Alhamdulillah I Am Muslim

Alhamdulillah I Am Muslim We love our Prophet Sallallahu Alaiha Wasallam, peace and blessings be upon him. Alhamdulillah we ar Assalam-o-alaikum wrwb.

Kindly share this page on your wall and help us grow. Jzakallah

If today we See Non-Islamic Page, Pages Of Entertainment and other Bad Pages we Share that and Quickly Like that but seeing Islamic Page we Skip them Now its up to you. Share this page

https://www.facebook.com/pages/Alhamdulillah-I-Am-Muslim/639083209436101 #!/pages/Alhamdulillah-I-Am-Muslim/639083209436101


আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার, আমরা তাঁর প্রশংসা করি এবং আমরা তাঁর কাছে সাহায্য চাই এবং তাঁর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁরই কাছে তওবা করি। তাঁরই কাছে আমাদের নফসের অমঙ্গল এবং মন্দ আমল হতে আশ্রয় চাচ্ছি।আল্লাহ তাআলা যাকে হিদায়েত দান করেন কেউ তাকে পথ ভ্রষ্ট করতে পারে না আর যাকে গোমরাহ করেন তাকে কেউ হিদায়াত দিতে পারে না। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি একক। তাঁর কোন শরীক নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও রাসূল। আল্লাহ সুবহানাহু তা’আলা তাঁর শেষ এবং চুড়ান্ত রাসূল মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, তাঁর পরিবার এবং তাঁর অনুসারীদের প্রতি শান্তি ও রহমত বষর্ণ করুন। আমিন!

মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেছেনঃ "যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎ কর্ম করে এবং বলে, আমি একজন আজ্ঞাবহ, তার কথা অপেক্ষা উত্তম কথা আর কার?" (আল কুরআন ৪১:৩৩)

