Nuriya Tours & Travels

Nuriya Tours & Travels স্বাগতম "নূরিয়া হজ্ব ট্যুরস & ট্রাভেলস"
আমাদের অভিজ্ঞ টিম ও যত্নশীল সেবার মাধ্যমে আপনার হজ্ব ও উমরাহর পবিত্র যাত্রাকে করে আরামদায়ক ও শান্তিপূর্ন।

 #বীরে_শেফাযে কূপে রাসূল (সা ) এর থুতু মোবারক ফেলে ছিলেন।মদিনা থেকে প্রায় ১০২ কিলোমিটার দূরে বদর যুদ্ধের প্রান্তরের কাছ...
08/01/2026

#বীরে_শেফা
যে কূপে রাসূল (সা ) এর থুতু মোবারক ফেলে ছিলেন।
মদিনা থেকে প্রায় ১০২ কিলোমিটার দূরে বদর যুদ্ধের প্রান্তরের কাছে একটি কুয়া রয়েছে, যার নাম বিরে শিফা বা নিরাময় কুয়া। কুয়ার নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এর মহিমা। আরবি ‘বির’ অর্থ কুয়া এবং ‘শিফা’ অর্থ নিরাময় বা আরোগ্য। এই কুয়ার পানি রোগমুক্তি ও সুস্থতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। বদর যুদ্ধের পর এই কুয়ার পানি মহানবী (সা.)-এর একটি অলৌকিক মুজিজার মাধ্যমে বিষাক্ত ও লবণাক্ত অবস্থা থেকে সুপেয় ও সুস্বাদু পানিতে পরিণত হয়। আজও এই কুয়ার পানি মুসলমানদের জন্য রোগমুক্তির আশীর্বাদ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বিরে শিফা কুয়াটি মদিনা থেকে বদর যাওয়ার পথে মূল সড়ক থেকে প্রায় সাত কিলোমিটার ভেতরে একেবারে বদর যুদ্ধের প্রান্তরের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত। বদর যুদ্ধ ইসলামের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এই যুদ্ধে মুসলমানরা সংখ্যায় কম হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর সাহায্যে বিজয় লাভ করে। যুদ্ধ শেষে মহানবী (সা.) এবং তাঁর সাহাবিরা মদিনায় ফিরে আসার পথে পানির সংকটে পড়েন। তখন তাঁরা বিরে শিফা কুয়ার কাছে এসে পৌঁছান

সাহাবিরা কুয়া থেকে পানি তুলে দেখেন যে এর পানি অত্যন্ত লবণাক্ত ও বিষাক্ত। পিপাসায় কাতর সাহাবিরা মহানবী (সা.)-এর কাছে এই সমস্যার কথা জানান। তখন রাসুল (সা.) কুয়ার পাশে একটি পাথরের ওপর বসে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন এবং তাঁর পবিত্র থুতু কুয়ার পানিতে ফেলেন। আল্লাহর অশেষ করুণায় কুয়ার পানি সুপেয় ও সুমিষ্ট পানিতে পরিণত হয়।

কুয়ার পানি পান করার পর সাহাবিরা তাঁদের পিপাসা মেটান এবং অসুস্থ সাহাবিরা সুস্থতা লাভ করেন। এর পর থেকে এই কুয়া ‘শিফা’ বা আরোগ্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পায়। আজও অনেকে রোগমুক্তির আশায় কুয়ার পানি সংগ্রহ করেন। মদিনা থেকে দূরত্বের কারণে এটি একটি নির্জন ও শান্ত এলাকা। দর্শনার্থীরা এই কুয়ার পানি সংগ্রহ করে তা বোতলে ভরে দেশে নিয়ে যান। ফলে এই কুয়ার পানি পান করে তাঁরা শুধু পিপাসা মেটায় না, বরং তাঁদের মধ্যে আধ্যাত্মিক শান্তি ও প্রশান্তিও অনুভব করেন।

🕋 পবিত্র রমজানে উমরাহ পালনের সুযোগআপনি কি জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি বা রমজানে উমরাহ করতে চান?Nuriva Tours & Travels দিচ্ছে সীম...
04/01/2026

🕋 পবিত্র রমজানে উমরাহ পালনের সুযোগ

আপনি কি জানুয়ারি–ফেব্রুয়ারি বা রমজানে উমরাহ করতে চান?
Nuriva Tours & Travels দিচ্ছে সীমিত সময়ের বিশেষ অফার ✨

📅 ১৫ ফেব্রুয়ারি
💰 মাত্র ১,৭০,০০০ টাকা (স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজ)
⏳ মাত্র ২০টি সিট—দ্রুত বুক করুন!

