Voice of Osman

Voice of Osman For details, contact with me by email : [email protected]

❇ যেভাবে স্বামীর কাছ থেকে ভালোবাসা আদায় করে নিতে হয় 💑  ভালোবাসা কখনো জোর করে আদায় করা যায় না, তবে ভালোবাসা পাওয়া যায় সঠি...
26/12/2025

❇ যেভাবে স্বামীর কাছ থেকে ভালোবাসা আদায় করে নিতে হয় 💑

ভালোবাসা কখনো জোর করে আদায় করা যায় না, তবে ভালোবাসা পাওয়া যায় সঠিক আচরণ, আন্তরিকতা এবং আবেগের প্রকাশের মাধ্যমে। একজন স্ত্রী চাইলেই তার স্বামীর হৃদয়ে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিতে পারেন — শুধু কিছু কৌশল ও যত্নের ছোঁয়ায়। ভালোবাসা আদায়ের এই টিপসগুলো বাস্তব, আবেগপূর্ণ এবং দৈনন্দিন সম্পর্কের জন্য উপযোগী।

১. আত্মবিশ্বাসী ও হাসিখুশি থাকুন 😍
স্বামীর কাছে নিজেকে সবসময় আত্মবিশ্বাসী ও প্রাণবন্তভাবে উপস্থাপন করুন। আপনার মুখের হাসিই হতে পারে তার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা। একজন হাসিমুখী, ইতিবাচক স্ত্রী দিনের ক্লান্তি ভুলিয়ে দিতে পারে।

২. মিষ্টি কথা ও গুণের প্রশংসা করুন 💬
ছোট ছোট কথায় প্রশংসা করুন— “তোমার কাজের ধরণটা দারুণ”, “তুমি না থাকলে বুঝি না কি করতাম।” এমন মধুর বাক্য পুরুষের হৃদয়ে গভীর ভালোবাসা তৈরি করে।

৩. সেজে উঠুন তার পছন্দ অনুযায়ী, হালকা সুগন্ধি ব্যবহার করুন। চোখে চোখ রেখে কথা বলুন, আস্তে করে জিজ্ঞেস করুন তার দিন কেমন কেটেছে, তবেই সে শুধু আপনাকেই চাইবে।

৪. নিজেকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপন করুন ✨
নিজেকে পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখুন। মাঝে মাঝে একটু ভিন্ন সাজ, নতুন পোশাক বা চুলে পরিবর্তন স্বামীকে নতুন করে আপনাকে দেখতে সাহায্য করে। পুরুষরা ভিজুয়াল – তাই চোখের সুখের দিকটাও অবহেলা করবেন না।

৫. তার পছন্দের যত্ন নিন
তার পছন্দের খাবার রান্না করুন, ছোট ছোট খেয়াল রাখুন—যেমন জামা কবে ধুতে হবে, কোন দিনে তার গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ইত্যাদি। এসব যত্ন তার হৃদয়ে আপনার জন্য গভীর আবেগ তৈরি করে।

৬. তার কথা মন দিয়ে শুনুন 👂
পুরুষরা চায় একজন শ্রোতা, বিচারক নয়। সে যখন কিছু বলছে, মন দিয়ে শুনুন, চোখে চোখ রেখে প্রতিক্রিয়া দিন। আপনি যদি তার কথার গুরুত্ব দেন, সে আপনাকে তার সবচেয়ে কাছের বন্ধু মনে করবে।

৭. বিশ্বাস এবং স্বাধীনতা দিন 🕊️
ভালোবাসা কেবল আবেগে না, বিশ্বাসে গড়ে ওঠে। তাকে অকারণে সন্দেহ করবেন না। যদি কখনো দেরি করে ফেরে বা বন্ধুর সাথে সময় কাটায়, তাকে জায়গা দিন। সে তখন বুঝবে আপনি শুধু স্ত্রী না, তার আত্মার আশ্রয়।

৮. প্রতিদিন ছোট ছোট মেমোরি তৈরি করুন

কাজের ফাঁকে “তোমাকে মিস করছি” মেসেজ, খোঁজ নিন—এই ছোট ছোট বিষয় বিশাল প্রভাব ফেলে। এতে সে বুঝবে, আপনি শুধু তার পাশে না, তার হৃদয়েও আছেন।

