বাঁকে আটকে ছিল। দীর্ঘদিন ব্রাশটি নড়াচড়া করেনি।

এ খবর অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেন। একজন ব্যবহারকারী প্রশ্ন করেন, ‘তিনি কীভাবে এতটা সৌভাগ্যবান হলেন যে শরীরে টুথব্রাশ নিয়ে পাঁচ দশক বেঁচে থাকলেন? তিনি কীভাবে ভাবলেন টুথব্রাশ নিজে থেকেই গলে যাবে? তা ছাড়া তিনি কীভাবে ওই টুথব্রাশটি গিলে ফেললেন?’

৫০ বছরে পেটের ভেতরে টুথব্রাশটি টের না পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেন আরেকজন। তিনি লিখেছেন, ‘পাঁচ দশকে ব্রাশটি মোটেও টের পাননি। এটি অলৌকিক ঘটনা।’

গত বছর চীনের সিচুয়ান প্রদেশে একজন নারীর পেট থেকে ১৫ সেন্টিমিটার লম্বা ও আড়াই সেন্টিমিটার চওড়া সুপার গ্লুর টিউব বের করা হয়। তিনি জানান, তাঁর মনে হয়েছিল এটি গিলে ফেলার পর হজমপ্রক্রিয়ার সাহায্যে ঠিক হয়ে যাবে।

সুত্র-অনলাইন

সিজারিয়ান অপারেশনের দীর্ঘদিন পরও সেলাইয়ে ব্যথা করছে, কী করব?----------------------------------------------------------...
23/07/2025

সিজারিয়ান অপারেশনের দীর্ঘদিন পরও সেলাইয়ে ব্যথা করছে, কী করব?
--------------------------------------------------------------------------
সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে অনেক নারীকেই সিজারিয়ান করাতে হয়। এমনিতে এটি খুব জটিল অস্ত্রোপচার নয়, কিন্তু এই সিজারিয়ানের কারণে পরে নারীরা কিছু অসুবিধা ভোগ করতে পারেন। সেলাইয়ে ব্যথা, সেই সমস্যাগুলোর মধ্যে অন্যতম। সিজারিয়ান অপারেশন সফলভাবে পরিচালনা করার দীর্ঘদিন পরও অনেকে ব্যথার অভিযোগ করে থাকেন।

এই ব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে। যেসব কারণে অপারেশনের অনেক দিন পরও সেলাইয়ে ব্যথা থাকে।

১. স্নায়ুরোগ: অপারেশনের সময় কেটে যাওয়া স্নায়ু অস্বাভাবিকভাবে আরোগ্য লাভ করতে পারে, যা বছরের পর বছর ধরে তীব্র জ্বালাপোড়া বা ঝিনঝিন ব্যথার সূত্রপাত করে।

২. সেলাইয়ের মোটা স্তর: অভ্যন্তরীণ সেলাইয়ের স্তর অনেক সময় অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ও মাংসপেশির সঙ্গে লেগে থাকে। ফলে অস্বস্তি, টান টান ভাব ও নড়াচড়ার সময় ব্যথা করে।

৩. সেলাইয়ের মোটা স্তর ও এন্ডোমেট্রিওসিস: যদি এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু কোনোভাবে অভ্যন্তরীণ সেলাইয়ের স্তরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যায়, তবে তা মাসিকের সময়ে তীব্র ব্যথার অনুভূতি সৃষ্টি করে।

৪. হার্নিয়া: যদি সেলাইয়ের জায়গার আশপাশে কোনো স্ফীত অংশ পাওয়া যায় ও সঙ্গে তীব্র ব্যথা থাকে, তাহলে তা হার্নিয়া।

৫. পেটের মাংসপেশির বিভাজন: পেটের মাংসপেশিতে দুর্বলতা বা বিভাজন হলে তা সেলাইয়ের জায়গায় অস্বস্তি ও টান টান অনুভূতি সৃষ্টি করে।

৬. অনিয়ম: অপারেশনের তাৎক্ষণিক পরে নিয়ম না মেনে যদি ভারী কাজ করা হয়, তাহলে সেলাইয়ের ব্যথা অনুভূত হয়, যা দীর্ঘদিন স্থায়ী হয়।