📦 প্যাকেজে থাকছে:
✈️ এয়ার টিকিট | 🛂 ভিসা | 🏨 হোটেল | 🍽️ খাবার | 🚌 ট্রান্সপোর্ট
👳‍♂️ অভিজ্ঞ গাইড ও ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ

📢 হজ ২০২৭ প্যাকেজ নিবন্ধন চলছে

📞 এখনই যোগাযোগ করুন:
+8801804663331 | +8801617-444742

03/01/2026

আলহামদুলিল্লাহ, ২০২৬ সালের হজে যাওয়ার জন্য এ পর্যন্ত অনেকেই নক করেছেন। চেষ্টা করছি তাদের জন্য ব্যবস্থা করার, একান্ত ই না পারলে হয়ত ২০২৭ সালে যেতে হতে পারে । যারা ২০২৭ সালে হজ্বে যেতে চাচ্ছেন তারা এখনই প্রাক নিবন্ধন করে রাখুন। আল্লাহ পাক আমাদের সবাইকে সহি নিয়তে হজ ও ওমরার কার্যক্রমে যুক্ত হওয়ার তৌফিক দান করুন ।

31/12/2025
গত রাতে সায়ী করার জন্য তিল ধারণের জায়গা ছিলো না...আগামী কয়েকদিন আরো ভিড় বেশি হবে।যারা জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে উমরা...
23/12/2025

গত রাতে সায়ী করার জন্য তিল ধারণের জায়গা ছিলো না...
আগামী কয়েকদিন আরো ভিড় বেশি হবে।
যারা জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে উমরা পালনে যাবেন নিয়ত করেছেন, কিন্তু বুকিং কনফার্ম করছেন না এখনো, আপনারা দেরি করলে যেতে পারবেন কিনা সন্দেহ আছে।
বিস্তারিত জানতে 01979500076 নাম্বার এ WhatsApp msg দিন

🌴🌼এক নজরে উমরাহ🌼🌴এক নজরে উমরাহ: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব নিয়ম একসাথে।◈ মিকাত পাওয়ার আগেই ইহরাম বাধতে হবে। বাংলাদেশ থেকে ...
21/12/2025

🌴🌼এক নজরে উমরাহ🌼🌴

এক নজরে উমরাহ: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব নিয়ম একসাথে।

◈ মিকাত পাওয়ার আগেই ইহরাম বাধতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে যারা সরাসরি মক্কায় যাবেন
তাদের মিকাত ইয়ালামলাম,
যেটা জেদ্দা বিমানবন্দর পাওয়ার আগেই।
তাই এয়ারপোর্ট থেকেই ইহরাম বেধে যেতে হবে।
আর যারা প্রথমে মদিনায় যাবেন
তারা মদিনা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে
যুলহুলাইফা নামক মিকাতে গিয়ে ইহরাম বাধবেন।
এরপর উমরাহর নিয়ত করতে হবে।
اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ عُمْرَةً
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা 'উমরাতান।

◈ এরপর কাবা শরীফে প্রবেশের আগ পর্যন্ত তালবিয়াহ পড়তে হবে:

لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ ، لَا شَرِيْكَ لَكَ

উচ্চারণ: লাব্বাইকা আল্লা-হুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা- শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা অন নি'মাতা লাকা অল মুল্ক লা- শারীকা লাক।
অর্থ: আমি হাজির, হে আল্লাহ! আমি হাজির।
আমি হাজির, আপনার কোনো শরীক নেই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও নিয়ামত আপনারই এবং রাজত্বও আপনারই, আপনার কোনো শরীক নেই।