৯. রাগ বা অভিমান সংযমে রাখুন 🔥
স্বামীর প্রতি রাগ বা অভিমান হতেই পারে, কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণে রাখুন। নরম ভাষায় কথা বলুন, বুঝিয়ে বলুন কেন আপনি কষ্ট পেয়েছেন। কঠিন আচরণ নয়, কোমল ভাষাই বেশি কার্যকর।

১০. রোমান্টিক সময় তৈরি করুন 🕯️
সপ্তাহে অন্তত একদিন রোমান্টিক ডেট নাইট, একসাথে সিনেমা দেখা, অথবা ছাদে মোমবাতি দিয়ে কিছুক্ষণ গল্প—এসব মুহূর্ত সম্পর্ককে আরও গভীর করে তোলে। নিজেরা সময় না কাটালে ভালোবাসা শুকিয়ে যায়।

ভালোবাসা চাইলে আগে দিতে জানতে হবে। একটি মেয়ের আবেগ, ভালোবাসা, কেয়ার, সম্মান এবং নারীত্ব — এগুলোর সম্মিলনে স্বামীর হৃদয় জয় করা সম্ভব। কৌশল নয়, আন্তরিকতাই আসল চাবিকাঠি। ভালোবাসা কখনো জোর করে নয়, আদর করে, যত্ন করে হৃদয়ে জায়গা করে নিতে হয়। আপনি যদি স্বামীকে ভালোবাসেন, তাহলে বিশ্বাস রাখুন—সেও একসময় আপনাকে ভালোবাসতে বাধ্য হবে।

যারা অশান্তিতে আছেন লেখাটি তাদের জন্য।▪️সম্পর্কের প্রথমে হলো বিশ্বাস। এই বিশ্বাসটাই একটা সম্পর্কের মূল, যে সম্পর্কে বিশ্...
26/12/2025

যারা অশান্তিতে আছেন লেখাটি তাদের জন্য।

▪️সম্পর্কের প্রথমে হলো বিশ্বাস।
এই বিশ্বাসটাই একটা সম্পর্কের মূল, যে সম্পর্কে বিশ্বাস নেই সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।

▪️সম্পর্কের দ্বিতীয় হলো সন্মান।
যে সম্পর্কে সন্মান নেই একজন একজনকে সন্মান দেয় না, সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।

▪️সম্পর্কের তৃতীয় হলো সেক্রিফাইস।
এই সেক্রিফাইস টা যদি দু'জন দু'জনকে সেক্রিফাইস করতে না পারে, সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।

▪️সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় ব্যাক্তি।
সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় মানুষকে সুযোগ দেবেন না।
তাহলে ওই সম্পর্ক টিকে থাকবে না।

এবার আসি মূল কথায়⬇️

▪️একটা সম্পর্কের মধ্যে উপরের ৪টি কথাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
বিবাহিত জীবন শুরু করা খুবই কষ্টকর,যদি আপনি উপরের তিনটি কথা মানতে না পারেন।

▪️বিবাহিত জীবনে নানান সমস্যা হবে সবকিছুকে দোষ ভেবে আলাদা হয়ে যাবেন না। দোষ কোথায় সেটা খোঁজার চেষ্টা করুন। দেখবেন নিজেই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

▪️আপনি জানেন আপনার দোষ তারপর ও আপনি চুপ থাকুন, দেখবেন অনেক সহজ হয়ে গেছে সবকিছু।

▪️এক/দুই কথায় সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় মানুষকে আসতে দেবেন না।নিজেরা বসে সমাধান করার চেষ্টা করুন।

▪️কখনো ডিভোর্সের কথা মাথায় ও আনবেন না।ডিভোর্সে কখনো শান্তি আনতে পারে না।আপনি মনে করেন যে, ডিভোর্স দিলে হয়তো আমি মুক্তি পেয়ে যাবো,আসলে তা কখনো হয় না,সমাজের এক/দুইটা ডিভোর্সী ভাই/বোন দেরকে প্রশ্ন করে দেখুন যে তারা কেমন আছেন? তাদের নিজ পরিবার এবং সমাজের মানুষের সাথে কেমন সম্পর্ক এবং সমাজ তাদেরকে কোন চোখে দেখে সেটা একবার কল্পনা করুন,নিজেই তার প্রমাণ পেয়ে যাবেন।