02/08/2026

❝ *দোয়া কবুল হওয়ার ২৯টি স্থান, ক্ষেত্র ও সময়ঃ* - ❞

১) *সুরা ফাতিহা পাঠ করার পর, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* ।(মুসলিম-৮০৬)
২) *অনুপস্থিত ব্যক্তির জন্য দু'আ, কোন মুসলিমের অগোচরে অন্য মুসলিমের জন্য দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়।* (মুসলিম-৬৮২২)
৩) *জালিমের বিরুদ্ধে মাজলুম ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়* । (তিরমীযি-৩৪৪৮)
৪) মা *-বাবা তার সন্তানের জন্য দু'আ করলে দোয়া কবুল হয়* । (তিরমীযি-৩৪৪৮)
৫) *নেককার সন্তানের দু'আ কবুল হয়* । (বাবা-মায়ের জন্য তাদের মৃত্যুর পর)। (আবু দাউদ-২৮৮০)
৬) *আরাফাতের ময়দানে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* । (তিরমীযি-৩৫৮৫)
৭) *বিপদগ্রস্ত অসহায় ব্যক্তির দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়* । (সূরা নমল৬২,৫৭ ও সূরা ইসরার ৬৭ নাম্বার আয়াত)
৮) *সেজদায় দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* । (নাসায়ী১০৪৫)
৯) *হজ্জের স্থানসমূহের দু'আ তাড়াতাড়ি কবুল হয়* । যেমন: আরাফাহ, মুজদালিফা, মিনা...। (ইবনে মাজাহ-২৮৯২)
১০) *হজ্জ করা অবস্থায় হাজ্জীর দু'আ কবুল হয়* । (ইবনে মাজাহ-২৮৯৩)
১১) *উমরাহ করার সময় উমরাহকারীর দু'আ কবুল হয়* । (নাসায়ী-২৬২৫)
১২) *আযানের পর দু'আ কবুল হয়* । (তিরমীযি-২১০)
১৩) *ক্বিতাল চলাকালীন সময় দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* । (আবু দাউদ-২৫৪০)
১৪) *বৃষ্টি বর্ষণকালে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* । (আবু দাউদ-২৫৪০)
১৫) *শেষ রাতের দু'আ, তাহাজ্জুদের সময়কার দু'আ কবুল হয়।* বুখারী-১১৪৫)
১৬) *জুম্মার দিনে দু'আ কবুল হয়, আসরের শেষ দিকে তালাশ করার জন্য নির্দেশ আছে* । (নাসায়ী-১৩৮৯)
১৭) *লাইলাতুল ক্বদরের রাত্রির দু'আ কবুল হয়* । (বুখারী ও মুসলিম)
১৮) *আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়কার দু'আ কবুল হয়* । (আহমাদ-১৪৬৮৯, মুসলিম-৬৬৮)
১৯) *ফরয সালাতের শেষ অংশে দু'আ করলে কবুল হয়* । (সালাম ফিরানোর আগে)। (রিয়াদুস স্বালেহীন ১৫০৮, তিরমীযি-৩৪৯৯)
২০), *মুসাফিরের দু'আ কবুল হয়* । (সফর অবস্থায়)। (তিরমীযি-৩৪৪৮)
২১) *রোজাদার ব্যক্তির দু'আ কবুল হয়* । (রোজা অবস্থায়)। (ইবনে মাজাহ-১৭৫২)
২২) *ন্যায়পরায়ণ শাসকের দু'আ কবুল হয়* । (তিরমীযি-২৫২৬)
২৩) *দু'আ ইউনুস পাঠ করে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়।* (তিরমীযি-৩৫০৫) দোয়া ইউনুস: লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুনতুম মিনাজ জোয়ালিমীন।
২৪) *ইসমে আযম পড়ে দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* । (ইবনে মাজাহ-৩৮৫৬)
ইসমে আযম: *আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস-আলুকা বি-আন্না লাকাল হামদু লা ইলাহা ইল্লা আন্তা ওয়াহ'দাকা লা-শারীকা লাকাল মান্না-ন। ইয়া বাদীআস সামা-ওয়াতি ওয়াল - আরদ্বি ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম। ইয়া হা'ইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম* । (নাসাঈ-১৩০০)
[হাদিস শরীফে মোট তিনটি ইসমে আযম এসেছে, যে কোন একটি পড়লেই হবে, তবে এটিই বেশি প্রচলিত]
২৫) *বিপদে পতিত হলে যে দু'আ পড়া হয়* (ইন্না লিল্লা-হি... রাজিউন) এবং (আল্লা-হুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি ওয়া ওয়াখলিফলী খইরাম মিনহা...) তখন দু'আ কবুল হয়। (মিশকাতুল মাসীবাহ-১৬১৮, মুসলিম -৯১৮)
২৬) *জমজমের পানি পান করার পর দু'আ করলে কবুল হয়* । (ইবনে মাজাহ-৩০৬২, আহমদ৩/৩৫৭)
২৭) *নির্যাতীত ব্যাক্তি দু'আ করলে দু'আ কবুল হয়* । (তিরমীযি-৩৪৪৮) ২৮) যখন তোমরা মোরগের ডাক শুনবে, তখন তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ চাইবে (দোয়া করবে), কেননা সে একটি ফেরেশতা দেখেছে। (বুখারী (ফাতহুল বারীসহ), ৬/৩৫০, নং ৩৩০৩; মুসলিম, ৪/,২০৯২, নং ২৭২৯)
২৯) *দু'হাত তুলে দোয়া করা, কারণ আল্লাহ বান্দার খালি হাত ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন* । (আবু দাউদ-১৪৮৮)