মস্যাগুলো এড়াতে যা করতে পারি

১. ব্যথার জায়গা প্রসারিত করা: অভ্যন্তরীণ অঙ্গ ও মাংসপেশির সংযোজনকে বিচ্ছিন্ন করে শারীরিক গতিবিধিকে উন্নত করতে হবে।

২. ব্যথার ওষুধ: ব্যথানাশক ওষুধ এ ক্ষেত্রে বেশ উপকারী।

৩. শরীরচর্চা: একজন দক্ষ প্রশিক্ষককে দিয়ে মাংসপেশির চর্চা করতে হবে। এতে সেলাইয়ের ব্যথা ও অঙ্গের সঙ্গে মাংসপেশি সংযোজন কমে আসবে।

৪. সাময়িক চিকিৎসা: স্নায়ু রোগ হলে ওই অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।

ব্যথা যদি তীব্র আকার ধারণ করে ও প্রাত্যহিক জীবনযাপনে ব্যাঘাত ঘটায়, তাহলে অবশ্যই কাছের ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে চিকিৎসা নিতে হবে।

কৃতজ্ঞতা স্বীকার - ডা. সুমাইয়া বি. জাহান, রেসিডেন্ট মেডিকেল অফিসার, গাইনি ও প্রসূতি বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেড

🔥 আগুনে পুড়ে গেলে কী করবেন, কী করবেন না – জেনে রাখুন, শেয়ার করুন 🔥আগুনে_পোড়া_রোগীর_সঠিক_চিকিৎসা_জীবন_বাঁচাতে_পারে।বাড...
22/07/2025

🔥 আগুনে পুড়ে গেলে কী করবেন, কী করবেন না – জেনে রাখুন, শেয়ার করুন 🔥
আগুনে_পোড়া_রোগীর_সঠিক_চিকিৎসা_জীবন_বাঁচাতে_পারে।

বাড়িতে, রান্নাঘরে, কিংবা দুর্ঘটনায় পোড়ার ঘটনা হঠাৎ ঘটতেই পারে।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে, অনেকেই আজও ভুল ফার্স্ট এইড দেন – যার ফল মারাত্মক হতে পারে।
👉 গতকাল #মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনা আমাদের আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল — সঠিক চিকিৎসা জানা কতটা জরুরি!
🔥 পোড়ার ধরণ:
✅ ১ম ডিগ্রি বার্ন:
– ত্বকের উপরিভাগ লাল হয়ে যায়, হালকা ফুলে যায়, জ্বালা করে।
– আগুনের আঁচ বা হালকা গরমে হয়।
✅ ২য় ডিগ্রি বার্ন:
– ফোসকা পড়ে, তীব্র ব্যথা হয়।
– গরম পানি, তেল বা আগুনের সরাসরি সংস্পর্শে হয়।
✅ ৩য় ডিগ্রি বার্ন:
– ত্বক কালো বা সাদা হয়ে যায়, ব্যথা কম লাগতে পারে কারণ স্নায়ু নষ্ট হয়।
– বিস্ফোরণ, আগুনে ঝলসে যাওয়া, ইলেকট্রিক শক ইত্যাদি কারণে হয়।
✅ সঠিক করণীয় (First Aid):
🔹 আক্রান্ত অংশে ১৫–২০ মিনিট ধরে ঠান্ডা পানি ঢালুন।
🔹 দুই/তিন ডিগ্রি বার্ন হলে ১–২ ঘণ্টা পর্যন্ত পানি দিন।
🔹 পোড়া জায়গায় বরফ লাগাবেন না।
🔹 ফোসকা ফাটাবেন না।
🔹 পরিষ্কার গজ বা পাতলা কাপড়ে ঢেকে দিন।
🔹 রোগী জ্ঞান থাকলে স্যালাইন / ডাবের পানি / লবণ মেশানো পানি দিন।
🔹 যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যান।
❌ যা করবেন না:
🚫 টুথপেস্ট, ডিমের কুসুম, সিঁদুর, মলম, পাউডার বা তেল লাগাবেন না।
🚫 ফোসকা গলাতে যাবেন না।
🚫 বরফ দিয়ে ঠান্ডা করার চেষ্টা করবেন না।
🚫 পোড়া জায়গায় তুলা লাগাবেন না।
🚫 ভীত হয়ে ছোটাছুটি করবেন না – এতে আগুন আরও ছড়াতে পারে।
🧯 শেষ কথা:
একটু সচেতনতা অনেক বড় বিপদ থেকে জীবন বাঁচাতে পারে।
ভুল তথ্য নয়, ছড়িয়ে দিন সঠিক জ্ঞান।