▪️আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে কি সমস্যা? কি কারণে বিছিন্ন হতে চাইছেন এগুলোর সমাধান খুঁজুন। ওই বিষয় গুলো ত্যাগ করতে চেষ্টা করুন, দেখবেন সমাধান আপনার হাতেই।
রাগ / অহংকার / জেদ এগুলো ত্যাগ করে প্রিয় মানুষের সাথে সংসার করতে শিখুন। দেখবেন পৃথিবীতে আপনার মতো সুখী মানুষ আর কেউ হবে না।

▪️এসব কথা গুলো যদি আপনি মানতে না পারেন,তাহলে আপনার জন্য সংসার নয়।আপনি কখনোই কোথাও সুখী হবেন না।

▪️ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল সম্পর্কের মানুষ গুলো।ভালো থাকুক প্রিয় মানুষ গুলো।

সহবাসের পরেই কেন আসে 'মৃত্যুর' মতো ঘুম?বিছানায় নিজেকে বাঘ মনে করা পুরুষটি কেন চূড়ান্ত মুহূর্তের ঠিক পরেই একটি মৃত লাশের ...
26/12/2025

সহবাসের পরেই কেন আসে 'মৃত্যুর' মতো ঘুম?

বিছানায় নিজেকে বাঘ মনে করা পুরুষটি কেন চূড়ান্ত মুহূর্তের ঠিক পরেই একটি মৃত লাশের মতো নেতিয়ে পড়ে? যে শরীর কিছুক্ষণ আগেও উত্তেজনায় কাঁপছিল, এক ফোঁটা নির্গত হওয়ার পর কেন মনে হয় শরীরের সব শক্তি কেউ শুষে নিয়েছে? আপনি কি কখনও ভেবেছেন, এই ক্লান্তি কি আপনার পৌরুষের অভাব, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে প্রকৃতির গভীর কোনো ষড়যন্ত্র?

আপনার মনে কি প্রশ্ন জাগে না—যৌন মিলন কি আসলেই শক্তির উৎস, নাকি এটি তিলে তিলে আপনাকে শেষ করে দিচ্ছে?

ফরাসিরা অর্গাজম বা চরম তৃপ্তিকে বলে "La Petite Mort" বা "ছোট মৃত্যু"। কেন জানেন? কারণ যৌন মিলনের সময় আপনার মস্তিষ্ক ডোপামিন আর অক্সিটোসিনের বন্যায় ভাসতে থাকে। কিন্তু ক্লাইম্যাক্সের ঠিক পরেই পুরুষের শরীরে 'প্রোল্যাক্টিন' (Prolactin) নামক হরমোনের বিস্ফোরণ ঘটে। এই হরমোন আপনাকে তৃপ্ত করে ঠিকই, কিন্তু একইসাথে আপনার শরীরকে জোর করে 'স্লিপ মোডে' পাঠিয়ে দেয়। আপনি চাইলেও তখন চোখ খোলা রাখতে পারেন না।

এখন প্রশ্ন হলো, আপনার সঙ্গিনী যখন আপনার আদরের অপেক্ষায়, তখন আপনার এই নাক ডেকে ঘুমানো কি স্বার্থপরতা নয়? নাকি আপনি আপনার বায়োলজির কাছে অসহায় দাস?

অনেকে ভাবেন যৌন মিলন মানেই হয়তো বিশাল কোনো ব্যায়াম। কিন্তু সত্যিটা হলো, একবারের মিলনে আপনি হয়তো মাত্র ১০০-১৫০ ক্যালোরি পোড়ান। তাহলে কেন মনে হয় আপনি যুদ্ধ জয় করে এলেন? এর কারণ শারীরিক নয়, মানসিক। উত্তেজনার সময় আপনার হার্টবিট বাড়ে, রক্তচাপ বাড়ে, মাংসপেশি শক্ত হয়ে যায়। যখনই 'রিলিজ' হয়, শরীর ঝপ করে রিলাক্সড হয়ে যায়। এই আকস্মিক পতনই আপনাকে অবসন্ন করে তোলে।

ভেবে দেখুন: আপনি কি আসলেই ক্লান্ত, নাকি আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে বোকা বানিয়ে বিশ্রাম নিতে বাধ্য করছে যাতে আপনি দ্বিতীয়বার এখনই সক্ষম না হন? প্রকৃতি কি চায় না আপনি বারবার মিলিত হন?