01/08/2026

হাদীস: عن أبي زَيدٍ أُسَامَةَ بنِ زيدِ بنِ حارثةَ مَوْلَى رسولِ الله – صلى الله عليه وسلم – وحِبِّه وابنِ حبِّه رضي اللهُ عنهما، قَالَ: أرْسَلَتْ بنْتُ النَّبيِّ – صلى الله عليه وسلم – إنَّ ابْني قَد احْتُضِرَ فَاشْهَدنَا، فَأَرْسَلَ يُقْرىءُ السَّلامَ، ويقُولُ: «إنَّ لله مَا أخَذَ وَلَهُ مَا أعطَى، وَكُلُّ شَيءٍ عِندَهُ بِأجَلٍ مُسَمًّى فَلتَصْبِرْ وَلْتَحْتَسِبْ». فَأَرسَلَتْ إِلَيْهِ تُقْسِمُ عَلَيهِ لَيَأتِينَّهَا. فقامَ وَمَعَهُ سَعْدُ بْنُ عُبَادَةَ، وَمُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ، وَأُبَيُّ بْنُ كَعْبٍ، وَزَيْدُ بْنُ ثَابتٍ، وَرجَالٌ – رضي الله عنهم – فَرُفعَ إِلَى رَسُول الله – صلى الله عليه وسلم – الصَّبيُّ، فَأقْعَدَهُ في حِجْرِهِ وَنَفْسُهُ تَقَعْقَعُ، فَفَاضَتْ عَينَاهُ فَقالَ سَعدٌ: يَا رسولَ الله، مَا هَذَا؟ فَقالَ: «هذِهِ [ص:26] رَحمَةٌ جَعَلَها اللهُ تَعَالَى في قُلُوبِ عِبَادِهِ» وفي رواية: «فِي قُلُوبِ مَنْ شَاءَ مِنْ عِبَادِهِ، وَإِنَّما يَرْحَمُ اللهُ مِنْ عِبادِهِ الرُّحَماءَ».
অনুবাদ: হযরত উসামা ইবনে যায়দ রাযি. থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মাওলা (আযাদকৃত গোলাম) যায়দ ইবনে হারিছা রাযি.–এর পুত্র এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রিয়পাত্র ও প্রিয়পাত্রের পুত্র। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক কন্যা তাঁর কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার পুত্র মৃত্যুমুখে উপনীত। আপনি আমাদের কাছে আসুন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম পাঠের সাথে বলে পাঠালেন যে, আল্লাহ তা'আলা যা–কিছু গ্রহণ করেছেন তা তাঁরই এবং তিনি যা–কিছু দিয়েছেন তাও তাঁরই। তাঁর কাছে প্রত্যেক বস্তুর একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে। কাজেই সে যেন ধৈর্যধারণ করে এবং আল্লাহর কাছে প্রতিদানের আশা রাখে। কিন্তু তিনি (অর্থাৎ তাঁর কন্যা) তাঁকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলে পাঠালেন যে, অবশ্যই যেন তিনি তাঁর কাছে আসেন। সুতরাং তিনি উঠলেন এবং তাঁর সংগে ছিলেন সা'দ ইবনে ‘উবাদা রাযি., মু'আয ইবনে জাবাল রাযি., উবাঈ ইবনে কা'ব রাযি., যায়দ ইবনে ছাবিত রাযি. ও আরও কয়েক ব্যক্তি। (তিনি সেখানে পৌঁছলে) শিশুটিকে তাঁর কাছে তুলে দেওয়া হল। তিনি তাকে নিজের কোলে বসালেন। তখন তার প্রাণ ছটফট করছিল। তা দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হতে থাকল। হযরত সা'দ রাযি. বলে উঠলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কী? তিনি বললেন, এটা রহমত, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তরে স্থাপিত করেছেন। অপর এক বর্ণনায় আছে, তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে চেয়েছেন তার অন্তরে স্থাপিত করেছেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা দয়াশীল, তাদের প্রতি দয়া করে থাকেন ।
ব্যাখ্যা: এ হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক কন্যার পুত্র মুমূর্ষু অবস্থায় ছিলেন। কোন কন্যার পুত্র, তা বলা হয়নি। তাঁর কন্যাসন্তান ছিলেন চারজন। তারা হলেন যথাক্রমে যায়নাব রাযি., রুকাইয়া রাযি. উম্মু কুলসুম রাযি. ও ফাতিমা রাযি.। কোনও কোনও বর্ণনায় হযরত যায়নাব রাযি.-এর কথা বলা হয়েছে। হযরত যায়নাব রাযি.-এর স্বামী ছিলেন আবুল-'আস ইবনুর রাবী' রাযি.। ‘আলী ও আবূ উমামা নামে তাঁদের এক পুত্র ও কন্যাসন্তান ছিল। খুব সম্ভব তাঁদের পুত্র ‘আলী রাযি. মুমূর্ষু অবস্থায় উপনীত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আসতে অনুরোধ করা হয়েছিল। অপরাপর বর্ণনাদৃষ্টে হাফেজ ইবন হাজার ‘আসকালানী রহ.-এর মতে অসুস্থ ছিলেন হযরত উমামা রাযি.। এ বর্ণনায় পুত্রসন্তানের কথা থাকলেও কোনও কোনও বর্ণনায় শিশুকন্যার উল্লেখ আছে। মুসনাদে আহমাদের বর্ণনায় স্পষ্টভাবেই যায়নাব রাযি.-এর কন্যা উমামা রাযি.-এর নাম বলা হয়েছে। এক বর্ণনায় আছে, হযরত উছমান রাযি. ও নবীকন্যা হযরত রুকাইয়া রাযি.-এর পুত্র আব্দুল্লাহ রাযি. শৈশবে মারা গেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে কোলে তুলে নিয়েছিলেন। তখন তাঁর চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছিল এবং তিনি বলেছিলেন, আল্লাহ তা'আলা তাঁর দয়ালু বান্দাদের প্রতি দয়া করে থাকেন। আবার অন্য এক বর্ণনায় হযরত ফাতিমা রাযি.-এর পুত্র মুহাসান ইবন 'আলী রাযি. অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আসতে অনুরোধ করেছিলেন। অসম্ভব নয় ঘটনা একাধিকবার ঘটেছিল। অথবা সঠিক এটাই যে, হযরত উমামা রাযি.-ই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন এবং সেজন্যে তাঁর মা যায়নাব রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আসতে বলেছিলেন। বর্ণনায় যে পুত্রের কথা বলা হয়েছে, তা হয়তো কোনও বর্ণনাকারীর ভুল।