◈ মসজিদুল হারাম এ প্রবেশ করার দু'আ:
(যেকোনো মসজিদে প্রবেশের সময় এই দু'আ পড়তে হয়)
بِسْمِ اللّٰهِ وَ الصَّلَاةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰي رَسُوْلِ اللّٰهِ ، اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণ: বিসমিল্লা-হি অস সলা-তু অস সালা-মু 'আলা- রসূলিল্লা-হি, আল্লা-হুম্মাফ তাহলী আব অ- বা রহমাতিকা।
অর্থ: আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি।
সালাত ও সালাম রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর।
হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য আপনার রহমতের দরজা
উন্মুক্ত করে দিন।

◈ কা'বা ঘর দৃষ্টিগোচর হওয়া মাত্র বলতে হবে:
اَللّٰهُ اَكْبَر
আল্লা-হু আকবার

◈ তাওয়াফের শুরুতে 'হাজরে আসওয়াদ' এর দিকে হাত ইশারা করে বা চুমু খেয়ে বা স্পর্শ করে বলতে হবে:
بِسْمِ اللّٰهِ اَللّٰهُ اَكْبَرُ
বিসমল্লা-হি আল্লা-হু আকবার

◈ তাওয়াফের প্রতি চক্করে 'রুকনে ইয়ামানী' থেকে "হাজরে আসওয়াদ' পর্যন্ত স্থানে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তে হবে:
رَبَّنَآ اٰتِنَا فِي الدُّنْیَا حَسَنَۃً وَّ فِي الْاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ রব্বানা- আ-তিনা- ফিদ দুনইয়া 'হাসানাতাও অফিল আ-খিরাতি হাসানাতাও অকিনা 'আযা-বান্নার।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও ও আখিরাতে কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচাও।
আর বাকী ৩ পাশে যেকোনো দু'আ পড়া যায়।

◈ তাওয়াফ শেষ করে সম্ভব হলে "মাকামে ইব্রাহীম' এর পিছনে এসে নিম্নোক্ত আয়াতটি পড়তে হবে:
وَاتَّخِذُواْ مِنْ مَّقَامِ اِبْرٰهٖيْمَ مُصَلّٰي
অত্তাখিজু মিম মাকা-মি ইবরা-হীমা মুসল্লা
অর্থ: ইব্রাহীম এর দন্ডায়মান স্থানকে সালাতের স্থান হিসেবে
গ্রহণ করো।

◈ মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দুই রাকাত নামাজ: প্রথম রাকাতে সূরা কাফিরুন, দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ইখলাস পড়তে হয়।

◈ জম-জমের পানি পান করার সময়ের একটি ছোট্র দু'আ-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا وَاسِعًاوَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা 'ইলমান না-ফিআন অ রিযক্বান অ-সিআন, অ আমালান স-লিহা; অ শিফা-আন মিন কুল্লি দা-য়িন।
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন; আমাদের রিযিকে বরকত দিয়ে দিন; আমাদের নেক কাজ করার তাওফিক দান করুন; সকল অসুস্থতাতে শেফা বা সুস্থতা দান করুন’।

◈ জম-জম পানি পান করার পর হাজরে আসওয়াদের কাছে যাবেন, সম্ভব হলে ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন এবং চুমু খাবেন। হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করার সময়ে বলবেনঃ
بِسْمِ اللهِ، وَاللهُ أَكْبَرُ
(বিসমিল্লাহি অল্লাহু আকবার)
অথবা বলবেনঃ
اللهُ أَكْبَرُ
(আল্লাহু আকবার)

তারপর, সাঈ করার জন্য সাফা পাহাড়ের কাছে চলে যাবেন।

◈ সাঈ এর সময় সাফা পাহাড়ের নিকটবর্তী হয়ে নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করবেন:

إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللّٰهِ ، فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَّطَّوَّفَ بِهِمَا ، وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَاِنَّ اللّٰهَ شَاكِرٌ عَلِيْمٌ
ইন্নাস সফা- অল মারঅতা মিন শা'আইরিল্লাহ। ফামান হাজ্জাল বাইতা আও ই'তামারা ফালা- জুনা-হা 'আলাইহি আই ইয়াততওঅফা বিহিমা-, অমান তাতওঅফা খইরান। ফাইন্নাল্লা-হা শা-কিরুন 'আলীম।
অর্থ: নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হজ্জ অথবা উমরাহ করবে, তার জন্য এ দু'টি পাহাড় প্রদক্ষিণ করায় কোনো দোষ নেই। সুতরাং যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সৎকর্ম করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার যথার্থ মূল্যায়নকারী ও তার সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াতঃ ১৫৮)

◈ সাফা এবং মারওয়াতে নিম্নবর্ণিত দু'আটি পাঠপূর্বক দুই হাত তুলে অন্যান্য দু'আ করতে পারেন:
اَللّٰهُ اَكْبَرُ ، اَللّٰهُ اَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার অলিল্লাহিল হামদ।
لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ ، وَ هُوَ عَلٰي كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুল্ক অলাহুল হামদ অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।
لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَ نَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَ هَزَمَ الْاَحْزَابَ وَحْدَهٗ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু আনজাঝা অ'দাহু অ নাসারা আব্দাহু অ হাঝামাল আহঝা-বা অহদাহু।

◈ সাঈ এর সময় সবুজ আলোর জায়গাটুকুতে এই দু'আটি পড়তে হবে: সবুজ আলোর জায়গাটুকুতে একটু দৌড়াতে হবে এবং পড়তে হবে
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ ، إِنَّكَ أَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ
উচ্চারণঃ রব্বিগফির অরহাম, ইন্নাকা আনতাল আ'আঝঝুল আকরাম।
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন, রহম করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বাধিক শক্তিশালী ও সম্মানিত।

◈ সাঈ শেষ করে মসজিদুল হারাম থেকে বের হওয়ার দু'আ: (যেকোনো মসজিদ থেকে বের হওয়ার দু'আ)
بِسْمِ اللّٰهِ وَ الصَّلَاةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰي رَسُوْلِ اللّٰهِ ، اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ أَسْاَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি অস সলা-তু অসসালা-মু আলা রসূলিল্লা-হি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাডলিক।
অর্থ: আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ-এর উপর অনুগ্রহ ও শান্তি বর্ষণ কর। হে আল্লাহ! আমি তোমার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।

এরপর চুল কাটলেই উমরাহ শেষ হয়ে যাবে।

মদিনায় রাসূল সা. এর রওজায় সালাম পাঠ করাঃ

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া আইয়ুহাননাবী অ রহমাতুল্লাহি অ বারাকাতুহু।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া নাবীআল্লাহ।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া হাবীবাল্লাহ।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া খয়রা খলকিল্লাহ।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া সাইয়িদাল মুরসালীন।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া খ-তামান নাবিয়্যীন।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া রহমাতাল্লিল আলামীন।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া শা-ফীয়াল মুযনিবীন।

তারপর হযরত আবু বকর (রা.)-এর কবর বরাবর দাঁড়িয়ে পাঠ করতে হবে- আসসালামু আলাইকা ইয়া খলি-ফাতি রসূলুল্লাহি আবু বকর আস সিদ্দীক রাদিয়াল্লা-হু তায়ালা আনহু ।

তারপর হযরত উমর (রা.)-এর কবর বরাবর দাঁড়িয়ে পাঠ করতে হবে- আসসালামু আলাইকা ইয়া আমীরাল মু'মিনীর উমার ইবনুল খত্তা-ব রদিয়াল্লা-হু তায়ালা আনহু।

(সংগ্রিহীত)

21/12/2025

মাহে রমজান মাসে ওমরাহ ফুল প্যকেজ নিতে মোয়াল্লেম গন যোগাযোগ করুন
Nuriya Tours & Travels