ইতোমধ্যে দুইজন দগ্ধ রোগীর দেহে চারজন দাতার চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। একজন ব্যক্তি গুরুতর দগ্ধ হলে তার শরীর থেকে পানি,...
22/07/2025

ইতোমধ্যে দুইজন দগ্ধ রোগীর দেহে চারজন দাতার চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
একজন ব্যক্তি গুরুতর দগ্ধ হলে তার শরীর থেকে পানি, লবণ, প্রোটিন ও তাপ বের হয়ে যায়। বেশি পরিমাণে দগ্ধ হলে, রোগীর শরীরের অন্য অংশ থেকে চামড়া নেয়া সম্ভব না হলে, স্কিন ব্যাংকে দাতাদের দান করা সংরক্ষিত চামড়া দিয়ে রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। ফলে, রোগীর মৃত্যুঝুঁকি কমে এবং দ্রুত নতুন চামড়া তৈরি হয় বলে জানান বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
ইতোমধ্যে, ইনস্টিটিউটে ভর্তি থাকা দুই বছরের একটি শিশুর দেহে ৩৫২.৫ সেন্টিমিটার চামড়া প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। শিশুটির দেহের ৪২% গরম পানিতে পুড়ে যায় এবং দগ্ধ চামড়ায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ দেখা দিয়েছিলো। আট বছর বয়সী আরেক শিশুর ৭৭৯ সেন্টিমিটার চামড়া প্রতিস্থাপিত হয়েছে স্কিন ব্যাংকে সংরক্ষিত চামড়া দিয়ে। গ্যাসের চুলার আগুনে পুড়ে তার শরীরের ২২% দগ্ধ হয়েছিলো।
একজন সুস্থ মানুষ একাধিকবার চামড়া দান করতে পারেন। দাতার দেহে ১৪ দিনের মধ্যেই নতুন চামড়া তৈরি হয়ে যায়। এজন্য দাতাকে হাসপাতালেও ভর্তি থাকতে হয় না। সংরক্ষিত মৃতদেহ থেকেও ৬-১০ ঘন্টার মধ্যে চামড়া সংরক্ষণ করে স্কিন ব্যাংকে সংরক্ষণ করা সম্ভব।

পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত----------------------------------------------------------------আপনারা...
21/07/2025

পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
----------------------------------------------------------------

আপনারা কখনো পেনিসের আদর্শ সাইজ কত নিয়ে চিন্তিত হয়েছেন? অনেকেই এই বিষয়ে কমবেশি উৎসুক হয়ে থাকেন। আজকের এই ব্লগে আমরা পেনিসের আকার নিয়ে কিছু মিথ এবং সত্যের বিষয়ে আলোকপাত করব। বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারব যে, পেনিসের আকার কতটুকু হওয়া স্বাভাবিক এবং এই আকার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ।

একটি ব্যাপক গবেষণায়, ১৯৪২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পরিচালিত ৭৫টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে, ৫৫,৭৬১ জন পুরুষের উপর একটি গড় নির্ণয় করা হয়েছে। এই গবেষণা অনুযায়ী, লম্বা অবস্থায় গড় পেনিসের দৈর্ঘ্য ১৩.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.৪৮ ইঞ্চি), প্রসারিত অবস্থায় ১২.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.০৯ ইঞ্চি) এবং শিথিল অবস্থায় ৮.৭০ সেন্টিমিটার (৩.৪৩ ইঞ্চি) হিসাবে পাওয়া গেছে।

পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক মাপ নির্ণয় করলেন বিজ্ঞানীরা
অনেক পুরুষের মধ্যেই তাদের পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে উদ্বেগ বা দ্বিধা থাকে। এই বিষয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক আকার ও গড় মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হয়তো অনেকেরই এই সংশয় দূর করতে সাহায্য করবে। এক প্রতিবেদনে ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে যে, এই গবেষণা পরিচালনা করেছে লন্ডনের কিংস কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথকেয়ার সার্ভিসেস (এনএইচএস) ট্রাস্ট। গবেষণাটিতে ১৫ হাজার পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাতে তাদের পুরুষাঙ্গের মাপ সংগ্রহ করা হয়।

গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩.৬ ইঞ্চি। তবে, যদি টানা হয়, তাহলে এর দৈর্ঘ্য গড়ে ৫.২ ইঞ্চিতে পৌঁছে। এছাড়াও, পুরুষাঙ্গের পরিধি হয় সাধারণত ৩.৭ ইঞ্চি। উত্থানকালে, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫.১ ইঞ্চি এবং পরিধি হয় ৪.৫ ইঞ্চি। এই গবেষণায় বিভিন্ন জাতি এবং বয়সের পুরুষদের মাপ নেওয়া হয়েছিল এবং সেই মাপের গড় থেকে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গবেষকদের মতে, অনেক পুরুষেরই এই নিয়ে মনে নানা সংশয় থাকে। তবে, এই তথ্য জেনে তারা এখন নিজেরাই মাপ নিয়ে দেখতে পারেন, যে তাদের আকার স্বাভাবিক কি না। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আগে এটি তাদের একটি ধারণা দেবে। এই গবেষণার ফলাফল কনডম নির্মাতাদের জন্যও খুবই উপকারী হতে পারে, কারণ সঠিক মাপের কনডম তৈরি করার জন্য তারা এই তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। গবেষণার ফলাফল ব্রিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত হয়েছে।

পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত?
পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে চিন্তা বা দুশ্চিন্তা বহু পুরুষের মধ্যে প্রচলিত একটি বিষয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষই মনে করেন যে তাদের পুরুষাঙ্গ ছোট, যদিও বাস্তবিকভাবে এটি যৌন সক্ষমতার সাথে তেমন সম্পর্কিত নয়। গড়ে উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য হয় ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি, যা অঞ্চলভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, খুব বিরল ক্ষেত্রে, কিছু পুরুষের জন্মগত বা হরমোনজনিত কারণে ৩ ইঞ্চির কম আকারের পুরুষাঙ্গ দেখা যেতে পারে, যা “মাইক্রোপেনিস” নামে পরিচিত।

গবেষণায় আরও জানা গেছে যে, বেশিরভাগ পুরুষের জন্য ৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পুরুষাঙ্গ যৌন সঙ্গিনীকে পরিতৃপ্তি দিতে যথেষ্ট। আকার ছোট হলেও তা যৌন মিলনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। তবে, প্রোস্টেট ক্যান্সারের মতো কিছু রোগের কারণে পুরুষাঙ্গের আকারে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু এটি খুবই বিরল। পেনিসের আদর্শ সাইজ কত বা লিঙ্গের স্বাভাবিক সাইজ কত – এ প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলা যায়, শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৩-৩.৫ ইঞ্চি থাকে, যা উত্তেজিত অবস্থায় ৫-৬ ইঞ্চিতে পৌঁছায়।

যৌনতার ক্ষেত্রে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকার খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুইজারল্যান্ডের একটি গবেষণায় ১০৫ জন নারীর উপর জরিপ চালানো হয়, যেখানে দেখা গেছে, নারীরা যৌনতার সময় পুরুষাঙ্গের আকারের চেয়ে এর স্বাভাবিক আকৃতি এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন। এছাড়া, কসমোপলিটান ম্যাগাজিনের এক জরিপে দেখা গেছে, বয়স এবং যৌন অভিজ্ঞতার সঙ্গে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকারের গুরুত্ব আরও কমে আসে।