হযরত যায়নাব রাযি. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আসতে অনুরোধ করেছিলেন সম্ভবত এই আশায় যে, হয়তো তাঁর উপস্থিতি ও দু'আর বরকতে আল্লাহ তা'আলা তাকে আরোগ্য দান করবেন। তাছাড়া পিতানবী কাছে থাকলে তিনি মনে শক্তি ও সাহস পাবেন।

কিন্তু প্রথমবার নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলেন না। বরং সবরের উপদেশ দিয়ে পাঠালেন। তাঁর যাতে সবর করা সহজ হয় সেজন্যে বললেন, আল্লাহ তা'আলা যা নিয়ে যান তার মালিক তো তিনিই এবং তিনি যাকে যা দেন নিজ মালিকানা থেকেই দেন। যাকে দেন তার কাছে তা আমানতমাত্র। আমানতের মাল যদি মালিক নিয়ে যান, তাতে দুঃখিত হওয়া উচিত নয়। বরং এই ভেবে সান্ত্বনা বোধ করা উচিত যে, এই সম্পদের তো আমি মালিক ছিলাম না। আল্লাহ তা'আলাই মেহেরবানী করে আমাকে দান করেছিলেন। আমার কাছে যতদিন ছিল আমানতস্বরূপ ছিল। এখন সে সম্পদ তাঁর প্রকৃত মালিকের কাছেই ফিরে গেছে। তা নষ্ট হয়নি বা হারিয়েও যায়নি। কতদিন আমার কাছে তা থাকবে তাও তিনি স্থির করে রেখেছিলেন। সেই স্থিরীকৃত সময়েই তিনি তা নিয়ে নিয়েছেন। কাজেই তার এ যাওয়া অসময়ে যাওয়া নয়, সঠিক সময়েই আপন মালিকের কাছে চলে গেছে। এভাবে চিন্তা করলে সম্পদ ও সন্তান হারানোর কারণে অন্তরে অস্থিরতা থাকে না; বরং সান্ত্বনা ও স্বস্তি লাভ হয় এবং সবরের কারণে ছওয়াবও পাওয়া যায়। নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রিয় কন্যাকে সেই ছওয়াব লাভের আশায় ধৈর্যধারণের উপদেশ দান করেছেন।

প্রিয় কন্যা যায়নাব রাযি, তাঁর এ উপদেশ অবশ্যই গ্রহণ করেছিলেন এবং নিশ্চয়ই ধৈর্যও ধারণ করেছিলেন। তারপরও তিনি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের আসার জন্যে পীড়াপীড়ি করতে থাকেন। এবং তিনি যেন অবশ্যই আসেন, কসমের সাথে সেই অনুরোধ জানান। এর কারণ সম্ভবত যেমনটা বলা হয়েছে তাঁর আগমন দ্বারা মনে শক্তি পাওয়া এবং তাঁর দু'আর বরকতে সন্তানের সুস্থ হয়ে উঠার আশা থাকা। এরূপ আশা করা সবরের পরিপন্থী নয়। আল্লাহ তা'আলা তাঁর সে আশা পূরণও করেছিলেন। হযরত উমামা রাযি. আরোগ্য লাভ করেন। এমনকি নবী কারীম সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের ওফাতের পরও তিনি জীবিত থাকেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের অত্যন্ত প্রিয়পাত্রী ছিলেন। তিনি তাঁকে কোলে নিয়ে নামাযও পড়তেন। হযরত ফাতিমা রাযি.-এর ওফাতের পর তাঁরই অসিয়ত হযরত আলী রাযি. তাঁকে বিবাহ করেন। হযরত আলী রাযি. শহীদ হওয়ার পরও তিনি জীবিত ছিলেন। আহত অবস্থায় হযরত আলী রাযি. অসিয়ত করেছিলেন, তিনি বিবাহ করতে চাইলে যেন মুগীরা ইবন নাওফাল রাযি.-কে করেন। মুগীরা রাযি. ছিলেন নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের চাচা হারিছের পুত্র। অসিয়ত অনুযায়ী হযরত মুগীরা রাযি.-এর সাথে হযরত হাসান রাযি, তাঁর বিবাহ সম্পাদন করেন। মুগীরা রাযি.-এর ঔরসে তিনি এক পুত্রসন্তান জন্ম দেন। তাঁর নাম ইয়াহইয়া। তাঁর বিবাহাধীন থাকা অবস্থায়ই হযরত উমামা রাযি, ইন্তিকাল করেন।
যাহোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ পর্যন্ত ঘনিষ্ঠ কয়েকজন সাহাবীকে সংগে নিয়ে হযরত যায়নাব রাযি.-এর বাড়িতে আসলেন। অসুস্থ শিশুকে তাঁর কোলে তুলে দেওয়া হল। শিশুটির মুমূর্ষু অবস্থায় নিঃশ্বাস চলে গিয়েছে। যন্ত্রণায় ছটফট করছে। তা দেখে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের মমতাময় প্রাণ বিগলিত হল। আদরের নাতনীর কষ্টে তাঁরও মন কষ্টে ভরে গেল। তাঁর থেকে পানি ঝরতে লাগল।