19/12/2025

এক নজরে উমরাহ: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সব নিয়ম একসাথে।
◈ মিকাত পাওয়ার আগেই ইহরাম বাধতে হবে। বাংলাদেশ থেকে যারা সরাসরি মক্কায় যাবেন তাদের মিকাত ইয়ালামলাম, যেটা জেদ্দা বিমানবন্দর পাওয়ার আগেই। তাই এয়ারপোর্ট থেকেই ইহরাম বেধে যেতে হবে। আর যারা প্রথমে মদিনায় যাবেন তারা মদিনা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে যুলহুলাইফা নামক মিকাতে গিয়ে ইহরাম বাধবেন। এরপর উমরাহর নিয়ত করতে হবে।
اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ عُمْرَةً
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাব্বাইকা 'উমরাতান।

◈ এরপর কাবা শরীফে প্রবেশের আগ পর্যন্ত তালবিয়াহ পড়তে হবে:

لَبَّيْكَ اَللّٰهُمَّ لَبَّيْكَ ، لَبَّيْكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ لَبَّيْكَ ، إِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَ ، لَا شَرِيْكَ لَكَ

উচ্চারণ: লাব্বাইকা আল্লা-হুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা- শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা অন নি'মাতা লাকা অল মুল্ক লা- শারীকা লাক।
অর্থ: আমি হাজির, হে আল্লাহ! আমি হাজির। আমি হাজির, আপনার কোনো শরীক নেই, আমি হাজির। নিশ্চয়ই সকল প্রশংসা ও নিয়ামত আপনারই এবং রাজত্বও আপনারই, আপনার কোনো শরীক নেই।

◈ মসজিদুল হারাম এ প্রবেশ করার দু'আ: (যেকোনো মসজিদে প্রবেশের সময় এই দু'আ পড়তে হয়)
بِسْمِ اللّٰهِ وَ الصَّلَاةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰي رَسُوْلِ اللّٰهِ ، اَللّٰهُمَّ افْتَحْ لِيْ أَبْوَابَ رَحْمَتِكَ
উচ্চারণ: বিসমিল্লা-হি অস সলা-তু অস সালা-মু 'আলা- রসূলিল্লা-হি, আল্লা-হুম্মাফ তাহলী আব অ- বা রহমাতিকা।
অর্থ: আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। সালাত ও সালাম রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর উপর। হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য আপনার রহমতের দরজা উন্মুক্ত করে দিন।

◈ কা'বা ঘর দৃষ্টিগোচর হওয়া মাত্র বলতে হবে:
اَللّٰهُ اَكْبَر
আল্লা-হু আকবার
◈ তাওয়াফের শুরুতে 'হাজরে আসওয়াদ' এর দিকে হাত ইশারা করে বা চুমু খেয়ে বা স্পর্শ করে বলতে হবে:
بِسْمِ اللّٰهِ اَللّٰهُ اَكْبَرُ
বিসমল্লা-হি আল্লা-হু আকবার
◈ তাওয়াফের প্রতি চক্করে 'রুকনে ইয়ামানী' থেকে "হাজরে আসওয়াদ' পর্যন্ত স্থানে নিম্নোক্ত দোয়া পড়তে হবে:
رَبَّنَآ اٰتِنَا فِي الدُّنْیَا حَسَنَۃً وَّ فِي الْاٰخِرَۃِ حَسَنَۃً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِ
উচ্চারণঃ রব্বানা- আ-তিনা- ফিদ দুনইয়া 'হাসানাতাও অফিল আ-খিরাতি হাসানাতাও অকিনা 'আযা-বান্নার।
অর্থ: হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দাও ও আখিরাতে কল্যাণ দাও এবং আমাদেরকে জাহান্নামের আযাব থেকে বাঁচাও।
আর বাকী ৩ পাশে যেকোনো দু'আ পড়া যায়।
◈ তাওয়াফ শেষ করে সম্ভব হলে "মাকামে ইব্রাহীম' এর পিছনে এসে নিম্নোক্ত আয়াতটি পড়তে হবে:
وَاتَّخِذُواْ مِنْ مَّقَامِ اِبْرٰهٖيْمَ مُصَلّٰي
অত্তাখিজু মিম মাকা-মি ইবরা-হীমা মুসল্লা
অর্থ: ইব্রাহীম এর দন্ডায়মান স্থানকে সালাতের স্থান হিসেবে গ্রহণ করো।

