16/06/2026
মুহাররাম: ত্যাগ, সংযম ও শিক্ষা
মুহাররম মাস আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের স্মৃতি বহন করে—এক নতুন সূচনার, এক নতুন অধ্যায়ের, ইসলামের গৌরবময় উত্থানের সূচনা।
সাহাবায়ে কেরাম (রা.) তাদের সবকিছু ত্যাগ করে তাদের নবী ﷺ-কে অনুসরণ করেছিলেন, যেমন বনি ইসরাঈল মূসা (আ.)-কে অনুসরণ করেছিল। কিন্তু এই দুই দলের সফলতা ও ধ্বংসের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করেছিল তাদের নবীর নির্দেশনার প্রতি আনুগত্য।
সময় বদলেছে, মানুষ বদলেছে, যুগের ফেরাউনও বদলেছে; কিন্তু আল্লাহ এখনো সর্বশক্তিমান এবং সবকিছুর নিয়ন্ত্রণে আছেন। যদি (তাওয়াক্কুল) বা আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা লোহিত সাগরকে দ্বিখণ্ডিত করতে পারে, তবে তার তুলনায় আমাদের সমস্যাগুলোই বা কত বড়?
মুহাররম আমাদের ইসলামী বর্ষপঞ্জির চারটি সম্মানিত (পবিত্র) মাসের একটি। রাসূলুল্লাহ ﷺ মুহাররমকে “আল্লাহর মাস” বলে অভিহিত করেছেন।
হযরত মূসা (আ.)-এর জন্য লোহিত সাগর দ্বিখণ্ডিত হওয়া থেকে শুরু করে কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.)-এর শাহাদাত পর্যন্ত—আসলে মুহাররমের প্রকৃত বাস্তবতা কী?
এই প্রবন্ধে রয়েছে:
* হিজরি বর্ষপঞ্জির উৎপত্তি
* মুহাররমে করণীয়
* আশুরার বরকতময় দিন
* আশুরার রোজার বিভিন্ন ধাপ
* এটি কি শোকের দিন?
* সাহাবাদের গালি দেওয়া (তাবাররা)
* হুসাইন (রা.)-এর প্রতি ঐশ্বরিক গুণ আরোপ
* মিছিল বের করা, আত্মপ্রহার এবং তাজিয়া নির্মাণ
* “শুভ নববর্ষ” বলা কি উচিত?
* একটি গভীর উপদেশ: “দুঃখ করো না”
মুহাররম সম্পর্কে আরও পড়ুন:
https://www.noblepublication.com/muharram-and-ashura/
SHARE | কল্যাণ ছড়িয়ে দিন