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম শোকে-দুঃখে সবর করতে বলতেন। কোনও কোনও বর্ণনায় আছে, তিনি কাঁদতে নিষেধ করেছেন। অথচ এখানে দেখা যাচ্ছে তিনি নিজেই কাঁদছেন। এতে হযরত সা'দ ইবন ‘উবাদা রাযি.-এর মনে খটকা জাগল। তাই তিনি প্রশ্নই করে বসলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি যে কাঁদছেন? নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, এ কান্না হল রহমত ও দয়ার প্রকাশ, যা আল্লাহ তাঁর বান্দাদের অন্তরে রেখে দিয়েছেন। অর্থাৎ মানবমনে যেহেতু সৃষ্টিগতভাবেই দয়া মায়া আছে, তাই শোকে-দুঃখে কাঁদা স্বাভাবিক। এ কান্না সে দয়া-মায়ারই প্রকাশ। এতে কোনও দোষ নেই এবং এটা সবরেরও পরিপন্থী নয়। দোষ হচ্ছে বিলাপ করা ও সীমালংঘন করা। বুক চাপড়ানো, জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলা, নিয়তিকে গালমন্দ করা ইত্যাদি কাজগুলোই সীমালংঘন ও সবরের পরিপন্থী। এসব না করে যদি কেউ ব্যথিতের বেদনায় অশ্রু প্রবাহিত করে, সেটা দোষের তো নয়ই; বরং প্রসংশনীয় কাজ হবে। কেননা অন্যের বেদনায় ব্যথিত হওয়া আল্লাহর কাছে পসন্দনীয়, যেমন এ হাদীছে নবী সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, আল্লাহ তাঁর ওই বান্দাদের প্রতি দয়া করেন, যারা অন্যের প্রতি দয়াশীল।
রেফারেন্স: সহীহ বুখারী, হাদীস নং: ১২৮৪

01/08/2026

আয়াত: وَلَنَبْلُوَنَّكُمْ بِشَيْءٍ مِنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنْفُسِ وَالثَّمَرَاتِ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ
অনুবাদ: আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব (কখনও) কিছুটা ভয়–ভীতি দ্বারা, (কখনও) ক্ষুধা দ্বারা এবং (কখনও) জান–মাল ও ফল–ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। সুসংবাদ শোনাও তাদেরকে, যারা (এরূপ অবস্থায়) সবরের পরিচয় দেয়।
তাফসীর: বিপদে ধৈর্যধারণঃ আল্লাহ্ তা’আলার তরফ থেকে বান্দাদের যে পরীক্ষা নেওয়া হয়, তার তাৎপর্য কোরআন وَإِذِ ابْتَلَى إِبْرَاهِيمَ رَبُّهُ আয়াতের তফসীরে বর্ণিত হয়েছে। কোন বিপদে পতিত হওয়ার আগেই যদি সে সম্পর্কে সংবাদ দিয়ে দেওয়া হয়, তবে সে বিপদে ধৈর্য ধারণ সহজতর হয়ে যায়। কেননা, হঠাৎ করে বিপদ এসে পড়লে পেরেশানী অনেক বেশি হয়। যেহেতু আল্লাহ্ তা’আলা সমগ্র উম্মতকে লক্ষ্য করেই পরীক্ষার কথা বলেছেন, সেহেতু সবার পক্ষেই অনুধাবন করা উচিত যে, এ দুনিয়া দুঃখ-কষ্ট সহ্য করারই স্থান। সুতরাং এখানে যেসব সম্ভাব্য বিপদ-আপদের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোকে অপ্রত্যাশিত কিছু মনে না করলেই ধৈর্যধারণ করা সহজ হতে পারে। এ উম্মত পরীক্ষায় সমগ্র উম্মত সমষ্টিগতভাবে উত্তীর্ণ হলে পর সমষ্টিগতভাবেই তার পুরস্কার দেওয়া হবে; এ ছাড়াও সবরের পরীক্ষায় ব্যক্তিগত পর্যায়ে যারা যতটুকু উত্তীর্ণ হবেন, তাদের ঠিক ততটুকু বিশেষ মর্যাদাও প্রদান করা হবে।