সমাজে প্রচলিত আছে, "বেশি মিলন করলে শরীর ক্ষয় হয়ে যায়, হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে যায়।" সত্যিই কি তাই? নাকি এটি দুর্বলদের অজুহাত? বিজ্ঞান বলে, পরিমিত যৌনতা ইমিউনিটি বাড়ায়। কিন্তু অতিরিক্ত আসক্তি?

অতিরিক্ত যৌন মিলন আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে সবসময় হাইপার-অ্যাক্টিভ রাখে। বারবার ডোপামিন রিলিজ হওয়ার ফলে মস্তিষ্ক তার স্বাভাবিক ভারসাম্য হারায়। তখন শরীর আর সেক্সকে আনন্দ হিসেবে নেয় না, নেশা হিসেবে নেয়। আর যেকোনো নেশার শেষ পরিণতি হলো—চরম অবসাদ এবং ক্লান্তি।

আপনার কি মনে হয় না, যে শক্তি আপনি বিছানায় ব্যয় করছেন, তা অন্য কোনো সৃজনশীল কাজে লাগালে আপনি বিশ্ব জয় করতে পারতেন? নাকি যৌনতাই আপনার জীবনের একমাত্র চালিকাশক্তি?

অনেক মনোবিজ্ঞানী বলেন, মিলনের পর পুরুষের দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া আসলে এক ধরনের 'পলায়ন'। ঘনিষ্ঠতার পর যে ইমোশনাল বা আবেগি মুহূর্ত তৈরি হয়, অনেক পুরুষ তা হ্যান্ডেল করতে পারেন না। তাই অবচেতনভাবেই তারা ঘুমের দেশে পালিয়ে যান।
আপনি কি আপনার সঙ্গীর চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলতে ভয় পান বলেই ঘুমিয়ে পড়েন? নাকি সত্যিই আপনার শরীরে আর এক বিন্দু শক্তি অবশিষ্ট থাকে না?

যৌনতা শুধুই শরীরের ঘাম ঝরানো নয়, এটি মস্তিষ্কের এক জটিল রসায়ন। মিলনের পর ক্লান্তি আসা স্বাভাবিক, কিন্তু সেই ক্লান্তির দোহাই দিয়ে সঙ্গীকে এড়িয়ে যাওয়া কি কাপুরুষতা নয়? আপনার শরীর হয়তো হরমোনের দাস, কিন্তু আপনার মন? সেটার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে?

এখন নিজেকে প্রশ্ন করুন—আজ রাতে আপনি কি শুধুই নিজের সুখের জন্য বিছানায় যাবেন, নাকি সঙ্গীকেও সেই পূর্ণতা দেবেন যা ঘুমের চেয়েও দামী?

একটা পোস্ট চোখে পড়েছিল কয়েকদিন আগে,,,বিবাহিত নারীদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,“যদি আবার বিয়ের সুযোগ পেতেন, তাহলে কি এখনকার মা...
25/12/2025

একটা পোস্ট চোখে পড়েছিল কয়েকদিন আগে,,,

বিবাহিত নারীদের জিজ্ঞেস করা হয়েছিল,
“যদি আবার বিয়ের সুযোগ পেতেন, তাহলে কি এখনকার মানুষটাকেই বিয়ে করতেন?”

উত্তরগুলো পড়তে গিয়ে মনটা ভার হয়ে গেল।
প্রায় সবাই লিখেছে— “না।”
কারণ হিসেবে এসেছে অবহেলা, বদলে যাওয়া আচরণ, অসম্মান, কেয়ার না পাওয়া।

অনেকেই লিখেছে—
“আগে জানলে কখনোই বিয়ে করতাম না।”

এই কথাগুলো হালকা না।
এগুলো একটা নারীর ভেঙে যাওয়ার নীরব স্বীকারোক্তি।

আমরা প্রায়ই শুনি—
“বিয়ের পর ছেলেরা বদলে যায়।”
কমেন্ট বক্সগুলো দেখলে বোঝা যায়, এটা কোনো অভিযোগ না—
এটা বাস্তব অভিজ্ঞতা।

অথচ একই সমাজে আবার এমন দাম্পত্যও দেখি—
বিয়ের বহু বছর পরেও যেখানে স্ত্রী স্বামীর প্রতি কৃতজ্ঞ।
স্বামী বাজার করতে গিয়ে হঠাৎ একটা গোলাপ নিয়ে এলে, বা স্ত্রীর জন্য তার পছন্দের কিছু সামান্য জিনিস আনলে,
স্ত্রীর চোখ ভরে যায় ভালোবাসায়।
এমন সুখী মানুষও আমাদের চারপাশেই আছে।

তাহলে পার্থক্যটা কোথায়?