যৌনমিলনের ক্ষেত্রে লিঙ্গের আকারের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক সংযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষদের অহেতুক দুশ্চিন্তা বা অজ্ঞতা তাদের যৌন জীবনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ছোট আকারের পুরুষাঙ্গও উত্তেজিত অবস্থায় অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে। লিঙ্গের আদর্শ সাইজ কত হলে ভালো হয় বা আদর্শ লিঙ্গের সাইজ কত হওয়া দরকার – এ প্রশ্ন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখাই সঠিক পথ।

যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন পদ্ধতি, যেমনঃ বড়ি, ক্রিম, এবং অস্ত্রপ্রচার, পুরুষাঙ্গের আকার বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলে আসছে, তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে তেমন কোনো সফল ফলাফল পাওয়া যায়নি। বরং, এসব পদ্ধতি অনেক সময় পুরুষের স্বাভাবিক যৌনক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। তাই লিঙ্গের সাইজ কত হলে ভালো হয় বা পেনিস সাইজ কত হওয়া দরকার – এ বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে বিজ্ঞানসম্মত তথ্যের উপর নির্ভর করাই উত্তম।

উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষদের পেনিসের আদর্শ সাইজ কত?
সাধারণত পেনিসের দৈর্ঘ্য ৫.১ থেকে ৫.৯ ইঞ্চির মধ্যে হয়ে থাকে।
অনেকের ধারণা পেনিস বড় হলে স্ত্রীকে বেশি আনন্দ দেওয়া যায়, কিন্তু আসলে স্থায়িত্বই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত স্থায়িত্ব ৭ থেকে ১০ মিনিট হয়ে থাকে।
পুরুষাঙ্গ একেবারে সোজা নয়, সাধারণত একটু বাঁকা থাকে।
পুরুষাঙ্গের আগা মোটা এবং গোড়া চিকন হওয়াকে বড় ধরণের সমস্যা মনে করার দরকার নেই।
পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য কোন জাদুকরী তেল বা ঝাড় ফু সম্পূর্ণ বানোয়াট, তাই এমন ফাঁদে পড়বেন না।
পুরুষাঙ্গ বড় না হলেও নারীকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব; মাত্র ৩ ইঞ্চি পেনিসই খুশি করতে যথেষ্ট।
পুরুষাঙ্গ অতিরিক্ত বড় হলে অনেক সময় নারীরা ব্যথা পায়, যা যৌন আতঙ্কে রূপ নিতে পারে।
প্রকৃত ছোট লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ২.৭৬ ইঞ্চির কম হয়।
পুরুষাঙ্গের গোঁড়া চিকন, আগা মোটা বা বাঁকা হওয়া যৌন মিলনে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না।
নিজ স্ত্রী ছাড়া অন্য কোথাও পুরুষাঙ্গ ব্যবহার করবেন না, এতে আপনি অনেক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

Address

Azompur
Dhaka
1020

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এসো ডাক্তারি তথ্য জানি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

কোন প্রকার মেডিসিন ছাড়া পরামর্শ দেয়া হয়।

যারা বিদেশে থাকেন, একা একা জীবন যাপন করেন, বিবাহিত কিন্তু আপনি অক্ষম, বিবাহিত কিন্তু আপনি পরিবার থেকে দূরে, অবিবাহিত কিন্তু মন যে মানে না, খারাপ জায়গায় যেতে চান না, নিজের কষ্টার্জিত টাকা অপচয় করতে চান না, কেবল তাদের জন্য আমাদের এই পরামর্শ...... বিভিন্ন ধরনের ম্যাজিক কনডম, ডল, পুরুষ লিঙ্গ(পেনিস),স্ত্রী লিঙ্গ( ভেজাইনা), ৪০/৫০ মিনিট সেক্স করার স্প্রে/ ক্রিম/ দুধ বড় বা ছোট করার ক্রিম, পেনিস বড় মোটা করার ক্রিম, দ্রুত বীর্যপাত আরও নানান রকম জিনিস এর জন্য এখানে ক্লিক করুন। www.besorom.com আপনারা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন ০১৬৮৫৪১৭৭০৫ (whats app/ viber/ Imo/ wechat ) নম্বরে ।