Amjad Hossain Rifat

Amjad Hossain Rifat Amjad Hossain Rifat এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ

14/09/2026

জিন্নাহর নাম শুনলে যাদের অস্বস্তি হয়, তাদের মূল কষ্টটা জিন্নাহকে নিয়ে নয়; তাদের কষ্ট মুসলমানদের স্বাধীন রাজনৈতিক সত্তা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন নিয়ে।

১৯৪৭ সালে পাকিস্তান না হলে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ হতোনা।

আজকের বাংলাদেশ না হলে তোমাদের যারা নেতা হয়েছেন তাদের রাজনৈতিক পরিচয় থাকতো শুভেন্দু অধিকারী কিংবা মমতা ব্যানার্জীর কর্মী। তোমাদের অবস্থান কোথায় থাকতো এবার চিন্তা করে দেখো।

আজ যারা বড় বড় আমলা হয়েছেন তাদেরকে কেরানী হয়েই সন্তুষ্ট থাকা লাগতো।

এটা জিন্নাহর বাংলাদেশ না, তবে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের ভিত্তি কায়েদে আজম জিন্নাহ স্থাপন করে গেছেন সেই ১৯৪৭ সালে দ্বিজাতিতত্ত্বের মাধ্যমে।

আজকে ছাত্রদলের সহযোগিতায় বাম নেতা তৈয়ব যে ছবিটি ভাংচুর করেছে, এটি হলো ভারতমাতাকে ভেঙে টুকরো টুকরো করার দলিল। রাম রাজত্ব...
14/09/2026

আজকে ছাত্রদলের সহযোগিতায় বাম নেতা তৈয়ব যে ছবিটি ভাংচুর করেছে, এটি হলো ভারতমাতাকে ভেঙে টুকরো টুকরো করার দলিল। রাম রাজত্ব করতে না পারার জন্য কান্না করতেছে।

এই ঐতিহাসিক ছবিটি ১৯৪০ সালের মার্চ মাসে লাহোরে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব সম্মেলনের সময় তোলা।

ছবিতে থাকা উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দ হলেন:

১. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
২. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক (যিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন)
৩. বেগম মাওলানা মোহাম্মদ আলী (সামনের সারিতে বাম দিকে বোরকা পরিহিত একমাত্র নারী সদস্য)
৪. চৌধুরী খালিকুজ্জামান
৫. স্যার খাজা নাজিমুদ্দিন (সামনের সারিতে স্যুট পরা অবস্থায়)
৬. নওয়াবজাদা লিয়াকত আলী খান (পেছনের সারিতে, চশমা পরিহিত (পরবর্তীতে পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী)
৭. স্যার সিকান্দার হায়াত খান (পাঞ্জাবের তৎকালীন প্রিমিয়ার/মুখ্যমন্ত্রী)
৮. মৌলানা জাফর আলী খান
৯. সর্দার আওরঙ্গজেব খান
১০. স্যার আবদুল্লাহ হারুন
১১. আই আই চুন্দ্রিগড় (ইব্রাহিম ইসমাঈল চুন্দ্রিগড়)
১২. কাজী মোহাম্মদ ঈসা
১৩. আবদুল মতিন চৌধুরী
১৪. হাজী ছাত্তার সেঠ (হাজী আবদুস সাত্তার সেঠ)
১৫. সৈয়দ আবদুর রউফ শাহ
১৬. নবাব মোহাম্মদ ইসমাইল খান

এই ছবিতে মূলত উপমহাদেশের তৎকালীন শীর্ষস্থানীয় মুসলিম নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সুতরাং ছাত্রদলের গণেশদের ক্ষোভটা কেন বুঝতে পারছেন তো?

যেই সময় জিন্নাহ দিল্লীতে বসে লর্ড মাউন্টব্যাটেন, নেহরু আর পেটেলদের সাথে  মুসলিমদের জন্য আলাদা একটা রাষ্ট্রের জন্য দরকষাক...
14/09/2026

যেই সময় জিন্নাহ দিল্লীতে বসে লর্ড মাউন্টব্যাটেন, নেহরু আর পেটেলদের সাথে মুসলিমদের জন্য আলাদা একটা রাষ্ট্রের জন্য দরকষাকষি করছিলো তখন এই অঞ্চলের ৯৯.৯৯% ফকিন্নিদের দিল্লীর ফুটপাথে গিয়ে বসার সুযোগ ছিল না।