বিপদে ’ইন্নালিল্লাহ্’ পাঠ করাঃ আয়াতে সবরকারিগণের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, তারা বিপদের সম্মুখীন হলে ’ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পাঠ করে। এর দ্বারা প্রকৃতপক্ষে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে যে, কেউ বিপদে পড়লে যেন এ দু‘আটি পাঠ করে। কেননা, এরূপ বলাতে একাধারে যেমন অসীম সওয়াব পাওয়া যায়, ঠিক তেমনি যদি অর্থের প্রতি যথাযথ লক্ষ্য রেখে পাঠ করা হয়, তবে বিপদে আন্তরিক শান্তিলাভ এবং তা থেকে উত্তরণও সহজতর হয়ে যায়। তাফসীরে মাআ'রিফুল কুরআন
রেফারেন্স: সূরা আল বাকারা, আয়াত নং: ১৫৫

03/07/2026

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

"কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে অন্যতম বড় গুনাহ হলো মানুষ নিজের পিতা-মাতাকে গালি দেওয়া (অথবা তাদের প্রতি লা'নতের কারণ হওয়া)।"
সাহাবিগণ জিজ্ঞেস করলেন: "হে আল্লাহর রাসুল! একজন মানুষ কীভাবে নিজের পিতা-মাতাকে গালি দেয়?"
তিনি বললেন:
"সে অন্য একজনের পিতাকে গালি দেয়। ফলে সে তার পিতাকে গালি দেয়। আবার সে অন্যজনের মাকে গালি দেয়। ফলে সে তার মাকে গালি দেয়।"
এটি Sahih al-Bukhari-এর হাদিস নং ৫৯৭৩-এ বর্ণিত হয়েছে। এছাড়াও Sahih Muslim-এও একই অর্থের হাদিস রয়েছে।

22/06/2026

🌿 ফজরের সুন্নত নামাজে সূরা পাঠ 🌿

হযরত মুহাম্মদ ﷺ এর একটি সুন্নত হলো—
তিনি ফজরের সুন্নত নামাজে সাধারণত সূরা আল-কাফিরুন এবং সূরা আল-ইখলাস তিলাওয়াত করতেন।

তবে কেউ যদি এই দুই সূরা ছাড়া অন্য কোনো সূরা পড়েন, তাতেও নামাজ সহিহ হবে। এতে কোনো সমস্যা নেই।

কিন্তু এই সুন্নত অনুসরণ করে সূরা আল-কাফিরুন ও সূরা আল-ইখলাস পড়লে বেশি সওয়াব পাওয়া যায়, কারণ এতে প্রিয় নবী ﷺ এর সুন্নত পালন করা হয়।

✨ তাই আমরা চেষ্টা করব ফজরের সুন্নত নামাজে এই সুন্নতটি পালন করতে।

22/06/2026

ঘুম থেকে ওঠার দোয়া 🌿

﴿ اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ ﴾

🕊️ বাংলা উচ্চারণ:

আলহামদু লিল্লাহিল্লাযী আহইয়ানা বা’দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশূর।

📖 অর্থ:

“সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের (নিদ্রারূপ) মৃত্যুর পর পুনরায় জীবন দান করেছেন। আর তাঁর কাছেই আমাদের পুনরুত্থান ও ফিরে যাওয়া।”

🌸 প্রতিটি সকাল আল্লাহর পক্ষ থেকে নতুন একটি সুযোগ।
ঘুম থেকে জেগে ওঠার পর সর্বপ্রথম আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি, কারণ তিনিই আমাদের জীবন, সময় ও প্রতিটি নতুন দিনের নিয়ামত দান করেছেন।

হে আল্লাহ! আজকের দিনটি আমাদের জন্য কল্যাণময় করুন, আমাদের গুনাহ ক্ষমা করুন, ঈমানের উপর অটল রাখুন এবং আপনার সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমীন। 🌿