◈ মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দুই রাকাত নামাজ: প্রথম রাকাতে সূরা কাফিরুন, দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ইখলাস পড়তে হয়।

◈ জম-জমের পানি পান করার সময়ের একটি ছোট্র দু'আ-
اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا وَرِزْقًا وَاسِعًاوَشِفَاءً مِنْ كُلِّ دَاءٍ
উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা 'ইলমান না-ফিআন অ রিযক্বান অ-সিআন, অ আমালান স-লিহা; অ শিফা-আন মিন কুল্লি দা-য়িন।
অর্থঃ ‘হে আল্লাহ! আপনি আমাদের উপকারী জ্ঞান দান করুন; আমাদের রিযিকে বরকত দিয়ে দিন; আমাদের নেক কাজ করার তাওফিক দান করুন; সকল অসুস্থতাতে শেফা বা সুস্থতা দান করুন’।

◈ জম-জম পানি পান করার পর হাজরে আসওয়াদের কাছে যাবেন, সম্ভব হলে ডান হাত দিয়ে স্পর্শ করবেন এবং চুমু খাবেন। হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করার সময়ে বলবেনঃ
بِسْمِ اللهِ، وَاللهُ أَكْبَرُ
(বিসমিল্লাহি অল্লাহু আকবার)
অথবা বলবেনঃ
اللهُ أَكْبَرُ
(আল্লাহু আকবার)
তারপর, সাঈ করার জন্য সাফা পাহাড়ের কাছে চলে যাবেন।

◈ সাঈ এর সময় সাফা পাহাড়ের নিকটবর্তী হয়ে নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করবেন:

إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللّٰهِ ، فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَّطَّوَّفَ بِهِمَا ، وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَاِنَّ اللّٰهَ شَاكِرٌ عَلِيْمٌ
ইন্নাস সফা- অল মারঅতা মিন শা'আইরিল্লাহ। ফামান হাজ্জাল বাইতা আও ই'তামারা ফালা- জুনা-হা 'আলাইহি আই ইয়াততওঅফা বিহিমা-, অমান তাতওঅফা খইরান। ফাইন্নাল্লা-হা শা-কিরুন 'আলীম।
অর্থ: নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্যতম। অতএব যে ব্যক্তি বায়তুল্লাহর হজ্জ অথবা উমরাহ করবে, তার জন্য এ দু'টি পাহাড় প্রদক্ষিণ করায় কোনো দোষ নেই। সুতরাং যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় সৎকর্ম করে, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার যথার্থ মূল্যায়নকারী ও তার সম্পর্কে সম্যক অবগত। (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াতঃ ১৫৮)

◈ সাফা এবং মারওয়াতে নিম্নবর্ণিত দু'আটি পাঠপূর্বক দুই হাত তুলে অন্যান্য দু'আ করতে পারেন:
اَللّٰهُ اَكْبَرُ ، اَللّٰهُ اَكْبَرُ ، وَلِلّٰهِ الْحَمْدُ
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার অলিল্লাহিল হামদ।
لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ لَا شَرِيْكَ لَهٗ ، لَهُ الْمُلْكُ وَ لَهُ الْحَمْدُ ، وَ هُوَ عَلٰي كُلِّ شَيْئٍ قَدِيْرٌ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুল্ক অলাহুল হামদ অহুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বদীর।
لَا اِلٰهَ اِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهٗ ، أَنْجَزَ وَعْدَهٗ ، وَ نَصَرَ عَبْدَهٗ ، وَ هَزَمَ الْاَحْزَابَ وَحْدَهٗ
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু অহদাহু আনজাঝা অ'দাহু অ নাসারা আব্দাহু অ হাঝামাল আহঝা-বা অহদাহু।

