Tea or Sugar

Tea or Sugar The Story Behind TeaOrSugar
নিজের গল্প, নিজের চা

Every great story can begin with something very simple. For us, it began with a cup of tea. A reason to pause.

In Bangladesh, tea is never just tea. It is an invitation to sit down. teaorsugar–এর জগতে স্বাগতম। এখানে এক কাপ চায়ের আড্ডায় শুরু হয় নানা গল্প, চিন্তা আর অনুপ্রেরণার কথা। জীবন, সংস্কৃতি, অভিজ্ঞতা আর আনন্দের টুকরো মুহূর্ত – সবকিছু নিয়েই আমাদের আলাপ। ব্যস্ততার ফাঁকে কিংবা বিশ্রামের সময়, একবার শুনতে শুরু করলে মনে হবে আপনিই আছেন আমাদের সাথে এক টেবিলে বসে।

Welcome to teaorsugar – where every conversation starts with a cup of tea. This is your cozy corner for meaningful talks, lighthearted stories, and refreshing perspectives. From everyday life to culture, lifestyle, and inspiring journeys, we sip, talk, and repeat. Whether you’re relaxing at home or on the go, join us for warm, engaging conversations that feel just like chatting with a friend.
,
Sip, Talk, Repeat.

06/09/2026

The 3pm slump doesn't stand a chance ☕️

06/09/2026

Your 3 PM reset” – short Reel of pouring tea with calming music.the 3pm slump doesn't stand a chance ☕️

Your 3 PM reset” – short Reel of pouring tea with calming music.
06/09/2026

Your 3 PM reset” – short Reel of pouring tea with calming music.

শেষ পর্যন্তগির্জার ভেতরে মোমবাতির আলোয় উনিশটি শিশু বসে আছে। কাঠের বেঞ্চে বসে তারা এক বাটি ঝোল খাচ্ছে, আর বাইরের অবস্থা ...
28/08/2026

শেষ পর্যন্ত

গির্জার ভেতরে মোমবাতির আলোয় উনিশটি শিশু বসে আছে। কাঠের বেঞ্চে বসে তারা এক বাটি ঝোল খাচ্ছে, আর বাইরের অবস্থা নিয়ে ফিসফিস করে কথা বলছে। ফাদার জন পলের বারবার বলা কথা—"চিবিয়ে খাও"—কেউ কানে তুলছে না। তিনি ধীরে ধীরে কুমারী মেরির মূর্তির সামনে গিয়ে হাঁটু গেড়ে বসেন, প্রার্থনা করেন যেন তিনি এই সন্তানদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করে দেন।

ছয় বছর আগে শুরু হওয়া যক্ষ্মা মহামারী শহরের এক-তৃতীয়াংশ মানুষকে কেড়ে নিয়েছে। প্রথমে বয়স্করা মারা যান, তারপর শিশুরা। যারা বেঁচে গেছে, তারা এখন খাবারের শেষ কণাটুকুর জন্য একে অপরকে হত্যা করছে। তেলও ফুরিয়ে গেছে—মরুভূমির কূপগুলো শুকিয়ে গেছে। এই শহরে আর বেঁচে থাকা নিরাপদ নয়।

দুই বছর আগে ফাদার জন পল নটর-দাম দ্য আফ্রিক গির্জাকে অনাথ শিশুদের আশ্রয়ে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন—আর সেটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। তিনি রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে রোগমুক্ত, গৃহহীন শিশুদের খুঁজে বের করতেন, তাদের এই গির্জায় আশ্রয় দিতেন। এভাবেই সাত থেকে পনেরো বছর বয়সী বিশটি শিশুর এই পরিবার গড়ে উঠেছিল।

রাতের খাবারের পর তারা এক বৃত্তে বসে পুরনো জীবনের গল্প বলে, কল্পনার জগৎ তৈরি করে—নিষ্ঠুর বাস্তবতা থেকে সামান্য পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা। ফাদার জন পল তাদের মুখের হাসি আর কান্না দেখেন, আর নিজেকে প্রশ্ন করেন—এই শিশুদের বাইরের নির্মম পৃথিবী থেকে আড়াল করে রেখে তিনি কি আসলে তাদের ভবিষ্যতের জন্য আরও দুর্বল করে তুলছেন?