পার্থক্যটা আসলে মনোভাবে।

অনেক মানুষ বিয়ের পর মনে করে—
“পেয়ে তো গেছি ,,
তারপর আর আগের মতো কেয়ার, চেষ্টা, ভালোবাসা ,অগ্রাধিকার রাখে না, শুধু নাম মাত্র স্বামী-স্ত্রী হিসেবে থাকে,

কিন্তু সত্যটা হলো—
বিয়ে করে পেলেই হয় না, বিয়ে প্রতিদিন আগলে রাখার নাম।

একজন পুরুষের ভালোবাসা মানে শুধু দায়িত্ব পালন না।
ভালোবাসা মানে—

স্ত্রীর কথা মন দিয়ে শোনা

তার অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া

তাকে সর্বোচ্চ সময় দেওয়া যতটুকু সম্ভব হয়,

স্ত্রীকে সময় দেওয়া মানে ,এই নয় যে তার পাশে শুয়ে শুয়ে আপনি মোবাইল দেখবেন 😊

তাকে সম্মান করা, সবার সামনে ও একান্তে

ছোট ছোট বিষয়ে কেয়ার দেখানো

তাকে নিরাপদ অনুভব করানো

স্ত্রীকে খুশি রাখা মানে বিলাসিতা না,
এটা দায়িত্বও না—
এটা ভালোবাসার স্বাভাবিক প্রকাশ।

যার জন্য একদিন এত যুদ্ধ করেছিলেন,
যাকে পাওয়ার জন্য এত অপেক্ষা করেছিলেন—
তাকে পেয়ে গেলে তো আরও বেশি আগলে রাখার কথা।

ভালোবাসা কখনো কমে যাওয়ার জিনিস না।
যে সত্যিই ভালোবাসে, সে পেয়ে গেলেও ভালোবাসে।
তার জন্য পরিপাটি থাকতে হয় না সেই সব অবস্থাতেই ভালবাসবে, আর হ্যাঁ এটাই হচ্ছে সত্যি কারের ভালোবাসা,

বিয়ের পর জীবন কঠিন হয়—এটা সত্য।
দায়িত্ব বাড়ে, রাগ-অভিমান হয়—এটাও স্বাভাবিক।
কিন্তু এই সব কিছুর মাঝেও
একটু কেয়ার, একটু সম্মান, একটু ভালোবাসা
একজন নারীর পুরো জীবন ভরে দিতে পারে।

আরেকটা বিষয়
স্ত্রী সন্তান ধারণ করলে তার শরীর, চেহারা বদলে যেতে পারে।
হয়তো তখন তাকে আগের মতো আকর্ষণীয় লাগবে না।

কিন্তু মনে রাখবেন—
এই পরিবর্তনটা হয়েছে আপনাকে “বাবা” ডাক শোনানোর জন্য।

আর চাইলে আপনিই তাকে আবার আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন।
সেখানে দরকার যত্ন, সময় আর সম্মান।
ভালোবাসা, প্রশংসা, সহযোগিতা—
এইগুলোর চেয়েও বড় কোনো সৌন্দর্য নেই।

যে পুরুষ স্ত্রীর পরিবর্তনের কারণ বোঝে,
সে কখনো ভালোবাসা কমায় না—
বরং আরও শক্ত করে আগলে রাখে।

আর যে নারী ভালোবাসা পায়,
সে নিজের স্বামী ছাড়া আর কাউকে খোঁজে না। ❤️

ছেলে সন্তান পেতে কোনো পদ্ধতি আছে কিনা? জানালেন ডা. তাসনিম জারাভারতীয় উপমহাদেশে ছেলে সন্তান পাওয়া নিয়ে মানুষের আগ্রহ অনেক...
25/12/2025