◈ সাঈ এর সময় সবুজ আলোর জায়গাটুকুতে এই দু'আটি পড়তে হবে: সবুজ আলোর জায়গাটুকুতে একটু দৌড়াতে হবে এবং পড়তে হবে
رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ ، إِنَّكَ أَنْتَ الْاَعَزُّ الْاَكْرَمُ
উচ্চারণঃ রব্বিগফির অরহাম, ইন্নাকা আনতাল আ'আঝঝুল আকরাম।
অর্থ: হে আমার প্রতিপালক! আমাকে ক্ষমা করুন, রহম করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বাধিক শক্তিশালী ও সম্মানিত।

◈ সাঈ শেষ করে মসজিদুল হারাম থেকে বের হওয়ার দু'আ: (যেকোনো মসজিদ থেকে বের হওয়ার দু'আ)
بِسْمِ اللّٰهِ وَ الصَّلَاةُ وَالسَّلاَمُ عَلٰي رَسُوْلِ اللّٰهِ ، اَللّٰهُمَّ اِنِّىْ أَسْاَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ
উচ্চারণঃ বিসমিল্লাহি অস সলা-তু অসসালা-মু আলা রসূলিল্লা-হি। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা মিন ফাডলিক।
অর্থ: আল্লাহর নামে আরম্ভ করছি। হে আল্লাহ! তুমি মুহাম্মাদ-এর উপর অনুগ্রহ ও শান্তি বর্ষণ কর। হে আল্লাহ! আমি তোমার অনুগ্রহ প্রার্থনা করছি।

এরপর চুল কাটলেই উমরাহ শেষ হয়ে যাবে।

মদিনায় রাসূল সা. এর রওজায় সালাম পাঠ করাঃ

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া আইয়ুহাননাবী অ রহমাতুল্লাহি অ বারাকাতুহু।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া নাবীআল্লাহ।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া হাবীবাল্লাহ।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া খয়রা খলকিল্লাহ।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া সাইয়িদাল মুরসালীন।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া খ-তামান নাবিয়্যীন।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া রহমাতাল্লিল আলামীন।

আসসলা-তু অসসালা-মু 'আলাইকা ইয়া শা-ফীয়াল মুযনিবীন।

তারপর হযরত আবু বকর (রা.)-এর কবর বরাবর দাঁড়িয়ে পাঠ করতে হবে- আসসালামু আলাইকা ইয়া খলি-ফাতি রসূলুল্লাহি আবু বকর আস সিদ্দীক রাদিয়াল্লা-হু তায়ালা আনহু ।

তারপর হযরত উমর (রা.)-এর কবর বরাবর দাঁড়িয়ে পাঠ করতে হবে- আসসালামু আলাইকা ইয়া আমীরাল মু'মিনীর উমার ইবনুল খত্তা-ব রদিয়াল্লা-হু তায়ালা আনহু।

19/12/2025

পবিত্র রমজানে ৬ টি সিডিউলে উমরাহ আগ্রহীদের বুকিং চলছে। মার্কেট থেকে ১০ হাজার ডিসকাউন্টে অনলী বিটুবি

হজ ২০২৬ সনের সৌদি সরকারের স্বাস্থ্য নির্দেশনায় উল্লেখিত গুরুতর রোগসমূহ সম্পর্কে হজযাত্রীদের অবহিতকরণ।
18/12/2025

হজ ২০২৬ সনের সৌদি সরকারের স্বাস্থ্য নির্দেশনায় উল্লেখিত গুরুতর রোগসমূহ সম্পর্কে হজযাত্রীদের অবহিতকরণ।

18/12/2025

২০২৬ সালে যারা বড় হজে যেতে চান ? কিন্তু সময় মত নিবন্ধন করেন নাই,
আমার কাছে কিছু কোঠা আছে। যাদের প্রয়োজন যোগাযোগ করতে পারেন। 01979500076 WhatsApp

17/12/2025

৮৫ দিনের উমরাহ ভিসা
এখন দিনে দিনেই হচ্ছে।
📥
0197950076 number WhatsApp

Address

Ka-158/C, Kuratoli High School, Kuril Biswa Road
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nuriya Tours & Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share