ব্রিটিশ ইন্ডিয়া থেকে পূর্ব পাকিস্তানের সৃষ্টি না করা গেলে গত ৫৪ বছরে যতো এম্পি মন্ত্রী, আমলা-কামলা হওয়া ৯৯% ই অবিভক্ত ভারতে কেরানির হওয়ার যোগ্যতা রাখতো না। হিন্দু জমিদারদের জুতার নিছে থাকতে হতো এদের অধিকাংশকে।

সেই বাঙ্গালী মুসলিমদের একটা অংশ জিন্নাহকে গালি দেয় কারণ সে বলেছে 'উর্দুই একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে'। এটুকুতেই এদের জ্ঞান সীমাবদ্ধ। জিন্নাহ এই কথা বলেছে ১৯৪৮ সালে অথচ জিন্নাহ কিভাবে জিন্নাহ হয়েছে তার নূন্যতম ধারণা এদের নাই।

কেউ কেউ আবার আরেক কাঠি সরস, জিন্নাহকে নিয়ে যেকোনো আলোচনার ক্রেডিট এরা জামাতকে দিয়ে দেয় অথচ জামাতের আদর্শিক নেতা মউদুদি ৪৭শে পাকিস্তান তৈরির বিরোধিতা করেছিলো।

যেই শেখ মুজিব নিজেই পাকিস্তান তৈরির আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন সেই মুজিবপোনারাই জিন্নাহকে গালি দেয়।

এমন মূর্খদের কে উদ্ধার করবে অজ্ঞতার অতল গহ্বর থেকে ?

14/09/2026

ভাষা আন্দোলনের ঐ নিন্দিত উক্তি ছাড়া জিন্নাহর আদি ও আসল পাপ মূলতঃ 'অখণ্ড ভারত' তত্ত্ব ও ব্রাহ্মণ্যবাদের ওপর মোক্ষম রাজনৈতিক আঘাত। রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে না পারার দুঃখ, গ্লানি, বেদনা সব যুক্ত হয়েছিল তখন জিন্নাহ ঘৃণায়। এখন অখণ্ড ভারত তত্ত্বের সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বরকন্দাজরা এবং বলিউড-পড়ুয়া এপারের ইতিহাসবিদরা জিন্নাহ ঘৃণায় সর্বস্ব বিনিয়োগ করছে।

জিন্নাহর রাজনীতির ক্রিটিক আছে। খোদ বাংলাতেই আছে। শেরে বাংলা ফজলুল হক। ইন্টারেস্টিংলি, ডাকসুতে যে ছবিগুলো আজ ভাঙা হলো, সেখানের একটিতে শেরে বাংলাকেও জিন্নাহর পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। সকল ক্রিটিক সত্ত্বেও জিন্নাহ যে উপমহাদেশের মুসলমানদের রাজনীতির প্রধানতম নেতা ছিলেন, সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ-শক নাই। ইতিহাস বলে খোদ শেখ মুজিবও নাকি জিন্নাহর মৃত্যুতে হাউমাউ করে কেঁদেছিলেন।

আজকে ব্রাহ্মণ্যবাদের বরকন্দাজদের হাঙ্গামা জিন্নাহর ওপর দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী আমলে ভাসানী, শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দীর ওপরও গেছে। তখন আমাদের স্বাধীনতা-সংগ্রামের এই আইকনিক ফিগার ও ফাউন্ডিং ফাদার্সদের প্রতি চূড়ান্ত অবিচার করা হয়েছে।

অথচ শেখ মুজিব নিজেও জিন্নাহ ও সোহরাওয়ার্দীর কর্মী ছিলেন। ফ্যাসিবাদী আমলে আল্লামা ইকবালের নাম নিলেও 'পাকিস্তানি' ট্যাগ খাওয়া লাগতো। অথচ বেচারা ইকবাল পাকিস্তান হওয়ারও প্রায় ১০ বছর আগে জান্নাতবাসী হন। ফলে এসব ঘৃণার উৎস কোনো ঐতিহাসিকতার ভিত্তিতে নয়; বরং আদর্শিক।

একটা নোক্তা। জিন্নাহকে জামায়াত সংশ্লিষ্ট কেউ আপহোল্ড করলে বিপদ হবেই। কারণ জামায়াত এই জিন্নাহর বিরুদ্ধেই রাজনীতি করে গেছে। উইদাউট হিস্টোরিক্যাল রিভিয়্যু,তাদের জিন্নাহপন্থি বনে যাওয়া রাজনৈতিক ও আদর্শিক অসততা।