ছেলে সন্তান পেতে কোনো পদ্ধতি আছে কিনা? জানালেন ডা. তাসনিম জারা

ভারতীয় উপমহাদেশে ছেলে সন্তান পাওয়া নিয়ে মানুষের আগ্রহ অনেক। এ বিষয়ে সমাজে অনেক মিথ প্রচলিত আছে। প্রাচীনকালে অদ্ভূত কিছু পদ্ধতিও গ্রহণ করতেন নারী-পুরুষেরা। এখনও বিভিন্ন সমাজে এসবের প্রচলন রয়ে গেছে।

আসলে পুত্রসন্তান পাওয়ার জন্য সহবাসের সময় কোনো বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতি আছে কিনা? এমন প্রশ্নে জবাব দিয়েছেন ডা. তাসনিম জারা। এ বিষয়ে তিনি প্রাচীন ফ্রান্সের একটি উদাহরণ টানেন।

তিনি বলেন, আজ থেকে প্রায় ২০০-২৫০ বছর আগের কথা। ফ্রান্সের সম্ভ্রান্ত পরিবারের পুরুষরা তাদের বাঁদিকের অণ্ডকোষ বেঁধে রাখতেন। আবার কেউ কেউ অণ্ডকোষ কেটেও ফেলতেন যাতে পুত্রসন্তান হয়। এ কাজটা করার পেছনে তাদের একটা চিন্তা ছিল, বৈজ্ঞানিক শোনা যায় এমন একটা ব্যাখ্যাও ছিল।

ব্যাখ্যাটা হলো পুরুষের দুটি অণ্ডকোষ কাজ আলাদা। কেননা, অণ্ডকোশ দুটির আকার আলাদা, ডান দিকেরটা সাধারণত বড় থাকে। তাই তারা চিন্তা করতো ডান দিকের অণ্ডকোষ থেকে ছেলে হয় আর বাঁদিকে অণ্ডকোষ থেকে মেয়ে হয়। যেহেতু বাঁদিকের অণ্ডকোষ থেকে মেয়ে হয় তাই তারা সেটাকে কেটে ফেলতো বা বেঁধে রাখতো।

এই কাজটি করার পেছনে একটি কারণ ছিল, সেখানকার একজন বিজ্ঞানী তার বইয়ে লিখেছিলেন যে, এই অণ্ডকোষ কেটে ফেলা খুব সহজ একটা অপারেশন। দাঁত ফেললে যেমন ব্যথা লাগে এটি কাটলে ঠিক তেমনই একটু ব্যথা লাগবে। তাই অণ্ডকোষ কেটে ফেলা পুত্রসন্তান পাওয়ার একটি কার্যকর উপায় হতে পারে।

অন্যদিকে অণ্ডকোষ কাটার সাহস যাদের ছিল না তাদের জন্য ওই বিজ্ঞানী একটি উপায় বের করেছিলেন। সেটি হল- তাদের স্ত্রীরা সহবাসের পর যেন এক দিকে কাত হয়ে শুয়ে থাকে। পুরুষের যেমন অণ্ডকোষ দুইটা তেমনই মেয়েদেরও ডিম্বাশয় দুইটা থাকে। একদিকের ডিম্বাশয় ছেলে আর অন্য দিকেরটায় মেয়ে সন্তান হয়। সুতরাং যেই লিঙ্গের সন্তান সে চায় সেই দিকে সে কাত হয়ে শুয়ে থাকবে।

এই কথাগুলো বর্তমান সময় শুনতে খুব হাস্যকর শোনালেও তখনকার সময়ে এ পদ্ধতিটা খুবই জনপ্রিয় ছিল। ওই বিজ্ঞানীর লেখা সেই বইটির অনেকগুলো কপি বিক্রি হয়েছিল সে সময়। বইটির নাম ছিল ‘দ্য আর্ট অব হেভিং বয়েস’ অর্থাৎ পুত্রসন্তান পাওয়ার আর্ট।

পুত্রসন্তান পাওয়া জন্য যদি আপনাদেরকে কেউ কোনো চমকপ্রদ পদ্ধতির কথা বলে সেটা এড়িয়ে চলবেন। এটা এড়িয়ে চলাই ভালো। কেননা, এতে আপনার অর্থের ক্ষতি হতে পারে, সময়ের ক্ষতি হতে পারে এবং শারীরিক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। সত্যিকারার্থে ছেলে ও মেয়ে সন্তান জন্ম হওয়ার বিষয়টি পুরোটাই নির্ভর করে স্রষ্টার ইচ্ছার ওপর। এখানে মনুষ্য ইচ্ছার কোনো সুযোগ নেই।