হঠাৎ একটা শব্দ শোনা যায়—বৃষ্টির শব্দ নয়, পায়ের আওয়াজ। শিশুরাও শুনতে পায়। মুহূর্তেই সব মোমবাতি নিভে যায়, রাইফেল হাতে সবাই বেঞ্চের নিচে লুকিয়ে পড়ে। দরজা খুলে যায়। দুই পূর্ণবয়স্ক লোক আর একটি শিশু দাঁড়িয়ে—শিশুটি ফরিদ, যার মুখ ক্ষতবিক্ষত। চার মাস আগে মানসিক ভেঙে পড়ে সে এই পরিবার ছেড়ে চলে গিয়েছিল।

বিদ্যুৎ চমকে ওঠে, ক্রুশবিদ্ধ যিশু, কুমারী মেরি, সাধু অগাস্টিন আর মার্গারেট বার্গারের মূর্তির উপর আলো পড়ে।

"সামনে এসো," একজন চিৎকার করে বলে, "আমরা জানি তোমরা এখানে লুকিয়ে আছো। কথা দিচ্ছি, ক্ষতি করব না। আমরা তোমাদের এই কারাগার থেকে মুক্ত করতে এসেছি। ফাদার জন, সময় হয়েছে মেনে নেওয়ার—সব শেষ।"

ফাদার জন পল আলোর মধ্যে বেরিয়ে আসেন। কণ্ঠস্বর তাঁর চেনা—একদা মসজিদে এই লোকটির বয়ান শুনেছিলেন তিনি।

"এরা আমার সন্তান, আর এটা তাদের ঘর। এখানে তারা বড় হয়েছে, ভালো মানুষ হয়ে উঠেছে—তোমাদের মতো নয়। আর কেউ তাদের এখানে থাকতে বাধ্য করছে না।"

কথা শেষ হতেই শিশুরা উঠে দাঁড়ায়, গুলি চালায়। তিনজনের দেহ ঝাঁঝরা হয়ে যায়। তাদের রক্ত গির্জার দেয়ালে আর প্রবেশদ্বারের ফলকে গিয়ে ছিটকে পড়ে, যেখানে লেখা—"হে আফ্রিকার জননী, আমাদের আর আমাদের মুসলিম ভাইদের অমঙ্গল থেকে রক্ষা করো।"

#যুদ্ধেরছায়া #শিশুদেরযুদ্ধ #বেঁচেথাকারলড়াই

11/08/2026

ফাহিম সালেহ: পাঠাও প্রতিষ্ঠাতার স্বপ্ন থেকে করুণ মৃত্যুর গল্প

মাত্র ১৫ বছর বয়সে কোডিং শুরু করেছিলেন তিনি। ২০-এর কোঠায় থাকতেই সহ-প্রতিষ্ঠা করেন পাঠাও — যে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ প্রতিদিন লাখো বাংলাদেশির চলাচলের ধরনই বদলে দিয়েছে। কিন্তু এই বাংলাদেশি-আমেরিকান টেক মিলিওনিয়ারের সাফল্যের গল্পের পেছনে লুকিয়ে আছে এক হৃদয়বিদারক পরিণতি।

এই ভিডিওতে আমরা তুলে ধরেছি ফাহিম সালেহর পুরো জার্নি — নিউইয়র্কে একজন ওয়েবসাইট ডেভেলপার হিসেবে শুরু থেকে, ঢাকায় হ্যাকহাউজ প্রতিষ্ঠা, ২০১৬ সালে পাঠাও চালু করা, এবং নাইজেরিয়া (গোকাডা), কলম্বিয়া (পিকাপ), নেপালসহ বিশ্বজুড়ে তার ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য বিস্তারের গল্প। পাশাপাশি জানবো তার ব্যবসায়িক দর্শন — "অর্থকে অনুসরণ করো না, তাকেই তোমাকে অনুসরণ করতে দাও" — এবং ২০২০ সালে নিউইয়র্কে তার নৃশংস হত্যাকাণ্ড, যা বাংলাদেশের স্টার্টআপ কমিউনিটি ও প্রযুক্তি বিশ্বকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছিল।

🔹 কীভাবে নিউইয়র্কের এক কিশোর হয়ে উঠলেন বৈশ্বিক টেক উদ্যোক্তা
🔹 পাঠাও প্রতিষ্ঠার অজানা গল্প
🔹 আফ্রিকা, লাতিন আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়াজুড়ে তার বিনিয়োগ
🔹 নিজের অ্যাপার্টমেন্টে করুণ পরিণতি

গল্পটি যদি আপনার ভালো লাগে — এবং হৃদয়স্পর্শী মনে হয় — তাহলে লাইক, কমেন্ট এবং সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না, এমন আরও অজানা উদ্যোক্তাদের গল্প জানতে।

⏱️ টাইমস্ট্যাম্প:
0:00 ভূমিকা
0:45 শুরুর জীবন ও পরিচয়
3:00 ঢাকায় আগমন ও পাঠাওয়ের জন্ম
6:30 বৈশ্বিক সাম্রাজ্য বিস্তার
9:30 ব্যবসায়িক দর্শন
11:30 ব্যক্তিগত জীবন ও শেষ পরিণতি
13:30 উপসংহার

📌 তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলার সাক্ষাৎকার, বেসিস (বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস)-এর বিবৃতি, এবং ফাহিম সালেহর ব্যক্তিগত ব্লগ।

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tea or Sugar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share