কিন্তু জামায়াত সংশ্লিষ্ট কেউ জিন্নাহ সেলিব্রেট করলেই তো জিন্নাহর কৃতিত্ব ও অবদান ভুল হয়ে যায় না। ফলে, লড়াই চলবে। এই লড়াই বহুদিনের। এই অখণ্ড ভারতীয় ব্রাহ্মণ্যবাদী সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক বরকন্দাজদের বিরুদ্ধে লড়ে গেছেন শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, আবুল হাশিম, আবুল মনসুর। আমরাও লড়ে যাবো।

পশ্চিমবঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী, আসামে হেমন্ত বিশ্বশর্মা, যোগী আদিত্যনাথরা যতোবার মসজিদ-মাদ্রাসা-মক্তব বন্ধ করবে, যতোবার মুসকানদের হিজাবে টান দিবে, যতোবার গরু গোস্ত রাখার অভিযোগে মুসলিম পিটিয়ে খুন করবে, যতোবার দলিতদের ওপর নির্মমতা নেমে আসবে, ততোবার মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ প্রাসঙ্গিক থাকবে। যখন অতো ছবি-টবির চল ছিল না, তখনও বাংলায় জিন্নাহর নামে ভোটের ক্যাম্পেইন হইতো। "বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি" বইয়ের মোটা ও পুরু ঢাল দিয়ে জিন্নাহকে ঢাকা যাবে না।

14/09/2026

৪৭ ছাড়া ৭১ কল্পনাও করা যায় না,
আর জিন্নাহ ছাড়া ৪৭ কল্পনাও করা যায় না।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেরে বাংলা, শেখ মুজিব, আর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানদের পথিকৃৎ ছিলেন কায়েদে আ'জম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
বাংলা ভাষা নিয়ে কায়েদে আ'জম এর সমালোচনা করতে পারবেন, কিন্তু বাংলাদেশের জন্ম ৪৭এর দ্বিজাতিতত্ত্বের ফসল, যার পেছনে একজন অনমনীয় জিন্নাহ ছিলেন, তা অস্বীকার করতে পারবেন না।

যারা জানেন না,
তারা আবুল মনসুর আহমেদ এর
'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' পড়ুন।

১৯৪৭ সালে অখণ্ড ভারতের স্বপ্নদোষ উপহার দিয়ে একজন বলেছিলেন, "We Eat What They Worship"এরপর ১৯৪৮ সালে তিনি মারা গেছেন, তব...
14/09/2026

১৯৪৭ সালে অখণ্ড ভারতের স্বপ্নদোষ উপহার দিয়ে একজন বলেছিলেন, "We Eat What They Worship"

এরপর ১৯৪৮ সালে তিনি মারা গেছেন, তবুও একদলের কান্না থামছেই না। দ্বি-জাতিতত্ত্বের গুরুত্ব বুঝতে হলে দেখতে হবে ভারতের মুসলমানদের অবস্থা— সরকারি চাকরি মুসলমানরা করতে পারবে না, মাদ্রাসা বন্ধ, মসজিদ ভাঙা, গরু খাওয়া যাবে না, মেয়েরা হিজাব পরতে পারবে না।

অথচ প্রতি বছর কোটি ডলার আয় করে আরব বিশ্বে গরুর গোশত বিক্রি করে।
আমায় পুরো বিশ্বে একজন মুসলিম দেখাতে পারবেন যে অন্য কেউ শুকর খেয়েছে বলে মারছে?

এদিকে, 'বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়' বইতে নাকি জিন্নাহ রাজাকার, '৭১-এ মানুষ মারছে! কেমনে রে ভাই, লজিক মিলছে? কবরে থেকে কি তা সম্ভব?
জিন্নাহর নাম শুনলে এখনো রঠা/নেহরুর ছেলেদের স্বপ্নদোষ হয়, কারণ অখণ্ড ভারতের দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হয়েছিল।

আজও দুপুরে গরু দিয়ে খেয়েছি, আহা কী ট্যাসসস!

19/03/2026

দিল্লি না ঢাকা.??

ঢাকা ঢাকা ❤️

Address

Dhaka
3700

Telephone

+13157405117

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amjad Hossain Rifat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share