মেয়েরা হঠাৎ করেই সহ*বাস করার সময় কেন  ঠান্ডা হয়ে যায় যেটা পুরুষ বুঝতেই পারে না!অনেক দম্পতির জীবনেই এটা ঘটেসব ঠিকঠাক ...
25/12/2025

মেয়েরা হঠাৎ করেই সহ*বাস করার সময় কেন ঠান্ডা হয়ে যায় যেটা পুরুষ বুঝতেই পারে না!
অনেক দম্পতির জীবনেই এটা ঘটে
সব ঠিকঠাক চলছিল, হঠাৎই স্ত্রী চুপ, নিস্তেজ, আগ্রহহীন।
পুরুষ তখন ভাবে,
“আমি তো কিছু ভুল করিনি!”
কিন্তু সত্যটা হলো ভুলটা চোখে দেখা যায় না, অনুভূতিতে ধরা দেয়। আর যেই ভুলটা পুরুষরা মানতে চায় না

সেই অদৃশ্য ভুলটা কী?
নারী উত্তেজিত হয় শরীর দিয়ে না, আগে মন দিয়ে।
আর বেশিরভাগ পুরুষ ভুল করে এখানেই।

🥰. নারী যখন মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন বোধ করে
সহবাস চলাকালীন যদি সে অনুভব করে
তাকে শোনা হচ্ছে না
তার প্রতিক্রিয়া গুরুত্ব পাচ্ছে না
সে শুধু “একটা শরীর”
তাহলে তার মস্তিষ্কে Oxytocin বন্ধ হয়ে যায়।
শরীর তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঠান্ডা হয়ে যায়।

🥰. তাড়াহুড়ো = নারীর আগ্রহ হত্যা
পুরুষ যদি শুধু নিজের উত্তেজনার গতিতে চলে,
পূর্ব স্পর্শ, ধীরে আগানো, চোখে চোখ রাখা বাদ দেয়
নারীর ভেতরে মনে হয়
“আমি প্রস্তুতই নই।”

ফলাফল?
শরীর বন্ধ, মন দূরে

🥰. যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেলে
নারী চায়
শব্দ
প্রশংসা
ফিসফিস
প্রতিক্রিয়া
পুরুষ চুপচাপ, মনোযোগহীন হলে
নারীর মনে প্রশ্ন জাগে
“ও কি আমাকে চায়, নাকি শুধু কাজটা শেষ করতে চায়?”
এই সন্দেহই তাকে ঠান্ডা করে দেয়।

🥰 আগের দিনের অভিমান, অসম্মান
সহবাস নারীর কাছে আলাদা কোনো ঘটনা না,
এটা দিনভিত্তিক আবেগের ধারাবাহিকতা।
দিনে যদি সে অবহেলিত হয়,
রাতে শরীর সাড়া দেয় না এটাই স্বাভাবিক।

✅ তাহলে করণীয় কী?
💘 ধীরে শুরু করুন
💘 তার প্রতিক্রিয়া দেখুন, শুনুন
💘 শব্দ ব্যবহার করুন
💘 চোখে চোখ রাখুন
💘 নিজের আনন্দের আগে তার অনুভূতি বুঝুন
মনে রাখবেন
নারী যদি গলে যায়, শরীর আপনাতেই জ্বলে ওঠে।
আর যদি ঠান্ডা হয়, সেটা অক্ষমতা নয় সেটা তার মনের অশান্তির কারণ!
তাই আগে বোনের শান্তি তারপরে দেহের শান্তি!

25/12/2025

মানুষের বিপদ কখন ঘটে? দেখুন

25/12/2025

এই কাজটি কি সঠিক? বিস্তারিত দেখুন।

25/12/2025

ছোট্ট একটি মেয়ে নিজে দাত ব্রাশ না করে মহিষকে দাত ব্রাশ করাচ্ছে!

25/12/2025

এই সেই বেগুন গাছ!

25/12/2025

একজন মা তার সন্তানের জন্য সব কিছু করতে পারে!

25/12/2025

চারিদিকে ছড়িয়ে আছে প্রলোভনের ফাঁদ!

Address

House No: 9/13 Radient I20, Flat No: 7B, Block No: B, Road No: 02
Dhaka
1212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Osman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share