13/08/2026
৬২০ টাকা আর এক ভাইরাল ম্যানের কাহিনী
অনেকদিন আগের কথা। ঢাকার এক কসাই প্রথমে ৬০০ টাকা কেজি দরে পাবলিকরে গরুর মাংস গিলাইলো। আমিও ভাবলাম—ভালো জিনিস কম দামে পেলে ক্ষতি কী! কিন্তু সেই সুখ বেশিদিন টিকলো না। এরই মধ্যে ভাই বাঙালিরে মরা ব্রাহমার টেস্টও করাইলো, ১২০০ টাকা কেজি দরে। পাবলিক দালাল ইউটিউমারদের উসিলায় সেইটাও গিল্লা খাইলো।
এরপর সেই আম-আদমি ধীরে ধীরে ভাইরাল ম্যান-এ রূপান্তরিত হইলো। ভাইরালের বাতাস খিলগাঁও হয়ে মিরপুর, সেখান থেকে কসাইটুলিতে গিয়ে ঠেকলো। যাক, সেটা বড় কথা না।
কাহিনী হইলো—বাঙালি পাবলিক এত টাকা পায় কই?
৫৫০০ টাকা কেজি দরে উটের মাংস কিনে খায়। আবার ভাইরাল ম্যান এখন ৪০০০ টাকা কেজি দরে দুম্বা নিয়ে আসছে—সেটাও পাবলিক লাইনে দাঁড়িয়ে খাবে। 🥴
কিন্তু আমার একটা ছোট্ট অভিযোগ আছে।
যে পাবলিক ৫৫০০ টাকা কেজি উটের মাংস খাওয়ার জন্য লাইন দেয়, ৪০০০ টাকা কেজি দুম্বার মাংস খাওয়ার জন্যও লাইন দেয়, সেই একই পাবলিককে কোরবানির সময় দেখি একেবারে অন্য রূপে।
তখন শুরু হয় এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা—কীভাবে খামারি, গৃহস্থ কিংবা গরুর বেপারিরে পটু মাইরা ৫০০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস খাওয়া যায়! 😑
অর্থাৎ, ৫৫০০ টাকার উটের মাংসে কোনো সমস্যা নাই, ৪০০০ টাকার দুম্বাতেও কোনো সমস্যা নাই; কিন্তু কোরবানির গরুর দাম একটু বেশি হলেই শুরু হয় দরদাম, কান্নাকাটি আর বেপারিরে ঠকানোর মহড়া!
তাই মাঝে মাঝে ভাবি—এই যে এত কোরবানির প্রতিযোগিতা, আসলে কোরবানি হয়টা কার?
গরুর, নাকি আমাদের বিবেকের?
বাকি কথা আল্লাহই ভালো জানেন। 😌
ব্রাহমা হইলো, উঠ হইলো, দুম্বা হইলো এখন শুধু হরিন হইলেই খেলা জমে ক্ষীর🤲
#উঠ #ভাইরাল #দুম্বা #গরু #খলিল