✨ আলহামদুলিল্লাহ, আরেকটি সকাল, আরেকটি সুযোগ—আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের জন্য। ✨

22/06/2026

ফজরের নামাজ কাজা হলে কখন পড়বেন? ভিডিওটি শেয়ার করে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
#ফজরের_কাজা_নামাজ #নামাজ

22/06/2026

রাগ এমন এক অনাকাঙ্ক্ষিত মেঘ, যা মুহূর্তের মধ্যে মানুষের ভেতরকার সবটুকু আলো আর শান্তি কেড়ে নেয়।

অবলীলায় আচ্ছন্ন করে ফেলে আমাদের খাঁটি ঈমান আর সুস্থ বিবেককে। যখনই আমরা রাগের তীব্র আবেগে নিজেদের সঁপে দিই, তখনই আমাদের অজান্তে আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু, শয়তান, আমাদের ভুল পথে পরিচালিত করার সুযোগ পেয়ে যায়। প্রিয় ভাই ও বোন, রাগ যখন আপনার মনে ভর করতে শুরু করবে, যখন মনে হবে চারপাশের পরিস্থিতি আপনার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে—ঠিক সেই মুহূর্তেই একটু থমকে দাঁড়ান। এই অশান্ত মনকে শান্ত করার জন্য আমাদের চমৎকার কিছু পথ দেখিয়েছেন প্রিয় নবীজি (সা.)।

১. ‘আউযুবিল্লাহ’র আশ্রয় নিন। যখনই মনের ভেতর রাগের আনাগোনা টের পাবেন, তখনই গভীর বিশ্বাসে উচ্চারণ করুন: “আউজু বিল্লাহি মিনাশ শাইত্বানির রাজীম” (আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি)। এটি কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়; এটি সরাসরি আল্লাহর কাছে এক আত্মিক প্রার্থনা। শয়তান যখন আপনার বিবেককে এলোমেলো করতে চায়, তখন আল্লাহর নামের এই পরম আশ্রয় আপনাকে শান্তিতে আগলে রাখবে।

২. অবস্থান পরিবর্তন করুন। রাগ এক অবস্থায় স্থির থাকলে তা মনকে আরও বেশি আচ্ছন্ন করে। আপনি যদি দাঁড়ানো থাকেন, তবে বসে পড়ুন। যদি বসে থাকেন, তবে শুয়ে পড়ুন। অথবা সেই জায়গাটি ছেড়ে ক্ষণিকের জন্য দূরে সরে যান। অবস্থান পরিবর্তনের এই ছোট্ট সিদ্ধান্তটি আপনার মনকে শান্ত করতে এবং একটি ভুল সিদ্ধান্ত থেকে আপনাকে বাঁচাতে দারুণভাবে কাজ করবে।

৩. ওযু করে নিন। রাগ হলো এক ধরণের অস্থিরতা, যা ভেতরের শান্তিকে নষ্ট করে দেয়। আর এই অস্থিরতা দূর করতে পানির স্পর্শের চেয়ে চমৎকার আর কী হতে পারে? যখনই রাগ নিয়ন্ত্রণহীন মনে হবে, তখনই সুন্দর করে ওযু করে নিন। ওযুর প্রতিটি পানির ফোঁটা শুধু আপনার ক্লান্তিই দূর করবে না, বরং আপনার আত্মার ভেতরের সেই অশান্ত ভাবকেও দূর করে এক অপার্থিব প্রশান্তি এনে দেবে। মানুষ হিসেবে আমাদের আবেগ থাকবে, রাগও আসবে। কিন্তু সেই রাগের কাছে নিজের ঈমান আর সুন্দর বিবেককে হারিয়ে যেতে দেবেন না। রাগ দিয়ে কখনো কোনো সুন্দর সমাধান হয় না, বরং তা আমাদের সুন্দর সম্পর্কগুলোতে দূরত্ব তৈরি করে। পরের বার যখনই রাগ আপনার মনের দরজায় কড়া নাড়বে, নিজেকে মনে করিয়ে দিন, "আমি রাগের দাস নই, আমি আল্লাহর বান্দা।" নিজেকে শান্ত করুন, পরম মমতায় নিজের আত্মাকে শান্তির আলোয় ফিরিয়ে আনুন।

20/06/2026

*যারা সাইয়্যেদুল ইস্তিগফার ও সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত পারেন না তাদের জন্য দেওয়া হলো দেখে পড়ে নিবেন ইন শা আল্লাহ*🌸🍀

◦•●◉✿ *সায়্যিদুল ইস্তিগফার*✿◉●•◦
●☆■° *ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুয়া* ۩۩●•٠·

*اَللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّىْ لآ إِلهَ إلاَّ أَنْتَ خَلَقْتَنِىْ وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوْذُبِكَ مِنْ شَرِّمَا صَنَعْتُ، أبُوْءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَىَّ وَأَبُوْءُ بِذَنْبِىْ فَاغْفِرْلِىْ، فَإِنَّهُ لاَيَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلاَّ أَنْتَ*

*`উচ্চারণ~` আল্লা-হুম্মা আংতা রব্বী, লা- ইলা-হা ইল্লা আংতা খলাক্বতানী, ওয়া আনা ‘আবদুকা ওয়া আনা ‘আলা ‘আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাত্ব‘তু, আ‘ঊযুবিকা মিন শার্ রি মা ছনা‘তু। আবু-উ লাকা বিনি‘মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবু-উ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহূ লা ইয়াগফিরুয্ যুনু-বা ইল্লা আংত।🌷*

◦•●◉✿ *সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত*✿◉●•◦

*هُوَ اللّٰهُ الَّذِیْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚ عٰلِمُ الْغَیْبِ وَ الشَّهَادَةِ ۚ هُوَ الرَّحْمٰنُ الرَّحِیْمُ۝۲۲ هُوَ اللّٰهُ الَّذِیْ لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا هُوَ ۚ اَلْمَلِكُ الْقُدُّوْسُ السَّلٰمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَیْمِنُ الْعَزِیْزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ ؕ سُبْحٰنَ اللّٰهِ عَمَّا یُشْرِكُوْنَ۝۲۳ هُوَ اللّٰهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ لَهُ الْاَسْمَآءُ الْحُسْنٰی ؕ یُسَبِّحُ لَهٗ مَا فِی السَّمٰوٰتِ وَ الْاَرْضِ ۚ وَ هُوَ الْعَزِیْزُ الْحَكِیْمُ۠۝۲۴*

`উচ্চারণ~`
*হুয়াল্লাহুল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়া, 'আলিমুল গায়বি ওয়াশ্-শাহাদাহ, হুয়ার-রাহ্‌মানুর রাহিম।*

*হুয়াল্লাহুল্লাযি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল-মালিকুল কুদ্দুসুস-সালামুল-মু’মিনুল-মুহাইমিনুল-‘আযীজুল-জাব্বারুল-মুতাকাব্বির। সুবহানাল্লাহি ‘আম্মা ইউশরিকূন।*

*হুয়াল্লাহুল-খলিকুল-বারিউল-মুসাওয়িরু। লাহুল-আস্মাউল-হুসনা। ইউসাব্বিহু লাহু মা ফিস-সামাওয়াতি ওয়াল আরদ্‌। ও হুয়াল-‘আযীজুল-হাকীম।🌹✨*

*🌼আয়াতুল কুরসী📚*

*[اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لَا تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلَا نَوْمٌ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ مَنْ ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلَّا بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلَا يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِنْ عِلْمِهِ إِلَّا بِمَا شَاءَ وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ وَلَا يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ]*

*উচ্চারণ:*
*আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম*
*লা তাখুযুহু সীনাতুঁ ওয়ালা নাউম*
*লাহু মা ফিসসামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ*
*মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ ইন্দাহু ইল্লা বিইযনিহি*
*ইয়া'লামু মা বাইনাইদীহিম ওয়া মা খলফাহুম*
*ওয়া লা ইউহীতূনা বিশাই-ইন মিন ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ*
*ওয়া সি'আ কুরসিইয়্যুহুসসামাওয়াতি ওয়াল আরদ*
*ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফযুহুমা*
*ওয়া হুয়াল আলিইউল*🌺 *আযীম*🌻



🫀🌺: _*তওবা-*

*_আস্তাগফিরুল্লাহ্-হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি,লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম*_

*أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لَا إِلٰهَ إِلَّا هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ*

পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ 🌺🫀

04/06/2026

দেহ থেকে রুহু বের হয়ে যাচ্ছে বোধয়
এমন কষ্ট হয় তবুও
হাসবুনাল্লাহু ওয়ানিমাল ওয়াকিল☺❤️
ইনশাল্লাহ.!

Address

690, 1st Floor, Ibrahimpur 80 Dag, Kafrul, Dhaka Cantonment, Mirpur
Dhaka
1206

Telephone

+8801717612981

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alhamdulillah I Am Muslim posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category